|
বাংলাদেশের জন্ম (কবিতা)
নাজিব ইলিয়াস |
|
বাঙ্গালীদের করেছিলো অবরুদ্ধ
পাকিস্তানী বর্বরেরা যে সময়,
হয়নি জন্ম আমার সেই সময়
আমি দেখিনি স্বাধীনতা যুদ্ধ।
তবে আমি শুনেছি,
ব্যবহার করে অত্যাচারের চাবি,
স্বাধীনতা-দ্বার করেছিলো তারা বন্ধ।
মানেনি তারা মোদের কোন দাবি।
অন্যায়ভাবে করছিলো তার বঞ্চিত
আমাদেরকে সকল সুবিধা থেকে,
তাদের এসব নিষ্ঠুরতা দেখে,
মোদের সুপ্ত ক্ষোভ হচ্ছিলো সঞ্চিত।
এ ক্ষোভ মোরা পুশে রেখেছিলাম মরমে,
প্রকাশটা তার হচ্ছিলো ধীরে ধীরে,
অশান্ত করে সহন ক্ষমতাটিরে,
যখন তাদের দূর্নীতি পৌঁছে চরমে।
এরপর সেই পঁচিশের কালো রাত,
হাজার হাজার মানুষ মারে তারা,
কত মানুষ হয় যে স্বজন হারা,
ঘৃণ্য তারা, নৃশংস বজ্জাত।
মোদের পিঠ ঠেকে গিয়েছিলো দেয়ালে,
গলায় ছিলো অত্যাচারের ফাঁস,
রাস্তায় খালি নিহতদের লাশ,
খায় সেগুলো শকুন, কুকুর, শেয়ালে।
২৬ শে মার্চ যুদ্ধ যে শুরু হয়,
মোদের যুদ্ধ প্রস্তুতি ছিল স্বল্প,
কিন্তু ছিলো বিজয়ের সংকল্প,
তরুণরা মোদের সত্যিই দূর্জয়।
যুদ্ধটা হয় নয়টি মাস ধরে,
মোদের জন্য যা ছিল রক্তক্ষয়ী,
কিন্তু শেষে আমরাই হই জয়ী,
জয়ের অতি দৃঢ় ব্রতের জোরে।
সমাপ্তি ঘটে পরাধীনতার রেশের,
পতাকা মোদের সসম্মানে উড়ে,
জাতীয় সঙ্গীত বাজে অপূর্ব সুরে,
জন্ম যেদিন হয় যে বাংলাদেশের।
|
| |
| http://www.sonarbangladesh.com/articles/NazibElias |
| |
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: |
|
|
|
| |
|
| লেখক পরিচিতি |
| |
|
| |
| ১৯৯৮ সালে সেন্ট জোসেফ হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করার পর সেই বছরেই ভর্তি হন নটরডেম কলেজে। সেখান থেকে এইচএসসি (২০০০) পাশ করার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য BUET-এ ভর্তি হন। সেখান থেকে কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে পড়াশুনা শেষ করে বর্তমানে মোবাইল ফোন অপারেটর WARID-এ কর্মরত আছেন। ছোটবেলা থেকেই শখের বশে ছড়া কবিতা, গল্প লিখতেন। তার কিছু কিছু লেখা তাদের স্কুল ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে। লেখকের চাচা মরহুম আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ও খালিকুজ্জামান ইলিয়াস সাহিত্য জগতের দুই উজ্জ্বল নক্ষত্র। পিতা এন. এম. ইলিয়াস পেশায় প্রকৌশলী এবং মাতা নাজনীন ইলিয়াস সোনার বাংলাদেশ ম্যাগাজিনের একজন নিয়মিত লেখিকা এবং পুরো মাত্রায় গৃহিণী। |
|