বুধবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ৩০ মে ২০১২; দুপুর ১২:২৬ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

পুরনো কলাম

 
ওরা মানুষ না, ওরা ট্রিগার বাহিনী (৭ ই জানুয়ারী হোক ‘ফেলানী দিবস) (২২/০১/২০১১)
উইকিলিকের চোখে মিডল ইস্টঃ “সাপের মাথা কেটে দাও” (০৬/১২/২০১০)
জি-২০ সম্মেলন ঘিরে টরন্টোতে যা দেখলাম (১৭/০৭/২০১০)
ওবামার ভিয়েতনাম (১৫/১২/২০০৯)
এ লজ্জা চাই না (০১/১১/২০০৯)
ইমিগ্রেশন টু কানাডাঃ স্বপ্ন ও বাস্তবতা (০১/০৮/২০০৯)
দুই জোটেরই 'পূনর্জন্ম' অতীব জরুরী (১৬/০৭/২০০৯)
মন্ত্রীদের সত্য কথা বলতেই হবে (১৫/০৬/২০০৯)
তামিল রাষ্ট্র গঠন স্বপ্নই থেকে গেল (০১/০৬/২০০৯)
দূঃসময়ের সাক্ষী (১৫/০৩/২০০৯)
‘শান্তির স্বপ্নে’ও প্রেতাত্মার থাবা (০৬/০২/২০০৯)
শুরু হলো পথ চলা (গল্প) (০১/১১/২০০৮)
খোলা চিঠি
ফিনিক্স পাখি এবং দুই নেত্রী (৩০/০৯/২০০৮)

সুরক্ষা স্বাধীনতা এবং সীমান্তে 'পাখির ছানা' (১৬/০৯/২০০৮)
মানুষ খুঁজে পাওয়া গেল ব্রাজিলের জংগলে (০১/০৯/২০০৮)
রাহুল গান্ধীর বাংলাদেশ সফর এবং আমাদের ‘বস্তি-দর্শন’ কালচার (১৬/০৮/২০০৮)
এক নরক শিবিরের কাহিনী (০১/০৮/২০০৮)
পঁচিশ বছরেও মিশরে জরুরী অবস্থার শেষ হলো না (০১/০৭/২০০৮)
আপনাদের উচিৎ আমাকে উপেক্ষা করা (০১/০৬/২০০৮)
আগের লেখা
1707


ওরা মানুষ না, ওরা ট্রিগার বাহিনী (৭ ই জানুয়ারী হোক ‘ফেলানী দিবস)

শাহীন সিদ্দিকী

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ওদের নাম দিয়েছে, "ট্রিগার হ্যাপি" বাহিনী, কানাডার ভাষায় "anti-human, violent unit that is engaged with systematic attacks on civilian (অর্থাৎ, অমানুষদের এক জংগলে বাহিনী যারা পদ্ধতিগতভাবে সাধারণ মানুষদের উপর হামলা করে বেড়ায়)" সূত্রঃ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ডিসে. ১১, ২০১০। কানাডিয়ান হাইকমিশনার বিএসএফ নামক এই বর্বর বাহিনীর এক জওয়ানের ইমিগ্রেশন আবেদন বাতিলও করে দিয়েছিল ওই অভিযোগ (হিন্দুস্তান টাইমস, মে ১১, ২০১০)। ভিজিট ভিসা পর্যন্ত ইস্যু করেনি। শেষমেষ লবিং করে ইন্ডিয়া। পরাজিত হয় মানবতা। এক দংগল ইন্ডিয়ান কাম কানাডিয়ান এমপি এগিয়ে আসে। কানাডিয়ান পার্লামেন্ট উপর্যুপরি দাবীর প্রেক্ষিতে সেই আইন আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। আর রাখবেই বা না কেন? যার ঘোড়া তার ঘোড়া না, চেরাগ দাদার ঘোড়া! যেদেশের মানুষদেরকে পাইকারী হারে হত্যা করা হয়, সেদেশের অভিবাবকদের কি চমৎকার ভূমিকা? গলায় গলায় দাসত্বের বন্ধুত্ব! শুধু কি তাই? আজ পর্যন্ত এমন একটা সাইটও দেশপ্রেমিক বাংলাদেশী জনতা করতে পারেনি, যেখানে এই বর্বরতার কাহিনীগুলো জমা আছে। যা দেখালে আন্তর্জাতিক বিবেক কেঁপে উঠবে। আমাদের এমন দেশপ্রেম সত্যি পৃথিবীতে বিরল!

যে ‘ইসরাইল-ফিলিস্তিনী সীমান্ত’ কিলিং জোন নামে দুনিয়া জোড়া খ্যাত, সেখানেও এত মানুষ হত্যা হয়না। উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ায় তো সারাক্ষণ যুদ্ধাবস্থা লেগেই থাকে। গেল বছর ২৪ নভেম্বরে উত্তর কোরিয়ার এক শেল আঘাত হানে প্রতিপক্ষের দেশে। ফলে দুইজন দক্ষিণ কোরিয়ান নিহত হয়। সারা দুনিয়ায় হৈ চৈ শুরু হয়ে যায়। জাতিসংঘ থেকে শুরু করে উন্নত দেশসমূহের কড়া প্রতিবাদের বন্যা বইয়ে যায়।
এক দেশের সাথে আরেক দেশের সীমান্ত থাকবে এটাই স্বাভাবিক। অবৈধ অনুপ্রবেশ কোন সীমান্তে নাই এমন নজির কেউ দেখাতে পারবে না। ভাগ্যের অন্বেষণে মানুষজন বৈধ অবৈধ পথে প্রতিবেশী দেশে পাড়ি জমায় এটাই নির্মম বাস্তবতা। এজন্য প্রায় প্রতিটি দেশেরই সীমান্ত ভাগাভাগি নিয়ে ঝামেলা রয়েছে। এর জন্য সীমান্ত আইন রয়েছে। স্মাগলিং বন্ধে অপরাধীদের ধরে এনে আইনের আওতায় নিয়ে আসার বিধানও আছে। কিন্তু এভাবে নির্বিচারে সাধারণ নাগরিকদের লাশের পর লাশ ফেলা হবে, আর কোনদেশের নৃপংশক সরকার চুপ করে বসে থাকবে এটা কল্পনারও অতীত! বিশ্বে একমাত্র বাংলাদেশই এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম।

সীমান্ত রয়েছে কানাডা-আমেরিকার, আমেরিকা - মেক্সিকোর, চীন-ভারতের, আবার ভারতের সাথে সীমান্ত রয়েছে তার অজাতশত্রু পাকিস্তান ও কাশ্মীরের। কিন্তু ট্রিগার হ্যাপিদের হাত ওদিকে উঠেনা। কারণ? হাত টেনে ছিঁড়ে দেয়ার ক্ষমতা সেসব দেশের রয়েছে।

গত বছর জুন ৭-এ আমেরিকান এক ‘বর্ডার পেট্রোল এজেন্ট’ র গুলিতে কয়েক মেক্সিকান কিশোর নিহত হয়। কিশোরটির বয়স ঠিক ফেলানীর সমান - মাত্রপনেরো। মেক্সিকান প্রান্তে মাথায় গুলি লেগে জোয়ারেয নামক ছেলেটির করুন মৃত্যু হয়। এক মৃত্যুতেই ইউএস-মেক্সিকো সম্পর্কে মারাত্মক টান পড়ে। দক্ষিণ আমেরিকার এক গরীব দেশ হল মেক্সিকো। কিন্তু আত্মসম্মানবোধে তারা আমাদের চেয়ে হাজার গুন এগিয়ে। মেক্সিকোর ক্ষিপ্ততায় আমেরিকা ভড়কে যায়। এটর্নী জেনারেল এরিক হোল্ডার ঘটনার দ্রুত সিভিল ইনভেস্টিগেশনের ঘোষণা দেন। বলেন, ঘটনাটি ‘এক্সট্রেমলি রিগ্রেটেবল’, অপরাধীকে শাস্তি দেয়া হবে ইত্যাদি। ওদিকে নিহত জোয়ারেযের পরিবার আমেরিকান গভর্ণমেন্ট, সংশ্লিষ্ট সব ফেডারেল এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিয়েছে। খোদ আমেরিকারই এক ল’ফার্ম পরিবারটির পক্ষে মামলা দেখভাল করার দায়িত্ব নিয়েছে।

এক ফেলানীর মৃত্যু সারা বাংলাদেশকে কাঁদিয়েছে। অথচ গত দু দশক ধরে শত শত ফেলানীর মৃত্যু হয়েছে ওই অসুর বাহিনীর হাতে। ২০১০-এ ৭৪, ২০০৯-এ ৯৮, ২০০৮-এ ৬২, ২০০৭-এ ১২০ জন। এভাবে গুণতে থাকলে হিসাবের খাতা বাড়তেই থাকবে। বিচার তো দূরের কথা, অন্ততঃ একটি ঘটনার শক্ত প্রতিবাদও হয়নি।

ইন্ডিয়া যাদেরকে জানের দুশমন বলে জানে, সেসব জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী দলসমূহও এ নিয়ে লাগাতার উচ্চবাচ্য করেনা। হরতাল তো অনেক দূরের কথা! ফেলানীকে নিয়ে কোলকাতার পত্রিকাগুলো যে ভাষায় কথা বলেছে তেমন সুরেও আমাদের নেতারা কথা বলতে ভয় পান। ঢাকার বুদ্ধিজীবিরা ভারতের বুদ্ধিজীবিদের চেয়েও বেশি ভারত প্রেমিক। আনন্দবাজার পত্রিকা ফেলানীর এমন একটি ছবি ছেপেছে যা বাংলাদেশের পত্রিকাগুলোও ছাপতে প্রথমে সাহস করেনি। তুচ্ছ এক প্রস্থ ‘নিন্দা’ শব্দটি উচ্চারণের সিদ্ধান্ত নিতে বাংলাদেশ সরকারের লেগেছে দশদিন।
ভারত ‘গভীর’ অনুশোচনা করে বিবৃতি দিয়েছে মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর (আরটিএনএন, ১৯ জানুয়ারী)। এরকম অন্ততঃ আরো আটবার জুতা মেরে অন্নদান মার্কা ‘অনুশোচনা’ করে বিবৃতি দিয়েছে ভারত। এখানেই শেষ নয়। ফেলানীর লাশ ফেলে দেয়ার পরদিনও বিএসএফের হাতে আরো দু’জন বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। দিনমজুর যুবক শাহজাহানকে গেস্টাপো কায়দায় হাত-পা ভেঙে নির্যাতন করে হত্যা করেছে আমাদের জানের দোস্তরা। শাহজাহানের অপরাধ হলো সে বাংলাদেশ প্রান্ত থেকে ভারত প্রান্তের একজন কৃষকের সাথে কথা বলছিল। তা সহ্য হয়নি বিএসএফের। ধরে নিয়ে লাশ বানিয়ে ছেড়েছে ওরা।

ডাকাতদের গ্রাম নয়, প্রাচ্যের অক্সফোর্ডের ভিসি, অসংখ্য জার্নালিস্ট তৈরীর কারিগর বলেছেন, "বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রক্তের সম্পর্ক রয়েছে। একাত্তরে দুইদেশের সৈন্যদের রক্ত একই সঙ্গে প্রবাহিত হয়েছিল (বিডি ২৪, ১০ জানু’ ১১)।" ফেলানী কাঁটাতারে ঝুলার তিনদিন পর বিদগ্ধ বুদ্ধিজীবিদের পিতা যথার্থই বলেছেন। রক্ত শুধু একাত্তরেই প্রবাহিত হয়নি। এখনো হচ্ছে। কাঁটাতার দিয়ে গড়িয়ে ভারত ভিজিয়ে ঋণ শোধ করছে বাংলাদেশ। ‘বিশ্ব হিন্দি দিবস’ উদযাপনে তিনি ওসব কথা বলেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা বাংলা ও হিন্দি ভাষায় সঙ্গীত পরিবেশন ও কবিতা আবৃত্তিও করেন।

এই সুযোগে আমাদের ভিসি ভারতীয় হাইকমিশনার রাজীত মিত্রকে নিশ্চয়ই দু’কথা শুনিয়ে দিয়েছেন। কেননা তিনি না শুনালে আমাদের হয়ে আর কে শোনাবেন? তিনি নিশ্চয়ই বলেছিলেন, “এভাবে ফেলানীকে তোমরা মারলা কেন? শাহজাহানেরই বা কি অপরাধ ছিল?” তিনি হয়তো আরো বলেছিলেন, এই দেখো আমরা হিন্দি দিবস পালন করি, সারা বাংলাদেশে হিন্দি ফিল্ম ছড়িয়ে দিয়েছি, শাহরুখ খানসহ অর্ধশতাধিক ভারতীয় শিল্পীর উন্মত্ত নৃত্যের সাথে হিন্দীর জয়গান গেয়েছি, কিন্তু তোমরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসেও আমাদের ভাষা নিয়ে দিল্লীতে একটা অনুষ্ঠানও করোনা কেন?

হায়রে বাংলাদেশ?
খুঁজে খুঁজে দিবস পালন করতে জানো। কিন্তু অস্তিত্ব রক্ষার শপথ নিতে একটি দিবসও পালন করতে জানো না? ৭ জানুয়ারী অসংখ্য নাম না জানা ফেলানীদের জন্য একটি ‘ফেলানী দিবস’ করতে কি পারে না বাংলাদেশ?

জীবন্ত ফেলানী গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কাঁটাতারে ঝুলে চার ঘন্টা গোংরায়েছে। ওর গোঙরানোর শব্দ যেন স্বাধীন বাংলাদেশের লাল পতাকার পত পত করে উড়ানো বন্ধ করে দিয়েছে। ‘পানি’, ‘পানি’ বলে চীৎকার করেছে ফেলানী। আর ছ’ঘন্টা পরই ও মেহেদী রাঙা হাত নিয়ে শশুর বাড়ি যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল। অনাগত জীবনের স্বাপ্নিক মেহেদী যেন খুন হয়ে কাঁটাতারের ইথারে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিয়েছে ফেলানী। স্বাধীন দেশে দাঁড়িয়ে পরাধীন নূর হোসেন তার মেয়েকে কাছ থেকে এক বিন্দু পানি দিতেও পারেনি।

বন্ধুত্বের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে আর কি কি লাগবে ভারতের? মুক্তিযুদ্ধের ঋণ শোধ করতে আর কি করতে হবে বাংলাদেশকে? উচ্চসূদে ঋণ, অসম বাণিজ্য চুক্তি, ট্রানজিট দিতে সরকারের শক্ত অবস্থান, পানি বন্টনে উদাসীনতা সব মেনে নিয়েছি। এমনকি বিডিআর ধ্বংস করে বিজিবি করেছি। সে বিডিআর তো আর নেই যে বিডিআর সীমান্তে জমি দখলের সময় অণুপ্রবেশকারী ১৮ জন বিএসএফকে হত্যা করে সীমান্ত অটুট রেখেছিল। ৩ জন বিডিআর হত্যার উপযুক্ত বদলা নেয়ার সেই বাহিনী তো এখন বিএসএফের সাথে একত্রে টহল দেয়। সেনাবাহিনীর চৌকষ অফিসার হত্যা নিয়েও তো আমরা কথা বলছিনা, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের সব স্পর্শকাতর আইটি সেক্টরগুলো ইন্ডিয়ানদের হাতে ছেড়ে দিয়েছি। দাসত্বের প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়তে আর কি কি করতে হবে? আর কত চুক্তি করলে মানুষ হত্যা বন্ধ করবে বিএসএফ?

নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ গত মাসে ‘ট্রিগার হ্যাপি : এক্সেসিভ ইউজ অব ফোর্স বাই ইন্ডিয়ান ট্রুপস অ্যাট দ্য বাংলাদেশ বর্ডার’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে অভিযোগ করে, বিএসফ সদস্যরা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে মানুষ হত্যা করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করা হয় ওই প্রতিবেদনে।

মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীদের হাতে অন্তত ৭৪ জন বাংলাদেশী নাগারিক নিহত ও ৭২ জন আহত হয়েছেন। গত তিন বছরের পরিসংখ্যানে ৩৫৪ জ়ন হত্যা ছাড়াও ২০৬ জন আহত, ২০৪ জন অপহরণ ও ২২৯ জনকে পুশইন করা হয়েছে। নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ গত মাসে ‘ট্রিগার হ্যাপি : এক্সেসিভ ইউজ অব ফোর্স বাই ইন্ডিয়ান ট্রুপস অ্যাট দ্য বাংলাদেশ বর্ডার’ শীর্ষক প্রতিবেদনে অভিযোগ করে, বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে মানুষ হত্যা করেও পার পেয়ে যাচ্ছে। হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিচার হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করা হয় ওই প্রতিবেদনে। ৮১ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১০ বছরে কেবল পশ্চিম বঙ্গসংলগ্ন সীমান্তেই ৯০০ জনকে হত্যা করেছে বিএসএফ সদস্যরা। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ২১৬ দশমিক ৭ কিলোমিটার। (মানবজমিন, জানু ১৮)

প্রতিবেশীদের সাথে ঝগড়া করতে চায়না বাংলাদেশের জনগণ। রাহুল গান্ধীর সফর নিয়ে আগের একটা লেখায় আমি তা উল্লেখ করেছি। ভারতের সাম্প্রতিক উন্নয়ন থেকে বাংলাদেশের অনেক কিছু শিক্ষার রয়েছে তাও লিখেছি। বাংলাদেশ সরকারের উচিত অবৈধ অনুপ্রবেশ জরুরী ভিত্তিতে বন্ধ করতে সীমান্তে কিছু নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা। কারণ, ঘৃণ্য রাজনীতির চোরাবালিতে আটকে পড়া এত মৃত্যুর ভর সইতে পারবে না বাংলাদেশ। টিপু সুলতান বলেছিলেন, “শৃগালের মত হাজার বছর ধরে বেঁচে থাকার চেয়ে সিংহের মত একদিন বাঁচাও ভাল।” ভারতের সাধারণ জনতাও যেসব মৃত্যুর ভার নিতে চায়না, বাংলাদেশ তা নিবে কেন? বন্ধ্যা রাজনীতির বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে তরুণরাই পারবে এর চরম প্রতিশোধ নিতে। সারা বিশ্বকে তারা জানিয়ে দিবে প্যালেস্টাইন-ইসরাইল নয়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তেই আবালবৃদ্ধবণিতার লাশ প্রতিদিনকার গল্প। মানব-বন্ধন, ব্লগিং-ফেসবুক তথা অবিরাম ইন্টারনেট যুদ্ধ ভারতকে ঠিকই একদিন ভাবিয়ে তুলবে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তরুণেরাই ধাড়ি রাজনীতিকদের লাথি মেরে একদিন ঠিকই আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে হত্যাকারী, মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত এসব বিএসএফ সদস্যদের দাঁড় করিয়ে ছাড়বে।

- লেখক প্রাক্তন বুয়েট গ্রাজ্যুয়েট। কানাডা প্রবাসী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। কানাডা থেকে। ইমেইলঃ shahin72@gmail.com
http://www.sonarbangladesh.com/articles/ShahinSiddiquee
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
ঢাকা থেকে আবির লিখেছেন, ২২ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৮:৫৭
ফাটাফাটি লেখা।
46428
আপনার সাবেক বাসস্থান :) থেকে আবু মাহফুজ লিখেছেন, ২২ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৯:২০
হেই শাহিন ভাই, সালাম সালাম হাজার সালাম। কিতা খবর, আপা খাবার, হাউ আর ইউ ম্যান, ওয়াস সাপ। আপনারে অনেক দিন দেখিনা ম্যা.. ন। ভাল আছেন? ভাবী বাচ্চারা কেমন? ডেট্রয়েটের কথা মনে আছে। সেই নদীর পাড়ের ছোট্র শহরটি, এই পাড়ে আমি আর ঐ পাড়ে তুমি। এই পাড়ে আমেরিকা আর ঐ পাড়ে কানাডা, ডেট্রেয়েট, আসলে ছোট্র বললেও ছোট নয় আমাদের এই ডেট্রয়েট। ডেট্রয়েটের ইস্ট সাইড থেকে ওয়েস্ট ড্রাইভ করে যেতে ৩৫ থেকে ৪০ মিনিট লাগবে ম্যান।
সেই যাক প্যাচাল রাখি ম্যান, কেমন আছেন? আমি আসলে ভাল আছি। আলহামদুলিল্লাহ খুব ভাল, আলহামদুলিল্লাহ। রাজনীতির গুল্লি মারি আই মিন এট লিস্ট আপাততঃ হা হা.. রাজনীতি এমন একটা বদ খাসলত যে, এই ডিজিজ যার মধ্যে ঢুকে তার আর নিস্তার নাই। আর শালার এমন জঘন্য রোগ যে মারেও না মরেও না। ক্যান্সার, কলেরিয়া ইভেন এইডস এ তো মরন আছেন। রাজনীতির রোগে কিন্তু মরন ও হয়না।
না, তবে সত্যি সত্যি, আমি আপনাদের মত হয়ে গেছি। অক্টোবরে ২০১০, নতুন চাকরিতে জয়েন করেছি। সফটওয়্যার কোয়ালিটি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। ভেলাসিস এ, রেডপাম ডট কম। ইউ এস, কানাডা, মেক্সিকো এবং কিছু ইউরোপিয়ান দেশের মায়ার, ক্রুগার আমাদের ক্লায়েন্ট, ৪৫ হাজারের বেশি স্টোর আমাদের আছে।
ভাল হয়ে যাচ্ছি সকাল ৬টায় উঠি ব্যায়ামে যাই, তারপর সোজা আমার ডেস্কে। সেল ফোন অফ করা নাই তবে প্রায়শই সাইলেন্টে থাকে। তবে পাশাপাশি আমি কংগ্রেসম্যান জন কনিয়ারের সাথে ভলান্টিয়ারলি কম্যুনিটি লিয়াঁজো হিসেবে কাজ করছি। আল হামদুলিল্লাহ ডেভিড বোনিওরের মতই তার সাথে আমার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তাছাড়া ডেট্রয়েট কাউন্সিলম্যান কেন ককরেলের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখছি। এই আমার রাজনীতির গন্ডি আপাততঃ। চাকুরীই আর বাসাই এখন আমার মূল । কম্যুনিটি? অযথা এ জাতি কবে মানুষ হবে জানি না।
আলহামদুলিল্লাহ চাকুরীতে ভাল আছি। নতুন নতুন সফট্ওয়্যারে কাজ করছি, নিত্যদিন শিখছি। মাইক্রোসফটের প্রায় প্রয়োজনীয় সবগুলো প্রোডাক্টই আমার ইউজ করি ইনক্লুডিং ডট নেট। বিসাইড, ওরাকল, এবং সিকিউল / এস.কিউ.এল ইউজ করি।
নতুন বাড়ী কিনলাম নভেম্বরে। নতুন বছরে নতুন টিভি কিনলাম, ৪৭ ইঞ্চি, এল ই ডি, এল. সি, ডি লেটেস্ট। ব্যাস, বাসায় বসে ইন্টারনেট, ফেইসবুক, টিভি। ঘরের টুকি টাকি। ব্যাক্তিগত জীবনকে গোছানোর চেষ্টা করছি।
পত্রিকা এখনো চালাচ্ছি। তবে জানেন তো প্রিন্ট মিডিয়ার এখন দুর্দিন। আরো দুর্দিন আসছে। ২০১৭ সাল নাগাদ নাকি নিউ ইয়র্ক টাইমস ও বন্ধ হয়ে যাবে। তাই পত্রিকার দিকে তেমন মনযোগ দিচ্ছি না। তবে লেখা বাতিক যেহেতু আছে তাই এটাতো আর বন্ধ করা যায় না! তবে এটাকে কিভাবে ডিজিটালাইজড করা যায় ভাবছি।
আরো আরেক কথা, আমি এখানে একটি লোকাল টিভিতে আমি একটা টক শো চালু করার কথা ভাবছি। প্রাথমিক কথা বার্তা বলে ফেলেছি। খরচ কিভাবে ম্যানেজ করবো সেটাই এখন ব্যাপার।
ওহ মাই গড অনেক লিখলাম। আজ যাই। অনেকদিন পর আপনার লেখা দেখে ভাল লাগলো তাই আনমনে কতক্ষণ কী বোর্ডে গুতাগুতি করলাম। এখন তো আর কলম নিয়ে গুতাগুতি করার যুগ নাই। তবে আমি কিন্তু এখনো কলম কিনি, অনেক কলম কিনি আর বেশীর ভাগই হারিয়ে ফেলি। কলমকে এখনো আমি ভালবাসি। সত্যি এটা আমার রোগ হয়ে গেছে। এমনকি কখনো যদি আনমনে কাগজে খচখচ করি তখন নিজের অজান্তেই কলম শব্দটা লিখি। একটা তাজ্জবের ব্যাপার।
শাহিন ভাই দোয়া করবেন। অতীতকে অনেক মনে পড়ে। সালাম
46434
রিয়াদ সৌদিআরব থেকে হারিছ মল্লিক লিখেছেন, ২২ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৯:৪২
ভাই এ সরকারতো ইন্ডিয়ার সাথে নাকেখত দিয়া ক্ষমতায় এসেছে.তারা একটা কেন আরও শত শত ফেলানীর লাশ কাঁটাতারে ঝুলে থাকলেও এই সরকারের মূখ থেকে একটি কথাও বের হবেনা. আবার এই সরকারকে বলা হয় মুক্তিযুদ্দের স্বপক্ষের শক্তি. আমার মতে এটা না বলে বলা উচিত ছিল দাসত্বের স্বরক্ষের শক্তি.
46438
কানাডা থেকে ড.সাইফ আল দীন লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:১০
একজন চোরাচালানীকে নিয়ে দিবস!!

বাংলাদেশীরা কি পচে গেছে??
46458
United Arab Emirates থেকে Mijanur Rahman লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৫:৩৬
ড.সাইফ আল দীন, ভাই কে বলছি,
হ্যা বাংলাদেশীরা মরেই গেছে, কারন বর্তমান সরকারের কাছে যেন জনগন মৃত, আর তার কারনেই এই সরকারের আমলে এই সমস্ত অমানবিক কর্মকান্ড ক্রমশ বেড়েই চলছে আর চলছে, তরা ক্ষমতায় আসলেই যেন চারদিকে শুধু কাটা কাটি, মারা মারি, চিনতাই, ডাকাতি, মনে হয় যেন আল্লাহর গজবে সব ধ্বংশ হয়ে যাচ্চে। ..............................
46488
ঢাকা থেকে আনোয়ার লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৬:৫৮
দারুণ লিখেছেন!! কিন্তু যাদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন,আমাদের সেই শাসকগোষ্ঠিতো মেরুদণ্ডহীন, দাসখত দিয়ে ক্ষমতায় বসেছেন। কাজেই ইচ্ছা থাকলেও উপায় নাই। আজীবন না হলেও অন্তত ২০২১ সাল পর্যন্ত থাকতে হবে, তাই মুখে কুলুপ না আঁটলে অসুবিধা আছে।
46495
কানাডা থেকে ফজলুল হক লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:৩৬
কানাডা থেকে ডঃ সাইফ আল দীনকে-----

ফেলানী চোরাচালানী না। সে তার বাপের সাথে ভারতের সাইডে ইট ভাটায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করত। সীমান্তে এরকমই ঘটছে। এটাকে বলে অবৈধ অনুপ্রবেশ। তার শাস্তি গুলি করে কাঁটা তারে ঝুলিয়ে রাখা না।

চোরাচালানীরা মরে না। তারা মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে এই কম্মটা সারে। তাদের অনেক কদর বিএসএফের কাছে।

আপনাকে পড়ালেখা করে ডঃ হতে হবে, চোরাচালানী করে যারা ড. হইছে তাদের এই অবস্থা। তাদের এক কানা ও এক চোখ বন্ধ থাকে।
দুই চোখ, দুই কান খোলা রেখে পড়ালেখা করুন। উত্তর পেয়ে যাবেন।
46503
ঢাকা থেকে পাঠ প্রক্রিয়া লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১০:০৪
ভারত আমাদের পাখিও ভাবে না : আর কোনো ফেলানী নয়
http://sonarbangladesh.com/blog/pathokk/21312

http://www.somewhereinblog.net/blog/pathokk/29306277
46508
রিয়াদ, সৌদি আরব থেকে নুর লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১১:০৫
কানাডা থেকে ড.সাইফ আল দীন ৪কে
আপনার মতো মানুষ যে দেশে আছে সে দেশের মানুষ যে পচে গেছে এতে আর সন্দেহ নেই।
46512
১০
মিসিসাগা-ওন্টারিও, কানাডা। থেকে ডাঃ আলিমুদ্দিন লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১১:১২
কানাডা থেকে ফজলুল হক @৭.....................কে,

রাতের অন্ধকারে যে অবৈধ পথে বেড়া টপকায় তাকে নিয়ে দিবস!! কারন সে BSF এর গুলিতে নিহত। ভারত বিরোধী পাকি দরদ বটে!!!!!
২০০২ এ রেব বাহিনী গঠন করে যে হত্যাযজ্ঞ হয়েছে তাদের জন্য কি কোন দিবস নেই ??? অপারেশন ক্লিন হার্টের নামে যে হত্যাজ্ঞ হয়েছে তাদের জন্য কি কোন দিবস নেই????
পত্রিকায় খবর এসেছে, সম্প্রতি ঢাকার কল্লানপুরে এক যুবক রাত তিনটায় অবৈধ ভাবে ওয়াল টপকাতে যেয়ে বাড়ীওয়ালার হাতে ধরাপরে। আতপর এলাকা এলাকাবাসীর গনপিটুনিতে ঐ যুবকের মৃত্যু।

ঐ মৃত যুবকের জন্য কোন দিবস আছে কি??????? ধন্যবাদ।
46514
১১
Canada থেকে Prince লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:২৩
ডাঃ আলিমুদ্দি@ ১০ কে ধন্যবাদ। সহমত।

গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে তিনবিঘা কড়িডোর আর ফেনালিকে নিয়ে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষনা বাংলাদেশের জন্য এক পয়সার কল্লানও বয়ে আনবে না। এতে বরংচ পাকি রাজনীতি পাকাপোক্ত হবে। তালেনাব রাজত্ব কায়েম হবে। বাংলাদেশ ইছ্ছা করলেই প্রতিবেশী পরিবর্তন করতে পারে না। সুতরাং জেহাদের বদলে প্রতিবেশীর সাথে সুসম্পক্য গড়ে তুলতে হবে। ধর্মের নামে ভারত বিরোধীতা এই গ্লোবে এখন অচল। একটু ভেবে দেখেন, বাংলাদেশ কোথায় গিয়ে ঠেকেছে!! দরিদ্র বাংলাদেশীরা কমদামে চাল/ডাল/নুন/পেয়াজ কিনতে সীমান্তের ওপাড়ে যেতে বাধ্য হয়। কাজের সন্ধানে দিল্লীর ইটাভাটায় যেতে হয়। অন্য দিকে সীমান্ত এলাকার লক্ষ্য লক্ষ্য বেকার নারী/পুরুষ উচ্চ মুনাফার লোভে চোরাচালানের সাথে ভিষন ভাবে জরিত আছে । মাদক/অস্ত্র/নারী,শিশু/......... পাচারের মত গহির্ত/সর্বনাশা কাজে এরা লিপ্ত । চোরাচলান বন্ধে ভারত তার সীমান্তে কাঁটাতাড়ের বেড়া দিয়েছে । কিন্তু বাংলাদেশের পাকি রাজনীতিবিদরা একসময় এই বেড়ার বিরুদ্ধেও রাজনীতি করেছে (এখন অবশ্য ঠান্ডা)। ভারতের সাথে বাংলাদেশবাদেও পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ভূটান ও মায়ানমারের কমন বর্ডার । কিন্তু কোথ্থাও কাঁটার বেড়া নেই। বেড়া শুধু বাংলাদেশ সীমান্তে। আনুরুপ ভাবে আমাদের আরেক প্রতিবেশী মায়ানমারের সাথে পাঁচ প্রতিবেশীর কমন বর্ডার, কিন্তু বেড়া শুধু বংগাল মুলুকে। বাংলাদেশী চোরাচালানীর উৎপাত কতটা ব্যাপক হলে আমাদের প্রতিবেশীরা এ ধরনের বেড়াদিতে বাধ্য হয়।

ফেলানীকে নিয়ে কেউ কেউ দিবস রচনার আহব্বান জানিয়েছেন । অথচ এই ফেনালী পরিবারের বিরুদ্ধে চোরাচানানের অভিযোগ আছে। এই পরিবার এর আগেও বহুবার সীমান্তে এধার/ওধার করেছে। সাংবাদিকরা জানিয়েছে, ভারত এই পরিবারের সেকেন্ড ঠিকানা। চোরের দশদিন গৃহস্থের একদিন। আর ঐ দিনটি হছ্ছে ৭ই জানুয়ারী। ক্যানেডিয়ান রা কানাডা ডে পালন করে আর আমরা পালন করব মইদিয়ে বেড়া ডিঙ্গানো ফেনালী ডে!!!!! মানুষের বুদ্ধি কতটা অসুস্থ এবং স্থুল হলে এ ধরনের চিন্তা মাথায় আসে।

ডাঃ আলিমুদ্দিন @১০, পিনপয়েন্ট ইন্টারসেপ্ট করেছেন। পত্রিকার ঐ খবরটি আমিও পড়েছি। যে দেশে ২৪ বছরের বেকার যুবক সিরাজগঞ্জের রমজান আলী সামান্য ইটের দেয়াল অবৈধ ভাবে ডিঙ্গানোর অভিযোগে এলাকাবাসীর গন পিটুনিতে নিহত হয় সেই দেশে ফেনালীকে নিয়ে দিবস রচনার ডাক!!!!!!! এই তো গেল এক রমজান আলীর কাহিনী। কিন্তু এরকম আরো বহু রমজান আলী প্রতিদিন গনপিটুনিতে মারা যায়। কে রাখে তার খবর।

ভারত বিরোধী পাকিরা কতটা রাজনৈতিক মতলববাজ হলে এ ধরনের তালেবানী জেহাদ আহব্বান জানাতে পারে!!!

ধন্যবাদ সবাইকে।
46530
১২
জাপান থেকে আহমেদ ইমতিয়াজ লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:৩৯
শাহিন ভাই
অপূর্ব, খুব সুন্দর হয়েছে। কিন্তু আস্ত আস্ত বাঁশও ক্ষমতাসীন দল দিব্যি হজম করে ফেলছে। তবুও আপনার এই উদ্যোগ অন্যায়ের বিরুদ্ধে জনমত তৈরীতে ফল দিবে আশা করি। ধন্যবাদ।
46531
১৩
ঢাকা থেকে হীরক রাজা লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:৩৩
খুবই ভাল লাগল । কিন্তু আমদের যুব সমাজকে ভারতীয় পণ্য বর্জনে উদ্ভুদ্ধ করতে হবে । এর জন্য জেহাদের দরকার নাই । নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া আমরা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ভাবে ভারতীয় পণ্য বর্জন করলেই ব্যাটাদের বারোটা না বাজলেও ছয়টা বাজবে । ফেলানিকে নিয়ে লেখা ইট ইজ ওয়ান অব দি বেস্ট রাইটিং । লেখকে অশেষ ধন্যবাদ ।
46537
১৪
wichita,Kansas থেকে Obaed লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৪৪
''খুঁজে খুঁজে দিবস পালন করতে জানো। কিন্তু অস্তিত্ব রক্ষার শপথ নিতে একটি দিবসও পালন করতে জানো না? ৭ জানুয়ারী অসংখ্য নাম না জানা ফেলানীদের জন্য একটি ‘ফেলানী দিবস’ করতে কি পারে না বাংলাদেশ''

Of course shahin vai ,We have to go forward .There will be some shamless people all the country like Dr. Saife ali .Those Dr. can not see the reality .I am very much impressed with your idea brother shahin.Please comeforward everybody and take some positive action and comments.Do we want to see more Felany ?????????????????
46548
১৫
কানাডা থেকে ড. কালাম এ. মীর লিখেছেন, ২৩ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৮:৫৮
প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মিনার (দুর্গ) গড়া বাংলাদেশকে কোথাও তো শুরু করতেই হবে। একটা একটা পাথরে মিনারের ভিত্তিও গড়তে হবে।

ফেলানির 'মৃত্যু দিবস ও স্মরণ' হোক এই মিনারের প্রথম ভিত্তি প্রস্তর!

একটি অসাধারণ লেখার জন্য লেখককে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ!
46555
১৬
Kuwait থেকে ইকবাল হোসেন লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:২২
Canada থেকে Prince ১১
BAL আসা দিবস থেকে BAL যাওয়া দিবস, BAL হনুমান দিবস, ব্যাঙ দিবস থেকে সর্প দিবস, নিরামিষ দিবস থেকে আলু দিবস, হিন্দি দিবস থেকে চন্ডি দিবস, আরো কত দিবস আছে বাংলাদেশ বিরোধী ইন্ডিয়ার দালালদের শুধু ফেলানি স্মরণে দিবস করতে বললেই ব্যাথা শুরু হয়।
46578
১৭
সিংগাপুর থেকে সিংগাপুরি লেবার লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:৩৮
ঢাকা থেকে হীরক রাজা,

যে দেশের যুব সমাজ ফেনসিডিল নেশায় ভূত , যে দেশের যুব সমাজ নৌকায় চড়ে কাজের সন্ধানে অবৈধ পথে আটলানটিক পাড়ি দেয়, যে দেশের যুব সমাজ কম দামে চাল কিনতে সীমান্তের ও পাড়ে যায়, যে দেশের যুব সমাজ একটা আমেরিকান জাল ভিসার জন্য বাপদাদার ভিটামাটি বিক্রিকরে.................. তাদের নিয়ে বর্জন আন্দোলন!!!!
46581
১৮
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৮:৩৬
@ ১৩/ঢাকা থেকে হীরক রাজা ............... কে,

ভারতীয় পণ্য বর্জন !!!!!!!!!

রাজা সাহেব, কে কার ১২ টা বাজায়!!!!

বাংলাদেশে তৈরি শাড়ী, গামছা, লুঙ্গীর গায়ে " MADE IN INDIA" সীল না থাকলে কাস্টমার পাওয়া যায় না।
ধন্যবাদ।
46593
১৯
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:২৩
আপনার অসাধারণ কলম পড়ে আমার রক্ত ঠগবগ করে উঠেছে
টিপু সুলতান বলেছিলেন, “শৃগালের মত হাজার বছর ধরে বেঁচে থাকার চেয়ে সিংহের মত একদিন বাঁচাও ভাল।” এইটায় হল বীরের কথা এইটায় হল বীর মুসলমানের কথা, এর উপর যদি প্রতিটি মুসলমান থাকতে পারে তা হলে মুসলমান জাতি হারানো গৌরব আবার ফিরে পাবে।

শাহীন সিদ্দিকী সাহেব কে সোনার বাংলায় আরো কলম দেওয়ার জন্য অনুরোধ রহিল। আপনাদের মত সূর্য সন্তানরা জাতির হাল ধরা চাই তা হলে জাতি সঠিক পথে পরিচালিত হবে বলে মনে করি, বর্তমান যারা রাজনীতিবিদ আছে তাদের কাছে তো তেমন জ্ঞান নাই বললে ভুল হবে না, তবে কিছু অভিজ্ঞতা আছে তাও আবার শয়তানি অভিজ্ঞতা।
ফেলানী তো ঐ মেয়ে যিনি রক্ত দিয়ে জাতি কে বলে গেছেন আজ বাংলাদেশ সার্বভৌমত্বের সংকটে আছে।

কানাডা থেকে ড.সাইফ আল দীন কে ফেরাউনের জন্য যদি দিবস পালন করা হয় তা হলে ফেলানির মত নিষ্পাপ মেয়ের জন্য দিবস পালন করলে অসুবিধা কোথায় ?
আপনাদের মত শিক্ষিত বুদ্ধিজীবিরা যখন বুদ্ধির বিনিময়ে দেশ কে বিক্রয় করে দেন, আর দেশের মানুষ আপনাদের কে ধরতে না পারে, তা হলে বুঝতে হবে বাংলাদেশিরা পুচে গেছে। আপনার ডক্টরেট ডিগ্রীর উপর আমার প্রবল সন্দেহ আছে মনে হয় আপনি কুকুরের লেজের উপর ডিগ্রী নিয়েছেন মনে হয় ?
১০
মিসিসাগা-ওন্টারিও, কানাডা। থেকে ডাঃ আলিমুদ্দিন কে ভারত বিরোধিতা করলে পাকি দরদ হয়ে যায় নাকি ? তা হলে শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, চীন, অাফগানিস্তান (আফগানিস্তান যেই খানে এই পর্যন্ত তিনবার ভারতীয় দূতাবাস উড়িয়ে দিয়েছে) এই দেশ গুলো তো ভারত বিরোধি এই দেশ গুলোর ভিতর পাকি দরদ জন্ম নিয়েছে নাকি ?
লেখক বলতেছে আগরতলা আপনি বুঝেছেন চকিরতলা, লেখক কলম দিয়েছে সীমান্তে হত্যাযজ্ঞ নিয়ে এর ভিতর অন্য বিষয় ((রেব বাহিনীর মাধ্যেমে হত্যাযজ্ঞ হওয়া অপারেশন ক্লিন হার্টের নামে যে হত্যাজ্ঞ হওয়া কল্লানপুরে যুবক নিহত হওয়া )) এনে তালগোল পাখিয়ে পেলেন কেন ? দেশের ভিতর নিহত হওয়া আর অন্যদেশের আগ্রাসনের মাধ্যেমে হত্যা করা যদি একেই বিষয় হয়, গত দুই সাপ্তাহ আগে এক জন ভারতীয় জেলে শ্রীলঙ্কার নিরাপত্তা বাহিনি হত্যা করার দরুন ভারত শ্রীলঙ্কাকে কঠোর হুশিয়ারি উচ্ছারণ করার অর্থটা কি ???
১১
Canada থেকে Prince কে আমার বোন ফেলানীর লাশের উপর দাড়িয়ে আপনার ভেউ ভেউ আর পছন্দ হয় না। আপনি বলেছেন সুসম্পক্য গড়ে তুলতে হবে ভারতের সাথে, আপনার কথিত সুসর্ম্পক্য গড়ে তুলার জন্য আর কত রক্ত দিতে হবে ? পরাশক্তিদের অবিচারের কারনে তালেবানের জন্ম, ভারত সীমান্ত এলাকায় অবিচারের কারনে বাংলাদেশে তালেবানের জন্ম হওয়া বিচিত্র কিছু নয়।
(বেড়া শুধু বাংলাদেশ সীমান্তে। ) আপনার কথাটা সত্য ঐ ব্যক্তির গল্পর মত যিনি শুধু তার র্দুবল স্ত্রী কে পিটায় তাকে জিজ্ঞাসা করা হল আপনি স্ত্রীকে পিটান কেন? সেই উত্তর দিল আমি প্রতিদিন বাহিরের মানুষের কাছে মার খাই তার প্রতিশোধ নিতেছি আমার স্ত্রীর কাছ থেকে। অন্য কোন দেশের সীমান্তে বেড়া দিতে পারে না কেননা বেড়া যারা দিতে আসবে তারা অস্ত্রর আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাবে এই ভয়ে, চীন, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্থানের কাছে ভারতের নানার বাড়ীর আব্দার চলে না ভারতের আব্দার চলে শুধু র্দুবল নেপাল, বাংলাদেশের উপর।
জৌন্তপুর সীমান্তে ভারতীয় চোরদের (৫০০ শতের কম নয়) কে যদি বাংলাদেশের নিরাপত্তা রক্ষিবাহিনি বুলেট দিয়ে শিকার করে ৫০০ ভারতীয় চোরদের লাশ কাঁটাতারের ভেড়ায় ঝুলিয়ে রাখতো তা হলে আপনাদের যণন্ত্রনায় চিৎকারে বাংলাদেশের মানুষকে বঙ্গোভসাগরে ঝপিয়ে পড়তে হতো ?
ডাঃ আলিমুদ্দিন, প্রিন্স সাহেব আপনারা যেই ভাবে তালেবান, পাকি, জিহাদ, এই শব্দ গুলো নিয়ে জপাজপি করতেছেন, আমার মনে হয় আপনাদের মানসিক রোগ হয়েছে, তাই দেরি না করে অতিসত্তর মানসিক ডাকতারের চিকৎসা নেন।
জাহেদ
ধন্যবাদ
46632
২০
London থেকে prince লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৫:৫২
Shame Dr. saif, Dr alimuddin and prince. Human is the best created by Allah. Felani! She also human being.
46642
২১
রাউজান থেকে আশীষ কুমার দে লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫৪
বাংলাদেশ সীমান্তের বেশ কিছু অংশে যেখানে লোকবসতি বেশী সেখানে ভারত বেড়া দিয়েছে, সুন্দরবন বা পার্বত্য চট্রগ্রামে কোন বেড়া দেয় নাই।
46649
২২
ঢাকা থেকে হীরক রাজা লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৮:০৩
সিংগাপুর থেকে সিংগাপুরি লেবার (কমেন্ট ১৭) ভাই ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ । আমরা জানি আমাদের সমস্যা অনেক । আপনি ঠিকই ধরেছেন, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হোল মানসিক সমস্যা । কিন্তু আমি আশাবাদী যে, আমাদের ঘুমন্ত যুব সমাজকে একবার জাগিয়ে তুলতে পারলে তারা সঠিক পথেই এগুবে । স্বীকার করবেন, চলন্ত গাড়িতে সবাই স্টিয়ারিঙে থাকে না । আমাদের কেবল সত্যিকারের কিছু দেশপ্রেমিক ড্রাইভার দরকার এই মুহূর্তে । যারা তাদের দক্ষতা দিয়ে গাড়িটা চালিয়ে গন্তব্যে নিয়ে যাবেন । কিন্তু সেটা পাই কোথায় তাই তো প্রশ্ন ? আমার মনে হয় সেই প্রসব বেদনা ইতোমধ্যে আমরা উপলব্ধি করছি । পেয়ে যাব খুবই তাড়াতাড়িই । এই যুব সমাজের মধ্যে থেকেই তাদের পেয়ে যাব । কেননা crabbed and crippled budda দের দিয়ে কিছু আর হবে না । চাই তারুণ্য ।
আর হ্যাঁ এটাও ঠিক যে আমরা যদি যুব সমাজের জন্য সঠিক বা ন্যূনতম কর্ম সংস্থান করতে পারতাম তাহলে বোধহয় মরীচিকার পানে সবাই এভাবে ছুটত না । সেটা সম্ভব হয়নি দুষ্ট রাজনীতির কারণে যতটা না তার চেয়ে যারা নিজেদের স্বার্থে এটাকে কুলসিত করে রাখছে যারা তাদের কারণে ।
তার কারা ? আমাদের সেই বন্ধুরাই(!) কি সেই কল কাঠি নাড়ছে না ? রাজনীতিটাকে কুলশিত ও সংঘাতময় করে রাখছে না । আর এই আপনিও যে আপনার পরিবার প্রিয়জন ছেড়ে বিদেশে আছেন সেটাওতো অনেক বড় ত্যাগের পরীক্ষা দিচ্ছেন বলে আমি মনে করি । কাজেই সবটাই কিন্তু মানসিক ব্যাপার নয় । অস্তিত্তের প্রশ্নও এখানে জড়িত । আর আপনারা যারা বাইরে যে কোন দেশেই আছেন তারা কেবল টাকা দিয়েই দেশটাকে সমৃদ্ধ করছেন না । আরও অনেক অনেক ভাবে দেশের সেবা করছেন । এই পরিসরে সে বিসয়ে যাচ্ছি না । সবাই ভাল থাকুন ।

ঢাকা থেকে মুফতি ওমর ( কমেন্ট ১৮) ভাই ।
আপনিও একই ভাবে সঠিক বলেছেন । আসলেই আমাদের সমস্যা মানসিক । কিন্তু অসীম সম্ভাবনার এই তরুণ সমাজকে ঠিক মত গাইড করতে পারলে অপ্রয়োজনীয় ভারতীয় পণ্য বর্জন করা অসম্ভব না । আমাদের মা ভাই বোনকে বুঝাতে হবে যে, আমাদেরই কষ্টার্জিত টাকার বিনিময়ে যে ভারতীয় পণ্য ( ফেন্সিডিলশ অপ্রয়োজনীয় সকল বিলাশ দ্রব্য) আমরা কিনি ওরা সেই টাকা দিয়েই অস্ত্র গোলাবারুদ ক্রয় করে কিংবা তৈরি করে । শেষাবধি তা দিয়ে আমাদেরই বোন ফেলানিকে বা ভাই শাহজাহানকে হত্যা করে । ওরা ঐ সকল অস্ত্র আমাদের দিকেই তাক করে রাখে সবসময় । আর আমাদেরই টাকা দিয়ে আমদের কোন পণ্য না কিনে উঁচু (কিংবা কম) দামে কেবল দালাল শ্রেণী ক্রয় করে । যে দালালেরা প্রিয় দেশটাকে অকার্যকর করবার জন্য ওদের সাথে যোগসাজশ করে । মীরজাফরের মত ষড়যন্ত্রে সামিল হয় । দেখুন ওরা আমাদেরকে ওদের স্যাটেলাইট দেখতে বাধ্য করে কিন্তু আমাদের কোন চ্যানেল নিজ জনগণকে দেখতে দেয় না । আরও কত কি ।
এসব বিষয় গুলি সবাইকে বোঝাতে হবে । এখানে ভারত বিরোধিতার কিছু নাই । বিষয়টি হোল সম মর্যাদার । আমরা আয়তনে ছোট হতে পারি কিন্তু যে কোন বিবেচনায় অনেক বড় ও সমৃদ্ধও বটে ওদের চেয়ে । আমরা পারব না এমন কোন কাজই নেই । কেবল প্রয়োজন সংগঠিত হওয়া । আমি নিশ্চিত সেই দিন বেশি দূরে নাই আমরা আমাদের উপলব্ধিতে বিষয়গুলি আনতে পারব ।
আমাদেরকে সম্মানিত ভাবে বেঁচে থাকার প্রেরণা থেকেই আমরা তা উপলব্ধিতে আনব । আপনাদেরকে আবারো ধন্যবাদ ।
46660
২৩
কোলকাতা থেকে গৌতম দেব লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৮:৫২
কোলকাতার পত্রিকাগুলো ফেলানীকে বেশ বেদনাদায়ক রিপোর্ট করেছে। আমরা অনেকেই কেঁদেছি। বিএসএফের ভূমিকায় খুব লজ্জা পেয়েছি। ফেলানী তো মানুষ! ধর্মনিরপেক্ষ ভারতমাতার বুকে কালিমা এঁকে দিচ্ছে বিএসএফ। বাংলাদেশের ভাইবোনদের কাছে আমরা লজ্জিত।

খুব অবাক লাগে এই ভেবে যে, আপনারা এসব ইস্যুতেও এক হতে পারেন না। লেখক তো বলেন নাই, ভারতের বিরুদ্ধে জেহাদ করতে। উনি ভারতের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন যেটার সাথে আমরাও একমত।

সবাই তো আত্মমর্যাদা রক্ষার কথাই আগে বলবে, তাই না? কিন্তু কি অদ্ভূত আপনারা!
46663
২৪
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১০:১৫
@২৩/কোলকাতা থেকে মোহাম্মদ গৌতম দেব :

ফকিরের আবার আত্মমর্যদা? একে তো চুরি তার উপর সিনাজুরি।
46668
২৫
Bangladesh থেকে DejaVu লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:১০
২৩
কোলকাতা থেকে গৌতম দেব,
Welcome to the forum Dada! Thanks for your sympathetic gesture. We Bangladeshi are grateful to India for helping us during our liberation war. We like to see India as a friend, a good neighbor like United States and Canada and that will be win-win for both of our beloved mother lands. Please bear in mind our sovereignty, our dignity and pride is indispensable and we urge India to respect that. Your endeavor for becoming a world leader relies on your relation with your neighbors. We look same, wear same, and speak almost in similar language if we can’t be friend who else can?
46679
২৬
ঢাকা থেকে আনোয়ার লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:১৭
কোলকাতা থেকে গৌতম দেব (মন্তব্যঃ ২৩)

দাদা, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ফেলানির জন্য সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য। আপনারা দুঃখ পেয়েছেন, চোখের জল ফেলেছেন এবং লজ্জিত বোধ করছেন: নিজকে মানুষ ভাবতে পারলে এটাই স্বাভাবিক। কারণ মানুষের জন্যই মানুষের প্রাণ কাঁদে। আর এই ব্লগে আমাদের দেশের মানুষরূপী কিছু ইতরদের মন্তব্যও পরেছেন। এখন বুঝুন আমাদের দেশের 'আওয়ামী' ভক্তরা কোন মন-মানসিকতা লালন-পালন করে। যাকগে, আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।
46680
২৭
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর লিখেছেন, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:২০
রাজা সাহেব@ ২২

সবাইকে এত বোকা ভাবেন কেন? সীমান্তের ওপাড় থেকে ফেন্সিডীল চুরিকরবেন আপনি কিন্তু দোষ ভারতের! আপনার ফেন্সিডিল সাপলাইয়ারকে গুলি করলেও দোষ! ভারতিয় স্যাটেলাইট না দেখলে পেটের ভাত হজম হয় না আপনার, কিন্তু দোষ ভারতের। এ ভাবে নিজের নিজের অপকর্ম আর কতকাল আন্যের ঘাড়ে চাপাবেন?
সত্যিকারের কিছু দেশপ্রেমিক ড্রাইভার বাংলাদেশে পাবেন কিনা সন্দেহ আছে। তবে সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ড্রাইভার পাকিস্তান পেয়েছে। পাকিস্তানে যত্রতত্র যে হারে বোমা ফাটাফাটি শুরু হয়েছে তাতে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে ড্রাইবার সাহেব একজন দক্ষচালক। ধন্যবাদ।
46681
২৮
Kuwait থেকে ইকবাল হোসেন লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০১:১১
বজরং "ঢাকা থেকে মুফতি ওমর/২৪ও২৭" Actually ইদুর খেকো হাওড়া বাসী Prince of Canada যে কোন দিন গরু মাংসের সাধ পায়নি। ধন্যবাদ।
46694
২৯
Belfast থেকে LONG DONG SILVER লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০১:৪০
সিংগাপুর থেকে সিংগাপুরি লেবার/১৭, ২৪ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:৩৮(BD time)
Are you sure you’re not in Toronto? What are you doing in Singapore 2:38 the morning? Shameless Liar.
46695
৩০
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৩:২৫
২৭
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর কে ফেন্সিডীল যারা আনে তাদের কে বিএসএফ হত্যা করে না, তাদের কে বি এসএফ জামাই আদরে রাখে কারন তাদের কে দিয়েই তো বি এসএফ লাভবান হয় ভারত লাভবান হয়, তাদের ভরসা ছাড়া বি এস এফ এবং ভারতীয় গুন্ডারা সীমান্ত এলাকায় এত ফেন্সিডীলের ফেক্টোরী করতে পারতো ?
যাদের কে হত্যা করে তারা হল ফেলানীর মত নিরহ জনগণ।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/01/25/64912
ভারতিয় স্যাটেলাইট বাংলাদেশের ভিতর পুশইন করে দেওয়া আর বাংলাদেশের স্যাটেলাইট ভারতে বন্ধ রাখা সাংঘষিক সিন্ধান্ত একদিন এর পরির্বতন অবশ্যই হবে।
পাকিস্থানের মাধ্যেমে সোভিয়ত ইউনিয়নের মত দেশ কে চুণবিচুর্ণ করা হয়েছে সোভিয়ত ইউনিয়ন আর হংকার ছাড়ে না, সোভিয়ত ইউনিয়নের কবর রচিত করেছে ১৯৭৯ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত সময়ের মাধ্যে,তখনই পাকিস্থানে সামান্য বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল, সোভিয়ত ইউনিয়ন পাকিস্থানে অনেকবার বোমপিং করেছে, পাকিস্থানের সামান্য কিছু কুরবানীর ফলে সোভিয়ত ইউনিয়নের আগ্রাসন থেকে পুরা বিশ্ব কে মুক্ত করেছে, আজও পাকিস্থানের সামান্য কিছু কুরবানীর ফলে এমেরিকা এবং তার মিত্রদের আগ্রাসন থেকে পৃথীবিবাসি কে মুক্ত করবে একদিন ,হয়তো এই দিন বেশি দেরি নাই।
তারপরও পাকিস্থান কে ধন্যবাদ জানাই এই জন্য যে সেই এটম বোমা বানিয়ে ভারতের আগ্রাসন কে রুখে দিয়েছে না হলে তো ফেলানির মত হাজারো ফেলানি পাকিস্থানের বর্ডারে লাশ পরতো, ভারতের কাছে বিচার চেয়েও পাওয়া যেত না, প্রয়োজন ছাড়া পাকিস্থান ভারতের মত অন্য দেশের অভ্যান্তরিন ব্যাপারে নাক গলাই না, ভারত নিজের চরকায় তৈল না দিয়ে সব সময় অন্যর চরকায় তৈল মারতে পছন্দ করে, কিন্তু পাকিস্থান তো সেই রকম না। ভারতের নিয়োগ করা র এর দালালরাই পাকিস্থানের বিরোদ্ধে অপপ্রচার করে।
বাংলাদেশ কে পঙ্গু করতেছে একমাত্র ভারত আর আপনারা সব সময় পাকিস্থানের বিরোদ্ধে বদনামি করে বেড়ায় যাতে এক ঢিলে দুই পাখি শিকার হয়।
এমেরিকা এবং তার মিত্ররা একদিন আফগানিস্তানের মাটি থেকে পালাবে কিন্তু তালেবানরা কাশ্মীরের মাটিতে এসে ভারত কে যখন করা ডোজ দেওয়া শুরু করবে তখন ভারত কোথায় পালাবে ?
46701
৩১
ঢাকা থেকে হীরক রাজা লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৪:৫৭
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর (২৭)
ভাই আপনার মন্তব্যটা পড়ে আমার কাছে মনে হোল আমরা অত্যন্ত অস্বাভাবিকভাবে অপরিপক্ব এক জাতির মত আচরণ করছি । যে জাতির বয়স ৪০ বছর । আশ্চর্য বটে ! আমাদেরকে একটা মিথ্যা ভয় দেখিয়ে কারা যেন তাদের স্বার্থের পুরোটা হাসিল করে নিচ্ছে । তাই একটা কবিতার লাইন মনে পড়ল গেল,
'মাগো আমায় দেখাস নে আর জুজু বুড়ির ভয়
আজ কালকার আমি তো আর ছোট্ট খোকা নয় ।'

ব্রাদার ওমর, পাকিস্তান পাকিস্তান অর্থাৎ জুজুবুড়ি জুজুবুড়ি বলে তো বহুত ফায়দা নিয়ে নিলেন । আর কত বাঙালকে হাইকোর্ট দেখিয়ে ভয় দেখাবেন ? বুকে হাত দিয়ে বলুনতো আমাদের জাতিয় স্বার্থের বিপরীতে কোন প্রতিবেশী সবচেয়ে বেশি ডেট্রিমেনটাল ? নিশ্চয়ই পাকিস্তান নয় । ওদের এখন অবস্থা পুরোটাই 'চা চা আপন জান বাঁচা' । এক হাজার মাইল ডিঙ্গিয়ে বাংলাদেশ দখল করবার যোগ্যতা ওদের আর নাই । কিংবা ওখান থেকে গুলি করে ফেলানিদের হত্যা করবার জন্য লং রেঞ্জ রাইফেলও ওদের নাই । আমাদেরকে এতটা গবেট যারা ভাবে তারা নিশ্চয়ই একপ্রকারের নিকৃষ্ট প্রজাতির গবেট ।
এদিকে মায়ানমারের জুজুবুড়ির ভয় দেখিয়েতো বেশ কয়েকটা মাস আমাদের বোকা বানিয়ে রাখলেন আপনাদের প্রিয় তখনকার সদ্য ক্ষমতা প্রাপ্ত দলটির সরকারি পোশ্য মিডিয়া বাহিনীর মাধ্যমে । ওই দেশের সামরিক যোগ্যতার কথাতো আমরা কমবেশি জানি । সুতরাং কি উদ্দেশ্যে ঐ সময় আপনাদের বংশবদ প্রিয় পত্রিকাগুলি অপপ্রচারগুলি চালিয়ে ছিল যে, যে কোন মুহূর্তে মায়ানমারের সাথে আমাদের যুদ্ধ বেঁধে যাচ্ছে, তাতো এখন দিবালোকের মত পরিষ্কার । অর্থাৎ ভারত ব্যতিরেকে আর কোন বন্ধু প্রতিবেশী আমাদের থাকতে পারবে না । অনেকটা গ্রাম্য মাতব্বর প্রতিবেশীর চৌহদ্দির মধ্যে বাস করলে যেমন সবাইকে বন্ধু সিলেকশানে কেয়ারফুল হতে হয়, মাতব্বরের ইচ্ছা অনিচ্ছাকে ধর্তব্যে নিতে হয় তেমন আরকি ।
আপনি স্বীকার করবেন নিশ্চয়ই একমাত্র ভারতই আমাদের সবচেয়ে উপকারী মিত্র প্রতিবেশী এবং একই সাথে ভয়ংকর অপকারী প্রতিবেশী হওয়ার জন্য সব ক্রাইটেরিয়া ফুলফিল করে ।
কিন্তু তারাতো পরেরটাই বেছে নিচ্ছে । স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ লগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত ওরা আমাদের কোন জাতিয় স্বার্থে সামান্য ছাড় দিয়েছে বলুন তো দেখি ? পানি, বানিজ্য, সীমান্ত , পার্বত্য চট্টগ্রাম, শান্তি বাহিনী , মিডিয়া দ্বারা অপপ্রচার, বঙ্গোপসাগরের সীমানা নির্ধারণ, তালপট্টি, তিনবঘা, বেরুবাড়ি, নেপালে রফতানি ট্রানজিটসহ এমন একটি বিষয় কি আপনি উল্লেখ করতে পারবেন যেখানে ভারত আমাদের সামান্য ছাড় দিয়েছে ? ওরা আমাদের টিভি চ্যানেলগুলি পর্যন্ত ওদের জনগণের জন্য উন্মুক্ত করেনি । তার পরেও যদি বলেন আমাকে ভারতের প্রেমে বাঁশি হাতে ভগবান কৃষ্ণ সাজতে হবে বা বাজাতে হবে কিংবা রজকিনীর আশায় শুকনো পুকুরে ১২ বছর বিনা প্রাপ্তিতে বড়শি বাইতে হবে । সে আশা মিছে । আমি অতটা হৃদয়বান এবং অন্য অর্থে বেকুফ বা পাগল নই । যারা সেরূপ চিন্তা করে তারাই বরং পাগল কিংবা বেকুফ ।
অবশ্য আপনাদের মত অনেকেই আছে যারা অনেকটা আগ বাড়িয়ে গিয়ে ভারতকে প্রেম নিবেদন করে এই সুরে, ‘ মেরেছিস মেরেছিস কলসির কোনা, তাই বলে কি প্রেম দেব না’ । প্রেম তাদের কাছে এতই সস্তা । কেননা এসব প্রেমের সাথে যখন ক্ষমতা ও আর্থিক বিষয়াদির প্রাপ্তিযোগ থাকে অনেকে আবার লোভ দমন করতে পারে না ।
কিন্তু ভাই আপনি তো মনে হয় একজন প্রতিভাবান তরুণ । মাথাটা ঠাণ্ডা করে নির্মোহ ভাবে আমার কথা গুলি চিন্তা করুন যে এর মধ্যে ছিটে ফোটা মিথ্যা বলেছি কিনা । বলে থাকলে ধরিয়ে দিন । তবে নিশ্চয়ই বলবেন, ভারত স্বাধীনতার সময়ে আমাদের হেল্প করেছিল । অবশ্যই সে কৃতজ্ঞতা বোধ নিশ্চয়ই আমার আছে । কিন্তু তার জন্যকি ভারতের সাত খুন (দুঃখিত এখানে শত শত খুন হবে) মাফ করে দেব। ভারতের নিজস্ব স্ট্র্যাটেজিক লাভের বিষয়টিও তো এখানে জড়িত ছিল বৈকি ।
সে যাই হোক, ভারত এত বছর আগে ঘি দিয়ে ভাত খাইয়েছিল বলে এখনও জোর করে সেই হাত চাটাতে বাধ্য করবে এবং গন্ধ শুকিয়ে সেই ঋণের কথা স্মরণ করতে এবং প্রতিদান দিতে বলবে, তাকে আর যাই হোক অকৃত্রিম বন্ধু বলে আমি মেনে নেব না । এতটা বড় হৃদয় আমার নাই । আমি আমার বর্তমানের স্বার্থ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বাঁচা মরার অধিকার জলাঞ্জলি দিয়ে কোন মাখামাখির প্রেম কারও সাথে করবো না ।
সুতরাং পাকিস্তান বিশ্বাস রাখেনি বলে যেমন ওদেরকে উপযুক্ত শিক্ষা একবার দিয়েছি, অন্য যে কারোর জন্যই বিষয়টি সমভাব প্রযোজ্য এই বিশ্বাসটি মনে সব সময় ধারণ করি । সুতরাং সবাইকে কোন ভাবেই বোকা ভাবার সংগত কোন কারণ নাই বরং আপনাদের প্রিয়তমরা আমাদের বোকা ভাবেন বেকুফ ঠাউড়ান । ভাল থাকবেন । ধন্যবাদ ।
46703
৩২
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:৩৩
ঢাকা থেকে হীরক রাজা@৩১/কে,

পাকিস্তান জুজু বুড়ি কথাটা এই মাত্র আপনার মুখে শুনলাম। এ ধরনের মিনিংলেস কথা আমরা বলি না।
১৯৭১ এ আমরাই পাকিস্তানী প্রানভ্রমরার দফা রফা করে দিয়েছি। তা ছাড়া, এক হাজার মাইল ডিঙ্গিয়ে বাংলাদেশ দখল করবার যোগ্যতা যে ওদের আর নাই সেটা আমরা ১০০ ভাগ বুঝি, কিন্তু পকিস্তানী প্রেতাত্মারা বুঝে না। ওদের কেউ কেউ আরার ব্লগার@৩০ এর মত কাশ্মীরি মুজাহিদ হওয়ার স্বপ্ন দেখে। উনি বোমপিং(বোমবিং) করে ভারত।রাশিয়া/এ্যামেরিকা উড়িয়ে দিবেন।

পানি, বানিজ্য, সীমান্ত , পার্বত্য চট্টগ্রাম, শান্তি বাহিনী এ সব ইস্যু নিয়ে ভারতের উপর দোষ চাপিয়ে রাজনীতি করার আর সুযোগ নাই। পানি তো পাওয়ার কথা না। খাল/বিল/নদী/নালা যা ছিল সব ভরাট করে সুপার মার্কেট বানিয়ে ফেলেছেন। পানি আসবে কোথ্থেকে? বাংলাদেশের মেইড ইন জিঞ্জিরা প্রডাক্ট দিয়ে আন্তর্জাতিক বানিজ্য হয় না। সীমান্তে সকালসন্ধা/রাতবিরাত নারী/শিশু/মাদক/অস্ত্র/গরু পাচারের ধান্ধাবাজি ছেড়ে ভদ্র হয়ে যান( ভূটান, নেপালের মত)। সীমান্তে অটমেটিক শান্তি ফিরে আসবে।। পার্বত্য চট্টগ্রামে বছরের পর বছর সামরিক আইন দিয়ে আদিবাসী পাহাড়ী জনগোষ্ঠীকে দাবিয়ে রেখে শান্তি আসা করা যায় না। নিজের পায়ে নিজেই কূড়াল মেরে ভারতের দিকে আঙ্গুল দেখাবেন?? পূর্ব তিমুর থেকে আপনাদের শিক্ষা নেয়া উচত। আজকে দক্ষিন সুদান স্বাধীনতার দ্বার প্রান্তে, কিন্তু কেন?? পূর্ব তিমুর বা দক্ষিন সুদানে ভারতের কারিস্মা আছে কি??

সুতবাং, ভারত জুজুর দিন শেষ। ধন্যবাদ।
46730
৩৩
Nepal থেকে shamim লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০২:৫৪
I am sure this Mufti Omar is Indian product !!! He is talking about Nepal...lolz!! Nepal is totally controlled by India, even you can use Indian currency anywhere! Vutan is almost same as that of Nepal!!

This Bolddy want us to be like Nepal & Vutan!!! This Gov't also want that and they are bringing the country towards that way!! Traitor of the country!!! When your sis or daughter will be victimised, then you will feel!
46736
৩৪
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০৩:৫৯
৩২
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর কে তিন দিন ধরে ম্বোবাই শহর জ্বালিয়ে দিল কাশ্মীরের দুই চার জন মুজাহিদ আর ভারত সরকার আগাম কোন খবর পেল না ? আর বাংলাদেশের ভিতর জঙ্গি প্রবেশ করেছে ভারত আগাম খবর দিয়ে দিতে পারে কি অদ্ভুদ জৌতিবিজ্ঞান?
(বাংলাদেশ দখল করবার যোগ্যতা যে ওদের আর নাই সেটা আমরা ১০০ ভাগ বুঝি, কিন্তু পকিস্তানী প্রেতাত্মারা বুঝে না। ) পাকিস্থান হুমকি দিয়েছিল কোন সময় বাংলাদেশ দখল করবে? বা রৌমারি সীমান্তে ভারতীয় সৈন্যদের মত রাতের আঁধারে বাংলাদেশ দখল করার জন্য প্রবেশ করেছিল? বেটা ইবলিশ কোথাকার পাকিস্থান দশ বছরে বর্ডার এরিয়ায় ভারতের মত ৯২২ বাংলাদেশিকে খুন করেছে ?
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2011/01/25/64912
জিঞ্জিরা প্রডাক্ট ফারাক্কা বাঁধের পাশে নাকি? যাতে পানি আসতে অসুবিধা হয়।
ধান্ধাবাজি অভদ্র সব বাংলাদেশে আর ভারতীয়রা সব ভদ্র একেবারে নিষ্পাপ শিশু ফেরশতার সমতুল্ল আর্শ্চয চিন্তাধারা? আপনার মাথায় পোচন ধরেছে, না হয় পয়সার বিনিময়ে ভারতের নিয়োগ করা পা চাটা গোলাম।
নেপালে প্রসাধ সন্ত্রাস এবং রাজপরিবার কে হত্যা করেছে ভারত, নেপালে অভ্যান্তরিন ব্যাপারে নাক গলিয়ে সম্ভববনা ময় নেপাল কে যুগ যুগ ধরে পঙ্গু করে রেখেছে ভারত, ভুটান কে কোন ব্যাবসা বাণিজ্য করতে না দেওয়া, পৃথীবির মানচিত্রে ভুটান কে বন্ধি করে রেখে একচত্র ভারত শোসন করতেছে তাতে কোন সন্দেহ নাই, ভারত তো নেপাল ভুটান থেকে চুরি ডাকাতি ভাল করে করতে পাইতেছে ভারতের স্বার্থ যখন নেপাল ভুটান থেকে ১০০% অর্জন করতে পারতেছে তা হলে ওদের বর্ডারে কোন দঃখে ভারত গোলমাল করতে যাবে ? বাংলাদেশ থেকেও যদি ১০০% অর্জন করা যায় তা হলে ভারত সীমান্ত এলাকায় একজন পাখিও স্বীকার করবে না। তাছাড়া পাকিস্থানের বর্ডারের ভারত তাফালিং করতে পারে না কারন বুলেট একটা চললে তার বিনিময়ে বুলেট দশটা গেথে যাবে সেই ভয়ে, ভারতের খরিদ করা সন্ত্রাস রক্তপিপাসু জানোয়ার তামিল টাইগার, ইন্দারার হাত দিয়ে বানানো সন্ত্রাসের নেতা "প্রবাকরণ" কে শ্রীলঙ্কা মাটিতে দামাচাপা দিয়েছে, শ্রীলঙ্কাকে এক হাজার বার স্যালুট মারি ভারতীয় রাজাকারদের কে শ্রীলঙ্কার মাটিতে দামাচাপা দেওয়া হইয়েছে, ইনশাআল্লাহ আগামিতে বাংলাদেশের ভিতর ভারতীয় রাজাকারদের কে মাটিতে দামাচাপা দেওয়া হইবে।
রাবেতা আল ইসলামি সংস্থা আজ থেকে ২০ বছর আগেই বাংলাদেশ কে সংকেত দিয়েছে পশ্চিমাদের এবং ভারতের পরিকল্পনা হল পার্বত্য চট্টগ্রাম কে বাংলাদেশ থেকে পৃথক করবে। নন-মুসলিমরা মুসলমানদের কে নিয়ে টানাটানি করা তাদের পুরানো অভ্যাস, আল্লাহর কথাতো আর মিথ্যা হইতে পারে না আল্লাহ বলেছেন ইহুদি এবং যারা আল্লাহর সাথে শরিক করে তারাই সবচেয়ে বেশি মুসলমানের সাথে শত্রুতামি পোশন করবে ? তাই তো জাতিয় সংঘ নামক মুসলিম ধংসকারি সংঘ যার অপর নাম হল ইহুদি সংস্থা ফিলিস্থিন কাশ্মীর চেচেনিয়া ইরাক আফগানিস্থানের সমস্যা সমাধান করে না, কিন্তু র্পূব তিমুর দক্ষিণ সুদান কে নিয়ে তাদের খুব মাথা ব্যাথা,
ইন্দোনেশিয়ায় খৃষ্টানদের থেকে বারি বারি অস্ত্র আটক করেছে ইন্দোনেশিয়ার নিরাপত্তাবাহিনি খৃষ্টানদের কে জিজ্ঞাসা করা হল তোমরা এই অস্ত্র পেয়েছো কোথার থেকে ? তারা স্বীকার করলো অষ্ট্রেলিয়া হেলিকাপ্টার করে অস্ত্র নামিয়ে দিয়েছে যাতে আমরা যুদ্ধ করি মুসলিম নিধন করি, সুদানের ভিতর পেট্রোল আছে এমেরিকা জানে, সুদান সরকার অনেকটা উত্তলন ও করতেছে, সুদান থেকে এমেরিকা পেট্রোল ডাকাতি করতে পারতেছে না বিধায় এমেরিকা তার মিত্ররা দক্ষিণ সুদান কে পৃথক করতেছে যাতে দক্ষিণ সুদান থেকে হলেও কিছু পেট্রোল চুরি করতে পারবে।
তাদের আরো মাথা ব্যাথা হল এই সালার মুসলমান দেশের ভিতর কেন এত খণিজ দ্রব্য শুধু প্রেট্রোল নয় খণিজ দ্রব্যর ৬৫ ভাগ মুসলমান দেশের ভিতর কেন সৃষ্টি হয়? ভারতের কাছে অনেক দঃখ ছোট বাংলাদেশের ভিতর কেন এত গ্যাস ? বিশাল ভারতে কেন বাংলাদেশের মত গ্যাসের খনি আবিস্কার করতে পারতেছে না ? তা হলে তো আর ইরান থেকে গ্যাস খরিদ করতে হয় না। ভারতের আরো ব্যাথা সিলেট সিমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের ভিতর কেন ইউরেনিয়মের খনি এই খনি গুলো ভারতে হইতে পারলো না ? আল্লাহ যাকে চাই তাকে নিয়ামত দান করে সেইটা আল্লাহর ইচ্ছা, আল্লাহ খণিজ দ্রব্যর ৬৫% মুসলমান দেশ সমূহে দিয়ে প্রমান করতেছে আল্লাহ মুসলমানদের কে ভালবাসে।
ভারত কাশ্মীরে তিন দশক ধরে গনহত্যা চালাইতেছে, আসাম ত্রিপুরায় ভারত গনহত্যা চালাইতেছে আপনার চোখে পড়ে না ? পার্বত্য চট্টগ্রামে যারা অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করতেছে তাদের সবাইকে ভারত প্রসিক্ষন দিয়েছে, তাদের অস্ত্রর চালান সব ভারতই দিয়েছে, আপনি ভারতকে নিষ্পাপ বলবেন কেন ? শ্রীলঙ্কার দুই কোটি মানুষকে ভারত দাশত্বর শিকলে আবদ্ধ করতে পারে নাই, নেপালের মানুষ সব চেয়ে বেশি ভোট দিয়েছে ভারত বিরোধি সরকার কে, হয়তো কিছু সময়ের মধ্যে ভারতের শিকল কে ভেঙ্গে পেলবে নেপালের জনগণ। বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ যার মধ্যে ১৪ কোটি মুসলমান কখনো ভারতের দাশত্ব কে মেনে নেবে না, বিড়াল যখন কুকুরের সাথে লড়াই করতে পারে না তখন কসে একটা তাপ্পর দেয় এই তাপ্পর খেয়ে কুকুর সোজা হয়ে যায়, বাংলাদেশের মানুষ যখন দেওয়ালে পিট টেকে যাবে তখন ভারতকে কসে তাপ্পর লাগাইতে দেরি করবে না।
46744
৩৫
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০১
Nepal থেকে shamim/@৩৩............কে,

আমি না, ব্লাডি বরং আপনি নিজেই। দয়া করে মাথা থেকে তালেবান ভূত নামান।

সারা ইউরোপ জুরে কমন কারেন্সি চালু আছে, ইউরোপ পচে যায় নি। কানাডা/আমেরিকায় উভয় দেশের কারেন্সি সমানতালে চলে। নিউজিল্যান্ড/অস্ট্রেলিয়া, কোরিয়া/জাপানে একই অবস্থা। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কি নব বধু যে ভারতের একটু ছোঁয়া লাগলে লজ্জায় মরে যাবে??

অথচ রাতের অন্ধকারে ভারতের বেড়া টপকাতে লজ্জা লাগে না!! কি অদ্ভুত পকি মেন্টালিটি!!
46762
৩৬
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩৮
@৩৪/জনাব জাহেদ সাহেব,

মুসলমানরা যে কি তাপ্পর(থাপ্পর) দিতে পারে তা প্রমান হয়ে গেছে। এক ইসরাইলের থাপ্পর খেয়ে এখনো সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।
46767
৩৭
ঢাকা থেকে হীরক রাজা লিখেছেন, ২৫ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৫৩
ভাই মুফতি ওমর
আপনার কথার জবাব দেবার মিনিমাম যোগ্যতা আমার নাই । আপনি বলেছেন,

“পানি, বানিজ্য, সীমান্ত , পার্বত্য চট্টগ্রাম, শান্তি বাহিনী এ সব ইস্যু নিয়ে ভারতের উপর দোষ চাপিয়ে রাজনীতি করার আর সুযোগ নাই। পানি তো পাওয়ার কথা না। খাল/বিল/নদী/নালা যা ছিল সব ভরাট করে সুপার মার্কেট বানিয়ে ফেলেছেন। পানি, বানিজ্য, সীমান্ত , পার্বত্য চট্টগ্রাম, শান্তি বাহিনী এ সব ইস্যু নিয়ে ভারতের উপর দোষ চাপিয়ে রাজনীতি করার আর সুযোগ নাই। পানি তো পাওয়ার কথা না। খাল/বিল/নদী/নালা যা ছিল সব ভরাট করে সুপার মার্কেট বানিয়ে ফেলেছেন”।
আপনার যুক্তির ধার দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি বইকি । মিথ্যা কথা এত সাবলীল ভাবে বলার যোগ্যতা আমাদের চেয়ে আর কারও আছে বলে আমার মনে হউ না । একজন ভারতীয় নাগরিকের সাথে বরং এসব বিতর্কে যাওয়া অনেক শ্রেয় । তাদের মধ্যে অন্তত আপনার চেয়ে ঢের বেশি যুক্তিবাদী লোক পাওয়া যাবে ।দেখুন কোলকাতা থেকে গৌতম দেব (কমেন্ট ২৩) ।
আসলে

আপনারা, যাদের অন্তর ও বিবেক পাষাণের মত নিরেট, যারা নিজের দেশের স্বার্থকে বিকিয়ে দিতে সদা উদগ্রীব তাদেরকে আল্লাহর হেদায়েতের আশীর্বাদ ছাড়া আর কোন শুভেচ্ছা জানানোর আপাতত প্রয়োজন নাই বলে মনে করি । আল্লাহ আমাদের মঙ্গল করুন ।
46768
৩৮
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০১:০৯
৩৬
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর কে ১৯৬২ সালে আরব ইসরাইল যুদ্ধ হয় নাই, সেই সময় যুদ্ধ হয়েছে পুরা বিশ্বের নন-মুসলিম সৈন্যরা + আরবের মধ্যে, মুসলমানরা যেহেতু প্রতারণা জানে না তাই এমেরিকা সব সময় আরবের মিত্র সেজে আরবের বিরোদ্ধে যুদ্ধ করেছে, এখন আস্তে আস্তে আরবের ভিতর ভুল ভাঙ্গতেছে এখন আরব রা বুঝতে পাড়তেছে আমাদের প্রধান শত্রু হল এমেরিকা, ২০০৬ সালে লেবাননের ছোট্ট বাহিনি হিজবুল্লাহর সাথে যুদ্ধ করে পরাজয় শিকার করেছে তেলআবিবের বারটা বেজেছে, এই তো সেই দিনই বললো ইসরাইল, ইরানের সাথে বেশি বাড়াবাড়ি করা যাবে না, কারন ছোট ইসরাইল কে খতম করতে বেশি ক্ষেপনঅস্ত্রর প্রয়োজন হবে না, আহমদ নেজাদি বলেছে শুধু মাত্র তিন ঘন্টা লাগবে ইসরাইল কে ফিনিস করতে।
আরবরা এখন বুঝতে পারতেছে তাদের প্রধান শত্রু হল এমেরিকা তাই আরব রা এখন সরাসরি এমেরিকার বিরোদ্ধে গোপন গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত, এই গেরিলা যুদ্ধর ফিল্ড হল আফগানিস্তান, এবং ইরাক, এই গেরিলা যুদ্ধ একদিন ওয়েট হাউস কে বেলেক হাউসে পরিণত করবে, যেই রকম সোভিয়ত ইউনিয়ন কে ভেঙ্গে রাশিয়া বানিয়ে দিয়েছে।
মুসলমানের বড় বড় পন্ডিতরা শুধু র্ধম শিক্ষা দেয় নাই, তারা মুসলমানদের কে সব বিষয় শিক্ষা দেয়, গাজি সালাহুদ্দিন আউুবি (রহঃ) পৃথীবিতে প্রথম গেরিলা যুদ্ধের আবিস্কারক, ওনি মুসলমানদের কে বর্তমান সময়ে কেমন যুদ্ধ হবে তা শিখিয়ে দিয়েছে তার নাম হল গেরিলা যুদ্ধ, গেরিলা যুদ্ধ চলতেছে এবং চলবে, এই পর্যন্ত এমেরিকার ক্ষতি আফগানিস্তানের মাটিতে ১ ট্রিলিয়ন ডলার, ইরাকে প্রতি মিনিটে ৩ লক্ষ ডলার ক্ষতি, মুসলমানদের জিহাদের ফলাফল সামনে আরো ইনশাআল্লাহ দেখতে পারবো।
বেচারা এমেরিকা আরবের পেট্রোডলার ব্যাংকের মাধ্যেমে হওলাত নিয়ে ব্যাবসা বাণিজ্য করে চলতেছে তা দেখে মনে হয় আপনাদের হিংসা লাগতেছে ? তাকে খতম করা আপনাদের মেইন উদ্দেশ্য তাই আপনার চাইতেছেন এমেরিকা বনাম মুসলিম ভাল করে যুদ্ধ করুক খতম হয়ে যাক এমেরিকা আমরা মাঝখানে তাদের নাটক দেখি।
46793
৩৯
riyadh, saudi arabia থেকে dr mahbub লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০১:০৯
@ Eng. Shahin Siddiqi..
May ALLAH bless you & be with you!!
46794
৪০
Kickapoo, Illinois থেকে Sugar Daddy লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০১:৫৪
In AD 1201 the Turkish General Ikhtiar-ud-Din Bin Bakhtiar Khilji wrested Nadia from Lakshmana Sen with only 18 horsemen. Coward Lakshmana Sen left entire population to be victimized by the 18 men and their horses.
46799
৪১
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০২:৫৩
৩৫
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর কে
ইউরোপ জুরে কমন কারেন্সি চালু দেখে বাংলাদেশের ভিতরও ভারতের কারেন্সি চালুর স্বপ্ন দেখে ? যারা বাংলাদেশের টিভি ভারতে চলতে দেয় না, কিন্তু তাদের টিভি বাংলাদেশের ভিতর চলার জন্য মির জাফর সরকারের সাথে চুক্তি করে অবাধে চ্যানেল গুলো চালাইতেছে।
আবার কয় ভারতের সাথে নাকি ছোঁয়া লাগাবে বাংলাদেশের সাথে ? ছোঁয়া লাগাইতে লাগাইতে এই পর্যন্ত ৯২২ বাংলাদেশি কে হত্যা করেছে আর কত ছোঁয়া চাই ?
লজ্জা শুধু বাংলাদেশ কে ধরে বসেছে নাকি ? ভারতীয়রা বাংলাদেশের থেকে ধান চুরি আর মাছ চুরি করে লজ্জা লাগে না ?
46800
৪২
কলকাতা থেকে কমল দাস লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৩৬
বাংলাদেশের ইলিশ না হলে ফুলশয্যার রাতে ভারতীয় নব বধুদের ছোঁয়া পাওয়া যায় না।
46831
৪৩
কলকাতা থেকে কমল দাস লিখেছেন, ২৬ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৫৯
১৮
ঢাকা থেকে মুফতি ওমর
বাংলাদেশের ইলিশ আর জামদানি শাড়ী না হলে ফুলশয্যার রাতে ভারতীয় নব বধুদের ছোঁয়া পাওয়া যায় না যে মহাশয়।
46834
৪৪
Michigan থেকে Misbahur Chowdhury লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:০৩
It was not a news to us while at Pakistan not even 1971.Inhuman news for the human civilization "helplessly hanging and crying for the water" oh!you are not guilty my society, all is my responsibility.I am watching Fellany you are asking a drops of water to my civil conscious actually another dead terminators.I am hearing you!!!!!!!!!!!!!!!
46847
৪৫
খুলনা থেকে সালেহ লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:৫৪
ড. সাইফ আপনি মনে হয় *** এর উপর ডক্টরেট করেছেন, আপনার মৃত্যুর পর যেন আন্জুমান মুফিদুল ইসলাম ৌ না আসে!!!!!!!!!
46852
৪৬
কলকাতা থেকে বিনোদিনী গুহ লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০১:০৩
ফেলানী হত্যায় এক আমেরিকান পিতার ফরিয়াদ
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১১
বিডি নিউজ: বাংলাদেশের ফেলানী হত্যায় কাঁদছে এক মার্কিন পিতার হৃদয়। তিনি ওই হত্যার ছবি ও রিপোর্ট পড়ার পর আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছেন। ফেলানীর মাঝে খুঁজেছেন নিজের ১৫ বছরের মেয়েকে। ফেলানির পিতার কষ্টস্রোত ছুঁতে চেষ্টা করেছেন তিনি। তার নাম ফ্রাঙ্ক ডোমেনিকো সাইপ্রায়ান। দ্য গ্যাদারার ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা তিনি। খোলা এক চিঠিতে তিনি ফেলানী হত্যার বর্বরতা তুলে ধরেছেন। লিখেছেন- আমিও একজন পিতা। একটি পরিবার আছে আমার। সেখানে আছে ১৫ বছরের একটি মেয়ে। সেই মেয়েই আমাকে ফেলানীর পিতার সঙ্গে আবেগের বন্ধনে বেঁধে ফেলেছে। তাই আমি নীরব থাকতে পারি না। আমাকে কথা বলতেই হবে- বলতে হবে ভারতের ইতিহাসে ফেলানীকে হত্যা এক দুর্ভাগ্যজনক অধ্যায়। একটি সন্তানের পিতা সব সন্তানের পিতা। সেই সূত্রে বাংলাদেশের প্রতিটি ছেলে, প্রতিটি মেয়ে শিশু আমার সন্তান। তিনি লিখেছেন- আমি জানি না, ফেলানীর পিতা ধনী না গরিব অথবা তিনি তার মেয়ের জন্য কি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। আমি শুধু জানি একটিমাত্র বর্বর ঘটনা তার জীবনের সব সংগ্রাম, সব ভালবাসা এবং সচেতনতা নষ্ট করে দিয়েছে। আমি জানি আমার এই দূরের বন্ধু যখন জীবিকার সন্ধান শেষ করে বাসায় ফেরেন তখন তার ছোট্ট মেয়ের কোমল হাতের স্পর্শ পান না আর। আর তা তাকে মনে করিয়ে দেয়, এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে দেবশিশুর মতো নিষ্পাপ মেয়েকে রক্ষা করার শক্তি তার ছিল না। ‘এ লেটার টু ইন্ডিয়া’ শিরোনামে লেখা ওই চিঠিতে তিনি লিখেছেন- আমাদের আমেরিকানদের মাথায় এক-একটি দেশ সম্পর্কে এক-এক রকম ভাবমূর্তি কাজ করে। আমাদের অনেকেই ভারতকে গান্ধীর দেশ মনে করেন। শান্তির দেশ মনে করেন। বাংলাদেশের সীমান্তে ভারতীয়দের যেসব নিরপরাধ বাংলাদেশীকে বিশেষ করে ফেলানীকে হত্যা করার কথা আমি যতজনকে বলেছি তারা ব্যথিত হয়েছেন। ভারত সম্পর্কে আমরা আমেরিকানরা যে ধারণা পোষণ করি এ ঘটনা তার প্রতিচ্ছবি নয়। আমি জানি, বাংলাদেশ ও ভারত এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছে। ভারত দু’-এক মাসের মধ্যে এ সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটা ইতিবাচক পদক্ষেপ। কিন্তু তা কোন নিহতকে জীবিত করে দিতে পারবে না। মানবাধিকারে মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে দু’টি রাষ্ট্রের মধ্যে, যখন তা হয় প্রতিবেশী দু’টি রাষ্ট্র তখন উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার দরকার পড়ে না। যারা সীমান্তে এমন হত্যাকাণ্ডে মদত দেয় ও যারা সংঘটিত করে তাদের এ কাজ নিঃসন্দেহে অপরাধ কর্মকাণ্ড, যারা এমন কাজ করে এবং যারা করায় তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো উচিত। নিরপরাধ নিহত শিশুদের মধ্যে ফেলানীই প্রথম নয়। ফেলানীর হত্যাকাণ্ড নিয়ে ফ্রাঙ্ক ডোমেনিকো সাইপ্রায়ান ওই লেখায় একটি কবিতা যুক্ত করেছেন, যা মহাত্মা গান্ধীকে উদ্দেশ্য করে লেখা। এতে তিনি এক পিতার অন্তরে ক্ষরণকে তুলে ধরেছেন মর্মস্পর্শী। তিনি লিখেছেন- বাংলাদেশ একটি বর্ণময় ও শক্তির দেশ। সেখানে সড়কের চিহ্ন-প্রতীকগুলো রঙিন। বিজ্ঞাপনগুলো রঙিন। আমাদের গাড়িগুলো রঙিন। এমনকি গ্যাস স্টেশনগুলো রঙিন। বাংলাদেশে নির্বাচনের সময়কার ছবিগুলোর দিকে তাকালে দেখা যাবে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মতো। সেখানে সবাই উজ্জ্বল। বাহারি পোশাক পরা। তিনি লিখেছেন- কবিতাটি পড়ে আমার সম্পাদক জানতে চেয়েছিলেন- আমার কি আরও কিছু বলার আছে কবিতায়। কয়েক বছর আগে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীরা ১৩ বছর বয়সী এক শিশুকে হত্যা করে। সমপ্রতি ১৫ বছর বয়সী ফেলানীকে মেরে কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। এসব নিয়ে আমি অনেকটা কাজ করেছি, রিপোর্ট পড়েছি। কিন্তু আমার সম্পাদকের প্রশ্নের জবাব দেয়ার ভাষা ছিল না আমার। আমার ছোট মেয়ের বয়স ১৫ বছর। আমার ছোট ছেলের বয়স ১৩ বছর। আমার জীবনে তারাই সব। তারাই আমার জীবনের রঙ। এ রঙে আমি নতুন করে সাজি। আমি জানি প্রতিটি মা-বাবাই তার সন্তানের ভবিষ্যত নিয়ে উদ্বেগে থাকেন। জাতীয়তা, ধর্ম, বর্ণ, দল, সামাজিক শ্রেণী সবকিছুর উপরে থাকে মা হওয়ার আনন্দ, বাবা হওয়ার আনন্দ। এই একটি শক্তিই আপনার জীবনকে পাল্টে দিতে পারে। এটা সর্বজনীন এক পরিচয়ের সূচক। বিশ্বে আমরা যারা পিতা আছি, সাধারণ দৃষ্টিতে আমরা সবাই ভাই। তিনি লিখেছেন- আমি কল্পনা করি একজন বাংলাদেশী পিতার কথা, যিনি তার মেয়েকে সুন্দর করে সাজিয়ে বিয়ের আসরে নিয়ে যান। মেয়েকে বিয়ে দেন অন্য দেশের কোন পাত্রের কাছে। আমার কল্পনায় আসে, তখন ওই পিতার বুক কি কষ্টে ফেটে যায়। সাজানো, বেড়ে ওঠা মেয়ের দিকে তাকিয়ে তার কষ্টের যেন শেষ থাকে না। তারপর তুলে দেন জামাতার হাতে। কিন্তু একটি সীমান্তের কারণে ওই পিতা তার মেয়ের নতুন পরিবার, পরে নাতির মুখ দেখতে পারেন না। আমি কল্পনা করি ফেলানীর পিতার মেয়ের শৈশব। তাকে নিয়ে সংগ্রাম। তাকে নিয়ে স্বপ্ন। মেয়ের ভাল চেয়ে তিনি যে প্রার্থনা করতেন সব সময়। আমরা যারা পিতা সন্তান কত বড় হচ্ছে তা আমাদের মাথায় থাকে না। আমরা তাদেরকে সাত বছরের শিশু ভাবতে ভালবাসি। আমি ১০ বছর বয়সী এক কিশোরীর নরম হাতের স্পর্শ অনুভব করি। ওই সন্তানও তার পিতার হাতকে নিরাপত্তার অবলম্বন মনে করে শক্ত করে ধরে রাখে। প্রতিটি পিতার মনের প্রার্থনা কি তা আমরা জানি। কিন্তু যখন কাঁটাতারের ওপর সন্তানের লাশ ওভাবে পড়ে থাকার বীভৎস দৃশ্য দেখি- তখন আমি এক পিতৃত্বকে দেখি, যিনি তার ১৫ বছর বয়সী মেয়ের নিরাপত্তা, সুখী দেখতে অপেক্ষায় থাকেন। এসব বর্ণনায় আমার সত্যিই কোন ভাষা নেই।
46853
৪৭
ভার্জিনিয়া, ইউএসএ থেকে মোহাম্মদ আকতার হোসেন লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০২:৫৩
ফেনালী এবং তার পরিবার দাগি চোরাচালানী। এই পরিবারের সবাই জন্মের পর থেকেই সীমান্তে স্মাগলিং করে আসছিল। একটা সাধারন গ্রাম্য মেয়ে কখনো অতরাতে সীমান্তের ১৮ ফুট উচু কাঁটাতার ডিঙ্গাতে যাবে না। বিএসএফ বারবার সতর্ক করা সত্যেও ওরা বিরত হয় নাই। বরং তরিৎ গতিতে বেড়া ডিঙ্গিয়ে চম্পট দিতে চায়। এদের সাথে আরো একটি গ্রুপের নেটওয়ার্ক ছিল, যারা ফেনালী পরিবারকে ২টি লম্বা বাঁশের মই সর্বরাহ করেছে। এ ধরনের নেটওয়ার্ক সাধারনত অস্ত্র চোরাচালানের ক্ষেত্রে দেখা যায়। কি ভয়ংকর!

কিন্তু আজকে যারা এ সব দাগি চোরাচালানীদের নিয়ে কারবালার হায় হোসেন গালগপ্প করছে তারা ১৯৭১ এর ভারত বিরোধী পরাজিত চক্র। ছলে বলে কৌশলে ভারত বিরোধীতাই এদের পাকি রাজনৈতিক কৌশল। আজকে যারা বন্দর, ট্রানজিট এবং ভারতের সাথে বিভিন্ন চুক্তির বিরুদ্ধে গলাফাটায় কেবল তারাই এই ফেনালী গপ্পের কবিয়াল। ধন্যবাদ।
46858
৪৮
হিউস্টন, টেক্সাস থেকে সামসুদ্দিন মোল্লা লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৮:৩০
আমাদের মহান প্রতিবেসী ভারত, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু ভারত। বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের পরাজিত শক্তি জামাত আবার মাঠে নেমেছে ভারত বিরোধী ইসলামি ফেকরা নিয়ে। এবারের ইস্যু সীমান্তের চোরাচানানী । চোরাচালানী ফেনালির বাবাও একজন কুখ্যাত চোরাচালানী। এই কুখ্যাত বাপ-বেটি অবৈধ ভাবে সীমান্ত টপকে বিভিন্ন সময়ে ভারতে অনুপ্রবেষ করেছে। বিএসএফ এর রিপোর্টে জানা গেছে ফেনালী অস্ত্র পাচারকারী মাফিয়াদের সাথে যুক্তছিল এবং ঐ চক্রের মনরঞ্জন করার জন্য বিভিন্ন অসামাজিক কাজেও লিপ্ত ছিল। বিএসএফ সদস্যরা বারবার তাকে সতর্ক করা সত্বেও সে তাতে কর্ণপাত করে নাই। বিএসএফ সাধারনত অস্ত্র পাচারকারীদের গুলি করে থাকে। আমাদের দেশের রক্ষনশীল পরিবারের ঐ বয়সের কোন ভাল মেয়ে সীমান্তে দেহ ব্যবসা করে না। কিন্তু জামাতের হুজুররা একজন অসামাজিককে নিয়ে রাজনীতি করতেও কসুর করে না। ব্যপারটা এখানেই।
46861
৪৯
ঢাকা থেকে জামান লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১১:৩৭
পাঠকগন,

যারা ফেলানিকে নিয়ে মিথ্যা বলছেন যে সে চোরাচালানী, অস্ত্র পাচারকারী, মনরঞ্জনকারিনী দেহ ব্যবসায়ী ছিল তাদের মত ইন্ডিয়ান রাজাকারদের ধিক্কার জানাই। এরা ভারতের দালাল, রাজাকার।

এরা যে কত বড় মিথ্যাবাদী, ধোকাবাজ তা দেখুন ফেলানিকে নিয়ে আমাদের সময়ের রিপোটে:

http://amadershomoy.com/
46883
৫০
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০৩:০৮
৪৭ ভার্জিনিয়া, ইউএসএ থেকে মোহাম্মদ আকতার হোসেন কে
৪৮ হিউস্টন, টেক্সাস থেকে সামসুদ্দিন মোল্লা কে
নাম বদলিয়ে রঙ বে রঙঙ্গে উপস্থিত হওয়া, নলেজ দিয়ে একটা ঘটনা থেকে ভিবিন্ন লেজ বাহির করা, এই গুলো হল ভারতীয় রাজাকারের চরিত্র । প্রাশ্চাত্যে মানুষ কিছু দিন থাকলে তাদের মাইন, চিন্তাধারা উন্নত হয় কিন্তু আপনাদের চিন্তাধারা কুকুরের লেজের মত বাঁকাই থেকে গেল,শুধু দেখি কাকরার মত র্গতই খোঁজেন ? যেই অভিযোগ গুলি দ্বার করিয়েছেন ফেলানী অস্ত্র ব্যাবসায়ী, চোরাচালানী, সীমান্তে স্মাগলিং, একজন অল্প বয়সী মহিলা সর্ম্পকে যেই অভিযোগ গুলি দ্বার করিয়েছেন সত্যই আপনারা মানুষ রুপি ভারতীয় দৈত্য, ভারত যদি আপনাদের কে নিয়োগ না দিতো তা হলে আপনারা ভারতের পক্ষে এত সাফাই গাইতেন না ? আপনাদের কথার ভিতর ভারতের উদ্দেশ্য ফুটে উঠতেছে, ভারত এই পর্যন্ত ৯২২ বাংলাদেশি কে খুন করেছে, বিএসএফরা বাংলাদেশি মানুষ কে খুন করার উদ্দেশ্য হল ভারত সরকার বাংলাদেশ কে সিকিমের মত পেতে চাই বাংলাদেশের জনগণ কেন সারা দিতেছে না ? কেন বাংলাদেশের জনগণ সব সময় ভরত বিরোধি দলকে ক্ষমতায় বসাই ? কেন বাংলাদেশ থেকে ট্রানজিট নিতে পারে না ?
মির জাফর সরকারের থেকে ভারত ট্রানজিট আদায় করে নিল, কিন্তু আর কয়েক বছর পর যখন এই মির জাফর সরকার বিদায় নিবে অন্য সরকার আসবে তখন ভারতের ট্রানজিট চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে, বাংলাদেশের মানুষ যদি সত্যই ভোট অধিকার প্রয়োগ করতে পারে তা হলে বুঝা যাবে বাংলাদেশের মানুষ ভারতীয় রাজাকারের দলকে চরম ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে, তাই তো র্নিবাচন কমিশনার বে হুদা সাহেব ভিবিন্ন তালবাহান করে । ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ কে ভারতের রাজ্য করাই আপনাদের উদ্দেশ্য ছিল, আল্লাহর রহমতে আপনারা পারেন নাই, ছলে বলে কৌশলে ভারতের পক্ষে দালালি করেই বাংলাদেশ কে ভারতের হাতে বিক্রি করে দেওয়া আপনাদের রাজনৈতিক কৌশল। আপনাদের র্দূভিশুন্ধি কে বাংলাদেশের জনগণ কখনো বাস্তবায়ন হইতে দিবে না।
46903
৫১
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৫:০১
ভারত যদি এতই ভাল কান্ট্রি হয় তা হলে পাশের দেশ চীনের সাথে পাকিস্থানের সােথ শ্রীলঙ্কার সাথে নেপাল ভুটানের সাথে ভাল সর্ম্পক নাই কেন ? কেন বা চীনের সাথে ১৯৬২ সালে যুদ্ধ করেছে ভারত ? কেনই বা পাকিস্থানের সাথে দুই দুইবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে ভারত ? কেনই বা রৌমারি সীমান্তে রাতের আধাঁরে বাংলাদেশের ভিতর প্রবেশ করে বাংলাদেশের বর্ডারের ভিতর যুদ্ধ করেছে ভারত ? কেনইবা শান্তিবাহিনি কে অস্ত্র সামরিক ট্রেনিং দিয়ে বাংলাদেশের সরকারের বিরোদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে ? কেনই বা তামিল টাইগারদের কে অস্ত্র এবং সামরিক ট্রেনিং দিয়ে শ্রীলঙ্কার বিরোদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছিল ? কেনই বা আফগানিরা ভারতিয় দূতাবাস কে উড়িয়ে দেয় ? কেনই বা প্রথমে পারমাণবিক বোমা ফাটিয়ে দক্ষিণ এশিয়াকে ভয়ভীতির মধ্যে রাখতে চাই ? এমন কোন ভারতীয় রাজাকার আছে....................... এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেওয়ার জন্য ?
46909
৫২
গ্রাম থেকে আবু জাফর লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:২৪
জনাব জামান @৪৯............................. কে,

ধিক্কার দিতে চাইলে নিজেকে দেন।

আমি গৃহস্থের ছেলে। সীমান্ত অঞ্চলে আমার বাড়ী। মেয়ে সন্তান আমাদেরও আছে। আমাদের বাড়ীর মেয়েরা সন্ধার পর পাশের বাড়ীর আঙ্গিনাতেও যায় না। কোন ভাল মেয়ে শেষরাতে সীমান্তের ১৮ ফুট উচু কাঁটাতারের বেড়া ডিঙ্গায় না। সাফ কথা।
46915
৫৩
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:৩৯
আবু জাফর সাহেব ফেলানী না হয় মহা অশুদ্ধ করেছে, কিন্তু বিগতবারের পারুল কি অশুদ্ধ করেছে ? বিএসএফ বর্ডার ক্রস করে বাংলাদেশের গ্রামে ঢুকে গৃহবধু কে র্ধষনের চেষ্টায় গ্রামের মানুষ বাধা দেওয়ার কারণে তিন জন গ্রামের মানুষ কে গুলি করে হত্যা করা কি অন্যায় নয় ?
46921
৫৪
গ্রাম থেকে আবু জাফর লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০৮:২৪
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ,

আমন আজগুবি কথ কখনো শুনি নাই।
তবে ৭১ পকিসেনা ও দোসর জামাত বাহিনী হত্যা ও *র্ষ* করেছে।
46924
৫৫
Chittagong থেকে Ayub Ansary লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:২১
যার বিএসএফের হত্যাকারীদের সমর্থন জানাচ্ছেন তারা দয়া করে ইন্ডিয়ান মন্তব্যকারীদের মন্তব্যগুলো পড়েন । তাহলে আপনাদের কিছু লজ্জা হবে।
46933
৫৬
রিয়াদ সৌদি আরব থেকে জাহেদ লিখেছেন, ২৭ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১১:৩১
৫৪
গ্রাম থেকে আবু জাফর কে
গত বছরের শুরুর দিকে পঞ্চগড়ে বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে এক গৃহবধূর শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালালে স্থানীয় জনগণ প্রতিরোধ করে। এ সময় বিএসএফ গুলি চালালে তিন গ্রামবাসী নিহত হন।
এই লিঙ্কটাকে খুলে দেখেন আশা করি প্রমান পেয়ে যাবেন, আমি আজগুবি কথা বলি নাই।
http://www.sonarbangladesh.com/article.php?ID=4565
বর্তমান ছাত্রলীগ এবং বি এসএফের হত্যা র্ধষন প্রমান করতেছে ১৯৭১ সালে তারাই সব অপর্কম করেছে এবং পাকিসেনা এবং জামাতের নাম প্রচার করেছে, তাদের অপর্কম কে ঢাকার জন্য।
46934
৫৭
রাজশাহী থেকে রিপন লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৮:৩৪
হালার অনেক মজা কইর‍া সকাল বেলা ইলিশ মাছ আর পান্তা ভাত পেট ভইরা খাইয়া নেটে বইসলাম।

কিন্তু হালার এই ব্লগে হগ্গল ইন্ডিয়ান রাজাকারদের কথা পইড়া মনডা বড়ই খারাপ হইয়া গেল। বমি বমি করতাইছে। বাইরে যাইয়া হাইটা আহি।
46962
৫৮
ঢাকা থেকে জামান লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৮:৫৫
জাফর (#৫২)

আপনার নামটা আসলে হওয়া উচিত মীর জাফর।

আপনি গৃহস্থের ছেলে? সীমান্ত অঞ্চলে আপনার বাড়ী? আপনি গ্রামে থাকেন?

না, আপনার ক্ষেত্রে উপরের কোনটাই সত্যি নই। মিয়া আমি আপনার মত কাঠাল পাতা খাই না। আপনার গ্রাম এতই উন্নত যে ইন্টারনেট আছে, তাও আবার সীমান্ত অন্চলে!!! তা গ্রামটার নাম কি ভাই? মিথ্যা বলার একটা সীমা থাকা উচিত।

আপনার বাড়ীর মেয়েরা সন্ধার পর পাশের বাড়ীর আঙ্গিনাতেও যায় না কেন? আপনারা কি স্বাধীন দেশে থাকেন না? তো কার ভয়ে যান না?

নিশ্চয় বি,েস,এফের ভয়ে। বি,েস, এফ কে এত ভয় করেন আবার তাদেরই এত দালালী করেন কেন? লজ্বা লাগে না? এইরকম দালালী মানুষ করতে পারে জানা ছিলো না।
46963
৫৯
নো্যাখালি থেকে রফিক লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৮:৫৮
ব্লগ ৫২:

আমার মনে হয় জাফর সাহেব "বাফার যোন" এ থাকেন? তাই এত ভয়।
46964
৬০
ঢাকা থেকে রিফাত লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:০৩
এই ব্লগে ইন্ডিয়ান রাজাকার প্রিন্স বিভিন্ন নামে লিখে নিজের দল ভারী করে।
46965
৬১
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফাতেমা লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ১১:০৮
@৫৭/রিপন,
সীমন্তের ওপার ভারত থেকে কমদামে চাল আনতে না পারলে চুলায় ভাতের হাড়ি উঠেনা, গোয়ালের গরু বেডরুমে তালামেরে সারারাত আঙ্গিনায় বসে পাহারা দেন। আর সকালবেলা ইলিশ মাছের গল্প!!! ধন্যবাদ।

@৫৮/জামান,
আপনি নিশ্চয় কাঁটাতারের বেড়া ডিঙ্গানী ফেনালীদের কেউ। তাই রাতবিরাতে সীমান্তের এপার/ওপার ঘুরঘুর করতে একটুকুও ভয় লাগে না। কিন্তু ভাল মনুষ ওসব ধাব্ধাবাজিতে যায় না। স্বাধীন দেশে থাকার অর্থ এই নয় যে রাতের আঁধারে অন্যের সীমান্তে হানাদেয়া। ধন্যবাদ।
46972
৬২
দুবাই। থেকে শাহিন লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; দুপুর ০১:৪১
সীমান্ত কাঁটাতারের বেড়া,স্বদেশ প্রেম অনেক মন্তব্য... যারা ফালানি কে চোরা কারবারী বলছেন তাদের জন্য, চোরা কারবারী বলা হয় তাদের কে যারা চোরা কারবার করে, যারা এই ব্যবসার সাথে জরিত তাদের কে কেউ মারে না ,না বিডিআর না বিএসএফ,মারা যায় নিরীহ ফালানিরা। বিডিআর এবং বিএসএফ প্রতি বোতল ফেন্সিডিল থেকে পয়সা পায়।প্রতি পিস শারি থেকে পয়সা পায়, সীমান্তে প্রতি পোস্টে যেখানে চোরাকারবার হয় বিডিআর এবং বিএসএফের লাইনম্যান থাকে,ওরা পয়সা রাখে, বিডিআর থেকে ঐ লাইনম্যানের দাপট বেশি। কখনো সখনো বিডিআর বা বিএসএফ নিজেরাই গুনে গুনে দেয় কত কার্টুন ফেন্সিডিল। চোরাকারবারিরা বিডিআর বিএসএফের বন্ধু।
46983
৬৩
Belfast থেকে LONG DONG SILVER লিখেছেন, ২৮ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৪:১৬
Indian dalal and their family are slaves, born to be victimized by their master, abuse them, *u*k them, they will still laugh like a retard who*e.
46987
৬৪
রাজশাহী থেকে রিপন লিখেছেন, ২৯ জানুয়ারি ২০১১; রাত ০২:১০
খাইছেরে... হালার মাইয়া মানুষ মুর লগে এইরহম কথা কয়..মনডা খারাপ হইয়া গ্যালো- হালার মেলা দিন পর পানতা ইলিশ খাইলাম তাও আবার আমরিকান মাইয়া মানুষ হিংশাইল। হামি কি তন্দুর, টিকা, কাবা, বাগার, স্যানুচ খাইচি নাহি।

মন কইতাছে- হুমাউন আহমদের বহুব্রীহি নাটকের টিয়া পাহি পুতুলের দাদারে যেইডা গাইল দিছিল সেই গাইলডা দিই মধ্যে একডা "ইন্ডিয়ান" লাগাইয়া এই আমরিকান মাইয়াডারে। গাইল দিমু না। বাপ শিখাইছে মাইয়া মানুষেরে গাইল না দিতে।

হালার নেটেই আইমু না। আইলেই মনডা খারাব হইয়্যা যাই।
47028
৬৫
ঢাকা থেকে তাপস চৌধুরী লিখেছেন, ২৯ জানুয়ারি ২০১১; সকাল ০৯:২০
প্রথমেই ক্লিয়ার হয়ে যাক ''হিন্দু মাত্রই ভারতপন্হি নয়''। এইবার আসল প্রসংগে বাংলাদেশি চোরাচালানিদের জন্য ভারত কাঁটা তারের বেড়া দিয়েছে ঠিক আছে মানলাম, কিন্তু দাদা ফেন্সিডিলের বোতলের লেবেলে লাগানো থাকে বাংলাদেশে বিক্রয়ের জন্য। আরেকটা কথা ভারতের কেউ কি চোরাচালানের সাথে জড়িত নয়? যারা বলবেন, না ভারতের কেউ জড়িত না তো দাদা আপনারা দয়া করে মায়াবড়ি খাওয়া শুরু করুন কারন বলা তো যায় না আপনারা যেভাবে সব কিছু সমর্পন করা শুরু করেছেন! নিজের দেশ কে ভালোবাসুন,''জননী জন্মভুমি স্বর্গাদপি গরিয়সি''।
47036
৬৬
মিরপুর,ঢাকা। থেকে ইকরাম লিখেছেন, ৩০ জানুয়ারি ২০১১; বিকেল ০৫:১১
@ রিপন, রাজশাহী নেটে আসবেন না মানে, একশবার আসবেন,হাজারবার আসবেন, যারা গালি দেবে তারা গালিই দিতে জানে। বংশ পরস্পরায় তেনারা গালি দিয়ে যাবেন এ আর নতুন কি! জেনেটিক্যাল ব্যপার, পাঁতি দালালের রক্তে তইস্যা দালাল জন্ম হয়, আপনি গালি না দিয়ে ভালো করেছেন কারন কুকুরের কাজ কুকুরে করেছে কামড় দিয়েছে পায় তাই বলে কি......।
47160
৬৭
Riyadh থেকে Faiz Ahmed লিখেছেন, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১১; রাত ০২:১৫
পাপ ষোল কলায় পুর্ন হয়ে গেলে এ সরকারের আর রক্ষা হবে না।
47274
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 
শাহীন সিদ্দিকী ১৯৯৬ সালে বুয়েট থেকে যন্ত্রকৌশল বিভাগে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে চাকরি নিয়ে মালয়েশিয়ায় গমন করেন একই বছরের ২৩শে সেপ্টেম্বর। সাড়ে তিনবছর সেদেশের সেলাংগর রাজ্যের শাহ আলম শহরে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানীতে চাকরি শেষে তিনি ২০০১ সালের ২রা জানুয়ারী ভর্তি হন আমেরিকার মিশিগান স্টেটের ইউনিভার্সিটি অব ডেট্রোয়েট মার্সিতে। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নিয়ে ২০০৪ সালের ৪ই জুলাই ইমিগ্রেশন নিয়ে সপরিবারে চলে যান কানাডায়। এখানে আমেরিকার একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানীতে ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ২০০৫ সাল থেকে কর্মরত আছেন।

মিঃ সিদ্দিকী অন্টারিওতে প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সনদ প্রাপ্ত হন ১২ই সেপ্টেম্বর ২০০৬। তিনি অন্টারিও সোসাইটি অব প্রফেশনাল ইঞ্জিনিয়ার (OSPE) ও আমেরিকান সোসাইটি অব মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্সের (ASME) সদস্য এবং কানাডিয়ান সোসাইটি অব বাংলাদশী ইঞ্জিনিয়ার্সের (CSBE) প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক। বর্তমানে স্ত্রী জেসমীন এবং দুই মেয়ে সামারাহ ও সাওদাসহ কানাডার ব্রান্টফোর্ডে বসবাস করছেন। নিয়মিত লিখছেন সোনার বাংলাদেশ ডটকম, আমার দেশ, প্রথম আলো, যুগান্তর, যায়যায়দিন, নয়া দিগন্ত, অন্য দিগন্তসহ বিভিন্ন অনলাইন ম্যাগাজিন, জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে। সম্প্রতি সোনার বাংলাদেশ ও বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত লেখা নিয়ে তার প্রথম বই “একজন প্রেসিডেন্টের ই-মেইল এবং...” পাঠক মহলে বেশ সাড়া দিয়েছে।

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy