বুধবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ৩০ মে ২০১২; দুপুর ১২:০৪ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

নারী মনের ভাবনা!!!

সালমা ইয়াসমীন

প্রচুর জল পেলে গভীর মাটির তলাকার বীজ যেমন অঙ্কুরিত হয়, তেমনি মেয়েদের কোমল হাতের স্পর্শে পুরুষের মনের ভাবনাগুলোও অনায়াসে অঙ্কুরিত হয়ে অবিলম্বে ডালপালা মেলে ভাষার ফুলে ফুটে উঠে। আমি বিশ্বাস করি না অপরিচিত কোনো পুরুষকে মেয়েরা বিয়ের দিন থেকে ভালবাসতে পারে। যেহেতু স্বামী তাই ভালবাসতেই হবে এমন বোধ বাঙালী মেয়েদের মধ্যে ঢোকানো হয়ে থাকে কিন্তু সেটা স্বাভাবিক নয়। হয়তো এক সঙ্গে থাকতে থাকতে এক সময় ভালবাসা তৈরী হয় কারো কারো ক্ষেত্রে কিন্তু বেশীর ভাগই পরস্পরকে মেনে নিয়ে দীর্ঘকাল যাপন করেন। মেনে না নিয়ে বলে মানিয়ে নিয়ে বলাটাই সঠিক। সে ক্ষেত্রে নারীর প্রথম ভালবাসা অবশ্যই তার সন্তান। অনেক সুখ, অনেক উদ্বেগ এবং প্রচন্ড যন্ত্রণা দিয়ে নিজস্ব যে মানুষটিকে নারী পৃথিবীতে নিয়ে এল তার বদলে সে পেল ভালবাসার স্বাদ। আবার স্বামীর যৌন আচরণ বাধ্য হয়ে মেনে নিতে হয়েছে যে নারীকে সে কিছুতেই সন্তানকে নিজের বলে ভাবতে পারে না। ভালবাসার জন্মের পেছনে সুস্থতা দরকার। পৃথিবীর মায়েরা তাদের সন্তানদের ভালবাসেন এই ভালবাসার প্রকাশ কত সহজে বোঝা যায়। কিন্তু একমাত্র যত্ম করা অথবা কথা শোনা ছাড়া সন্তানরা তাদের মাকে ভালবাসছে বোঝবার উপায় নেই। একবার কাউকে ভালবাসলে আজীবন তাকে ভালবাসতেই হবে? মনে ভালবাসা আর না এলেও! ধরো গোলাপ যখন ফুটেছে তখন তোমার খুব ভাল লাগল। সেই গোলাপের সব পাপড়ি যখন একে একে খসে পড়ছে তখনও কি সেই ভাললাগাটা আঁকড়ে রাখতে পারবে?

মেয়েরা গণেশের মত, দুর্গার চারপাশে পাক দিয়ে যে জগৎ দেখে তাতেই তৃপ্তি আর পুরুষেরা কার্তিকের মতো সারা পৃথিবী ঘুরে আসে অথচ কি দেখে তা তারাই জানে না। মেয়েরা প্রথমবার যার প্রেমে পড়ে তাকে ঘৃণা করলেও ভুলে যেতে পারে না। পরিস্কার জল কাগজে পড়লে দেখবেন শুকিয়ে যাওয়ার পরেও দাগ রেখে যায়। কোনো মেয়েই খারাপ হয় না। পুরুষরাই তাদের খারাপ করে। কিন্তু খারাপ হয়ে যাওয়ার পর তারা আর ভাল হতে চায় না সহজে। অবশ্য সবার ক্ষেত্রে নয়, কিছু ব্যতিক্রমও যে নেই তা নয়।

বুদ্ধিমান মাত্রই জানেন, মেয়েদের দেখা যায় না, শোনা যায়। প্রকৃতির নিয়মই হলো স্ত্রী প্রাণীর চেয়ে পুরুষ প্রাণী বেশী সুন্দর। অতএব সৌন্দর্য দেখার জন্য মেয়েদের লক্ষ্যবস্তু করার কোনো যুক্তি নেই। পুরুষদের ভাললাগে বলেই মেয়েরা সুন্দরী। মেয়েরা যে পাত্রে থাকে, জলের মতো সেই পাত্রের চেহারা নেয়, আমি কিন্তু তা মানি না। মেয়েরা যাকে শ্রদ্ধা করে, ভালোবাসে শুধু তার কাছেই মাথা নিচু করে থাকতে চায়। আবার যে এক বার মাথা নোয়ায় তাকে সমাজ কক্ষোনোও মাথা উঁচু করতে দেয় না। ঈশ্বর মেয়েদের শরীর আলাদা করে গড়েছেন। প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটাতে যা যা দরকার, ভেতরে বাইরে তার ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেননি। মেয়েদের তিনি আরো একটি জিনিস দিয়েছেন, সেটা অনুভূতি। তীব্র, তীক্ষ্ম। স্বামী যদি মিথ্যা কথা বলে, তাহলে স্ত্রীর মনে সেই কারণে অস্বস্তি হয়। ছেলেদের মনের কথা মেয়েদের পুরোপুরি বোঝা সম্ভব নয় বলেই বোঝে না, কিন্তু একটু এদিক সেদিক হলেই তাদের অস্বস্তি হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে মেয়েরা যত শিক্ষিতই হোক, অবচেতন মনে নিজেদের আসবাব বা খাদ্যসামগ্রী বলে মনে করে। এই মেয়েরা মানে অবশ্যই তামাম নারীকুল নন, ব্যতিক্রম আছেই, তাদের কথা বলছি না। সহবাসের সময় তারাও তো কম উপভোগ করে না। কিন্তু পরবর্তীকালে অযত্ম পেলেই নিজেকে পুরুষের ব্যবহৃত সামগ্রী হিসাবে ভেবে বসেন। এটা ভাবা মোটেও ঠিক না । কারণ সমাজ তথা রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে নারীর ভূমিকাকে ছোট করে দেখার কোন অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না।

সবচেয়ে বড় কথা হলো নারীরা মায়ের জাত। পৃথিবীর সমস্ত পুরুষই কোন না কোন নারীর গর্ভ থেকে এসেছে। তাই জীবনের চরম সংকটকালে পরম মমতার ছোঁয়া যার কাছে পাই সে মা। মায়ের কাছে সন্তান যেমন তার শ্রেষ্ঠ সম্পদ তেমনি মাও সন্তানের কাছে সবচেয়ে পূজনীয় ব্যক্তি। মায়ের গর্ভে মায়ের রক্তে-মাংসে বেড়ে উঠে, সেই সন্তান যখন পৃথিবীতে আসে প্রথম দেখে সে মায়ের মুখ। পৃথিবীতে মায়ের বুকের দুধেই সে প্রথম লালিত পালিত হয়। সন্তানের সুখে কিংবা দুঃখে সর্বপ্রথম উচ্চারিত হয় মা ডাক। চেতন কিংবা অবচেতনেও সন্তান মাকেই আগে ডাকে। এই মায়ের পদতলেই সন্তানের বেহেশত। "আবহমানকাল ধরে মাকে ঘিরেই পরিবার আবর্তিত হয়। সন্তানদের সুন্দর ভাবে বেড়ে উঠার পেছনে থাকে একমাত্র মায়ের অপরিসীম অবদান। সুমাতার সাহচর্যে ভালভাবে গড়ে ওঠা সন্তানই রাষ্ট্রে সুনাগরিক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়"।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/SalmaYeasmin
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
জেদ্দা সৌদি আরব থেকে আবু সাইফ লিখেছেন, ২৭ মার্চ ২০১১; বিকেল ০৫:২০
""""মেয়েরা গণেশের মত, দুর্গার চারপাশে পাক দিয়ে যে জগৎ দেখে তাতেই তৃপ্তি আর পুরুষেরা কার্তিকের মতো সারা পৃথিবী ঘুরে আসে অথচ কি দেখে তা তারাই জানে না। মেয়েরা প্রথমবার যার প্রেমে পড়ে তাকে ঘৃণা করলেও ভুলে যেতে পারে না।"""""
নিজের অগগঁতা স্বীকার করছি, এ বিষয়ে আমার গ্যান শূণ্যের কাছাকাছি। গণেশ-দূর্গা-কার্তিকের বিস্তারিত কাহিনীটা জানালে আমার মত অনেক পাঠকেরই কৌতূহল মিটবে।
""সহবাসের"" সময় তারাও তো কম উপভোগ করে না।- বাক্যটা - এভাবে হলে আরো সুন্দর হতোনা কি?? """পুরুষের সাথে বিশেষ সময়টা"" তারাও তো কম উপভোগ করে না।
শব্দচয়নে সাহিত্যমান এবং পাঠকশ্রেণী বিবেচনা উন্নত হলে পাঠকের রুচিবোধ আহত হয়না- যদিও অর্থের দিক থেকে শব্দটি ভুল নয়।
সুন্দর বিষয়ে সাবলীল লেখার জন্য ধন্যবাদ, এ বিষয়ে আরো তথ্য ও চিন্তাসম্ৃদ্ধ লেখা পাবার অপেক্ষায়-
52167
টাঙ্গাইল থেকে সুপ্ত সবুজ লিখেছেন, ২৮ মার্চ ২০১১; দুপুর ০৩:২৩
"মেয়েরা প্রথমবার যার প্রেমে পড়ে তাকে ঘৃণা করলেও ভুলে যেতে পারে না" আপনার এ কথাটি পুরুষদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। পুরুষরাও পরবর্তীতে যতবার প্রেমে পড়ুক প্রথম প্রেমিকাকে ভুলে যেতে পারে না।
52259
চট্টগ্রাম থেকে পারভেজ চৌধুরী লিখেছেন, ২৮ মার্চ ২০১১; দুপুর ০৩:২৭
"""পুরুষের সাথে বিশেষ সময়টা"" কি ""সহবাসের"" সময় এর চেয়ে বেশি সুন্দর হলো? ""সহবাসের"" সময় টাকে আপনি কেবল বিশেষ সময় হিসেবেই নিচ্ছেন কেন? পুরুষ নারীর সান্নিধ্য এবং নারী পুরুষের সান্নিধ্য যে কোনো সময়ে উপভোগ করতে পারে। সে জন্য আলাদা কোনো বিশেষ সময়ের দরকার হয় না। তাছাড়া পুরুষ-নারীর মিলনটা কি অসুন্দর? একজন পুরুষ যদি সেটা উপভোগ করে, একজন নারীও তা করতে পারে। এতে সুন্দর-অসুন্দরের কথা আসবে কেন? অবশ্য বৈধতা এবং অবৈধতার কথা বলতে পারেন।
52260
ইউ এ ই থেকে অকতার লিখেছেন, ২৮ মার্চ ২০১১; দুপুর ০৩:৪১
সালমা ইয়াসমীন আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর করে অল্প কথায় অনেক কথাই লিখেছেন,খুব ভালো লাগল।লিখতে থাকুন সবচেয়ে বড় কথা হলো নারীরা মায়ের জাত। পৃথিবীর সমস্ত পুরুষই কোন না কোন নারীর গর্ভ থেকে এসেছে। তাই জীবনের চরম সংকটকালে পরম মমতার ছোঁয়া যার কাছে পাই সে মা। মায়ের কাছে সন্তান যেমন তার শ্রেষ্ঠ সম্পদ তেমনি মাও সন্তানের কাছে সবচেয়ে পূজনীয় ব্যক্তি। মায়ের গর্ভে মায়ের রক্তে-মাংসে বেড়ে উঠে, সেই সন্তান যখন পৃথিবীতে আসে প্রথম দেখে সে মায়ের মুখ। পৃথিবীতে মায়ের বুকের দুধেই সে প্রথম লালিত পালিত হয়। সন্তানের সুখে কিংবা দুঃখে সর্বপ্রথম উচ্চারিত হয় মা ডাক। চেতন কিংবা অবচেতনেও সন্তান মাকেই আগে ডাকে। এই মায়ের পদতলেই সন্তানের বেহেশত। "আবহমানকাল ধরে মাকে ঘিরেই পরিবার আবর্তিত হয়। সন্তানদের সুন্দর ভাবে বেড়ে উঠার পেছনে থাকে একমাত্র মায়ের অপরিসীম অবদান। সুমাতার সাহচর্যে ভালভাবে গড়ে ওঠা সন্তানই রাষ্ট্রে সুনাগরিক হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়"।
52261
চুয়াডাঙ্গা থেকে শাওকাত হাসান লিখেছেন, ২৯ মার্চ ২০১১; রাত ০৮:০৫
সুন্দর ও সাবলীল গদ্য । তবে শব্দ চয়নে আর একটু কৌশলী হলে সবার জন্য ভালো হয়। সর্বসমক্ষে সব সত্যি আলগা ভাবে বর্ণনা সহ্য করতে একটু সময় দিলে আমরাও মেনে নেব।
52377
জয়পাড়া, দোহার, ঢাকা থেকে সালমা রহমান লিখেছেন, ৩০ মার্চ ২০১১; দুপুর ১২:৩৫
ভাই আবু সাইফ সালাম নিবেন, আপনি গণেশ-দূর্গা-কার্তিকের বিস্তারিত কাহিনী জানতে চেয়েছেন। আপনার জন্য সামান্য তুলে ধরলাম। আর সহবাসের ব্যাপারটা চট্টগ্রাম থেকে পারভেজ চৌধুরী ভাই বিস্তারিত ভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন। তাই এব্যাপারে আমি কিছু বললাম না।

গনেশ: পৌরাণিক হিন্দুধর্মের জনপ্রিয়তম ও সর্বাধিক পূজিত দেবতাদের অন্যতম। ভারতের সর্বত্র গণেশ-মূর্তি দেখা যায়। হিন্দুদের সকল সম্প্রদায়ের মধ্যেই তাঁর পূজা প্রচলিত। জৈন, বৌদ্ধধর্ম এমনকি ভারতের বাইরেও গণেশ আরাধনার ব্যাপক প্রচলন আছে।
পুরাণে সর্বত্র গণেশ হর-পার্বতীর পুত্র। তাঁর রূপ বিভিন্ন শাস্ত্রগ্রন্থে বিভিন্ন প্রকার; তবে সর্বত্রই তিনি গজমুণ্ড মনুষ্যাকার দেবতা। তাঁর বাহন মূষিক বা ইঁদুর; অথবা কোনও কোনও স্থলে সিংহ। গণেশকে সর্ববিঘ্নহন্তা মনে করা হয়। তিনি সাধারণভাবে প্রারম্ভের দেবতা, বিঘ্নের দেবতা (বিঘ্নেশ বা বিঘ্নেশ্বর), শিল্পকলা ও বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষক, এবং মহাবল, মেধা ও বুদ্ধির দেবতা। পূজা ও অন্যান্য অনুষ্ঠানের সময় গণেশের পূজা সর্বাগ্রে করা কর্তব্য বলে বিবেচিত হয়। লেখার সময় তাঁকে অক্ষরের পৃষ্ঠপোষকরূপে আবাহন করার রীতি আছে। একাধিক পৌরাণিক সূত্র থেকে তাঁর জন্ম, কীর্তিকলাপ ও মূর্তিতত্ত্বের ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। গণেশের অন্যান্য নামগুলি হল গণপতি, বিনায়ক, মহাগণপতি, বিরিগণপতি, শক্তিগণপতি, বিদ্যাগণপতি, হরিদ্রাগণপতি, উচ্ছিষ্টগণপতি, লক্ষ্মীবিনায়ক, হেরম্ব, বক্রতুণ্ড, একদন্ত, মহোদর, গজানন, লম্বোদর, বিকট ও বিঘ্নরাজ। দুইবার জন্ম বলে তিনি দ্বৈমাতুর নামেও অভিহিত।

দূর্গা: 'দুর্গা' কথাটি হিন্দু ধর্মের ভক্ত হৃদয়ের গভীর আন্তরিক সম্ভাষণ। দুর্গাই সাধারণের কাছে দেবী দুর্গা, মহাময়া, মহাকালী, মহালক্ষ্মী, মহাসরস্বতী, শ্রী চন্ডী প্রভৃতি নামে পরিচিত। সর্বশক্তি স্বরূপিনী আদ্যাশক্তি হলেন এই দুর্গা। তাঁর দুর্গা নামটির মধ্যেই অসুর শক্তি নাশের পরিচয় বিধৃত। তিনি দুর্গ নামের এক দৈত্যকে বধ করে দুর্গা নামে খ্যাত হন। যুগে যুগে দেবতাদের কল্যাণের জন্য দেবী দুর্গা অত্যাচারী ভোগলোলুপ অসুরদের নিধন করেছিলেন। দুর্গা শত্রু নিধন করেছিলেন। দুর্গা শত্রু বিনাশে যেমন ভয়ঙ্করী, সংহাররূপিনী আবার ভক্ত বা সন্তানের কাছে তিনি তেমনি স্নেহময়ী জননী, কল্যাণপ্রদায়িনী।

কার্তিক: কার্তিকেয় বা কার্তিক হিন্দু যুদ্ধদেবতা। তিনি শিব ও দুর্গার সন্তান। কার্তিক বৈদিক দেবতা নন; তিনি পৌরাণিক দেবতা। প্রাচীন ভারতে সর্বত্র কার্তিক পূজা প্রচলিত ছিল। উত্তর ভারতে ইনি এক প্রাচীন দেবতা রূপে পরিগণিত হন। অন্যান্য হিন্দু দেবদেবীর মতো কার্তিকও একাধিক নামে অভিহিত হন। যথা – কৃত্তিকাসুত, আম্বিকেয়, নমুচি, স্কন্দ, শিখিধ্বজ, অগ্নিজ, বাহুলেয়, ক্রৌঞ্চারতি, শরজ, তারকারি, শক্তিপাণি, বিশাখ, ষড়ানন, গুহ, ষান্মাতুর, কুমার, সৌরসেন, দেবসেনাপতি ইত্যাদি।

মন্তব্যকারী সকলকে আমার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে শব্দ চয়ন এ আরো যত্নবান হবো।
52453
জয়পাড়া, দোহার, ঢাকা থেকে সালমা রহমান লিখেছেন, ৩০ মার্চ ২০১১; দুপুর ১২:৪১
হিন্দুধর্মে দেবী দুর্গা অর্থ: যিনি দুর্গ অর্থাৎ সঙ্কট হতে ত্রাণ করেন; পুরাণ অনুযায়ী: যিনি দুর্গ নামক অসুর বিনাশ করেছেন পরমা প্রকৃতি ও সৃষ্টির আদি কারণ। দুর্গা সাধারণত দশভূজা, দশপ্রহরণধারিনী ও সিংহবাহিনী। হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাস অনুসারে তিনি শিবের স্ত্রী পার্বতী, কার্তিক ও গণেশের জননী, এবং কালীর অন্যরূপ। পুরাণ অনুসারে তিনি তিনবার মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন। দুর্গা মূলত শক্তি দেবী। বৈদিক সাহিত্যে দুর্গার উল্লেখ পাওয়া যায়।
52454
জেদ্দা সৌদি আরব থেকে আবু সাইফ লিখেছেন, ৩১ মার্চ ২০১১; বিকেল ০৫:০২
চট্টগ্রামের ভাই পারভেজ চৌধুরী এবং লেখিকা বোন সালমা ইয়াসমীন- উভয়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আমার নিজের শব্দভাণ্ডার অতি ক্ষুদ্র বলে আমার প্রতিশব্দটা সুন্দর হয়নি তা মানতে আমার দ্বিধা নেই। কিন্তু আমি যা বোঝাতে চেয়েছি তা আপনারা বুঝেছেন বলেই আমার মনে হয়েছে- এতে আমি সুখী।
আপনার দেয়া উপমা মেলাতে পারিনি বলেই গণেশ-দূর্গা-কার্তিকের পরিচিতি জানতে চেয়েছিলাম নতুন কিছু পাবার আশায়। আমার চোখে মেয়েরা দূর্গার মত, আর পুরুষেরা গণেশ-কার্তিকের মিলিত রূপ, ত্রয়ীর সম্মিলিত শক্তি জগতে কল্যানের বাহন ও অকল্যানের সংহারক এবং বিভক্তি সকল অনিষ্টের উতস।
(এটা নিতান্তই গদ্যের প্রাসংগিক কথা- আমার নিজের বোধ-বিশ্বাসের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই।)

চুয়াডাঙ্গা থেকে শাওকাত হাসান : শব্দচয়নে তাঁর অভিমতের সাথে আমারটা মিলে যাওয়াতে আনন্দিত, তাঁকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
ইউ,এ,ই, থেকে আকতার: আমাদের ঈমান-আকিদার আলোকে বিশ্লেষণ ও মন্তব্য করে পূরো পরিবেশটা অন্যরকম আলোকচ্ছটায় উদ্ভাসিত করেছেন- তাঁকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা সমাজের সকল দিগন্ত আলোকিত করুক।
52594
gulshan থেকে md.rafiqul islam লিখেছেন, ০৫ এপ্রিল ২০১১; সকাল ০৬:২৫
well.but male, female are depends on each other.
53080
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy