|
অটোয়া, রাজকুমারী মার্গারেট ও টিউলিপ ফুল
শেখ জেবুল আমিন দুলাল |
|
শপ্তদশ শতাব্দীতে ইউরোপে যে ‘টিউলিপ উম্মাদনা’ দেখা দিয়েছিল, আগামী ৬ই মে থেকে কানাডার রাজধানী শহর অটোয়াতে শুরু হতে যাচ্ছে সেই ‘টিউলিপ উম্মাদনা’ বা ‘টিউলিপ মেনিয়া’, যা চলবে ২৩শে মে পর্যন্ত। এবারের টিউলিপ উৎসবে প্রায় ২৬টি দুতাবাস অংশগ্রহণ করছে বলে জানা গেছে। এ উৎসবে টিউলিপের অভূতপূর্ব সমারোহ এবং ফুলেল মনোলোভা দৃশ্য এক অবিস্মরণীয় আকর্ষণ। ৩ মিলিয়নেরও অধিক টিউলিপ এ সময়ে প্রদর্শিত হবে পার্লামেন্ট ভবনের পাশ ঘেঁষে প্রবাহিত ঐতিহাসিক ‘রিডো ক্যনেল’ তীরবর্তী এলাকা এবং পুরো অটোয়া জুড়ে। সব প্রদর্শনী অঞ্চলগুলোই দর্শকবৃন্দ কোন ফি ছাড়াই ঘুরে ঘুরে দেখতে পারবেন।
সুন্দরের প্রতি তীব্র আকর্ষণের শিহরিত ইতিহাসকে স্মরণ করার জন্য লাল, হলুদ, হালকা গোলাপী, মনমাতানো নীল আর হালকা বেগুনী ফুলপরীদের মিছিল (প্যারেড়) প্রদক্ষিণ করবে অটোয়া শহর। ২০০২ সালে ‘কানাডিয়ান টিউলিপ উৎসব’-এর ৫০তম বার্ষিকীতে হল্যান্ডের রাজকুমারী মার্গারেট সম্মানিত অতিথি হিসেবে এসেছিলেন অটোয়াতে। এবার হচ্ছে ‘কানাডিয়ান টিউলিপ উৎসব’-এর ৫৬তম বার্ষিকী। ১৯৪৫ সালে প্রাপ্ত উপহার হিসেবে প্রথম ‘টিউলিপ মূল’ বপণ করা হয় অটোয়ার মনোরম পার্লামেন্ট ভবন ও পিস টাওয়ারের সামনে।
কানাডায় নবাগত অনেকের কাছে অজানা থাকলেও বিষয়টা ঐতিহাসিক বলেই এ আলোচনার অবতারণা। অটোয়ায় ‘কানাডিয়ান টিউলিপ উৎসব’-এর ইতিহাস আর হল্যান্ডের রাজকুমারী মার্গারেট-এর ইতিহাস ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলার বাহিনীকে হল্যান্ডে আমন্ত্রণ জানানো হলে সেখানকার রাজপরিবার দেশত্যাগ করে কানাডায় চলে আসে। তৎকালীন রাজার উত্তরাধীকারিণী রাজকুমারী (পরবর্তীতে রাণী) জুলিয়ানার গর্ভ থেকে ১৯৪৩ সালে অটোয়ার সিভিক হাসপাতালে রাজকুমারী মার্গারেট-এর জন্ম হয়। অটোম্যান রাজার সহযোগিতায় রাণী জুলিয়ানাই ‘টিউলিপ মূল’-এর প্রথম চালান অটোয়ায় পাঠিয়েছিলেন। এটাই হচ্ছে টিউলিপ আগমণের ইতিহাস।
রাজ পরিবারের ঐতিহ্য এবং শিশুর জন্মগত নাগরিকত্ব নির্ধারণ করার জন্য কানাডার তৎকালীন পার্লামেন্ট এক বিরল আইন পাশ করে। উক্ত আইন অনুযায়ী অটোয়াস্থ সিভিক হাসপাতালের প্রসূতি কক্ষটি শিশুর জন্মের নির্দিষ্ট দিনটির জন্য হল্যন্ডের অন্তর্ভুক্ত ভূমি বলে ঘোষিত হয়। ফলে রাজকুমারী মার্গারেট দেশ হিসেবে কানাডায় জন্ম গ্রহণ করেও জন্মগতভাবে হল্যান্ডের নাগরিক।
দেশে ফিরে গিয়ে রাজকুমারী জুলিয়ানা কানাডার মহনুভবতা ও উদারতার স্বীকৃতির নিদর্শন স্বরূপ অটোয়ায় ২০হাজার ‘টিউলিপ মূল’ প্রেরণ করেন। এই ধারাবাহিকতা রক্ষায় হল্যান্ড সরকার এর পর থেকে অব্যাহতভাবে প্রতি বছর এক লাখ ‘টিউলিপ মূল’ অটোয়ায় প্রেরণ করে আসছে। ফলশ্রুতিতে প্রতি বসন্তে অটোয়া হয়ে উঠে উত্তর আমেরিকার ‘টিউলিপ রাঝধানী’, আর এই সুবাদে সেখানে প্রস্ফুটিত হয় লাখ লাখ টিউলিপ ফুল, বসে টিউলিপ মেলা, ফুলে ফুলে সুশোভিত হয়ে উঠে কানাডার রাজধানী অটোয়া। সপ্তদশ সতাব্দীর ইউরোপীয় ‘টিউলিপ উম্মাদনা’ বা ‘টিউলিপ মেনিয়া’ সপ্তাহকালের জন্য পেয়ে বসে অটোয়াকে।
“একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে মোরা যুদ্ধ করি” কথাটি বাংলাদেশীদের নিকট অতি পরিচিত একটি গানের কলি, স্বাধীকার সংগ্রামে প্রেরণার অন্যতম উৎস বলে বিবেচিত। সুন্দরকে সংরক্ষণ, নির্মলতাকে লালন, ভালোবাসাতে জীবনী সীঞ্চন, শান্তিকে দীর্ঘায়িত করণ এবং মানবতাকে সার্বিক প্রবৃদ্ধি প্রদান করার জন্য যুগে যুগে মানুষ ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। কিন্তু শুধুমাত্র ফুলের জন্য ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছিল একটি জাতি, এটা কি বিশ্বাস করা যায়?
‘টিউলিপ ফুল’ প্রায় সব সচেতন পাঠকের নিকটই পরিচিত। পৃথিবীর উত্তর নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে অবস্থিত পুরানো দিনের ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলো থেকে শুরু করে জাপান পর্যন্ত এলাকা ছিল টিউলিপের আদি জন্মভূমি। পরে মধ্য এশিয়ার গাছ-পালাহীন পরিত্যাক্ত বিস্তৃর্ণ প্রান্তরে ঘটে এর আগমণ। আগাছা পরিচয়ে নিয়ে বেড়ে উঠা এই বেনামী ফুলটি পরিকল্পিত চাষাবাদের আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে উৎপাদিত হয়ে ‘টিউলিপ’ নাম ধারণ করে। উদ্ভীদ বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এর বোটানিক্যাল নাম ‘টিউলিপা’, এটা ‘লিলি’ পরিবারের সদস্য।
বাগানের সৌন্দর্য্য আর ফুলের তোড়ার শোভা বৃদ্ধির জন্য নয়নাভিরাম এই ফুলটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। কাপ-সদৃশ্য, গাঢ় ও হালকা রং-এর সমারোহ, বিচিত্র ও সহজলভ্য মনমাতানো রং-এর বাহারের জন্য সকলের নিকট সমাদৃত এই ফুলটি। অবশ্য রং-বৈচিত্রের ব্যাপারটি আধুনিক কালের কোন কোন উদ্ভীদ বিজ্ঞানীর মতে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়াল ভাইরাসের ফল। আদা বা হলুদের মতো মূলটাই ‘টিউলিপ ফুল’-এর বীজ হিসেবে বিবেচিত।
ষষ্ঠদশ শতাব্দীর আগে বাস্তবে টিউলিপের কোন পরিচিতিই ছিলনা। ১৫৫৪ সালে তুরস্ক থেকে ‘টিউলিপ ফুল’-এর বীজ বা মূল সর্বপ্রথম ইউরোপে প্রবেশ করে বলে মনে করা হয়। অনেকের ধারণা হল্যান্ড হচ্ছে টিউলিপের জন্মস্থান। অথচ ইউরোপে আগমনের বহু কাল আগে থেকেই তুরস্কে টিউলিপ উৎপাদন হতো। সপ্তদশ শতাব্দীতে ‘টিউলিপ মূল’-এর প্রতি হল্যান্ডবাসীর আকাশচুম্বী আকর্ষণ ইতিহাসে ‘টিউলিপ মেনিয়া’ বা ‘টিউলিপ উম্মাদনা’ নামে পরিচিত। বিখ্যাত ডাচ্ লেখক ‘ডুমাস’ তাঁর লেখা ‘ব্লাক টিউলিপ’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, ‘টিউলিপ উম্মাদনা’-এর যুগে কোন কোন ক্ষেত্রে একটি ‘টিউলিপ মূল’-এর জন্য কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত ব্যয় করেছে। এ সমস্ত কারণে আজো টিউলিপ চাষের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে হল্যান্ড বিশ্বে খ্যাতির শীর্ষ স্থান দখল করে আছে।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, এই টিউলিপ ফুলই একদিন হল্যান্ডের জাতীয় অর্থনীতিতে মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টির মাধ্যমে একটি জাতিকে মৃত্যুও দুয়ারে পৌঁছে দেয়। ১৬৩৩ সাল থেকে ১৬৩৭ সালের মধ্যে ‘টিউলিপ ফুল’-এর ভুমিকা ডাচ্ জাতিকে ধ্বংসের মুখোমুখি এনে হাজির করে। ১৬৩৭ সালে হল্যান্ড সরকার কর্তৃক ঘোষিত এক সরকারী অধ্যাদেশের মাধ্যমে ‘টিউলিপ মূল’-এর ক্রয়-বিক্রয়কে আর দশটা ব্যবসায়ের মতো একটি ব্যবসা হিসেবে ঘোষণা না দিলে ‘টিউলিপ মেনিয়া’ বা ‘টিউলিপ উম্মাদনা’য় আক্রান্ত ডাচ্দের জাতীয় অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যেতো।
চাকরী, পেশা, বাড়ী, জীবনের সঞ্চয় এমনকি নিজের স্ত্রীর বিনিময়েও ডাচ্ জাতি ‘টিউলিপ মূল’ ক্রয়-বিক্রয়ে গল্প-সাহিত্য নয় একেবারে ইতিহাস সৃষ্টি করে ফেলেছে। এই সময়টাতে সে দেশে ‘টিউলিপ মূল’ মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে। আজকের শেয়ার বাজারের মতো ‘টিউলিপ মূল’-এর প্রতিদিন উঠা-নামা করতো, পরিবর্তীতো হতো।
‘টিউলিপ মূল’ সংগ্রহের জন্য ডাচ্ জাতি উম্মাদ হয়ে উঠেছিলো। মাত্র একটি দুর্লভ ‘ভাইস রয়’ প্রজাতির ‘টিউলিপ মূল’ সংগ্রহের জন্য জনৈক ডাচ্ টিউলিপ পাগল বিনিময় মূল্য হিসেবে পরিশোধ করেছে প্রায় ৩৬ মণ গম, ৭২ মণ চাউল, ১২টি ভেড়া, ৮টি শূকর, ৪টি গাভী, ৪ ব্যারেল বিয়ার, ২ ব্যারেল ওয়াইন, ২ টন মাখন, এক হাজার পাউন্ড চীজ, এক খানা খাট, ২৫ হাজার ডাচ্ মুদ্রা মানের একটি রূপার কাপ এবং বহু পোশাক-আশাক। অপর এক টিউলিপ প্রেমিক দিয়েছেন ১২ একর জমি। আর একজন দিয়েছেন একটি নতুন গাড়ী ও ১২টি ঘোড়া।
১৫৬২ সালে তুরষ্কের কন্স্টান্টিনোপল কর্তৃক ইস্তাম্বুল থেকে প্রেরিত ‘টিউলিপ মূল’-এর একটি চালান বেলজিয়ামের এন্টুইরোপ বন্দরে পৌঁছার পর ইউরোপে এক নুতন ‘হর্টিকালচার’ শিল্পের যাত্রা শুরু হয়। নুতন, বিচিত্র এবং দুস্প্রাপ্য ‘টিউলিপ মূল' গুলো দ্রুত শেষ হয়ে যেতে লাগলে মূল্য অপ্রতিরোধ্য গতিতে উর্ধমুখী হয়ে গেলো। ১৬১০ সাল নাগাদ বিয়ের যৌতুক হিসেবে ব্যাবহৃত হতে শুরু করে এক একটি ‘টিউলিপ মূল’।
পশ্চিমা বিশ্বে সর্বপ্রথম টিউলিপ ফুলকে পরিচিত করানোর ব্যাপারে যাঁর নাম উল্লেখ করতেই হয়, তিনি হচ্ছেন তুরস্কে ভিয়েনার তৎকালীন রাষ্টদূত ‘অগিয়ার দো বেজবেক’। ১৫৫১ সালে তিনি ভিয়েনার এডরিয়ানোপল (এডিরন)-এর উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ক্যারলাস ক্লুসিয়াস-এর নিকট ‘টিউলিপ বীজ’ ও ‘টিউলিপ মূল’-এর একটি চালান পাঠানোর মাধ্যমে এই অসম্ভব সুন্দর ফুলকে ইউরোপে প্রবেশের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। ইউরোপে সর্বপ্রথম টিউলিপ চাষের কৃতিত্ব উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ক্যারলাস ক্লুসিয়াস-এরই প্রাপ্য। পরে ১৫৯৩ সালে তিনি লেইডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানীর অধ্যাপক হয়েছিলেন।
হল্যান্ডে টিউলিপ সম্পর্কে আকাশছোঁয়া আগ্রহের কারণে উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ক্যারলাস ক্লুসিয়াস-এর ঔষুধি-গুণ গবেষণার জন্য নিজের ছোট্ট বাগানে সামান্য কিছু ‘টিউলিপ মূল’ রোপন করেন। স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যে এই ‘টিউলিপ মূল’গুলো বিতরণ বা বিক্রির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ঘটে যায় বিপত্তি। ‘টিউলিপ মূল’ থেকে বঞ্চিত শহরবাসী বিদ্রোহী হয়ে উঠে এবং বাগানে হামলা চালিয়ে অধিকাংশ মূল লুট করে নিয়ে যায়। এই লুট করা ‘টিউলিপ মূল’গুলো দিয়েই পরবর্তী সময়ে ইউরোপে শুরু হয় ‘টিউলিপ বাণিজ্য’।
উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ক্যারলাস ক্লুসিয়াস অবশিষ্ট ‘টিউলিপ মূল’গুলো যত্ন সহকারে পূনরায় নিজের ঐ বাগানটিতেই রোপন করেন, কিছুটা পরিপক্ক হবার পর এখান থেকে এক ব্যাগ মূল তিনি তাঁর কাঁচাবাজার সরবরাহকারী দোকানদারকে দান করেন। দোকানদার বেচারা নিজের ব্যবসা নিয়ে এতোটা ব্যস্ত ছিলেন যে টিউলিপ সম্পর্কে তাঁর কোন ধারণাই ছিলনা। একজন উদ্ভিদ বিজ্ঞানীর দেয়া উপহারকে উন্নত মানের সবজী মনে করে তেল ও ভিনিগারে ভাজি করে ভদ্রলোক ‘টিউলিপ মূল’গুলো খেয়ে ফেলেছিলেন।
জনৈক প্রাচীন পারস্য ঐতিহাসিকের মতে পারস্যের অধিবাসী ‘ফরহাদ’ নামের প্রেমিকের অশ্রুজলে সিক্ত শুষ্ক ভুমিতে বিশ্বের সর্বপ্রথম টিউলিপ প্রস্ফুটিত হয়েছিল। মুসলিম মহিলাদের মাথায় বিশেষ ধরনের স্কার্ফকে ফার্সী ভাষায় ‘তুর্বাণ’ বলা হয়। ফার্সী শব্দ ‘তুর্বাণ’-এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে তুর্কী শব্দ ‘টেউলিপেন্ড’ পরিবর্তীতো হতে হতে সর্বশেষে এই আনন্দিসুন্দর অপূর্ব ফুলটির নামকরণ করা হয় ‘টিউলিপ’। ক্রমে ক্রমে ‘টিউলিপ’ রূপান্তরিত হয়েছে ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে, ধন্য হয়ে উঠেছে কবি-সাহিত্যিকদের প্রশংসায়, হৃদয়গ্রাহী হয়ে উঠেছে শিল্পীর তুলির স্পর্শে। আর এ সব কিছুর পশ্চাত ছিল অটোম্যান রাজার আন্তরিক সমর্থন।
এক ঐতিহাসিক বর্ণনা মতে সর্বপ্রথম টিউলিপ চাষ সম্প্রসারিত হয়েছে সুলতান লালাইজা-এর বাগানে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত টিউলিপ উৎপাদক তৃতীয় আহ্মেদ (১৭০৩-১৭৩০) এক হাজার তিন শত তেইশ প্রজাতির টিউলিপ উৎপাদন করে নিজস্ব সান্ধ্য-বাগানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তা প্রদর্শন করেন। এই প্রদর্শনীতেই প্রদর্শিত হয়েছিল মোমবাতি সজ্জিত বিশ্ববিখ্যাত ‘ঘুর্ণায়মান টিউলিপ ফুল শয্যা’।
---------------০--------------- |
| |
| http://www.sonarbangladesh.com/articles/SheikhJebulAminDulal |
| |
|
|
|
|
| |
|
|
|
|
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন: |
|
|
|
| |
|
| লেখক পরিচিতি |
| |
|
| |
| |
|
Good writing..............pls give your e mail adress and phone no
Reagards
Mahbub
Jatio Jubo Command