قَدْ كَانَتْ لَكُمْ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ فِي إِبْرَاهِيمَ وَالَّذِينَ مَعَهُ إِذْ قَالُوا لِقَوْمِهِمْ إِنَّا بُرَآءُ مِنكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّـهِ كَفَرْنَا بِكُمْ وَبَدَا بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةُ وَالْبَغْضَاءُ أَبَدًا حَتَّىٰ تُؤْمِنُوا بِاللَّـهِ وَحْدَهُ
তোমাদের জন্যে ইব্রাহীম ও তাঁর সঙ্গীগণের মধ্যে চমৎকার আদর্শ রয়েছে। তারা তাদের সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ তোমাদের সাথে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার এবাদত কর, তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। আমরা তোমাদের মানি না। তোমরা এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করলে তোমাদের মধ্যে ও আমাদের মধ্যে চিরশত্রুতা থাকবে। (60:4)
ক'দিন আগে চরমোনাইয়ের পীরের মুরিদদের বাঁশে উঠার ভিডিওটা নিয়ে বেশ বিনোদিত হইছিলাম। আইজকে নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের এক বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান ছোট ভাইয়ের ফেইসবুক স্ট্যাটাস দেইখা বেশ মজা পাইলাম। মজাটা আপনাদের সাথে শেয়ার করি। সে একটা ভিডিও পোস্ট করছে। তবে তার আগে লিখেছেঃ
I don't always party, but when I do, it's like this.
LOL. May Allah guide these lost souls and I also thank Allah for this wonderful laugh.
...
মৃত্যু শয্যায় শায়িত আবূ সুলায়মান খালিদ ইবন ওয়ালিদ [রাদিয়াল্লাহু আনহু]। তিনি আফসোস করছিলেন শতাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেও তিনি শহীদ হননি বলে। তাঁর শরীরের এমন কোন অংশ ছিলনা যাতে তীর, তলোয়ার, বর্শা বা অন্য কোন অস্ত্রের আঘাত লাগেনি। তিনি আজ নিজের ঘরে মৃত্যু শয্যায়। অথচ যুদ্ধের ময়দানকে তিনি তাঁর নিজের ঘরের চেয়েও বেশী পসন্দ করতেন। তাঁর আফসোস ময়দানে শহীদ না হওয়ার জন্য। কিন্তু হে আবূ সুলায়মান, আপনিতো আল্লাহর তলোয়ার। প্রিয় নেতা, প্রিয় হাবীব (সঃ) আপনাকে আল্লাহর তলোয়ার ঘোষণা করেছেন।...
আগে একটা ফোরামে কিছু ভাইয়েরা দাড়ি রাখার ব্যাপারে আমার মতামত জানতে চেয়েছিলেন। এই ব্লগেও দাড়ি রাখা নিয়ে বেশ কয়েকটা পোস্ট এসেছে এবং আমাকেও এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কোথাও মন্তব্যও করেছি। তবে এব্যাপারে বিস্তারিত লিখা জরুরী মনে করলাম। তাই আগের ফোরামে দেয়া জবাবটার একটা পরিমার্জিত রূপ নীচে দেয়া গেল।
পুরোনোদের ভীতি প্রদর্শনের কারণে কোর্স নিতে একটু ঝামেলা হল। পসন্দমত কোর্স না পেয়েই ওগুলো নিয়েছিলাম। অধ্যাপকরা কেউই পরিচিত নন। সুতরাং তাঁরা কীভাবে গ্রেড দেন তাও জানা নেই। রেজিস্ট্রেশন কনফার্মেশন স্লিপ পাওয়ার আগেই ক্লাস শুরূ হয়ে গিয়েছিল। তাই কিছু কিছু ক্লাসে পরীক্ষামূলক যোগ দেয়া শুরূ করলাম। আমি যেহেতু কমিউনেকশন মেজর তাই তাই সাইয়েদ শওকত আলী শাহের ক্লাসে গেলাম Reporting and Writing for Mass Media -1 দেখতে। বন্ধুবৎসল মনে হল এক আফগান ছেলেকে। সে সাবধান...
জাহাঙ্গীর নগরের পাঠ চুকিয়ে ফেলেছি একেবারেই। ওখানে আর যাবার ইচ্ছে নেই। ওখানে যদি আবার যাইও তাহলে একাডেমিক দুটি বছর হারিয়ে যাবে। সিদ্ধান্ত নিলাম প্রাইভেট বি,এ, পরীক্ষা দিয়ে দেব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এরপর পসন্দ মত একটা বিষয়ে মাস্টারস করা যাবে। এদিকে কিছু শুভাকাংখীরা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য আমাদের জন্য উপযাচক হয়েই চেষ্টা শুরু করে দিলেন। ঢা,বি,র ১৯৯০ এর বি,এ, পরীক্ষা ’৯১ তে হল। প্রথম বিভাগে পাশ করলাম ও সম্মিলিত মেধাতালিকায় তৃতীয়ও হলাম। অনেকে এবার ধরলেন বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে দিতে। কিন্তু সরকারী চাকরীর ইচ্ছে না থাকায় বাদ দিলাম। এদিকে আবার খবর আসল ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে [মালয়েশিয়া] আমাদেরকে মধ্যবর্তী ইনটেকে গ্রহণ...
‘আমর ইবন মায়মূন [রাঃ] বর্ণনা করেনঃ
যেদিন উমর ইবন আল-খাত্তাব [রাদিয়াল্লাহু আনহু] কে মদীনাতে ছুরিকাহত করা হয় তার কয়েকদিন আগে আমি তাঁকে দেখেছি। তিনি হুজায়ফা ইবন আল-ইয়ামান [রাঃ] ও উসমান ইবন হুনায়ফের [রাঃ] সাথে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং তাঁদেরকে বলছিলেন, “তোমরা কী করেছ? তোমরা কি মনে করোনা যে তোমরা জমীন [মানে ইরাক] যা বহন করার সাধ্য রাখে তার চেয়ে...
আমি একবার এক মসজিদে আলোচনা করছিলাম সীরাতুন্নবীর (সঃ) উপর। আলোচনা প্রসঙ্গে রসূলুল্লাহর (সঃ) ইন্তিকাল/মৃত্যুর কথাটাও বলেছিলাম। আলোচনা শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে আমার হাতে একটা চিরকুট আসল যাতে লিখা ছিল “আপনি কোন সাহসে রসূলুল্লাহকে (সঃ) মৃত বলেন?” আমি বেশ আশ্চর্য হলাম এ ধরণের প্রশ্নে। আমার জানা ছিল যে বাংলাদেশে এক গ্রুপের লোকেরা রসূলুল্লাহকে (সঃ) মৃত বলাকে জঘণ্য বেয়াদবী ও দীন থেকে খারিজ হয়ে যাওয়া মনে করে। কিন্তু আমার জানা ছিলনা যে যাদের সামনে আলোচনা করছিলাম তাদের মধ্যেও এমন মানুষ আছেন।
কয়েকদিন হল ব্লগে কয়েকটা লিখা এসেছে আল্লাহর পরিচয় কেন্দ্রিক। এ নিয়ে অন্তত দুটো পালটা-পালটি পোস্ট আমার চোখে পড়েছে - জনাব আব্দুল্লাহ শাহেদের একটি ও "রহমানের" একটি। একসময় সামুতে লিখতাম। তখন সেখানেও আল্লাহকে নিয়ে অনেকে লিখালিখি করতেন, বিশেষ করে নাস্তিকরা। তারা আল্লাহ সম্পর্কে উল্টা-পাল্টা কথা বলে মানুষের মনে সন্দেহ তৈরী করত। এরকম একটা বিষয় ছিল আল্লাহর লিঙ্গ সংক্রান্ত। আর আমাদের আলোচ্য দুই পোস্টের বিষয়াবলী হল কুরআনের মুতাশাবিহাত আয়াত সংক্রান্ত - বিশেষ করে আল্লাহর সিফাত সংক্রান্ত। সেখানে নাস্তিকদের এক পোস্টের জবাবে লিখেছিলাম নীচের লিখাটা এখন থেকে প্রায় সাড়ে চার বছর আগে। নীচে ইষৎ সম্পাদিত আকারে পুনরায় প্রকাশ...
গতকাল [বাংলাদেশ সময়ঃ ২৯ মার্চ ২০১২; সন্ধ্যা ০৬:০৫] ব্লগার “আরবী শেখার আসর” এর এক পোস্টে অন্য এক ব্লগার নীচের মন্তব্যটা করেছেনঃ “এসব শিখে কি হবে? পেটে কি কারো ভাত পড়ে? এসব পড়ে তো সবাই অন্যে দান দক্ষিণাতে বাঁচে।” তার এই মন্তব্যটা দেখে কিছু কথা মনে পড়ে গেল।
আমি আমাদের স্কুলের সব ক্লাসে [৬-১০] প্রথম ছিলাম। এরপর ভাল কলেজে [চট্টগ্রাম কলেজ] পড়েছি। তারপর বাংলাদেশের তিন-তিনটা বিশবিদ্যালয়ের ছাত্র হয়েছিলাম, যদিও ডিগ্রী নেয়া হয়েছে শুধু একটা থেকে। অবশ্য ওখানে...
একটা সময় ছিল যখন দেশ ছেড়ে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা মানে বাংলা লিখালিখির সাথে মোটামুটি ইতি টানা। অবশ্য বাংলাদেশী কোন বড় কমিউনিটি কোথাও থাকলে কথা বলা এবং বই পড়ার সুযোগ থাকে। কারো কারো অবশ্য সাথে করে নিয়ে আসা ব্যক্তিগত কিছু বাংলা বইয়ের কালেকশন থাকে।
তবে বাংলায় চিঠি লিখা হত মা’র কাছে বা অন্য কোন আত্মীয় বা বন্ধুর কাছে। বেশ আগ্রহ নিয়ে
এজন্য চিঠির বাক্সও চেক করা হত রীতিমত। কেউ কেউ আবার দেশের পত্র-পত্রিকায় লিখতেন। কিন্তু সাহিত্য চর্চা করা ছিল কঠিন...
আমরা জীবনের একটা সময় খুব আবেগ দিয়ে পার করি। অনেক সময় অন্ধ জাতীয়তাবাদী আবেগ এমন হয়ে দাঁড়ায় যে তখন কোন সত্যই ভাল লাগেনা বা চোখে পড়েনা, যদি তা নিজের জাতীয়তাবাদী ধ্যান-ধারণার বিপরীত হয়। আমাদের জন্য এরকম একটা বিষয় হচ্ছে ভাষা আন্দোলন-পাকিস্তান ইত্যাদি।
ভাষা আন্দোলন ও উর্দূ ভাষা সংক্রান্ত কতগুলো প্রচলিত মিথ হচ্ছে নিম্নরূপঃ
১। উর্দু পাকিস্তানীদের ভাষা যা আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছিল,
...
গত রোজার মাস। ইফতার এবং মাগরিবের সময় উপস্থিত। এক আরব মুসলিম দম্পতি রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিলেন। পাশে বিরাট মসজিদ দেখে তারা মসজিদে প্রবেশ করতে চাইলেন। মসজিদটা বাংলাদেশীরা চালান – তাবলীগ ও আওয়ামীলীগ মিলিয়ে। কিন্তু মসজিদ কর্তৃপক্ষ মহিলাকে মসজিদে ঢুকতে দেবেনা। এদিকে মাগরিবের ওয়াক্ত চলে যাচ্ছে। স্বামী ভদ্রলোক বেশ করে অনুরোধ করলেন যাতে তাঁকে তাঁর স্ত্রীসহ মসজিদে প্রবেশ করতে দেয়া হয় যাতে সে ইফতার শেষ করে নামাজ় আদায় করে নিতে পারে। কিন্তু মসজিদে নারীদের প্রবেশ হারামের নিজস্ব উদ্ভাবিত ফতোয়ার অধিকারী কর্তৃপক্ষ এবং ইমাম কেউই তাদেরকে সেদিন ইফতার খেতে এবং নামাজ আদায় করতে মসজিদে ঢুকতে দিলেননা। শেষে একজন মুসল্লী পাশেই আরেক মসজিদের...
===============================
মানবতার বন্ধু তিনি - কল্যাণ ও সমগ্র সৌন্দর্যের বিমূর্ত প্রতীক। রহমত, ভালবাসা, করুণা, দয়া ও মানুষের প্রতি শুভকামনার পরিপূর্ণ সমাবেশ ঘটেছে তাঁর চরিত্রে। তিনি আদমের সন্তানদের...
১৪ই ফেব্রুয়ারী সম্ভবত ফাগুনের শুরুর দিন। কৃষ্ণচুড়া, পলাশ, ও শিমূলের লাল ফুলে ছেয়ে যাবে শীতের পত্রহীন বাঙলার বৃক্ষরাজি। শিমুল, পলাশ আর কৃষ্ণচূড়ারা হয়তো ইতোমধ্যে ফুটেছেও। রক্তিম এ ফুলগুলোর সাথে সাথে বাংলার সবুজ জ়মিনও যেন বার বার রক্ত বর্ণ ধারণ করে।
সেই অনেক বছর আগে ফেব্রুয়ারী মাসেই ঢাকার রাজপথ লাল করে দেয়া হয়েছিল ভাষা নিয়ে রাজনীতিবিদদের হঠকারী সিদ্ধান্ত। তারপর হয়তো আরও অনেকবার এই ফেব্রুয়ারীতে রক্ত ঝরানো হয়েছে। খালি করা হয়েছে অনেক মায়ের বুক। আর এইতো সেদিনও এই ফেব্রুয়ারীতে রঞ্জিত করা...
প্রথম পর্বঃ কে তিনি? দ্বীতিয় পর্বঃ কেন তাঁকে ভালবাসতে হবে? ===================
মানবতার বন্ধু তিনি - কল্যাণ ও সমগ্র সৌন্দর্যের বিমূর্ত প্রতীক। রহমত, ভালবাসা, করুণা, দয়া ও মানুষের প্রতি শুভকামনার পরিপূর্ণ সমাবেশ ঘটেছে তাঁর চরিত্রে। তিনি আদমের সন্তানদের শ্রেষ্ঠতম - আল্লাহর বাণীবাহকদের সর্দার। হেরা গুহার অন্ধকারে তাঁর কাছে কুরআনের নূর পাঠানো হয়েছে মানবতাকে মূর্খতার আঁধার থেকে বের করে জ্ঞানের আলোয় উদ্ভাসিত করতে।
...
কিছু ছেলেমেয়ে মানুষ করার পেশায় আছি।
মূলধারার অনেক কিছুর সাথেই মিল নেই - একজন গুরাবা হবার চেষ্টায় আছি।
আমি পোস্টের সাথে সঙ্গতিহীন মন্তব্য অপসন্দ করি এবং বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই মুছে দেই। তাই দয়া করে পোস্টের সাথে সম্পর্কিত মন্তব্য করুন! ধন্যবাদ।