মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:৫৯ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

সনদ বৈষম্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা!

রাফিউ সাদমান

উন্নয়নশীল এই দেশে আমরা যারা মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান তারা, লেখাপড়া করি শুধু একটি সার্টিফিকেট পাবার নিমিত্তে যা দিয়ে একটি চাকরি পেয়ে পিতামাতার স্বপ্নপূরণ ও সচ্ছল জীবনযাপন করতে পারি। কিন্তু সনদ নির্ভর এই শিক্ষাব্যবস্থাতে যদি সনদ প্রদানে বৈষম্য করা হয় তাহলে অপ্রতুল ও প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে টিকে থাকা অনেক কঠিন হয়ে পড়বে। পথ প্রদর্শককে যদি পূর্ণভাবে অনুসরণ না করা হয় তবে গন্তব্যে পৌছার পূর্বেই লাইনচ্যুত হতে হয়, তার দৃষ্টান্ত আমরা আমাদের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান (পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়) গুলো থেকে পেতে শুরু করেছি। বিজ্ঞান শিক্ষাকে সর্বজনীন ও সময়োপযোগী করার অভিপ্রায়ে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে সর্বপ্রথম কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে, পরবর্তীতে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি নবজাতক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে ইনফরমেশন ও কমিউনিকেশন টেকনোলজি, ফলিত পদার্থবিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ফলিত রসায়ন ও রাসায়নিক প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্র ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং নামে কয়েকটি বিভাগ চালু করা হয়। তবে উল্লিখিত বিষয়সমূহ কিছু প্রতিষ্ঠান প্রথমে বিজ্ঞান অনুষদের সাধারণ বিভাগ হিসেবে চালু করলেও শিক্ষাকে যুগোপযোগী করার ডামাডোল পিটিয়ে পরবর্তীতে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস প্রণয়ন (১২০ ক্রেডিট থেকে ১৬০ ক্রেডিটে রূপান্তর) করে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সমমানে চালু করে আর কিছু প্রতিষ্ঠান সরাসরি ইঞ্জিনিয়ারিং হিসেবেই চালু করে। যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়গুলোকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে রূপান্তর করেছে তারা শুধু নাম আর সিলেবাস পরিবর্তন করেছে আর সনদ প্রদানে সনাতনেই রয়ে গেছে অর্থাৎ ঐ সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১৬০ ক্রেডিট পড়েও (সাধারণত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পড়ানো হয়) ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিবর্তে বি.এস. সি. অনার্স সার্টিফিকেট পাচ্ছে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। অন্যদিকে যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়গুলোকে ইঞ্জিনিয়ারিং হিসেবেই চালু করেছে, সে সকল প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সার্টিফিকেটই পাচ্ছে/পাবে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম।

এখানে স্পষ্টত যে, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েই অভিন্ন বিষয় ও সিলেবাসে পাঠদান করিয়ে ভিন্ন সনদ প্রদান করা হচ্ছে। ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উল্লিখিত বিভাগের পাঠ শেষ করলে তাদেরকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ইঞ্জিনিয়ার বলা হচ্ছে আর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঐ একই বিভাগের অভিন্ন সিলেবাসে অধ্যয়নকারী শিক্ষার্থীদেরকে বি.এস.সি স্নাতক সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। যা কখনোই কাম্য হতে পারে না। ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দীর্ঘদিন ধরে এই বৈষম্য দূরীকরণের দাবী জানিয়ে আসছে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন, মানব বন্ধন, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে। সরকারী ভর্তুকি বাতিলের প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারীদের বিজয় যেন এ সকল শিক্ষার্থীদেরকে আশার আলো দেখিয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐসকল বিষয়ের সংগ্রামী ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের আন্দোলন আরো জোরালভারে শুরু করে। ফলে তাদের স্বপ্নপূরণ হতে চলেছে। কিন্তু সবচেয়ে অনুতাপের বিষয় হচ্ছে, যে প্রতিষ্ঠানটি সর্বপ্রথম বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইঞ্জিনিয়ারিং মানের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিল সেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঐ সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা আজও উপেক্ষিত রয়েছে। দাবী পূরণের আশ্বাসের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলনকারীদেরকে দমিয়ে রাখা হয়েছে। কিন্তু দাবী পূরণ তো দূরে থাক তাদেরকে আন্দোলন থেকে বিরত রাখতে নানা ধরণের হুমকি প্রদানসহ শিক্ষকদের পক্ষ থেকে অসহযোগীতার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

দেশে বেকারত্ব নয়, যোগ্য ও শিক্ষিত বেকারত্বের হার আশঙ্কাজনক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যোগ্যতা ও মর্যাদা অনুযায়ী কর্মের সামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হচ্ছে না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যায়ের বি.বি.এ/এম.বি.এ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন এম.বি.এ কোর্সের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় ঐ বিষয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধিকাংশই ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার আর সেনাবাহিনীর অফিসার। শেষোক্তজনদের উদ্দেশ্য ভিন্ন কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তারদের উপস্থিতি খুবই হতাশার আভাস দেয়। রূপালী ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাক্ষাতে এক ভয়াবহ ব্যাপারে অবগত হই। ঐ ব্যাংকের চারটি অফিসার পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে তিনহাজার আবেদন আসে এবং তন্মধ্যে প্রায় শতাধিক আবেদনকারী বিভিন্ন ধরণের ইঞ্জিনিয়ার এবং সবাই এম.বি.এ ডিগ্রিধারী। শুনে অবাক না হয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিলাম। এহেন অবস্থায় ফ্রেসারদের জন্য কর্মে যোগদান করার একমাত্র ভরসা একাডেমিক রেজাল্ট বা সার্টিফিকেট। আর এ জায়গাটাতে যদি উপরে বর্ণিত বৈষম্যের প্রতিফলন হয়, তবে আশার সূর্য অস্তমিত হয়ে হতাশার রবি উদিত হওয়ার জন্য উকি দিতে থাকবে। সম্প্রতি ঘুমন্ত আন্দোলনকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জাগিয়ে তুলেছে। এতে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের সরব উপস্থিতি জানান দেয় তাদের অধিকার আদায়ে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই অবস্থায় যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাবস্থা না করে তবে চোখে-মুখে কালো কাপড় বেঁধে ঘরে বসে থাকা ছাড়া প্রতিবাদের আর কোন ভাষা নেই।

http://www.sonarbangladesh.com/articles/RafewSadman
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
মনের ভিতর থেকে মরণের বন্ধু লিখেছেন, ০৫ ডিসেম্বর ২০১১; রাত ০৯:৩৫
ইহাই জীবন, ইহাই জগৎ...
73105
ঢাকা থেকে আতিক লিখেছেন, ০৬ ডিসেম্বর ২০১১; সকাল ০৯:১৯
আপনার লিখায় অনেক অস্পটতা আছে । বাংলাদেশে BUET, DUET,RUET, CUET , KUET এর ডিগ্রী প্রকৃত ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী । সর্বজন স্বীকৃত । গ্রেডিং পদ্ধতির কারনে সকল চার বছরের কোর্স ১৬০ ক্রেডিটে হয় । সবই যদি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী চায় তাহলে দেশে রাস্তায় রাস্তায় ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর দোকান খুলতে হবে । বি,এসসি ডিগ্রী দেয়া হয় সায়েন্স অনুষদ হতে । ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী দেয়া হয় ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ হতে । আপনি পড়বেন সায়েন্স অনুষদে আর ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী চাইবেন, এটা কি হয় ?
চাকরির বাজার খারাপ বুঝলে উচ্চতর ডিগ্রীর দরকার কি ? ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী দিয়েই কি হবে ?
73129
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসাদুজ্জামান লিখেছেন, ০৮ ডিসেম্বর ২০১১; রাত ১১:৪৬
প্রথমেই আতিক সাহেবের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে নিচ্ছি। দুঃখিত, আপনি হয় ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্শিটিগুলোর প্রতি অন্ধ মোহে আক্রান্ত, নাহয় বাস্তবতাকে উটপাখির মত অস্বীকার করার কজে লিপ্ত।

এখানে প্রথম ব্যাপার হচ্ছে আমার সাবজেক্ট কি? ধরুন, আমার সাবজেক্টের নাম ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং। নামের শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং শব্দটি আবার লক্ষ করুন। এখন বলুন, সারা বিশ্বে কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় এই সাবজেক্টে পড়ানোর পর ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী না দিয়ে বি.এস.সি. ডিগ্রী দেয়? আপনি বলুন,আমি আসলে কী? আমার সাবজেক্টের নাম শুনলে আপনার মনে হবে আমি ইঞ্জিনিয়ার। বিশ্ববিদ্যালয় আপাতত মাথার বাইরে রাখুন। ধরুন, আপনি আমার ভাইভা নিচ্ছেন। চাকুরির ভাইভা। আমি ইঞ্জিনিয়ার মনে করে আপনি আমার দিকে একটা গুড লুক দিলেন। তারপর আমার সার্টিফিকেটের দিকে একনজর তাকিয়ে আমার দিকে আপনি যে নজটা দিবেন তাতে স্পষ্ট লেখা থাকবে "প্রতারক"।
এই সমস্যার দুটি সমাধান আছে। এক. ঐসব মহান ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় বাদে আর কোন সাধারন বিশ্ববিদ্যালয় যেন কোন ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট না খুলতে পারে অথবা পারলেও যাতে করে সেখানে ইঞ্জিনিয়ারিং শব্দটা না ঢুকাতে পারে সেজন্য জাতিয় সংসদে আইন পাশ করা। দুই. [একটু পরে বলছি।]
১৬০ ক্রেডিট নিয়ে আপনার বক্তব্য অবশ্যই সত্য। তবে এখানে লক্ষনীয় বিষয় যে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় যখন আমাদের বিভাগের নাম পরিবর্তন করে তখন অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠ্যক্রমের সাথে সঙ্গতি রেখে আমাদের পাঠ্যক্রমেও পরিবর্তন আনে। আপনি সিলেবাসের তুলনা করলেই এটা বুঝতে পারবেন। সুতরাং আমাদের দাবি এমন অবাস্তব কিছু নয় যার জন্য রাস্তায় রাস্তায় ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রীর দোকান খুলতে হবে।
ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী দিতে হবে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ হতে, আপনার এই মতামতের সাথে আমি সঙ্গত কারনেই একমত নই। আমাদের দেশে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী দেবার জন্য দুই ধরনের পদ্ধতিই বর্তমান আছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ খোলার মাধ্যমে যেমন ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী দিচ্ছে তেমনি শাবিতে আগের অনুষদ থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী দিচ্ছে। আপনি যদি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হয়ে থাকেন তবে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন।
চাকরির বাজারের ব্যাপারটা হচ্ছে দৌড় প্রতিযোগিতার মত। আপনি তখনই একটা ফলাফল আশা করতে পারবেন যখন আপনার দৌড় প্রতিযোগীতায় অবতীর্ণ হওয়ার মিনিমাম যোগ্যতা আছে। এখানে আপনি লেখকের বক্তব্য ধরতে পারেন নি। আমার মত যারা সাবজেক্টের নামের শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং কিন্তু বি.এস.সি. ডিগ্রী নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা আজীবন প্রতিযোগীতার দর্শকই থেকে যাবে। আমাদেরকে আসলে দুই নৌকায় দুই পা গেঁথে দিয়ে চাকরির বাজারে ছাড়া হচ্ছে। আমি জেনারেলও না, ইঞ্জিনিয়ারও না।
আমাদের অনেক সমস্যা আছে। শিক্ষক স্বল্পতা, ক্লাসরুম স্বল্পতা, ল্যাব ফ্যাসিলিটিজের অভাব, রাজনৈতিক সমস্যা, সেশন জট ইত্যাদি ইত্যাদি... এতসব সমস্যার মাঝে পড়াশুনার পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যদি সর্বশেষ আঘাত হিসেবে দুই নৌকায় পা রাখা মূলক সার্টিফিকেট আমাদের দেয় তাহলে সেটা মানতে না চাওয়াটা আমার দৃষ্টিতে অপরাধ কিছু নয়। আর এই কাজটা প্রশাসন ইচ্ছা করলেই পারে।
সমাধানের এটাই দ্বিতীয় পথ।
73324
Panchagarh থেকে Md.Shaikh Russel লিখেছেন, ০৯ ডিসেম্বর ২০১১; রাত ১২:০১
Mr.Atik ,you have lack of knowledge about subject and degree in the university level.Do you know that engineering is belongs to science.Engineering is is an applied branch of science that is why in the developing country ,they are giving engineering degree in the engineering discipline entitled as Bachelor of Engineering Science(B ES) .or Master of Engineering Science(MEngg.Science)engineering subject engineering degree ,this is the calculation.In Bangladesh,all engineering verity,all science and technology university are giving engineering degree even Khulna Versity gives engineering degree under the faculty of science,engineering and technology.SUST is giving engineering degree under the faculty of Applied Science and Technology which name is the same of Islamic Universities faculty.So,it is not mandatory to establish engineering and technology faculty,but if do no problem.If a university open engineering dept.it should be given engineering degree,ok.What is the serial no. of BUET in ranking among all universities in the world ,do you know.There are number of excellent non-technical universities in the world ,they are providing engineering degree with huge research publications and innovative invention.So,Islamic University is an university conducting engineering subject ,the should give BSc(Engg.) degree in the respective subject with executing some executable constructive task.This is the real speech in a word .I think Mr.Atike must understand it.
73325
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমিরুল লিখেছেন, ০৯ ডিসেম্বর ২০১১; রাত ০২:০২
আতিক সাহেব আমি বুঝতে পারছি না যে ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে পড়ালেখা করে যদি কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী পায় তাতে তো আপনার মাথা ব্যাথা থাকার কথা না । কেননা এটা কেবল তাদের অধিকার যারা ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে পড়ালেখা করে ,বাংলা বা আরবি সাবজেক্টে পড়ুয়া স্টুডেন্টদের জন্য নয়। আর ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে পড়ালেখা করে বাংলাদেশের সব স্টুডেন্ট যদি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী পায় তাতে তো চাকরীর বাজারে বা অন্য কোথাও আপনার সুযোগ একটুও কমবে না যদি আপনার মেধা থাকে । সত্য কথাটা কি জানেন ? আপনার মাঝে যে দুর্বলতা আছে এবং আপনি যে এত পরশ্রীকাতর তা মিডিয়াতে বা সবার সামনে প্রকাশ না করলেও পারতেন ।
73331
Islamic University Kushtia থেকে Mithun লিখেছেন, ০৯ ডিসেম্বর ২০১১; দুপুর ০১:১৬
Let me smile.......:-)
hi, mr!Atik! I think you got much by above comments. I wanna write a little bit about your comment ..................
let we in...the competition...then,you would show those Degree Shop are needed for guys like you...not for ours............ok
73341
হবিগঞ্জ থেকে এ,বি,এম, আল-আমীন চৌধুরী লিখেছেন, ১৪ ডিসেম্বর ২০১১; দুপুর ০২:৩৭
এই বৈষম্য দূর করা খুবই জরুরী। যথাযথ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি উপলব্দি করতে পারলে তো!!!!!!!!
73607
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy