মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:১৯ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
মহাজোট সরকারের ইসলাম বিরোধী কার্যক্রম একটি পর্যালোচনা (২৮/০১/২০১২)
ভারত আমাদের জাতিসত্তা নির্মূল করতে চায় (০৭/০১/২০১২)
স্বাধীনতার চল্লিশ বছর ও মানবাধিকার (১৮/১২/২০১১)
সংবিধানের চতূর্থ সংশোধনী ও পরাধীন বিচার ব্যবস্থা (১০/০৯/২০১১)
স্বাধীনতা সুরক্ষায় মহানবী (সাঃ)এর আদর্শ (২৭/০৮/২০১১)
সেকুলার আদর্শকে তাত্ত্বিকভাবে চ্যালেঞ্জ করা প্রয়োজন (১৩/০৮/২০১১)
নির্বাসিত মানবাধিকার (১৬/০৭/২০১১)
আন্তর্জাতিক হিজাব দিবস ও বাংলাদেশ (০২/০৭/২০১১)
বোরকা নিষিদ্ধের পথে বাংলাদেশ (০৪/০৯/২০১০)
আগের লেখা
1


বাংলাদেশে ইসলামের বিরুদ্ধে ক্রুসেড!

মুহাম্মদ সেলিম

২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ বাংলাদেশের সংখ্যা গরিষ্ট মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর আঘাত আসতে শুরু করে। শুধু তাই নয় পরিবর্তনের অঙ্গীকার করে ক্ষমতায় সে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ সকল ক্ষেত্রে ইসলাম ও দেশের স্বার্থকে বিকিয়ে দেয়ার এক নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে।

আমাদের বাংলাদেশে ইসলাম বিরোধী তৎপরতা ইদানিং যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে তা বৃটিশ শাসন আমলেও হয়নি। অবস্থা দেখলে মনে হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মন্ত্রী, কিছু শিক্ষক, কিছু কিছু প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া কত জঘন্য ভাবে কোরান এবং রাসুল (সাঃ) এর বিরুদ্ধে কথা বলতে পারবে রীতিমত এর একটা প্রতিযোগীতাই শুরু করেছে বাংলাদেশে। বিশেষ করে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘‘ফতোয়াবাজি অব্যাহত, পুলিশকে সংবেদনশীল হতে হবে’’ শিরোনামে প্রকাশিত সম্পাদকীয়তে বিবাহিত নারীর সঙ্গে পরপুরুষের মেলামেশাকে সহজভাবে মেনে না নেয়ার মানসিকতাকে প্রথম আলো কুসংস্কার, সামাজিক অনগ্রসরতা, অশিক্ষা এবং সর্বোপরি নারীর প্রতি পুরুষতান্ত্রিক সমাজের চিরায়ত বিদ্বেষ বলে করা মন্তব্য সরাসরি ইসলামের ওপর আঘাত। কেননা ইসলামই তা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) হতে বর্ণিত রাসূলূল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘‘তোমরা স্বামীর অনুপস্থিতিতে কোন মহিলার নিকট গমন করবে না। কেননা শয়তান তোমাদের প্রত্যেকের ভিতর রক্তের ন্যায় বিচরণ করে।’’ (দ্রষ্টব্য : তিরমিযী শরীফ, ২য় খন্ড, ২৬৪ পৃষ্ঠা), এমনকি কোন জরুরি প্রয়োজনেও বেগানা নারীর সামনে না গিয়ে পর্দার আড়াল থেকে প্রয়োজন সমাধা করার জন্য ইসলাম নির্দেশ দিয়েছে। এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘‘আর যখন তোমরা তাদের (বর্ণিত নারীদের) কাছ থেকে কোন জিনিস চাইবে, তা পর্দার আড়ালে থেকে চাও। এটা তোমাদের অন্তর ও তাদের অন্তরের জন্য অধিক পবিত্রতার বিষয়।’’ (সূরাহ আহযাব, আয়াত : ৫৩)। আমাদের সমাজে এর কুফল হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে জাতি, বিবাহিত নারীর সঙ্গে পরপুরুষের মেলামেশার মেলামেশার কারণে পরকীয়ার টানে নিজের ঔরষজাত সন্তানকে হত্যা করা এক মহামারিতে রূপ নিয়েছে। মতিউর রহমান সাহেব এর আগে রাসূল (সা.)-এর ব্যঙ্গ কার্টূন প্রকাশ করে দেশময় সমালোচিত হয়েছিলেন। সারাদেশে আন্দোলনের তীব্রতা টের পেয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে সেবার রক্ষা পেয়েছিলেন। এখন আবার ইসলামের স্পর্শকাতর বিষয়ে সম্পাদকীয় লিখে জাতিকে জারজ বানানোর যে খেলায় মেতে উঠেছেন তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

একশ্রেণীর ইসলাম বিদ্বেষী বুদ্বিজীবিদের স্পর্ধা এত বেশি বেড়েছে মনে হয় ইসলাম এবং মুসলিম এ দুটো চরম জঘন্য, এর অনুসারিরা কোন মানুষের শ্রেণীতে পরেনা। বামপন্থী বুদ্বিজিবী শাহরিয়ার কবির বুক ফুলিয়ে বললেন বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ভাবে ইসলামকে পৃষ্টপোষকতা দেয়ার কোন প্রয়োজন নেই কারণ এটী মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী। কলকাতার লেখক হিরণ্ম কার্লাইলের "Bangladesh is the next Afghanistan’’ বইটির প্রশংসা শাহরিয়ার কবির করেছিলেন ১৬ কোটি বাংলাদেশীদের মধ্যে। প্রসগতঃ ‘’সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের’’ নামে আমেরিকা যেভাবে আফগানিস্তান, ইরাক দখল করে তাদের পুতুল সরকার হামিদ কারজাইকে বসিয়েছে ঠিক তেমনি ভাবে বাংলাদেশকে জঙ্গী রাষ্ট্র বানানো গেলে হয়তো হয়তও শাহরিয়ার কবিরদের স্বপনের ধর্মহীন রাষ্ট্র বানানো সম্ভব হবে। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার শওকত আলী ঢাকার এক গোল টেবিল বৈঠকে বলেছেন, কালো এবং কুৎসিত মেয়েরা শুধু পর্দা করে। একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি এধরনের মন্তব্যে সমগ্র জাতি হতবাক হয়েছে। পর্দা করা মুসলিম মেয়েদের উপর ফরজ অবশ্য পালনীয় এ বিধান কেউ বন্ধ করতে পারেনা। গণতান্ত্রিক সমাজে ধর্মীয় অধিকার নিয়ে কথা বলা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লংঘন। এমনকি শেখ হাসিনার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় ২০০৮সালের ১৯ নভেম্বার ইহুদী লেখক কার্ল কিওবাক্কোর সাথে ‘’হাবার্ড ইন্টারন্যাশনাল রিভিউ’’-তে ‘’Stemming the Rise of Islamic Extremism in Bangladesh’’ শীর্ষক জার্নালে বাংলাদেশে বোরকা বিক্রির হার বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

তারই ধারাবাহিকতাই ধর্মনিরপেক্ষতার দাবিদার বর্তমান সরকার ইসলাম ধর্ম ধ্বংসের জন্য বারবার আঘাত করেই চলছে। বোরকা পরিধান করা মেয়েদের কে পুলিশ ধারা এরেষ্ট করে জঙ্গী বানোর চেষ্টা করা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বোরকা পরিধান করা মেয়েদেরকে হেনস্থা করা, ক্লাস করতে না দেয়া, এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১০ জন বোরকা পরিধান করা মেয়েদের কে আবাসিক হল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।

শুধু তাই নয় উত্তরায় অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজির কয়েকজন ছাত্র পরীক্ষায় পাস করা সত্ত্বেও তাদের ফেল দেখানো হয়েছে। অপরাধ তারা পাজামা, পাঞ্জাবি ও মাথায় টুপি পরে, মুখে দাড়ি আছে। এ ধরনের পোশাক পরার কারণে কয়েকজন ছাত্রের আইডি কার্ড জব্দ করা হয়। তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে হয় পাজামা, পাঞ্জাবি ও টুপি ছাড়তে হবে, না হয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়তে হবে। পাজামা, পাঞ্জাবি ও টুপিকে পরিত্যাগ করার বিষয়ে লিখিত আকারে জানানোর পর কার্ড ফেরত দেয়া হবে। গেটের দারোয়ান ডেকে এসব ছাত্র দেখিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে তারা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে না পারে। পাজামা, পাঞ্জাবি ও টুপি পরে যারাই ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাচ্ছেন তাদের সবার ক্ষেত্রে একই নির্দেশ। ঘটনার এখানেই শেষ নয়। নির্দেশ অমান্য করে পাজামা, পাঞ্জাবি ও টুপি পরে আসায় পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে না দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে কারো কারো ক্ষেত্রে। একই কারণে ছাত্রদের ক্লাস থেকেও বের করে দেয়া হয়েছে।

বোরকা পরার কারণে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার গোলাম হোসেন সরকার কলেজ অঙ্গন থেকে বের করে দিয়েছেন দীর্ঘ দিন ধরে পরে আসা কলেজের এক ছাত্রী সুমাইয়া ইসলামকে। অধ্যক্ষ বলেন, ‘’বোরকা অ্যালাউ করা সম্ভব নয়।’

ধর্মীয় নিয়ম ও অনুভূতির প্রতি সম্মান সব দেশে করা হয়। শিখরা ভারতে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। সে দেশের সেনাবাহিনীতেও ধর্মীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী পাগড়ি পরতে তাদের বাধা দেয়া হয় না। বাংলাদেশের বৌদ্ধ ভান্তেরা তাদের ধর্মীয় পোশাক পরেই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। রাজউক কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বোরকা পরায় কোনো ছাত্রীকে বের করে দেয়ার দৃষ্টান্ত নেই। আগের অধ্যক্ষেরা যা করেননি বর্তমান অধ্যক্ষ তেমন একটি দৃষ্টান্ত কাকে খুশি করার জন্য স্থাপন করতে এত আগ্রহী হয়ে উঠলেন তা তিনিই ভালো বলতে পারবেন।

পিতার সম্পত্তিতে কন্যা সন্তান পুত্রের সমান পাবে, পিতার একমাত্র কন্যা সন্তান থাকলে সব সম্পত্তি কন্যা পাবে এবং বিয়ে-শাদীতে ধর্মীয় ভেদাভেদ থাকবে না বলে আইন করে কুরআনের সূরা নিসার ১১নং আয়াত এবং সূরা বাকারার ২২১নং আয়াতের বিরুদ্ধে সরকার অবস্থান নিয়েছে। আইনমন্ত্রী বলেছেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃস্টান, মুসলমান যে যাকে ইচ্ছা বিয়ে করতে পারবে। সন্তানের কোনো ধর্মের পরিচয় থাকবে না। এখানে সবাই স্বাধীন যে যার মতো বিয়ে করতে পারে। এ আইন করে ধর্মবিশ্বাসহীন জারজ সন্তান পয়দা করার ব্যাবস্থা করে সরকার দেশকে জারজ দেশে পরিণত করতে যাচ্ছে। এই আইন অনুযায়ী কোনো মুসলমান যদি বিবধর্মীকে বিয়ে করে, তবে সে-ও মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যাবে।

সবকিছুই যেন পরিকল্পিত এসব দেখার কেউ নেই। আমার স্বাধীন বাংলাদেশে কোরআন সংশোধনের জন্য রিট আবেদন করে সরকার পুলিশ পাহারায় তাকে বাসায় পৌছিয়ে দেয়। আর সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বললে এরেষ্ট করে রিমান্ডে নেয়া হয়। দুঃখ জনক হলেও সত্য দেশের প্রধান বিরোধী দল এবং বড় ইসলামি দল গুলো এর জন্য জোরালো কোন প্রতিবাদ করেনি। তাই এখন প্রয়োজন জনতার সম্মিলিত সংগ্রাম যেমনটি হয়েছে তিউনেশিয়ায়, মিশরে এবং বাংলাদেশের আড়িয়াল বিলে।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/MuhammadSelim
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
বাংলাদেশ, ভোলা থেকে এম এম নুর হোসাইন লিখেছেন, ৩০ জানুয়ারি ২০১২; দুপুর ১২:৩০
আল্লাহদ্রোহিতা করে ফেরাউন, নমরুদ, শাদ্দাদ কেউই টিকে থাকতে পারেনি, বর্তমান মহাজোট সরকারও পারবে না। মহাজোট সরকারের প্রতি পরামর্শ – কুরআন না পড়ে, না বুঝে ঢালাওভাবে সিদ্ধান্ত নিলে এর পরিণতি হবে ভয়াবহ। আদ ও সামুদ জাতির মতো আপনাদের কপালে আল্লাহর আজাব ডেকে আনবেন না।

আর এখনই সময় সকল মুসলমানকে এক হয়ে ইসলামবিরোধী অপশক্তি রুখে দাঁড়ানোর। আল্লাহ বাংলাদেশকে আগ্রাসনবাদী শকুনের হাত থেকে রক্ষা করুন।
77546
london থেকে sadia লিখেছেন, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ০৪:৩১
thank u very much
77745
রিয়াদ, সউদি আরব থেকে মুহিব্বুর রহমান লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; দুপুর ০৩:২৩
লেখককে মহান আল্লাহ উভয় কালে উত্তম বিনময় দান করুন। লেখাটি ব্যপক ভাবে প্রচার এবং যায়গামত পৌছানোর ব্যবস্থা করুন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রি সহ সরকারের উচিত বিষয়টি মেনে নেয়া।
78009
Country থেকে Anisur Rahman লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৪:৩৯
দেখুন ধরম্‌ নিয়ে বাড়াবাড়ি করা আল্লাহ্‌ ও সহ্য করে না। একটা প্রশ্ন কোরান কি বিধান বা আইনের পুস্তক না উপোদেশমুলোক দিক নিরদেশনা ?? কি কারনে এই অসত্য কথা বলা হয়েছে এটাকে বিধান বা আইনের পুস্তক হিসাবে উল্লেখ করে ? আপনি কি ভুলে গেছেন ধরমে্‌ কোন জবর দস্তি নেই ? এটা কোন সুরার কত তম আয়াতে আছে ? আপনি কি জোড় করে ইচ্ছা বিরুদ্ধে বোরকা পরাতে চাচ্ছেন সেটা জবর দস্তি নয় কেন ? আপনি কি জানেন বিশ্বের ৯৮% মুসলিম মহিলারা বোরকা হিজাব পরে না তবে মারজিত পোষাক যেমন শাড়ী বা শেলোয়ার কামিজ ইত্যাদি পরে--- তারা কি উলঙ্গ ?? আপনিতো আমাদের শাড়ী শেলোয়ার কামিজ পরা মা বোনদের উলঙ্গ বলতে চাচ্ছেন কোন সাহসে? দেখুন ধরম্‌ নিয়ে বাড়াবাড়ি একটা সীমা থাকা উচিত। মেয়েদের সম্পত্তিতে সম অধিকারে আপনার আপত্তি তাই না ? সুরা নিসার ১২ নং আয়াতে মৃতে সম্পত্তির ১/৬ অংশ করে তার ভাই বোন সমান পাবে যদি তাই হয় তবে ছেলে মেয়ে সমান পাবেনা কেন? ঐ সুরার ১১ নং আয়াতের পট ভুমি অনুসরন করলেতো ছেলে ও মেয়ে সমান সম্পত্তি পায়। একজন ধনি আনসার আতাউস বিন সাবেত যখন মারা যায় তখন সে সাবালিকা কণ্যা আর একটা নাবালোক পুত্র রেখে গিয়েছিল-- তখন তার চাচাতো ভাই প্রচলিত আইন অনুযায়ি তাদেরকে বন্চিত করে সব সম্পত্তি দখলের চেষ্ঠা করলে তখন এই আয়াত নাজিল হয়। পুত্র যেহেতু নাবালোক ছিল তাই তাকে বোনের দ্বিগুন দেও্য়া হয়। সুতরাং নাবালোক পুত্র সাবালিকা বোনের দ্বিগুন পেতে পারে যদি শানেনজুল অনুসরন করা হয়-- তখন আপনার মত লোকেরা ধরমে্‌র উদভট ব্যাখা দিয়ে যে ভাবে বাড়াবাড়ি করছেন তার পরিনতি কিন্তু ভালো হবে না।
78015
south africa থেকে ferdous Islam লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৪:৪২
ছাত্রলীগ পবিত্র কোরানে আগুন দেয়ার মতো সাহস দেখিয়েছে...
78016
kuwait থেকে hussain লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; রাত ১০:৫৯
south africa থেকে ferdous Islam লিখেছেন, ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২; বিকেল ০৪:৪২
ছাত্রলীগ পবিত্র কোরানে আগুন দেয়ার মতো সাহস দেখিয়েছে... ??????? ehen mr??? please write the date and place. is it south african chatro leauge?
78032
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy