বুধবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ৩০ মে ২০১২; দুপুর ১২:২৪ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

স্পেনের এক বাড়িওয়ালা..

সাহাবুল হক

বিমান বন্দরের মাটি স্পর্শ করার আগেই বিমানের ছোট জানালায় উঁকি ঝুঁকি দিয়ে যা দেখলাম এক কথায় তা অসাধারণ। চারিদিকে পাহাড়ে ঘেরা সবুজে আচ্ছাদিত পুরো বিমান বন্দরটি। মনে হলো পাহাড়ের চূড়ায় বিমানটি অবতরণ করতে যাচ্ছে। বড় বড় কয়েকটি পাহাড়ের তলদেশ একত্রিত করে তৈরী করা হয়েছে বিমান বন্দরের রানওয়ে। খুব বেশী ব্যস্ত মনে হলো না বিমান বন্দরটিকে। ক্লান্তি এবং ক্ষুধার কারণে মন খুব একটি ফুর ফুরে ছিল না, তারপরেও বিমান থেকে নামার পর এক ধরনের ভালো লাগার সৃষ্টি হলো আমার মাঝে। নতুন একটি দেশে যাচ্ছি, অনেক ধরণের টেনশন কাজ করাটাই স্বাভাবিক; কিন্তু এ ক্ষেত্রে এর ব্যতয় ঘটলো। ইমিগ্রেশন পার হয়ে ট্রলি নেওয়ার সময় দেখলাম আমি এবং আর দু'জন এশিয়ান ভদ্রলোক ছাড়া সেখানে আর কেউ নেই। কারণ ইউরোপের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এশিয়ান লোকজন পেলে একটু বিশেষ আদর করে বেশী সময় জেরা করে; উল্টিয়ে পাল্টিয়ে বার বার পাসপোর্ট দেখে আর চেহারার সাথে মেলানোর চেষ্টা করে! বিমান বন্দরের বাইরে এসে পড়লাম এক বিব্রতকর অবস্থায়। আগে থেকেই জানতাম যে অত্র এলাকার লোকজন নিজেদের মাতৃভাষা ছাড়া অন্য কোন ভাষায় কথা বলে না।এটা আরো ভালোভাবে টের পেলাম এখানে আসার পর। এখানকার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগেই আমাকে বলে দেওয়া হয়েছে যে- বিমান থেকে নামার পর আমি যেন 'হলুদ' রঙের বাসে চড়ে শহরে চলে আসি। এই বাসটি সম্পর্কে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসা করলাম কিন্তু ইংরেজী না বোঝার কারণে কেউই সদুত্তর দিতে পারলো না। অগত্যা ঐ বাসের জন্য অপেক্ষার পালা। বাসের জন্য অপেক্ষা করছি আর আশে পাশে তাকিয়ে জায়গাটির সৌন্দর্য্য দেখছি। যতই দেখি আরো দেখতে মন চাই আমার- অবস্থাটি তেমনিই। প্রায় আট ঘন্টা যাবৎ না খেয়ে থাকার কথা বেমালুম ভুলে গিয়েছি শুধু বিমান বন্দরের চার পাশের নির্মল পরিবেশ দেখে। আকাশ পথে লন্ডনের স্টানস্টেড বিমান বন্দর থেকে এতক্ষণে পৌঁছে গেছি স্পেনের বিলবাও বিমান বন্দরে। এ শহরটির নামানুসারে বিমান বন্দরের নাম। প্রায় ৬ শত বছরের পুরাতন শহর এটি, স্পেনের একেবারে উত্তরে এর অবস্থান,সমুদ্র বন্দররে জন্য শহরটি বিখ্যাত।

লন্ডন থেকে এখানে পৌঁছাতে সময় লেগেছে মাত্র দুই ঘন্টা, এসেছি সস্তা বিমানে, টিকিট মাত্র ৩৪ পাউন্ড। ইউরোপের মধ্যে আকাশ পথে চলা ফেরার জন্য রয়েছে ৪০ টির বেশী বিমান সংস্থা, যেমন: রাইন, ইজিজেট, উইজ, ট্রানসাভিয়া প্রভৃতি। এ বিমানগুলো অনেক স্বল্প মূল্যে যাত্রী আনা নেওয়া করে। তবে মাস খানেক আগে টিকিট করতে পারলে তুলনামূলকভাবে অনেক কমে এ বিমানে যাতায়াত করা যায়। এমনি একটি সুযোগ নিয়েছি আমি। বলছিলাম বিমান বন্দরের সৌন্দর্য্যের কথা। তবে সবচেয়ে আনন্দিত হয়েছি এখানকার রৌদ্রজ্বল আবহাওয়া পেয়ে। ইউরোপে এসে বরফের মধ্যে দিন কাটাতে কাটাতে রোদের কথা এক রকম ভুলতেই বসেছিলাম। প্রায় আধা ঘন্টা অপেক্ষার পর নির্ধারিত 'হলুদ' বাসে চড়ে বসলাম, দেশে যে বাস গুলোকে আমরা 'বিলাস বহুল' বলি - এই বাস তেমনই। বেশ কয়েকজন যাত্রী নিয়ে বাসটি যাত্রা শুরু করলো, এর মধ্যে ঘামতে শুরু করেছি কারণ আমার শরীরে তখনও রয়েছে বরফ প্রতিরোধক শীত বস্ত্র, যেগুলো আমসর্স্টাডামে নিয়মিত ব্যবহার করতাম। বাস সামনের দিকে এগুচ্ছে আর আমার মাঝে বয়ে যাচ্ছে আনন্দের ঝর্ণাধারা। বাস একবার পাহাড়ের ঢালে উঠছে, আবার নীচে নামছে, মনে হলো আমি মনে হয় নাগোরদোলায় উঠছি। আর দৃষ্টি আমার শুধুই সামনের দিকে। চারিদিকে পাহাড়, অসংখ্য গাছ-গাছালি এবং এর মাঝে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন। দূর থেকে মনে হলো সবুজের মাঝে কোন এক খ্যাতিমান শিল্পী যেন এঁকেছে বাড়ি ঘরের ছবি। এছাড়া নদীর আঁকা বাকা পথ আমাকে আরো বিমোহিত করলো। এভাবে ভালোলাগা -লাগির মাঝে আমি এক সময় পৌঁছে গেলাম নির্দিষ্ট বাস স্টেশনে ।

এখানে এসে আবার সেই ভাষার সমস্যা, এরমধ্যে ক্ষুধার জ্বালাও অনুভব করছি। এই স্ট্যান্ড থেকে একটি ট্যাক্সি ক্যাব ভাড়া করে আমার বাসায় যেতে হবে- এমনটিই আমাকে বলা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। একটু দূরেই বেশ কয়কেটি ক্যাব দাঁড়িয়ে আছে, চালকরাও দাঁড়িয়ে গল্প গুজব করছে। তাদের দিকে এগিয়ে গেলাম, ক্যাব চালকদের দেখতে এশিয়ান মনে হলো। ভাবলাম ঢাকা কিংবা কোলকাতার মতো ক্যাব চালকরা আমার দিকে এগিয়ে আসবে, ভাড়া নিয়ে দেন-দরবার করবে এমনকি আমাকে নিয়ে টানা হেঁছড়াও হতে পারে! ভাবনা আমার ভুল, কোন চালকই এলো না বরং আমিই তাদের একজনকে ডেকে ঠিকানা দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, যাবে কিনা এবং কত টাকা ভাড়া? সদুত্তরে ভাঙা ইংরেজীতে ট্যাক্সি চালক বললেন, তুমি এখান থেকে পায়ে হেঁটেই তোমার ঠিকানায় যেতে পারবে, ক্যাব দরকার নেই। সে আমার বাসায় যাবার রাস্তাও দেখিও দিল। একটু অবাকই হলাম, বিশ্বাস করতেও কষ্ট হচ্ছিল তার কথা! একটু দ্বিধা- দ্বন্দ্ব নিয়ে তার দেখানো পথ দিয়েই হাটতে শুরু করলাম। কিছু দূর হাটার পর কাউকে খুঁজছি এর সত্যতা যাচায়ের জন্য, পেলাম এক স্প্যানিস পুলিশকে, তার পোশাক দেখে খুব পছন্দ হলো। কালো এবং লালের মিশ্রণে এ দেশের পুলিশের পোশাক। তিনিও আমাকে আকার ইঙ্গিত দিয়ে বুঝালেন ঠিক পথেই হাটছি আমি। নিজের মাঝে আস্থা ফিরে এল। সামান্য কিছু দূর এগোতেই কানে বাজলো কে যেন আমার নাম ধরে ডাকছে। একটু অবাক হয়ে আশে পাশে তাকিয়ে পরিচিত কাউকে না দেখে আবার হাটা শুরু করলাম, ভাবলাম মনের ভুল, এমনটি হতেই পারে। এবার আরো স্পষ্ট করে ভেসে এলো- কে যেনো নাম ধরে ডাকছে আমায়। পেছনে ফিরে দেখি বয়স্ক এক ভদ্রলোক আমাকে ডাকছেন, সাথে তার স্ত্রী মনে হলো। দেখতে উভয়ই খুব সুদর্শন ,স্মার্ট এবং বয়স উভয়েরই ৬০-৬৫ 'র মধ্যে। আমরা ভাব বিনিময় করছি কিন্তু কেউ কারো ভাষা বুঝতে পারছি না, কী আচার্য্য? কারণ, আমি জানি না স্প্যানিস এবং তারা জানেন না ইংরেজী। তবে তাদের সাথে কথা বলে বুঝলাম, স্পেনে আমি যে বাসায় উঠবো তারা সে বাসার মালিক। আমার বিমানের সময় সূচী তাদের আগেই জানা ছিল। আমাকে অভ্যর্থনা জানাতে তারা বাস স্টেশনে যাচ্ছিলেন। অনেকটা বিস্মত হলাম। এখানেই এ লেখার শেষ হতে পারতো, কিন্তু না -আরো কিছু আছে। তারা আমাকে নিয়ে বাসায় গেলেন। পাহাড়ের উপরে বিশাল এপার্টমেন্ট, তলদেশ দিয়ে বয়ে গেছে রিয়া নদী। এ দেখে মন ও শরীর উভয়ই অনেক ভালো হয়ে গেলো। যদিও আমি ছিলাম বেশ অসুস্থ। লন্ডন থেকে বন্ধু মাহবুব আলী খানসুর এবং নুরুন্নবীকে সাথে নিয়ে ম্যানচেস্টার যেতে প্রচুর ঠান্ডা লেগেছিল, এখানে এসে গলা থেকে কথাই বের হচ্ছিল না, গলা সম্পূর্ণ বসে গিয়েছিল। বাসায় এসে দেখি মালিক আমার জন্য খাবার নিয়ে এসেছেন, তারা এ বাসায় থাকেন না, থাকেন বেশ দূরে। শুধু আমার জন্য তারা এসেছেন এখানে।

বাসার সদস্য সংখ্যা আমি সহ তিন জন, তিনটি পৃথক রুম বরাদ্দ। এর মধ্যে একজনকে আগে থেকেই চিনি ও জানি, আমরা এক সাথে নেদারল্যান্ডে পড়াশুনা করেছি, ওর বাড়ী বিখ্যাত ফুটবলার রজার মিলার দেশে, ক্যামেরুনে। আমরা খুব ভালো বন্ধু। আরেক জনের বাড়ী আর্জেন্টিনা, ম্যারাডোনার দেশে, খুব ভালো স্প্যানিস বলে। মালিক বিশেষ করে ভদ্র মহিলা, ওর নাম নাতিদা,স্প্যানিস ভাষায় আর্জেন্টিনার বন্ধুকে বার বার বলছিল, আমি যেন গরম পানি খাই, গরম কাপড় পরিধান করি. রুমে হিটার জ্বালায় এবং বেশী অসুস্থ বোধ করলে ওকে যেন খবর দেই। আমি ওদেরকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছি, দেশে থাকলে আমি অসুস্থ হলে আমার মা যা বলতেন এবং করতেন -তুমি সেটিই করলে। আমার এ কথাই খুব খুশী হয়ে সে দিন তারা বিদায় নিয়েছিলেন।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, পলিটিক্যাল ষ্টাডিজ বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট, বর্তমানে ইউরোপীয় সরকারের বৃত্তি নিয়ে মাস্টার্স করছেন ইন্টারন্যাশনাল মাইগ্রেসন এন্ড এথনেসিটি বিষয়ে, স্পেনের দে'স্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/ShahabulHaque
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
Sylhet থেকে Latif লিখেছেন, ০৫ মার্চ ২০১১; রাত ০৮:২১
ভাল লাগল। মনে হল, সাবু ভাইয়ের গল্প শুনছি।
50111
সিলেট থেকে অকিলা জাহান বড় ভূইঁয়া লিখেছেন, ০৫ মার্চ ২০১১; রাত ১০:০৫
খুব ভাল লাগল । জানতাম না স্যার এতো ভাল লিখেন ।
50123
আজিমপুর, ঢাকা থেকে মুসতাক আহমদ লিখেছেন, ০৬ মার্চ ২০১১; রাত ১২:৫০
ওস্তাদ, চালিয়ে যান। নিয়মিত লেখেন প্লিজ, ভ্রমর কাহিনীটা নেক্স বইমেলায় যেন প্রকাশ করতে পারি।
আর হ্যা লেখায় সৌন্দর্যের বর্ননার সাথে ইতিহাসটা জুড়ে দেয়া ঠিক আছে। ভূগোলও ঠিক। সাথে নৃতত্ত্বটা দরকার। আর ইতিহাস এবং ভূগোল আরেকটু ডেসক্রিপটিভ লাগবে। আবারও ধন্যবাদ
50145
বরিশাল থেকে কায়েস লিখেছেন, ০৬ মার্চ ২০১১; রাত ০২:০৫
ভাল লাগল। এমন লেখা পড়ে অনেক ছাত্রই নিজেদের গুছিয়ে নিতে পারবে এবং অপসংস্কৃতি ও মাদক ছেড়ে পড়াশোনায় মন দিবে।
50153
স্লোভেনিয়ার লুবলিয়ানা থেকে আব্দুল হামিদ লিখেছেন, ০৬ মার্চ ২০১১; রাত ০২:৪১
লেখককে ধন্যবাদ। নিয়মিত হলে জাতি অনেক ভাল লেখা উপহার পাবে। সেপ্টেম্বরে স্পেনে আসছি ইনশাআল্লাহ।
50158
bilbao,Spain থেকে shahabul Haque লিখেছেন, ০৬ মার্চ ২০১১; রাত ০২:৪৮
Thank u very much my dear Mustaq ,Oqila and Latif via for your appreciation and comments. yes i will try to continue.
50160
Madrid, Spain থেকে Rashed লিখেছেন, ০৬ মার্চ ২০১১; রাত ০৩:৩৯
It is really a Good writing. WC to Spain. Spain is really nice country. Plz visit madrid also. A number of people are living here.
50164
ঢাকা থেকে জসিম লিখেছেন, ০৬ মার্চ ২০১১; বিকেল ০৫:২৫
সাবু তোমার লেখা নয় যেনো তোমাকে দেখছি।

তুমি কি স্পেন না সুইজারল্যান্ড এ।
50255
ঢাকা থেকে জসিম লিখেছেন, ০৭ মার্চ ২০১১; দুপুর ০২:২৮
সোনারবাংলা কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি তারা যেনো সাবুর লেখা নিয়মিত প্রকাশ করার উদ্যোগ নেয়। আরো অনুরোধ রইল তার একটা ছবি যেনো সাথে সেঁটে দেয়া হয়। ছবি দেখে মনে পড়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুখের দিনগুলো। ‌‌‍"কফিহাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই"
50352
১০
Dhaka থেকে mizan লিখেছেন, ০৭ মার্চ ২০১১; বিকেল ০৪:৩৮
, good but too small.
50369
১১
আমেরিকা থেকে আশিক লিখেছেন, ০৮ মার্চ ২০১১; রাত ০১:০৯
খুব ভালো লাগলো। চিন্তাশীল আরো লেখা চাই। সমকালীন সমাজ, সমস্যা, ইস্যুগুলো নিয়ে লেখা চাই।
50413
১২
শাবিপ্রবি, সিলেট থেকে সুমন আখন্দ লিখেছেন, ০৮ মার্চ ২০১১; সকাল ০৮:৫৩
প্রিয় সাবু,
এই চরম বৈরী দিনগুলোতে তোমাকে মিস করছি! লেখাটি ভাল, নিয়মিত পাব আশা করি।
50425
১৩
vitoria-gasteiz,spain থেকে ুৃsayem লিখেছেন, ০৯ মার্চ ২০১১; রাত ০৩:৪০
sir, i live near of bilbao in vitoria.here also smae as bilbao.i hope u will come in vitoria to visit n enjoy spanish primavera.
50488
১৪
ঢাকা থেকে রোকন উদ্দিন লিখেছেন, ০৯ মার্চ ২০১১; সকাল ১০:৩৯
আপনার ঝরঝরে লেখা পড়ে খুব ভালো লাগলো সাবু ভাই। আরো ভালো লাগলো আপনার স্কলারশিপের খবর জেনে। ভাল থাকবেন।
50504
১৫
London থেকে Nurunnabi লিখেছেন, ১১ মার্চ ২০১১; সকাল ০৬:৫১
Good writing, but u could have made it bigger, then we could have enjoyed more. Plz visit Granada and write something for us. Brother Rashed, can I have ur e-mail address as I am planning to visit Madrid.
50680
১৬
spain থেকে shahabul Haque লিখেছেন, ১১ মার্চ ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫১
Thanks all including Nurun nabi,Rokon via,Mizan,Jashim,Rased,sayem,Sumon via, Asik, Hamid via and Kayes for reading my write up and comments also,i will try to continue my writing...............
50707
১৭
কুয়ালালামপুর থেকে তারিক রিদওয়ান লিখেছেন, ১৪ মার্চ ২০১১; সকাল ১১:৪০
স্পেন আমার কাছে একটা স্বপ্নের দেশ, বেশ ক'টি কারণে। তার মধ্যে একটি কারণ হলো ফুটবল! স্প্যানিশ লীগের খেলা দেখতে দেখতে এই দেশের প্রায় ১৫-২০ টি বড় শহরের নাম এমনিতেই মুখস্ত হয়ে গিয়েছে। বিলবাও এর ব্যাপারেও জানি, এই শহরের সবচাইতে বড় ক্লাব হলো অ্যাথলেটিকো বিলবাও! সময় পেলে ঘুরে আসবেন ভাইয়া!

আর এ ধরনের আরো লেখা চাই!
50928
১৮
কুয়ালালামপুর থেকে তারিক রিদওয়ান লিখেছেন, ১৪ মার্চ ২০১১; দুপুর ১২:১১
স্পেন আমার কাছে একটা স্বপ্নের দেশ, বেশ ক'টি কারণে। তার মধ্যে একটি কারণ হলো ফুটবল! স্প্যানিশ লীগের খেলা দেখতে দেখতে এই দেশের প্রায় ১৫-২০ টি বড় শহরের নাম এমনিতেই মুখস্ত হয়ে গিয়েছে। বিলবাও এর ব্যাপারেও জানি, এই শহরের সবচাইতে বড় ক্লাব হলো অ্যাথলেটিকো বিলবাও! সময় পেলে ঘুরে আসবেন ভাইয়া!

আর এ ধরনের আরো লেখা চাই!
50932
১৯
সাভার,ঢাকা,বাংলাদেশ থেকে আব্দুল হামীদ আল ফয়সাল লিখেছেন, ১৯ মার্চ ২০১১; রাত ০৯:১৩
আপনার লেখা খুব ভাল হয়েছে।এ রকম লেখা নিয়মিত লেখবেন। আশাকরি।
51371
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy