বুধবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ৩০ মে ২০১২; দুপুর ১২:১৫ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

গয়েশ্বর চন্দ্রের একটি মন্তব্যঃ আমার কিছু কথা

সাজিদ মাহমুদ

সম্প্রতি নারী নির্যাতন শির্ষক এক আলচনায় বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক গয়েশ্বর রায় এরকম এক্ টি মন্তব্য করেছেন যে পোষাক বা উচ্ছৃংখল চলাফেরার কারনে মেয়েদের নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনা।তিনি উদাহরন হিসেবে পেশ করেছেন পাশ্চাত্য দেশ গুলোর কথা যেখানে মেয়েরা আরও খোলামেলা পোষাকে চলাফেরা করে,অনেক রাত করে বের হয় কিন্তু হাতে গনা কিছু ঘটনা ছাড়া তেমন কিছু ঘটেনা।তিনি এর পিছনে আইনের শাসন আর মুল্যবোধের কথা বলেছেন।এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমার এ লেখা।আশা করি পাঠক বৃন্দ মনযোগ সহকারে যদি পড়েন সংশয় থাকলে তা দূর হবে ইনশাল্লাহ।

প্রথমেই জেনে নেয়া যাক পাশ্চাত্যের দেশগুলোর পিছনের কিছু কথা।আমি নিজে এরকম একটা দেশে বাস করি(অস্ট্রালিয়া)।আজ থেকে দুইশ বছর আগে হয়তবা তার্ও কম সময় আগে এসব দেশের মেয়েদের পোশাক আশাক এখন কার মতো এতো খোলা মেলা ছিলনা।বেশ শালীন পোষাক ই তারা পরতো।তাদের চলাফেরাও এখনকার মতো ছিলনা।মেয়েরা আয় ইনকাম করার চেয়ে বাসার কাজ তথা ছেলে মেয়ে লালন পালন কেই তাদের প্রধান কাজ মনে করতো।কিন্তু কালের পরিক্রমায় আজ মেয়েরা অফিস আদালত,ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে এমন কোনো কাজ নাই যে এসব দেশে মেয়েরা করেনা।যেসব কারনে মেয়েদের এই পরিবের্তন তা মূলত-

১)অর্থনৈতিক কারণ-দেশের অর্ধেক জনশক্তি নারী হওয়ার কারনে রাজনিতীবিদ এবং সরকার চিন্তা করল দেশের উন্নয়ন করতে হলে শুধু মেয়েদের কে বসায় বসায় খাওয়ালে হবেনা বরং এদের কাজে লাগালে তা দেশের আয়ের কারন হবে।ফলে মেয়েদের বিভিন্ন সুযগ সুবিধা দিয়ে কাজের প্রতি আগ্রহ তৈরী করা হলো।

২) যেসব মেয়েরা বাসায় থাকতে পছন্দ করতো তাদের বুঝানো হলো এটা বন্দি জীবন,তোমারো পুরুষের মতো কাজ করার,বাহিরে যাবার অধিকার আছে।মানবাধিকার সংগঠণ গুলো এই প্রচারনা চালাতে লাগলো মূলত এক নাম্বার কারণ টাকেই বাস্তবায়ন করার জন্য।

৩)উপরের দুটি কে বাস্তবায়নের বড় বাধা ছিল ধর্ম। ফলে ধর্মের বাধন কে ঢিলা করার সকল ব্যবস্তা ও প্রচরনা চালানো হলো।
এখন আসুন জেনে নেই এর পরিনতি কি হয়েছিল

এক টি মেয়ে যখন বড় হতে শুরু করলো তখন তার মাথায় চিন্তা এসে গেলো এই সমাজে বেচে থাকতে হলে আমাকে নিজের পায়ে দাড়াতে হবে,লেখাপড়া করতে হবে,চাকরি-বাকরি ,কাজ-কর্ম করতে হবে।আর এসব করতে গেলে বিয়ে করতে হবে অনেক পরে,বাচ্চা নেয়ার তো প্রশ্নই উঠেনা এত তাড়াতাড়ি।ফলে বিয়ে টা হয়ে গেল অনেক কঠিন,পরিবার প্রথা ধিরে ধীরে ভেঙ্গে যেতে লাগলো।কিন্তু বিয়ে আস্তে আস্তে কমে গেলেও সেক্স কিন্তু কম লোনা।পুরুষের সাথে উঠা বসার কারনে তা কলা মলার মতো ব্যাপার হয়ে গেলো।আর তথাকথিত মানবাধিকার এর ধুয়া তুলে এ কথা বুঝানো হলো,তোমার শরীর তুমি যেভাবে চাইবে তা ব্যাবহার করবে।এমন কি এসব দেশের স্কুলে একটু বড় হলেই এ কথা শিখান হয় যে তুমি যেটাকে ঠিক মনে করবে সেটাই ঠিক আর তোমার যেকনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার শুধু তোমার।ফলে একজনের অধিকার যাতে আর একজন খর্ব করতে না পারে এবং একজনের ফ্রিডম যাতে অন্য আর একজন মাথা ঘামাতে না পারে সে জন্য খুবই কঠিন আইন করা হলো এবং এসব দেশের যেটি ভালো দিক তা হলো আইনের যথার্থ প্রয়োগ।যার কারনে একদিকে মানুষ অন্যের ক্ষতি না করে নিজের যা ইচ্ছে তা করার অধিকার পেলো অন্যদিকে আইনের ভয়ে অন্যের যা ইচ্ছে তা করার মানসিকতাকে মেনে নিতে বাধ্য হলো।
এখন আসি যে কারণে মানুষ এখানে সেক্সুয়াল নির্যাতন করেনা

১)আগেই বলেছি সেক্স এখানে কলা মলা।কারও যদি সেক্স এর খুবি ধরকার হয় খুব সহজেই তা পাওয়া যায়।এখানে পত্রিকা গুলোতে ওপেন বিজ্ঞাপন দেয়া থাকে।রাস্তা ঘাটে,পার্কে,যেখানে সেখানে ইচ্ছেমত জড়িয়ে ধরা,চুমু দেয়া যেন কলা মলাই(তাই বলে যাকে তাকে নয়)।
২)আপনি যখন প্রতিনিয়ত উলংগপনা আর এসব দেখবেন আপনার মোটেও এক সময় মনে হবেনা যে এদের দিকে তাকাই আর সেক্সের উদ্রেকও হবেনা।আর যদি হয় ও কলা মলা কিনতে যেমন বেশি দূর যেতে হয়না ওটার জন্যেও বেশি দূর যেতে হবেনা।
৩)আর যদি কখনো মনে হয় যাকে দেখে আপনার মাঝে কামনার উদ্রেক হয়েছে তাকে জোর করে কিছু করতে চাইবেন এক পা আগালেও আইনের ভয়ে একশ পা পিছাবেন।

পুরো বিষয় টা কে এভাবে চিত্রিত করার পর এ ব্যাপারে আমি একমত যে নারী নির্যাতন বন্ধের জন্য একটা কঠিন আইন এবং তার প্রয়োগ দরকার।তবে পাশ্চাত্যর সেক্স কে সস্তা করে উলঙ্গপনা কে হালাল করে নেয়া টাকে আমি বোকামি মনে করি।অনেকের প্রশ্ন থাকতে পারে সমস্যা কোথায় তাতে নারী নীর্যাতন তো আর হচ্ছেনা।তাহলে আসুন এবার নজর দেই এর ফলে পাশ্চাত্যে কি ঘটেছে।তবে তার আগে আবার মনে করিয়ে দেই নারীদের এই অবস্তা কিন্তু ঘটার পিছনে অন্যতম কারণ ছিল অর্থনৈতিক।মনে রাখুন আমি এই পয়েন্টে কিন্তু ফিরে আসব।আসুন তাহলে দেখি পাশ্চাত্যে কি ঘটেছে

এক, পরিবার প্রথা ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেছে।নারীরা বাচ্চা নিতে চায় না।নিলেও অনেক বয়স করে নেয়।রাস্তায় দেখলে উপায় নাই বাচ্চার সাথে যিনি তিনি মা নাকি দাদী।সরকার অনেক প্রলোভন দিয়েও জন্মহার বাড়াতে পারছেনা।(এই দেশে বাচ্চা হলে প্রায় বাংলাদেশী টাকায় তিন লাখ টাকা দেয়,মাসে মাসে আপনার ইন কাম অনুযায়ী বাচ্চার বয়স ১৮ বছর পর্যন্ত ভাতা দেয়, লেখাপড়ার খরচ দেয়)তার মানে বাচ্চা নিলে টাকার চিন্তা করতে হবেনা তারপর ও নেয়না।যে পরিবারকে এক সময় আপন মনে হতো স্বাধীনতা পেয়ে তাকে এখন ঝামেলা মনে হয়।কারণ বাচ্চা হলে, চাইলেই ইচ্ছামত সব করতে পারবেন না।শুধু এক টা উদাহরণ দেই-এখানে মেয়েরা বাচ্চা চাইল্ড কেয়ারে রেখে কাজে কর্মে যায় সাধারন্ত উইক ডেইজ গুলোতে।সমস্যা দেখা দেয় বন্ধের দিনে যেদিন চাইল্ড কেয়ার ও বন্ধ থাকে।কিন্তু বেচারা বেচারিদের তো আবার ক্লাব এ না গেলে চলেনা,মদ খেয়ে চুর না হলে যে হয়না।এসব চিন্তা করলে কার দায় পরেছে যৌবন থাকতে বাচ্চা নেয়ার।

দুই,অবাধ মেলামেশার কারনে নানারকম সেক্সুয়াল রোগ।
তিন,পরিবারে শান্তি না থাকা,বিবাহ না টিকা ইত্যাদি নানা কারণে শেষ বয়সে নানা জটিল মানসিক রোগ।
চার, মানসিক যন্ত্রনা থেকে বাচার জন্য ড্রাগ,মদ পান এবং পরিনতিতে নানারকম রোগ।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে অর্থনেতিক ব্যাপারে।তারা তো এ ব্যাপারে অনেক এগিয়ে গেছে।তবে বিষয় টাকে একটু এভাবে চিন্তা করে দেখুন

১।পরিবার প্রথাকে টিকিয়ে রাখার জন্য এদের বছরে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বাজেট করতে হচ্ছে
-বাচ্চা হলে টাকা দিতে হচ্ছে।
-বাচ্চার ভরণ পোষোনের জন্য টাকা দিতে হচ্ছে।
-বাচ্চার চাইল্ড কেয়ারের জন্য টাকা দিতে হচ্ছে।
হা এই সুবিধা দেয়া টাকে আমি খারাপ বলছিনা কিন্তু সব দেশের পক্ষে তা দেয়া তো সম্ভব হচ্ছেনা আবার না দিলে জনসংখ্যা ও বাড়ছেনা ফলে বাধ্য হয়ে টাকা খরছ করতেই হচ্ছে।
২।পরিবার এ দেখার কেউ না থাকার কারনে শেষ বয়সে বুড়ো বুড়িদের পিছনেও অনেক খরছ করতে হচ্ছে।
৩।সেক্সুয়াল রোগ গুলোকে প্রতিরোধ করার জন্য ব্যাপক বাজেট দিতে হচ্ছে(উদাহরণ এই দেশে সারভাইকাল ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য যেটা কিনা খুব কম বয়সে সেক্স করার জন্য হয় স্কুল বয়স থেকেই তার জন্য বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন দিতে হচ্ছে)
৪।মদ,ড্রাগ সম্পরকিত রোগের চিকিৎসার জন্য অনেক টাকা খরছ করতে হচ্ছে।
৫।বেশি বয়স করে বাচ্চা নেয়ার কারনে প্রতিবন্ধি বাচ্চা বেশি জন্ম নিচ্ছে।ফলে এ জন্যে আলাদা খরচ।

হা তার মানে এই নয় যে তাদের অর্থনীতি ভেঙ্গে পড়েছে।এখনো প্লাস মাইনাস করলে তারা প্লাস এ আছে।তবে আগে হয়তো ডাবল প্লাস ছিল এখন তা সিঙ্গেল।কিন্তু এক টু চিন্তা করুন তো ইকনমিতে যদি একবার ধস নামে(যেমন গেল বছর বড় একটা বিপর্যয় হয়েছিল,এখন গ্রিসে চলছে) তাহলে স্বাভাবিক খরচই যেখানে মেটান দায় হবে উপরক্ত খরচের খাত আসবে কোত্তেকে।তাহলে চিন্তা করে দেখুন আমাদের মতো গরীব দেশ যদি ওদের পথে হাটি তাহলে অবস্তা টা কি হবে একবার চিন্তা করুন।
আচ্ছা ধরলাম টাকা পয়সা ঠিকই আছে কিন্তু একজন মুসলমানের কাছে কি টাকা পয়সাই সবকিছু?পরকালের জীবন টা কি একজন মুসল মানের কাছে কিছুই নয়? আর যারা নাস্তিক তাদের কাছে প্রশ্ন আপনি কি চান যৌবনে কিছু মজা,টাকার বাহাদুরি র বুড়ো বয়সে(এমন কি অল্প বয়সেই) মানসিক যন্ত্রনা,হাসপাতালের বেড কিংবা ওল্ড কেয়ার হোম এর বন্দী জীবন নাকি পরিবার পরিজন নিয়ে একটি স্বাভাবিক জীবন হয়তো সেখানে বিলাসিতা থাকবেনা কিন্তু থাকবে আমৃত্যু পরম শান্তি।

যা কিছু বললাম সব ই নারীর অবাধ স্বাধীনতা,নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা,নারীদের যত্র তত্র কাজে লাগানোর ফল। তার মানে এই নয় আমি নারীদের ঘরে বন্দী করে রাখার পক্ষে।বরং নাররা সবই করতে পারবে তবে তা হতে হবে এমন পরিবেশে যাতে উপরক্ত সমস্যা গুলো(অবাধ মেলামেশার ফলে সামাজিক অবক্ষয়,পরিবার প্রথা নষ্ট ইত্যাদি) সৃষ্টি হওয়ার কোনো সু্যোগ না থাকে। পাশ্চাত্য নারী-পুরুষের অবাধ স্বাধীনতা দিয়েছিলো নিজেদের কল্যাণ ভেবে,সাময়িক কল্যান হলেও আজ তা তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে গেছে।যা থেকে বের হওয়ার কোনো পথ তারা খুজে পাচ্ছেনা।আমরা নিশ্চই এমন বুমেরাং আমাদের দেশের জন্য চাইনা।আশা করি বিষয় টি বোঝাতে সক্ষম হয়েছি।

লেখকঃ অস্ট্রালিয়া প্রবাসী, ইমেইল, medi0001@gmail.com
http://www.sonarbangladesh.com/articles/SazidMahmud
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
sylhet থেকে Farook লিখেছেন, ১৫ মে ২০১০; দুপুর ১২:১৫
Western country gulitey kinthu prochur rape er ghotonao ghote jemon Americate. Amrao narir shomanodhikar chai tobe ta shalin vabe. Kau nishchoy chaibenna tar bou er dike onno kau thakak. Ba tar mayke je kau touch koruk. Thank you and goodlick to all.
17849
ঢাকা থেকে মিজান লিখেছেন, ১৫ মে ২০১০; দুপুর ০১:৫৬
মেয়ে মানুষের ১৬ কলা আছে। এমন ধারনা থেকে ছেলেরা তাদের পিছে ঘোরে ।আমি কিন্তু একটি কলাও পাই নাই।মেয়ে মানুষ থেকে ১০০হাত দুরে থাকা উচিৎ।
17866
ঢাকা থেকে আহমেদ লিখেছেন, ১৫ মে ২০১০; বিকেল ০৫:৫২
useful article.thanks a lot
17899
টাংগাইল থেকে হাসান জাহিদ লিখেছেন, ১৫ মে ২০১০; রাত ১১:৪২
সাজিদ ভাইকে ধন্যবাদ।
17937
টাংগাইল থেকে হাসান জাহিদ লিখেছেন, ১৫ মে ২০১০; রাত ১১:৫৩
সাজিদ ভাইকে ধন্যবাদ।
17939
গোরস্তান থেকে ভূত লিখেছেন, ১৬ মে ২০১০; রাত ০১:০১
গয়েশ্বর সাহেবকে প্রানঢালা ধন্যবাদ, কারন একমাত্র তিনিই সেদিন প্রকৃত অবস্থা অনুধাবন করতে পেরেছেন। স্টেরিও টাইপড মানুষদের ভ্রুকুটি উপেক্ষা করে তিনি তা বলতে পেরেছেন - এটা অবশ্যই প্রশংসার বিষয়। বিবাহ বহির্ভূত অবাধ মেলামেশা আর ধর্ষন - দুটি সম্পূর্ন দুই রকম মানসিকতা। ধর্ষন নির্ভর করে ধর্ষকের ধর্ষকামী মানসিকতার উপরে। ধর্ষকের এই মানসিকতার উৎস "আধিপত্যবাদ" এবং "বিকৃতি"। ফ্রি সেক্সে (যা ধর্ষন নয়) বিকৃতি থাকতে পারে কিন্তু আধিপত্যবাদী মানসিকতা থাকে না। পশ্চিম কঠোর হস্তে ধর্ষনকে দমন করেছে। পশ্চিমে মেয়েরা ধর্ষিত হয় না যে তা নয়, তবে তারা সব পক্ষের সহযোগিতা পায়। সেজন্য নারীরা সর্বত্র নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারে।

আর লেখার বাকী অংশ গুলো ব্যাখার দাবী রাখে। পরিবার প্রথা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। তবে এই প্রথাকে টিকিয়ে রাখার জন্য মেয়েদের যখন যৌতুক দিতে হয়, তখনই কথিত পরিবার প্রথার ভিত কতটুকু শক্ত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। কথিত পরিবার প্রথায় নারী বোঝা বলেই যৌতুক দিয়ে তাকে বিক্রি করার প্রশ্ন আসে।
17950
দোহা কাতার থেকে মোঃ ইসমাঈল পাভেল লিখেছেন, ১৬ মে ২০১০; রাত ০২:১০
সাজিদ মাহমুদ ভাইকে ধন্যবাদ সমউপযোগী কমেন্টসের জন্য । আসলে যুগে সাথে তাল মিলাতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে । আমরা বাঙ্গালি ৯০ ভাগ মসলমানের দেশ । [অস্টেলিয়ার] মতো ইহুদি রাষ্টের পক্ষে সম্ভব যে কোন কিছু করা । আমাদের দেশে সম্ভব নয় কারন আমরা ইসলাম পন্তি । আল্লাহ যত সুখ শান্তি এদুনিয়াতে বেধর্মিকেই দিয়েছেন । এদুনিয়াতে আল্লাহ মুমিন মুসলমানদের পাঠিয়েছেন তার ইবাদত করার জন্য , আমরা তার হুকুমের গোলাম । তার হুকুম অমান্য করে আমরা বেধর্মিদের পথ অনুশরন করে চলেছি তার জন্য বাংলাদেশের মুসলিম নারি পুরুষদের এই দুরাবস্হা । আসুন সব মুসলমান ভাই বোন আল্লাহর আইন আল্লাহর দেয়া বিধান মেনে চলি । তখনি সব ঠিক হবে ।
17962
CANADA থেকে PRINCE লিখেছেন, ১৬ মে ২০১০; রাত ০২:৪০
লেখকঃ অস্ট্রালিয়া প্রবাসী, ইমেইল, medi0001@gmail.com কে

লেখার জন্য ধন্যবাদ : লেখা পড়লাম , তবে লেখার মুল উদ্দেশ অথাৎ মাথা মুন্ডু পুরাপুরি বুঝতে একটু কষ্ট হছ্ছে কারন আপনার লেখায় পশ্চিমা বিশ্বের শুধু মাত্র কিছু নেগেটিভ দিক তুলে ধরেছেন এবং তার সহজ সমাধানের জন্য ইসলামের দাওয়াই প্রয়গের কথা ভেবেছেন । আপনার লেখায় নারী এবং সেক্স কথটা বার বার ঘুড়ে ফির এসেছে এবং সমস্যার মুল কেন্দ্র বিন্দু ঐ নারী এবং সেক্সের মাঝেই খুঁজে পেয়েছেন। ধন্যবাদ ।
17963
dhaka থেকে akash লিখেছেন, ১৬ মে ২০১০; রাত ১১:২৪
thanks.got many information
18082
১০
আদাবর, ঢাকা থেকে মোঃ ইব্রাহীম খলিল লিখেছেন, ২৬ মে ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:৫৫
আসেল লেখাটা িছল গেয়েশ্বর বাবুর মন্তেব্যের উপর যে পোষাকের কারনে নয় প্রশাশনের কারনে নারীরা নির্যাতিত হছ্ছে। এখানে ইদানিং ইভ-টিজিং একটা নতুন শব্দ প্রতিনিয়ত পত্রিকায় দেখাযায় আর এটা আসলে ঘটে পোশাকের কারনেই। আর সে জন্য দায়ী অতি বিলাসি বিেনাদন। বিষয়টা পাঠক বৃন্দ একটু ভেবে দেখবেন। সবাইকে ধন্যবাদ
19830
১১
আদাবর, ঢাকা থেকে মোঃ ইব্রাহীম খলিল লিখেছেন, ২৬ মে ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:১১
আসেল লেখাটা িছল গেয়েশ্বর বাবুর মন্তেব্যের উপর যে পোষাকের কারনে নয় প্রশাশনের কারনে নারীরা নির্যাতিত হছ্ছে। এখানে ইদানিং ইভ-টিজিং একটা নতুন শব্দ প্রতিনিয়ত পত্রিকায় দেখাযায় আর এটা আসলে ঘটে পোশাকের কারনেই। আর সে জন্য দায়ী অতি বিলাসি বিেনাদন। বিষয়টা পাঠক বৃন্দ একটু ভেবে দেখবেন। সবাইকে ধন্যবাদ
19834
১২
ঢাকা থেকে রিপন আলী মেজবা লিখেছেন, ২৭ মে ২০১০; দুপুর ০২:৩৮
বোরকা পরা মেয়েরা কি ধর্ষনের শিকার হয়না?? আসলে আমাদের মনের সমস্যা। যেকোন কারনেই হোক আমাদের বৈশিষ্ট্য কুকুরের জিহ্বার মত
19953
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy