বুধবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ৩০ মে ২০১২; দুপুর ০১:৩৮

আমার দেখা জামাত "রাজনীতির" অন্দর মহলের চিত্র।

লিখেছেন হামিদুর রহমান ০৭ নভেম্বর ২০১০, দুপুর ০৩:৪৩

ধর্মীয় বিশ্বাস এবং ধর্মীয় গোড়ামী দুটি পাশাপাশি চললে আমরা কখনোই ধর্ম বিশ্বাসকে পরিপূর্ণ ভাবে আমাদের মাঝে ধারন করতে পারব না। ধর্ম বিশ্বাসকে ধারন করতে ধর্মীয় গোড়ামী থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। আমাদের দেশে এখনও অনেকে জেনে বুঝেই ধর্মকে পুঁজি করে ব্যবসা করছে।

ধর্মের লেবাশে আবদ্ধ মুখোশধারী জামাত-শিবির কতটা ধূর্ত তার কিছু বাস্তব চিত্র আমার এ লেখায় ফুটে উঠবে। জামাত-শিবিরের টার্গেট বরাবরই দরিদ্র পরিবারের মেধাবীদের প্রতি। জামাত-শিবিরের সাথীরা তাদের উর্ধ্বতন নেতাদের নির্দেশে দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মা-বাবাকে প্রথমে ধর্মের কথা বলে তাদের দুর্বল করে তার পারিবারিক অবস্থা জেনে নেয়। প্রথমে সুন্দর সুন্দর ধর্মীয় কথা বার্তা বলে তাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলে। ধর্মীয় ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের মনকে দুর্বল করে আসল উর্দ্দেশের পথে অগ্রসর হয়। অনেকটা আধুনিক বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রবক্তা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ও তার উপন্যাস লালসালুর মতো। ওয়ালীউল্লাহর অন্য দু'টি উপন্যাস "চাঁদের অমাবশ্যা" ও "কাঁদো নদী কাঁদো"। তিনটি উপন্যাসেরই মূল ভিত্তি "ভয়ভীতি"। ধর্মপ্রান মানুষকে শোষনে ভয় ভীতির কোন বিকল্প নেই। ভয়ে মানুষের চিত্ত দূর্বল হয়, সিদ্ধান্তে আসে জড়তা। বিবেচনাবোধ দ্বিধাগ্রস্থ হয়। যুগে যুগে স্বেচ্ছাচার ও স্বৈরাচার সাধারনের নিপীড়নে "ইস্তেমাল" করেছেন ভয়-ভীতি। বিভিন্ন আনুষাংগিক ভয়ই মানুষকে টেনে নেয় দাসত্বের দূয়ারে।

সমস্ত পৃথিবী জুড়ে ধর্ম ব্যবসায়ীদের রাজনৈতিক সংগঠন জামাত "ইসলামের" নামে একই কাজ করছে। অবশ্য বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে জামাতের ধর্ম বানিজ্য। বাংলাদেশে "ডেডিকেটেড" সদস্য-হান্টাররা সমাজে ভিন্ন ভিন্ন পরিচয়ে "আর্বিভূত" হয়। একদল "পাকিস্তানী সুন্নতী লেবাসে" থাকেন আল্লাহর ঘরের দখলে। গেল শতাব্দীর চল্লিশ শতকের সংস্করনের দেওবন্দী কেতাব ও "মুসলমান পাকিস্তানের" রাষ্ট্রদ্রোহী আবুল আলা মওদুদীর "ঘৃনার" উচ্চারন গিলে উনারা আলেম সাজেন। জনগনের দেয়া মসজিদ নির্মাণের অর্থ ও এতিমখানা-মক্তবের জন্যে ধর্মপ্রানদের দান আত্মসাতের মধ্য দিয়ে উনাদের সুন্দর "ক্যারিয়ারের" সূচনা। অথচ এরাই "আল্লাহর আইন আর সৎ লোকের শাসন চায়"। পবিত্র মাদ্রসায় "এতিম" বাচ্চাদের সমকামী ধর্ষনের মধ্য দিয়ে উনাদের "বিদ্যা" পরিপূর্নতা পায়। এই শ্রেণীর ''জামাত'' হচ্ছে 'নমশুদ্র' শ্রেণীর জামাত। মুক্তমনা- প্রগতিশীল ধর্মপ্রান মুসলমানদের নিয়মিত মসজিদে যাতায়েত ঠেকানোই এই "পাহারাদার" শ্রেণীর জামাতের কাজ। এরা দৃশ্যমান জামাত।

আরেক দল ইংরেজী- আরবী-বাংলা শিক্ষিত হয়ে প্রকাশ্যে "দ্বীন-ইসলামের বাণী" বিতরণে নামে। উনারা "রোকন"। উনারা প্রকাশ্যে থাকেন দলীয় রাজনীতিতে। অপ্রকাশ্যে থাকেন "জামাতের" বিভিন্ন অপ্রদর্শিত ব্যবসায়। জামাতের ব্যবসার লোভী হাত সর্বত্র। প্রকাশ্যে ব্যাংক-বীমা-কিন্ডারগার্টেন-মুদ্রন-চিকিৎসা-এনজিও বিভিন্ন বৈধ বানিজ্যের পাশাপাশি জামাতের এই শিক্ষিত শ্রেণী থাকেন বিভিন্ন অপকর্মের লীডারশীপে ও লিয়াজোঁতে। এই তালিকায় আছে অস্ত্র ব্যবসা, কন্ট্রাক কিলিং, বস্তিতে বস্তিতে মাদক সরবরাহ, বার্মা সীমান্তের অবাধ চোরাচালান, মধ্যপ্রাচ্যে "নারী মাংস" সরবরাহ ইত্যাদি এবং এসব কিছুই হয়ে থাকে 'পবিত্র ইসলামের" নামে। বাংগালী কাফেরদের দেশে সব না-জায়েজই 'জায়েজ" ফতোয়ার জোরে। কোথাও কোন ব্যাপারে এদের বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ উঠলে "বিদ্রোহ- বেয়াদবী' দমনে ফতোয়াবাজীতে মত্ত হয় জামাত। এই শ্রেনীর কাছে 'পরকালের চেয়েও মূল্যবান ইহকালীন প্রাপ্তি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জামাতী শিক্ষকরা নবী পত্মী বিবি খাদিজার নামের ছাত্রীবাস নির্মামানের প্রস্তাব ছুঁড়ে ফেলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামে ছাত্রীবাস নির্মানের ইহকালীন প্রাপ্তিতে। নারী নেতৃত্ব "হারাম" হলেও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে 'হালাল" হয় ইহজাগতিক স্বার্থে মন্ত্রীত্ব লাভের আশায়।ব্যাংকের নিষিদ্ধ 'সুদ" হারাম বলে প্রচার করে ধর্মপ্রান সাধারন মুসলমানদের বিভ্রান্ত করে জামাতীরা মগ্ন হয় ইসলামী ব্যাংকের লভ্যাংশের ভিত্তিতে ঋন গ্রহনে। কিন্তু মাদ্রাসা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরীরত জামাতীরা রাষ্ট্রীয় সুদ-বানিজ্যের সোনালী ব্যাংকের প্রভিডেন্ট ফান্ডের ''সুদ" গ্রহনে দ্বিধাম্বিত হয় না। আমি কখনো শুনিনি লভ্যাংশের ভিত্তিতে ঋন দেওয়া ইসলামী ব্যাংক কারো অসফল ব্যবসার ভাগিদারী হয়েছে।

এই "শিক্ষিত" শ্রেণী নিজেদের ব্যবসায়িক আধিপত্য বিস্তার ও চিরস্থায়ীতে "নিজেদের খরচে" অন্য রোকন ভাইদের, তাদের ছেলে-মেয়েদের, দরিদ্র পরিবারের মেধাবীদের তাদের স্বার্থের জালে আটকিয়ে বিভিন্ন উচ্চভিত্ত কলেজ সহ বিদেশে পড়াশোনার ব্যবস্থা করে ব্যারিষ্টার, ডাক্তার, ম্যাজিষ্ট্রেট, শিক্ষক বানিয়ে আনেন এবং তাদের পক্ষে মিডিয়া সহ নিজের মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত সংবাদ পত্র সাময়িকীতে তাদের অপকর্ম জায়েজ করতে এদের লেখনীর আশ্রয় নিয়ে নিজেদের অপরাধ ঢেকে রাখার ব্যবস্থা করেন। আমাদের সোনার বাংলাদেশ নামক ব্লগেও এরকম কিছু ব্লগার আছে। ইতিমধ্যেই তাদের পরিচয় আপনারা পেয়েছেন। জামাত বিরোধী কোন লেখা প্রকাশ পেলে যেভাবে মাইনাচের হিড়িক পড়ে তাতে মনে হয় এই ব্লগও নিয়ন্ত্রন করেন জামাত-শিবির পন্থী মডারেটররা। মাঝে মাঝে লক্ষ্য করা যায় কোন কোন লেখায় মন্তব্য আসার আগেই মাইনাচ পড়ে। এটা কিভাবে হয় আমার বোধগম্য নয়।

চোর- ডাকাতের জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান পুলিশ ও উকিল। জামাতের রাজনৈতিক জীবনে এই দুয়ের আধিক্য লক্ষ্য করার মত। পেশাগত জীবনে জামাতী পুলিশ ম্যাজিষ্ট্রেটরা "উপরি" খাওয়া কিন্তু বন্ধ রাখেননি। তাদের এই উপরি কামাই দিয়ে বিভিন্ন লাভ জনক ব্যবসার শেয়ার কিনছে, নামে বেনামে জমি, কিন্ডার গার্টেন তৈরী করে সেটাকে জামাত তৈরীর কারখানায় পরিনত করে। আমার এলাকায় এরকম অনেক প্রতিষ্ঠান ইদানিং চোখে পড়ে। এ ব্যাপারে জামাত-শিবিরকে জিজ্ঞেস করলেই একটা ফতোয়া বা কোরআন হাদিসের কথা বলে আপনাকে ধামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে। ইসলামে গান-বাজনা নিষিদ্ধ হলেও উনাদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যরা কিন্তু "দিগন্ত" টিভিতে হারমোনিয়াম হাতে নিয়ে গান বাজনা করে যাচ্ছে। প্রশ্ন করলেই ইসলামী সংগীততের কথা বলে ফতোয়া হাজির করবে।
এরা সব দৃশ্যমান জামাত। ধর্ম বানিজ্যে "এনারা" প্রকাশ্যে। কোন লুকোচুরির বালাই নাই। এই শত্রু চিহ্নিত শত্রু। কিন্তু এনাদের চেয়েও ভয়ংকর হচ্ছেন "তেনরা"। সরকারের ছদ্মবেশী গোয়েন্দা-গুপ্তচরের মতই এই তেনাদের চেনার জো নেই। সহজে ছুরিকাঘাত করার প্রয়োজনে এরা থাকেন সাধারনের "হৃদপিন্ডের" কাছাকাছি। এরাই শত্রু ভয়ংকর । সমাজে এরা নিজেদের পরিচিত করে ভদ্রবেশী মানুষে। অথচ এদের দ্বারাই সমাজের ক্ষতি হয় সবচেয়ে বেশী। এরা ধর্মের মুখোশ পড়ে ধর্মের দোহাই দিয়ে সমাজের ধর্মভীরু মানুষকে প্রতারিত করে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করায় ব্যস্ত থাকে। পতিতাদের মতই মধুর হাসির ভদ্রতা এদের সর্বাঙ্গে। এই শ্রেণীর জামাতীদের প্রধান ও প্রথম কর্তব্য মানুষের মধ্যে ভীতি ছড়ানো। 'Morally" মানুষকে 'Guilty" বানানো। প্রবাসে জামাতীদের প্রকৃত স্বরূপ এটাই।

জনগন যাতে জামাতী সন্দেহ করতে না পারে সেজন্য তারা প্রথমেই আকারে ইংগিতে জানিয়ে দেয় "একাত্তরে তাদের বাড়ী ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাঁটি। কথাটি আংশিক সত্য। কারন তাদের বাড়ীতেই মুক্তিযোদ্ধাদের আটক রাখা হতো। কেবল বলে না, সেই ঘাঁটিতে মুক্তিযোদ্ধাদের উপর চর্চার হতো। এরা দুনিয়াদারীর বিষয়ে মানুষকে বিভিন্ন ভীতিকর "এলেম" দান করে। হালাল-হারাম বির্তকে মানুষকে দ্বিধাম্বিত করে। সুদে বাড়ী না কেনার পরামর্শে জামাতী মালিকানাধীন "আর্থিক প্রতিষ্ঠানের" গ্রাহক বানায়। নিজেরা অবশ্য ব্যাংক ঋনে বাড়ী কিনে। এক্ষেত্রে এদের ফতোয়া হচ্ছে, ইহুদী-নাসারার দেশে প্রচলিত আর্থক ব্যবস্থায় একটি বাড়ী কেনা জায়েজ। এরা ফাস্ট ফুড চেনের বিরুদ্ধে নামে হালাল-হারাম বির্তক তুলে। সাধারন মানুষকে মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত হতে দেয় না, "যদি চক্ষু খোলে যায়" এই আশংকায়। তবে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সামনের ফাস্ট ফুড চেনের খাবার ওদের কাছে হালাল।যেন ওদের জন্য ম্যাকডোনাল্ড বা কেএফসির ঐ শাখা গুলির জন্যে ভিন্ন স্থান থেকে মাংসের সরবরাহ আনে! যতদূর জানি হালাল খাবারের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে হালাল রোজগার। এছাড়াও বিধর্মীর রান্না ও পরিবেশনে "হালাল জবাইয়ের" মাংস প্রকৃতপক্ষে হালাল হয় না। কিন্তু এরা "ক্ষুধার টানে" দিব্যি 'নান্দোস চিকেন" গিলেন হালালের নামে।ইহুদী-নাসারার সেন্টারলিংক কিংবা অন্য চ্যারিটির ফ্রি ভাউচারে এদের আপত্তি নেই।

এদের বুলিতে সার্বক্ষনিক "সুন্নত গেল সুন্নত গেল" কিন্তু এরা দিব্যি সেভ করে দাঁড়ি কামিয়ে ইহুদী কোট-টাই পরে স্কার্ট পরিহিতা সহকর্মীর "ঘনিষ্ট" কাছাকাছি বসেন। এদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যারা শরীরের বাঁক দেখানো পোষাকাদি পরলেও ইসলাম বিপন্ন হয় না । পরনারীদের সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি ছাপা হলে, লিভটুগেদার করলে, সমকামীতা করলে ইসলাম এর কোন ক্ষতি নেই। মসজিদে বসে কোথায় সরকারী খাস জমি আছে সেটা দখলের পায়তারায় দলিল পত্র ঘাটাঘাটি করলেও এদের কাছে সবই জায়েজ যদি এদের পক্ষে হয়। ইসলাম বিপন্ন ও অসহায় হয় যখন রাজাকার, আলবদর ও যুদ্ধাপরাধীদের প্রসংগ উঠে। যখন পাকিস্তানকে তালেবান রাষ্ট্র ডাকা হয় তখন বড় দুঃখিত হয় এই জামাতীরা। নিজের স্ত্রী-কন্যারা যখন পরকীয়ায় ব্যস্ত থাকে তখন এই জামাতীরা অন্যকে ওয়াজ নসিহত করে পর্দা, ব্যাভিচার ও ধর্মীয় অনুশাসন কায়েমের কথা বলে।

আসলে এই প্রবাসেও যাতে বাংগালী মূলধারা বিচ্ছিন্ন অসামাজিক জীবন-যাপনে সীমাবদ্ধ থাকে তারই অপচেষ্টায় থাকে এই জামাতীরা। বিভিন্ন 'ধর্মীয় ভয়ে' ভীত জনবিচ্ছিন্ন মানুষকে এক সময় গ্রাস করা সহজ হয়। জামাতের প্রধান অস্ত্রই হলো প্রথমে মানুষকে ধর্মভীতির মাধ্যমে দূর্বল করে আস্তে আস্তে নিজেদের আদর্শ ও উর্দ্দেশ্যের পথে আকৃষ্ট করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা।

বড়ই ছোঁয়াছে এই জামাত বীজানু........................।

বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ: আবিদ রহমানের কাছে। যার জ্ঞানগর্ভ আলোচনা আমার এ লেখার অনুপ্রেরনাকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

বিষয়শ্রেণী: বিবিধ
শেয়ার করুনঃ
১০৬৩ বার পঠিত, ১২৫ টি মন্তব্য
১৩ জনের পছন্দ
রেটিং দিতে লগইন করুন
পাঠকের মন্তব্য:
মন্তব্যের জবাব দিতে সমস্যা হলে এখানে ক্লিক করুন এবং নতুন পাতায় মন্তব্য লিখুন
78771
০৭ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:৪৮
YOUSUF লিখেছেন : আপনার লেখাটা পইড়া আপনার জন্যও দরদ লাগতাছে। এমন ফকিরা মার্কা লেখা আপনি লেখছেন যে আপনার জন্য করুণা না কইরা আর পারা যায়না।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:০৩
54201

হামিদুর রহমান লিখেছেন : করুনা তার জন্য করা যায় যার কিছু হারাবার ভয় থাকে। আমার কিছু হারাবার নেই। করুনা করুন আপনার আব্বা জামাতীদের জন্য। কারন এদের জন্য এখন করুনা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। এদের ফাঁসি হবেই।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০৯
54281

পলাশ লিখেছেন : হামিদুর ভাইজান মনে অনেক হিন্দি সিনেমা দেখেন, তা না হলে এ গাঁজাখুড়ি গল্প পাইলেন কই? অবশ্য প্রথমা আলু মার্কা পত্রিকায় তো জামায়াত সম্পর্কে বেশ ভালই সিনে গল্প লিখে, যা হামিদ ভাইজানদের মত লোকরা ভালই খায়, মাঝে কাঝে বমিও করে, যেমন এখানে বমি করছে!
78772
০৭ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:৪৯
আঁতেল লিখেছেন : আপনার কথাগুলো অনেকটা বাস্তবসম্মত। সেইজন্যই তো তৃণমূল মানুষের সাপোর্ট কম জামাতের। প্রথম প্রথম তারা ভাল কথা বলে কিন্তু পরে তাদের কুর্কীতিগুলি যখন ফাস হতে থাকে আর তখন জনগণ তাদের থেকে সরে যেতে থাকে। ধন্যবাদ আমার মনের কথাগুলো তুলে আনার জন্য।
০৭ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:৫৭
54199

তাসফিক লিখেছেন : মামু তোমারে একটা আতেল মনে হইতাছে কেন?
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:০৬
54202

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু মাঝে মাঝে হারিয়ে যান কেন? আমাকে মাইনাচে ভাসাইয়া দিল। খবরই নিলেন না। আবার বলেন সঙ্গে আছি। রাগ করেছি কিন্তু।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:১৭
54211

আঁতেল লিখেছেন : কি করবো বলেন জীবনে সংগ্রাম ছাড়া কিছু অর্জন করা যায় না। তাই মাঝে মাঝে জীবন সংগ্রামে খেলা করতে হয়। তাই হারিয়ে যাই।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০০
54270

পথিক লিখেছেন : আপনার উর্বর মস্তিস্কের কিছু প্যাঁচাল যা বাম (বারাকাত-মাহফুজ আনাম-মতিউর রহমান ) রা বহু আগে থেকেই বয়ান করে আসছে। অর্থাৎ পূরানি প্যাঁচাল। তবে খুশি হতাম যদি আপনার লেখায় সত্যের লেশ মাত্র থাকত। আপনার টাইটেলের সাথে লেখার কোন মিল পাইলাম না।
78773
০৭ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:৪৯
shahed লিখেছেন : পড়ে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।পিলাচ
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:০৭
54203

হামিদুর রহমান লিখেছেন : অসংখ্য ধন্যবাদ। সেই সাথে লাল গোলাপ
78774
০৭ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:৫২
মেঘ ভাঙা রোদ লিখেছেন : দেহেন দিন ভাই কল্লেন কি? এইহানে এই পোষ্ট দিছেন কিছুক্ষণ পর যখন জামাতের চেলাগুলা জানতে পারবেন্নি তখন মাইনাচে মাইনাচে সয়লাব হয়ে যাবেনি এই পোষ্ট। সব এখন ঘাপটি মেরে বসে আছে।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:১১
54204

হামিদুর রহমান লিখেছেন : কি করব ভাই মনে তো মানে না। আমার এক প্রিয় জামাত শিক্ষককে অনেক কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল তাই লিখতে পেরেছি।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০০
54271

পথিক লিখেছেন : আপনার উর্বর মস্তিস্কের কিছু প্যাঁচাল যা বাম (বারাকাত-মাহফুজ আনাম-মতিউর রহমান ) রা বহু আগে থেকেই বয়ান করে আসছে। অর্থাৎ পূরানি প্যাঁচাল। তবে খুশি হতাম যদি আপনার লেখায় সত্যের লেশ মাত্র থাকত। আপনার টাইটেলের সাথে লেখার কোন মিল পাইলাম না।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০১
54272

পাগলা কানাই লিখেছেন : জামাত নিয়ে তোর এতো গবেষনা কেন। আম্লীগ নিয়ে এ কাজটি করলেতো বাংলাদেশ ঠিকই শেখ মুজিবের সোনার বাংলা হইতো
78776
০৭ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:৫৭
দুষ্টু মেয়ে লিখেছেন : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। धन्यवाद
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:১২
54207

হামিদুর রহমান লিখেছেন : এতদিন পর শুধু ধন্যবাদ। আমাকে মাইনাচে ভাসাইয়া দিল। খবরই নিলেন না। রাগ করেছি কিন্তু।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:১৯
54216

দুষ্টু মেয়ে লিখেছেন : মাইনাস তো মাত্র ২টা। যত মাইনাস পাবেন, বুঝবেন ততো ওদের গায়ে জ্বালা ধরেছে।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০১
54273

পথিক লিখেছেন : আপনার উর্বর মস্তিস্কের কিছু প্যাঁচাল যা বাম (বারাকাত-মাহফুজ আনাম-মতিউর রহমান ) রা বহু আগে থেকেই বয়ান করে আসছে। অর্থাৎ পূরানি প্যাঁচাল। তবে খুশি হতাম যদি আপনার লেখায় সত্যের লেশ মাত্র থাকত। আপনার টাইটেলের সাথে লেখার কোন মিল পাইলাম না।
78779
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:০৩
shahed লিখেছেন : এই জামতীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা জবর দখল কইরা কাঁটাবনে তাদের ঘাঁটি বানিয়েছে।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:১৫
54209

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আমার এলাকা "দোহারে" মসজিদ ও শ্বশানঘাটের জায়গা দখল করে বাড়ী বানাইছে। জোট সরকারের আমলে।
78781
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:০৯
shahed লিখেছেন : জামাতিদের তুলোধুনো করেন তবে ইসলামের সমালোচনা করবেন না। অনেকে ইসলাম ও জামাত ইসলাম কে এক করে ফেলে।
মনে রাখবেন ইসলাম মহানবী সল্লেল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর ধর্ম। জামায়াতে ইসলামী আবুল আলা মওদূদী'র ধর্ম।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:১৮
54213

হামিদুর রহমান লিখেছেন : জামাত-শিবিরের আসল চরিত্র প্রকাশ করতেই ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা করা উচিত।
কুরআন শরীফের অনেক আয়াত শরীফে আল্লাহ পাক প্রথমে ঈমান আনার কথা এবং পরে আমলের কথা বলেছেন। ইসলাম বিদ্বেষী কাফির-মুশরিকরা তাই মুসলমানদের ঈমানী চেতনায় বিভেদ তৈরীর জন্য সদা সক্রিয়। আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ করেনঃ
“তারা পূর্ব থেকেই বিভেদ সৃষ্টির সুযোগ সন্ধানে ছিল এবং আপনার কার্যসমূহ উলট-পালট করে দিচ্ছিল।”
(সূরা তওবা ৪৮)
এক্ষেত্রে ইসলাম বিদ্বেষী কাফির-মুশরিকরা মূলতঃ মুসলমানদের থেকেই এজেন্ট তৈরী করে। যারা মুসলমানদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ইসলামী আক্বীদার মধ্যে ফিৎনা তৈরী করে। আল্লাহ পাক ও তাঁর হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্‌সাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরম দুশমন, শয়তানের শিং এবং বৃটিশের দালাল ইবনে আব্দুল ওহাব নজদী এ ধারার বিশেষ উদাহরণ। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্‌সাম, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর শান ও মানের খেলাফসহ অসংখ্য কুফরী আক্বীদার বিস্তার করেছে সে।
এরপর পাক ভারত উপামহাদেশের এ ধারার অগ্রগামী হয়েছে তথাকথিত জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী। স্বয়ং আল্লাহ পাক, তাঁর রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাহাবা কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম এবং আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম, মোদ্দাকথা ইসলামের সব অনুষঙ্গেই মিথ্যা, কুফরী ও জঘন্য সমালোচলার জাল বিস্তার করেছে এই মওদুদী।
তার সেই অসংখ্য কুফরী আক্বীদার মাত্র ৫টি ক্ষুদ্র প্রমাণ নিম্নরূপঃ
১) আল্লাহ পাক সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “যে ক্ষেত্রে নর-নারীর অবাধ মেলামেশা, সেক্ষেত্রে যেনার কারণে (আল্লাহ পাকের আদেশকৃত) রজম শাস্তি প্রয়োগ করা নিঃসন্দেহে জুলুম।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তাফহীমাত, ২য় খন্ড, ২৮১ পৃষ্ঠা)
২) ফেরেশতা সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “ফেরেশতা প্রায় ঐ জিনিস যাকে গ্রীক, ভারত ইত্যাদি দেশের মুশরিকরা দেবী-দেবতা স্থির করেছে।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তাজদীদ ও ইহইয়ায়ে দ্বীন, ১০ পৃষ্ঠা)
৩) আম্বিয়া আলাইহিমুছ ছালাত ওয়াস সালাম সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “নবীগণ মা’ছূম নন। প্রত্যক নবী গুনাহ করেছেন।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তাফহীমাত, ২য় খন্ড, ৪৩ পৃষ্ঠা)
৪) হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “মহানবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানবিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত ছিলেন না।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(তরজমানুস্‌ সুন্নাহ, ৩য় খন্ড, ৩০৫ পৃষ্ঠা)
৫) সাহাবা কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম সম্পর্কে কুফরী আক্বীদাঃ “সাহাবাদিগকে সত্যের মাপকাঠি জানবে না।” (নাঊযুবিল্লাহ)
(দস্তরে জামাতে ইসলামী, ৭ পৃষ্ঠা)
উল্লেখ্য, সব মুফতী-মাওলানাদের ইজমা তথা ঐক্যমতে উপরোক্ত আক্বীদাধারী ব্যক্তি মুসলমান নয় বরং মুরতাদ। আরো উল্লেখ্য যে, মওদুদী’র মৃত্যুর পর শিয়া সম্প্রদায়ের একটি মুখপত্রে বলা হয়েছিল, “মরহুম (মওদুদী) তার ভিন্ন আঙ্গিকে শিয়া মতবাদ প্রচলনেও সহায়তা করেছেন।”
(সাপ্তাহিক শিয়া, লাহোর, ১৯৭৯ ইং, ৫৭ সংখ্যা ৪০/৪১; খোমেনী ও মওদুদী দু’ভাই, পৃষ্ঠা ১২)
বিষাক্ত বীজ থেকে যেমন সুমিষ্ঠ ফল আশা করা যায় না তেমনি ইসলামী আন্দোলন ইত্যাদি মিষ্টি মিষ্টি কথা বললেও মওদুদী নিজেই যে কত বিষাক্ত বীজ ছিলো তা তার উপরোক্ত কুফরী আক্বীদা থেকেই সুস্পষ্টভাবে বুঝা যায়। তার উপরোক্ত আক্বীদাগুলো মুসলমানদের সাথে তার বিশ্বাসঘাতকতার স্বরূপই উন্মোচন করে। আর আল্লাহ পাক বিশ্বাসঘাতকদের সম্পর্কে পবিত্র কালামে ইরশাদ ফরমান,
“আল্লাহ পাক পছন্দ করেন না তাকে, যে বিশ্বাসঘাতক পাপী হয়।”
(সূরা আন্‌ নিসা ১০৮)
আর আল্লাহ পাক যাকে অপছন্দ করেন তার পরিণাম কি ভয়াবহ হতে পারে তা কল্পনাতীত, দুনিয়াতেও তার লাঞ্ছনা-গঞ্জনার শেষ নেই। মওদুদীকে মানুষের কাছে লাঞ্ছিত করার জন্যই আল্লাহ পাকের কুদরত প্রকাশ পেয়েছে সাবেক সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি’র কর্মকর্তা ভ্যাসিলি মিত্রোখিনের তথ্যের ভিত্তিতে বৃটিশ অধ্যাপক ক্রিষ্টোফার এন্ড্রু’র রচনায়।
“........ ইন্টারনেটে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ভ্যাসিলি নিকোতিচ মিত্রোখিন ১৯২২ সালে মধ্য রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। কাজাখ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক মিত্রোখিন ইউক্রেনের মিলিটারী প্রসিকিউটর পদে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৪৮ সালে তৎকালীন রুশ গোয়েন্দা সংস্থা এমজিবি’র ফরেন ইন্টিলিজেন্স অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। কয়েকটি অপারেশনে ব্যর্থতার পর তাকে কেজিবি’র নবগঠিত আর্কাইভ শাখার প্রধান পদে সরিয়ে নেয়া হয়।
১৯৮৫ সালে অবসর নেন মিত্রোখিন। কিন্তু ১৯৭২ থেকে ১৯৮৪ সালের মধ্যে তার তত্ত্বাবধানেই কেজিবি আর্কাইভের সব গোপন নথিপত্র লুবিয়াংকের কার্যালয় থেকে ইয়াসেনেভোস্থ কেজিবি’র প্রধান কার্যালয়ে সরিয়ে নেয়া হয়। এই সময়ের ভিতর জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তিনি বিভিন্ন গোপন দলীলের কপি সংগ্রহ করেন।
১৯৯২ সালে সদ্য স্বাধীন বাল্টিক রাষ্ট্র লাটভিয়ার মার্কিন দূতাবাসে দলীলের কপিসহ হাযির হন ৭০ বছরের বৃদ্ধ মিত্রোখিন। কিন্তু সিআইএ তার উপর ভরসা রাখতে পারেনি। এরপর তিনি বৃটিশ দূতাবাসে যোগাযোগ করেন। সে বছরই মিত্রোখিন ও তার পরিবারের সাথে ৬ ট্রাংক ভর্তি ২৫ হাজার পৃষ্ঠার নথিপত্র যুক্তরাজ্যে নিয়ে আসা হয়।
১৯৯৯ সালে লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয় ভ্যাসিলি মিত্রোখিন ও অধ্যাপক ক্রিষ্টোফার এন্ড্রু’র লেখা ‘দ্য মিত্রোখিন আর্কাইভ’ ‘দ্য এজিবি এন ইউরোপ এন্ড দ্য ওয়েষ্ট’। একই বছর নিউইয়র্ক থেকে ‘দ্য সোর্ড অব দ্য শিল্ড’ ‘দ্য মিত্রোখিন আর্কাইভ এন্ড দ্য সিক্রেট হিষ্ট্রি অব কেজিবি’।
২০০৪ সালের ২৩ জানুয়ারী মিত্রোখিন মারা যান। মৃত্যুর দেড় বছরের মাথায় মিত্রোখিন আর্কাইভ-এর দ্বিতীয় খন্ড প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে আবারো আলোচনায় ফিরে এসেছেন তিনি। মিত্রোখিনের এসব তথ্যের ভিত্তিতে লেখা বই নিয়ে প্রথমে তোলপাড় শুরু হয় ভারতে। মিত্রোখিনের সংগ্রহ করা তথ্যমতে, ৭০-এর দশকে ভারতের ইন্দিরা গান্ধী সরকারকে ঘুষ দিয়ে হাতের মুঠোয় নিয়েছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। ক্রেমলিন থেকে পাঠানো হতো স্যুটকেস ভর্তি রুবল। বইয়ে এ-ও বলা হয়েছে, অনেক সময়ই প্রধানমন্ত্রী নিজে এই অর্থের উৎস সম্পর্কে জানতেন না। কিন্তু ইন্দিরার দলীয় তহবিলের জন্য অর্থ তোলার প্রধান দায়িত্ব ছিল যার, সেই ললিত নারায়ণ মিশ্র কিন্তু আগাগোড়া জানতেন ওই স্যুটকেসগুলোর আসল ঠিকানা।
ওই অর্থের একটা বড় অংশ ইন্দিরার পুত্র সঞ্জয় গান্ধীর কাছেও পৌছাতো বলে ওই বইয়ের দাবী। বলা হয়েছে, শুধু ১৯৭৫ সালের প্রথমার্ধ্বেই কংগ্রেসের দলীয় তহবিলে কেজিবি’র পাঠানো অর্থের পরিমাণ ছিল ২৫ লাখ। বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অনেক আগেই রাশিয়ার নজরে পড়ে গিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী।
.......
............ কেজিবি’র নথিপত্রের তথ্য বলে দাবী করে এন্ড্রু’র বই জানাচ্ছে। ১৯৭৩ সালের মধ্যে অন্তত ১০টি ভারতীয় সংবাদপত্র ও ১টি সংবাদ সংস্থাকে নিয়মিত অর্থ যুগিয়েছে তারা।
শুধু ’৭২ সালেই ওই সংবাদপত্রগুলোতে কেজিবি’র ফরমায়েশ অনুযায়ী ৩ হাজার ৭৮৯টি প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে। ৭০-এর দশকে ভিয়েতনাম যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আমেরিকা-চীন ও রাশিয়া-ভারত স্পষ্টত দু’টি শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছিল। ’৭১-এর আগষ্টে ভারত রাশিয়ার সাথে একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে। তারপর দুই দেশ যৌথ বিবৃতিতে ভিয়েতনাম থেকে মার্কিন সেনা সরানোর দাবী তোলে। ........
....... পাকিস্তালের রাজনীতিতে কেজিবি’র ভূমিকা নিয়ে আছে নানা তথ্য। ১৯৭৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভূট্টোকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে জেনারেল জিয়াউল হক্ব। মিত্রোখিনের তথ্য অনুযায়ী এ সময় থেকেই কেজিবি তাদের লক্ষ্য হিসেবে বেছে নেয় ভূট্টোর ছেলে মুর্তাজাকে। আফগান গোয়েন্দা সংস্থা ‘খাদ’-এর প্রধান মুহম্মদ নাজিবুল্লাহর সাথে ঘনিষ্ঠতা ছিল মুর্তাজার। ‘খাদ’-এর মাধ্যমেই মুর্তাজার সাথে যোগাযোগ করে কেজিবি। ......
....... ১৯৮২ সালে নাজিবুল্লাহর সহায়তায় জিয়াকে হত্যার দু’টি ষড়যন্ত্র করেন মুর্তাজা। কিন্তু দু’টিই ব্যর্থ হয় পাক জঙ্গীদের সোভিয়েত অস্ত্র ব্যবহারে অনভিজ্ঞতার কারণে। ......."
এরপর এন্ড্রু ও ভ্যাসিলি মিত্রোখিনের লেখা এবং বৃটেন থেকে প্রকাশিত ‘দ্য মিত্রোখিন আর্কাইভ’ নামক ঐ বইয়ের ভলিয়্যুম-২ এ যে বোমা বিস্ফোরণ করা হয়েছে তাহলো “ধর্মীয় দল জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা আবুল আলা মওদুদী ছিলেন সিআইএ’র এজেন্ট।”
তার এই কুকর্মের আরেকটি সাক্ষী সে সময়কার করাচীর ‘শিহাব’ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক এবং জামায়াতের প্রাক্তন আমীর মাওলানা কাউসার নিয়াজী। তিনি জামায়াতে ইসলামী ও মওদুদীর তীব্র সমালোচনা করে এই তথ্য ফাঁস করে দেন যে,
“জামায়াতে ইসলামী আরবের দেশগুলোতে অবস্থিত বিভিন্ন তেল কোম্পানীর কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ সাহায্য লাভ করে আসছে।”
(পূর্ব দেশ, ২৩ ডিসেম্বর ১৯৬৯ ইং)
"সত্যই মওদুদী’র মৃত্যুর পর তখনকার দিনে (অর্থাৎ ১৯৭৯ সালে) ব্যাংকে তার নামে নগদ অর্থ যা গচ্ছিত ছিলো তার পরিমাণ ছিলো ১০,৩৭০০০ (দশ লক্ষ সাইত্রিশ হাজার) টাকা।"
(খোমেনী ও মওদুদী দু’ভাই, পৃষ্ঠা ৪৮)
একই সময় মাওলানা গোলাম গাউস হাজরবী বলেছেন,
“মওদুদী আমেরিকার স্বার্থে কাজ করছে। মওদুদী আমেরিকার এজেন্ট। তার মৃত্যু সেখানেই হবে যাদের স্বার্থে সে কাজ করছে।”
আল্লাহ পাক-এর কি অপার মহিমা! তাই-ই হয়েছে। মিষ্টার মওদুদী ১৯৭৯ সালে আমেরিকায় তার প্রভূদের কোলেই মৃত্যুবরণ করে।
মূল লেখকের লেখা।
http://www.somewhereinblog.net/blog/TUSHARZIA/29000812
78783
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:১৫
anu mullah লিখেছেন : shahed লিখেছেন : এই জামতীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা জবর দখল কইরা কাঁটাবনে তাদের ঘাঁটি বানিয়েছ।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:১৯
54214

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আমার এলাকা "দোহারে" মসজিদ ও শ্বশানঘাটের জায়গা দখল করে বাড়ী বানাইছে। জোট সরকারের আমলে।
78790
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:২২
সাহারা....... লিখেছেন : আমিরে আম সায়য়েদাতি মোরসালিন অলিয়াতি শয়তান ডিজিটালে আউলিয়া জনাবা উম্মুল ইবলিশ ওনার বাণী, (সহী ইবলিশ নামা ১-১)


০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৩০
54229

হামিদুর রহমান লিখেছেন : যা লিখেছি তার বিপক্ষে যুক্তি দেন।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০৪
54276

পাগলা কানাই লিখেছেন : শুয়োরের বাচ্চারে এবার গালি না দিয়ে পারলাম না। ডাহা মিথ্যাবাদী। মনগড়া বানোয়াট সব আবোল তাবোল কথা। বাস্টার্ড
০৮ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:৪৬
54756

হামিদুর রহমান লিখেছেন : শুয়োরের বাচ্চারে এবার গালি না দিয়ে পারলাম না। ডাহা মিথ্যাবাদী। মনগড়া বানোয়াট সব আবোল তাবোল কথা। বাস্টার্ড
এটা কোন লেখকের ভাষা ?
এটা তো অসভ্য জানোয়ারের ভাষা। আপনি কি আপনার মায়ের কুমারী বয়সের ফসল ? যদি তা না হোন তাহলে অন্যকে ভাবার কারন কি ? শুয়োরে শুয়োর চিনে সজারু চিনে কচু।
১৩ নভেম্বর ২০১০; সকাল ১১:৩১
58418

লাল বৃত্ত লিখেছেন : পাগলা কানাই। আপনি এতোটা উতলা হয়ে উঠছেন কেনো? হামিদুর ভাই বানিয়েচুরিয়ে লিখেছেন এটা নাহয় সত্য। কিন্তু তিনিতো অনেকটাই সভ্য যে কিনা একটাও গালী ছুড়েননি। আপনার আদর্শ নিশ্চই আপনাকে ধৈর্য ধরতে শিখিয়েছে।

মন্দের জবাব কেনো যে আপনার মন্দ দিয়েই দেন সেটাই বুঝে আসেনা।
১০
78792
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:২৭
পলাশ লিখেছেন : ভাল চেষ্টা, চালিয়ে যান, বারাকাত-মাহফুজ আনাম-মতিউর রমান মার্কা লেখকের অনের বই পড়েছেন। এটা ভাল লক্ষ্ন। আরও পড়াশুনা করতে হবে, তা না হলে ঞ্জান অপূর্ন থেকে যাবে যে!
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:২৯
54227

হামিদুর রহমান লিখেছেন : ভাই পাছায় কি গদাম পড়লো নাকি ?
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৫৯
54269

পথিক লিখেছেন : আপনার উর্বর মস্তিস্কের কিছু প্যাঁচাল যা বাম (বারাকাত-মাহফুজ আনাম-মতিউর রহমান ) রা বহু আগে থেকেই বয়ান করে আসছে। অর্থাৎ পূরানি প্যাঁচাল। তবে খুশি হতাম যদি আপনার লেখায় সত্যের লেশ মাত্র থাকত। আপনার টাইটেলের সাথে লেখার কোন মিল পাইলাম না।
১১
78796
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৩০
ইবনে বতুতা লিখেছেন : মাইনাচপড়ে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।আমার ব্লগ বাড়িতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদপিলাচমাইনাচআমার ব্লগ বাড়িতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদআমার ব্লগ বাড়িতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদপড়ে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।পড়ে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।আমার ব্লগ বাড়িতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদপিলাচমাইনাচমাইনাচ
১২
78797
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৩২
হামিদুর রহমান লিখেছেন : এতক্ষনে আপনার নজরে এসেছে বুঝি।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০৩
54275

পথিক লিখেছেন : আপনার উর্বর মস্তিস্কের কিছু প্যাঁচাল যা বাম (বারাকাত-মাহফুজ আনাম-মতিউর রহমান ) রা বহু আগে থেকেই বয়ান করে আসছে। অর্থাৎ পূরানি প্যাঁচাল। তবে খুশি হতাম যদি আপনার লেখায় সত্যের লেশ মাত্র থাকত। আপনার টাইটেলের সাথে লেখার কোন মিল পাইলাম না।
১৩
78799
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৩৩
shahidul mamun লিখেছেন : অনেক দিন ঘুমাতে পারি না।কারোন টা আমি জানি, সেই মানুষ গুলো ঘুমাতে পারে না যাদের স্বপ্ন অসময়ে ভেগে যায়। আপনার লেখাটি পরে মনে হলো আবার স্বপ্ন দেখে শুরু করি
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৪০
54242

হামিদুর রহমান লিখেছেন : স্বপ্নই মানুষ বাঁচিয়ে রাখে। স্বপ্ন আছে বলেই পৃথিবী এত সুন্দর।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০২
54274

পথিক লিখেছেন : আপনার উর্বর মস্তিস্কের কিছু প্যাঁচাল যা বাম (বারাকাত-মাহফুজ আনাম-মতিউর রহমান ) রা বহু আগে থেকেই বয়ান করে আসছে। অর্থাৎ পূরানি প্যাঁচাল। তবে খুশি হতাম যদি আপনার লেখায় সত্যের লেশ মাত্র থাকত। আপনার টাইটেলের সাথে লেখার কোন মিল পাইলাম না।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০৭
54279

হামিদুর রহমান লিখেছেন : বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকেই লেখা। জামাতীরা জেগে স্বপ্ন দেখে তো তাই তাদের কাছে এরকম মনে হয়। কারন তারা মিথ্যের আশ্রয় নিতে নিতে সত্যকে সহজে মেনে নিতে পারে না।
১৪
78803
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৪২
বাঙ্গাল মানুষ লিখেছেন : বাই ডিফল্ড প্লাস,
০৮ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:৪৯
54757

হামিদুর রহমান লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ
১৫
78804
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৪৪
আমার বাংলাদেশ লিখেছেন : খুব সুন্দর। বাংলা সিনেমার গল্পের মত।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:১৯
54289

সিটিজি৪বিডি লিখেছেন : ছবি বানালে হিট হবেই..
০৮ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:৫১
54760

হামিদুর রহমান লিখেছেন : এ ছবির নায়ক হতে চাইলে দেইল্লা রাজাকারের সাথে যোগাযোগ করুন।
১৬
78814
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০৩
পথিক লিখেছেন : আপনার উর্বর মস্তিস্কের কিছু প্যাঁচাল যা বাম (বারাকাত-মাহফুজ আনাম-মতিউর রহমান ) রা বহু আগে থেকেই বয়ান করে আসছে। অর্থাৎ পূরানি প্যাঁচাল। তবে খুশি হতাম যদি আপনার লেখায় সত্যের লেশ মাত্র থাকত। আপনার টাইটেলের সাথে লেখার কোন মিল পাইলাম না।
১৭
78825
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:১৯
বাচ্চা ছেলে লিখেছেন : কথাগুলো বলা উচিত। তবে আবার মনে কইরা বসেন না যে আমি জামাত সাপোর্ট করছি। আপনি ব্লগ লিখেছেন এক কেন্দ্রিক। হতে পারে আপনি জামাত পছন্দ করেন না। কিন্তু যে সকল বিষয় অবতারনা করেছেন তা জামাতের লোকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটা সব দলের মানুষেরর মধ্যেই আছে। এমন না যে শুধু জামাতের লোক চুরি করে। আওয়ামী লীগ আর বিএনপির লোকেররাও একই কাজ করে। ব্যাপারটা দলের উপর না দিয়া লোকের উপর দেয়া উচিত। আমাদের দেশে কে ধর্মকে ব্যাবহার করে না। কোন নির্বাচনের আগে সিলেটে যেয়ে মাজার জিয়ারত করে প্রচারনা শুরু করা হয়। কেউ বলে আর কী বলে না্লালাম আর মুসল্মান তো জামাতের একার সম্পত্তি না। অন্য দলেই এরা ভুরি ভুরি আছে। আর এমনো না যেয়ে তারা ধোয়া তুলসি পাতা।
--

আর একথা সবাই ভুলে যায় যে জামাত আর ইসলাম এক না। সত্য কথা বল, ভালো কাজ কর --এরকম কথা সবাই বলে--কিন্তু কতজন করে তা দেখার বিষয়। অন্য ধর্মকে আর টেনে আনলাম না। কারন আপনার লেখার বিষয়টা ইসলাম কেন্দ্রিক ছিল। জামাত কেন্দ্রিক হলে জবাব দিতাম না
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:৩৩
54293

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আপনার উপলদ্ধি টুকু শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। জামাতকে টেনে আনার কারন হলো তারা মনে করে তারাই একমাত্র ইসলামের পথে চলে। অন্যদের ইসলামের প্রতি দরদ নেই। তবে অন্য দলগুলি ইসলামকে ব্যবহার কম করে।
০৮ নভেম্বর ২০১০; রাত ০১:০৫
54548

মাসউদ লিখেছেন : @হামিদুর রহমান তবে অন্য দলগুলি ইসলামকে ব্যবহার করে নির্বাচনের সময় তারপর ইসলামের বারোটা জামাতীদের চাইতেও নিকৃষ্টভাবে বাজায়!!
১৮
78833
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:৪০
Rezaul Islam লিখেছেন : বাহ,বাহ বাহ.. জনাব হামিদুর...এসব পুরানো বয়ান আর ধোপে টিকবে না। বাংলার দেশপ্রেমিক বীর জনতা একদিন এসবের জবাব দিবে।
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:৪১
54296

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আপনি দেন না কেন ?
১৯
78834
০৭ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:৪৪
ভুলোমন লিখেছেন : অপ: টফিক - আরে মিয়া আপনি এত লিখা লিখেন ক্যামনে আলসি লাগেনা আমার দুই লাইন কমেন্ট করতেই ৩০ মিনিট এদিক ওদিক মোড়ামুড়ি করি ।
অনেক কিছু লিখার ছিল কিন্তু আলসতার কারণে হয়ে উঠেনা ।
নাকি আপনার কোনো উদ্দেশ্য আছে কিলিয়ার করেন । আপনি যদি লীগার হন তাহলে বাই ডি..... মাইনাস । আর যদি ভিকটিম হন তাহলে লিখে যান সাথে আছি ।
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:০২
54307

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আমি লীগার-ফিগার বুঝি না । আমি প্রকৃত ইসলামের পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরে যারা ইসলাম নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে তাদের আসল চেহারা প্রকৃত ইসলাম প্রেমীদের জানাতে চাই।
২০
78845
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:০১
অক্টোপাশ লিখেছেন : আপনি খুব জ্ঞানী। পড়িতে পড়িতে চক্ষে জল আসিয়া গেল। অনেকদিন এমন জ্ঞানের কথা শুনি নাই। আহা!
০৮ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:৪১
54752

হামিদুর রহমান লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ
২১
78868
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:২৪
Mozammel লিখেছেন : আপনার মত অপ্রাপ্তবয়ষ্ক লোকের ব্লগে সিনেমার কাহিনী লেখা সাজেনা । আগে বেশী করে সিনেমা দেখূন, কারণ সিনেমাতেও বাম্তবের সাথে কিছূ মিল থাকে ।
যাই হোক, আজকাল ব্লগে হিরো হবার সস্তা পথ হল এরুপ আজগুবি কাহিনী লিখা। তবে আপনি আনেক চেষ্টা সত্ত্বেও পারছেননা, কারণ আপনার লেখা প্রাপ্তবয়ষ্কদের মত নয়।
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:১১
54374

হামিদুর রহমান লিখেছেন : তোমার বয়স এখন কত ?
২২
78884
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:৪৪
ইয়াসিন এলাহি লিখেছেন : অনেক তথ্যমুলক লেখা । ভবিষ্যতে এ রকম আরো লেথা পাব বলে আশা করছি।
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:০৫
54370

Mozammel লিখেছেন : নাবালকের গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:১২
54375

হামিদুর রহমান লিখেছেন : নিশ্চয়ই পাবেন। ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
২৩
78924
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:১৯
আব্বাজানের নানার নাম জানি না লিখেছেন : পড়িলাম, জানিলাম, বড়ই পুলকিত হইলাম। জামাতিরা কত বড় ধর্ম ব্যবসায়ী তাহা জানাইয়া আমাদের বাধিত করিলেন। বুঝিলাম তাহারা ধর্ম লইয়া ব্যবসা করে বিধায় বর্জনীয়। সুতরাং সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানের উচিত ইহাদের এড়াইয়া চলা এবং দেশের একমাত্র ইসলামী দল(?) আওয়ামী লীগে দলে দলে যোগ দেয়া। অত:পর কৌতুহলবশত জানিতে ইচ্ছা হইল, আপনার অতি প্রিয়, দেশের একমাত্র(?) ইসলামী দল আওয়ামী লীগ তাহাদের দলীয় কর্মকান্ড দ্বারা ইসলামের কি কি খেদমত করিতেছে। তসবি টিপন এবং পট্টি বাঁধনের কথা আমরা জানি; উহার বাহিরে তাহাদের কর্মকান্ডের কিঞ্চিত ফিরিস্তি দিয়া আমাদের মত অধমদের কৌতুহল নিবারণ করিবেন বলিয়া আশা প্রকাশ করিতেছি।
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:২৩
54385

আব্বাজানের নানার নাম জানি না লিখেছেন : আপনার ফিরিস্তি নির্মাণে কিঞ্চিত সহায়তা করি। নিচের লিংকে একখানা পুস্তক পাইবেন। উহার ১৫০ তম পৃষ্ঠায় ধর্মীয় কর্মকান্ডের কিছু বর্ণনা পাইবেন।
http://www.bdbooks24.co.cc/2010/02/download-amar-fashi-chai-by-motiur.html
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:৩২
54411

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আপনি তো সব জায়গায় বাম হাত খানা আগেই ঢুকাইয়া দেন। আপনার তথ্যমূলক,জ্ঞানগর্ভ লেখা তো এখন পর্যন্ত চোখে পড়ল না। পারলে যুক্তি খন্ডন করুন। সত্য তুলে ধরুন। বিরোধীতার স্বার্থে বিরোধীতা করব না। স্বাগত জানাব।
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:৩৭
54413

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আপনি এটি পড়লে জামাতীদের আসল চরিত্র আরো জানতে পারবেন।
http://www.bdbooks24.co.cc/search/label/Humayun%20Azad
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ১১:০৪
54484

আব্বাজানের নানার নাম জানি না লিখেছেন : আমার হস্তের প্রতি আপনার আগ্রহ দেখিয়া গর্বিত বোধ করিতেছি। উহা আপনার চিত্তে চাঞ্চল সৃষ্টি করিয়া চলিয়াছে দেখিয়া সমধিক প্রীত বোধ করিতেছি। যাহাই হোক, ভাবিয়াছিলাম জামাতের কুকর্মের লিস্টির পাশাপাশি আওয়ামী লীগের দ্বীনি কর্মকান্ডের ফিরিস্তিও জানিতে পারিব; তাহা না দেখিয়া কিঞ্চিত অস্থির বোধ করিতেছি।
পরিশেষে, বিশিষ্ট বোতল বিশারদ হুমায়ুন আজাদ আপনার প্রিয় লেখক, ইহা জানিয়া আনন্দিত হইলাম।
০৮ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৪১
54955

মাসউদ লিখেছেন : হামিদ ভাইরে চেতাইয়েন @আব্বাজানের নানার নাম জানি না কারণ তিনি আম্লীগ করেন না ইসলামের খেদমত হেতু জামাতীদের স্বরুপ বুন্মোচন করনার্থে ''ওলিমালীগ'' করেন।
০৮ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:১৪
54984

আব্বাজানের নানার নাম জানি না লিখেছেন : মাসউদ ভাই, আমি জামায়াতের পক্ষে বলি নাই বা তাদের কর্মকান্ড ডিফেন্ড করার চেষ্টাও করি নাই; কেবল জানতে চাইছিলাম ওনাদের ওলামা লীগ ইসলামের কি খেদমত করছে। উত্তরে উনি আমাকে হুমায়ুন আজাদের বই refer করেছেন।
২৪
78934
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৪৪
nangalkort লিখেছেন : আপনার উর্বর মস্তিস্কের কিছু প্যাঁচাল যা বাম (বারাকাত-মাহফুজ আনাম-মতিউর রহমান ) রা বহু আগে থেকেই বয়ান করে আসছে। অর্থাৎ পূরানি প্যাঁচাল।
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:২৮
54409

হামিদুর রহমান লিখেছেন : নতুন আপনি জানলে আমাদের নজিহত করেন।
২৫
78938
০৭ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৫৬
Shantonu Shaha লিখেছেন : মুসলমানেরা ধর্ম ব্যবসায়ী তারা ধর্ম নিয়া ব্যবসা করে সুতরাং সকল মুসলমানের উচিত হিন্দু ধর্মে দলে দলে যোগ দেয়া।
धन्यवाद
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:২২
54404

হামিদুর রহমান লিখেছেন : সাহা সময় থাকতে ইসলামের রাস্তায় নাম লেখান। হিন্দু ধর্মের তো কোন ভিত্তি নেই।
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:২৫
54405

Shantonu Shaha লিখেছেন : মুসলমান ধর্মের কোন ভিত্তি নেই.
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:২৭
54408

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আরে আবালের আবাল কোরআনই মুসলমানের মূলভিত্তি।
২৬
78950
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:২০
aman লিখেছেন : আপনি মনে হয় একসময় জামাতের নমক খাইতেন,এখন নিমকহারামী হয়েগেছেন।
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:২৬
54406

হামিদুর রহমান লিখেছেন : জামাতের নিমক খাইনি কিন্তু জামাতী একজন প্রিয় শিক্ষককে অনেক কাছ থেকে দেখার ও জানার সৌভাগ্য হয়েছিল। তিনি অনেক চেষ্টার পরও আমাকে জামাত বানাতে পারেনি।
২৭
78970
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:৩০
দুষ্টু মেয়ে লিখেছেন : ধন্যবাদ জামাতীদের দৌড়ের উপর রাখার জন্য। চালিয়ে যান।
১১ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৩১
57353

কালের কন্ঠ লিখেছেন : এত খূশীর কি আছে? জামাতের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়াতে গিয়ে নিজেই সে হিংসায় মরছেন।
২৮
79012
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৯:২১
ইসলামের সৈনিক লিখেছেন : হামিদুর রহমান ভাই,
কেমন আছেন? মতপার্থক্য থাকা খারাপ কিচু না। বরং, মতপার্থক্য না থাকাই দূষণিয়।

তবে, জামায়াত যদি রাসুল (সাঃ)এর পদাংক অনুসরণ করে রাজনীতি করে তাহলে কি আপনি তাদেরকে সহযোগিতা করবেন? মানে সাপোর্ট দেবেন?
০৮ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:৩৯
54749

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আপনি যেমন ইসলামের সৈনিক আমিও তাই। ইসলামের সৈনিক হতে কোন রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন হয় না। নিজের ইচ্ছা শক্তিই যথেষ্ট। আর জামাতের কোন নেতাই রাসুল (সাঃ)এর পদাংক অনুসরণ করে না। এরা ধর্মকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে। যারা জামাতের রাজনীতি করে না তারা কি সবাই ইসলামের শত্রু ?
২৯
79020
০৭ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৯:৩৯
ভুলোমন লিখেছেন : মুসলমান ধংসের মূল কারণ নিজেদের মধ্যে প্যাচ লাগানো ।
আজকে জামাতের কারণেই হয়তো সানটনু সাহার এমন মন্তব্য পড়তে হল ।
Shantonu Shaha লিখেছেন : মুসলমানেরা ধর্ম ব্যবসায়ী তারা ধর্ম নিয়া ব্যবসা করে সুতরাং সকল মুসলমানের উচিত হিন্দু ধর্মে দলে দলে যোগ দেয়া।
धन्यवाद
০৮ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:২৬
54938

মাসউদ লিখেছেন : আপনি আসলেই ভুলো মন আপনাকে তো আমি কিছু বলিনি? বরং আপনিই ভুল করেফেলেছেন। কারন জবাব তো আপনারে দেইনি। যা হোক ভাল থাকুন!!!
৩০
79175
০৮ নভেম্বর ২০১০; রাত ০১:১১
মাসউদ লিখেছেন : আপনি ভাই মনে হয় আপনার এ পোষ্টের রেজাল্ট Shantonu Shaha-র কাছে পেয়েছেন!! এ আত্মঘাতী খোচাখুচি করে আর কতদিন আমরা ইসলামের খেদমত করবো ভাই? লজ্জা লাগে এরকম পরিস্থিতিতে নিজকে ও আপনাকে একজন মুসলিম হিসাবে ভাবতে!!
০৮ নভেম্বর ২০১০; সকাল ১১:৩৫
54710

ভুলোমন লিখেছেন : পোষ্ট টা তো আমার না ভাই । নিজেরা নিজেরা কামরা - কামরি করলে Shantonu Shaha র এমন মন্তব্য অস্বাভাবিক না ।
এখনো সময় আছে শুধরানোর ।
০৮ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:৫৭
54765

হামিদুর রহমান লিখেছেন : মাসউদ ভাই, ধর্মকে ব্যবহার করে একমাত্র জামাতই প্রথম রাজনীতি শুরু করে ধর্মকে বির্তকিত করে তুলে। তারপর সেই ধারাবাহিকতায় অন্যান্য ধর্মীয় রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি ।
০৮ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৩০
54941

মাসউদ লিখেছেন : @ হামিদ ভাই আমি যেটা বলতে চাচ্ছি সেটা থেকে পিছলাইলেন ক্যান?
০৮ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৩৬
54949

মাসউদ লিখেছেন : আমি তো কে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে আর করে না সেটা বলিনি। আমার মন্তব্যটা আপনার মত চালাক ব্লগার না বোঝার চিজ নয়!! পিছলাইলেন কেন? আমার মন্তব্যটা যদি না বুঝেন তাহলে বুঝবো আপনার আর Shantonu Shaha এর মন্জিলে মকসুদ একটাই!!!
৩১
79271
০৮ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৪:৪০
তরিকুল ইসলাম লিখেছেন : @ দুষ্টু মেয়ে, জামায়াতীরা তো তোমাগো প্যান্ট খুলে হাতে ধরায় দিতাছে। তাই নিজের প্যান্ট সামলাও।
০৮ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০১:০০
54769

হামিদুর রহমান লিখেছেন : নিজের চরকায় আগে তেল দেওয়া উচিত। আগে নিজের প্যান্ট ধরে রাখ। তা নাহলে প্যান্টের সাথে আন্ডারওয়ারটাও যাবে। তখন জন্মদিনের পোষাক পড়ে রাস্তায় ঘুরতে হবে।
৩২
79498
০৮ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০২:০৩
ইসলামের সৈনিক লিখেছেন : না ভাই,
আমার জানামতে জামায়াতে ইসলামী তাদের দল না করলে কাউকে তাদের কিংবা ইসলামের শত্রু বলে না। আপনি তাদের দল না করেও তাদের বিরুদ্ধে অযথা কিছু না বললে তারা আপনাকে তাদের লোক মনে করবে। এটা আমার বিশ্বাস।
৩৩
79624
০৮ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:৩৭
বাচ্চা ছেলে লিখেছেন : জামাতে ইস্লামি তো আর কুরান শরিফ না যে তাতে কোন ভুল থাকবে না। তাদের মধ্যেও ভুল থাকা খুবই স্বাভাবিক। আমার কাছে ব্যাপারটা এই রকম----- সবাই চুরি করে ,সমস্যা নাই। কিন্তু দাড়ি টুপি পরে চুরি করলে খারাপ বেশি লাগে। এইটা আমার নিজস্ব ভাবনা।মনে হয় এই জন্য জামাতে ভুল ত্রুটি বেশি চোখে পরে, কারন তারা নিজের ইস্লামের রক্ষক মনে করে।য়ারো একটা উধাহরন দেই--- রাস্তায় বা পার্কে অনেক ছেলে মেয়ে দেখা যায়,প্রেম পিরিতী , জড়াজড়ি করে ঘুরে বেরায়।এসব দেখে আমরা অভ্যস্ত। চোখেও তেমন লাগে না। কি্নতু কোন বোরকা পরা মেয়েকে বা দাড়ি টুপি পরা ছেলেকে এইসব করতে দেখলে চোখে । বাধে।
০৮ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:১০
54982

হামিদুর রহমান লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ
৩৪
79813
০৮ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৯:২৬
Jafar লিখেছেন : হুমায়ন আজাদ স্যারের কিছু বই পড়ে লিখলে আরো তথ্য সমৃদ্ধ হতে পারতো। এমন লেখা আরো বেশি বেশি লেখেন।
০৯ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০২:০৭
55556

হামিদুর রহমান লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
৩৫
79833
০৮ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৯:৫৫
ভাবুক ভাই লিখেছেন : আপনি জামাত সম্পর্কে বেশি কিছু জানেন বলে মনে হয় না। অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী।
০৯ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০২:০৮
55557

হামিদুর রহমান লিখেছেন : ভাবুক কি সব জানে ?
৩৬
82044
১১ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৬:৩২
সাইফুল্লাহ লিখেছেন : কি আর বোলবো আপনারা ধার্মীকদের বিরুদ্ধে কথা বল্যেই মনে করে বড় বুদ্ধিজিবী হয়ে গেছেন!
আল্লাহ আমাকে ও আপনাকে হেদায়েত দিন!
আল্লাহ খুব ভাল করে জানেন কারা সত্যের পথে আছে!
আল্লাহ খুব তাড়াতাড়ি প্রতিদান দিবেন যার জন্য কাজ করছি আমরা ও আপনারা!

শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না।
সূরা মুলক: ১০
৩৭
82529
১১ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:২৯
কালের কন্ঠ লিখেছেন : অস্ত্র ব্যবসা, কন্ট্রাক কিলিং, বস্তিতে বস্তিতে মাদক সরবরাহ, বার্মা সীমান্তের অবাধ চোরাচালান, মধ্যপ্রাচ্যে "নারী মাংস" সরবরাহ ইত্যাদি এবং এসব কিছুই হয়ে থাকে 'পবিত্র ইসলামের" নামে।

আপনার এ দাবী যদি সত্য হয়(?), তাহলে খোদার গজব 'জামাত শিবিরের উপর পড়ুক'। আর যদি সত্য না হয় তাহলে আপনার উপর পড়ুক যিনি জামাত শিবিরের মত ইসলামী দলের উপর মিথ্যা দোষারুপ করেছেন।

এর বেশী কিছু বলার নেই।
৩৮
83892
১৩ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০২:৪৭
জাতীর নানা লিখেছেন : গাজায় মনে হয় টান আজ বেশী দিয়া ফেলছ নাতি ,,,,,,,,,,
৩৯
83975
১৩ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৪:১৬
মৌমাছি লিখেছেন : আপনার লেখায় প্লাস দিতাম যদি যা কিছু লিখেছেন ''প্রমান'' শ দিতেন।
৪০
84709
১৪ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০১:৫৮
আয়নাশাহ লিখেছেন : হামিদুর রহমান একজন বড় ব্লগার। তার সাথে তর্ক করা বেয়াদবি হবে। তিনি ইসলাম নিয়ে এবং জামাত নিয়ে অনেক গবেষনা করেছেন। তিনি আবিদ রহমান সহ দেশ বিদেশের বড় বড় বুদ্ধিজীবীর লেখা নিয়মিত পড়েন এবং এনিয়ে গবেষনা করেন। তিনি যেহেতু একজন ইসলামী গবেষক, সুতরাং তার সাথে তর্ক করবেন না। তিনি একজন ডাক্তারও বটেন। শুনেছি তিনি সৌদী আরবে থাকেন এজন্য তিনি ইসলামের যাবতীয় বিষয়গুলি ভেতর থেকে দেখেছেন। এ ছাড়াও তিনি তার এক জামাতী শিক্ষককে একান্ত কাছ থেকে দেখেছেন। সুতরাং তিনি জামাতের অন্তর এবং বাহির অত্যন্ত ভালভাবে জেনেছেন। জামায়াত কি কি করে তাও তিনি নিজেই দেখাছেন।
এইজন্য আমরা তাকে সবচেয়ে বড় ব্লগার হিসেবে মনোনীত করেছি।
আসুন, তার সম্মানে আক আমরা কিছু একটা করি। আপনারাই বলুন, কি করা যায়?
কি বলেন জনাব হামিদুর ভাই?
১৪ নভেম্বর ২০১০; রাত ১১:৪৫
59559

হামিদুর রহমান লিখেছেন : বাশ দিবেন না মালা দিবেন সেটা আপনাদের ব্যাপার। তবে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমন করা ঠিক না। কিছু কিছু ব্লগার যে ভাষা ব্যবহার করে তাতে ব্লগ ছেড়ে দিতে মন চায়। আর আমি কিন্তু কাউকে বেয়াদব বলিনি। অনেক দিন পর আপনার দেখা পেলাম। কেমন আছেন ?
৪১
87811
১৮ নভেম্বর ২০১০; রাত ১১:৫৫
M.M.Rahman লিখেছেন : "অমানুষে মানুষ নিন্দে, কাকে নিন্দে গাঙ, বনের বাঁদর নিন্দে আসমানের চাঁদ"
২০ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:২১
62553

হামিদুর রহমান লিখেছেন : রতনে রতন চিনে, সজারু চিনে কচু।
৪২
87855
১৯ নভেম্বর ২০১০; রাত ১২:৫৬
আল হারিরি লিখেছেন : দেওবন্দ নিয়ে কি যেন বল্লেন বুযলাম না,জামাত বিরোধিতা করতে গিয়ে আলেম সমাজের মুল ধারাকে মওদুদিদের সাথে মিলিয়ে ফেল্লেন কিনা? আমরা যাদের কাছ থেকে ইসলাম পেয়েছি দেওবন্দি আলিমরা তাদের অন্যতম,জামাতিদের কে নিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ
২০ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:১৮
62552

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আমার ব্লগ বাড়িতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
৪৩
88791
২০ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:৪১
M.M.Rahman লিখেছেন : হাতী,ঘোড়া সবই তল, চামচিকা বলে কতো জল।
২০ নভেম্বর ২০১০; দুপুর ০৩:৫৫
62677

হামিদুর রহমান লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ
৪৪
88842
২০ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:০১
M.M.Rahman লিখেছেন : খোশ আমদেদ
৪৫
88864
২০ নভেম্বর ২০১০; বিকেল ০৫:২৫
ব্রিগেডিয়ার আলফা লিখেছেন :


মহামান্য মাননীয় জাতীয় চূরা তারেক চুরার অশুভ জম্নদিনে রেড আর্মির গদাম সহকারে শুভেচ্ছা
২০ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:০৯
62793

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আমার ব্লগ বাড়িতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ
৪৬
88930
২০ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৬:৩৬
Supta Sabuz লিখেছেন :
নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে মন্তব্যটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে
২০ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:১২
62794

হামিদুর রহমান লিখেছেন : সত্য কখনো চাপা থাকে না। যতই ঢাকার বাহানা করুন না কেন ?
৪৭
88990
২০ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৩২
Supta Sabuz লিখেছেন :
নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে মন্তব্যটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে
২০ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৩৮
62813

হামিদুর রহমান লিখেছেন : যারা অন্তহীন সমস্যায় নিন্মজিত। সে কিনা অন্যের সমস্যা ধরিয়ে দেয়। বড়ই হাস্যকর।
৪৮
89007
২০ নভেম্বর ২০১০; সন্ধ্যা ০৭:৫৬
Supta Sabuz লিখেছেন :
নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে মন্তব্যটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে
২০ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৮:০৫
62831

হামিদুর রহমান লিখেছেন : মানুষ স্বপ্ন দেখে ঘুমিয়ে বাস্তবায়ন করে জেগে। আপনার মতো জ্ঞানপাপীরা জেগে স্বপ্ন দেখে ঘুমিয়ে বাস্তবায়ন করতে চায়। এটাই সমস্যা।
৪৯
89053
২০ নভেম্বর ২০১০; রাত ০৯:১৫
rashid লিখেছেন : আপনার কথার কিছু কিছু দিক হাস্যকর মনে হলো। জামাত ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে, বুঝলাম আপনি কি কোরান থেকে রাজনীতি আলাদা করতে চান? প্রক্‌ত ইসলাম কি একটু ব্যাখ্যা করবেন কি? ইসলামে কোন জিনিসটি কম আছে অথবা বেশি আছে? ধর্ম ও রাজনীতি দুটো কি আলাদা জিনিস? জানালে খুশি হবো।

আর নিচের এই লিখাটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য চাই। তাহলে বুঝবো ইসলাম সম্পর্কে আপনার কতটুকু দরদ আছে?
......।প্রথমেই বলে রাখি, আমি অমুসলিম নই এবং নাস্তিকও নই। ধর্ম-কর্ম নিয়মিত না করলেও কিছু কিছু করি। যে প্রশ্নটি করতে যাচ্ছি, তা অনেকেরই মনের প্রশ্ন, অনেকের কাছেই শুনেছি। কোন উত্তর পাই নি। এই ব্লগটাতে যেহেতু ইসলামি পন্ডিতদের উৎপাত বেশী, তাই তাদের কাছে প্রশ্নটা করছি। দেখি কোন জবাব পাওয়া যায় কিনা।

ইসলাম ধর্মে বলা হয়েছে, হযরত ইব্রাহিম (আ তার ছেলে ইসমাঈল (আ কে আল্লাহর নির্দেশে জবাই করার সময় আল্লাহ তার পরিবর্তে দুম্বা জবাই করে দেন। একটি শিশুকে জবাই করতে বলা কোন ধরণের মানবিকতা? আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করুন। এই ইসমাঈল (আ কেই কিন্তু তিনি মরুভূমিতে তার মায়ের সাথে একাকী ফেলে এসেছিলেন। বিষয়টির ব্যাখ্যা কি? একজন নবী কিভাবে এধরণের কাজ করতে পারেন? এক সতীনের পরামর্শে আরেক সতীনের ছেলেকে হত্যা করার যে সব পুরাতন কাহিনী রয়েছে, এটাকে তো সেগুলোর মতই মনে হয়।

আমি ধর্মকে হেয় করতে এই প্রশ্ন করিনি। কোরান শরীফে তো আল্লাহ বলেছেন, তোমনা না জানলে যারা যানে তাদের কাছ থেকে জেনে নাও। আশা করি ভুল বুঝে আমাকে কতল করার উদ্যোগ নিবেন না।
৫০
89249
২১ নভেম্বর ২০১০; রাত ০১:৩৭
আল হারিরি লিখেছেন : ভাই জামাতিদের ব্যপারে ম্যলা আভিগগতা হজম হইতেছেনা আবার সময়ের আভাবে লিখতেও পারতেছিনা,আপনি ভাই লিখুন,আর জাতির অর্থ,ইমান আমল এই চোর বদমাসদের হাত থেকে বাচান,বিদেশে নিজে দেখেছি মসজিদ বানানোর জন্য আর গরিবদের কথা বলে সরল মানুষের পকেট কাটতে,অথচ টাকা নিয়া সেই মানুষ গুলোর বিরোদ্বে মসজিদে বসে মসকারি করে,হারামি বেইমানদের চেহারা খুলে দেন আমরা আপনার সাথে আছি,জেনে রাখবেন দেওবন্দি আলেমদের কারনেই ওরা উদের আসন পোক্তা করতে পারেনা তাই দেওবন্দিরা ওদের একনম্বর দুশমন,এরা জাম্মাতিদের আসল চেহারা চিনে,দির্ঘজিবি হোন
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১১; সন্ধ্যা ০৬:০৪
136374

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আমার ব্লগ বাড়িতে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ।
৫১
175841
১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১১; বিকেল ০৪:২৩
সপ্ন লিখেছেন : এত কাহিনী না কইরা কইয়া দেন বাংলাদেশে এই পর্যন্ত যত আকাম হইছে এবং ভবিষ্যতে ও যা হইব সব জামাত করছে।
১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১১; দুপুর ০১:০০
139023

হামিদুর রহমান লিখেছেন : আপনার অনুমান মিথ্যা নয়।
৫২
177555
১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১১; রাত ১২:৫৪
হাবিব গাজী লিখেছেন : হামিদ মামু, আপনার লেখা সবটুকু পড়ার টাইম পাই নাই তবে যেটুকু পড়েছি এতেই বুঝা গেছে আপনি বুশ পন্থি.।সারা বিশ্বে যারা ইসলামের বিজয় ঠেকাতে কোমড় বেধে লেগেছে তাদের দলের আপনি একজন সদস্য।নয়তো এত ডাহা মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন উক্তি আপনি কিভাবে লিখতে পারলেন?
১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১১; দুপুর ০১:০৩
139028

হামিদুর রহমান লিখেছেন : মামু আপনার মতো কাঠ মোল্যা গোছের মামুরাই ইসলামের বারোটা বাজাইতেছে। না বুঝে না পড়েই মন্তব্য করে বসে। আগে বুঝুন জানুন তারপর মন্তব্য করুন।
৫৩
576128
২৪ ডিসেম্বর ২০১১; রাত ১১:১৩
মোমের মানুষ লিখেছেন : হামিদ ভাই আন্তরিক ধন্যবাদ এমন একটি লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।বিভিন্ন রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে-অপ্রকাশ্যে ইসলামের যতুটুকু খতি করেছে, জামাত আংশিক খমতায় এসে একাই প্রকাশ্যে সবচেয়ে বেশি করেছে
২৬ ডিসেম্বর ২০১১; রাত ১০:২৮
564188

হামিদুর রহমান লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ ভাই।
৫৪
583562
২৯ ডিসেম্বর ২০১১; রাত ১১:০৮
সাইদুল ইসলাম সাইদ লিখেছেন : পলাশ লিখেছেন : হামিদুর ভাইজান মনে অনেক হিন্দি সিনেমা দেখেন, তা না হলে এ গাঁজাখুড়ি গল্প পাইলেন কই? অবশ্য প্রথমা আলু মার্কা পত্রিকায় তো জামায়াত সম্পর্কে বেশ ভালই সিনে গল্প লিখে, যা হামিদ ভাইজানদের মত লোকরা ভালই খায়, মাঝে কাঝে বমিও করে, যেমন এখানে বমি করছে!
মন্তব্য লিখতে লগইন করুন
হামিদুর রহমান
ভালবাসাহীন হাজার বছর আমি চাইনা। চাই একটুখানি জীবন কিন্তু ভালবাসা, মায়া-মমতা,স্নেহের আবেগে পরিপূর্ণ এক সুন্দর পৃথিবী। যেখানে থাকবে ভালবাসার গভীরতা। থাকবে না, না পাওয়ার কষ্ট এবং হতাশা। থাকবে শুধু পরিপূর্ণ জ্যোসনার আলো।
 
লেখকের অন্যান্য লেখা