চারিদিকে অথৈ পানি
থমকে যায় আজি উদাসী মন
এই কি আমার কল্পনার জল,
এ যে কল্পনার চেয়েও সুন্দর।
নিস্পলক চোখে হারিয়ে যাই গভীরে,
জলের গভীর থেকে উঁকি দেয় হিজল-করচ।
মন মাতানো সবুজের মাঝে
কি যে অপূর্ব মাদকতা।
মমতাময়ী পাহাড় যেন
পরম স্নেহে জড়িয়ে আছে তাকে।
পৃথিবীর যা কিছু সুন্দর
যেন অবনত এই হাওরে।
এই সেই দূর্ব্বিন শাহের হাওর
শাহ্ আব্দুল করিমের সঙ্গীত সাধনা।
তবুও প্রশ্ন জাগে মনে,
ছন্দময় প্রকৃতির মতই কি সুন্দর
মানুষের জীবন?
যখন বাঁধভাঙ্গা জলে
সোনালী সবুজ শীষের সাথে
ভেসে যায় মানুষের মন?
জোৎস্নাস্নাত রাতে,
হাস্নাহেনার গন্ধে,
সর্বহারা মানুষের
বাজে একি করুণ সুর।
তবুও অনিন্দ্য সুন্দর রহস্যময়ী হাওর,
ফিরে আসি বার বার,
পাব বলে তোমার
নিবিড় আলিঙ্গন।
অর্পূব! ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটা কবিতা উপহার দেয়ার জন্য।
পত্রিকাগুলোও ইদানীং রাজনীতির চাপচাধারী লেখকদের লেখা ছাড়া সাধারণ মানুষের লেখা ছাপায় না। অসাধারণ কবিতা। ধন্যবাদ সোনার বাংলা কে ও
18763
৭
দঃ কোরিয়া, জেজু থেকে মোঃ আল-আমিন, পিএইচডি গবেষক লিখেছেন,
২৭ মে ২০১০; বিকেল ০৪:২৪
যেখানে শ্রদ্ধীয় ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ মন্তব্য করেছেন ভাল বলে, সেখানে আমার সমালোচনা করা কঠিন, তার পরেও বলি ‘সুন্দর’ হয়েছে, সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষা। তবে আমি confuse ‘হাওর’ বানান সম্ভবত ‘হাওড়’ হবে। ধন্যবাদ কবি এবং কবি কে।
19971
৮
ঢাকা থেকে মশিউর লিখেছেন,
১৫ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ১১:৪০
ভাল হয়েছে। �হাওর� এবং �হাওড়� দুটোই চলে। S. Kohl একটু খুজুননা শাহ আবদুল করিম কে?
35099
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: