পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলা এবং পার্শ্ববর্তী কক্সবাজার জেলা মিলে নতুন একটি রাষ্ট্র সৃষ্টি করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে অতি সন্তর্পণে। পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে যে একটি দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র চলছে তা অনেকেই বিশ্বাস করলেও তার সাথে যে কক্সবাজারকেও সংযুক্ত করার সম্ভাবনা আছে তা কিন্তু অনেকেই চিন্তা করছে না। কোন দেশের সমুদ্রসীমা না থাকলে তা হবে পরনির্ভরশীল রাষ্ট্র, যা হবে অতি দূর্বল। চীনকে সাইজ করার জন্য তার নিকটবর্তী দূর্বল রাষ্ট্র বাংলাদেশের গোলযোগপূর্ণ পার্বত্য চট্টগ্রামে কোন বেইজক্যাম্প স্থাপিত হলে তার সাথে গভীর সমুদ্র বন্দর থাকবে না বা সেখানে আমেরিকার নৌবহর ভিড়তে পারবে না এমনটা হতেই পারে না। এ জন্য দরকার পার্বত্য চট্টগ্রামের সাথে কক্সবাজার সমুদ্রসীমা। তাই পার্বত্য চট্টগ্রামে যেমন পাহাড়ী বাঙ্গালী দ্বন্দ্ব লাগিয়ে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে, তেমনি কক্সবাজারে বাংলাদেশী ও আরকানী মুসলিমদের মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। আবার মাঝে মধ্যে ডুলাহাজারা খ্রীষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতাল ও অন্যান্য পশ্চিমা এনজিও কর্তৃক ধর্মান্তরিত ও নিয়ন্ত্রিত খ্রীষ্টানদের সাথে মুসলিমদের ধর্মীয় বিরোধ সৃষ্টি করা হয়, যাতে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার সংবাদ শিরোনাম হওয়া যায়, ফলে পশ্চিমা বিশ্বের সহানুভূতি ও সমর্থন নিয়ে খ্রীষ্টান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের জন্য যেন পৃথক রাষ্ট্র সৃষ্টি করা যায়। এর সাথে আরকানী সংখ্যালঘুদেরকে সম্পৃক্ত করতে ও তাদের সমর্থন পেতে তাদেরকে শরণার্থী ক্যাম্পে লালন পালন করা হচ্ছে এবং অল্প কয়েকশ শরণার্থীকে পশ্চিমা দেশে শ্রমিক হিসেবে স্থায়ীভাবে নিয়ে গিয়ে একদিকে আরকানীদেরকে বুঝাতে চায় যে, দেখ আমরা তোমাদের প্রতি তোমাদের বাঙ্গালী মুসলিম ভাই-বোনদের চেয়ে কত বেশি আন্তরিক, অন্যদিকে এ সবের আকর্ষণে আরো বেশি আরকানী এ দেশে চলে এসে এ এলাকায় যেন তারা সংখ্যাগরিষ্ট হয়। এমন এক সময় আসতে পারে যেদিন কক্সবাজারে মুসলিমদেরকে থাকতে হবে আরকানী পরিচয় দিয়ে। আরকানকে স্বাধীন করে দেয়ার লোভ দেখিয়ে রোহিঙ্গাদেরকে সহজেই হাত করা যায়। এ ভাবে যে কোন দেশে সংখ্যালঘুদেরকে শক্তিশালী করণের মাধ্যমেই কেবল মানচিত্র পৃথক করা সম্ভব হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতিদের উপর চাপ সৃষ্টি করলে ভারত, মায়ানমার, চীন ও পশ্চিমা বিশ্ব থাকবে উপজাতিদের পক্ষে। কক্সবাজারে আরকানীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হলে আরব বিশ্ব ও পশ্চিমা বিশ্ব থাকবে আরকানীদের পক্ষে। আরকানে মুসলিমদের সাথে মায়ানমার সরকারের সমস্যা হলে বাংলাদেশ থাকবে আরকানীদের পক্ষে, চীন থাকবে মায়ানমারের পক্ষে। সুতরাং সংখ্যালঘু উপজাতি ও রোহিঙ্গাদের যে কোন অপতৎপরতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সরকার কোন ব্যবস্থা নিতে গেলেই প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহ ও বিশ্ববাসী বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নেবে। তখন তাদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র করার দাবী জোরালো হবে এবং জাতিসংঘের মাধ্যমে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। যেমন পৃথক রাষ্ট্র করা হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব তিমুর ও দক্ষিণ সুদানকে। বাংলাদেশ সেনাবাহীনীর পক্ষ থেকেও এ আশংকা ব্যক্ত করা হয়। এ এলাকায় একটি পৃথক খ্রীষ্টান রাষ্ট্র হলে ভারত মায়ানমার ও চীন কিন্তু ঝুঁকির মধ্যে পড়তে বাধ্য হবে। কারণ মায়ানমার থেকে আরকান ও ভারত থেকে পূর্বাংশ বিচ্ছিন্ন হওয়ার এবং চীন চাপের মুখে পড়ার আশংকা বৃদ্ধি পাবে। তবে লাভ হবে পশ্চিমা বিশ্বের। তারা এ এলাকার বাজার ও খনিজ সম্পদ কব্জা করতে পারবে।
পার্বত্য উপজাতিদের যেমনি একাধিক সশস্ত্র সংগঠন আছে তেমনি আরাকানীদেরও একাধিক আছে। তবে উপজাতীদেরকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ থেকে পৃথক রাষ্ট্র সৃষ্টি করা অনেক সহজ হবে, আরকানীদেরকে কাজে লাগিয়ে আরাকানকে স্বাধীন করার তুলনায়। কারণ বাংলাদেশ থেকে পৃথক করাটা ইন্দোনেশিয়া বা সুদান থেকে পৃথক করার চেয়ে কঠিন বিষয় নয়, কারণ তখন জন্ম হবে একটি খ্রীষ্টান দেশ। কিন্তু মায়ানমার থেকে আরাকানকে পৃথক করা ভারত থেকে কাশ্মীরকে পৃথক করার চেয়েও অনেক বেশি কঠিন, কারণ তখন জন্ম হবে একটি মুসলিম দেশ। আরাকানীরা যদি মনে করে যে, পশ্চিমারা তাদের উপকার করবে, তবে তারা বোকার স্বর্গে বাস করে। আর আরব বিশ্ব অর্থ সাহায্য প্রদান ছাড়া তাদের জন্য আর কিছুই করতে পারবে না। তাদেরকে যদি কেউ কার্যকর সাহায্য করতে পারে তবে তা পারবে কেবল বাংলাদেশ। কিন্তু বাংলাদেশের সাহায্য পেতে হলে বাংলাদেশের সেবা করতে হবে এবং সে সেবা হবে, তারা বিদেশ যাওয়ার আশায় কক্সবাজারে জড়ো হয়ে বসে না থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসতি স্থাপন করা এবং সেখানে বাঙ্গালী মুসলিম সংখ্যা বৃদ্ধি করা। কক্সবাজারে তাদের পরিচয় অপছন্দনীয় “আরাকানী রোহিঙ্গা” হলেও, পার্বত্য চট্টগ্রামে তাদের পরিচয় হবে “বাঙ্গালী মুসলিম”। বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে, কক্সবাজার চট্টগ্রাম ঢাকাসহ অন্যান্য এলাকা থেকে আরাকানীদের নাগরিকত্ব ও বসতি বাতিল করে পার্বত্য চট্টগ্রামে তাদের বসতি স্থাপনের সুযোগ দেয়া এবং সেখানেই তাদের নাগরিকত্ব প্রদানপূর্বক ভোটার করা। এতে করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার উভয় অংশেই বাংলাদেশ নিরাপদ থাকবে। প্রয়োজনে উপজাতি সশস্ত্র সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে আরাকানী সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে ব্যবহার করা যেতে পারে, এতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরাপদ থাকবে। তাই আরাকানীদেরকে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসতি স্থাপন ও ভোটার করার দায়িত্ব বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেই পালন করতে হবে। সেখানে জমি কিনা না গেলেও সকরকারী খাস জমি বরাদ্দ দিতে বা সেখানকার বাঙ্গালীদের নামে জমি কিনে রোহিঙ্গাদেরকে ভোগ দখল দিতে কোন সমস্যা নেই।
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতিদেরকে সার্বিক সহায়তা দেয়া, পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিচুক্তি করেও শান্তি না আসা, কক্সবাজারে আরাকানীদেরকে মানবিক সহায়তা প্রদান করা, ডুলাহাজরার মালুমঘাটে জনমানবহীন পর্বত ও সমুদ্রের সংযোগস্থলে খ্রীষ্টান মেমোরিয়াল হাসপাতাল করা এবং দরিদ্র রুগীদেরকে চিকিৎসা সহায়তার মাধ্যমে ধর্মান্তরিত করে সে এলাকায় খ্রীষ্টান বসতি স্থাপন করা ইত্যাদি একই সূত্রে গাথা। শান্তিচুক্তির জন্য শান্তিতে নোবেল পুরুস্কার না দেয়ার কারণও কিন্তু একই, সে চুক্তিতে পৃথক রাষ্ট্র করার নিশ্চয়তা না থাকা। বাংলাদেশের জনগণ যতই পরস্পর বিপরিতমূখী থাকনা কেন, অন্তত সবাই দেশের ঐক্য ও সংহতির ব্যপারে একতাবদ্ধ। এ একতার প্রতীক হচ্ছে বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং এ দেশের আলেম সমাজ। কারণ এ দু’প্রকার লোকের জন্য ভারত বা মায়ানমারে কোন আশ্রয়স্থল নেই। তাই নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব লাগিয়ে এবং আলেম সমাজের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদের অপবাদ দিয়ে উভয়কেই দূর্বল ও অকার্যকর করার অপচেষ্টা চলছে।
দেশের অখন্ডতা নিশ্চিত করতে হলে একদিকে সবার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে, অন্যদিকে পশ্চিমাদের কথা শুনা যাবে না। পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ইউএনডিপি, ইউনিসেফ, ইউরোপীয় কমিশন ইত্যাদি সংস্থা ও এনজিওর কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে। তারা সাহায্য করতে চাইলে বাংলাদেশ সরকার বা সেনাবাহিনীর মধ্যমেই করতে পারে। তারা বাংলাদেশের যে সেনাবাহিনীকে বিশ্বের যে কোন স্থানে শান্তি স্থাপনের জন্য বিশ্বাস করে নিয়োগ করতে পারে, তাদেরকেই নিজ দেশের শান্তি স্থাপনের জন্য বিশ্বাস করতে না পারাটাই হচ্ছে চক্রান্তের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। পশ্চিমাদের অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হলে তাদের উপর নির্ভরশীল থাকা চলবে না। আমাদেরকে স্বনির্ভর হতে হবে। এ জন্য সর্বপ্রথম দূর্নীতিমুক্ত হওয়া চাই। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ করতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ প্রদানে যে দুর্নীতি হয়েছিল সে কারণেই পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্তি শুরু। তাদেরকে বাঙ্গালী হয়ে যেতে বলে সে অশান্তিতে ঘৃতাহুতি দেয়া হয়। শান্তিচুক্তি করে সে দিকে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকৃষ্ট করা হয়। এখন সেখান থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করে পৃথক রাষ্ট্র ঘোষণার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে মাত্র। তাই সময় থাকতেই হুশিয়ার না হলে পরে আফসোস করার জন্যও সময় পাওয়া যাবে না। তাই আসুন, আজ থেকেই আমরা ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা শুরু করি এবং অন্তত এ ব্যপারে যেন কোন দলাদলি না করি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যদি প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্যেই সৃষ্টি ও লালিত হয়ে থাকে তবে তারা জাতিসংঘের চাকুরী না করে বাংলাদেশের অখন্ডতা রক্ষার ক্ষেত্রে কাউকেই চুল পরিমান ছাড় দেবে না। তবে শান্তিরক্ষা মিশনের লোভনীয় চাকুরী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে দেবে কি?
সীমান্ত অসি অশেষ ধন্যবাদ মাতৃভূমির প্রতি সঠিক দায়িত্ব্য পালন করতেছেন, এই কলম বাংলাদেশের মানুষ কে জাগ্রত করবে বলে মনে করি, প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিক কে এই কলম একবার পড়া চাই, যারা AL দলকে সার্পোট করে তারা চিন্তুা করা চাই কি কারণে এই সমস্যা সৃষ্টি ? কার আমল থেকে এই সমস্যা শুরু ? কে শান্তি চুক্তির নামে অশান্তি চুক্তি করেছিল ? কে চুক্তির মাধ্যেমে বাংলাদেশের নাগরিক কে পাহাড়িদের তুলণায় দ্বীতিয় স্থানে নামিয়ে দিযেছে ? কে আমাদের অভ্যান্তরিণ সমস্যা কে আর্ন্তরজাতিক সমস্যা হিসাবে রুপান্তরিত করেছে ? কে নোবেল পুরুস্কারের আসায় আমাদের মাতৃভূমি কে দুই খন্ড করতে চাই ? কে পাহাড়িদের হাতে বাংলাদেশ কে পৃথক করার জন্য ইস্যু তুলে দেয় ? কে পাশের দেশের কথা মত বাংলাদেশ কে পরিচালিত করে দেশের সর্বনাশ ডেকে আনতেছে ?
যখনই ঐ দল ক্ষমতায় আসে তখনই ফারাক্কার কালো মেঘ বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে, যখনই এই দল ক্ষমতায় আসে টিপাইয়ের কালো মেঘ বাংলাদেশের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে, যখনই এই দল ক্ষমতায় আসে পার্বত্য চট্টগ্রাম পৃথক রাষ্ট্র হওয়ার ডোল বাজা শুরু করে, বাংলাদেশের সমুদ্র সিমানা বাংলাদেশ থেকে চলে যায় ? রৌমারির ট্রাজেডি আমাদের কে দেখতে হয়, পিলখানার ৫৭ জন অফিসারের লাশের পাশে আমাদের কাঁন্না করতে হয়, এই দলের জানোয়াররাই একমাত্র প্রকাশ্য লাঠি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করতে পারে,ঐ দল ক্ষমতায় আসলেই বাংলাদেশ র্দূনীতিতে চেম্পিয়ান হয়, ঐ দল ক্ষমতায় আসলেই বাংলাদেশ সন্ত্রাসে চেম্পিয়ন হয়, ঐ দল ক্ষমতায় আসা মানি আল্লাহর গজব নেমে আসা,
http://www.youtube.com/watch?v=zSFEGwwjUYo&feature=related
এই দলের মানুষদের কে আল্লাহ চিরতরে অন্ধ করে দিয়েছে তাদের কাছে ন্যায়ের কথা বুঝে আসে না,
http://www.youtube.com/watch?v=VceO22W01tI&feature=related
আমার মাতৃভূমি কে ক্ষতবিক্ষত করার জন্য আজ দেশের শত্রু বিদেশের শত্রু উঠে পড়ে লেগেছে, দেশের মানুষ কি জাগবে না ? দেশের প্রাণ প্রিয় ভাই বোনদের কাছে আবেদন, বাংলাদেশের মানচিত্র ক্ষত বিক্ষত হয়ে যাওয়ার পরে আপনাদের জাগ্রত হওয়ার প্রয়োজন নাই ? যদি সেইটায় হয় তা হলে বাংলাদেশ কে বৃটিশ থেকে এবং পাকিস্থান থেকে স্বাধীন করার অর্থ কি ?
57337
২
নেত্রকোনা থেকে হীরা লিখেছেন,
২২ মে ২০১১; সকাল ০৮:৪১
ভালো লাগলো...
57343
৩
Cox's Bazar থেকে Dr. Farooque লিখেছেন,
২২ মে ২০১১; দুপুর ০৩:৪৬
"তবে শান্তিরক্ষা মিশনের লোভনীয় চাকুরী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে দেবে কি? "
57382
৪
Dhaka থেকে Rajib লিখেছেন,
২২ মে ২০১১; বিকেল ০৪:২৮
Excellent
57388
৫
ঢাকা থেকে সুজন লিখেছেন,
২২ মে ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:১৩
ভালো লাগলো।
57405
৬
Paris, France থেকে Habib Uddin লিখেছেন,
২২ মে ২০১১; রাত ০৮:২১
I would like to thank to Mr Shimanta Osi for his above informative & excellent article concerning to Chittagong Hilltracts & Cox's Bazar Region. May I request to all Bangladeshi people irrespective their cast, religon to unite ourselves so that we may able to secure our Homeland from National & International Conspirator. Thank you.
57414
৭
ksa থেকে titu লিখেছেন,
২৩ মে ২০১১; রাত ০৪:২৭
apnar ei lekha amader moto maanosh der bibek k jagroto kortey parbey ki? amra nijerai jekhaney akjon arekjon er sathey kada chorchi, sekhaney onno keho eshey amader desh er ekta ongso divide korey niley o amader hoosh hobena. amra sob jani ki hochchey kinto ei sob protection to govt. k kortey hobey , kinto tara ki korbey? korbena, tatey dada ra nakhosh hoye jabey ar godi thekey tara o porey jaben. any how article ta porey bhalo laglo ei right time e ta publish korar jonno. thnaks.
57444
৮
ঢাকা থেকে ঢাকা থেকে ড. মুহাম্মদ রেজাঊল করিম লিখেছেন লিখেছেন,
২৩ মে ২০১১; দুপুর ১২:০৮
সীমান্ত অসি কে চমৎকার দায়িত্বপূর্ন লিখার জন্য ধন্যবাদ।
পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলা এবং পার্শ্ববর্তী কক্সবাজার জেলা মিলে নতুন একটি রাষ্ট্র সৃষ্টি করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে অতি সন্তর্পণে। এখন-ই সচেতন না হলে বিপদ অত্যাসন্ন।
57451
৯
dhaka থেকে evergreen লিখেছেন,
২৪ মে ২০১১; সকাল ১১:১১
we should raise voice also international media. forbidden also no for internal works.
57515
১০
সৌদি আরব থেকে মোঃ মনিরুল ইসলাম লিখেছেন,
২৫ মে ২০১১; রাত ০২:৩০
একদম আমার মনের কথা গুলো বলেছেন ভাই। আমাদের কর্তারা বুঝেও
বুঝে না। তবে পরে ..........
57586
১১
কুয়েত থেকে শরীফ লিখেছেন,
২৫ মে ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:৪৫
ধন্যবাদ লেখক কে। এ রকম লিখা এ মুহুত্তে বড়ঈ দরকার কারণ বাংলাদেশের বহুত শ্ত্রু আছে দেশে বিদেশে। তারা বাংলাদেশ কে দুরবল রাখতে চায়। আমি আমাদের দেশের জনগনের এবং সেনাবাহিনির উপর বিশ্বাস আছে। তারা কুছক্রি আশা পুরন করবেনা। আমাদের রাজনিতিক দেশ এবং দেশের মান চিত্র নিয়ে ভাবেন না তারা ভাবেন গদি নিয়া। আল্লাহ তুমি তাদের সঠীক বুয দান কর আমিন।
57633
১২
তাবুক. সৌদি আরব থেকে আবুশিথি লিখেছেন,
২৬ মে ২০১১; রাত ০২:৪৮
লেখককে অনেক অনেক ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটি চিন্তাশিল লিখার জন্য । আসলে সমগ্র জনগনের ত্যাগ ও সুবুদ্ধির দ্বারা এতো কষ্টের স্বাধীনতা রক্ষা কর ২য় সবচেয়ে বড় কাজ । এত বড় পাওয়া যদি নিজেদের লুভ আর কলহ দিয়ে নিজেদেরই ক্ষতি করা হয় তার কোন মাপ নেই ।এর সুযোগ যেকোন শত্রুই নিবে ।
57662
১৩
জেদ্দা থেকে আবু জুবাইর লিখেছেন,
২৬ মে ২০১১; সন্ধ্যা ০৭:০৫
লেখককে ধন্যবাদ এতো সুন্দর ও সময়োচিত লেখার জন্য। তবে কি শুধু লেখা ও পড়া মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে কি চলবে?
আমার তো মনে হয়, আমাদের রাজনীতিবিদ ও পেশাজীবিদের সভা সমাবেশের মাধ্যমে পুরো দেশবাসীকে জানানো উচিত। কিভাবে ভারত সিকিম দখল করিয়ে নিয়েছিল, কিভাবে পুর্ব তিমুর কে ইন্দোনেশিয়া থেকে আলাদা করেছিল ইত্যাদি সম্পর্কে দেশবাসী আরো সচেতন করে তুলতে হবে।
কেননা শকুনেরাতো দমিবার নহে।
57734
১৪
Singapore থেকে Kamal লিখেছেন,
২৭ মে ২০১১; সকাল ০৬:১৭
Excellent
57781
১৫
ঝনঝনিয়া, ফুলকি, বাশাইল, টাঙ্গাইল । থেকে হাসান খান লিখেছেন,
৩০ মে ২০১১; রাত ১১:৫৮
যত কিছুই বলেন, জিয়া এবং এরশাদের আমলে বাংলাদেশ সেনা বাহিনি সেখানে অনেক নেতিবাচক কাজ করেছে, যেসব কাজ বাঙালিদের প্রতি পাহাড়িদের আস্থা পুরোপুরি নষ্ট করেছিলো । ঐ সময়ে আবশ্য এসব ব্যাপারে ইউরোপ-এমেরিকা সহ সারা পৃথিবির সামরিক কর্মকান্ডের ধরনই অমন নেতিবাচক ছিলো, যা পরবর্তিতে ধিরে ধিরে ইতিবাচক হয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে । কিন্তু আগের করা ঐসব ভুলের কারনে সেনাবাহিনিও পরবর্তিতে তাদের সঠিক এবং বলিষ্ঠ পদক্ষেপকে এগিয়ে নিতে যথেষ্ট অসুবিধায় পরেছে ।
58242
১৬
হাইমচর থেকে বাদল লিখেছেন,
৩১ মে ২০১১; রাত ০৩:৩৬
শান্তিপুরস্কারের লোভে হাসিনা খ্রিষ্টান রাষ্ট্র গড়ার কাজ চালিয়ে যাবেই। কোন সন্দেহ নেই। তারই অংশ হিসাবে বাংলাদেশের নাগরিকদের ফের বাঙ্গালী বলার হুকুম দিলেন। শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ভূলে হাসিনার ফিরে যাবার উদ্দ্যেশ্য কি?
শুধু বাঙ্গালীরাই থাকবে বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে। যারা বাঙ্গালী নয় তারা বাংলদেশের নাগরিক নয়!
58250
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
যখনই ঐ দল ক্ষমতায় আসে তখনই ফারাক্কার কালো মেঘ বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে, যখনই এই দল ক্ষমতায় আসে টিপাইয়ের কালো মেঘ বাংলাদেশের আকাশে ছড়িয়ে পড়ে, যখনই এই দল ক্ষমতায় আসে পার্বত্য চট্টগ্রাম পৃথক রাষ্ট্র হওয়ার ডোল বাজা শুরু করে, বাংলাদেশের সমুদ্র সিমানা বাংলাদেশ থেকে চলে যায় ? রৌমারির ট্রাজেডি আমাদের কে দেখতে হয়, পিলখানার ৫৭ জন অফিসারের লাশের পাশে আমাদের কাঁন্না করতে হয়, এই দলের জানোয়াররাই একমাত্র প্রকাশ্য লাঠি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করতে পারে,ঐ দল ক্ষমতায় আসলেই বাংলাদেশ র্দূনীতিতে চেম্পিয়ান হয়, ঐ দল ক্ষমতায় আসলেই বাংলাদেশ সন্ত্রাসে চেম্পিয়ন হয়, ঐ দল ক্ষমতায় আসা মানি আল্লাহর গজব নেমে আসা,
http://www.youtube.com/watch?v=zSFEGwwjUYo&feature=related
এই দলের মানুষদের কে আল্লাহ চিরতরে অন্ধ করে দিয়েছে তাদের কাছে ন্যায়ের কথা বুঝে আসে না,
http://www.youtube.com/watch?v=VceO22W01tI&feature=related
আমার মাতৃভূমি কে ক্ষতবিক্ষত করার জন্য আজ দেশের শত্রু বিদেশের শত্রু উঠে পড়ে লেগেছে, দেশের মানুষ কি জাগবে না ? দেশের প্রাণ প্রিয় ভাই বোনদের কাছে আবেদন, বাংলাদেশের মানচিত্র ক্ষত বিক্ষত হয়ে যাওয়ার পরে আপনাদের জাগ্রত হওয়ার প্রয়োজন নাই ? যদি সেইটায় হয় তা হলে বাংলাদেশ কে বৃটিশ থেকে এবং পাকিস্থান থেকে স্বাধীন করার অর্থ কি ?