তুই তো অপদার্থ। তোকে আবার কি বলবে। খুব নির্লিপ্ততার সাথে ওকে বললাম।
“শুধু আমাকে বলেছে? তোমাকেও তো। বলেছে তোর মা শুদ্ধ ঘরের সব কয়টা অপদার্থ।”
আমি ভীষণ রেগে শোবার ঘরে ঢুকলাম। কি ব্যাপার? দেখলাম, মানুষটা তোলপাড় করে কি যেন খুঁজছেন। আর গজগজ করছেন, ‘ঘরের একটা জিনিসও ঠিকমত থাকে না। ওয়ারড্রোবে রাজ্যের হাবিজাবি। কাপড়-চোপড় সব টেবিলে, চেয়ারে…..।’ ‘কি খুঁজছো?’ ওনার তৎপরতা বেড়ে গেল এবং আমাকে নয় ঘরের ছাদকে বললো, ‘একটা গেঞ্জীও খুঁজে পাচ্ছি না। আশ্চর্য সব হাওয়া হয়ে যায় কি করে?’ আমিও আশ্চর্য হয়ে আলনায় তাকালাম। সদ্য ধোয়া সাদা গেঞ্জী একেবারে সবার ওপরে। চেঁচিয়ে বললাম, ‘ওটা কি?’ পরক্ষণে গলার স্বর খাদে নামালাম এবং বেশ শান্ত ভঙ্গিতে ওনাকে শুধলাম, ‘অপদার্থ কে? আমি.....?’
ওনার অবশ্য জবাব দেওয়ার সময় নেই। কারণ আবার শুরু হলো, ‘ঘড়ি? আমার ঘড়িটা কোথায় গেলো?’ (ঘড়ির তো হাত-পা আছে? ঘড়িতো এমনি এমনি কোথায় চলে যায়।)
এই তো এরকমই মানুষটা। ভুলোভোলা, খেয়ালী। তবে অভিযোগ করলে কিন্তু প্রতিবাদ করেন খুব। ডাবল অভিযোগ ফিরিয়ে দেন আমাকে। বলেন, ‘সাবিনার মতো অগোছালো মেয়ে দ্বিতীয়টি দেথিনি।’ একদিক দিয়ে ভালই যে, দু’জনের স্বভাবটা আমাদের কাছাকাছি। আমার আম্মার খুব দুশ্চিন্তা, ‘দু’জনে একরকম হলে কিভাবে সংসার চলবে?’ তবে চলছে তো! ভালই চলছে। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ আছে, কিন্তু তীব্র ক্ষোভ নেই, আক্রোশ নেই।
উনাকে চিনি সেই ছোট্টবেলা থেকে। ফোর কিংবা ফাইভে পড়ি। চোখে দেখিনি। কিন্তু আমার মেজো ভাইয়া তার গল্প করতেন সারাক্ষণ। শুধু মল্লিক ভাই মল্লিক ভাই-মেজ ভাইয়ার মনে কেমন করে যে এতটা দখল নিয়েছিলেন? গল্প শুনে তাঁর চেহারা চরিত্র, আচার-আচরণ জানা হয়ে গিয়েছিল। মনে হত খুব অন্যরকম, অসাধারণ, হাতেম তাঈয়ের মতো একজন মানুষ।
এখনতো আর তিনি কল্পনায় নেই। বাস্তবের ভালো-মম্দয় মেশানো একজন মানুষ। সাধারণ, সাদসিধে, কিছু কিছু দিকে শিশুর মতো সরল আবার কিছু কিছু দিকে সাঙ্ঘাতিক জটিল। তবে কুটিল নয়। কুটিলতা, ষড়যন্ত্র আর মতিউর রহমান মল্লিক যোজন যোজন দূরে। সেটি হলো কৃপণতা। সে তো-আমার থেকে আপনারাই ভালো জানবেন। আমাকে খুশি করার জন্য মাঝে মধ্যে ঘরে এসে হিসেবী হিসেবী ভাব করেন। দু’টাকার বাদাম কিনে খাতায় লিখে দেখান (সে খাতার ভলিউম কিন্তু অনেক বড় এবং প্রায়ই হারায় বলে হিসেব রাখার খাতার পেছনের খরচটাও উল্লেখ করার মত)। মানুষকে দিতে পছন্দ করেন, খাওয়াতে পছন্দ করেন। সাধ অনেক, সাধ্যে হয়তো কুলোয় না।
তাঁর গোটা অন্তর জুড়ে রয়েছে রাসূলের (সা.) জন্য ভালোবাসা। চেষ্টা করেন কাজে কর্মে সুন্নতকে অনুসরণ করার। তবে, সবচেয়ে বড় যে সুন্নত একামতে দীনের আন্দোলন সেই আন্দোলনে তিনি শরীক জ্ঞান হবার পর থেকে। এই আন্দোলন রাসূলের (সা.) অনুসরণের দিক থেকে সুন্নত যেমনি, তেমনি আইনগত মর্যাদার দিক থেকে ফরজ প্রতিটি মুসলমানের জন্য, এ বোধ তাঁর গভীরে। ফলে আন্দোলন থেকে বিচ্যুত হবার বিন্দুমাত্র চিন্তা কল্পনাও কখনো তাঁর নেই। যতটুকু করেন আন্তরিকভাবে আল্লাহ ও রাসূলের (সা.) মহব্বতের কারণেই করেন। আমার মনে হয়না কোন পার্থিব স্বার্থ, লোভ, ক্ষমতার মোহ কখনও তাকে লালায়িত করেছে। তবে আবেগী মানুষ। থার্মোমিটারের পারদের মত ওঠানামা করে তাঁর আবেগ। এই দিনরাত কেবল প্রোগ্রাম করছেন আর প্রোগ্রাম করছেন। আবার দেখি তেমন একটা যাচ্ছেন না। কিছু জিজ্ঞেস করলে একরাশ অভিমান ঝরিয়ে বলেন, ‘আমাকে দিয়ে কিছু হবে না-আমি তুচ্ছ মানুষ, আমি এ কাজের যোগ্য না....। মানুষের সাথে সম্পর্কও তাঁর ওঠানামা করে।
কারো সাথে হয়তো এমন সম্পর্ক উষ্ঞতায় ভরপুর-পারলে নিজের কলজেটা কেটে দেয়। দু’দিন পর হয়তো দেখা যাবে তুচ্ছাতিতুচ্ছ কোন কারণে সম্পর্কটা শীতল হয়ে যাচ্ছে। সবার ক্ষেত্রেই যে ব্যাপারটা তা কিন্তু নয়। তবে প্রায়শ এমন ঘটছে। আর চাকুরি তো রোজই ছাড়েন দু’বেলা করে। আবার অফিস ঘরে কাটিয়ে দেন দিনকে দিন, রাতকে রাত। যা বলছিলাম। আন্দোলনের জন্য তাকে অনেক কিছু ছাড়তে হয়েছে। বাড়িঘর, দাদাদের (তাঁর বড় ও মেজ ভাই) স্নেহ মমতা, পড়াশুনার ক্যারিয়ার, একটা স্বনির্ভর জীবন। কিন্তু এ নিয়ে কখনোই তাকে আফসোস করতে দেখিনি। কোন গর্বও করতে শুনিনি যে, এই করেছি সেই করেছি হেন করেছি তেন করেছি। তারঁ দু:সময়ের বেশীরভার গল্পই তো শুনেছি মেঝ ভাইয়ার কাছ থেকে। দু’দিন তিনদিন না খেয়ে থেকে পথের ফেলে দেওয়া কাগজ কুড়িয়ে তাতে লেখা, ‘চল চল মুজাহিদ পথ যে এখনো বাকী....।’ চোখের পানি ফেলে ফেলে মেঝ ভাইয়া বলতেন এ কাহিনী। অবশ্য তার সময়ের কর্মীদের বেশিরভাগই ছিলেন ত্যাগী, তার আন্দোলনকে দিতেন। আন্দোলন থেকে কিছু পেতে চাইতেন না।
আল্লাহর উপর তার তাওয়াককুলটাও বেশ উঁচু ধরনের। অভাব-অনটন তো নিত্যসঙ্গী। কিন্তু তিনি কখনো ঘাবড়ে যান না। একটা সময় ছিল বিআইসিতে যখন ছিলেন বেতন তো সামান্য, এদিকে দু’টো বাচ্চা, আমার পড়াশুনা, মেহমান, আত্বীয়-স্বজন। বাসায়ও কেউ না কেউ পার্মানেন্ট থাকতোই। কিন্তু তাকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে সংসারে কি যুদ্ধটাই না চলছে। আমার ভাইরা বলত, ‘এ অবস্থায় মল্লিক ভাই এক ঘুমোয় কি করে? শোয়ার সাথে সাথে ঘুম?’ অবশ্য যুদ্ধটাতো আমার। বেতন আমার হাতে দিয়ে উনি নিশ্চিন্ত। তাছাড়া ওইযে বললাম তাওয়াককুল। আমি নিজের কানে শুনেছি। একবার আমাদের খুব দরকার তিনহাজার টাকা। তিনি মোনাজাতে বলছেন, ‘আল্লাহ্ তুমি আমাকে এ তিনহাজার টাকা পাইয়ে দেয়ার ব্যবস্থা কর।’ আমিতো হেসে বাঁচি না। এরকম মোনাজাতও কেউ করে? সত্যি! অবাক কান্ড। লন্ডন থেকে এক ভাই কিছ পাউন্ড পাঠালেন উপহার হিসেবে যা ভাঙ্গিয়ে তিন হাজার টাকাই হল। তিনি বললেন, ‘কাউকে বল না। লোকে আবার আমাকে পীরসাহেব মনে করা শুরু করবে। আসলে আল্লাহ্র কাছে কিছু চাইলে আল্লাহপাক ফেরান না।’
তার আর একটি গুন কৃতজ্ঞতা। কেউ তার জন্য কিছু করলে তিনি পার্থিব প্রতিদান অনেকসময় দিতে পারেন না। কিন্তু কৃতজ্ঞ হন ভীষণভাবে এবং দোয়া করেন তার জন্য। ৯৬-এ সেই ভয়ঙ্কর অসুস্থতার সময় বোঝা গিয়েছিল লোকেরা তাকে কি পরিমান ভালোবাসে। দেশ বিদেশে তার জন্য অনুষ্ঠিত হত দোয়া। ক্বাবা শরীফের গেলাফ ধরে মক্কার ভাইয়েরা তার জন্য দোয়া করেছেন। লন্ডনের ভাইয়েরা পাঠিয়েছেন অর্থসাহায্য। ইতালির, দুবাইয়ের ভাইয়েরা পত্রিকায় জানিয়েছেন সমবেদনা। তিনি সব সময় বলেন, ‘আল্লাহর সাহায্যের পাশাপাশি ভাইদের দোয়ার কারণে আমি তাড়াতাড়ি সুস্থ হতে পেরেছি। নইলে এ রোগ কখনো এত দ্রুত সারে?’ সে সময় তার জন্য কতজনে কত কিছু করেছেন তা ভোলার নয়। তার দু:সময়ের চিরসাথী ভাইদের নাম ধরে ধরে তিনি আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করেছেন, আমি শুনেছি। উপহার পেলে তিনি খুশি হন কিন্তু কোনটি আদরের আর কোনটি অনুগ্রহের তা বেশ টের পান এবং অনুগ্রহের জিনিস গ্রহন করতে তিনি একবারেই অনিচ্ছুক।
এবার আসি ঘরের কথায়। তার বিরুদ্ধে আমার সত্যিকারের নালিশ তো তিনি ঘরে সময় দেন না, ধরতে গেলে মোটেই নয়। তখনও না এখনও না। তখন ছিল এক রকম কষ্ট। এখন অন্যরকম। ছেলে মেয়েরা বড় হচ্ছে। আমি প্রাণপণ চাই ওরা আব্বুর আদর্শে মানুষ হোক। কিন্তু তার জন্য যে সাহচার্য দরকার ওরা সেটা পাচ্ছে না-আব্বুর সাথে বেড়ানো, ছুটি কাটানো, কেনাকাটা করা, একসাথে খাওয়া এসব থেকে ওরা বঞ্চিত। আমার ছেলেটার এ নিয়ে অনেক দু:খ। বিশেষ করে ওর বাপ প্লেনে করে সফরে গেলে ও কিছুতেই সহ্য করতে পারে না। সেদিন দেখলাম গাল ফুলিয়ে বলছে, ‘কি সুন্দর আব্বু প্লেনে করে ঘুরে বেড়ায়। নিজের একটা মাত্র ছেলের কথা মনেও পড়েনা।’
প্লেনের প্রসঙ্গে মনে পড়লো। আমার বিয়ের পর। আমার এইচএসসি আর আর শাকিল (আমার পিঠোপিঠী ছোট ভাই) এসএসসি। ঊনি ফরিদপুরে গিয়ে ঘোষণা দিলেন, “তোমরা দু’জনেই যদি ফার্স্ট ডিভিশন পাও তবে তোমাদেরকে প্লেনে করে কক্সবাজার ঘুরিয়ে আনব।” আমার জন্য এটা তেমন ব্যাপার না হলে্ও শাকিলটা ইংরেজিতে কাঁচা ছিল বিধায় বেচারা ভাবনায় পড়ে গেল। তবু রাত জেগে লাস্ট ফ্লুড হ্যাজ ড্যামাজেড (Last flood has damaged) কে ও এভাবে উচ্চারণ (আব্বা এজন্য ওকে এত ক্ষেপাত বলার না) করতে করতে ফার্স্ট ডিভিশন পেয়ে গেল। এবার যাবার পালা। কিন্তু উনি বললেন, ‘এখন অফসিজন, সামনের বসন্তে।’ বসন্ত এলে বলেন, ‘এবার গুরুত্বপূর্ণ পোগ্রাম মাথায়। প্রোগ্রামটা কাটুক। আসল ব্যাপারতো সহজে বলেন না। নতুন নতুন পয়সার অভাবের কথা কি আর বলা যায়। শেষে দোনোমনো করে বলেই ফেললেন, ‘কষ্ট মষ্ট করে ধার-টার করে তোমাকে হয়তো নিতে পারি। কিন্তু তিনজন যাব কি করে?’ বললাম, একা যাব না, শাকিলের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে, বেচারার মন ভেঙ্গে যাবে, উনিও সায় দিলেন, ‘ঠিক কথা। ওকে নিয়েই যাব ইনশাল্লাহ, তবে কিছু পয়সা হোক।’ সেই যাওয়া আর হয়নি। সুযোগ পেলে স্মরণ করাই। উনি বলেন, ‘চলনা এখন চল।’ এখন কি আর যাওয়া হয়? আমার চাকরি, বাচ্চা-কাচ্চা, সময়-সুযোগ; সেই আনন্দ আর সেই মন কি ফিরে পাব? তাছাড়া শাকিলকে কোথায় পাব? প্রতিশ্রুতি যে ওর সাথেও? এমনি অনেক অনেক প্রতিশ্রুতি সাধ স্বপ্ন কোরবানি হয়ে গেছে সাধ্যের কাছে। এগুলো অবশ্য আমার কাছে কোনদিনেই গুরুত্বের হয়ে দেখা দেয়নি। ওনার কাছ সবচেয়ে বেশি যেটা পেয়েছি সেটা আমার পড়াশুনার প্রেরণা। অনেক অনেক ঝামেলার মধ্যেও উনি আমাকে ড্রপ করতে দেননি একটি বারের জন্যও। নাজমী আমার চিররুগ্না। ছোট্টবেলায় যেমন ভুগতো তেমন কাঁদত। সেই অবস্থায় একটার পর একটা পরীক্ষা দিয়ে যাচ্ছি। এ্যাসাইনমেন্ট তৈরী করছি। অনেক সময় এমন হতো পড়তে পারছি না, মেয়ের পরিচর্যায় ভীষণ ব্যস্ত। উনি আমাকে পড়ে শোনাতেন।
আম্মাকেও অনেক পড়া পড়ে শোনাতে হতো (পড়াশুনায় আমি একটু অলস আর ফাঁকিবাজ টাইপের)। ওনার অনেক আশা ছিল আমি ডক্টরেট করি। কিন্তু আর ইচ্ছে করছেনা, চাকরিতে ঢুকে পড়েছি। একটুকু যে আসতে পেরেছি এজন্যই আমি কৃতজ্ঞ। আল্লাহর সাহায্যের পাশাপাশি ওনার অবদানকে আমি ভুলব না, যতদিন বেঁচে থাকি।
আদর্শের ব্যাপারে আপোষহীন। আদর্শের কারণেই অসংখ্য অসংখ্য মানুষকে বুকে টেনে নেন। মানুষের জন্য হৃদয়কে উজাড় করে দেন। কিন্তু বাড়িতে চান রেডিমেড কর্মী। এখানেও যে টার্গেট নিয়ে, ভালোবাসা দিয়ে কর্মী করে নিতে হয় সেটা ভুলে যান। ধমক-ধামকটাকে প্রাধান্য দেন বেশি। তার বকা ঝকা থেকে শালা-শালিরাও বাদ যায়না। আমার আব্বা ইসলামী আন্দোলন করতেন না দেখে কত অভিযোগ। বলতেন, ‘আমি সফরে গেলে এলাকার লোকেরা বলে মল্লিক ভাইয়ের শ্বশুর কেন আন্দোলনে নেই? লজ্জায় আমার মাথা হেট হয়।’ আমি বলি বা-রে তুমি দাওয়াত দিলেই পারো!
“আব্বাকে দাওয়াত দিতে হবে কেন? নিজে বোঝেন না? মেঝভাই সংগঠন করছে, তুমি করছ এসব দেখেও নির্বিকার থাকেন কি করে? টুপী-পাগড়ী এত বোঝেন, আন্দোলন বোঝেন না?”
আব্বা কিন্তু শেষ পর্যন্ত আন্দোলনে এসেছিলেন। শাসনতান্ত্রিক আন্দোলনে এসেছিলেন। হয়তো কোন অভিমান কাজ করেছিল বলে সরাসরি একই কাতারে আসেননি। উনি বললেন, ‘শেষ পর্যন্ত আব্বা তো এলেন কিন্তু আমরা আব্বাকে পেলাম না। মুলাদীতে আব্বাকে দিয়ে সংগঠনের বিরাট কাজ হতো।’
আব্বাকে যে কত ভালোবাসতেন বোঝা যায় এখন, আব্বার মৃত্যুর পর। প্রসঙ্গ এলেই বলেন, ‘আব্বা ছিলেন ফেরেশতার মতো মানুষ, আমরা কাজে লাগাতে পারি নি।’ আব্বাও ভালোবাসতেন উনাকে। তার গানের ভক্ত ছিলেন আব্বা। তার পড়াশুনার খুব এপ্রিশিযেট করতেন। আসলেই, উনি কিন্তু অসাধারণ অধ্যবসায়ী। পরীক্ষাভীতি আছে বলে একাডেমিক দিক দিয়ে পিছিয়ে, তাই বলে জ্ঞান সাধনায় পিছিয়ে নেই মোটেও। রিক্সায়, বাসে-ট্রেনে-স্কুটারে-যে কোন পরিবেশ পরিস্থিতিতে তিনি দিব্যি পড়ে যেতে পারেন। মুখস্ত করতে পারেন পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা। ফররুখ, নজরুল, রবীন্দ্রনাথের বিশাল বিশাল কবিতা তার ঠোঁটস্থ। হাফেজ না হয়েও কুরআনের বেশ কিছু অংশ তার মুখস্ত। কোন কিছু একবার ধারণ করলে সহজে ভোলেননা। দশবছর আগে মুখস্ত করা কোন কোটেশন তিনি ঠিকই গলগল করে বলে যেতে পারেন। আর বলতে পারেন কথা। একাধারে যাদুকরী ভাষায়। তার মত অধ্যবসায়ী আমি কমই দেখেছি। ছেলেমেয়েরা আব্বুর এদিকটি পায়নি। ওরা হয়েছে আমার মতো। পড়ালেখার ধার যত না ধেরে পারে।
বাইরে থেকে মানুষটাকে যত নরম দেখা যায় ভেতরে ভেতরে তিনি কিন্তু সাঙ্ঘাতিক বেপরোয়া। যেটা পছন্দ করেনা না তো করেনই না। কোন ভয়-ভীতি বা লোভ এ ক্ষেত্রে কার্যকর হয় না। এক প্রভাবশালী পীরের দরবারে গিয়ে একবার এমন এক কান্ড ঘটালেন! দুর্দান্ত পীর সাহেবদের কাছে মুরীদানদের যেতে হয় দু’হাত জোড় করে খুব আদবের সাথে। পীর সাহেবকে কাছ থেকে দেখার জন্য উনিও লাইনে দাঁড়ালেন। কিন্তু হাত জোড় করলেন না। একজন সম্রাটের মত বুক ফুলিয়ে এগিয়ে গেলেন যেটা সেখানকার আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। শুধু এতটুকুই নয়। পীরের কাছটিতে এসে তার কি যে হল। পীরের দিকে তাকিয়েই বলে উঠলেন লা হাওলা ওলা কুওয়াতা......এবং সঙ্গে সঙ্গে লাইন ভেঙ্গে সরে এলেন বাইরে। আমার মেঝ ভাইয়া সথে ছিল। ভাইয়া বলল, ‘আমি তো প্রতি মূহুর্তে আশঙ্কা করছিলাম এই বুঝি মুরীদানরা গণধোলাই শুরু করে। যে কোন একটা দুর্ঘটনা ঘটতেই পারত!’ ওখানকার রীতি-নীতি, আচার-আচরণ ওনার বরদাশ্ত হয়নি। এটা অন্যায়। মানুষকে খোদার আসনে বসানোর ধৃষ্টতা। ফলে, তিনি ভীত না হয়ে পীরকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে বাইরে চলে আসতে পেরেছিলেন।
এ ধরনের মানুষই আমি চেয়েছিলাম। আল্লাহ্ আমাকে ঠিক রকমটিই দিয়েছেন।
চাচী, অনেক সুন্দর লেখা। অনেকদিন পর কোন লেখা পরে কাদলাম। আপনার সময় হলে আরো লিখুন। চাচার জন্য অফুরন্ত দোয়া রইল।
70365
২
বাংলাদেশ থেকে আব্ু সাইফ লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১১; বিকেল ০৫:৩৬
70373
৩
ঢাকা থেকে পাঠ প্রক্রিয়া লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১১; বিকেল ০৫:৫৮
লেখাটি অন্য কোথাও আগে পড়েছি। মূল লেখার সূত্র থাকলে ভালো হতো।
70374
৪
জেদ্দা,সৌদী-আরব থেকে আবু ওবায়েদ লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:০২
কবি মতিউর রহমান মল্লিক ভাইকে আল্লাহ-পাক জান্নাতে ফেরদাউস দান করুন ।আমীন
70376
৫
চকবাজার, চট্টগ্রাম থেকে মোহাম্মদ লোকমান লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:০৯
মল্লিক ভাইয়ের ব্যক্তিগত খুটিনাটি অত্যন্ত সহজ সরল ভাবে জানানোর জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আল্লাহ ওনার গোনাহ খাতা মাফ করে দিন।
70378
৬
ঢাকা থেকে মাহমুদ রহমান লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:১৪
চমৎকার এক লেখা। আল্লাহ উনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।
লেখাটি যে বহুবার শেয়ার হবে তাতে কোনই সন্দেহ নাই।
70379
৭
দোহা-কাতার থেকে শিহাব লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:২০
একবার মল্লিক ভাইয়ের সাথে চট্রগ্রামে শাহ ওয়ালীউল্লাহ ইনষ্টিটিউট এ দেখা হয়েছিল ফুলকুড়ির একটা প্রোগ্রামে । আমি তখন ডিপ্লমা-ইন-কমার্স ২য় মেসিষ্টারে পড়ি ,শুনেছি ওনি এই প্রোগ্রামে আসবেন আমি গেলাম এই মহান ব্যাক্তিকে একটু দেখার জন্য যদি সম্ভব হয় কথা বলতে না পারলে ও আন্তত একটু হেন্ড শেক হলে ও করব ,আমি দহ্মিন পার্শ্বে দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়ালাম দেখলাম ওনি মুচকি হেসে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন ও হেন্ড শেক করলেন,বললেন কেমন ভাল। আমি ও বললাম আলহামদুলিল্লাহ। মনে হয় আমার অন্তরের কথাটা মহান আল্লাহ যেন উনাকে জানিয়ে দিলেন। বড়ই দুঃখ পেলাম ওনার মৃত্যুর খরবটা শুনে। দোয়া করি আল্লাহ যেন ওনাকে জান্নাত দান করেন। আপনার লেখাটা বেশ ভাল লাগল, সাথে মহান প্রভূর নিকট দোয়া রইল ভাল ও সুস্থ থাকুন।
70380
৮
জেদ্দা,সৌদি আরব থেকে নূর আয়েশা সিদ্দিকা লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০২
কেমন আছেন আপা। অনেক শুকরিয়া মল্লিক ভাইকে নিয়ে লিখার জন্য। একবারই ভাইয়াকে সামনা সামনি দেখার সুযোগ হয়েছিলো। কিন্তু উনার রেখে যাওয়া অজস্র গান প্রতিমুহূর্তে আমার চিন্তার জগত কে আছন্ন করে রাখে। স্রষ্টার স্মরণ কিংবা হতাশাছন্ন মন, কিংবা জীবনের কষ্টভরা সময় সব সময় ভাইয়ার গানগুলো আমার মনের ঘরে অনুপ্রেরণার দীপ হয়ে কাজ করে। এত বড় একজন মানুষ অথচ কত কাছের মনে হত। আজ তিনি আমাদের ছেড়ে কত দূরে। মহান প্রভুকে বলি-তোমার এ বান্দার নেক কর্মের পরিধির বিস্তৃতি যত বিশাল। অনন্ত জীবনের সান্নিধ্যে তাঁর প্রতি তোমার দানের বিশালতা ও তত ব্যপক হোক। মল্লিক ভাই আত্নীয় না হয়ে ও আমাদের আত্নার বড় স্বজন। উনাকে এত বেশী অনুভব করি এত বেশী স্মরণ করা হয় যে, আমার ছোট বাচ্চাটিও মল্লিক চাচ্চুর জন্য ওর ছোট্র দুটো হাত তুলে দোয়া জানায় উনার মাগফেরাত কামনায়। অনেক অনেক দোয়া আর শুভ কামনা থাকলো আপনার ও পরিবারের সবার জন্য।
70385
৯
ঢাকা থেকে সাইফুল লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১১; রাত ০৮:২০
চল চল চল মুজহিদ পথ যে এখনো বাকী
ভূল ভূল ব্যাথা ভূল মুছে ফেল এই আঁখি।
-জান্নাতবাসী মল্লিক ভাইকে স্বরণ করছি ?
70394
১০
Bangladesh.satkhira থেকে Al mottaqi billah লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১১; রাত ১০:৫৩
Mollik vaika allah zannat kobul korun.apni tar zibon teke onek kisu lekon.
70408
১১
ঢাকা থেকে আব্দুল্লাহ লিখেছেন,
২৩ অক্টোবর ২০১১; রাত ১১:৪০
এই তো ঘন্টা খানেক আগেই, নিজের অজান্তে বিড় বিড় করে মল্লিক ভাইয়ের রচিত কয়েকটি গান আওড়াচ্ছিলাম, আর ভাবছিলাম গানের মর্মার্থ নিয়ে! সত্যিই আমি মল্লিক ভাইয়ের গানের ভক্ত সেই কথা বলতে পারা থেকে! তাঁর গানের মাঝে যে অর্থ, যে ছন্দ, যে দর্শন খুঁজে পাই, ইদানিং কালের ইসলামী গানগুলোতে সেরকম দর্শনের বড়ই অভাব লক্ষ্য করা যায়!
"জীবনের মানে হলো
তার কাঁটার বেড়া ভেঙ্গে ফেলা,
জীবনের মানে হলো
প্রতিটি ফারাক্কা প্রচন্ড ধাক্কায়
শত্রুর বুকে করা বুমেরাং" কথাগুলো ক'দিন পর পরই আমার মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে! জানিনা কেন? তবে এর মাঝে আমার পরিচয় খুঁজি!
উনাকে আমরা খুব ছোট থাকতে দেখেছিলাম। আমাদের বাসায় আসতেন, একদম সাধা সিধে এই মানুষটাকে আমরা আমাদের পুরোনো টেপ রেকর্ডারটি এগিয়ে দিতাম, যাতে ক'টা গান রেকর্ড দেন। তিনিও বেশ আনন্দ চিত্তে রেকর্ড করে দিতেন। আল্লাহ তাঁকে জান্নাতে সু-উচ্চ মর্যাদায় আসীন করুক!! আমীন
70416
১২
london থেকে salim লিখেছেন,
২৪ অক্টোবর ২০১১; রাত ১২:০৭
সালাম লেখককে , মল্লিক ভাইকে যেমন পেয়েছিলাম সেভাবে উপস্তাপনের জন্য। আল্লাহ মল্লিক ভাইকে জান্নাত দান করুন।
70417
১৩
London থেকে Muhammad Shariful Islam লিখেছেন,
২৪ অক্টোবর ২০১১; রাত ০১:১৬
Mollik bhai k direct dekhar sobaggho amar hoyni but pagoler moto valobasi take. mollik amar pran mollik amar jan. take harie kadechi diba jami. jake khuja peri protiti ganer kolita.asa hoto jibone peira pai bacha thaker asa. je manosti amar sathe dekha koraca 3 times sopne. take bulita pari ki ai jibone. mollik bhair soroney ai lekha ti lekhar jonno apnake janai thanks a lot. jodi paran tar jibner kisu sriti likhe amder sathe saare korban please........... Allah tumi amar mollik bhai k jannatul fardawse dan korun...........ameen.
70422
১৪
Paris, france থেকে Mahbub Hossain লিখেছেন,
২৪ অক্টোবর ২০১১; রাত ০৩:৫৩
Vabi
Assalamualikum.
Ami Jubo commanader Mahbub..........apnar jonno anek doa roilo...........Apnar lekahti pore monta vison kharap hoya gelo......sotti Mollik bhai ak asadharom maner manush silen. ja amra mullayan korte parini.........jiboner cholar pothe Mollik bhai k amar protiti muhurto saron hoy.kosto aktai Amar mea tashfia k dekhte cheasilo kintu take dekhate parini atai amar jiboner sob chea boro kosto.apni valo thakben......
70426
১৫
usa থেকে awlad লিখেছেন,
২৪ অক্টোবর ২০১১; সকাল ০৮:৩৭
Assalamualaikum ,thank you for this true story .we all miss mollik vai so mach.may allah accept him in jannah.please wright more.stay well.awlad from LA.CA. USA
70437
১৬
Los Angeles, USA থেকে Anisur Rahman লিখেছেন,
২৪ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ১২:৩৫
Vabi,
AsSalamualikum, ami DU-er Anis, bari Satkhira, ekhon USA thaki, DU er Rina amar bow, aponi chanen. Mollik Bhai er shathe onek sriti, aponar lekha pore ar akbar kadlam, ami sob somoy Mollik bhai er gan ghai. aponi aro lekhen, Jazak Allah.
70453
১৭
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ লিখেছেন,
২৪ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ১২:৩৫
লেখাটি পড়েছিলাম ১৯৯৮ সালে। এখনো সংগ্রহে আছে। মাঝে মাঝেই পড়ি। লেখাটি এখানে উপস্থাপন করার জন্যে ধন্যবাদ্ । তবে সাবিনা মল্লিক ভাবি অসাধারণ গল্প লিখে থাকেন। তাঁর গল্প পেতে চাই, এখানে পড়তে চাই।
আল্লাহ মল্লিক ভাইকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসীব করুন। আমীন
70454
১৮
জেদ্দা থেকে জোবাইর লিখেছেন,
২৪ অক্টোবর ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:১৪
এক কথায় চমৎকার
আঁখি জল রুখে সাধ্য কার ?
খুবই ভাল লাগল।
70479
১৯
প্যারিস থেকে মান্নান আজাদ লিখেছেন,
২৪ অক্টোবর ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:২৩
লেখাটা হৃ্দয় ছুয়ে গেছে। Really excellent
70483
২০
ঢাকা থেকে হারুনর রশীদ লিখেছেন,
২৪ অক্টোবর ২০১১; রাত ০৯:১০
মল্লিক ভাই!
একটি বিষ্ময় নয় যেন আল্লাহর রহমতের একটি মায়াবী দীপালি আলোক রশ্মি অল্প সময়ের জন্য আমাদের উপর পতিত হয়েছিল। আজ মল্লিক ভাই সম্পর্কে কয়েকটি লাইন লিখতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। মল্লিক ভাইয়ের একটি স্মৃতি আমাকে বার বার নাড়া দেয়। ১৯৯৫ বা ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম কলেজের নবীন বরন অনুস্ঠানে আমি উপিস্থিত ছিলাম। প্রধান অথিতি ছিলেন তখনকার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি( নাম মনে নেই)। বিশেষ অথিতি ছিলেন মল্লিক ভাই।
বিশেষ অথিতি হিসেবে মল্লিক ভাই প্রধান অথিতির পরে বক্তব্য রেখেছিলেন। এই বৈঠকে মল্লিক ভাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি দাওয়াতী কাজের যে বাস্তব উদাহরন দেখিয়েছিলেন তা অনকরনীয়। মল্লিক ভাইয়ের প্রশংশা শুনে ভিসি মহোদয় মল্লিক ভাইকে কিছু একটা উপহার দিলেন। মল্লিক ভাই শুন্য হস্তে তখন, সাথে সাথে মল্লিক ভাই মাইকে গিয়ে বলেছিলেন, " আমি একজন কলম সৈনিক, কলমই আমার শ্রেষ্ট সম্পদ, আমার নিজের প্রিয় এই শ্রেষ্ট সম্পদটি আপনাকে উপহার দিলাম। তখনকার এই উপহার দেয়া নেয়ার চিত্রটি কি যে হৃদয় নিংড়ানো উপস্থিতিবৃন্ধ বিমোহিত হয়েছিলেন।
মল্লিক ভাই কোরাআনের আয়াত-তোমাদের জন্য রাসুলের জীবনেই রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ- এটির উপর আলোচনা করছিলেন। রাসুল স: এর সৌন্দয্যের বর্ণনা দিতে বললেন রাসুল স: এমন সুন্দর ছিলেন, যেমন আমাদের আজকের আয়োজনে প্রধান অথিতি সবার চেয়ে সুন্দর( সেদিন ভিসি মহোদয় সত্যিই খুবই সুন্দর ছিলেন)।
উপরের দুটি বিষয়ে দেখা যায় মল্লিক ভাইয়ে চিন্তায় ও চেতনায় দাওয়াতী কর্মপদ্ধতির সঠিক ও বাস্তবভিত্তিক প্রয়োগ। একটি সুদূর প্রসারী দৃষ্টিভঙ্গিই ছিল মল্লিক ভাই-য়ের জীবনে।
তাঁর সাথে আমার কোন দিনই দেখা হয় নি। আমি একজন কর্মী ও অনুসরনকারী হিসেবে তার এই স্মৃতি মেনে চলি। আল্লাহ মল্লিক ভাইয়ের জন্য আমাদের স্বাক্ষী তুমি কবুল করে তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস বরাদ্দ কর।
70490
২১
ANSAN , SOUTH KOREA থেকে TAHER লিখেছেন,
২৫ অক্টোবর ২০১১; সকাল ০৭:১৬
BHABI , ASSALAMU ALAIKUM , APONAKE THANKS MOLLICK BHAI ER UPOR KISO LEKHATE , 1981 SONE , ONAR SATE TEKNAF SAN'TMARTIN DIP GURESILAM, TAI KAS TEKE ONAKE DEKTE PEYESI,ONAR MOTO NIRBEJAL , AKONISTO, SACRIFICE MINDED LEADER BANGLADESHE KUB KOM ACE. DOA KORI ALLAH ONAKE JANNATUL FERDOUS ER MEHMAN KORUK, AMIN.
70520
২২
ANSAN , SOUTH KOREA থেকে TAHER লিখেছেন,
২৫ অক্টোবর ২০১১; সকাল ০৭:৩৮
sorry purbe'r montobby te akta memory likte bule gesilam , tai abar liklam , 1981 sone'r february ki march hobe, Mollick bhai giyesilen Teknaf Rnngikhali Islamic CENTRE er yearly mahfil ' a gaan gaite. porer din sonibar sokale San't martin Dip giyesilam mollick bhai er sate , sate r oo onek bhai silen . Dip teke fire rat er bela Teknaf High School er dokkin dike Deal Para 1 lok NURUL-BASHAR er basai Dawat khaite giyesilam,khabar er purbe MOLLICK BHAI amar hat dore rastai hatahati korte silo. ai somoy amake bollen , Taher bhai , amora je nodi dia sant'martin dip gelam tar nam ki ? ami jobab dilam Mollick bhai NAF NODI , tokhon oni bollen ultaiye bolen , NODI NAF ,. tokhon Mollick bhai bollen , aponader silpigusty nam hobe "NODI NAF SILPIGUSTI " tokhan teke TEKNAF er Rongikhali Islamic Centre kendrick silpigusti se name ace.ALLAH HAFEZ
70521
২৩
sylhet থেকে sayed sabbir Ahmed লিখেছেন,
২৫ অক্টোবর ২০১১; রাত ০৮:০৭
OH Allah give him zannatul ferdaus.
70562
২৪
Vienna থেকে Abdul Quaiyum লিখেছেন,
২৫ অক্টোবর ২০১১; রাত ১১:৪৬
Vabike o tar sontnder proti salam o dua. nirohongkari o sadamata manush hisebe mollik vaiyer juri nai. allah rabbul alamin onake jannat dan korun. sey choto kal theke mollik vaiyer ek ekta gan pradanno diye gaitam. keo gan gaite bolley -ekjon mujahid kokhono bose thakena.. eta gaitam. ek somoy tik tik tik tik jey .. eta geyechi. tobe ekhon ar ager moto gaoar sujog hoyna. tobe ekta kotha ki temon gan o ar paina. ekhono onek gan ase kintu pran thakena. mollik vai ek somoy bolechilen - bohu somoy gan likhar jonno giti milanor jonno tahajjud namaj pore Allahor nikot kede kete likhte bostam. Proshno- amader gitikar ki emon abeg niye bosen? Allah jader toufiq diyechen tara jeno mollik vaike niye vabben, tar moto likhte chaiben, Allahor nikot ei toufiq kamona kori. ei kamona kori.
70574
২৫
রাজশাহী থেকে আবু নোমান লিখেছেন,
২৬ অক্টোবর ২০১১; সকাল ০৭:৪৩
আসসালামু আলাইকুম।অসাধারণ প্রতিভা ছিল মল্লিক ভাইয়ের।গানের ভাষা আর সুরের তান ভাসিয়ে নিয়ে যায় অজানা জগতে।তার (সম্ভবত) একটি কবিতা আমার এখন ই একটি প্রচন্ড ৈবশাখীর বড় বেশি্ প্রয়াজন।আমার খুব ভাল লেগেছিল। ওটি আর খুজে পাইনা। কেউ কি সহযগিতা করবেন? এখানে......।।
70581
২৬
হারা, রিয়াদ, সৌদি আরব। থেকে মামুনুর রশীদ লিখেছেন,
২৬ অক্টোবর ২০১১; বিকেল ০৪:৩২
কিছুক্ষন আগে মল্লিক ভাইয়ের কিছু গান ডাউনলোড করেছি, আমাদের জন্য দোয়া করবেন আমরা যেন আমাদের এই শ্রদ্ধাভাজনদের জীবন থেকে শিক্ষা নিতে পারি। আল্লাহ যেন উনাকে বেহেস্তের সর্বচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত করেন। আমিন
মল্লিক ভাইয়ের জীবনের স্মরণীয় ঘটনা গুলো লিখবেন যেন আমরা পড়ে অনুপ্রাণিত হতে পারি। আপনাকে নিয়মিত লেখার অনুরোধ করছি।
70697
২৯
ঢাকা থেকে শাহজাহান সানু লিখেছেন,
২৭ অক্টোবর ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:১৮
মল্লিক ভাইয়ের জীবনের স্মরণীয় ঘটনা গুলো লিখবেন যেন আমরা পড়ে অনুপ্রাণিত হতে পারি। আপনাকে নিয়মিত লেখার অনুরোধ করছি।
70717
৩০
ঢাকা থেকে বিলাল হোসাইন নূরী লিখেছেন,
২৭ অক্টোবর ২০১১; রাত ১০:৫৩
মল্লিক ভাইকে নিয়ে লেখা আমার একটি কবিতা একবার প্রকাশিত হয়েছিল পত্রিকায়। লেখাটি নিয়ে মল্লিক ভাইর সাথে দেখা করার পর তিনি বললেন, তোমার লেখাটি আগেই পড়েছি।এরপর আমার হাত থেকে পত্রিকাটি নিয়ে সযত্নে রেখে দিলেন। বললেন, আবার পড়বো।এই স্মৃতিটা আমাকে আজও কাঁদায়। আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন, আমীন।।
70739
৩১
ঢাকা থেকে নাজনীন ইলিয়াস লিখেছেন,
২৮ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০২:৫৪
চমৎকার এই লেখাটি যে ৯৮ সালে লেখা সেইটার উল্লেখ থাকলে খুব ভাল হতো। সাবিনা মল্লিক যে একজন সুলেখিকা তাতে কোনো সন্দেহ নাই। মল্লিক ভাই সম্পর্কে তাঁর কাছ থেকে আরো লেখা আশা করছি |
70777
৩২
লস এন্জেলেস, ইউ এস এ থেকে হাসিব লিখেছেন,
২৮ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০৩:৩৩
ভাবী, লেখাটি পড়ে অনেক ভাল লেগেছে।মল্লিক ভাই একটি ইতিহাস, একটি আন্দোলন, একটি প্রেরণার বাতিগড় হয়ে চিরকাল বেচে থাকবে বিশ্বাসী মানুষের অন্তরে। আল্লাহ তাকে তার মেহমান হিসেবে কবুল করুন। আমিন।
70779
৩৩
লস এন্জেলেস, ইউ এস এ থেকে হাসিব লিখেছেন,
২৮ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০৩:৩৯
ভাবী, লেখাটি পড়ে অনেক ভাল লেগেছে। মল্লিক ভাই একটি ইতিহাস, একটি আন্দোলন, একটি প্রেরণার বাতিগড় হয়ে বেচে থাকবে চিরকাল বিশ্বাসী মানুষের অন্তবে। মহান আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিফল দান করুন, আমিন।
70780
৩৪
বনানী থেকে আরিবা আফিফা লিখেছেন,
২৮ অক্টোবর ২০১১; রাত ১১:২৯
অশ্রুসিক্ত হৃদয়ে মা'বুদের কাছে প্রার্থনা শুধু-- হে আল্লাহ! ইসলামী সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এ সিংহপুরুষকে তুমি জান্নাতের উচ্চ মর্যাদায় আসীন কর।
70792
৩৫
u s a থেকে mohammed miraz লিখেছেন,
২৯ অক্টোবর ২০১১; সকাল ১০:১৫
This is my bad luck, I did not meet with him,he is the best Islamic poet of Bangladesh,he show us what is Islamic culture.
70809
৩৬
Jatrabari, Dhaka থেকে salman shamil লিখেছেন,
২৯ অক্টোবর ২০১১; দুপুর ০২:৫০
May Allah give me a chance to meet with him in Jannah in hereafter life. this is my sincere appeal to almighty.
70833
৩৭
নকীব কম্পিউটার ট্রেনিং েসন্টার কেন্দুয়া নেত্রকোণা থেকে আনোয়ার হুসাইন খান সোহেল লিখেছেন,
৩০ অক্টোবর ২০১১; সকাল ০৮:৪৮
কবিকে আল্লাহ জান্নাতবাসী করুন। আমার জানামতে নজরুলের পরে তাঁর মতো এত কবিতা ইসলামী গান আর কেউ মনে হয় লিখে নাই। তাঁর লেখা অসংখ্য গান আমরা শুনি। যা কেউ কল্পনাও করতে পারেন না যে সাদাসিদে পোশাকধারী এই নম্র বিনয়ী লোকটি এই গান গুলি লিখেছেন। দোয়া করি তার পরিবারবর্গের জন্যও। খুব সুন্দর একটি লিখা। আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন।
70877
৩৮
জেদ্দা হইতে থেকে মুহাম্মদ রাইস উদ্দিন লিখেছেন,
৩০ অক্টোবর ২০১১; রাত ০৮:৫১
মল্লিক ভাইয়ের স্মরনে
কথা ও সুর মুহামাদ রাইস উদ্দিন
একটি গানের পাখি!
খাচা ছেড়ে গেছে সে যে উড়ে
দিগন্ত পেরিয়ে নীলীমা ছাড়িয়ে,
আসবেনা সে আর ফিরে।
পাখিটি ছিল কত চঞ্চল,
সীমাহীন ছিল মনোবল
বাতিলের ভযে কভু হয়নী ভীত তবু
রবের ভয়ে শিক্ত ছিল আখী।ঐ
যে পাখির গানে গানে,
শিহরন লাগতো প্রাণে
মিথ্যের অবসানে
সত্যের জয়গানে
নির্ভীক ছিল রনারনে-
আমাদের দিয়েছে সে ফাঁকি।ঐ
বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোহাম্মদ নূরুল আমীন লিখেছেন,
০১ নভেম্বর ২০১১; রাত ১০:০৬
মতিউর রহমান মল্লিক
হারিয়েছ বহুদূরে হয়তো
জানা শুনা কোন এক শান্তির প্রান্তরে
তোমার হাদিসের দর্সে অনেক শুনেছি সে কথা
শুনেছি কত অবিরত এবেলা ওবেলা
তবু ভুলে যাই, কবু মনে হয়,
কবু বেরিয়ে যাই হেরার পথ ছেড়ে
ফিরে ফিরে আসি
এই বুঝি সব শেষ
কেন মনে হয় ফের মনে হয়
অগোছালো এলোমেল স্মৃতি কথা
ফিরায়ে আনে আলোর পথে।
তুমি ফিরবেনা জানি কোন দিন
তবু দর্সের সে নেশা ভাঙ্গবেনা কোন দিন
হয়তো সব ছেড়ে তোমার পিছু পিছু
যাব সকলে একদিন।।।