বুধবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ৩০ মে ২০১২; দুপুর ১২:৫২ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

সভ্যতার নির্মমতা

তাহিরা আহসান

কদিন আগে একটা রিপোর্ট পড়ে একটা কমেন্ট লিখেছিলাম। দুঃখ লাগলো যখন দেখলাম আমার কমেন্টের প্রথম লাইনটা বাদ দিয়ে আরো কিছু কাটছাট করে ছাপানো হয়েছে। বুঝলাম আমার কমেন্টটা হয় তাদেরকে অসস্তিতে ফেলেছে অথবা ভয় পেয়েছে সরকারকে কারণ সরকারকে ঈঙ্গিত করে করা হয়েছিলো আমার কমেন্টটা।

বর্তমান সরকারের একজন মন্ত্রীর বক্তব্য পড়ে ভীষণ অবাক হয়ে কমেন্টটা করেছিলাম। মন্ত্রী জামায়াত এবং জামায়াতের কজন নেতার বিরুদ্ধে এমন কিছু কথা বলেছিলেন যাতে আমি লিখতে বাধ্য হলাম “তারা জামায়াত কে এত ভয় পায় কেন?” অনেকেই হয়ত ভাব্বেন আমি বুঝি জামায়াত করি। কদিন ধরে পেপার-পত্রিকা ও online এ খবর পড়ে আমি অবাক থেকে অবাকতর হয়ে যাচ্ছি বলেই ওরকম কমেন্টটা করতে বাধ্য হলাম।

বাংলাদেশের রাজনীতি বিষয়ক আমার যে খুব ভাল জ্ঞান তা নয়। তবে রাজনীতি নিয়ে পড়াশোনা করতে ভালো লাগে কারণ আমার পড়াশোনার বিষয়টার সাথে এর অনেক মিল আমি পাই। জামায়াত সম্পর্কে পত্র পত্রিকায় দেয়া তথ্য এবং আমার গবেষণা – এ দুইই মিলিয়ে বর্তমান দেশের পরিস্থিতি একটু করে পর্যালোচনা করতে চাই।

জামায়াত সম্পর্কে খুব বড় একটা অভিযোগ ৭১ সালে তাভা মুক্তিযুদ্ধকে সাপোর্ট করেনি। এটা তাদের রাজনৈতিক ও আদর্শিক দর্শন। কেননা কোন বিশয় সম্পর্কে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে যুদ্ধঅপরাধ বা মানবতাবিরোধী অপরাধ বলতে বোযায় সেটা যে জামায়াত করেনি এটা জামায়াত বহুবার স্বীকার করেছে এবং স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবের ক্ষমতা ছিল কিন্তু তিনি দেশের ভিতর যুদ্ধঅপরাধী খুঁজে পাননি বরং বিরাট মনের পরিচয় দিয়ে তিনি সবাইকে রাষ্ট্রের পক্ষ ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। এরপর আরো অনেকেই ক্ষমতাই এসেছিল, এমনকি মুজিব কন্যা শেখ হাসিনার (৯৬ - ০১) আমলেও এ বিষয়টা নিয়ে বাড়াবাড়ি হয় নাই। এবার কিন্তু চিত্র বা দৃশ্যপট সব ওলটপালট হয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধঅপরাধ ইস্যু নিয়ে সরকার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে এই একটি ইস্যুর সমাধান হলে বাংলাদেশ উন্নতির চরম শিখরে উঠে যাবে!!!

আমি খুব অবাক হয়ে দেখছি এ একটি ইস্যু ছাড়া জামায়াত বা এর নেতাদের নামে অন্য কোন অপরাধ বা ত্রুটি খুঁজে পায়না কেউ। শুধুমাত্র এ একটি ইস্যু, তাও বছরের সবসময় না। ডিসেম্বর, মার্চ, ফেব্রুয়ারীর দিকে আওয়ামী আমলেই যুদ্ধঅপরাধ নিয়ে তুফান ঝড় উঠে। তত্বাবধায়কের আমলেও জামায়াতকে ঘিরে দুর্ণীতির কোন প্রমান মেলেনি। এখন কথায় কথায় যুদ্ধঅপরাধ প্রসঙ্গ টেনে এনে জামায়াতকে এক ছুতায় নিষিদ্ধ করার পায়তারা করছে সরকার। যুদ্ধঅপরাধতো সংঘটিত হয়েছিল পাকিস্তানিদের দ্বারাই। তাদেরকে ভুলে কিভাবে নিজের দেশের মানুষদের উপর এভাবে অত্যাচার চালাতে পারে সরকার তা ভেবে আবাক হতে হয়!

আমার এই প্রতিবেদনটা জামায়াতকে ঘিরেই কেননা জামায়াতকে বর্তমানে যে পরিস্থিতি ফেস করতে হচ্ছে তা দেখে যে কোন বিবেকবান মানুষের মাঝে এ রকম চিন্তা আসবে।

আরও একটা হতবাক হবার মত খবর পড়ে অবাক হয় যখন দেখি মিডিয়ার পাশাপাশি সরকার অথবা সরকারের পাশাপাশি মিডিয়া তথ্য প্রকাশ করে যে সাইদূর সাক্ষ দিচ্ছে জামায়াতের বিরুদ্ধে। যে সাইদুর বা তার অন্য সহযোগীদের বিশেষ নিরাপত্তায় কোর্টে আনা-নেওয়া করতে হয়; যাদেরকে হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, এমনকি কোনো কোনো সময় বেড়ি পরিয়ে আনা হয়, তার কথা মিডিয়া বা সরকার ফলাও ভাবে প্রকাশ করে অথচ যাদেরকে আন্তে-নিতে এ রকম কিছু করতে হয়না, যাদের সম্পর্কে খারাপ কিছু পাওয়া যায়না, যাদের দল থেকে নৃশংষতার কোনো পরিচয় পাওয়া যায়না তাদের কথা মিডিয়ায় আসেনা; যা আসে তা সঅবই নেগেটিভ!

আমি যা লিখছি তা আমার একার কথা না। টিভি খুল্লেই, পত্রিকা পরলেই এই সব দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে উঠে। তাই বিশ্মিত হয়ে আমি এই লিখাটা লিখছি।

সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান নিরপেক্ষ ও উদার দৃষ্টি নিয়ে দেখুন কোথায় যাচ্ছে আমাদের এ দেশটা? ছোট এ দেশ অথচ কত কত ষড়যন্ত্রের জাল বিছানো চারপাশে! যারা মুখে দেশপ্রেমের কথা বলছে তারা আজ দেশটাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? আর যারা দেশের প্রতি দায়িত্ববান আচরন করে তাদেরকে আজ কি নির্মম পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে!

আমাদের বিবেক, মনিষ্যত্ব কোথায় আজ? আমার মত লাখো মানুষ আজ সরকারের প্রতি ঘৃণ্য দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে আছে।
http://www.sonarbangladesh.com/articles/TaheraAhsan
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
চবি থেকে কথা লিখেছেন, ২৪ জুলাই ২০১০; রাত ০৮:২২
১০০% সত্য । হাজারো ঘৃণা নিয়ে এদেশের মানুষ সরকারের নিকৃষ্ট নির্লজ্জ্য কার্যকলাপ লক্ষ্য করছে। সব কিছুরই শেষ আছে। আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা কি চিরকালই ক্ষমতায় থাকবেন????
28662
ক্যানাডা থেকে পাঠক লিখেছেন, ২৪ জুলাই ২০১০; রাত ০৯:১৪
জাতি হিসেবে আমরা যদি এতো আবেগপ্রবণ ও হুজুগে না হতাম তাহলে এমন দুঃশাসন আমদের ঘাড়ে চেপে বসতে পারতনা। গড্ডালিকা প্রবাহে গা না ভাসিয়ে দেশের মানুষ যেদিন ভালো লোকদের সঠিক মূল্যায়ন করতে শিখবে, সেই দিন এ জাতির ভাগ্য বদলাবে, তার আগে নয়।
28674
Australia থেকে Ali লিখেছেন, ২৬ জুলাই ২০১০; দুপুর ০৩:৪১
I would like to disagree with you, Tahira Ahsan, to some extent.

You sated that Mawlana sayeedi did nothing when three Women were arrested in Pirojpur for wearing Hijab.I would strongly advise you to look at the newpapers published during that time and you would know then whether Mawlana Sayeedi was doing or saying anything to release them.

Alas!We sometimes make comments by being very emotional.Before expressing our emotions, we should know the facts.

I would also urge you to read 'Towards Understanding Islam' by Mawlana Maudoodi.You will see there how he predicted what is happening now and will happen in the future to the people who say 'Allah is my Ilah'.

If you follow Islam, you are bound to come across 'Abu Jahel, Abu Lahan, Utba, Shayyeba etc'.You are also destined to face 'Badr, Uhud, Khandak'.

There is no escape!
29037
Australia থেকে Ali লিখেছেন, ২৬ জুলাই ২০১০; বিকেল ০৪:৩৮
Sorry, the comment posted on 26.07.10 at 03:41 was in wrong place.
29042
বাংলা থেকে ্দুখি মন লিখেছেন, ২৮ জুলাই ২০১০; দুপুর ১২:৩২
আসলেই বাংলার মানুস কে দেখলে দুক্কে কলিজা ফেটে যায়, আমাদের মত বোকা লোক আর আছেকিনা জানিনা। তারা চোখে দেখে ও না দেখার ভান করেন। গত ৫ বছরে একটু দোষ খূজ়ে পেল ণা এঈ ২ জ়ামাত নেতার বিরুধে, তারপরেও তাদের কোন মুল্লায়ন নেই এ সমাজে। হায়রে বাংগালি জাতি! এত কিছুর পরও আমাদের হাসিনা, খালেদার মত দুরনিতিবাজ ও মিথাবাদিদের দলঈ আমরা সাপোর্ট করি।
কেন আমরা দেখেও নাদেখার ভান করি?
কেন আমাদের সাহস নেই তাদের support করার ?
তাহলে কি এটাই উত্তর যে আমরা শান্তি চাই না?
আমরা অশান্তিই পছন্দ করি?
হাহাকারই আমরা ভালবাসি?
আল্লাহর দিন কায়েম হোক তা আমরা চাইনা?
আসলেই আমরা হতভাগা জাতি। আমরা একজন leader খুজি কিন্তু চোখের সামনে পেও তাদের দেখছিনা,( অনেকেই বলেন ভাল কোন নেতা থাকলে আর বিনপি আওমিলিগ কে ভোট দিতাম না), জামাত নেতারা খাটি প্রমান হওয়ার পরও আমরা চোখে দেখিনা? মিথথা চক্রান্তের ভিতর হাবুডুবু খাচছি? আমরা আসলেই অন্ধ জাতি!

হে আল্লাহ আমাদের চোখে আলো দাও, যাতে সত্য কে দেখতে পারি!!
29303
পদ্ম পুকুর থেকে পদ্ম লোচন লিখেছেন, ২৮ জুলাই ২০১০; রাত ০৮:২৩
দিদি ভালই লিখেছেন। তবে একটু ছলনা করেছেন! আপনারা যে জামায়াত করেন সে কথাটুকু বলার হিম্মতও হারিয়ে ফেলেছেন, তাহলে "বাচলে শহীদ মরলে গাজি আপনারা সবাই মরতে রাজি" এই শ্লোগান কী শুধুই ফাকা বুলি? কে ঘৃর্না করল আর কে সাপোর্ট করল তা পত্রিকা গুলো পড়ে দেখেন। আপনাদের মৌলবাদী ১/২ পত্রিকা ছাড়া সকল প্রগতিশীল মিডিয়াই সত্য তুলে ধরে আপনাদের অতীত ইতিহাস প্রমান করছে। শুধু মিছে প্রলাপ করে কী লাভ? এখন প্রগতির যুগ শুধু শুধু ১৫০০ পিছনের কথা বলেযে আপনারা মুনুষকে আস্থায় আনতে পারেননি তা ইতি মধ্যে প্রমান হয়ে গেছে। কতসুন্দর যুক্তি আহা! সিদ কেটেছি কিন্তু চুরি করিনি? পাকিস্তানের সমর্থন করেছেন আর তাদের অপকর্মের দায় দায়িত্ব নিবেননা, ধোয়া তুলসি আরকি। আপনাদের নেতারা যে দুর্নীতি করেনি তা নয়? বরং অন্যান্যদের তুলনায় একটু বেশীই করেছে নাহলে মন্ত্রীত্ব পাওয়ার সাথে সাথেই গুলশান বনানীতে সুরম্য অট্টালিকা হল কেমনে? ওগুলো নিয়ে ঘাটা ঘাটি করে লাভ নাই ওগুলো সারা পৃথিবীর মানুষই করে। আর ঐসকল অপরাধের কারোনেতো আর আপনাদের নেতাদের জম টুপি পড়ান যাবেনা। তাই ও গুলি নিয়ে ঘাটা ঘাটি না করে আসল কাজে হাত দেয়া হয়েছে। এবার ঠেলা সামলান দেখেন আপনাদের প্রিয় গোলঅপি বেগম এখন আপনাদের জন্য কি করে? আপনি ৯৬-২০০১ এর কথা বলছেন? তখনতো আপনারা লাইনে ছিলেন তাই আমরাও করুনা করেছি। এবার যখন বে লাইনে গেছেন তা করুনা করে নিজেদেরকেই বিপদে ফেলার মত বেউকুফী আপনারা করলেও আমরা করব কেন? ছাইদুর রহমানদেরত আপনারাই ট্রেনিং দিয়ে ছেড়ে দিয়েছেন এখন আবার অস্বীকার করছেন কেন? তারা যখন স্বীকার করছে আপনারা আর কতদিন লুকোচুরি খেলবেন? এবার উপায়নেই গোলাম আযমদের। আপনাদের এত বড় নেতারা সামান্য একজন মেয়ে মানুষের কাছে করুনা ভিক্ষা চায়? কোথায় আপনাদের যেহাদী জজবা। সব কিছুই মেয়ে মানুষের ঘোমটার আরাল হয়ে যাচ্ছে, এটা কেমন কথা?
29398
বৃন্দাবন থেকে পদ্মলোচন লিখেছেন, ২৮ জুলাই ২০১০; রাত ০৯:০৬
আফছোস ভাংগা বল্টুটার সারা জীবনের শখ ছিল ফাঁসিতে চড়ার, হইল না ।তবে
বাইচা থাকলে নিজেই নিজের ফাঁসি লইত ।আর না হইলে যে ভুট্টুরে বল্টু বইলা
গালে চুমা দিছিলো ,হেই ভুট্টুরেই এত দিনে বাপ ডাকন লাগতো ,ভুট্টুর ৃঋণ তো
আর অস্বীকােরর পথ নাই ।
29404
cyprus থেকে ৃabdul aziz লিখেছেন, ৩০ জুলাই ২০১০; দুপুর ০২:৩৪
podmo,tumi asole kom jano besi bolo.jake bole olpo bidda boiyongkor.khali kolsi besi nore tumi asole tai.aowami itihas theke beriye aso,tahole dekhbe jogot kotoi na sondor.
29645
পাবনা থেকে শাপলা লিখেছেন, ৩১ জুলাই ২০১০; রাত ১২:৩১
�যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় কোন কর্মসূচি পালন করতে দেয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী "একজন মন্ত্রীর বক্তব্যই যদি এমন হয় তাহলে বাকি সাধারণ জনগণ কি করবে? বর্তমানের ক্ষমতাষীন সরকারের মতে তার দল এবং অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ কোন অন্যায় করতে পারেনা। তাদেরকে ফেরেশতার সাথে তুলনা করা হয়। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৯ সালের ১৩ মার্চ ছাত্রলীগের হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান নোমানী নিহত হয়। শেখ হাসিনা এর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং শিবির হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন িবনোদপুর বাজারে মিছিল বের করলে সরকারের লেলিয়ে দেয়া পুলিশ বাহিনী দিয়ে শিবির নেতা-কর্মীদের মারপিট করা হয় এবং মিছিল থেকে নেতা-কর্মীদের আটক করে জেলহাজতে পেরণ করা হয়। সেই নোমানীর হত্যাকারীদের বিচার এখনো হয়নি। জাতির আজ সরকারের নিকট একটা প্রশ্ন নোমানীর হত্যাকারীদের বিচার কবে হবে?

২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ছা্ত্রলীগ-ছাত্রশিবির এবং পুলিশ বাহিনীর মধ্যে ত্রিপক্ষীয় সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছবাত্রলীগ কর্মী ও গণিত বিভাগের ছাত্র ফারুক হোসেন নিহত হয় এবং পরের দিন নিহতের লাশ শাহ মখদুম হলের পাশ্ববর্তী একটি ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয়। তার পর থেকেই শুরু হয় বাংলাদেশ থেকে জামায়াত-শিবির নিধনের অভিযান। রাজশাহীসহ দেশের সকল জেলা থেকে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, পুলিশ কতৃক গণগ্রেপতার, জামায়াত-শিবিরের অফিস-ছাত্রাবাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়। ফারুক হত্যার দু'দিন পরেই রাজশাহীতে আগমন করেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু এবং পুলিশের আইজিপি নূর মোহম্মদ এবং তারা পুলিশ বাহীনিকে নির্দেশ দের শিবির নেতা-কর্মীদের গণগ্রেপতারের জন্য। বাস যে কথা সেই কাজ পুলিশ বাহিনী শিবির নেতা-কর্মীদের ধরতে মরিয়া হয়ে উঠলো । শিবির নেতা-কর্মীদের ধরতে পুলিশের ঘুম হারাম হয়ে গেল । ফারুক হত্যার পরের দিনই রাবি শাখা শিবির নেতা শাহিন চাপাই নবাগন্জে নিহত হয়। শাহিনের পরিবারের দাবি পুলিশ শাহিনকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং পুলিশের দাবি শিবির ক্যাডাররই শাহিনকে হত্যা করে পালিয়েোছ। হায়রে বাংলােদেশের শাসন ব্যবস্থা! বাঙ্গালী কি আসলে এতই বোকা যে পুলিশের এই অযুক্তিক দাবি মেনে নেবে? মানণীয় প্রধান মন্ত্রীর নিকট আমার একটা প্রশ্ন শিবির নেতা নোমানীর হত্যাকারীদের বিচারের সময় আপনি কোথায় ছিলেন? তখনতো ছাত্রলীগের একটা কর্মীকেও আপনি আটকের নির্দেশ দিলেন না? শিবির নেতার বিচারের কথা বাদই দিলাম । ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের সংঘর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র আবু বক্কর, ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী ও সেখানকার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নিহতসহ জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একাধিক বার সংঘর্ষ বাদে ছাত্রলীগের দু'গ্রুপের মধ্যে। আপনি তো এর কোনো বিচার রকরলেন না? বরং আপনার মন্ত্রীরা বলে বেরান ছাত্রলীগের মধ্যে শিবির-ছাত্রদল অনুপ্রবেশ করে এ ধরণের ঘটনা ঘটাচ্ছে। হায়রে আমওয়ালীগ! হায়রে ছাত্রলীগ! হায়রে হাসিনা! হায়রে হাসিনার ডিজিটাল সরকার ! হে আল্লাহ তুমি জালিম সরকারের হাত থেকে এ দেশ কে রক্ষা কর।
29703
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy