পুরনো কলাম |
| |
৩৩ নেতাকে কারাগারে প্রেরণ, সুরঞ্জিতের দায়মুক্তি, তৃতীয় শক্তির আগমন ও সাংবাদিক নির্যাতন (২১/০৫/২০১২) |
| |
বেকুবের দেশ, সুরঞ্জিতের ফিরে আসা এবং দুই নেত্রীর মধ্যে সংলাপ (১৭/০৫/২০১২) |
| |
হিলারী ও প্রণবের বাংলাদেশ সফর নিয়ে নানা কথা (১২/০৫/২০১২) |
| |
হিলারী ও প্রণব মুখার্জির বাংলাদেশ সফর এবং বিএনপির শীর্ষ নেতাদের হাইকোর্ট ভবনে আশ্রয় (০৮/০৫/২০১২) |
| |
মামলার জাল, হরতাল বন্ধে আইন, হিলারী ও প্রণবের আগমন প্রসঙ্গে ড. আসিফ নজরুল (০৫/০৫/২০১২) |
| |
‘ইলিয়াস আলী গুম’ নিয়ে নানা কথা (২৫/০৪/২০১২) |
| |
‘তৃতীয়মাত্রা’য় সুরঞ্জিত, ইলিয়াস আলী ও সমুদ্র বিজয় প্রসঙ্গে রনি ও পার্থ (২৩/০৪/২০১২) |
| |
সুরঞ্জিতের কেলেংকারী নিয়ে মাহফুজ আনাম এবং ড: পিয়াস করিম (১৬/০৪/২০১২) |
| |
রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিতের দূর্নীতি (১৩/০৪/২০১২) |
| |
‘নিউজ অব দ্য ডে’তে নাইমুল ইসলাম খান (১২/০৪/২০১২) |
| |
আইএসআইয়ের টাকা, বিদ্যুৎ ও সমুদ্রজয় প্রসঙ্গে ডঃ পিয়াস করিম (০৭/০৪/২০১২) |
| |
নানাবিধ ইস্যু নিয়ে আজকের বিশ্লেষণ (০২/০৪/২০১২) |
| |
'একুশে টিভি’র বিপর্যয়' (২৩/০৩/২০১২) |
| |
'একুশের রাতে' ১২ই মার্চ (১৮/০৩/২০১২) |
| |
১২ই মার্চকে ঘিরে ফ্যাসিবাদি সরকারের কার্যকলাপ (১৩/০৩/২০১২) |
| |
'ফ্রন্ট লাইন', 'আজকের সংবাদপত্র' এবং 'এই সময়' - এ ডক্টর আসিফ নজরুল (০৯/০৩/২০১২) |
| |
সাংবাদিক দম্পতি খুন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সীমান্ত সফর এবং লাগামহীন দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে আসাফউদ্দৌলা (০৫/০৩/২০১২) |
| |
সাগর রুনি হত্যাকান্ড এবং ১২ ই মার্চ বিরোধী দলের ঢাকা চলো কর্মসূচী (২৯/০২/২০১২) |
| |
রবার্ট ব্লেকের উপদেশ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাধাদানে আইন, মানবাধিকার কমিশন, দুদক প্রসঙ্গে পিয়াস করিম (২৭/০২/২০১২) |
| |
'রাজনীতির বাইরে'- অনুষ্ঠানে ড. ওসমান ফারুক (২য় পর্ব) (১৮/০২/২০১২) |
| |
‘রাজনীতির বাইরে’- অনুষ্ঠানে ড. ওসমান ফারুক (১ম পর্ব) (১৬/০২/২০১২) |
| |
‘বিএনপির গণমিছিলে গুলি’ প্রসঙ্গে মাহফুজউল্লাহ (১৩/০২/২০১২) |
| |
বিএনপির গণমিছিলে পুলিশের গুলি (০৪/০২/২০১২) |
| |
বিএনপির অবস্থান নিয়ে ফ্রন্ট লাইন-এ ড. ওসমান ফারুক (০৩/০২/২০১২) |
| |
সার্চ কমিটি, সীমান্ত প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফের মন্তব্য এবং ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থান (২৭/০১/২০১২) |
| |
সীমান্ত সংঘাত নিয়ে সৈয়দ আশরাফের মন্তব্য এবং ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান (২৪/০১/২০১২) |
| |
এক এগারো, খালেদা জিয়ার বঙ্গভবনে গমন এবং কারাগারে গোলাম আজম (২৩/০১/২০১২) |
| |
ওয়ান ইলেভেন, রাষ্ট্রপতির সংলাপ এবং গোলাম আযম গ্রেফতার (১৭/০১/২০১২) |
| |
বিএনপির আন্দোলন এবং সরকারের অবস্থান (১৩/০১/২০১২) |
| |
তিন বছরে মহাজোট সরকারের সফলতা ও ব্যর্থতার খতিয়ান (০৯/০১/২০১২) |
| |
আগের লেখা |
| 220 |
|
৩৩ নেতাকে কারাগারে প্রেরণ, সুরঞ্জিতের দায়মুক্তি, তৃতীয় শক্তির আগমন ও সাংবাদিক নির্যাতন
নাজনীন ইলিয়াস |
|
‘নিউজ অব দ্য ডে’, দিগন্ত টিভি
১৬ই মে, ২০১২
আমীরুল মোমেনীন (উপস্থাপক) : মাহফুজউল্লাহ ভাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হচ্ছে ১৮ দলীয় জোটের ২২ নেতা এখন কারাগারে।
মাহফুজউল্লাহ (সিনিয়র সাংবাদিক) : বাংলা ভাষায় একটা শব্দ আছে মনোবৈকল্য। মনোবৈকল্যের চিকিৎসকের কাছে যখন কোনো রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয় তখন তারা এর কারণ দেখার চেষ্টা করেন। মনোবৈকল্যের বিভিন্ন কারণে মধ্যে ২টি কারণ হচ্ছে ভীতি ও ব্যর্থতা।
গত কয়েকদিন যাবৎ দেশে যা ঘটছে এবং আমরা যেসব কথাবার্তা শুনছি তাতে আমার কাছে মনে হচ্ছে যে বর্তমান সরকারের মনোবৈকল্য দেখা দিয়েছে। আর তাদের এই মনোবৈকল্য দেখা দেওয়ার কারণ হচ্ছে ভীতি ও ব্যর্থতা। ভীতি এইজন্য যে যতই তাদের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে ততই তারা ভীত হয়ে ভাবছেন যে আমরা হয়তো আর ক্ষমতায় থাকতে পারবোনা। যদি ক্ষমতায় থাকতে না পারি তখন পরিস্থিতিটা কি হবে? আর তাদের ব্যর্থতা হচ্ছে - জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এবং মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারী নীতিমালা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তাদের চরম ব্যর্থতা।
৩৩ জন নেতা ১৬ ই মে কোর্টে গেলেন এবং জামিনের জন্য আবেদন করলেন। কিন্তু তারা জামিন পেলেন না। তারপর তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হলো। এরকম ঘটনা বাংলাদেশে অতীতে কখনো ঘটে নাই। এরশাদের আমলে সচিবালয়ে দেওয়াল ভাঙার ঘটনা ঘটেছিল। তখনও কিন্তু এত নেতাকে মামলা দিয়ে হামলা করে জেলে নেওয়া হয় নাই।
যেই মামলায় তাদেরকে জামিন দেওয়া হয় নাই সেই মামলায় কিন্তু তাদেরকে জামিন দেওয়ার একটা বিধান স্পষ্টভাবে আছে। এরা বয়স্ক ব্যক্তি, এরা দেশের স্বনামধন্য ব্যক্তি, এরা দেশ পরিচালনা করেছেন, হয়তোবা ভবিষ্যতেও দেশ পরিচালনা করবেন, এরা দেশ থেকে পালিয়ে যাবেন না, অন্য মামলার আসামীদের মত এরা সেই ধরনের আসামী নন। কাজেই এদের ক্ষেত্রে জামিন দেওয়ার মত অনেকগুলি কারণ রয়েছে।
আমাদের আইন প্রতিমন্ত্রী বার বার বলার চেষ্টা করেছেন যে আইনের চোখে সবাই সমান। হ্যাঁ, আইনের চোখে সবাই সমান তবে কেউ কেউ একটু বেশী সমান। হাসিনা খালেদাকে যখখন ১/১১ এর পর ধরে নিয়ে গিয়েছিল তখন তাদের জন্য জেলখানা হিসাবে দুটো আলাদা বাড়ি বানাতে হয়েছিল। তাদেরকে তো সাধারণ জেলে নিতে পারে নাই। তারা কি তাহলে আইনের চোখে আমার আপনার সমান? এরশাদ সাহেবকে যখন জেলে নেওয়া হয়েছিল তখন ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে আলাদাভাবে এবং বিশেষভাবে কয়েকটি কামরা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। কেন? কারণ তিনি প্রাক্তণ রাষ্ট্রপতি, সেইজন্য। কাজেই ঠুনকো কতগুলি কথার কথা বলে মানুষকে চমক লাগানো আইন প্রতিমন্ত্রীর মুখে সাজে না।
এবার আসি গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায়। যখন কোনো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে তখন বিক্ষুব্ধ মানুষেরা বাসে আগুন লাগিয়ে দেয়। বাস চাপায় কোনো গার্মেন্টস শ্রমিক মারা গেলে বিক্ষুব্ধ সহকর্মীরা সেই বাসটিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। তাদের মনে বিক্ষোভের কারণ তৈরি হয় বলেই তারা বাসে আগুন দেয়। একই রকমভাবে আপনি কারো সঙ্গে অমানুষিক ব্যবহার ও অমানবিক আচরণ করলে তার একজন ভক্ত বা অনুসারী উত্তেজিত হয়ে এই কাজটা করতেও পারে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে যদি বিরোধী দলের নেতারা বাসে আগুন দিতে পারে তাহলেতো তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েই আগুন দিতে পারবে। সরকার কি পরোক্ষভাবে এটা মেনে নিচ্ছেন যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত দূর্বল? ঘটনার ব্যাপারে যেই ধরনের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে সেই বর্ণনা অনুযায়ী আপনি কোনো ভাবেই এটা প্রমাণ করতে পারবেন না যে কারা সেখানে দিয়ে আগুন দিয়েছে।
আগাম জামিনের ব্যাপারে আমাদের অসংখ্য উদাহরণ আছে। মামলার চার্জশীট হওয়ার পরও জাহানারা ইমামকে আগাম জামিন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন দেওয়া হয় নাই। সমস্যা হচ্ছে আমাদের এখানে যারা আইনের ধারক বা রক্ষক তাদের সম্পর্কে কিন্তু আমাদের সমাজে নানান ধরনের অভিযোগ আছে।
আমাদের এখানে মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় ক্ষতি যিনি করেছেন তিনি হচ্ছে প্রাক্তণ প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক সাহেব। তিনি এই বিষয়টি আদেশ দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন। এটা হচ্ছে আমার অধিকারের একটি বিরাট লঙ্ঘন। এই সর্বনাশটা করে দিয়ে গিয়ে তিনি আজকে সমস্ত জিনিসের মধ্যে একটা ভজকট অবস্থা লাগিয়ে দিয়ে গেছেন।
আমীরুল মোমেনীনঃ ১৮ দলীয় নেতারা যে জামিন পেলোনা, এই জামিন না পাওয়ার পেছনে আপনি কি মনে করেন যে বিচার বিভাগের উপর সরকারের কোনো হাত আছে?
মাহফুজউল্লাহঃ মন্ত্রীরা যেভাবে কথা বলছেন এবং যেভাবে চার্জশীট দেওয়া হয়েছে তাতে এটা মনে করবার মত যথেষ্ট Coincidence আছে। আইন প্রতিমন্ত্রী যেভাবে কথা বলেন তাতে করে এটা স্পষ্ট যে তারা এই বিষয়টির সঙ্গে জড়িত। আমরা প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি করবো না বলে যত প্রতিশ্রুতিই দেই না কেন, টেলিভিশনের পর্দায় যেরকম পুলিশী আচরণ দেখছি তাতে আমরা ভবিষ্যতে প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি সত্যি ঠেকাতে পারবো না কিনা সে ব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে।
কেউ কেউ বলছেন যে সরকার হয়তো মনে করছেন যে ১৮ দলীয় বিরোধী জোটের নেতৃবৃন্দকে জেলে দিয়ে, শাস্তি দিয়ে, দ্রুত মামলা শেষ করে দিয়ে, তাদেরকে আগামী নির্বাচন থেকে দুরে রাখবেন। আবার কেউ কেউ বলছেন যে এর ভেতরে অন্য আরেকটা চক্র কাজ করছে। তারা দেশটাকে এমন একটা অবস্থার দিকে ঠেলে দিচ্ছে যাতে দেশ একটা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ে যায় এবং সুন্দরভাবে দেশটা আর এগুতে না পারে। সরকারের কর্মকান্ডের একটার সাথে আরেকটা মেলালে মনে হবে যে এর পেছনে সরকারের অন্য উদ্দেশ্য আছে। প্রাথমিক শিক্ষকদের উপর যেভাবে হামলা করা হলো এটা তার আরেকটি উদাহরণ।
গত কিছুদিন ধরে পুলিশের যে ভূমিকা আমরা লক্ষ্য করছি সেটা খুব অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। পুলিশ মারমুখী হয়ে যে ধরনের আচরণ করছে এ ধরনের আচরণ আমরা আগে কখনো লক্ষ্য করি নাই। একটি রাজনৈতিক লক্ষ্যকে সামনে রেখে রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করবার জন্যই এগুলি করা হচ্ছে এবং বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে তারা বলছেন যে ২০২১ সাল পর্যন্ত এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।
আওয়ামী লীগ যদি মনে করে যে এই দেশে কোনো বিরোধী পক্ষের থাকার জায়গা নেই তাহলে তারা সেটা মুখে ফুটে বললেই তো পারে। তখন না হয় দেখা যাবে কি হয় অবস্থাটা।
আমীরুল মোমেনীনঃ আইন প্রতিমন্ত্রী বলেছেন যে বিরোধী দলের আচরণের কারণেই সরকার হার্ড লাইনে গেছে।
মাহফুজউল্লাহঃ আইন প্রতিমন্ত্রী তো অনেক কথাই বলেন। এর সবচেয়ে ভাল জবাব দিয়েছেন আমাদের প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিষ্টার রফিকুল হক, যেটা এখানে আমি আর পুনরাবৃত্তি করতে চাই না।
আমীরুল মোমেনীনঃ সরকারের ২/১ জন মন্ত্রী ইদানিং বলছেন যে এই সংঘাতের কারণে তৃতীয় শক্তি ক্ষমতায় আসতে পারে।
মাহফুজউল্লাহঃ এই ধরনের কথা বলে তারা পরিস্থিতিকে আরো বেশী ঘোলাটে ও জটিল করে ফেলছেন এবং তৃতীয় শক্তি আসার পথ প্রশস্ত করে দিচ্ছেন।
আমীরুল মোমেনীনঃ এবার অন্য একটি প্রসঙ্গে আসি। সুরঞ্জিত বাবু পুনরায় রাজনীতিতে ফিরলেন।
মাহফুজউল্লাহঃ সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের ঘটনাটি যেইভাবে তার চরিত্র ও রাজনৈতিক জীবনকে কালিমালিপ্ত করেছে সেখান থেকে উঠে আসা খুব কষ্টকর ব্যাপার। উনি হয়তো আবার বক্তৃতা দিতে পারবেন, বড় বড় কথা বলতে পারবেন কিন্তু মানুষের মনের মধ্যে উনার সম্পর্কে যেই ধারণা তৈরি হয়েছে সেটা কাটানো খুব মুশকিল হবে।
রেলের ডিজি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত করে কিভাবে? তার ঘাড়ে কয়টা মাথা আছে যে তিনি তার মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদন্ত করবেন? ঢাকা শহরে দিনের বেলাই ১ লাখ টাকা নিয়ে গাড়িতে ঘোরা যায় না, ছিনতাই হয়ে যায় অথচ এপিএস তার ৭০ লাখ টাকা রাত ১০ টার সময় নিয়ে রাস্তায় ঘুরে বেড়ালেন।
আমীরুল মোমেনীনঃ সাংবাদিকদের উপর নির্যাতন কিন্তু এখনও চলছে। সিএমএম কোর্টে ১৮ দলীয় জোট নেতাদের জামিন আবেদনের শুনানি কভার করতে গিয়ে পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দিগন্ত টিভির ক্যামেরা পার্সন খলিলুর রহমান সহ আরো বেশ কয়েকজন সাংবাদিক।
মাহফুজউল্লাহঃ আমিও এই পেশার মানুষ। আমি মনে করি যে সাংবাদিকদের সামনে এখন সময় এসেছে রুখে দাঁড়াবার এবং সেই রুখে দাঁড়ানোর জন্য নিজেদের মধ্যেকার ভুল বুঝাবুঝি, বিরোধ ও মতভেদের উর্ধ্বে উঠতে হবে। সাগর রুনির হত্যা মামলায় সাংবাদিকরা যেইভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন, এই ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধেও তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পরশুদিন পত্রিকায় দেখলাম স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভাইয়ের ছেলে পাবনায় একজন সাংবাদিককে পিটিয়েছেন।
কাজেই এখন যদি সাংবাদিকরা রুখে দাঁড়াতে না পারেন তাহলে একটা পর্যায়ে এই ফ্যাসিবাদী হামলার মুখে আপনি বা আমি কেউই নিরাপদ থাকবো না। কাজেই সাংবাদিকদের জন্য এখন একটাই রাস্তা খোলা আর সেটা হচ্ছে এই ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্যাতনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানো। তা নাহলে কিন্তু আরো বেশী সর্বনাশ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
আমীরুল মোমেনীনঃ মাহফুজউল্লাহ ভাই ‘দিগন্ত স্টুডিও’তে আসার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের ‘নিউজ অব দ্যা ডে’ এখানেই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।
লেখিকার মন্তব্যঃ
সাংবাদিকদের বিভেদ বা অনৈক্য প্রসঙ্গে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সাহেব একটি চমৎকার কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘কাকের বিপদে কাক পাশে দাঁড়ালেও সাংবাদিকদের বিপদে সাংবাদিকরা পাশে দাঁড়াচ্ছেন না’। ৩৩ জনের বিরুদ্ধে একসাথে মামলা দেওয়া প্রসঙ্গে সাবেক এটর্নি জেনারেল ব্যারিষ্টার রফিকুল হক মন্তব্য করে বলেছেন, ‘ইলিয়াস ইস্যুকে চাপা দিতেই বিএনপির সিনিয়র নেতাদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে’। সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের রাজনীতিতে ফিরে আসা প্রসঙ্গে ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী মন্তব্য করেছেন, ‘সুরঞ্জিতের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র’। সবার মন্তব্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি শুধু এইটুকু বলবো, Wait and See. |
| |
| http://www.sonarbangladesh.com/articles/NaznenElias |
| |
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: |
|
|
|
| |
|
| লেখক পরিচিতি |
| |
|
| |
| নাজনীন ইলিয়াস ১৯৮২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Political Science -এ অনার্স পাস করেন স্বামীর পেশাগত কারণে বেশ কিছু দিন ছিলেন কুয়েতে। ১৯৭৪ সাল থেকে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লিখছেন। কিছুটা শখের বশেই অনিয়মিত লিখতেন সিনে ম্যাগাজিন সাপ্তাহিক চিত্রালী, সাপ্তাহিক বেগম, দৈনিক বাংলার সহযোগী প্রকাশনা (অধুনালুপ্ত) সাপ্তাহিক বিচিত্রা এবং শফিক রেহমান সম্পাদিত সাপ্তাহিক যায় যায় দিন এ । যায় যায় দিন দৈনিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলে ২০০৮ সাল পর্যন্ত (শফিক রেহমান সম্পাদিত) টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানগুলো বিশেষত সাংস্কৃতিক প্রোগ্রাম গুলোর উপর বিশ্লেষণধর্মী লেখা \"সাপ্তাহিক টিভি রিভিউ\"� লিখেছেন নিয়মিত। এখন নিয়মিত লিখছেন সোনার বাংলাদেশ ডটকমে। পুরোমাত্রায় গৃহিণী। স্বামী এন.এম. ইলিয়াস পেশায় প্রকৌশলী। চাকুরিজীবী এক ছেলে, এক মেয়েকে নিয়ে স্থায়ীভাবে থাকেন ঢাকাতেই। |
|