ব্লগার সংগ্রামী মানুষের চিকিৎসার্থে সোনার বাংলাদেশ ব্লগের ব্লগারদের ভালবাসায় এখন পর্যন্ত মোট প্রাপ্ত অর্থ ১৯১৬৭১ টাকা। আশা করছি অতি শীঘ্রই উনার চিকিৎসা শুরু করা যাবে । যারা উনার চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ও যারা পাশে থেকে সহানুভুতি জানিয়েছেন তাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। উনি খুব শিঘ্রই ভারতের প্রখ্যাত কারডিওলজিস্ট ডা: দেবীপ্রাসাদ শেঠীর কাছেই বাইপাস করানো জন্য ভারত যাবেন । ওখানে চিকিৎসা থাকা খাওয়ার খরচ বাবদ সর্বসাকুল্যে প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে । আসুন আমরা সবাই মিলে উনাকে আর একটু সহযোগীতা করি । সাহায্য পাঠাতে পারেন নিচের দুইটি ব্যাংক একাউন্টে :
...
ব্লগার সংগ্রামী মানুষের চিকিৎসার্থে সোনার বাংলাদেশ ব্লগের ব্লগারদের ভালবাসায় এখন পর্যন্ত মোট প্রাপ্ত অর্থ ১৮১৬৭১ টাকা। আশা করছি অতি শীঘ্রই উনার চিকিৎসা শুরু করা যাবে । যারা উনার চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ও যারা পাশে থেকে সহানুভুতি জানিয়েছেন তাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।
এই মাত্র অসাধারন একটি উপন্যাস আত্মদহন শেষ করলাম।
ভাবলাম এটা নিয়ে কিছু লেখা দরকার। তাই এই রিভিউ....
লেখকেরা অনেক চরিত্র তৈরী করেন এবং তাদের লেখার মাঝে চরিত্রটিকে এমনভাবে ফুটিয়ে তুলেন যেন তা বাস্তব। অনেকে আবার ঐসব চরিত্রের মত করে নিজেদের তৈরী করেন, ঐসব চরিত্রের মত করে পোষাক পরেন, চালচলন কথাবার্তায় নিয়ে আসেন ঐ চরিত্রকে। আত্বদহন উপন্যাসটিতে শহীদুল আমিন একজন লেখক যার লেখা চরিত্র মানুষের মনে প্রভাব ফেলে, টিন-এজারা...
আসুন শেয়ার করি প্রিয় বইয়ের নাম।
প্রিয় লেখক কে কে?
বইমেলার স্মৃত্বী,
আপনার কোন বই প্রকাশ পেলে তার নাম কি?
পাঠকদের কাছ থেকে কেমন সাড়া পেয়েছিলেন প্রথম বইয়ে?
...
অনেকদিন যাবত গ্রামে যাইনা। যাইনা মানে যেতে পারিনা কাজের ব্যস্ততায়। তবুও যখনই গ্রামে যাই আমাকে প্রথমেই আমাদের গ্রামের স্কুলটি অভ্যর্থনা জানায়। মনে হয় সে আমার অপেক্ষাতেই বসে ছিল। স্কুলে পা দেওয়া মাত্রই আমার মনে পরে হারিয়ে ফেলা দিনগুলোর কথা। মনে পরে সেই বন্ধুদের কথা যাদের সবার সাথে এখন আগের মতো যোগাযোগ নেই। মনে পরে আমার সেই সব টিচাদের কথা যাদের সাহায্যে আমি আজ এতদুর আসতে পেরেছি। আমাকে দেখা মাত্রই স্যারেরা কাছে টেনে নেয়। নানা কথা জিজ্ঞ্যাস করেন আর উপদেশ দিয়ে যান। উনাদের কাছে আমি এখনো আগের মতই আছি।
ঘুম থেকে তুলে মহারাজের পেয়াদাগন আমাকে একপ্রকার পাঁজাকোলা করে দরবারে এনে হাজির করল।
অনেকে আড়ালে আমাকে অলস বললেও আমি কিন্তু বিরাট পরিশ্রমী, দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পর একটু ভাত ঘুম না দিলে আমার চলে না। শশুরবাড়ির লোকজন আমাকে পেটুক কেন বলে বুঝিনা দুপুরে মাত্র ২ সের চালের ভাত খাই আর সাথে আধা সের ওজনের একটা মাছের ভাজি হলে আমার আর কিছুই লাগে না। তো খাওয়া দাওয়ার পর একটু সুয়ে ছিলাম আর পাশে বসা গিন্নীর বাপের বাড়ির গুন কিত্তন শুনতে...