বুধবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ৩০ মে ২০১২; দুপুর ০১:০৮ (ঢাকা সময়)
ভিশন ২০৩০: উন্নত মূল্যবোধ, জাতীয় ঐক্য এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবারের জন্য নিজের পাকা বাড়ী, নিজের গাড়ী এবং প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য সম্মানজনক চাকুরী।

যায়যায়দিনে শফিক রেহমানের সাথে কিছু স্মৃতি

দুরন্ত

১.
ঢাকায় চাকরি জীবনে অফিসের সিনিয়রদের আমার বস বলেই সম্বোধন করা অভ্যাস ছিল। চাকরি পাওয়ার পর শফিক রেহমানকেও আমি বস বলেই ডাকা শুরু করলাম। কিন্তু তিনি জানিয়ে দিলেন, বস বস করোনা। ভাই ডাকতে যদি অসুবিধা হয় তাহলে দাদু ডাকতে পারো। চিরতরুণ এ লোককে তারপর থেকে শফিক ভাই বলেই ডাকতে বাধ্য হলাম।

২.
প্রায় প্রতিদিন দুপুরে যায়যায়দিন মিডিয়াপ্লেক্সের সিঁড়ি কাঁপিয়ে ৭৩-৭৪ বছর বয়স্ক এ তরুণ উপরে উঠতেন। উঠেই প্রথমে দুরন্তের টেবিলের সামনে গিয়ে খোঁজ নিতেন। দুরন্ত কই? পাশের টেবিলে বসা সাংবাদিক জানাতো, দুরন্ত আসে নাই।
জবাব আসতো, দুরন্তের জন্য খুব ভালো একটা বিষয় পেয়েছি, আসলেই ওর হাতে দিবে। আমি সে সময় নিশ্চিন্তে অফিস ফাঁকি দিচ্ছি। একবারও শফিক ভাইয়ের মনে হতোনা ছেলেটা কাজে ফাঁকি দিচ্ছে। একমাত্র তার মতো মানুষের পক্ষেই এটা সম্ভব ছিল।

অফিসে উপস্থিতি দেখে তিনি কাজ নির্ণয় করতেন না। পত্রিকায় কার লেখা কতোখানি যাচ্ছে, লেখার মাণ কেমন এসব দেখেই কাজ বুঝতেন। তাঁর বিশ্বাস ছিল, দুরন্ত কাজে ফাঁকি দেয়না। সেজন্যই তিনি সবচেয়ে ভাল ম্যাটারগুলো আমার জন্য নিয়ে আসতেন। কিভাবে যেন ধরতে পেরেছিলেন, আমি বিজ্ঞান নিয়ে লিখতে পছন্দ করি। অভিযান আমার প্রিয়। তাই এ ধরনের সবচেয়ে ভাল সাবজেক্টগুলো তিনি আমাকে দিতে ভুলতেন না। সে সময়কার আমার মতো আনাড়ী তরুণকে কেন তিনি সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয়গুলো দিতেন তা এখনো বুঝিনা।

শফিক ভাই বলতেন, মানুষ কিভাবে কথা বলে তা লক্ষ্য করতে। সহজ কথাটা সহজভাবে লিখতে শিখাতেন। আবেগের আতিশয্য, ঘুরিয়ে পেচিয়ে লেখা, সবসময় এসব বাদ দিতে বলতেন। রাজনীতি আমি পছন্দ করতাম না। এ কারনে কখনো রাজনীতি নিয়ে লিখতে বলেননি।

৩.
যায়যায়দিনের চাকরি ছাড়ার প্রায় এক বছর পরেও আজকে আমার মনে জ্বলজ্বল করছে অস্বাভাবিক প্রাণশক্তির এ পাগল বুড়োটার কথা। আমার লেখা তিনি খুব পছন্দ করতেন। আমার প্রতিটা লেখার প্রতিটা লাইন নিবিড় যত্ন করে তিনি পড়তেন। লাইন ঠিক করে দিতেন। বানান ঠিক করে দিতেন। ওনার নিজস্ব পাগলামি বানানগুলোর ব্যাখ্যা দিতেন।
বলতেন, কৃমি যদি বাংলাতে লেখা যায় তাহলে কৃমিনাল লিখতে অসুবিধা কোথায় (ক্রিমিনাল না লিখে)? যে দেশটার নাম ইজিপ্ট তাকে কেন মিশর বলা হবে তা তিনি বুঝতেন না। চন্দ্রবিন্দু ছাড়াই যখন লেখা যায়, তখন এ ঝামেলার দরকার কি? আমি মনে মনে বলতাম, কথায় যুক্তি আছে। আমি দিব্যচোখে দেখতে পেতাম যায়যায়দিনের অধঃপতনের কারণ হবে এ বানান রীতি। দুঃখিত শফিক ভাই, আপনার সেই আধুনিক বানান রীতি গ্রহণ করার মতো আধুনিক আমরা এখনো হতে পারিনি।

৪.
মনে পড়ছে আরো অনেক পুরনো কথা, আমি কখনোই শফিক রেহমানের ভক্ত ছিলাম না। তার অধীনে চাকরি করার সময়েও না। এমনকি ছোট থাকতে যায়যায়দিনের মতো ঝাপসা নিউজপ্রিন্ট পত্রিকায় আমি পড়ার তেমন কিছুই পাইনি। শুনেছিলাম এটা বিএনপির পত্রিকা। কিন্তু যখন ঘটনাক্রমে যায়যায়দিনে লেখা শুরু করলাম তখন থেকেই পত্রিকাটাও রাখতে হতো। হাজার হোক নিজের লেখা আছে। লেখার সে সূত্রেই আমার যায়যায়দিনের অফিসে শফিক রেহমানের সঙ্গে পরিচয়। যায়যায়দিন দৈনিক হওয়ার পর তিনি নিজে হাতে ধরে আমাকে নিয়ে গেছিলেন ছোটন ভাইয়ের রুমে। পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন, এ হচ্ছে দুরন্ত। ও এখানে চাকরি করবে.....

৫.
যায়যায়দিনের বিশেষ সংখ্যা মানে হলো অপরিচিত বহু নতুন লেখকের লেখা প্রকাশের খাতা। অনেকে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, সত্যি কাহিনী ইত্যাদিও শেয়ার করে। অনেকটা এই ব্লগের মতোই। এখানে যেমন অনেকে অশ্লিল লেখা দেয় সেখানেও এমন দেয়। তবে বাংলাদেশের অন্য কোনো পত্রিকা যেগুলো ছাপাতে সাহস পায়না যায়যায়দিনে সেগুলো ছাপা হয়।
প্রথম যখন বিশেষ সংখ্যাটি দেখি তখনই আমার তা লুকিয়ে ফেলতে ইচ্ছা হয়। ভয় হয় আমার বাসায় যদি দেখে ফেলে, এমন একটা পত্রিকায় আমি লিখি। এখনো ভাবি শফিক রেহমানের মতো সাহসী মানুষের পক্ষেই সম্ভব সেসব লেখা ছাপানো। বিশেষ সংখ্যাগুলো আমি লুকিয়ে ফেলতাম। দুঃখিত, আমি তার মতো আধুনিক হতে পারিনি। তবে বিদেশে এসে দেখছি, জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকাগুলোও অশ্লিল (আমার দৃষ্টিতে) ছবি-লেখা ছাপায়।

৬.
টিভিতে লাল গোলাপ অনুষ্ঠান আমি সর্বমোট দুইটার বেশী দেখিনি। তবে জানতাম, অনুষ্ঠানটা বিটিভির নিজস্ব অনুষ্ঠান। সেখানে শফিক রেহমানের সম্মানিও সামান্য। শফিক রেহমানের কাছে প্রস্তাব নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো, অনুষ্ঠানটাকে প্যাকেজ অনুষ্ঠানে রুপ দেয়ার জন্য। এতে ওনার টাকার পরিমাণটা বহুগুণ বাড়তো। তিনি প্যাকেজ অনুষ্ঠান করেন নি। বলেছিলেন, আমি টাকার জন্য অনুষ্ঠান করি না। ওনাকে বোঝানো যায়নি যে, প্যাকেজ অনুষ্ঠান করাটা খারাপ না। আমি জানি, শফিক রেহমান জীবনেও টাকার পিছনে দৌড়াননি। সব সময় দৌড়েছেন সৃষ্টিশীলতার পেছনে। লাল গোলাপ অনুষ্ঠান, যায়যায়দিন পত্রিকা, একাডেমি ফিল্ম সোসাইটিও তেমনই ব্যাপার (যদিও প্রায় সবই ব্যর্থ)।

৭.
শফিক রেহমান মানুষকে চিরতরুণ আর সাহসী রুপে দেখতে পছন্দ করতেন। তারুণ্য তার প্রিয় বিষয়। তিনি কখনো মানুষকে পরাজিত রুপে দেখতে চাইতেন না। এ কারণেই জেলে বন্দী বুড়ো সাদ্দামের চেয়ে বন্দুক হাতে সাহসী সাদ্দামের ছবি ছাপাতে তার আগ্রহ বেশী ছিল। ফিদেল ক্যাস্ট্রোর বুড়ো বয়সের ছবির চেয়ে টগবগে তরুণ ক্যাস্ট্রোর ছবি তার প্রিয়।
আওয়ামী লীগ একবার বঙ্গবন্ধু গুলি খেয়ে পড়ে যাওয়া দৃশ্যের একটা পেইন্টিং দিয়ে বিলবোর্ড তৈরি করেছিলো। সে ছবি দেখে শফিক রেহমান দুঃখ করে বলছিলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো সাহসী মানুষের এমন ছবি মানায় না।

৮.
শফিক রেহমানের কথাবার্তায় কখনোই কোনো মানুষের প্রতি চরম বিদ্বেষ দেখিনি। তিনি বলতেন, রাজনৈতিক পরিচয় মানুষের থাকবেই। পাগল আর ধান্দাবাজ ছাড়া মানুষ নিরপেক্ষ হয়না।

৯.
বাংলাদেশের সব মিডিয়া যখন দৈনিক যায়যায়দিনের সাফল্যকে রুদ্ধ করার জন্য লেখালেখি শুরু করলো। দৈনিক হিসেবে অনুমতি পাবার কিছুদিন আগে পত্রিকাগুলোতে নিয়মিত ছাপানো হতো, বিএনপি সমর্থিত একটি পত্রিকা দৈনিক যায়যায়দিন আসছে.....। তখনও শফিক রেহমান কারো বিরুদ্ধে কোনো বিদ্বেষ পোষণ করেন নি। যখন জানানো হতো, আপনাকে এরা গালাগালি করেছে.....তারা অপপ্রচার করছে। তিনি বলতেন, থাক থাক...বলতে দাও।

১০.
বাংলাদেশে দৈনিক পত্রিকা মানে কালো টাকা আর পেশি শক্তির প্রদর্শনী। লন্ডনে শফিক রেহমানের একটা বাড়ি ছিল। সে বাড়ি তিনি যায়যায়দিন দৈনিকের করার জন্য বিক্রি করেন। তেজগাও শিল্প এলাকায় সংবাদপত্রের জন্য একটা জমিও বরাদ্দ পান। কিন্তু শুধু জমি বরাদ্দ হলেই হয়না। বিপুল বিনিয়োগও দরকার। শফিক রেহমান যৌথভাবে বসুন্ধরা গ্রুপের সাথে পত্রিকার চালানোর পার্টনারশিপ করেন। বসানো হয় দামী দামী মেশিন, জেনারেটর আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র সমৃদ্ধ বাংলাদেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল পত্রিকা অফিস। শফিক রেহমান ব্যস্ত ছিলেন নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে। তিনি কখনো ভাবেননি এই জিনিসগুলোর খরচ কিভাবে উঠবে।

স্বপ্নের যায়যায়দিনে...

১১.
আমাকে মাঝেমাঝে শফিক ভাই বলতেন, আমি তোমাকে এ লেখাটা দিচ্ছি তোমার ক্যারিয়ারের জন্য। আমি জানতাম, তিনি পিতার মতোই আন্তরিক ভাবে আমার ক্যারিয়ারের উন্নতি চান। কিন্তু আমি আরও জানতাম, যায়যায়দিনের মতো পত্রিকায় ক্যারিয়ার হবেনা।

একদিন দুপুরে যখন অভিজ্ঞতার সনদপত্রটা তার সামনে মেলেধরে বললাম, একটা সিগনেচার....। ওনার মুখটা কালো হয়ে গেল। তারপরও তিনি বললেন, এভাবে না, আরো ভালোভাবে লিখে দিচ্ছি। যত্ন করে অভিজ্ঞতার সনদটা পড়লেন। নতুন করে ড্রাফট করলেন। কয়দিন পরে যখন চাকরিটা ছেড়ে দেবার কথা তাকে জানালাম তিনি একটুও আপত্তি করেন নি। বরং বিদেশে গিয়ে কিভাবে চলতে হবে, কি করতে হবে তার ব্রিফিং দিলেন। আমার মতো সামান্য মানুষের ক্যারিয়ারের জন্য তিনি নিজের স্বার্থ, পত্রিকার স্বার্থ নিয়ে একটুও ভাবেননি।

শুনেছি ওনার পত্রিকার চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের জন্যও তিনি বিভিন্ন জায়গায় চাকরির সুপারিশ করতেন। যায়যায়দিন দৈনিকের ১০৪ জনের চাকরি চলে গেছিলো তাদের প্রত্যেককে তিনি চার মাসের বাড়তি বেতন দিয়েছিলেন। আশা করেছিলেন চার মাসের মধ্যেই তারা অন্য কোথাও ব্যবস্থা করে নিবে। শফিক রেহমানের মতো লোকের পক্ষেই এটা সম্ভব (একবার শুনে অবাক হয়েছিলাম, ম অদ্যাক্ষরের অন্য এক পত্রিকার সম্পাদক তার চাকরিচ্যুত সাংবাদিক যেন অন্য কোথাও চাকরি না পায় সেজন্য ফোন করতেন)।

১২.
বাংলাদেশের অন্যান্য পত্রিকাগুলো যা করছে তা তিনি করতে চাইতেন না। আমি বলতে চেষ্টা করেছিলাম, অন্যান্য পত্রিকাগুলো যা যা করে কাটতি বাড়ায় সবার আগে তা করা দরকার। যেভাবে বাচ্চাদের জন্য পড়ার নোট ছাপায় সেভাবে আমাদেরও ছাপানো দরকার। তিনি রাজি হননি। খালি বলতেন, নতুন কিছু করো। নোট পড়া ছাত্রদের জন্য ভালো না। পত্রিকার কাটতি কমে গেলে যাক। জানার কতো কিছু আছে সেগুলো ছাপাও....ইত্যাদি ইত্যাদি। শুধু দেশের জিনিস নিয়ে থেকোনা। সারা পৃথিবী নিয়ে আসো......

মানুষের আত্মহত্যার খবর পত্রিকায় ছাপাতে চাইতেন না। কারণ তার ধারণা, আত্মহত্যা মানে কাপুরুষতা, পরাজয়। এ কারণে পত্রিকার কাটতি কমে গেলেও ছাপানো যাবে না।

তিনি সাপ্তাহিক পত্রিকাতেই ভাল ছিলেন। কিন্তু কেন দৈনিক করতে গেলেন? একবার মিটিংয়ে বলছিলেন, মানুষ চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে। একটা খেলার নাম বলছিলেন, যেখানে পায়ে দড়ি বেধে পাহাড় থেকে লাফিয়ে পড়ে। বলছিলেন এটা হচ্ছে আমার জন্য সেরকম একটা চ্যালেঞ্জ। তিনি চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন ঠিকই এবং পরাজিতও হয়েছেন।

১৩.
শফিক ভাইয়ের খারাপ দিকের মধ্যে ছিল অহঙ্কার। মাঝে মাঝে শফিক ভাইয়ের অহংকার মাথা চাড়া দিয়ে উঠতো। বলতেন, তোমরা কিচ্ছু জানো না। এটা এভাবে না ওভাবে হবে.....ইত্যাদি ইত্যাদি। বাঙ্গালীদের নিয়েও কি কি জানি বলতেন। আবার মাঝে মাঝে ইংরেজী ভাষাকে এমনভাবে প্রাধান্য দিতেন যে বেশ অবাকই হতাম। সাধারণ মানুষেরা আমরা অনেকেই এমন করি। তবে শফিক ভাইয়ের মুখে শুনে অবাক হতাম।

আমি অবশ্য নিয়ম ভঙ্গ করে, অনেক লেখার যেখানে ইংরেজি দেয়ার কথা সেখানে কৌশলে বাংলা ঢুকিয়ে দিতাম। আমার লেখাতে সাধারণত তিনি কিছু বলতেন না।

১৪.
যায়যায়দিন থেকে শফিক ভাইয়ের বিদায়ে আমি অবাক হইনি। অনেক আগেই ব্যাপারটা বোঝা গিয়েছিল। এমন অবাস্তব চিন্তাভাবনা অবৈষয়িক শফিক ভাইয়ের পক্ষেই সম্ভব। মানুষের ভালোবাসা বা শ্রদ্ধাও শফিক ভাইয়ের জুটেনি। নিজের রাজনৈতিক মতের সঙ্গে না মিললে আমরা একজন লোককে ছুড়ে ফেলে দিতে দ্বীধা করি না।

লোকজন শফিক রেহমানকে যখন চোর, দালাল, পরকীয়া প্রেমিক ইত্যাদি বলে গালি দেয় তখন আমার খুব খারাপ লাগে। মনে মনে বলি লোকজন শফিক ভাইকে যতোই গালি দিক, চোর-ডাকাত যা ইচ্ছা তাই বলুক। হাজার মাইল দূর থেকেও আমি তার একজন নীরব শুভাকাঙ্খী। আপনি আমার খুব খুব প্রিয় শফিক ভাই।

আবেগঘন লেখা আমি কখনোই লিখতে পারিনা। তবু আমি আজকে কথা ভেবে আবেগে জর্জরিত। সবকিছুর পরও আপনাকে ভালোবাসি।

সেই চিরতরুণ পাগলাটে বুড়োটাকে খুব খুব মনে পড়ছে......


http://www.sonarbangladesh.com/articles/duranta
শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
Islamic University, Kushtia থেকে Shabbir Ahmed লিখেছেন, ০৮ এপ্রিল ২০০৯; রাত ০২:১৭
ek boka buror golpo shono
hate niya gaiti bedhe komor
chariya gonjo gram, chariya shohor,
cheler hat dhore egiya chole........

...................
He will overcome, we hope Shafiq bhai will overcome someday

Shabbir Ahmed
326
ঢাকা থেকে মারুফ হুসাইন লিখেছেন, ০৩ ডিসেম্বর ২০০৯; দুপুর ০৩:৩১
ভাল, খুব ভাল
5753
Liberia থেকে ৃAlmas Uddin লিখেছেন, ১০ জুন ২০১০; সকাল ০৯:৫৫
its wonderful.....i found it lately.......i love u man(Shafiq Rehman). Probably there are millions people will make same remark like me.......
22244
Mirpur 14, dhaka থেকে safiq লিখেছেন, ২৬ নভেম্বর ২০১০; সকাল ১০:৩১
osadaron akli lakha porlam. safiq rehman k na bujte para amdar birat batthita. donnobad duronto
41501
chittagong থেকে nursohel, লিখেছেন, ৩০ জানুয়ারি ২০১১; রাত ১২:১৬
jaijaidin bondo hawar por onakay amake tatta,bidrup korto,jbab ditayparini,pory punno prkas hole kosi hai,bides a gayla r porar sojog paini,my support alwas 4 ever Mr.Shafiq Rehman.
47106
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন:
কীবোর্ড

Bijoy       UniJoy       Phonetic (Help)       English

নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 
 
লেখক পরিচিতি
 
 

 


© Sonar Bangladesh, 2002-2011. E-mail: editor@sonarbangladesh.com. Privacy Policy