মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:০৬ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

দার্জিলিং-এ কয়েকদিন

রাকিবুল আলম

(১)

২০০১ সালের এপ্রিল মাসের ৫ তারিখ। আমরা তখন ভার্সিটির শেষ বর্ষের ছাত্র। ভার্সিটি থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগে একবার দেশের বাইরে যাব এমন একটা প্ল্যান অনেক আগে থেকেই ছিল। কথায় আছে ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়। আমাদের বেলাতে সেটি আরেকবার প্রমানিত হল।

ঠিক হল দার্জিলিং, ভূটান আর নেপাল যাবো। নির্ধারিত দিন সময়মত আমরা গাবতলী বাস কাউণ্টারে এসে জড়ো হলাম। সে এক অন্য রকম অনুভূ্তি- জীবনে প্রথম বারের মতন বিদেশ যাত্রা ! গাবতলী থেকে বাসে চড়লাম রাত এগারো টার দিকে। আর বুড়িমারি বর্ডারে পৌছঁলাম ভোর বেলা। এর পর দুই দেশের ইমিগ্রেশন পার হতে হতে দুপুর হয়ে গেল। ভারতের ইমিগ্রেশন পার হয়ে দেখি আমাদের নেয়ার জন্যে একটা বাস অপেক্ষা করছে। বলে রাখা ভাল আমাদের ভ্রমন টা ছিল প্যাকেজ ট্যুর কোম্পানী’র মাধ্যমে। এর যেমন সুবিধা আছে তেমনি ২/১ টি অসুবিধাও আছে। সব চে বড় সুবিধা হল আপনাকে কষ্ট করে বাস, হোটেল কিছুই ঠিক করতে হবেনা। ওরাই সব রেডি করে রাখবে। যাই হোক, বাস আমাদের নিয়ে যাত্রা শুরু করল শিলিগুড়ির পথে।

ঘণ্টা ২ পর আমরা যখন শিলিগুড়ি তে পৌছঁলাম তখন দুপুর গড়িয়ে বিকেল। একটা হোটেলে লাঞ্চ সেরে রওনা দিলাম দার্জিলিং এর পথে। আমাকে যদি কেও জ়িজ্ঞাস করেন কোন রাস্তাটা আমার সব চাইতে প্রিয়। আমি বলবো ঈদের ছুটিতে যে পথ আমাকে আমার বাসাতে নিয়ে যায়…সেটি আমার সব চাইতে প্রিয়। আর সব চাইতে সুন্দর রাস্তা? এক কথায়, দার্জিলিং যাবার রাস্তা। অদ্ভূত সুন্দর। শিলিগুড়ি থেকে ঘন্টা খানেক যাওয়ার পর শুরু হবে পাহাড়ি পথ। উপরের দিকে উঠছি তো উঠছি ই...উঠার কোন শেষ নেই। পাহাড়ের গা ঘেষেঁ রাস্তা। অনেক উপরে দেখা যাচ্ছে একটা বাড়ী পাহাড়ের উপর সেটেঁ আছে। আপনি উপরে উঠতে উঠতে এক্কেবারে বাড়ী টার কাছে এসে গেলেন। আপনার উঠা যে আর শেষ হচ্ছেনা! এক সময় দেখলেন ঐ বাড়ী টাই অনেক নীচে নেমে যেতে যেতে এক সময় মিলিয়ে গেল! আপনি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে কত টুকু উপরে উঠছেন সেটি কিছু দূর পর পর ফলকের উপর লিখা। দেখতে দেখতে আমরা কয়েক হাজার ফুট উপরে উঠে গেলাম।

(২)

দার্জিলিং যাওয়া যায় ২ ভাবে। আছে বিখ্যাত “টয়” ট্রেন। তবে টয় ট্রেনে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যেতে নাকি প্রায় ৮ ঘন্টা লেগে যেত! এজন্যে সময় বাচাঁতে আমরা ট্য় ট্রেনে না গিয়ে বাসেই গেলাম। তবে কেন যেন ট্য় ট্রেনে মাঝে মাঝে খুব চড়তে ইচ্ছে করে। পরের বার সূ্যোগ হলে অবশ্য টয় ট্রেনেই যাবো। কোন এক লিখায় যেনো পড়েছিলাম সবুজ পাহাড়ের গা বেয়ে এমন ভাবে এঁকেবেঁকে ট্রেনটি চলে - বেশির ভাগ সময় নাকি মনে হয় ট্রেন থেকে নেমে হাঁটলেও এটিকে হারিয়ে দেওয়া যাবে খুব সহজে !

রাত সাড়ে আট কিংবা ন’টার দিকে আমরা পৌছেঁ গেলাম দার্জিলিং শহরে। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় আট হাজার ফুট উপর। বিজ্ঞানে ল্যাপ্স রেটস বলে একটা ব্যাপার আছে। সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে আপনি যত উপর উঠবেন তাপমাত্রা ততোই কমতে শুরু করবে। সেই ল্যাপ্স রেটস সূত্রের প্রমান পেলাম, দার্জিলিং শহরে পৌছাঁর পর ! বাস থেকে নেমেই আরেক টা সোয়েটার গায়ে চাপিয়ে নিতে হল।

প্যাকেজ ট্যুরের কল্যানে হোটেল আগে থেকেই রেডি করা ছিল। রুমের পানি এতই ঠান্ডা ছিল যে গোসল করার সাহস আর হলোনা। সেদিন রাতে কি খেয়েছি মনে নেই তবে এত টুকু মনে আছে ভাত দিয়েছিল ছোট্ট একটা বাটি মেপে। হয়ত কেও যাতে প্রয়োজনের বেশী নি্যে ভাত নষ্ট না করে সে জন্যে এ ব্যবস্থা। সেদিনের মতন রাতের খাবার খেয়ে আর অন্য কিছু করবার মতন শক্তি ছিলনা। সোজা চলে গেলাম ঘুমের রাজ্যে।

ভোর সাড়ে তিন টার দিকে সবাইকে জাগিয়ে দেয়া হল। টাইগার হিলে সূর্যোদয় দেখাতে নাকি নিয়ে যাওয়া হবে। অনেক গুলো জীপ অন্ধকারে হাজির হয়েছে আমাদের নিয়ে যাবার জন্যে। মজার ব্যাপার হল জীপে উঠতে আমাদের কে হোটেলের নীচে নামার পরিবর্তে উপরে উঠতে হল। দার্জিলিং এর মজাটাই সেখানে। পাহাড় গুলো কেটে বাড়ী আর রাস্তা গুলো একের পর এক বসিয়ে দেয়া হয়েছে। একটি বাড়ীর ছাদের পাশেই আরেকটি রাস্তা ! সে যাই হোক, রাতের অন্ধকার ভেদ করে আমাদের জীপগুলো ছুটতে শুরু করল টাইগার হিলের দিকে। একটা মেয়েও দেখলাম চা আর কফির ফ্লাক্স হাতে আমাদের জ়ীপে উঠে পড়ল। অন্ধকার থাকতেই আমরা পৌছেঁ গেলাম 'টাইগার হিল'। সেখানে অবশ্য ওই মেয়েটির মতন আরো অনেকেই চা-কফি'র ফ্লাক্স নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। টাইগার হিলের উপর চা পানের অভিজ্ঞতা অবশ্য আর নেয়া হয়নি। টাইগার হিলের সূর্যোদয় দেখার জন্য একটা বাড়ি আছে। আমরা সে বাড়ীতে উঠলাম না (হয়ত এর জন্যে টিকেট কাটতে হত; কিভাবে ঘুরবো-কিভাবে দেখবো- সব কিছু নির্ভর করছিল প্যাকেজ ট্যুরের গাইডের উপর)। এত ভোরে শীত উপেক্ষা করে অসংখ্য পর্যটক হাজির হয়েছিলেন টাইগার হিলে। এই ভীড়ের মধ্যে সামনে দাড়াঁনোর সূ্যোগ পেলাম না। কোন রকমে পেছনে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে ছিলাম পাহাড়ের চূড়ার দিকে। হঠাৎ করে শুরু হল পর্যটকদের মধ্যে হৈ চৈ । তার মানে ডিমের লাল কুসুমের মতন সূয্যিমামা ধীরে ধীরে উপরে উঠতে শুরু করেছে - এ এক অভূতপূর্ব দৃশ্য ! দু হাত উচুঁ করে (ক্যামেরার লেন্সের দিকে না তাকিয়েই) একের পর এক ছবি তুলতে শুরু করলাম।

(৩)

দার্জিলিং এ আসলেই গাইড আপনাকে যেসব যায়গায় নিয়ে যাবে তার একটি রক গার্ডেন।পাথর আর ঝর্নার পানির ধারা রক গার্ডেনকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয় করে তুলেছে। সাহস করে পাহাড় চূড়াতে উঠলাম। উদ্দেশ্য উপর থেকে সৌন্দর্য উপভোগ করা আর সেই সাথে পুরো বাগানের সাথে ছবি তোলার মাধ্যমে নিজেকে সাক্ষী করে রাখা। আমার এক বন্ধু সিগারেট মুখে নিয়ে একটা ছবি তুলতে গেয়েছিল। কোত্থেকে যেন এক মহিলা আমাদের দিকে ছুটে আসলেন। “তোমারা কি বাংলাদেশ থেকে এসেছ?” আমরা সবাই অবাক হয়ে বললাম “হ্যা।” ভদ্র মহিলা বললেন “আমিও বাংলাদেশ থেকে এসেছি। আমি তোমাকে অনুরোধ করব সিগারেট মুখে ছবি না তোলার জন্যে। কারন ভবিষ্যতে তোমার সন্তান যখন দেখবে তার বাবা এই বয়সে সিগারেট খাচ্ছে তখন কি তোমার সন্তান কে সিগারেট খেতে মানা করতে পারবে?” আমার বন্ধুটি বাধ্য ছেলের মতন হাত থেকে সিগারেট সরিয়ে ছবিটি তুলেছিল। ক’দিন আগে আমার সেই বন্ধুটিকে জিজ্ঞাস করেছিলাম ওই মহিলার কথা মনে আছে কিনা। ওর ও মনে আছে…। আমার সেই বন্ধুটি কিন্তু এখন খুব ফুটফুটে এক সন্তানের বাবা! সে যাই হোক, নানান রকম ঝর্না, বাধাঁন রাস্তা আর ফুলের বাগান দেখতে দেখতে বিদায় জানালাম রক গার্ডেন কে।

দার্জিলিং এ যে ক’দিন ছিলাম প্রায় প্রতিদিন ই কিছু মহিলা শাল বিক্রীর জন্যে চলে আসত। যতদূর মনে পড়ছে প্রতিটির দাম ছিল ১০০ রূপীর কাছাকাছি। শাল গুলোর কোয়ালিটি আমার কাছে ভালোই মনে হয়েছিল। সেজন্যে ১/২ টা শাল মা’র জন্যে কিনেছিলাম। বেশ কিছু মার্কেট আছে দার্জিলিং এ। আমরা গিয়েছিলাম মহাকাল মার্কেটে। বিখ্যাত কাশ্মিরী শাল কিংবা ভাল সোয়েটার আমাদের দেশের চাইতে অনেক সস্তায় পাওয়া যায়। দার্জিলিং এর বিখ্যাত সবুজ চা (“গ্রীন টি”) পাতা কিনেছিলাম। খুব সম্ভবত ২৫০ গ্রাম ২০০ টাকা দিয়ে।

জীবনে প্রথম বারের মতন রোপ ওয়েতে ওঠার অভিজ্ঞতা হয়েছিল দার্জিলিং এ -"Darjeeling Rangeet Valley Passenger Ropeway" এটা ইন্ডিয়ার প্রথম প্যাসেন্জার রোপ ওয়ে। যতদূর মনে পড়ছে গাইড বলেছিল এখানে নিজের পয়সাতে চড়তে হবে। পরে কিভাবে যেন সবকিছু ম্যানেজ হল। গাইড নিজের পয়সাতেই ব্যবস্থা করে দিলেন। রোপওয়েতে করে আমরা পাহাড় থেকে নীচের একটা ছোট গ্রামে চলে আসলাম। আসার সময় এত উপর থেকে চা বাগান গুলোকে খুব সুন্দর লাগছিল। “রোপ ওয়ে”র জানালা দিয়ে মাথা বের করে নিচে তাকাতেই আমার এক বন্ধুর দামী সান গ্লাস খুলে পড়ে গেয়েছিল কয়েক শ’ ফুট নীচে। কিছুক্ষণ ঘুরে আবার রোপওয়েতে করে উপরে ফেরত আসলাম। কোন এক লেখায় পড়লাম এটি নাকি গত কয়েক বছর ধরে বন্ধ। একবার কারেন্ট চলে গিয়েছিল, তারপর হঠাৎ কারেন্ট আসার পর অপেরাটরের ভুলে ২টা বক্স বাড়ি খেয়ে একটা নিচে পরে গিয়েছিল। একজন মারাও গেছে।এখনো মামলা চলছে বলে শুনেছি। এই কথাটা মনে পরলেই কেমন যেন শিওরে উঠি!

আরেকটা সুন্দর যায়গার কথা মনে পড়ছে- " মিরিক "। বেশ সুন্দর আর খোলামেলা। তবে যায়গাটার মূল আকর্ষন সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ১৭৬৭ মিটার উঁচুতে একটি “ লেক”। লেকের উপর একটা ছোট ব্রিজ…। চারপাশে পাইন গাছের সারি। আমার কাছে মনে হয়েছিল “পিকনিক” করার জন্যে একদম আদর্শ যায়গা!

দার্জিলিং জু তে নিয়ে গিয়েছিল আমাদের গাইড। পুরো নাম ‘পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলোজিক্যাল পার্ক’, ভারতের অন্যতম এই বন্যপ্রাণী আশ্রম ১৯৫৮ সালে তৈরী। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে খাঁজ কেটে তৈরী এই চিড়িয়াখানা। এখানকার প্রায় সব প্রানীগুলোই খাঁচা ছাড়া বাউন্ডারী দিয়ে ঘেরা। সাহস করে এক ভাল্লুক কে পেছনে ব্যাকগ্রাউন্ড বানিয়ে ছবি তুলেছিলাম। মনে মনে একটা ভয় কাজ করছিল! ভাল্লুক্ টা না আবার ওর সাথে রসিকতার মজা দেখাতে লাফ দিয়ে ঘাড়ে চড়ে বসে! না, আমার ধারনার চাইতে অনেক বেশী ভদ্র ছিল ভাল্লুক টি। তবে আমাদের রয়েল বেঙ্গল টাইগার কে এভাবে খোলা রাখতে বোধহয় অতটা সাহস দেখায়নি কতৃপক্ষ। সেটিকে খাচায় ভরে রেখেছিল! সাথে সাথে এইচ, এম, আইতেও ঘোরা হলো। তেংজিং এর কবর এখানে, কবরের পাশে তেংজিং এর বিশাল মূর্তী। মূর্তীর পাশে দাড়িয়ে কয়েকটা ছবি তুললাম।

দার্জিলিং স্টেশনে যখন গেলাম তখন গাইড বলল দার্জিলিং এর আরেকটি স্টেশন “ঘুম” (৭,৪০৭ ফুট) নাকি পৃথিবীর সব চাইতে উচু রেল স্টেশন! খুব ভাল লাগল পর্থিবীর সব চাইতে উচূঁ স্টেশন দেখার সৌভাগ্যে লাভের! কিন্তু পরে জানতে পারলাম আরো অনেক স্টেশনই আছে যেগুলো “ঘুম” থেকেও উচুঁতে। এর একটি চায়নার “Tanggula (Dangla) railway station” (১৬,৬২৭ ফুট), পেরুর “Ticlio” (১৫,৮৪৩ ফুট), বলিভিয়ার “Cóndor” (১৫,৭০২ ফুট)। প্রথম দশটির মধ্যেও নেই “ঘুম”!

দেখতে দেখতে কিভাবে যেন দার্জিলিং এর সময় গুলো কেটে গেল। দার্জিলিং ছেড়ে যেতে খুব খারাপ লাগছিল। অনেক যায়গাতেই ঘুরা হয়নি। গাংগামাইয়া" পার্ক, বাতাসিয়া লুপ ওয়ার মেমোরিয়াল…। একটা অতৃপ্তি নিয়ে দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি ফিরে আসলাম। শিলিগুড়ি থেকে আমাদের পরবর্তী গন্তব্য ভূটান। সেটি নিয়ে আরেকদিন লিখব।

ইচ্ছে আছে আবার দার্জিলিং যাওয়ার। সেবার আর কোন যায়গাই মিস করব না!
http://www.sonarbangladesh.com/articles/RakibulAlam
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ লিখেছেন, ১৩ জুন ২০১০; রাত ১০:২১
আমাকেও সাথে নিলে খারাপ হবে কি?
সুন্দর লেখা আরো জমবে, অতএব................।
ধন্যবাদ সুন্দর লেখার জন্যে।
22736
ঢাকা থেকে তোরাব আলী লিখেছেন, ১৫ জুন ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:৫১
ভালো হয়েছে।
22979
ইবনে সিনা ডি.ল্যাব, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে নুর আলম খান লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১০; সকাল ১১:১৬
এই তো সেইদিন - ১৭/০৬/১০ তারিখে ফিরলাম দার্জিলিং ভ্রমন করে। লেখকের লেখা পড়ে মনে হলো দার্জিলিং এর সৌন্দর্য অবলোকন করছি মনেপ্রানে। আসলে যার সৃষ্টি এত সুন্দর, তিনি অর্থাৎ এর স্রস্টা মহান আল্লাহ কতই না সুন্দর। সেই উচু পাহাড়ী সবুজ ঘেরা মায়াবী সুন্দর জগত। একটি রোমাঞ্চকর অনুভুতি। ইচ্ছে হচ্ছে লেখক এর সাথেই আবার দার্জিলিং ঘুরে বেড়াবার। সাথে নিলে নিজেজে ধন্য মনে করবো।
23887
ইবনে সিনা ডি.ল্যাব, ধানমন্ডি, ঢাকা থেকে নুর আলম খান লিখেছেন, ২৪ জুন ২০১০; দুপুর ১২:৪৭
এই তো সেইদিন - ১৭/০৬/১০ তারিখে ফিরলাম দার্জিলিং ভ্রমন করে। লেখকের লেখা পড়ে মনে হলো দার্জিলিং এর সৌন্দর্য অবলোকন করছি মনেপ্রানে। আসলে যার সৃষ্টি এত সুন্দর, তিনি অর্থাৎ এর স্রস্টা মহান আল্লাহ কতই না সুন্দর। সেই উচু পাহাড়ী সবুজ ঘেরা মায়াবী সুন্দর জগত। একটি রোমাঞ্চকর অনুভুতি। ইচ্ছে হচ্ছে লেখক এর সাথেই আবার দার্জিলিং ঘুরে বেড়াবার। সাথে নিলে নিজেজে ধন্য মনে করবো।
23893
india kolkata থেকে allan khan লিখেছেন, ০৭ জুলাই ২০১০; দুপুর ০৩:০৩
aapnar lekha pore khub bhalo laglo .kintu kichu loker karone aaj darjilinge osanti raaj cholche .jodi aapna ra aabar jete chan to plz ek baar jabar agye khobor niya neben .kono oshanti choche ki na .
25694
ঢাকা থেকে ফেরদাউস লিখেছেন, ২৮ নভেম্বর ২০১০; রাত ১২:১০
কিছু ছবি দিয়ে বর্ণণা দিলে আরও ভাল হোত।javascript:void(0);
41621
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy