খালেদা জিয়া জাতীয়তাবাদী শক্তির ধারক-বাহক এবং প্রতিষ্ঠান। তার বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থকরা অত্যন্ত স্পর্শকাতর থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আওয়ামী লীগ যে কৌশল গ্রহণ করেছে তা জাতীয়তাবাদীদের জন্য মহাবিপদ সঙ্কেত।
বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের অবাধ স্বাধীনতা পুনঃস্থাপনের স্থপতি এবং জাতীয়তাবাদী শক্তি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিপুল সমর্থন নিয়ে দেশে প্রতিষ্ঠা পায়। নিজেদের আলাদা সত্তা, জাতীয়তাবোধ, সার্বভৌমত্ব রক্ষার সামর্থ্য, মুক্ত পররাষ্ট্রনীতির বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ভূমিকায় স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় ছিল এ দলটি। নানান প্রতিবন্ধকতায় কিছু জটিলতা অভিজ্ঞতা নিয়েই দলটি পথ চলছে। গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাপনায় আমাদের দুর্বলতাগুলো জন্মগত নবজাতকের মতো। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বিষয়টি এতকাল পর্দার আড়ালে হতো; কিন্তু মহাজোট সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশে সব বিষয়ই স্বচ্ছ। মহাজোট সরকার দিনবদলের লক্ষ্যে সময় ভিশন-২০২১ করেছে যা তাদের অনেক পরিকল্পনার বিশেষ প্রেসক্রিপশনে অবাঞ্ছিতভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। যার প্রধান লক্ষ্যবস্তু জাতীয়তাবাদী শক্তি দুই পরিবারকেন্দ্রিক দেশের রাজনীতি, তা শত গণতন্ত্রের পোশাক পরালেও আপামর জনগণের সমর্থন, বিশ্বস্ততা, আশা, প্রাপ্তির স্থান।
শহীদ জিয়ার পরিবারকে অজনপ্রিয় করে তোলার সংশ্লিষ্ট সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন এখন শুধু অবস্থা বুঝে বিষয়গুলোর বাস্তবায়ন এবং প্রতিক্রিয়া বুঝে পরবর্তী পরিকল্পনার বাস্তবায়নে সম্ভাব্য পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াবিহীন করাই মূল লক্ষ্যবস্তু। মহাজোট সরকারের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জাতীয়তাবাদী শক্তি ধ্বংসের বিপদ সঙ্কেতের মাত্রা বেড়েই চলেছে। যার মধ্যে আছে সংসদে আসন নিয়ে জটিলতা না নিরসন করা, ডেপুটি স্পিকার নিয়ে তামাশা, স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ জিয়ার ভূমিকা নিয়ে সংশয়, শহীদ জিয়ার লাশের অস্তিত্ব, বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন, পঞ্চম সংশোধনী বাতিল, পিলখানার হত্যাকা-ের সময় খালেদা জিয়ার সেনানিবাসের বাড়িতে না থাকার অভিযোগ, তারেক জিয়া ও কোকোর বিরুদ্ধে ক্রমাগত মিডিয়া ট্রায়েল, খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত, দলীয় নেতাদের পূর্বতন মামলা সচল, দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমণ-প্রকাশ্যে হত্যা, জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর প্রক্রিয়ায় ছাত্রলীগের নীরব সচল সহযোগিতা এবং সর্বশেষ এবারের কোরবানি ঈদের তিনদিন আগে আদালতে নিষ্পত্তির আগেই খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা।
বিরোধী দল হিসেবে জাতীয়তাবাদী শক্তির অস্তিত্ব বিলীন করার ঘোষণা হিসেবেই কাজটি করা হয়েছে। খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের প্রক্রিয়াটি জনগণের প্রতিক্রিয়া পরিমাপের একটি বিষয় ছিল আর সময়টি এমন ছিল যখন আপামর জনগণ ঈদের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। নিজের ব্যস্ততা ছাপিয়ে জাতিসত্তার অস্তিত্বহীনতা আবিষ্কারের চোখ আমাদের এখনো খোলেনি আর তাই কাজটি বিনা প্রতিরোধেই সংঘটিত হলো। খালেদা জিয়ার বাড়ি থেকে উচ্ছেদের বিষয়টি জাতীয়তাবাদীদের জন্য মহাবিপদ সঙ্কেত ঈদের পর কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলা হলেও, আর কী ছাড় দেয়ার বাকি রইল, তাই দেখার বিষয়। শহীদ জিয়ার পরিবারকে নানান জটিল প্রক্রিয়ায় জনবিচ্ছিন্ন করার সহযোগী হিসেবে দলের ভেতরে, বাইরে এবং আন্তর্জাতিক একটি বিশেষ মহল অত্যন্ত তৎপর হয়ে কাজ করছে যা তাদের দৃশ্যমান কর্মকা- দেখেই সহজে অনুমান করা যায়।
অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল তৃতীয় রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা, তার আয়োজনে বড় দুই দলকে চরমভাবে আঘাত করার চেষ্টা চালানো হয়েছে। যদিও আওয়ামী লীগ এখন দাবি করে মাইনাস ওয়ান ফর্মুলা কারণ দলীয় নেত্রীকে সাবজেলে মারার চেষ্টা করা হয়েছিল এমন অযৌক্তিক যুক্তি মধ্যযুগে চলত রাজতন্ত্রে এখনকার মানুষজন শিক্ষিত এবং আরো বেশি প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদদের থেকে, যারা এ বিষয়টিকে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়েছিল। শহীদ জিয়ার সময়ে যাদের চাকরি গেছে দল করে, তাদের ডেকে চাকরি দিয়ে নিয়মিত অবসরে পাঠানো হচ্ছে। অন্তবর্তীকালীন সরকারের পূর্ববর্তী সরকার চারদলীয় ঐক্যজোটের থাকার ফলে ঝড়ের আঘাতটা তাদের ওপর বেশি হয়েছে। দলীয় নেতাদের গ্রেপ্তার, জুলুম ও জেলের ভয় দেখিয়ে কক্ষচ্যুত করা হয়েছে অনেকে উজ্জ্বল রাজনৈতিক নক্ষত্রের, তবে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রধান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সমর্থন দিয়ে তাদের সব কর্মকা- বৈধ করে নেবেন বলে প্রকাশ্যে তাদের সঙ্গে সমঝোতায় দরজা খুলে দিয়েছিলেন। আর সেই সুবাদেই ৯৭ শতাংশ ভোট গ্রহণের মাধ্যমে সত্তরের নির্বাচনকে ফিরিযে এনেছেন বিশেষ সমঝোতায় গোপন ব্যবস্থাপনে।
সরকার পরিচালনায় দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা ঢেকে রাখার যথেষ্ট পরিচ্ছদ রয়েছে যেখানে আওয়ামী লীগের ফাউন্ডেশন হিসেবে কার্যকরী ব্যক্তিদের দূরে সরিয়ে রাখার সাহস করেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে অবিশ্বাস্যভাবে আলাদিনের চেরাগ ধরিয়ে দেয়ার মতো গণমাধ্যমে কিছু বিচলিত আওয়ামী লীগের শ্রেণীবিহীন নেতাদের দলে ও মন্ত্রিসভায় স্থান করে দিয়েছেন প্রচ্ছন্নভাবে একক সিদ্ধান্তে দেশ পরিচালনায় অন্তহীন বাসনায়।
বিরোধী দল হিসেবে বিধ্বস্ত সাংগঠনিক সংস্কার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কাছে জটিল হয়ে উঠেছে নানাবিধ উপসর্গের মাত্রাতিরিক্ত বিষক্রিয়ায়।
প্রথমত, নির্বাচনে ভয়ঙ্করভাবে পরাজিত হয়ে ন্যূনতম আসনে বিজয়ী হওয়ায়।
দ্বিতীয়ত, দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় নিম্ন আদালতের রায়, হাইকোর্টের শুনানি নতুন করে বিভিন্ন ইস্যুভিত্তিক বিষয়ে পুনঃতদন্তে অভিযুক্ত পেন্ডিং মামলায় জড়িয়ে দেয়া। যা নেতাদের ভীতসন্ত্রস্ত করে রেখেছে পুনরায় কারাগারে নির্বাসনের অসহায়ত্বে তারা ইচ্ছা থাকলেও দলের জন্য ঝুঁকি নিতে চায় না।
তৃতীয়ত. অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে যারা কারাগারের বাইরে ছিল এক বিশেষ সমঝোতায়, তারা এখনো বাইরে আছে ক্রিয়াশীল সমঝোতার নতুন অধ্যায় তারা দলের থেকে নিজেদের বিষয়ে বেশি স্পর্শকাতর- কারাগারে তাদের ভয়। হঠাৎ সম্ভ্রান্ত হয়ে যাওয়ায় শরীর তা প্রত্যাখ্যান করে, ফলে বিশেষ ধরনের রোগের সংস্পর্শ এবং আয়েশি জীবনের উৎফুল্ল মুহূর্তগুলো তার কাছে খুবই প্রয়োজনীয়। খালেদা জিয়ার ভাষায় তার দল অনেককে রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিয়ে মন্ত্রী করেছে। কিন্তু তারা মৌলিক সত্তা তো ফিরে পাবেই।
চতুর্থত. সংস্কারবাদীদের নামের তালিকায় জুড়ে যাওয়া নেতারা নেত্রীর আস্থা অর্জনে এক বিশেষ পক্ষ দ্বারা বাধাগ্রস্ত। যার ফলে অপরিমেয় মেধা, মনন এবং প্রভাবশালী হলেও দলীয় জটিল কোন্দলে তারা দিশাহারা। নেত্রীও তাদের কাছে নিতে পারছেন না।
পঞ্চমত. বেশিরভাগ সময় ক্ষমতায় থাকার ফলে নেতাদের গায়ে চর্বির প্রাচুর্য, যার ফলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি থাকলেও পল্টন থেকে বাংলামটর এসে পদযাত্রা শেষ করতে হয় সীমাহীন শ্বাসকষ্টের কারণে। আয়েশী জীবনের চর্চায় আন্দোলনের বা সাংগঠনিক কর্মকান্ডে তৎপর থাকাটা ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে কখন গ্রেপ্তার হয়ে যায় সেই ভয়ে। এর চেয়ে মহাসচিবের পাশে বসে প্রেস কনফারেন্সে নিজের মুখখানা প্রদর্শনে ক্লান্তিহীন প্রচেষ্টা চালিয়ে যায় নেত্রীকে বোঝাতে আমি আছি।
ষষ্ঠত. শক্তিশালী অঙ্গসংগঠন যা দলের আন্দোলন ও সাংগঠনিক কর্মকা- চালিয়ে যাওয়ায় মূল চালিকাশক্তি, সেসব সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতাদের বিরুদ্ধে মুদ্রা নিক্ষেপে সংগঠনের নেতা হওয়ায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ প্রমাণ রয়েছে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় নেতারা অনেকেই দু’তিনটি ফ্ল্যাটের মালিক বনে গেছেন। যে সংগঠক টাকা দিয়ে সংগঠনের পদ পাচ্ছে সে চড়ে বেড়ায় গাড়ি দিয়ে, ছেলেমেয়েদের ইংলিশ স্কুলে পড়িয়ে, তার স্ত্রীর আভিজাত্যে সে তুষ্ট- টাকা দিয়ে প্রাপ্য নেতৃত্ব গ্রহণে দলের প্রয়োজনে সে রাজপথে নামবে কেন? খালেদা জিয়ার বাড়ি উচ্ছেদের প্রক্রিয়া ১৬ ঘণ্টা সময়ব্যাপী চলেছে ঢাকা শহরে একশত ওয়ার্ড থেকে একশত করে সব অঙ্গসংগঠন মিলে চলে এলেও কমপক্ষে দশ হাজার মানুষ থাকার কথা ছিল সেনানিবাসের জাহাঙ্গীর গেটের সামনে। কিন্তু বাস্তবতা হলো পল্টন ও জাহাঙ্গীর গেট মিলে হাজার খানেক মানুষ হবে না। দলীয়ভাবে মূল দল থেকে সব অঙ্গসংগঠনের মহানগরের নেতারা জড়ো হলেও পনের হাজার লোক হতো, কিন্তু তা দেখা যায়নি- কেন? জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতৃত্ব কার কাছে, যারা এমন দুর্যোগের সময় মহাসচিবের পাশে বসে প্রেস কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করে তাদের কাছে-সাংগঠনিক কর্মতৎপরতায় যার ব্যস্ত থাকার কথা সে কিভাবে মহাসচিবের পাশে বসে থাকে।
খালেদা জিয়ার বাড়ি উচ্ছেদের মর্মপীড়ায় গণমাধ্যমের সামনে চোখের পানিতে শুধু তার শাড়ি ভেজেনি ভিজেছে কোটি সমর্থক, জেলা-উপজেলা-ইউনিয়ন থেকে ঢাকার অবস্থা কি জানতে চেয়েছে উদ্বিগ্ন জাতীয়তাবোধ থেকে। কিন্তু হরতালে কোথাও তাদের পদচারণা মেলেনি। চিফ হুইপ সংসদীয় নেতা তাকে দেখা গেছে, ছাত্র পরিবেষ্টন ছাড়া দেখা গেছে ছাত্রবিষয়ক সম্পাদককে, আদালতপাড়া থেকে নেমে এসেছে আইনজীবীরা কিন্তু সাংগঠনিক নেতাদের দেখা মেলেনি। মহিলা দলের অনন্য ভূমিকায় কিছুটা উত্তপ্ততা ছড়িয়েছে, কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গসংগঠনের অভিমানে নেত্রীর দুর্যোগেও রাজপথে নামতে দ্বিধাগ্রস্ত করেছে তাদের মহানগর কমিটিতে নেতৃত্ব না দেয়ার আক্রোশে। যে কোনো আন্দোলনের জন্য বর্তমান সাংগঠনিক নেতৃত্ব ব্যর্থ তা প্রমাণ করেছে তারা কোটি মানুষের সমর্থিত জাতীয়তাবাদী শক্তির পৃষ্ঠপোষকতা, লালন এবং বাহনে অকৃতকার্য তাদের নিয়ে ‘আর ছাড় দেয়া হবে না’ শুধু কথাই থেকে যাবে কার্যকর হবে না।
সপ্তমত. দলীয় প্রথম সারির নেতারা কার পারপাস সার্ভ করছে বোঝা মুশকিল নোটিশ নিয়ে আদালতে যাওয়া, স্থগিতাদেশ না চাওয়া, অনুপযুক্ত সময়ে হরতাল আহ্বান। যা আজ রোববার দিলে বেশি কার্যকর ছিল, কারণ সাধারণ জনগণ ছুটি এই উপলক্ষে আরো একদিন বাড়িয়ে নিতে পারত, উচ্ছেদের ১৬ ঘণ্টা অনেক লম্বা সময়, সে সময় যেহেতু উচ্ছেদের প্রতিক্রিয়ায় দলীয় লোকদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে একত্রিত করতে পারেনি পরের দিন এ ঝুঁকিটা নেয়া ঠিক হয়নি। জাতীয়তাবাদী শক্তির এ দুর্যোগে সম্মিলিতভাবে সবার যথোপযুক্ত ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া একান্ত বাঞ্ছনীয়। অষ্টম. দলীয় সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবভিত্তিতে দলের প্রতি প্রতিশ্রুতিশীল ব্যক্তিদের সমবেত ঐক্যকে এক করার প্রতিবন্ধকতায় যারা নেত্রীর পাশে রয়েছেন তারা তাদের নিজেদের ব্যক্তিগত ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য। সে পর্যায় থেকে বের হয়ে আসতে হবে যুগের প্রয়োজনে, সময়ের বিচক্ষণতায় তাদের নেতৃত্বে না আনা পর্যন্ত ঝুঁকি কাটবে না এর জন্য বিশ্বস্ততার পরিধি বাড়াতে হবে সমালোচিত, কলঙ্কিত, পদের ভারে আড়ষ্টদের পরিস্থিতি বুঝিয়ে সুযোগ করতে হবে মেধাবীদের গ্রহণযোগ্যদের এবং বিচক্ষণদের।
নির্বাচন কমিশনারকে সরিয়ে দিতে যদি লক্ষাধিক মানুষ সমবেত হয়ে লগি-বৈঠার আঘাতে মৃত্যুপুরী করতে পারে আওয়ামী লীগ, সরকার পরিবর্তনে বঙ্গবন্ধুর ছবি নামিয়ে ফেলার যুক্তি ধরে যদি সংসদ সদস্য পদত্যাগ করার পত্র একাট্টা করে আন্দোলন করতে পারে, ইয়াসমীন হত্যার বিচারের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যদি সরকার পরিবর্তন হয় তবে জাতীয়তাবাদীর শক্তির প্রতিষ্ঠান খালেদা জিয়ার বাড়ি উচ্ছেদের বিষয় নিয়ে সরকারের এ আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে নেতারা তাদের নেতৃত্বের অক্ষমতা প্রদর্শন করছে কেন? খালেদা জিয়া জাতীয়তাবাদী শক্তির ধারক-বাহক এবং প্রতিষ্ঠান। তার বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থকরা অত্যন্ত স্পর্শকাতর থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আওয়ামী লীগ যে কৌশল গ্রহণ করেছে তা জাতীয়তাবাদীদের জন্য মহাবিপদ সঙ্কেত। যার তাৎক্ষণিক ফলাফল হচ্ছে প্রধান বিচারপতির বাড়ির সামনে বোমা বিস্ফোরণের জন্য দোষী হওয়া। এ অবস্থায় জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সুসংগঠিত করার জন্য রূপরেখার পুনর্বিন্যাস করতে হবে।
ক্যাপ্টেন (অব.) সালাহ্ উদ্দীন আহমেদ সেলু
রাজনৈতিক ও কলাম লেখক
[সূত্রঃ যায় যায় দিন, ২১/১১/১০]
''খালেদা জিয়ার বাড়ি উচ্ছেদের প্রক্রিয়া ১৬ ঘণ্টা সময়ব্যাপী চলেছে ঢাকা শহরে একশত ওয়ার্ড থেকে একশত করে সব অঙ্গসংগঠন মিলে চলে এলেও কমপক্ষে দশ হাজার মানুষ থাকার কথা ছিল সেনানিবাসের জাহাঙ্গীর গেটের সামনে। কিন্তু বাস্তবতা হলো পল্টন ও জাহাঙ্গীর গেট মিলে হাজার খানেক মানুষ হবে না। দলীয়ভাবে মূল দল থেকে সব অঙ্গসংগঠনের মহানগরের নেতারা জড়ো হলেও পনের হাজার লোক হতো, কিন্তু তা দেখা যায়নি- কেন? জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতৃত্ব কার কাছে, যারা এমন দুর্যোগের সময় মহাসচিবের পাশে বসে প্রেস কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করে তাদের কাছে-সাংগঠনিক কর্মতৎপরতায় যার ব্যস্ত থাকার কথা সে কিভাবে মহাসচিবের পাশে বসে থাকে''। লেখকের মত আমার মনেও একই প্রশ্ন জেগেছে।
41045
২
ঢাকা থেকে নুরুজ্জামান লিখেছেন,
২১ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:৫৮
আপনি লিখেছেন,''দলীয় প্রথম সারির নেতারা কার পারপাস সার্ভ করছে বোঝা মুশকিল নোটিশ নিয়ে আদালতে যাওয়া, স্থগিতাদেশ না চাওয়া, অনুপযুক্ত সময়ে হরতাল আহ্বান। যা আজ রোববার দিলে বেশি কার্যকর ছিল, কারণ সাধারণ জনগণ ছুটি এই উপলক্ষে আরো একদিন বাড়িয়ে নিতে পারত। উচ্ছেদের পরের দিন এ ঝুঁকিটা নেয়া ঠিক হয়নি''। আপনার অন্যসব কথাগুলির সাথে আমি একমত হলেও রোববারে হরতাল দেওয়ার ব্যাপারে আমি একমত নই।হরতাল দিতে হয় তাৎক্ষনিকভাবে। নাটোরের বাবুকে পৈশাচিকভাবে রাস্তায় পিটিয়ে হত্যা করার পরের দিন-ই বিএনপির উচিত ছিল দেশব্যাপী হরতাল ডাকা।
41047
৩
ঢাকা থেকে সায়হাম লিখেছেন,
২১ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৯:০৯
ক্যাপ্টেন সেলু সাহেব কে :
ফাঁকতালে গড়ে উঠা পার্টির কাছে এরচেয়ে বেশি আশা করে নিজেকে খেলু প্রমান করলেন।
বুঝেন না ক্যান?? গাধা দিয়ে ঘোড়ার কাজ হয় না।
41048
৪
সৌদি আরব থেকে অরণ্যক লিখেছেন,
২১ নভেম্বর ২০১০; রাত ১১:৩৩
ঢাকা থেকে সায়হাম ৩# কে
কি অদ্ভুত যুক্তি সায়হাম সাহেবের। এটা ফাঁতালে গড়ে উঠা পার্টি বলে উনি নিজেকেই খেলু প্রমাণ করলেন। এই বাংলাদেশের আজ যা কিছু অর্জন তার সবই এই পার্টির অর্জন। দেশ গড়ার এক অপুর্ব কারিগড়ের হাতে গড়া এই বাংলাদেশ। আজ যে আ.লীগ দেশ জুরে বুকচিতিয়ে প্রতিহিংসার আুগন ছড়াচ্ছে। আজ যে আ.লীগ দল হিসেবে ঘুরে দাড়িয়েছে এটা বাংলাদেশে একটা নিষিদ্ধ দল ছিল। এই দলের কর্ণধার শেখ মুজিব তার সৈরাচারী বাকশাল গঠনের আগে আ.লীগ সহ সব দল নিষিদ্ধ করেছিল। এই দলকে পুনরায় বৈধতা দিয়েছেন বাংলাদেশের লৌহমানব শহীদ জিয়াউর রহমান। যে সময় বিএনপি প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেই সময় হয়তো সায়হাহাম সাহেব জন্ম গ্রহণই করেন নাই। আ.লেগের মিথ্যা প্রচারে প্রভাবিত হয়ে তিনি আজ এই কথা বলছে।
ধন্যবাদ লেখককে অনেক গুলি সত্য উপলব্ধীকে ফোকাস করার জন্য।
41068
৫
ঢাকা থেকে সায়হাম লিখেছেন,
২২ নভেম্বর ২০১০; রাত ১২:০৩
সৌদি আরব থেকে অরণ্যক/৪:
আমার কথা নাহয় বাদই দিলাম।
আপনার পার্টির এত অর্জন-গর্জন দেশের সর্বোচ্চ আদালত অবৈধ ঘোষনা করেছেন, আপনাদের নেতা উনিও অবৈধ শাসক, ওনার ফরমান অবৈধ, বাড়ী অবৈধ, সবই অবৈধ। দেশের আদালত আওমালী লীগের কেউ নন। এটা দেশের আইনি আদালত। বুঝেন না ক্যান?? অবশ্য বুঝলে কি আর হাউমাউ করে কাঁদতে হয়।
আর বাংলাদেশ আওমালী লীগ এদেশের জনগনের পার্টি, জনগন ছাড়া কারো ধারধারেনা।
41075
৬
USA থেকে Afzal Khan লিখেছেন,
২২ নভেম্বর ২০১০; সকাল ১১:৪৬
Excellent observation. Dear writer, thank you for your critical analysis. I think you are absolutely right. Time has come BNP must clean her house. Yes they wanted to destroy nationalist party from Bangladesh. I am requesting BNP supporters to view your article as a solution . To me your article is plain truth. Those who criticize his or her own party leadership circle they are the true patriot and nationalist and you prove yourself by your article. You deserve respect and honor no doubt. Please help our nation. Our motherland needs brave soldier like you.
41119
৭
বাংলাদেশ থেকে বংগবল্টু লিখেছেন,
২২ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:৩৫
@ সায়হাম ৫ আওয়ামিলিগ ভারত ছাড়া কারো ধার ধারে না।
41132
৮
কানাডা থেকে সালাম শিকদার লিখেছেন,
২২ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০২:৫৩
"দলীয় প্রথম সারির নেতারা কার পারপাস সার্ভ করছে বোঝা মুশকিল নোটিশ নিয়ে আদালতে যাওয়া, স্থগিতাদেশ না চাওয়া, অনুপযুক্ত সময়ে হরতাল আহ্বান।"....আমার মত এটাই।
41146
৯
dhaka থেকে mizan লিখেছেন,
২২ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০৫
our english write up donot show the display.pls take action.
41161
১০
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন,
২২ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৪০
৫
ঢাকা থেকে সায়হাম কে বলতেছি খুনি আসামি এবং সন্ত্রাসীরা যদি বিচারক হয় তা হলে ঘসেটি বেগমের আগুুলের ইশারায় সব কিছু অবৈধ হয়ে যেতে বাধ্য ।
তবে এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে এই দিনেরে নিয়ে যাবে সেই দিনেরই পাশে।
এক নেতার এক দেশ এক রাতে গুষ্টি শেষ।
41177
১১
Khulna থেকে Mizanur Rahman লিখেছেন,
২৩ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:০৮
''শহীদ জিয়ার পরিবারকে নানান জটিল প্রক্রিয়ায় জনবিচ্ছিন্ন করার সহযোগী হিসেবে দলের ভেতরে একটি বিশেষ মহল অত্যন্ত তৎপর হয়ে কাজ করছে যা তাদের দৃশ্যমান কর্মকান্ড দেখে সহজেই অনুমান করা যায়। দলীয় প্রথম সারির নেতারা কার পারপাস সার্ভ করছে বোঝা মুশকিল'' । আপনার এই লাইনগুলি পড়ে প্রথমেই মওদুদ আহমেদের কথা মনে পড়ছে। জাতীয় পার্টির এই ভদ্রলোক কিন্তু একসময় এরশাদ সরকারের পতন ডেকে এনেছিলেন। তারপর বিচারপতিদের বয়স বাড়িয়ে দিয়ে বিএনপির পতন ডেকে আনেন। আর এখন নিম্নআদালতে খালেদা জিয়ার বাড়ির ব্যাপারে আবেদন না করে জিয়া পরিবারকেই ডুবিয়ে দিয়েছেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ।
41220
১২
রাজশাহী থেকে এস.হক লিখেছেন,
২৩ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:২৮
আপনি লিখেছেন,''সেই সুবাদেই ৯৭ শতাংশ ভোট গ্রহণের মাধ্যমে সত্তরের নির্বাচনকে ফিরিযে এনেছেন বিশেষ সমঝোতায় গোপন ব্যবস্থাপনে''। সত্যিই কি তাই ? এই গোপন সমঝোতার বড় প্রমান কি আমরা কোনোদিনও পাবোনা? অবশ্য জেনারেল মইন গংদের কোনো বিচার হলোনা দেখে আমরা কিছুটা আঁচ করতে পেরেছি যে শেখ হাসিনার সাথে তাদের একটা গোপন সমঝোতা হয়েছিলো। আগামী নির্বাচনে 'বিশেষ সমঝোতায় গোপন ব্যবস্থায়' এরা কি তাহলে আবার জয়লাভ করতে সক্ষম হবে ?
41221
১৩
ওমান থেকে আবুজাবের লিখেছেন,
২৩ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:২৪
ক্যাপ্টেন (অব.) সালাহ্ উদ্দীন আহমেদ সেলু সাহেব আপনার সাতে আমি একমত পোসন করে একটু বলতে চাই খালেদা জিয়া একজন ভদ্র মহিলা উনি উনার কথা বার্তাই তার প্রমান দিয়েছেন আর আওয়ামী ডিকশনারিতে কিন্তু ভদ্রতা শালিনতার অস্তিত্ত নাই সুতরাং ভদ্র ভাসা আর গনতান্ত্রিক আন্দোলন দিয়ে এই জালিম সরকার কে নামানো সম্ভব হবেনা তাই সমস্ত দল কে সাতে নিয়ে ঐক্যবদ্য ভাবে আন্দোলনের কর্ম সুচি দিতে হবে এবং যা করার এক মাষের বিতরেই করতে হবে।
41243
১৪
বাংলাদেশ থেকে মদ লীগের পোলা লিখেছেন,
২৪ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৭:৫১
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ছাত্রলীগ সভাপতি ও পুরকৌশল বিভাগের শেষবর্ষের ছাত্র আহসানউল্লাহ ভূঞা মেহেদী এবং খানজাহান আলী থানা ছাত্রলীগ কর্মী মোহন অতিরিক্ত মদপানে মারা গেছেন। এছাড়া ছাত্রলীগ নেতা ও পুরকৌশল বিভাগের ষষ্ঠ ব্যাচের ছাত্র ইমরান ও একই বিভাগের পঞ্চম ব্যাচের ছাত্র সাকিলকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল কুয়েট ক্যাম্পাসসহ গোটা খুলনায় বিষয়টি ছিল সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। ভেড়ামারা থানা হাসপাতাল ও অন্য সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত শনিবার কুয়েট শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদীসহ তার চার বন্ধু সম্প্রতি কুয়েট থেকে পাস করে বেরিয়ে যাওয়া আতিকুল ইসলামের বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে যান। বিয়ে শেষে তারা পরেরদিন পার্শ্ববর্তী ভেড়ামারা উপজেলা সদরের পূর্বাশা হোটেলে ওঠেন। হোটেলে তারা রাতে অতিরিক্ত মদ পান করে অচেতন হয়ে পড়েন। কর্মচারীরা টের পেয়ে তাদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে ভর্তি করলে খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা এলাকার কলম সরদারের ছেলে মোহন মারা যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় মেহেদীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ইমরান ও সাকিলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার রাত ১টায় মেহেদীর মৃত্যু হয়।
ভেড়ামারা থানার উপ-পরিদর্শক আবুল খায়ের জানান, খুলনা থেকে মোহন ও তার বন্ধুরা পাশের উপজেলা দৌলতপুরের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কুষ্টিয়ায় আসেন। হোটেলে তারা অতিরিক্ত মদ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে সকালে মোহনের মৃত্যু হয়।
ভেড়ামারা থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিত্সক ডা. কাওছার আলী জানান, বিষাক্ত স্পিরিটের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে তিনি বলেন, মোহনের মুখে আঘাতের কিছু চিহ্ন ছিল।
এদিকে গতকাল কুয়েটের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুরকৌশল বিভাগের শেষবর্ষের ছাত্র আহসানউল্লাহ ভূঞা মেহেদী ২৩ নভেম্বর রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
গতকাল ভোর ৫টায় মেহেদীর লাশ কিশোরগঞ্জের গাইটাল শ্রীধরখিলা ১৯১৩/১ নং বাড়িতে পাঠানো হয়।
চলতি বছর ৬ মে ক্যাম্পাসে মারামারির ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী ও সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ মাহমুদ অর্ঘ্যকে বহিষ্কার করা হয়। পরে বর্তমান ভিসি যোগদানের দ্বিতীয় কার্যদিবসে তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
41288
১৫
আফ্রিকার জঙ্গল থেকে থেকে গিনিপিগ লিখেছেন,
২৪ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:৫২
১৪ নম্বর কমেন্ট দাতাকে বলছি, লেখার উপর মন্তব্য করুন। ছাত্রলীগের মদ খাওয়ার ব্যাপারে আপনার বিরাট এই news-এর সাথে লেখকের 'জাতীয়তাবাদীদের জন্য মহাবিপদ সংকেত' লেখাটির কোনো মিল নেই।
41339
১৬
Khulna থেকে Rubel লিখেছেন,
২৫ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:২৫
আমরা হয়তো খালেদা জিয়ার বাড়ির ব্যাপারটা আস্তে আস্তে ভুলে যাবো। যেমন আমরা ভুলে গেছি পিলখানা হত্যাকান্ড, জিয়া বিমান বন্দরের নাম বদলানো,মাহমুদুর রহমানের উপর অমানুষিক নির্যাতন, নাটোরের বাবু হত্যা, ঢাকায় দলীয় কর্মীকে শাওন এমপির খুন করা, নিজের সন্তানকে নিজহাতে মায়ের খুন করা----আরো কত ঘটনা।নুতন একটা ঘটনা ঘটলে আমরা পিছনের ঘটনাগুলি ভুলে যাই !!
41442
১৭
দুনিয়া থেকে সায়ান লিখেছেন,
২৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ১২:৩৮
আপনার লেখাটি পড়লাম। নীচের অংশটুকু আপনার লেখা:
"দলীয় প্রথম সারির নেতারা কার পারপাস সার্ভ করছে বোঝা মুশকিল নোটিশ নিয়ে আদালতে যাওয়া, স্থগিতাদেশ না চাওয়া, অনুপযুক্ত সময়ে হরতাল আহ্বান। যা আজ রোববার দিলে বেশি কার্যকর ছিল, কারণ সাধারণ জনগণ ছুটি এই উপলক্ষে আরো একদিন বাড়িয়ে নিতে পারত, উচ্ছেদের ১৬ ঘণ্টা অনেক লম্বা সময়, সে সময় যেহেতু উচ্ছেদের প্রতিক্রিয়ায় দলীয় লোকদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে একত্রিত করতে পারেনি পরের দিন এ ঝুঁকিটা নেয়া ঠিক হয়নি।"
এ প্রেক্ষিতে আমার মন্তব্য হল, বিএনপির নেতৃত্ব একটা সমস্যাই বটে। কিন্তু হরতাল ডাকায় কৌশলগত ভুল থাকলেও থাকতে পারে, তবে বিএনপির সাধারন কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্ত ভাবেই মাঠে নেমে প্রতিবাদ করেছে। বিদেশী পত্রিকাতেও এ সংবাদগুলো এসেছে এবং সাথে সাথে উচ্ছেদের বিষয়টি ভালভাবে দেখা হয় নি। সরকারের প্রতিহিংসা পরায়ন ফ্যাসীবাদী কর্মকান্ড দিবালোকের মত সবমহলে পরিষ্কার হয়ে উঠছে।
41534
১৮
রাজশাহী থেকে এস.হক লিখেছেন,
২৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:০৭
বিএনপি র সা.কা.চৌধুরী ২৫শে নভেম্বর এক প্রেস ব্রিফিং-এ বলেছেন,''এখন বলা হচ্ছে বেগম জিয়া ১৬৫ কাঠা জমি নিয়ে বসবাস করেন।আমি জানতে চাই, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের বাসভবন,বর্তমান সেনাপ্রধানের বাসভবন, রাজউক চেয়ারম্যানের বাসভবন, কত কাঠা জমির ওপর''? সাকা চৌধুরীর সাথে সুর মিলিয়ে আমিও জানতে চাই, 'শেখ হাসিনা যেই গনভবনটি দখল করতে চেয়েছিলেন সেইটা কত কাঠা জমির উপর নির্মিত'?
41577
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: