এত এত জাতীয় নেতাকে মিথ্যা অজুহাতে জেলের ভাত খাওয়ানোর পর বি এন পি কিছুই করতে পারে নি। অতএব ধরে নেয়া যায় সরকারের সাহস আরো বেড়ে গেল। এবার বেগম খালেদা জিয়ার পালা। তাকে সরকার জেলে ঢুকাবে। এবং যথারীতি বি এন পি কিছুই করতে পারবে না। আর পৃথিবীর লোকজনও ইকোনোমিষ্টের পাতা ভরবে লিখে লিখে, এতে আওয়ামী লীগের কিছুই আসে যাবে না। আর বি এন পি সেই রিপোর্ট পড়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলবে। ইরাক এ্যাটাকের আগে আমেরিকা আফগানিস্তান দখল করে বুঝলো কোন মুসলিম রাষ্ট্র কিছুই বললো না। তখন সে সাহস করলো ইরাক দখল করার। আওয়ামী লীগও সকল নেতাদের জেলে ঢুকিয়ে বুঝে ফেলেছে খালেদাকে...
লন্ডন, ২৬ মে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিপজ্জনক পথে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বাংলাদেশের সর্বনাশ করছেন। তাকে এ কাজ থেকে বিরত করতে দিল্লির হস্তক্ষেপ দরকার।
বৃটেনের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক দ্য ইকোনমিস্ট শনিবারের সংখ্যায় বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি নিয়ে এসব কথা বলেছে।
জনাব মওদূদ, নজরুল ইসলাম এরা বলছেন কঠিন কর্মসূচি দেয়া হবে, পরিণতি ভয়াবহ হবে ইত্যাদি। কিছুই হবে না। আন্দোলন করতে হলে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে শিখে নেন। শেখ হাসিনা ভাল করেই জানেন খালেদা ফকরুলের ঘুম পড়ানী গান দিয়ে আন্দোলন হয় না। কিছু ভদ্র লোক বাহবা দেয়, কিন্তু ঐ পর্যন্তই। ভদ্রলোকের বাহবা দিয়ে কাজ হয় না। তাই তিনি হরতালের পর হরতাল দিতে পারেন, গণভবন বঙ্গভবন অবরোধ করতে পারেন, অক্সিজেন বন্ধ করে দিতে পারেন, দিনের পর দিন ঢাকা অবরোধ করতে পারেন, লগি-বৈঠার ব্যবহার জানেন, পুলিশের জামা কাপড় খুলে উলঙ্গ করে দিতে পারেন। আবার তাদের বুঝও দিতে পারেন যে ক্ষমতায় আসতে পারলে...
এটিএন নিউজের সাংবাদিকের পিছনের রাস্তায় কোন গাড়ি বা রিক্সা চলছে না কিন্তু সে অবলীলায় বলে যাচ্ছে 'রাস্তায় স্বাভাবিক গাড়ি চলাচল করছে, কোন পিকেটিং নেই, ইত্যাদি ইত্যাদি। এতবড় সরকারী মিথ্যা মানুষ কখন বলে! মনে হয় তখন বলে যখন সাগর-রুনীর হত্যার ব্যাপারে প্রথমে যা রটেছিল তা সত্য হয়। সরকারের এত বড় দালালী করে এটি এন কি বুঝাতে চাচ্ছে! তারা মানবাধিকারের বিরুদ্ধে। আসলে এ হরতাল তো ইলিয়াস আলীর নিখোজের মধ্যে সীমাবদ্দ নেই এটা মানবাধিকার রক্ষার হরতাল। এটিএনের মালিক তার পরোয়া না করে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। তার ভাই হত্যা করে আমেরিকায় পালিয়েছে এই রটনাটা আজ সত্য বলে মনে হচ্ছে।
সাগর-রুনীর মামলা প্রধানমন্ত্রী মনিটরিং-এর দয়িত্ব নিয়েছিলেন। সাহারা খাতুন এই মর্মে মিডিয়াকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু মাননীয় আদালতে গিয়ে ডিবি পুলিশ বলেছেন তারা ব্যর্থ। অথচ এই অফিসার মনিরুল ইসলাম বলেছিলেন তদন্ত অগ্রগতি হয়েছে। এখন প্রশ্ন আসে এত সময় ক্ষেপনের পর ব্যর্থতা স্বীকার করা বিচারের আওতায় পড়ে কিনা! দ্বিতীয়ত: আদালত প্রধানমন্ত্রীকে কেন জিজ্ঞাসাবাদ করলেন না যে মনিটরিং-এর কি হলো?
পাঠকদের সুবিধার্থে খুলনার তরুণ সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রানার পাঠানো সংবাদ সংক্ষিপ্ত করে দেয়া হলো।
আব্দুর রাজ্জাক রানা : শুধু দশ বছরের শিশু বেলাল আর সরকারি বিএল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের এমএ ক্লাসের ছাত্র এসএম মাহমুদুল হক টিটো ও আযম খান কমার্স কলেজের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ফেরদাউসুর রহমান মুন্নাই ওসি কামরুজ্জামানের বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়নি, তার অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা ও কনস্টেবলরাও প্রতিনিয়ত মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। একটু ভুলত্রুটি হলেই তিনি তাদের অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতেন। তার দুর্ব্যবহারে তারা ছিলেন চরম অসহায়। তারপরও তাদের কিছুই করার ছিল না। অভিযোগ রয়েছে, মাত্র এক বছর এক মাস...
ধুর! আজ বাংলা কত তারিখ তা কইতে পারোস না আবার নববর্ষ ফলাস। তুই বাঙ্গালী না? তুই তো ২১ ফেব্রুয়ারীও মারিস। অথচ তোগো আদালত অহনো ইংরেজী মারে। তোরা মুসলমান না? অথচ নাস্তিকগো কথায় তোগো আলেমগো উপর জুলুম করিস। মদ খাস, সুদ ঘুষ খাস, মানুষ মারিস, তোগো মন্ত্রীরা চোর বাটপাড়, তোগো শাসকরা বিরোধীগো মিথ্যা মামলা দিয়া জেলে ঢুকায়, তোগো মুসলমান নামের মন্ত্রীরা ইসলামের বিরুদ্ধে কথা কয়, আর তোরা জাতি হিসাবে এত বড় প্রতারক যে ঐ সব প্রতারণার বিরুদ্ধে কিছুই কস না। তোগো ধিক! পৃথিবী তোগো ঘৃণা করে। ধিক তোগো।
আশা করতে ছিলাম মাঝে মধ্যে দাদাবাবু যেমন বলেন জামাত ঠিক ইসলামের পথে নাই, তবলীগকে বিভিন্ন ইসলামী দল ভুল বোঝে, জামাত ইসলামের দুশমন ইত্যাদি এসব শুনে মনে হতো এই সামনের বছর সুরঞ্জিত বাবু কোরানের তফসীর দেওয়া শুরু করবেন। এবং নাস্তিক ও নামধারী মুসলমানদের কাধে সওয়ার হয়ে দেশের সহজ-সরল মানুষকে নতুন করে ইসলাম শিখাবেন তখন পুলক অনুভব করতাম। এখন জনগণের সম্পদ লুণ্ঠনের দায়ে এবং ভারতের ব্যাংকে জমা টাকার হিসাব দিতে গিয়ে পদত্যাগ করলে এমন একজন মুফাসসিরে কোরানকে আমরা হারাবো। হায়রে! দোহাই ভবিষ্যতের মুফাসসিরে কোরান সুরঞ্জিত পদত্যাগ করবেন না।
আজ ১২ মার্চ সরকার ঢাকাকে অবরুদ্ধ করেছে। শান্তিপ্রিয় বাঙ্গালী জাতির উপর এ এক মহা জুলুম। সরকার তার পুলিশ র্যাব ব্যাবহার করেই ক্ষান্ত হয়নি, তাদের কুক্ষ্যাত সন্ত্রাসী জঙ্গি বাহিনী ছাত্রলীগ যুবলীগকে পুলিশের সহায়তাকারী তথা রাজাকার বাহিনী হিসেবে নিয়োগ করেছে। বর্ডারের ফেলানী হাবিবদের নিরাপত্তা সিকেয় তুলে বিজিবিকে নিয়ে এসেছে নিজের দেশের মানুষকে শায়েস্তা করতে। সব জুলুমেরই শাস্তি আছে। সরকার কি জনগণ চায়? না, শুধু বাংলাদেশের মাটিটুকু ভারতের হাতে তুলে দিতে চায়। জন বিরোধী অবস্থান নিয়ে সরকার তাই-ই প্রমাণ করছে। তবে ভয় হচ্ছে বি এন পি আবার বলে না বসে, সরকারের কথামত বাস লঞ্চ বন্ধ করেছো, বি এন পি নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত...
বাংলাদেশের ‘সময়’ টেলিভিশন বলছে,‘ ইসরাইলের বিমান হামলায় ১০ ফিলিস্তিনি জঙ্গি নিহত’। ছবিতে যা দেখা যাচ্ছে তাতে কি মনে হয় জঙ্গির লাশ বহন করে নিয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার জনতা। মানবতার শত্র“ এই সব চ্যানেলকে এই মুহুর্তে নিষিদ্ধ করা উচিত। এই সব চ্যানেল নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করছে এবং মানুষকে খুনী ও হত্যাকারী হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করছে। ...
বিএনপির ১২ মার্চের সমাবেশ নিষিদ্ধ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। আজ শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে জাসদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
মানব জমীন
রবিবার, ০৪ মার্চ ২০১২
বগুড়ায় এক কাউন্সিলরের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। থানাপাড়া ও সুইপার কলোনির বস্তির ঘরে ঘরে ঢুকে মাতাল অবস্থায় গণযৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইব্রাহীম হোসেন ওরফে ইব্রাহীম পাগলা। ১৬ থেকে ১৭ জন এ ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাত ১১টায় বগুড়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড...
জামাত শিবির রাস্তায় মিছিল বার করলে সেই মিছিল হয় জঙ্গি মিছিল। আর আলীগের মিছিল কি মিছিল হয়! জামাত শিবির মিছিল বার করলে রাস্তায় জ্যাম হয় জনগনের দুর্ভোগ হয়। আর আলীগের মিছিলে জ্যাম হয় না! পুলিশ ভাইরা ঝাপায় পড়ে, কাদানে গ্যাস ছোড়ে, রবার বুলেট মারে, লাঠিপেটা করে, কখনো কখনো মানুষ মাইরা ফেলায়, কারণ জনগণের দুর্ভোগ হইতাছে। তা আলীগের মিছিলে জনগনের দুর্ভোগ হয় না?
কিছু কিছু মিডিয়া সাংবাদিক মাইক হাতে জামাত শিবিরের মিছিল দেখলে কয় জঙ্গি মিছিল। তারা আলীগের মিছিল দেইখা কি কইতাছে? আসলে এই সব অপশক্তি এদেশের শত্রু। কারণ মুসলমানদের অস্তিত্ব...
এদেশের মুসলমানরা আজো বুঝতে পারেনি, পিরোজপুরের সাব ইন্সপেক্টর অমর সিংহ কতৃক তিন পর্দানশীন ছাত্রীর হেজাব খুলে ছবি তোলা থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর কোরানের আইন রদ করে নারী পুরুষের সমান অংশীদারিত্বের প্রস্তাব বা বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক কর্তৃক মহানবী স:-কে কটুক্তি বা অসম্মান করা, ভারতের আগ্রাসন ইত্যাদি বিষয় থেকে মুসলমানদের রক্ষা করার জন্য গোলাম আযমরা মুসলমানদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই কাজ করে গেছেন। তাদের ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ ছিলনা। মুসলমানদের স্বার্থ যারাই রক্ষা করতে চেয়েছেন তাদেরকেই কলন্কিত করা হয়েছে। ইতিহাস তার সাক্ষী।
কোরানে হাফেজ সম্রাট মুহম্মদ তুগলোঘ, কোরানে হাফেজ সম্রাট সুলতান মাহমুদ, কোরানে...