মশা।
দুই অক্ষরের ছোট্ট নামের ছোট্ট এক প্রাণী। এক আশ্চর্য চালাক রক্ত চোষা।
আপনি যখন কাজে ব্যস্ত থাকবেন তখন আপনার এমন জায়গায় কামড়াতে বসবে যেখানে কাজ ফেলে আপনার হাত দ্রুত পৌঁছাবেনা। এই সুযোগে সে উদর পূর্তি করে চলে যাবে। এদের জ্বালায় বিরক্ত হয়ে মারার জন্য আপনি যখন ওঁৎ পেতে চেয়ে থাকবেন যে জায়গাটাতে এরা বেশী কামড়াচ্ছিল সেদিকে, তখন দেখবেন ওখানে আর একটাও বসছেনা। আমি আশ্চর্য হয়ে ভাবি, আমার চোখের দৃষ্টি কি এরা অনুসরণ করে?
...
প্রায় অর্ধ শত বছর যাবৎ জনগণের সম্পদ রেলের টাকা কি ভয়ঙ্কর ভাবে লোপাট হয়ে গেছে, কেউ তার হিসাব রাখেনি এবং সাধারণ জনগণও এসবের কিছুই জানতে পারেনি। যে দেশের পিয়ন থেকে সর্বোচ্চ নির্বাহী ব্যক্তি পর্যন্ত, স্কুলের দপ্তরী থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পর্যন্ত, চৌকিদার থেকে পুলিশের সর্বোচ্চ ব্যক্তি পর্যন্ত, ইউপি মেম্বার থেকে সংসদ সদস্য পর্যন্ত, ম্যাজিস্ট্রেট থেকে সর্বোচ্চ আদালতের বিচারক পর্যন্ত দূর্নীতিতে আকন্ঠ নিমজ্জিত হয়ে পড়ে, সে দেশ গরীবির হালত থেকে বেরিয়ে আসবে কিভাবে?
১৯৭০ এর নির্বাচনে ৬ দফার আন্দোলনের গণ জোয়ারে আওয়ামী লীগ তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানে সংখ্যা গরিষ্ঠ আসন পায়। পশ্চিম পাকিস্তানে সংখ্যা গরিষ্ঠ আসন পায় জুলফিকার আলী ভুট্টোর পিপিপি। পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী বিশেষ করে জুলফিকার আলী ভুট্টো শেখ মুজিবের কাছে রাষ্ট্রের ক্ষমতা হস্তান্তরে মোটেও রাজী ছিলনা। পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ২৪ বছর পর্যন্ত পশ্চিমারা রাষ্ট্রের ক্ষমতা তাদের হাতে কুক্ষিগত করে রেখেছিল। পূর্ব পাকিস্তানীদের হাতে রাষ্ট্রের ক্ষমতা দেওয়াটাকে তারা কিছুতেই মেনে নিতে পারছিলনা। তাই অধিকার আদায়ের জন্য অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। আর তখনি পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠি তাদের কর্তৃত্ব হারাবার ভয়ে ২৫ মার্চের রাত্রে নিরস্ত্র পূর্ব পাকিস্তানীদের উপর হায়েনার মত ঝাপিয়ে পড়ে ইতিহাসের...
[জানুয়ারি মাসের বিভিন্ন তারিখে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি বিষয় লক্ষ্য করা গেছে যে, কলকাতা সহ পশ্চিম বঙ্গের বিভিন্ন স্কুল কলেজে মহামারীর অকারে ছড়িয়ে পড়েছে সন্ত্রাস। যা আগে তেমনটা দেখা যায়নি। পশ্চিম বঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দেপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত ছাত্র সংগঠন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি) রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশের ছাত্র লীগের মতন একটার পর একটা তুলকালাম কান্ড ঘটিয়ে যাচ্ছে। কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবং তাদের অন্যান্য অন্যায্য দাবিতে স্কুল কলেজের প্রধান শিক্ষক এবং অধ্যক্ষের ঘরে ঢুকে বেয়াদবি, গালাগালি, এমনকি শিক্ষকদের গায়ে হাত তুলতেও তারা দ্বিধা বোধ করেনি। এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে কলকাতার আশেপাশে এবং...
তার পূর্ণ অবকাঠামোতে অপরূপ সাজে সেজে জ্যোৎস্না ছড়িয়ে পূর্নিমার চাঁদ যখন পূর্ব দিগন্তে উদ্ভাসিত হয়ে উঠে, তখন তার এই সৌন্দর্য, নিষ্কলুষতা ও নির্মলতা কিছু প্রাণী সইতে পারেনা। ওরা অন্ধকারের প্রাণী, অন্ধকারে ওদের জন্ম, ওরা অন্ধকারকে বেশী ভালবাসে, অন্ধকারকে ওরা তাদের জীবনের সাথে জড়িয়ে নিয়েছে, অন্ধকার পথেই তাদের চলা, অন্ধকারেই তাদের বাঁচা, অন্ধকারেই তাদের মরা। ওরা তাই চাঁদকে ঘৃণা করে, চাঁদের আলোকে করে ভয়। ওরা দূর থেকে চাঁদকে দেয় গালি, দিতে থাকে অভিসম্পাত।
"সরকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আর্থিক শৃঙ্খলা বিধানে বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন, তার সরকার সরকারি অর্থের হিসাবের জবাবদিহিতা, শৃঙ্খলা ও নিরীক্ষার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে। তিনি গতকাল ঢাকায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধনকালে আরো বলেন, ‘আর্থিক প্রশাসন ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সুষ্ঠু জবাবদিহিতা অপরিহার্য এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আর্থিক শৃঙ্খলা বিধানে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি অতীতে কখনো জনগণের কষ্টার্জিত অর্থের অপচয় বরদাশত করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) স্থানীয় এক হোটেলে পাঁচ দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
...
বৃটিশ এদেশ ছেড়ে যাওয়ার সময় তাদের কিছু গোলাম ও দালাল এর বাচ্চাদের রেখে গিয়েছিল। তাই তারা বলতে পেরেছিল, "আমরা এদেশ ছেড়ে চলে গেলেও এদেশ শাসন করবে আমাদেরই প্রেতাত্মারা, আমরা তোমাদেরকে একটি ভৌগলিক সীমারেখা সম্বলিত ভূ-খন্ড দিলাম মাত্র, আমাদের শিক্ষা-সংস্কৃতির জিঞ্জিরে বাঁধা থাকবে তোমরা চিরদিন। আমরা আমাদের রেখে যাওয়া শিক্ষা-সংস্কৃতি দিয়ে তোমাদেরকে দূরে থেকেও নিয়ন্ত্রণে রাখবো এবং শাসন করে যাব"।
বৃটিশ চলে গেছে আজ ৬৪ বছর ২ মাস ২৫ দিন। কিন্তু আমরা তাদের গান্ধা শিক্ষা-সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। কেন?...
হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ না করে শরীরে মলম লাগিয়ে গেলেন ভরতীয় নেতৃবৃন্দ। 'তিনবিঘা' করিডর এখন থেকে ২৪ ঘন্টা উন্মুক্ত থাকবে। আমাদের নেতৃবৃন্দ আনন্দের বন্যায় ভাসছেন ভারতের এই উদারতায়। ভারত মহান। "টিপাই মুখে এমন কিছু করা হবেনা যাতে বাংলাদেশের ক্ষতি হয়" ধরণের ছেলে ভুলানো আশ্বাস, যৎসামান্য পণ্যের শুল্ক মুক্ত রফতানি সুবিধা, সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণ ইত্যাদি জাতীয় নগন্য সব প্রটোকল স্বাক্ষরের মাধ্যমে ছেলের হাতে মোয়া দিয়ে ভুলিয়ে ভালিয়ে নিভৃতে নির্জনে নিয়ে গিয়ে প্রাণে বধ করে রক্ত, কিডনি, কলিজা, হৃৎপিন্ড ইত্যাদি সব নিয়ে নেওয়ার কী অপূর্ব কৌশল ভারতের!
বৃটিশ ১৯০ বছর পর্যন্ত এই দেশ সহ উপমহাদেশের গণমানুষের উপর অত্যাচারের ষ্টিমরোলার চালিয়ে আমাদের ধন সম্পদ লুট করে নিয়ে গিয়ে লন্ডনকে বানিয়েছে মেগা সিটি। ঐ সময়ের মধ্যে ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির বারোটা বাজিয়ে তাদের উলঙ্গ সংস্কৃতির বীজ বপন করে গেছে আর নেটিভদের জন্য তৈরী করা আইন ও কানুন রেখে গেছে - যা দিয়ে তাদের প্রেতাত্মারা এই দেশে এখনো চালাচ্ছে 'শাসন' এর নামে দূঃশাসন, কুশাসন, শোষণ-নিষ্পেষণ, দমন-নিপিড়ন, জুলুম-নির্যাতন আর হরি লুটের মহোৎসব।
বিজাতীয় শিক্ষা-সংস্কৃতির বিরুদ্ধে এই উপমহাদেশের মুসলিম মণীষীরা...
ভারতের 'র' এর পরিকল্পনা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৫০ বছরের মধ্যে তাকে ভারতের করদ রাজ্যে পরিণত করা। যেখানে সবকিছুই ভারতের কথা মত চলবে। এক কথায় ভারতেরই শাসন চলবে। সেই ৫০ বছর থেকে এখন ৪০ বছর গত হচ্ছে, আর বাকী ১০ বছর। বর্তমান সরকারের মিশনও ২০২১ সাল পর্যন্ত আরো ১০ বছর। এই শেষ দশ বছর হলো 'র' এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের শেষ দশক বা শেষ চ্যাপ্টার।
আমরা বাংলাদেশী ৭৫% লোক 'র' এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগীতা করছি। কেউ স্বজ্ঞানে আবার কেউ অজ্ঞানে। আমাদের...