বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বিচারাধীন মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব মাওলানা রাফীক বিন সাঈদী বলেছেন নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে যুদ্ধাপরাধ, মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার আমিও চাই। যুদ্ধাপরাধের বিচার সর্বাগ্রে চাই। কিন্তু যেভাবে সম্পূর্ণ নীরিহ নিরাপরাধ আলেমে দীনকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য আমার পিতাকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে তা কোন সচেতন বিবেকমান মানুষের কাম্য হতে পারে না।’ ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে এসে আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী এবং আত্মদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অপমান করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করলেন এখন সময়’র প্রতিনিধির মুখোমুখি হয়ে মাওলানা দেলাওয়ার হেসেন সাঈদীর বড় ছেলে রাফীক বিন সাঈদী। তিনি নিউ ইয়র্কে একটি সিরাত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদান করতে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন। গত রোববার এই সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেন এখন সময় প্রতিনিধি তন্ময় মাহমুদ
রাফীক বিন সাঈদীর সাক্ষাৎকারটি হুবহু এখানে প্রকাশ করা হল:
প্রশ্ন: আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের আইনজীবি ও সরকারের অভিযোগ থেকে দেখা যাচ্ছে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সব চেয়ে বড় যুদ্ধাপরাধী- ছেলে হিসেবে আপনার মতামত কি?
উত্তর: আপাত দৃষ্ঠিতে মনে হচ্ছে যেন আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীই শ্রেষ্ঠ যুদ্ধাপরাধী, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমার আব্বার সামান্যতম ভূমিকাও ছিল না। তখন তিনি কোন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীতো দূরের কথা সমর্থকও ছিলেন না। পিরোজপুরে অনেক মুক্তিযোদ্ধাই বলেছেন, ‘১৯৭১ সালে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর নামই শুনি নাই’। যে মানুষটি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কোন রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত ছিলেন না, যুদ্ধ চলাকালিন সময়ে জুন মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত নিজ এলাকাতেও ছিলেন না। নেতা কর্মী হওয়া তো দুরের কথা কোন রাজনৈতিক দলের কর্মীও ছিলেন না। সেই মানুষটি কি করে যুদ্ধাপরাধী হতে পারেন? এটা আমারও প্রশ্ন।
প্রশ্ন: সাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে তো অসংখ্য অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে এর সব গুলোই কি মিথ্যা বানোয়াট?
উত্তর : অবশ্যই সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার আব্বার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের যে মামলার পাহাড় রচনা করা হয়েছে এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবৈব মিথ্যা। আমাদের আইনজীবীরা অত্যন্ত বলিষ্ঠতার সাথে বলেছেন সাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে এগুলো শতাব্দীর শ্রেষ্টতম মিথ্যাচার। আপনারা জানেন যে স্বাধীনতা যুদ্ধের চল্লিশ বছর পার হয়ে গেল এর ভিতরে ৮০’র দশকে জামায়াতে ইসলামে যোগদানের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কেউ এই অভিযোগ তুলেনি এবং সারা বাংলাদেশে আমার আব্বার বিরুদ্ধে একটা জিডি পর্যন্ত করেনি। বরং স্বাধীনতার পরে পিরোজপুরের বিভিন্ন এলাকায় তিনি তাফসির মাহফিল করেছেন, ঈদ ও জুমার নামাজে ইমামতি করেছেন। এছাড়া পিরোজপুর থেকে ২বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। যেখানে দ্বিতীয় বারে তিনি ২৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। প্লেস অব অকারেন্স হিসেবে যে পাড়ের হাটের কথা বলা হচ্ছে সে কেন্দ্রে আব্বা সর্বাধিক ভোটে জয়ী হয়েছেন। যদি তিনি স্বাধীনতা বিরোধী হতেন তাহলে কি এ অভিযোগ গুলো আগে উঠতনা? স্বাধীনতার এত বছর পর এই অভিযোগগুলো এখন নিয়ে আসা হচ্ছে কেন।
উত্তর: যারা এ কাজটি করছে তারা আসলে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের উদ্দেশ্যে করছে না। যুদ্ধাপরাধীর বিচারের উদ্দেশ্যে যদি হত তাহলে তারা প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীর বিচার করত। আমরা বুঝতে পারছি যারা তাদের রাজনৈতিক বিরোধী তাদেরকে যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিশেষ করে আমার আব্বার কথা বলব- স্বাধীনতার চল্লিশ বছরে এসব কথা বলা হল না, বলা হল কখন- যখন তিনি জামায়াতে ইসলামিতে যোগ দান করলেন। ট্রাইব্যুনাল আমার আব্বার বিরুদ্ধে বিশটি অভিযোগ আমলে নিয়েছেন। কিন্তু প্রসিকিউশন একটি অভিযোগও আজ পর্যন্ত প্রমাণ করতে পারেননি। আসলে তারা মহামান্য আদালতকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
প্রশ্ন: এই অপপ্রচারের কারণ আপনি কি মনে করেন ?
উত্তর: আসলে এই অপপ্রচারের কারণ জনপ্রিয়তা। আমার আব্বা যে কোরআনের তাফসীর করেন তাতে মানুষ উদ্বুদ্ধ হন। বিশেষ করে যুব সমাজ ইসলামের দিকে ধাবিত হয়। ইসলাম বিরোধী মতবাদের অসারতা বুঝতে পেরে মানুষ ইসলামের দিকে অগ্রসর হয়। অমুসলিমরা তাদের পূর্বপুরুষের ধর্ম ছেড়ে ইসলামে দীক্ষিত হয়। মোট কথা ইসলামের প্রবক্তা হিসেবে আমার আব্বার যে আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা এটাই হল তাকে যুদ্ধাপরাধী বলার প্রধান কারণ। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যারা মামলা করেছে, যরা মিথ্যা স্বাক্ষ্য দিয়েছে, যারা পরিচালনা করছে এবং যারা ইন্ধন যোগাচ্ছে তারা খুব ভালভাবেই জানেন যে আল্লামা দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী মহান মুক্তি যুদ্ধ বিরোধী কোন কর্মকান্ডে যুক্ত ছিলেন না। তাকে রাজনৈতিক ভাবে হেয়পতিপন্ন করার জন্যই এ মামলা করা হয়েছে। আপনি নিশ্চয় জানেন য়ে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে পিরোজপুরের অবদান অনস্বীকার্য। আমার আব্বা যদি স্বাধীনতা বিরোধী হতেন তাহলে ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে পিরোজপুরের মুক্তিযোদ্ধারা নিজ খরচে গিয়ে সাক্ষ্য দিয়ে আসতেন, তাদেরকে ডাকা লাগত না। কিন্তু বিশ্ববাসী কি দেখতে পাচ্ছে? ট্রাইব্যুনালে ৬৪জন সাক্ষির নাম দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে তারা এক বছরে বিশ জনকে হাজির করতে পেরেছে। আর এরা হল- চোর, লুটেরা, প্রতারক, যৌতুক মামলার আসামী, স্ত্রী নির্যাতনকারী ও বিভিন্ন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত আসামী। তারা কোন মুক্তিযোদ্ধা নয়। সমাজের এ জাতীয় নিকৃষ্ট মানুষকে তারা টাকা পয়সার বিনিময়ে, মামলার হুমকি ধামকি দিয়ে জোর করে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে এসে তাদেরকে দিয়ে আব্বার বিরুদ্ধে মিথ্যা জবানবন্দী দিতে বাধ্য করেছে। মজার বিষয় হচ্ছে- আমাদের বিজ্ঞ আইনজীবিরা যখন এসব তথাকথিত স্বাক্ষিদের জেরা করা শুরু করেছেন তখন তারা উল্টা পাল্টা জবাব দেয়া শুরু করে। যারা বলেছিল আমরা মুক্তিযোদ্ধা তাদেরকে জেরা করায় তারা সদুত্তর দিতে অপারগ হয়ে করজোরে বলেছে ‘স্যার আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি নাই। সাক্ষি দিতে আসার আগে স্থানীয় এমপি আমাদেরকে মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট প্রদান করেছেন।’ এধরনের ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ট্রাইব্যুনালে নিয়ে এসে আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী এবং আত্মদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদেরকে অপমান করা হয়েছে বলে আমি মনে করি।
প্রশ্ন: ৬৪জন সাক্ষির মধ্যে ২০জনকে হাজীর করা হয়েছে বাকীরা কবে আসবে বা তাদের কী অবস্থা?
উত্তর: যখন আদালতে বাকী সাক্ষিদের হাজীর করতে বলা হল তারা কালক্ষেপন করতে লাগল। তারা বলল বাকীদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা তারা জীবীত না মৃত তাও বলতে পারছি না। অনেকে পলাতক অবস্থায় আছে এবং বাদী পক্ষদের হুমকি দিচ্ছে টাকা পয়সার প্রলোভন দিচ্ছে যার কারণে তাদেরকে আনা যাচ্ছে না। তাছাড়া এদের মধ্যে অনেকে অসুস্থ্য তাদেরকে ব্যয় সাপেক্ষে নিয়ে আসা যাচ্ছেনা। তারা আদালতকে বলছে তাদের উপস্থিত নাকরে তাদের জবানবন্দী গ্রহণ করুন। সাক্ষিরা যে জবানবন্দী দিয়েছে তার কোন প্রমান নাই, তাতে সাক্ষির কোন সাক্ষরও নাই। তাহলে এখানে বোঝা যাচ্ছে এটা তদন্ত টীমের বানানো সাক্ষ্য। এর পর অপরাধ আইনের ১৯(২) ধারা মোতাবেক ট্রাইব্যুনাল ১৫জন স্বাক্ষির জবানবন্দী স্বাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করলেন। মাননীয় বিচারপতিদের অর্ডার নিয়ে আমি কোন কমেন্ট করবনা। তবে এটা বলব ১৯ (২) ধারার আইনটি আমার আব্বার ক্ষেত্রে অপপ্রয়োগ করা হয়েছে। আমার কথা হচ্ছে সাক্ষিদের নিয়ে আসা ব্যয় বহুল, সাক্ষিরারা কি আমেরিকাতে আছে না অন্য কোন দেশে আছে, না কি মঙ্গলগ্রহে। যেখানে সরকার বলছে এ বিচারের জন্য সরকার যেকোন কিছু করতে প্রস্তুত টাকা-পয়সা থেকে শুরু করে যে কোন ক্ষেত্রে। তারা বলছে সাক্ষিরা বাদীপক্ষকে ভয় পাচ্ছে। যেখানে আসামী পক্ষ সাক্ষিদেরকে ভয় পাওয়ার কথা। এখানে স্পষ্ট হয় যে তারা ইচ্ছাকৃত ভাবে সাক্ষিদের হাজীর করছে না।
প্রশ্ন: সাক্ষিদের যে তারা ইচ্ছাকৃত ভাবে নিয়ে আসছে না- এর স্বপক্ষে আপনার যুক্তি কি?
উত্তর: সাক্ষিদের উপস্থিতির বিষয়ে কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা সরেজমিন তদন্ত করে তারা অধিকাংশ সাক্ষির সাথে কথা বলেছে। সাক্ষিরা বলেছে আমরা হারিয়েও যাইনি পলায়নও করিনি। সাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষি দিতে রাজি হইনি বলেই আমাদেরকে পলাতক বলা হয়েছে। ৪৬জন সাক্ষির মধ্যে বাংলাদেশের কয়েকজন অত্যন্ত সুপরিচিত ব্যক্তিত্বও রয়েছেন। তাদের মধ্যে শাহরিয়ার কবীর, ড. জাফর ইকবাল, জুয়েল আইচ, সাব সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া উদ্দীন, ছার্ছিনা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ড. শরাফত আলী অন্যতম। এদেরকেও আদালতে পলাতক তালিকায় দেখানো হয়েছে। শাহরীয়ার কবীর সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় তার এক সাক্ষাতকার প্রদান কালে তাকে জিজ্ঞআসা করা হয়েছিল আপনি যুদ্ধাপরাধের বিচারে এত সোচ্চার অথচ আপনি কেন সাক্ষি দিতে যাচ্ছেন না? তিনি জবাবে বলেছেন, ‘জবানবন্দীতে যা লেখা হয়েছে তা আমার নিজস্ব বক্তব্য না। আমি সাঈদীর মামলার কোন স্বাক্ষিও নই।’ শাহরীয়ার’র মত একজন লোকের নামে যদি মিথ্যা জবানবন্দী লেখা হয়ে থাকে তাহলে সাধারণ সাক্ষিদের ক্ষেত্রে কতটা মিথ্যাচার করা হয়েছে তা সহজে অনুমেয়।
এই বিষয়টির দ্বারাও প্রমাণিত হয় যে আমার আব্বা কোন স্বাধীনতা বিরোধী ছিলেননা। বরং রাজনৈতিক কারণে তাকে যুদ্ধাপরাধী বানানো হয়েছে। আমার দাবী তারাহুরো না করে সাক্ষীদের যেকোন ভাবে আদালতে হাজীর করা হোক এবং তাদেরকে স্বেচ্ছায় জবানবন্দি প্রদানের সুযোগ দেয়া হোক।
প্রশ্ন: আপনার আব্বার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে তার কি পরিনতি হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
উত্তর: যেটা মনে হয় তারা কুরআনের খাদেম ইসলামের অকুতভয় বীর সেনানির বজ্র কন্ঠকে চিরতরে স্তব্ধ করার মানসে একটার পর একটা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। কিন্তু আমার দৃঢ় বিশ্বাস সারা দুনিয়ার মানুষ আমার আব্বার জন্য যে ভাবে শিশু, কিশোর, নারী পুরুষ দলমত নির্বিশেষে দোয়া করছেন তাতে মহান আল্লাহ এই কোরআনের খাদেমকে আবার কোরআনের ময়দানে ফিরিয়ে দিবেন। সব মিথ্যা বানের পানির মত ভেসে যাবে এবং সত্য প্রতিষ্ঠা হবে ইনশাল্লাহ।
প্রশ্ন: আপনার আব্বার রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবের কারণেই কি মুক্তিযোদ্ধারা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে ভয় পাচ্ছে?
উত্তর: দীর্ঘ ২ বছর যাবৎ কারাগারের চার দেয়ালে বন্দি একজন মানুষ কিভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রভাবিত করতে পারে! তিনি দুই বার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা কখনও কারো দ্বারা প্রভাবিত বা ভয়ে ভীত হতে পারে না। আসলে মুক্তিযোদ্ধারা সত্যের অপলাপ করতে রাজি হচ্ছেন না। ইতিপূর্বে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক যুগ্ম মহা সচিব শামসুল আলম তালুকদার, সাবেক সংসদ সদস্য মুক্তিযোদ্ধা কাজী নুরুজ্জমান বাবরসহ পিরোজপুরের ৫২জন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে অমার আব্বাকে নির্দোষ দাবী করে তাঁর নি:শর্ত মুক্তি চেয়ে স্বরকলিপি প্রদান করেছেন।
পিরোজপুরের বর্তমান এমপি জনসভায়, টকশোতে, সংসদে আব্বার বিরুদ্ধে কথা বললেও ট্রাইব্যুনালে দাঁড়িয়ে বিচারপতিদের সম্মুখে তিনি বলেছেন ‘সাঈদী সাহেবের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের কথা লোকমুখে শুনেছি, আমি তার যুদ্ধবিরোধী কোন কর্মকান্ড নিজ চোখে দেখিনি।’ পিরোজপুরের আপামর গণমানুষ আল্লামা সাঈদীর মুক্তি চায়। আপনারা নিশ্চয় টেলিভিশনের পর্দায় দেখেছেন পিরোজপুরে আমার দাদীর জানাজায় কী পরিমান মানুষের ঢল নেমেছিল। আমার আব্বা যদি যুদ্ধাপরাধী হতেন তাহলে আমার দাদীর জানাযায় এত বিপুল মানুষের সমাগম হত না। লোকেরা বলেছেন এর আগে এত বড় জানাজা দেখিনি।
তাছাড়া আমি গত পহেলা এপ্রিল পিরোজপুরে আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশনে যেটি পিরোজপুরের দ্বিতীয় বৃহত্তম ময়দান সেখানে একটি সিরাত মাহফিল করেছিলাম যেখানে সর্বস্তরের মানুষের বাধ ভাঙা জোয়ার নেমেছিল। অনেক মুক্তিযোদ্ধাও সেই মাহফিলে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেখান থেকে গণ মানুষ আল্লামা সাঈদীর মুক্তির দাবীতে গগনবিদারী শ্লোগান দিয়েছিল। এখনও অনেকে তার মুক্তির জন্য রোজা রাখছেন। হিন্দুরা পর্যন্ত তার মুক্তির জন্য তাদের মন্দিরে পাঠা বলি দিয়েছে।
প্রশ্ন : জেলের ভিতরে আপনার আব্বার শারীরিক ও মানসিক অবস্থা কি রকম?
উত্তর: আব্বার বয়স এখন ৭২বছর। তিনি ৩৭ বছরের ডায়াবেটিক রোগি। তিনি হৃদ রোগ, আর্থারাইটিসসহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত। এত কিছুর পরও তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হতে দেখিনি। একজন বিপদগ্রস্ত মুমিন মুসলমানের যে গুনাবলী থাকার কথা কোরআন-হাদিসে জেনেছি তার সকল গুনাবলী তার মধ্যে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান। তিনি বিন্দু মাত্র হতাশ নয়। তিনি গভীরভাবে বিশ্বাস করেন যে আল্লাহ তাকে সকল মিথ্যাচার থেকে মুক্তিদান করবেন। তিনি বলেন ‘শাহাদতের মৃত্যু আমার সারা জীবনের কামনা এবং প্রতিটি মোনাজাতে আমি বলে আসছি হত্যা, লুন্ঠন এসব মিথ্যা অপবাদ নিয়ে আমি মরতে চাইনা।’ তিনি গভীর ভাবে বিশ্বাস করেন সব ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে আল্লাহ তালা তাকে কোরআনের ময়দানে ফিরিয়ে দিবেন।
প্রশ্ন : শোনা যায় আপনার আব্বার নাম দেলোয়ার শিকদার ছিল, কয়েক বছর আগে তিনি দেলাওয়ার হোসেন নাম ধারণ করেছেন তা সঠিক কিনা?
উত্তর: তার বিরুদ্ধে মামলা সাজাতে তাদের তেমন কোন কষ্ট করতে হয়নি। তারা যে কাজটি করেছে- পিরোজপুরে পাকহানাদার বাহীনি ও তাদের দোসররা যত ঘৃন্য অপরাধ করেছে তারা সেটির বিবরণ লিখেছে এবং সেখানে সুকৌশলে তারা আমার আব্বার নামটি বসিয়ে দিয়েছে। তারা যেক’টি সাক্ষি নিয়ে এসেছে সবাই তাকে দেলোয়ার শিকদার হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং তাদের দিয়ে বলানো হয়েছে ‘তিনি ছিলেন যুদ্ধের সময় দেলোয়ার শিকদার। যে ছিল এক মূর্তিমান আতঙ্ক। স্বাধীনতা যুদ্ধের ২০ বছর পর তিনি দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী নামে আবির্ভুত হন।’ আমার দাদী এ সংবাদ শোনার পর সংবাদপত্রে বিবৃতি দিয়ে বলেছেন, ‘আমার ছেলের নাম দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী, জন্মের পর থেকে এই নাম রাখা হয়েছে। তার কোন উপনাম নেই বা ছিল না।’ যে দেলোয়ার শিকদারের নাম তারা বলছে অনেক সাক্ষি একথা বলেছে যে দেলোয়ার শিকদার নামে একজন কুখ্যাত রাজাকার ছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে তাকে মুক্তিযোদ্ধারা হত্যা করে। এমনকি এই মামলার তদন্তকর্মকর্তা আদালতে প্রমান সহকারে উল্লেখ করেছেন যে, দেলোয়ার শিকদার এবং দেলাওয়ার হেসেন সাঈদী দু’জন ভিন্ন মানুষ। তিনি স্বাধীনতার ২০ বছর পর নয়, জন্মের পর থেকেই দেলাওয়া হেসেন সাঈদী নামে পরিচিত। তার নাম কখনও দেলোয়ার শিকদার ছিলননা। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে আমার আব্বার ১৯৫৭ সালের শিক্ষাগত সনদপত্র দাখিল করেছেন। সেখানে সুস্পষ্টভাবে আব্বার নাম দেলাওয়ার হোসেন সাঈদী এবং তার পিতার নাম মাওলানা ইউসুফ সাঈদী উল্লেখ করা আছে।
সুতরাং একথা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে, আমার আব্বাকে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বশত: মানবতা বিরোধী কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে। আমি আমার নিরাপরাধ আব্বার নি:শর্ত মুক্তি চাই এবং সকলের কাছে আমার আব্বার জন্য দোয়া কামনা করি।
এখন সময়: সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ!
উত্তর: আপনাকে, এখন সময় পরিবারের সকল সদস্য এবং সম্মানিত পাঠকবর্গকে আমার সালাম ও আন্তরিক ধন্যবাদ।
সত্য কথা বলেছেন। মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করি, আল্লাহ তুমি এই মজলুম গোলামসহ সকল ইসলামী নেতা কর্মীদের কে মুক্ত করে দিয়ে কুরআনের খেদমত করা সুযোগ করে দেও। আমিন
83974
২
করোনেশন রোড, মোমেনশাহী থেকে আব্দুল্লাহ তাসনীম লিখেছেন,
১০ মে ২০১২; সকাল ০৮:১৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতি একটি বিনীত ও উদাত্ত আহবান:
আকীদার ব্যাপারে মুসলমানের কোন আপোসের ন্যুনতম সুযোগও নেই। অথচ এ দলটি সম্পর্কে এদেশের সমস্ত হক্ক্বানী ওলামায়ে কেরামের অভিমত হল, আকীদার বিষয়ে সমস্যা রয়েছে। যদি এ অভিযোগ সত্য হয়, তবে বিনীত অনুরোধ থাকবে, প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে আকীদা সহীহ করে নিন। আর অভিযোগ সত্য না হলে এটাও প্রকাশ্যে স্পষ্টভাবে প্রচার করে দেশের মানুষকে বুঝিয়ে দিন। এতে পরকালে মুক্তি পাওয়া যাবে। আর নগদ যে লাভ হবে তা হল, দেশের ওলামা কেরামের সাথে দলটির দূরত্ব শূন্যের পর্যেয়ে চলে আসবে। ফলে ইসলামপ্রিয় জনতা কাতারে কাতারে আপনাদের দলে যোগ দিবে। দেশের ইসলামের মূল স্পিরিট হিসেবে বিবেচিত কওমী ঘরানার শিক্ষক-ছাত্র আপনাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাশে থাকবে। এবং বর্তমান সময়ের সবচে' কাঙ্খিত বিষয়টি ঘটবে। অর্থাৎ, বহুধা-বিভক্ত ইসলাম-প্রিয় জনতা ও নেতৃত্ব এক প্ল্যাটফর্মে আসবে।
আপনাদের দলটির অনেক প্রশংসনীয় দিকগুলোর অন্যতম হচ্ছে সাংগঠনিক মজবুতি । কিন্তু জনসমর্থনের অভাবও বিদ্যমান। আর, ওলামায়ে কেরামের রয়েছে জনসমর্থন। কিন্তু সাংগঠনিক শক্তির অভাবও বিদ্যমান। এ দু'পক্ষের মিতালীর মাধ্যমে এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়নের হাতছানি পাচ্ছি।
কল্যাণকর হলে মহান রব সহায় হোন।
আমার লেখায় কেউ ব্যথিত হলে ক্ষমাপ্রার্থী।
84069
৩
স্বদেশ থেকে স্বদেশী লিখেছেন,
১০ মে ২০১২; সকাল ০৯:৩৩
মিথ্যার ওপর যাদের জন্ম সেই সরকারের সামনে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করে কোনই লাভ নাই। বরং সেই মহান প্রভুর কাছে আবেদন করুন, যিনি আলা কুল্লি সাইয়িন কাদির, যিনি সামিউল বাছির, যিনি আলিমুল গায়েব, যিনি আজিজুল আলিম। তিনি যেন বিশ্ব বরৈন্য এই কোরআনের খেদমতকারীকে অপমান না করেন। আর একটি প্রলয়ের মাঝে তিনি যেন স্বগৌরবে আমাদের মাঝে কোরআনের বাণী নিয়ে হাজির হন। মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ তা'আলা যে কোন কঠিণ ষড়যন্ত্রকারী দর্দূণ্ড প্রতাপশালী থেকে অধিক আরো অধিক কৌশলী।
84073
৪
ঢাকা থেকে জাহাঙ্গীর লিখেছেন,
১০ মে ২০১২; সকাল ১০:০২
কমেন্ট ২, আব্দুল্লাহ তাসনীম, করোনেশন রোড, মোমেনশাহীকে.....
এ ধরণের অভিযোগ যুক্তিসঙ্গত উপায়ে করা যায় না। কারণ বা.জা.ইসলামী গোপন কোন সংগঠন নয়। তাদের বিশ্বাস, কমসূচী, কর্মপদ্ধতি, কর্মপন্থা প্রকাশ্য। আক্বীদা এমন বিষয় নয় যে, ঘোষনা দিয়ে দিলেই শুদ্ধ হয়ে যাবে। জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় আপনার মতো বিশ্বাস নিয়ে তাদের বিরোধীতা করেছি। কারো কাছে জিজ্ঞেস করে নয় বরং অতি গোপনে তাদের বিশ্বাস, কমসূচী, কর্মপদ্ধতি, কর্মপন্থাগুলো পর্যবেক্ষণ করেছি, তাদের ইসলামী সাহিত্যগুলো পড়েছি। বিশ্বাস করুন, আমি একটি চ্যালেন্জ নিয়ে তাদের সাহিত্যের ভূবণে বিশেষত বিশ্ব খ্যাত অসাধারণ ইসলামী স্কলার মাওলানা সাইয়েদ আবুল আ'লা মওদুদী রহ: সাহেবের সাহিত্যগুলো পড়ে কোথাও বিসদৃশ কোন কিছু পরিলক্ষিত হয়নি।
আব্দুল্লাহ তাসনীম! আমার জীবনের ২৬টি বৎসর কেটেছে আপনার সেই হক্কানী ওলামায়ে কেরামদের সাথে, যারা না জেনে,না দেখে,না বুঝে শুধুমাত্র শুনে এই স্কলারের বিরোধীতা করে গেছেন অন্ধভাবে। এতে দূটি ক্ষতি হয়েছে, এক, ইসলামের প্রকৃত রূেপর ওপর ২০০ বৎসরের ব্রিটিশ গোলামী শাসনে আবরণ পড়েছিল, সেই আবরণ মুক্ত করে সব মানুষের সামনে প্রকৃত রূপটিকে তুলে ধরার প্রয়াস চালিয়েছিল, তা বাধাগ্রস্থ হয়েছে, দুই, অন্ধ সমর্থন যেমন ইসলামে জায়েজ নাই তেমনি অন্ধভাবে বিরোধীতাও জায়েজ নাই।
ইসলামে জ্ঞানের মর্যাদা অত্যধিক। যার জ্ঞান নাই তার অবস্থা আঁধার রাতে পথ চলার মতই। সুতরাং পড়ুন, জানুন এবং সিদ্ধান্ত নিন।
84074
৫
ইউ, এ, ই থেকে নাসিরুল ইসলাম লিখেছেন,
১০ মে ২০১২; সকাল ১০:৫৬
করোনেশন রোড, মোমেনশাহী থেকে আব্দুল্লাহ তাসনীম কে,
আপনার মন্তব্যটি পড়ে আমি জামায়াতে ইসলামীর ওয়েব সাইটে গিয়েছি। সেখান থেকে তাদের আকিদা বিশ্বাসের অধ্যায়ে গিয়েছি। সেখানে তাদের পাঁচটি আকিদা বিশ্বাসের উল্লেখ পেয়েছি, তা নিম্নরূপ:
০১.আল্লাহ্ তা'আলাই মানব জাতির একমাত্র রব, বিধানদাতা ও হুকুমকর্তা।
০২. কুরআন ও সুন্নাহ্ই মানুষের জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান।
০৩.মহানবীই (সা.) মানব জীবনের সর্বক্ষেত্রে অনুসরণযোগ্য আদর্শ নেতা।
০৪. ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনই মুমিন জীবনের লক্ষ্য।
০৫. আল্লাহ্র সন্ত্মুষ্টি ও আখিরাতের মুক্তিই মুমিন জীবনের কাম্য।
আমি আপনার মত বিদগ্ধ আলেম নই, তাই আমার প্রশ্ন জামায়াতের আকিদা বিশ্বাসের এই প্রকাশ্য কথাগুলিতে কোন কথাটি মারাত্মক কিংবা ইসলামের বিচারে দোষনীয় তা একটু জানাবেন। আপনি ইমানদার হলে, পরকালে জবাব দিহীর ভয় থাকলে আশা করি উত্তর দিবেন। নতুবা সেদিন সেখানে আপনাকে আমি পাকড়াও করব। সূত্র হিসেবে জামায়াতের সেই ওয়েব সাইটের লিঙ্ক দিলাম।
http://jamaat-e-islami.org/aboutus.php
84076
৬
Dhaka থেকে AZAD লিখেছেন,
১০ মে ২০১২; সকাল ১১:৪২
100% True Answer, Don't Worry Mr. Rafiq Bin Saidy.
84078
৭
Riyadh থেকে Morur Pathic লিখেছেন,
১০ মে ২০১২; দুপুর ০২:৫৮
In our country, there was no birth regiustration. Moulana Delware Hossain can be identified with his certificate whether he is Saidee or Sikder (if there was no affidavit.). It was not new that the almighty Allah examines His beloved people by different way. I expect his ( Saidee) successful in that examination.
84084
৮
ময়মনসিংহ থেকে আবু রাদ লিখেছেন,
১০ মে ২০১২; বিকেল ০৫:০৪
ঢাকা থেকে জাহাঙ্গীর (৪) ও ইউ, এ, ই থেকে নাসিরুল ইসলাম (৫) -কে বলছি। জামায়াতের বিরোধীতা হাক্কানী আলেম সমাজ কেন করেছেন সে ব্যাপারে আপনাদের ধারণার অগভীরতা ও দৈন্যতা দুঃখজনক। এ বিষয়ে কিছু সুগভীর আলোচনাসমৃদ্ধ পুস্তক রয়েছে যা এ দেশে কেউ অনুবাদ করেনি (এ ব্যাপারে, বিশেষত জবাবের ক্ষেত্রে, জামায়াত অনেক এগিয়ে সন্দেহ নেই)। আপনারা খেয়াল করবেন উপমহাদেশের কোন বড় আলেমই জামায়াত করাকে সমর্থন করেননি, অথচ তাদের আখলাক ও প্রজ্ঞা অতুলনীয় (যেমন সর্বজনশ্রদ্ধেয় মাওলানা থানভী রহঃ, মুফতী মুহাম্মদ শফী রহঃ, মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী রহঃ)। কাজেই খুব শস্তা ধারণা নিয়ে বলা ঠিক না - এ বিষয়ে বিশেষত ঈমানের বিষয় জড়িত আছে। ছোট আকারে ধারণার জন্য পড়ুন: মাওলানা তা'কী উসমানী লিখিত বইয়ের অনুবাদ "ইতিহাসের কাঠগড়ায় আমীর মুয়াবিয়া (রাঃ)"। আল্লাহ পাক আমাদের ঈমান হেফাজত করুন।
84092
৯
কলকাতা, ভারত থেকে ফরিদ মাসুদ নাদিম লিখেছেন,
১০ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:৩৯
করোনেশন রোড, মোমেনশাহী থেকে আব্দুল্লাহ তাসনীম সাহেব, আপনার মত আমি এত কিছু না জানলেও ছোট অথচ গভীর তাৎপর্যপূর্ণ একটি বিষয় এ দলটিতে দেখেছি। এটা হল, এরা ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলে অথচ মুখে নবীজীর দাড়ি থাকে না! কারও থাকলেও নামকাওয়াস্তে!!
84098
১০
America থেকে Hassan Hafiz লিখেছেন,
১০ মে ২০১২; রাত ১০:১৩
জনাব আব্দুল্লাহ তাসনীম সাহেব (২)
আপনাদের মত বিজ্ঞ আর হক্কানী ওলামাদের প্রতি শুধু করুনাই হয় । আপনার মন্তব্যের সাথে উপরের আলোচনার কি কোন সামঞ্জস্য আছে ? এখানে কি কোন রাজনৈতিক বা কোন ফিক্কহার প্রশ্ন এসেছে ? এখানে এ প্রশ্ন উত্থাপন করে আপনি কি এ কথা বুঝাতে চাচ্ছেন যে, যেহেতু মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী সাহেব জামায়াতে ইসলাম করেন তাই তার আক্কীদাহ ঠিক না । অতএব তার এমন সাজা হওয়া-ই উচিৎ । আক্কীদার বিষয়টা যখন উত্থাপন করলেন-ই তখন খুলে বললেন না কেন কোথায় জামায়াতের আক্কীদায় ভুল । তদুপরি আপনারা আক্কীদার ব্যপারে এত পান্ডিত্য রাখেন কিন্তু একজন কোরআনের বাহক, কোরআনের খাদেম, মুহাম্মাদী শরীয়তের নিশান বরদার, আল্লাহর দুশমন, রাসুলের দুশমন, কোরআনের দুশমন এবং ইসলামের দুশমনদের সামনে, বাম-রামদের সামনে এবং খোদা দ্রোহী ও নাস্তিকদের সামনে গত অধশত বছর ধরে যিনি কোরআনের পতাকা নিয়ে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে, বিশ্বের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটছেন, আর যখন সেই লোকটিকে বাংলাদেশের জালেম সরকার অন্যায় ভাবে এই বৃদ্ধ বয়সে জেলের অন্ধকার কুঠিরে পুরে মৃত্যু মুখে ঠেলে দিচ্ছে তখন আপনাদের মত তথা কথিত হক্কানী আলেমদের কপালে দুঃখ ও বেদনার একটু দাগও পড়ে না । কারন এটা আপনাদের আক্কীদার মধ্যে পড়ে না ।
অথচ আক্কীদার মূল দাবীই হলো ---( যে হারিক্যানের আলো দিয়ে পথ দেখবে সে হারিক্যানকে হিফাযত করা ) আক্কীদার বিষয় গুলোকে হিফাযত করা, প্রটেকশান দেওয়া । অথাৎ আক্কিদার বিষয় গুলো যারা ব্যাখ্যা করে, ওয়াজ ও নসিহাতের মাধ্যমে মানুষকে বুঝায় তাদের হিফাযত করা । কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো বাংলাদেশের আব্দুল্লাহ তাসনীমদের মত আক্কীদার পন্ডিত হক্কানী আলেমদের সে বুঝটা এখনও হয় নি ।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে যে সকল ওলামায়ে কিরাম সংশ্লিষ্টতা রাখেন তারা শুধু আলু খেয়ে আর রবীন্দ্রনাথের বই পড়ে মৌলানা বা মৌলভী হয়েছেন । আক্কীদা কী জিনিষ সেটা তারা বুঝবেন কী করে ? সেই জন্য তাদেরকে হক্কানীও বলা যাবে না । তারা হলো ( তাদের চিন্তায় ) মুশরেকী ওলামা (!) কারন যেহেতু তারা জামায়াতে ইসলাম করেন ।
তবে জনাব আব্দুল্লাহ তাসনীম সাহেবদের মনে রাখার জন্য বলছি, যদি বতমান জালেম সরকার মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর মত ওলামাদের গায়ে হাত তুলে বিনা বাধায় পার পেয়ে যায় ( যা হতে দেওয়া হবে না ইনশা আল্লাহ ) তা হলে একের পর যে দুই আসে সে কথাটা স্মরনে রাখলে আপনাদের উপকারে আসবে । তা না হলে - حتى يئا تي الله با مره দেখার জন্য অপেক্ষা করেন ।
তবে তখন শুধু আফসোস করা ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না ।
84106
১১
Balagonj. থেকে Freedom Fighter লিখেছেন,
১১ মে ২০১২; সকাল ০৫:৫৬
As a Freedom Fighter I strongly believe in the trial of war criminals,although it is too late.At the same time I strongly oppose the so called trial of innocent,elderly,ailing,Allah fearing muslim scholars.This is with the sole intention of eliminating the political rivals and the muslim scholars,at the advise of the RAW.The very RAW who let the real culprits and the mastermind of the war crime in the Pak Army free.This was a great insult to the freedomfighters,martyrs,war crime victims and their family.I agree with Moulana Sayeedi,100%,that the prosecution has insulted,humiliated and disgraced the freedom fighters,martyrs and the great Liberation War by bringing those convicted criminals,by giving them fake freedom fighter certificate and other incentives,to give false witness against Allama Sayeedi.
84109
১২
Boda, Dinajpur. থেকে Gazi Sharafat লিখেছেন,
১১ মে ২০১২; সকাল ০৬:৩৮
বিচার হবে। বিচার হবে। বিচার হবে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে।
কই, যুদ্ধাপরাধীরা কই?
তারা ১৪৫ জন ছিল । শেখ মুজিব আর ইন্দিরা গান্ধী মিলে তাদেরকে ১৯৭২ সনে পাকিস্তানে পার করে দেয়্।
তবে বিচার হবে কার?
সরকারের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের সিনিয়র নেতা যারা……………………..
********************************
---সংবিধান কি বলে?
---সংবিধান! সংবিধান যখন যা প্রয়োজন তা বলে!
---হুঁউ-উ-উ বুঝলাম না।
---জাতির কন্যার দলের যেমন গায়ের জোর আছে তেমনি আছে গলার জোর। এই দলের স্বার্থে যখন যা বলার বা করার প্রয়োজন তাই-ই সংবিধান।
---আর আমজনতা?
---দেখুন, মৌলিক মানবাধিকার বলেন বা নাগরিক অধিকার বলেন বা ভোটাধিকারের কথা বলেন, মর্যাদার কথা বলেন - শুধু জাতির কন্যার মতের অনুসারীদের জন্য। অন্যদের জন্য এসব অধিকারের ধর্মকথা প্রযোজ্য নয়। সুতরাং কোন সমস্যা নেই।
84111
১৩
করোনেশন রোড, মোমেনশাহী থেকে আব্দুল্লাহ তাসনীম লিখেছেন,
১১ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:২০
বিভিন্ন জনের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমার জবাব আজ সকালে এখানে পোস্ট করেছি। কিন্তু কেন সেটা প্রকাশ হল না- এটা আমার বোধগম্য নয়। যাক, আমার মন্তব্যের পর যাঁরা আমাকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ।
ইউ, এ, ই থেকে নাসিরুল ইসলাম, আপনার জ্ঞাতার্থে বলছি, আকীদা প্রসঙ্গে এই ছোট্ট পরিসরে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ নেই। আপনি এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাইলে অনেক বই পাবেন এ বিষয়ে। তবে সব বই নির্ভরযোগ্য নয়। নির্ভরযোগ্যতা নির্ণয়ে ভাল আলেম ব্যক্তিত্বের সাহায্য নিতে পারেন। মাশাআল্লাহ, এখন কওমী মাদরাসাগুলোর বদৌলতে যোগ্য আলেমের অভাব নেই। এ ব্যাপারে আহকামে যিন্দেগী, বেহেশতী জেওর, ইসলামী আকীদা ও ভ্রান্ত মতবাদ, শাইখুল হাদীস আল্লামা আযীযুল হক সাহেবের অনুবাদকৃত বোখারী শরীফ এ বইগুলো দেখতে পারেন। এখানে আমার ই-মেইল ঠিকানাটা দিচ্ছি। প্রয়োজনে যোগাযোগ করবেন।
abdullahtasneem10@gmail.com
এখন আপনার প্রশ্নটির বিষয়ে বলছি। আপনি লিখেছেন, জামায়াতের আকিদা বিশ্বাসের এই প্রকাশ্য কথাগুলিতে কোন কথাটি মারাত্মক কিংবা ইসলামের বিচারে দোষনীয় তা একটু জানাবেন।
ভাই নাসীর, উপরোক্ত ৫টি বিষয়ে কোন ত্রুটি আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে ধরা তো পড়েইনি বরং এ বিষয়গুলো যদি এ দলটি মেনে চলতো তাহলে আজ এ বিতর্ক উঠতো না।
আমি আমার লেখার পরে বিভিন্নজনের মন্তব্যগুলো পড়ে খুব খুশী হয়েছি এজন্য যে, হয়তো আমরা ভিন্ন ভিন্ন পথে ইসলামের প্রতিষ্ঠায় অগ্রসর হচ্ছি; কিন্তু আমাদের উদ্দেশ্য সবারই অভিন্ন। আমরা সবাই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর।
America থেকে Hassan Hafiz কে বলছি।
আপনার মন্তব্য লেখার পূর্বে একটু গভীরভাবে চিন্তা করলেই বুঝতে পারতেন, দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির আলোকে সাধারণ ঈমানদার মাত্রই ব্যথিত ও চিন্তিত না হয়ে পারেন না। একজন সাধারণ মুসলমান হিসেবেই মনের কষ্ট থেকে আমার এ লেখার প্রয়াস। সমস্যা অনেক বড়। এর সমাধান একা কোন দল বা ব্যক্তির সম্ভব নয়। মনে হল, বর্তমানে ইসলামের খিদমতে নিয়োজিত এ দু'পক্ষের ঐক্য হলে সরকারের এবং সমস্ত রাম-বামদের লম্ফ-ঝম্প এমনিতেই স্তিমিত হয়ে যাবে। আমাদের আকাঙ্খিত ইসলামী হুকুমতও কায়েম হবে। এ চিন্তাই আমাকে লেখায় উদ্বুদ্ধ করে। আপনাকে ধন্যবাদ।
এদেশের ইসলামপ্রিয় মানুষগুলোর মনে মনে গুমরে মরাটা আমিও অনুভব করছি। ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে মুফতি আমীনী, মুফতি ইযহার, মাও.মুহীউদ্দীন খান, অধ্যাপক গোলাম আযম, মাও.সাইদী, মাও. মতিউর রহমান নিযামী, কামরুযযামান সাহেব এবং এমন আরও অনেক মুসলিম নেতৃত্ব আজ হিন্দু ও আধা হিন্দু বিচারকদের প্রহসনের শিকার!
ভাই, আশা করি আমার চিন্তাধারাটা বুঝতে পারছেন।
শোকাকুল হয়ে আঙুল চোষাটা ভাল মনে করি না। শোককে শক্তিতে পরিণত করে ছাই থেকে রত্ন বের করার পক্ষে।
মানুষের যেমন ভুল হয়, তেমনি দলেরও ভুল হতে পারে। মহান আল্লাহর অভিমতে, ওলামাগণ যুগের তত্ত্বজ্ঞানী। তাই, এখনো মনে করি, ওলামাগণের অভিযুক্ত বিষয়টি দলের ভুল মনে করে সংশোধনের নিয়তে সমাধান করে ফেললেই হয়। এর ফলাফল হবে ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী। আর, হযরত ওলামা কেরামকে এড়িয়ে আর যা-ই হোক, কখনো ইসলাম প্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে আমি মনে করি না। সুতরাং এ দু'পক্ষের ঐক্যই এখন এ জাতির আকাঙ্খা।
পরবর্তীতে জামাতে ইসলামীর বিষয়ে অভিযোগগুলোর ভিত্তি ও সূত্র বিষয়ে আর্টিকেল অথবা কমপক্ষে এ পাতায় লেখার ইচ্ছে আছে। মহান রব আমাদের সহায় হোন।
সমকামী বিয়ের পক্ষে ওবামা
বিবিসি
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যখন সমকামী বিয়ে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠছে তখন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এর পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সমকামী দম্পতিরা চাইলে বিয়ে করতেই পারেন। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাত্কারে ওবামা বলেন, তার সরকার দেশের সমকামী নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আমেরিকার সেনাবাহিনীতে সমকামীদের জন্য করা ‘ডোন্ট আসক, ডোন্ট টেল’ পলিসির কথা স্মরণ করিয়ে দেন। বারাক ওবামাই হলেন আমেরিকার প্রথম ও একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি সমকামী বিয়ের বিষয়ে এমন প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছেন।
amar desh 11 may 2011
84132
১৪
করোনেশন রোড, মোমেনশাহী থেকে আব্দুল্লাহ তাসনীম লিখেছেন,
১১ মে ২০১২; রাত ০৯:৪৬
অত্যন্ত দু:খজনক হলেও সত্য, আজ আমি ৩ বার জবাব পাঠিয়েছি, অথচ ১টি জবাবও প্রকাশিত হয়নি! বিষয়টি আমার বোধগম্য হচ্ছে না। আমি এমন কোন কিছুও লিখিনি যা সম্পাদকের বিবেচনায় অগ্রহনীয় হতে পারে! যাক, সরকার অথবা এমন কোন পক্ষ হয়তো চাচ্ছেনা যে ওলামাকেরাম এবং জামাতে ইসলামী একতাবদ্ধ হোক। আর তাদের চাপে পড়ে বেচারা সম্পাদক সাহেব নিরুপায়। আমি আবারও দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি, আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এ ঐক্য এখন জাতির মুক্তির দিশারী হতে পারে। তাই আসুন, নিজেদের মৌলিক বিষয়ে কোন ভুল থাকলে সংশোধন করে কাঁধে কাঁধে মিলাই।
আল্লাহই উত্তম বিধায়ক।
84142
১৫
সিঙ্গাপুর থেকে ইয়াছিন লিখেছেন,
১১ মে ২০১২; রাত ১০:২৬
করোনেশন রোড, মোমেনশাহী থেকে আব্দুল্লাহ তাসনীম কে,আপনি শুনেছেন যে জামায়াত ইসলমীর আকীদায় সমস্যা আছে।কিন্ত তাদের আকীদা বিশ্বাস,লক্ষ্য উদ্দেশ্য তাদের বই পএ থেকে জেনে নিয়েইতো মন্তব্য করা সমীচীন তাই নয় কি?শুনা কথায় কান দেয়া কি সঠিক?
84147
১৬
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; রাত ০১:৫৬
২
করোনেশন রোড, মোমেনশাহী থেকে আব্দুল্লাহ তাসনীম কে
পুরানো ময়লাকে যতই নাড়াচাড়া করবেন ততই গন্ধ বাহির হইতেই থাকবে, বাংলাদেশের কাওমী মাদ্রাসার একটা বৈশিষ্ট ওপরের গন্ধ খোঁজে বেড়ানো ? আপনাদের দোষ গুলো যদি ধরিয়ে দেওয়া হয় তখন আপনারা তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেন ? বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ৪০ বছরের উপর হয়েছে, কাসেম নানুতবী দেওবন্দ মাদ্রাসা দিয়েছে ১৫০ বছর আগে, এখনো পর্যন্ত আপনারা উর্দূ র্ফাসি কে বাংলাদেশের মাদ্রাসা থেকে বাদ দিতে পারেন নাই শুধু মাত্র উর্দূ র্ফাসি থেকে বরকত বাহির করার জন্য, আমার প্রশ্ন উর্দূ র্ফাসির ভিতর এত বরকত কেন ? বাংলা ইংরেজির ভিতর কোন বরকত নাই কেন? কাসেম নানুতবীর ১৫০ বছর আগের সিলেবাস কে ১৪০০ শত বছর আগের সিলেবাসের উপর প্রধান্য দিই কেন ?
সর্বশেষ বলতে চাই আপনাদের কাওমী মাদ্রাসার ভুলের কারনে আজকে বাংলাদেশে ইসলাম কে প্রাতিষ্টানিক রুপ দিতে পারতেছে না,যার দরুন আপনারাও এই দেশের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে কাওমী মাদ্রাসা পরিচালিত করার জন্য ভিক্ষাবৃত্তিতে নিয়োজিত, ইসলাম পন্থি অনআলেমরাও ইসলামের স্বাদ থেকে বঞ্চিত, চরমোনাই পির শাইখুল হাদিসের বিরোদ্ধে ফতোয়া দেওয়া শাইখুল হাদীস আওয়ামী লীগ নামক জানোয়ারের দলের সাথে জোট করে মুফতি আমীনির বিরোদ্ধে ফতোয়া দেওয়া, এই সমস্ত কাদাচুরাচুরি বাদ দেন, ১৫০ বছর আগের সিলেবাস (উর্দূ-ফাসি) কে বাদ দিয়ে সাহাবা একরামের সিলেবাসের অনুসরণ করে যুগ উপযোগি সিলেবাস সৃষ্টি করুন, কাওমী মাদ্রাসার ভিতরের চরিত্র এক অপরের গন্ধ খোঁজা বাদ দিয়ে ভাতৃত্ব বন্ধন সৃষ্টি করুন, দেখবেন ইসলাম প্রতিষ্টা হইতে বেশি দেরি লাগবে না।
সবচেয়ে দ:খের বিষয় বর্তমানে সব ইসলামি ব্যক্তিরা বন্ধি অবস্থায় আছে, ইসলাম র্চচা করার জন্য সব প্রতিষ্টান কে সরকার বন্ধ করেই চলেছে মনে হয় সুযোগ হলেই টঙ্গি ইজতেমা কেও বন্ধ করে দিবে, আর অনৈসলামি সব র্কাযক্রম দেদারিছ চলতেছে।
ভুলের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী, ধন্যবাদ সবাই কে ।
84150
১৭
:)>- ইটালি মানতোবা থেকে ইসমাইল খোকোন লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; রাত ০৩:৪৭
হক্কানি আলেমদের নির্যাতনের মাধ্যমে কালেমার পতাকা পতপত করে উড়বে একিদন বাংলার আকাশে বাতাসে ..............।
84152
১৮
ভিয়েনা থেকে কাউয়ান লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; রাত ০৪:০৬
ধান ভানতে শিবের গিতের মতো তাসনিম সাহেব এক অদ্ভুত ধারনার অবতারনা করেছেন।আকিদা নিয়ে,
যেখানে সাঈদী সাহেবকে নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে সেখানে জামাতের আকিদা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আকিদা অর্থ যদি বিশ্বাস হয় তবে জামাতের আর কি লুকানো বিশ্বাস থাকতে পারে আমার বোধগম্য নয়। আর জামাতের লোকেরা কোন কাদিয়ানীর অনুসারী বা কোন বাইবেল পড়ে আর কোন মন্দিরে পুজা করতে যায় তাও খুজে পাচ্ছি না। তারা যদি কোরআন পড়ে তারা যদি হজরত মোহাম্মদ (সঃ)কে নবী হিসাবে মানে পরকাল যদি মানে বেহেস্ত দোজখ যদি মানে ফেরেস্তা যদি মানে তবে আর কি হাতি ঘোড়ার আকিদা আছে যা তারা মানে না তাতো বোধগম্য হচ্ছে না। এই দেশে যাদেরকে হাক্কানী আলেম বলা হয় তারা সবাই নিজের দল ভারী রাখার জন্য একটা কিছু স্বাতন্ত্র রেখে মুর্খদেরকে দলে ভিড়ায়। অমুকে এই সুন্নত পালন করেনা সে জাহান্নামী, সেই সুন্নতটা কি, সেটা হলো সে কদু খায় না, সে মিষ্টি খায় না। এই হলো হাক্কানী আলেম নামে যাদের কথা বলা হচ্ছে তাদের অবস্থা। যেই মহিউদ্দীন খান মউদুদী ফিতনা বলে বলে মুখে ফেনা তুলেছেন সেই খান সাহেব এখন জামাতের সাথে বসতে কোন ফিতনা অনুভব করেন না। জামাত বিরোধীতার শুরু অনেক পুরানো, সেটা ৪৬/৪৭ সালে বা তার আগে থেকেই শুরু কারন মওদুদী সাহেবকে যখন বলা হলো আপনি পাকিস্তান আন্দোলনের পক্ষে লিখেন তিনি লিখলেননা, আবার যখন বলা হলো ভারত আন্দোলনের পক্ষে লিখেন তাও তিনি লিখলেননা, তিনি দু পক্ষেরই সমালোচনা করে লিখলেন। তখন থেকেই এই দুই পক্ষের সাথে যেই সব মাওলানা জড়িত তারা তার বিরোদ্ধে বিষোদগার করতে থাকলো আকিদার ধুয়া তুলে। কারন মওদুদী সাহেবের ছিল স্বতন্ত্র ধারনা যা দুই পক্ষের কারও পছন্দ হয়নি। আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি সউদি সরকারের যেই মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় তার কারিকুলামের ৮০ ভাগ মওদুদী সাহেবের পরামর্শে তৈরী করা যেখানে আপনাদের হক্কানী আলেমদের কোন সুযোগ দেয়নি সউদী সরকার।
আর তাসনিম সাহেবের অবগতির জন্য জানাচ্ছি জামাতের জন সমর্থন নেই এই কথা আপনাকে কে জানালো তাও বুঝতে পারছি না আর হক্কানী আলেমদের জনসমর্থন আছে তাও কোথায় পেলেন তাও জানতে পারলাম না কারন তাদের জনসমর্থন যাচাইয়ের কোন মিটার নেই। যদি ওয়াজ মাহফিলের শ্রোতা দেখে জনসমর্থন বিচার করেন তবে একটা কাহিনি বলি,
এক লোক তার ছেলেকে নিয়ে রাতে ওয়াজ শুনতে গেলো, ওয়াজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে একটি খাল পরে,
বাবা লুঙ্গি উচিয়ে খাল পার হয়ে গেল, কিন্তু ছেলেতো আর পার হয় না।
বাবা বলল কিরে খাল পার হচ্ছিস না কেন?
ছেলে বলল লুঙ্গি ভিজে যাবে যে
বাবা বলল লুঙ্গি উপরে তুলে পার হও, তাতে ভিজবে না
ছেলে বলল হুজুর যে বলল হাটুর উপরে কাপড় তুলা কবিরা গুনা
বাবা বলল ব্যটা ২০ বছর ওয়াজ শুনছি, খালের এই পারে ওয়াজ আনি নাই, আর তুই প্রথম বারেই আনতে চাস্?
এই হলো হাক্কানী আলেমদের জনসমর্থন
ভারত থেকে এক ভাই লিখেছেন তারা ছোট ছোট দাড়ি রাখে অথবা রাখেই না। এখন কথা হলো তারা দাড়ি রাখার বিরোধী কি না। যদি বিরোধী না হয় তবে তাদেরকে বুঝান আর যদি বিরোধী হয় তবে আমাদেরকে দেখান আমরাও সারা দুনিয়াকে দেখাব তাদের ভন্ডামী। আর যদি যৌক্তিক কোন কারন থাকে অথবা অবকাশ থাকে তবে তাও জেনে নিন, মুখে দাড়ি নেই বলে যে আপনাকে নামাজের দিকে, কল্যানের দিকে, কোরআন হাদিসের দিকে আহ্বান করছে তার সেই আহ্বানকে অবজ্ঞা করবেন না। কারন তার ডাক সত্যের দিকে, আল্লাহর দিকে। অন্যের সমালোচনা নয় আপনি আপনার সময়টা কিভাবে ব্যায় করছেন সেই আত্ম সমালোচনা করুন। কে আপনাকে ডাকছে তা না দেখে আপনাকে কোন পথে ডাকছে তা দেখুন।
ধন্যবাদ
কাউয়ান
84153
১৯
ঢাকা থেকে মোঃ ওহিদুল ইসলাম, উল্যাখালী, নাংগলকোট, কুমিল্লা। লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; সকাল ১০:৫৩
বাতিল পরাভূত হয়ে সত্যের জয় একদিন হবেই ইনশাল্লাহ।
84158
২০
দাম্মাম সৌদি আরব থেকে নজরুল ইসলাম লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; দুপুর ০২:৪৭
কোথাকার বাতাস কোথায় যায়???
লেখা হলো সাঈদীকে নিয়ে, আর সব মন্তব্য জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে।
যাক দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা সকল সত্যের সৈনিককে হেফাজত করুক। আমাদের সকল মুসলমানকে যেসকল আমল দ্বারা ইমান বৃদ্ধি পায় তা বেশি বেশি করার তাওফিক দিক, আমিন।
84166
২১
মোহাম্মদপুর, ঢাকা। থেকে মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সুজন লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; দুপুর ০৩:০২
আল কুরআনের সেই মহান কর্মীকে আল্লাহ আবার আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিক। সেই অনন্য কন্ঠস্বর যাতে আবার আমরা শুনতে পারি। এরকম দ্বীনের খাদেম বার বার পৃথিবীতে আসেন না মহান আল্লাহ আমাদের মত গুনাহগারদের অবশিষ্ট আয়ুগুলো তাকে দান করুন।
84169
২২
সাভার,ঢাকা থেকে আব্দুল হামীদ আল ফয়সাল লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; বিকেল ০৫:০১
জাহাঙ্গীর ভাইকে বলছি
আপনার মন্তব্য খুব ভাল লেগেছে।ধন্যবাদ যুক্তিসঙ্গত যুক্তি দেওয়ার জন্য।
ফয়সাল।
84172
২৩
মধ্য বাড্ডা, ঢাকা থেকে হাসনাইন যুবায়ের লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:৩৯
ভিয়েনা থেকে কাউয়ানকে বলছি, আমার খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছে. লুঙ্গি উঠানো ঐ লোকটি কি আপনিই?
এমন মোনাফেকি আচরণের উদাহরণ দিয়ে মোনাফেকিই শিক্ষা দেয়া যায়, আর কিচু না,
এরকম সুন্দর বিবর্কে আফনের কুরুচি দেখে মনে বেথা পাইলাম।
84173
২৪
ইকরা, ঢাকা থেকে রুহুল আমীন সিরাজী লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; রাত ০৮:১২
জামায়াতে ইসলামীকে নিয়ে কোন বিভ্রান্তির তো অবকাশ নাই। আকীদা প্রসঙ্গে এদের সমস্যা তো অনেক গভীরে। সুতরাং, এইখানে এরা তো রাগ করবেই। সত্য তো তিতাই হয়। এখন দেখার বিষয় হল-নিজেদেরকে এরা সংশোধন করার চিন্তা তো তখনই করবে যখন ভুল স্বীকার করবে। কোথায় কত বড় বড় ভুল নিয়ে ইসলাম কায়েম করতে চাচ্ছে, এটা তো সুস্পষ্ট। কারো তথ্যের প্রয়োজনে ইকরায় যোগাযোগ করতে পারেন।
84179
২৫
গোপালগনজ, বাংলাদেস থেকে শেখ হাসেম লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; রাত ০৮:১৯
যামাইত্যারা আবার মাথাছাড়া দিবার চাইতাসে!!!
84181
২৬
বুয়েট ক্যাম্পাস, ঢাকা থেকে সালমান আনওয়ার লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; রাত ০৮:৩০
আব্দুল্লাহ তাসনীম সাহেব,
আপনি রঙ নাম্বারে ডায়াল করেছেন।
...লেজ কখনো সোজা হয় না।
আপনার উদ্দেশ্য যত মহৎ হোক, তাদেরকে যে বিষয় সংশোধন করতে বলছেন, কখনো এটা মেনে নেবেনা। যদি মানতই তাহলে আজ এ পরিস্থিতিতে পড়তোনা।
84182
২৭
জেদ্দা, সওদি থেকে মতিউর লিখেছেন,
১২ মে ২০১২; রাত ১০:১৬
সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলছি: দয়া করে ইসলামের প্রশ্নে একতাবদ্ধ হউন। একানে বেহূদা কাদা ছোড়াছুরি করে কী লাভ? আসল শত্রুরা হাসবে ! তাই ঊস্কানী না দিয়া তত্যপুর্ন লেকা লেকলে ভালো হবে।
84185
২৮
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন,
১৩ মে ২০১২; রাত ০১:১৭
২৫
গোপালগনজ, বাংলাদেস থেকে শেখ হাসেম কে
আপনি টুঙ্গিপাড়া শেখ ........... বংশধর নাকি ?
84188
২৯
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন,
১৩ মে ২০১২; রাত ০১:১৯
২৩
মধ্য বাড্ডা, ঢাকা থেকে হাসনাইন যুবায়ের কে উপমা যদি না বুঝেন? তা হলে আপনাকে জ্ঞান নিয়ে র্তক করতে বাধ্য করে কে ???
84189
৩০
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন,
১৩ মে ২০১২; রাত ০১:২১
২৬
বুয়েট ক্যাম্পাস, ঢাকা থেকে সালমান আনওয়ার কে
বুয়েট ক্যাম্পাস উল্লেখ করে নিজেকে মহা জ্ঞানী পরিচয় দিতে চান নাকি???
84190
৩১
ভিয়েনা থেকে কাউয়ান লিখেছেন,
১৩ মে ২০১২; সকাল ০৫:২১
কয়েকজনকে দেখছি আকিদা আকিদা বলে গলা ফাটিয়ে ফেলছে কিন্তু বলতে পারছে না সেই ভুল আকিদা গুলো কি কি? কেউ ভুল আকিদার গভীরতাও মেপে দেখালেন না। তাহলে ধরে নিব ভারতীয় দালাল, ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরাই নতুন চেহারা নিয়ে এই আকিদার ফেরিওয়ালা সেজেছে।
চট্টগ্রামে থাকার সময় ব্যাটারী গলির একটি মসজিদে নামাজ পড়তাম। পাশের দোকানে একদিন বসে চা পান করছিলাম। হোটেল বয় আমাদের ওই মসজিদে নামাজ পড়তে নিষেধ করলো কারন তারা কেয়াম করে না। আমার সাথে যিনি ছিলেন তিনি বলে বসলেন আচ্ছা কেয়াম কাকে বলে? হোটেল বয়ের সোজা জবাব সে জানেনা। সামলান ঠেলা, তারা কেয়াম করে না এটা জানে কিন্তু কেয়াম কাকে বলে সেটা সে জানেনা। কেয়াম ছাড়া যে নামাজ পড়া যায় না সেটা সে জানেনা।
আমাদের আকিদা ফেরিওয়ালাদের দেখে কেন যেন সেই কেয়াম ফেরিওয়ালা হোটেল বয়ের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে।
সাঈদী সাহেবকে আমাদের মাঝে আল্লাহ তায়ালা আবার ফিরিয়ে দিন এই দোয়া করি। আল্লাহ সাঈদী সাহেবের মতো একজন আলেমে দ্বীন ব্যাক্তির ওয়াজ থেকে আমাদের বঞ্চিত করো না।
ধন্যবাদ
কাউয়ান
84194
৩২
বুয়েট ক্যাম্পাস, ঢাকা থেকে সালমান আনওয়ার লিখেছেন,
১৩ মে ২০১২; দুপুর ০১:২৫
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদকে বলছি, আপনি নিজেই নিজের ওজন কমাচ্ছেন!
আমার অধ্যয়ন ও বর্তমান অবস্থান বুয়েট ক্যাম্পাস হলে আমার অন্য ঠিকানা আমি কেন দেব? এখানে মহা জ্ঞানী পরিচয় দেয়ার কী ঘটল? একদিন বুয়েটে আসুন। তাহলে মহাজ্ঞানী না হলেও সঙ্গগুণে কিছু হলেও মূর্খতা দূর হবে।
84206
৩৩
মধ্য বাড্ডা, ঢাকা থেকে হাসনাইন যুবায়ের লিখেছেন,
১৩ মে ২০১২; দুপুর ০২:৫৫
ভিয়েনা থেকে কাউয়ান আমার প্রশ্ন, কেও সুন্দর একটা বেফারে যুকতির মাদ্যমে বইল্য, আপনে ওইহানে ময়লা তালাস করেন কেনৃ?
84210
৩৪
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন,
১৩ মে ২০১২; বিকেল ০৪:০৭
৩২
বুয়েট ক্যাম্পাস, ঢাকা থেকে সালমান আনওয়ার কে
যাদের কে আপনি লেজের সাথে তুলনা করেছেন ওনাদের সর্ম্পকে আপনি ষ্টাডি করেছেন ? বিশেষ করে মাওলানা সাইদী সাহেবের তাফসীর গুলো আপনি কি শুনেছেন ?
জ্ঞান দিয়ে জ্ঞানী মানুষদের কে চিনতে না পারাই হলো মূর্খতা
চট্টগ্রামে আমি দেখেছি স্কুল কলেজ র্ভাসিটির উচ্চতর ডিগ্রীদারিরায় কেন এদের পিছে ঘুরাঘুরি করে যদি ওরা লেজের সমতুল্য হয়???
84212
৩৫
ভিয়েনা থেকে কাউয়ান লিখেছেন,
১৩ মে ২০১২; বিকেল ০৪:১৬
জাহেদ ভাই সালাম।
আপনি একটি ভুল করেছেন, প্রফেশনাল দক্ষ তৈরীর জায়গা হলো মেডিকেল কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এই সব ভোকেশনাল ট্রেইনিং সেন্টার গুলো। এইখানে দক্ষ লোক তৈরী করা হয়, সেটা হয় পেশাগত দক্ষতা তবে তা উন্নত মানবিক গুনাবলী সম্পন্ন লোক বুঝায় না। এইখান থেকে যেমন মাহমুদুর রহমানের মত সৎ সাহসী লোক বের হয়েছে তেমনি আবার রেলওয়ের ডিজির মতো চরম অসৎ লোকও বের হয়েছে। তারা দুজনই পেশাগত জীবনে খুব দক্ষ কিন্তু একজন সৎ মানুষ আরেকজন অসৎ। দুইজনকে নিয়েই বুয়েট গর্ববোধ করতে পারে কারন দুজনেই দক্ষ, সততা আর অসততা বুয়েটের বিষয় নয় বিধায় এখানে এই প্রতিষ্ঠানের যেমন কোন দোষ নেই তেমনি কোন গুনও নেই। মনে রাখবেন এই সব প্রতিষ্ঠান থেকে যারা বের হয় তারা দক্ষ কর্ম শক্তি কিন্তু দক্ষ একজন মানবিক বোধ সম্পন্ন ইসলামী ব্যাক্তিত্বের যদি প্রত্যাশা করেন তবে বোকার স্বর্গে বাস করছেন। সেখান থেকে ইসলামী জ্ঞান সম্পন্ন লোক বের হতেও পারে আবার নাও হতে পারে তাতে অবাক হবার কিছু নেই। তাই যারা এই সব ভোকেশনাল ট্রেইনিং সেন্টার গুলোতে লেখা পড়া করে তারা কোন সন্দেহ নেই মেধাবী কিন্তু সেই মেধা সেখানে ইসলামী জ্ঞান বৃদ্ধিতে ব্যবহার হয় না সেখানে তা ব্যবহার হয় কর্ম দক্ষতা বৃদ্ধিতে। তাইতো কেউ হয় দক্ষ সৎ আর কেউ হয় দক্ষ অসৎ।
আশা করি বুঝাতে পরলাম
84214
৩৬
sylhet থেকে sufian লিখেছেন,
১৫ মে ২০১২; দুপুর ০২:৫১
KISHER HOQQANI ASOB VONDAMI
84318
৩৭
বতমান স্থান বরগুনা, বরিশাল থেকে মোঃ ওমর আলী লিখেছেন,
১৬ মে ২০১২; রাত ১০:২৫
মাওলানা দেলাওয়ার হেসেন সাঈদীর পক্ষে বা বিপক্ষে অনেকে অনেক ভাবে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মতামত দিয়েছেন। এখন আমার কথা হলো আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের আইনজীবি ও সরকারের অভিযোগ থেকে দেখা যাচ্ছে মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী সব চেয়ে বড় যুদ্ধাপরাধী তাহলে এ সরকার এর আগেও একবার ছিল কই তখনতো তারা তাঁর বিচার করেনি। আর মাওলানা দেলাওয়ার হেসেন সাঈদী যদি যুদ্ধাপরাধী হয় তাহলে সরকার কেন তাঁকে ইসলামী মূল্যবোধে আঘাত হানার কারণে প্রথমে গ্রেপ্তার করলো আর কেনই বা তাঁকে পরে যুদ্ধাপরাধী বানানো হল, এটা আমার কাছে একটা মিথ্যা বলে মনে হয়। তাই আমিও সুজন ভাই এর সাথে একমত হয়ে বলতে চাই আল কুরআনের সেই মহান কর্মীকে আল্লাহ আবার আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিক। সেই অনন্য কন্ঠস্বর যাতে আবার আমরা শুনতে পারি। এরকম দ্বীনের খাদেম বার বার পৃথিবীতে আসেন না মহান আল্লাহ আমাদের মত গুনাহগারদের অবশিষ্ট আয়ুগুলো তাকে দান করুন।
84388
৩৮
london থেকে rashed লিখেছেন,
১৮ মে ২০১২; বিকেল ০৪:৫৬
“অসত্যের কাছে নত নাহি হবে শির, ভয়ে মরে কাপুরুষ, লড়ে যায় বীর”
আল্লামা সাঈদী …..
তোমার প্রতিক্ষায় লাখ-কোটি প্রাণ
সিসাঢালা প্রাচীরের মত
দ্রোহের আগুনে সুশৃংখল
রাজপথে গগন বিদারী চিৎকারের জন্য প্রস্তুত।
84454
৩৯
Manchester, UK থেকে Mrs Farjana Mouri লিখেছেন,
১৮ মে ২০১২; বিকেল ০৫:৩৩
মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে আনিত মামলার প্রতিটি বাক্য মিথ্যা, প্রতিটি শব্দ মিথ্যা, প্রতিটি বর্ণ মিথ্যা, প্রতিটি দাড়ি, কমা, সেমিকোলন মিথ্যা, মিথ্যা, মিথ্যা। যারা এই মিথ্যা মামলার সাক্ষ দিবে, মিথ্যার পক্ষে তদবির করবে, বিচার পরিচালনা করবে মামলা নথিভুক্ত করবে যারা মিথ্যার সমর্থন দিবে, তাদের প্রত্যেকের উপর আল্লাহ্র লানত। একদিন এই মিথ্যা বিচারের জন্য আল্লাহ্র আরশ কাপবে। এত করে পুরা জাতির সে পরিস্থিতি বরন করতে হবে যেমনটি হয়েছল আদ এবং সামুদ জাতির। কাজেই সবাই সাবধান। ইয়া আল্লাহ্ তোমার গজব থেকে আমাদের রক্ষা কর। এ জাতিকে হেদায়েত দাও।
84455
৪০
খুলনা থেকে মিশকাত লিখেছেন,
১৮ মে ২০১২; রাত ১১:৫৬
যুদ্ধাপরাধ নয় ! মূলত আল-কোরআনের বিপ্লবী দাওয়াত দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষের কাছে হৃদয়গ্রাহী করে প্রচার করাই আল্লামা সাঈদীর অপরাধ (?)
আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ শতাব্দীর নিকৃষ্টতম মিথ্যাচার!!
84463
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: