মঙ্গলবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ২২ মে ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:২০ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

সবাইতো সুখী হতে চায়, তবু ...

সাদিয়া শিমু

জীবনে সুখ শব্দটা নিয়ে সবারি চিন্তার শেষ নেই। সুখের পেছনে আজন্ম এক দৌড়ের ভেতরে জীবনের অধ্যায়গুলো পরিবর্তন হতে থাকে। অনেকে বলে সুখ বলতে আসলে কিছু নেই। কেউ সুখী হয়না। সবার জীবনেই কোন না কোন সমস্যা দুঃখ কষ্ট লেগেই থাকে। কেউ কেউ আবার অন্যের আর্থিক উন্নতি আর সমৃদ্ধি দেখে ঠাহর করে বসে যে ওই মানুষটা কতনা সুখে আছে। ঠিক ‘’নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস, ওই পারে যত সুখ আমার বিশ্বাস’’ এই উক্তিটির মত।

আজকে খুব পরিচিত কিছু মানুষকে নিয়ে সুখের কড়চা লিখবো। যারা সুখ শব্দটার পেছনে হয়তো এখনো ছুটে চলেছেন।
আমাদের পাশের বাড়ির অপি আপু। ঢাকা ভার্সিটি থেকে গনিতে মাস্টার্স করার পর বিয়ে করলেন বুয়েটের এক শিক্ষককে। পরে আপুও বিসিএস দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট হয়ে গেলেন। ভাইয়ার সাথে কিছুদিন পর চলে গেলেন আমেরিকা। আপাত দৃষ্টিতে সবাই ভাবছিল অপি আপুর জীবন হয়ত অনেক সুখের। কিন্তু আজকে বিয়ের প্রায় ১৫ বছর হতে চলল আপুর কোন সন্তান নেই। একটা সন্তানের জন্য মনের ভেতরে এক অসীম শূন্যতা নিয়ে জীবন কাটিয়ে দিচ্ছেন অপি আপু আর ভাইয়া। এরকম আরও এক বয়স্ক দম্পতিকে দেখেছিলাম রাজশাহী ভার্সিটিতে। এই দীর্ঘ জীবনের সন্তানহীনতা , শূন্যতা তাদের জন্য কষ্টের পশরা সাজিয়েছে। যদিও আর্থিক সমৃদ্ধি তাদের ছিল, ছিল সমাজের সম্মানজনক অবস্থান। একবার উনাদের বাড়িতে বড় আপুর সাথে বেড়াতে গেলে, উনি অনেক কষ্ট নিয়ে বলছিলেন, এত সম্পদ, অথচ নিজের ছেলেমেয়ে না থাকায় আমরা মরে যাবার পর আত্মীয় স্বজনরা উপভোগ করবে।
অন্যদিকে যারা আর্থিকভাবে চরম দুর্ভোগের শিকার তাদের কাছে জীবনে সুখের সংজ্ঞাটা একদম ভিন্ন। কিছুদিন আগে আমরা ঈদ উদযাপন করলাম। কোন একটা চ্যানেলে খবর দেখছিলাম। ভোলার একটা গ্রামের মানুষের দুর্দশা নিয়ে রিপোর্ট দেখাচ্ছিল। যেখানে নদী ভাঙ্গনের কবলে পরে মানুষগুলো কি সীমাহীন দুর্দশার জীবন যাপন করছে। যাদের কাছে ঈদের দিনটা আলাদা কোন মানে রাখেনা। যাদের কাছে ভালভাবে খেতে পারা, ভাল একটা কাপড় পরা, কিংবা নিরাপদ একটা টিনের চালের ঘর মানেই সুখ।
আর এক আপু, এক পাবলিক ভার্সিটির শিক্ষিকা। তার জীবনের আর্থিক সমৃদ্ধি আছে, আছে ফুটফুটে সন্তান, কিন্তু স্বামীর অস্বাভাবিক শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শেষমেশ তালাক দিয়ে দিলেন। তার কাছে সুখের সংজ্ঞাটাই একটা ভাল স্বামী যে কিনা ভালবাসা, বন্ধুত্ব, মায়া মমতা নিয়ে তাকে সারা জীবন জরিয়ে রাখত। কিন্তু সুখ নেই।

আমার এক ছোট বোন রত্না। খুব মেধাবী। স্কুল কলেজে প্রথম হয়ে আসা এই মেয়েটার স্বপ্নই ছিল ডাক্তার হবে। প্রথমবার হলনা, দ্বিতীয়বার ও হলনা, অথচ ওর এক বান্ধবী যে কিনা অনেক খারাপ রেজাল্ট নিয়েও ৫ লক্ষ টাকা খরচ করে মেডিকেল এ চান্স পেলো। অবশেষে রন্তাকে পড়তে হচ্ছে শেরে বাংলা কৃষি ভার্সিটিতে। রত্নার কাছে তখন সুখের সংজ্ঞা মানেই সাদা এপ্রোন পরিহিতা ডাক্তার হতে পারা।

ময়মনসিংহের পুষ্পা আপু। আর্থিক সচ্ছলতা, খুব ভাল একজন স্বামী, ভাল পরিবার, উন্নত জীবন। কিন্তু জাপানে পিএইচডি করছিলেন যখন ভাইয়া, তখন ওখানেই প্রথম সন্তান মুবিনের জন্ম হল। কিন্তু কি আফসোস এর বেপার, প্রথম সন্তানটা যে এমন অটিস্টিক হয়ে জন্মাবে সেটা কি তারা স্বপ্নেও ভেবেছিল?? শুরু হল কষ্ট। তাদের কাছে সুখের সংজ্ঞা মানেই একটা সুস্থ সন্তান, সন্তান এর ভবিষ্যৎ। কলিজার টুকরো মুবিন এর অস্বাভাবিক জীবন বুকের ভেতর শুধু রক্ত ঝরায়।
আমার এক খালা, ৩ ছেলে উনার। প্রথম ছেলে বখাটে হয়ে গেল পাড়ার বাজে ছেলেদের সাথে মিশে। কিছুদিন পর স্বামী মারা গেলেন। হার্টের অসুখে শয্যাশায়ী। কিছুদিন পর সেই বখাটে বড় ছেলেটাও মারা গেল। বাকি ২ ছেলেকে নিয়ে এক কঠিন জীবন যাপন করছেন। তার কাছে সুখের সংজ্ঞা কি বলতে পারেন ?

বড় আপুর কাজের মেয়েটা মেরী। এত সুন্দরী। কিন্তু দুবেলা না খেতে পাওয়া পরিবারে জন্ম। ১২ বছর বয়সেই বাবা বিয়ে দিল। ১ বছর পর স্বামী তাকে ছেড়ে কোথায় চলে গেল কে জানে। অনেকদিন পর মেরী জানতে পারল ওর স্বামী আবার বিয়ে করেছে। ওর কাছে আরে ফিরবেনা। অথচ মেরী তখন একটা সন্তানের মা হয়ে গেছে। কিভাবে কাটাবে জীবন ও। সুখ ? এখন বড় আপুর কাছে রাজশাহীতে থাকছে। আর ওর মেয়েকে রেখেছে মা বাবার কাছে। প্রতি মাসের বেতন মা বাবাকে পাঠায় মেয়ের ভরন পোষণের জন্য। কিছুদিন আগে শুনলাম মেরী নাকি আগের স্বামীকে তালা দিয়ে আবার বিয়ে করবে। কি হবে ওর মেয়েটার তখন ?? ওর মেয়েটা হয়তো আর একটা মেরী তৈরি হবে। সুখ কোথায়??

আমার এক নানা থাকতেন স্পেন এ, জীবনের পুরো সময়টাই নানী বাংলাদেশে একা একা থাকলেন ২ তা ছেলেকে নিয়ে। এই যে নানীর অপেক্ষা, নানা ফিরে আসবে একদিন , এখানে কোন সুখ লুকিয়ে আছে ??
আমাদের পরিচিত এক ভাইয়া, সুখের আশায় পারি দিলেন আমেরিকা। দীর্ঘ দশ বছর বৌ কে ছেড়ে বাস করছেন শুধু একটা গ্রিন কার্ডের আশায়। তার কাছে গ্রিন কার্ডটাই সুখের সংজ্ঞা... কিন্তু এই গ্রিন কার্ডটা পাবার পর ? তখনো তো আরও অনেক অনেক কিছুই বাকী রয়ে যায়, যাকে ঘিরে মানুষের সুখের সংজ্ঞা ঘুরপাক খেতে থাকে।

আবার যদি বলি ফিলিস্তিনের মানুষগুলোর কথা বলি , গুলির বর্ষণে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া আত্মীয় স্বজনদের কান্নায় যাদের অনিশ্চিত জীবনে সুখ মানে কি ? ওদের কাছে স্বাধীনতাই হয়তো একমাত্র সুখ ... একিভাবে সোমালিয়ার দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের জীবনের কথা না বলে কি করে পারি ?? তাদের কাছে কি আদৌ সুখ নামক কোন কিছু আছে ??

এভাবে আমাদের আশে পাশেই মানুষগুলো সুখের অনুসন্ধানে জীবন পার করে দিচ্ছে। আমরা নিজেরাও তো ব্যতিক্রম নই তাইনা ?? কিন্তু এর পরও মানুষ বেচে থাকে। বিশেষ করে যারা ওপারের আর একটা জীবনে বিশ্বাস করে, তারা বুক বেঁধে রাখে জান্নাতের আশায়। জীবনে সৎ আর আত্মিক সমৃদ্ধিই তাদের কাছে তখন একমাত্র কাম্য। সব পার্থিব অপূর্ণতাকে ছাপিয়ে জীবন ক্যানভাসে তারা আঁকতে থাকেন স্রষ্টার সান্নিধ্যের আলোকোজ্জ্বল নক্ষত্রগুলো। কঠিন মানসিক চাপের ভেতরেও অনুভব করতে পারেন এক অসীম দয়ালু মহান প্রভুর অস্তিত্ব , যার ওয়াদা...
‘’আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত’’
(তওবা- ১১১ এর খন্ডাংশ)
সবাইকে কুরআনের এ জান্নাতের আয়াতগুলো পড়ার আমন্ত্রন জানিয়ে শেষ করছি...
http://www.sonarbangladesh.com/articles/SadiaShimu
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
Nepal থেকে ুshamim লিখেছেন, ১৪ নভেম্বর ২০১১; দুপুর ০১:০৯
দারিদ্র গ্রহনের মানশিকতাই দারিদ্র দুরিকরনের একমাত্র উপায়, তেমনি অপুর্নতা, অপ্রাপ্তি এগুলো স্বাভাবিক ভাবে যে গ্রহন করতে পেরেছে সেই হয়ত সুখী। জীবন আসলে এইরকমই, একটা ফাঁদ এর মত , মানুষ্কে কেমন নজরবন্দি করে রাখে এক মরিচিকার পিছনে ছুটিয়ে দিয়ে। সুন্দর আর্টিকেল। ধন্যবাদ।
71670
USA থেকে হক-কথা লিখেছেন, ১৫ নভেম্বর ২০১১; রাত ০৩:০৯
আসলে সুখ জিনিসটা কি? পৃথিবীতে প্রকৃত সুখি কি কেউ আছে?

সুখ হল একটি আপেক্ষিক জিনিস। এর সংঘাও বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন রকম। তাই সুখের কোন প্রকৃত ও সার্বজনীন সংঘা হয়না। তবে আমি মনে করি সুখ হল সম্পূর্ণ আপেক্ষিক একটা বিষয়। ধুরন আপনি গাড়ি চালাচ্ছেন একটা ব্যস্ত রাতায়। হটাত্ ট্রাফিক জ্যামে পড়ে গেছেন। আপনি যে লেইনে আছেন তা প্রায় থেমে আছে আর অন্য লেইনের গাড়ি গুলো মোটামুটি ধীর গতিতে হলেও চলছে। তখন আপনার অসহ্য লাগেবে। কিন্ত যদি ঘটানটা উল্টো হয় অর্থাত্ আপনার লেইটি ধীরে ধীরে চলছে কিন্তু অন্য লেইনের গাড়ি গুলো থেমে আছে, তখন আপনার কিন্তু আগের মত অসহ্য লাগবেনা। আপনি যখন দেখবেন অন্যদের চেয়ে আপনি ভালো আছেন তখন কিন্তু আপনার কষ্ট লাগবেনা বা আপনি অপেক্ষাকৃত সূখ বোধ করবেন। এটা খুভই চোট্ট একটা উদাহরন। আমাদের জীবনের প্রায় সকল ক্ষেত্রেই ব্যাপার আসলেই প্রায় একই রকম। অন্যের চেয়ে অপেক্ষকৃত ভাল অবস্থাতে থাকলেই আমরা কিছুটা সুখ বোধ করি।
আবার যখন দেখবেন যে আপনার লেইনটা আগের মতই চলছে কিন্তু আগে যে লেইনটা প্রায় থেমে ছিল তা অনেক ধ্রূত চলছে তখন আপনার মনে হবে, ইস্ আমি যদি ঐ লেইনে থাকতাম! কিছুক্ষন আগের আপনার সেই সুখবোধ টা আরা নাই। এই মুহুর্ত থেকে আপনি অসুখী বোধ করছেন। তাই আমি বলতে চাই যে আসলে সুখ জিনিসটা খুবই ক্ষনস্থায়ী ও আপেক্ষিক।
সবচেয়ে বড় কথা হল, এই দুনিয়াটা আসলে প্রকৃত সুখের জায়গা নয়। যেখানে মানুষের কোননা কোন দায়িত্ব আছে, কোন নির্ভর শীলতা আছে সেই সাথে আছে চাওয়া-পাওয়ার হিসাব, সেখানে মানুষ কখনো সুখি হতে পারেনা, পারবেনা। মানুষের প্রকৃত সুখের জায়গা হল জান্নাত তথা পরকাল। যারা তা বিস্বাস করেন ও সেই বিস্বাসের ভিত্তিতে নিজের জীবন পরিচালনা করেন তারা কিছুটা সুখি (এই দুনিয়ায়ও) হওয়ার চান্স থাকে।
পবিত্র কোরানে আল্লাহ তা'আলা বলেন:
وِمِنْهُم مَّن يَقُولُ رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ (২:২০১)

"এবং এমন লোক আছে যারে বলে: হে আমাদের রব, আমাদের কে এই দুনিয়ায় ও মঙ্গল (সুখ) দাও এবং আখেরাতেও মঙ্গল দাও, আর আগুনের আজাব থেকে আমাদের বাঁচাও।"

তাই যারা প্রকৃত বিস্বাসী, তারা কোন কষ্টে পড়লেও মনে করে এটা সাময়িক, আল্লাহ তাদেরকে কষ্ট দিয়ে পরিক্ষা করছেন। তারা যদি ধৈর্যের সাথে এই কষ্ট অতিক্রম করতে পারে তবে মহান আল্লাহ পাকের নিকট আছে তাদের জন্য মহান পুরস্কার। কারন আল্লহ তাঁর বান্দাদেরকে সুখদিয়ে ও পরিক্ষা করেন আবার কষ্ট দিয়েও পরিক্ষা করেন। প্রকৃত ইমানদারদের নিকট দুনিয়া কোন সুখের জায়গা নয়। এটা একটা পরীক্ষা মাত্র। কিছু হারালেও তাই বিচলত হওয়া বা ধৈর্য হারানো ইমানদারের কাজ নয়। আবার কিছু অর্জন করলেও আত্বহারা হওয়া ও তাদের কাজ নয়। কারন তারা জানে এটাও আল্লাহর একটা পরীক্ষা।
যাদের কোন সন্তান নাই তাদের এটা ভাবা উচিত্ নয় যে দুনিয়ার তাদের এত বিশাল সম্পত্তি তাদের অবর্তমানে কে ভোগ করবে। বরনঞ্চঃ তাদের এই সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যায় করা তাদের জন্য অনেক সহজ হবে। যাদের অনেক ছেলেপেলে আছে তাদের চেয়ে সন্তানহীনদের জন্য এটা আরো সহজ। দুনিয়ার সম্পদ কিছুইনা। বেহেস্তের তুলনায় এই দুনিয়াটা একটা নোংরা পায়খারনার চেয়েও নিকৃষ্ট।
মোট কথা হল, সুখি হতে হলে সকল অবস্থায় আল্লাহর উপর তাওয়াক্কাল করতে হবে আর দুনিয়ার সবকিছুর প্রতি লোভ ছাড়তে হবে। এতেকরে এই দুনিয়ায় কাউকে সুখি মনে নাওহতে পারে তবে সে আখেরাতে অবশ্যই সুখি হবে। আল্লাহ বলছেন যে আমরা যদি আমাদের জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় অগ্রসর হই, তিনি তোমাদের ক্ষমা করে দিবেন ও জান্নাতে স্থান দিবেন, যেখানে সবাই চিরস্থায়ী হবে ও চির সুখি হবে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দিন, আমীন।
71714
নকীব কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, কেন্দুয়া, নেত্রকোণা থেকে আনোয়ার হুসাইন খান সোহেল লিখেছেন, ১৫ নভেম্বর ২০১১; সকাল ১১:৫৮
আল্লাহর উপর সম্পূর্ণ ভরসা, সুশিক্ষা, ধর্মীয় অনুশাসন, সত্য ও ন্যায়ের পথে চললে পৃথিবী নামক অস্থায়ী স্টেশনে মানুষ সুখী হতে পারে। এছাড়া নয়। ধন্যবাদ লেখিকাকে।
71732
কিলার জোন থেকে হাফিজ লিখেছেন, ১৬ নভেম্বর ২০১১; দুপুর ০২:৩৪
জীবনের চরম বাস্তবতাগুলো কিঞ্চিৎ তিতা হয়।
আমার মতে যে ব্যক্তি সামান্য প্রাপ্তিতেই আনন্দ খোঁজে সেই সবচেয়ে সুখী।
সুখ এবং দুঃখ একে অপরের পরিপূরক সুতরাং বহমান জীবনে এগুলো প্রর্যায়ক্রমে আসবেই।
আর আমরা জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়ার ভান করে এগিয়ে যাব শেষ দিন পর্যন্ত।


ভালো লাগলো আপনার লেখাটি পড়ে।
71785
মিরপুর, ঢাকা থেকে নেওয়াজ লিখেছেন, ১৭ নভেম্বর ২০১১; দুপুর ০২:৫৮
খুব ভাল লাগল
71843
ইউ, এ, ই থেকে জুমানা লিখেছেন, ১৯ নভেম্বর ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৩৮
ভালো লাগল,ধন্যবাদ।
71924
দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সুপ্ত সবুজ লিখেছেন, ১৯ নভেম্বর ২০১১; রাত ০৮:০৫
সবাই তো সুখী হতে চায়,
তবু কেউ সুখী হয় কেউ হয় না
জানি না বলে যা লোকে সত্যি কিনা
কপালে সবার নাকি সুখ সয় না।

গানটা অনেকদিন পর মনে পরে গেলো। আমি কি আসলে সুখী না অসুখী নিজেকে প্রশ্ন করে আমি নিজেই উত্তর খুজে পাই না। তবে আপনার বাস্তবভিত্তিক লেখাগুলো খুব ভাল লাগলো। ধন্যবাদ।
71931
ঢাকা থেকে শাহজাহান সানু লিখেছেন, ২২ নভেম্বর ২০১১; বিকেল ০৫:১৭
অনেক ধন্যবদ
72121
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy