এটি আমার দ্বিতীয় নিক। সামান্য ভিন্নতা ব্যতীত পুরোপুরি প্রথম নিকের অনুসরণ করা হবে। আমার প্রথম নিকটি হলোঃ www.sbblog.net/almuhajir, ফেসবুকে আমিঃ www.fb.com/almuhazir, Skype: al_muhazir
গত ৫/৬ দিন আগে নুরু চোরা নামে আমার এক পরমপ্রিয় বন্ধু একটি পোস্ট দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি সদ্যপদত্যাগী কুরঞ্জিত বাবুর পাশে একজন অখ্যাত ব্যক্তির একটি ফটো তুলে দিয়ে দাবী করেছেন যে, ঐ ব্যক্তি নাকি তাবলীগের মুরুব্বী।.............।
তবে, এ পর্যায়ে আমি নূরুকে কোন দোষ দেবো না। কারণ, সে এটি একটি অনলাইন পত্রিকা থেকে সংগ্রহ করেছে।
এই মাত্র চ্যাটিং সুবিধার কথা জানতে পারলাম। বহু খোজাখোজি করে চ্যাটিং রুমও পেলাম। কিন্তু চ্যাটিং হচ্ছে না। আমার কোন লেখা উপরে যাচ্ছে না এবং অন্য কোন লেখাও শো করছে না।
আমি এমন খবর শুনে দারুণ মর্মাহত। মুখে কিছু বলার ভাষা নেই। এমনকি আমার কলমও আজ স্তব্ধ। কিন্তু তবুওতো কিছু লিখতে হয়। অনেক খাটা খাটনি করে কিছুই লিখতে পারছিলাম না।
প্লীজ, এখানে কেউ মন্তব্য করবেন না। এটি মূলত সচেতনতামূলক পোস্ট। মন্তব্য এখানে মূল বিষয় নয়। তবুও যদি কেউ কিছু বলতে চান তবে মূল লিঙ্কে ক্লিক করে জানাতে পারেন।
শিরোনাম প্রসঙ্গে আর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নেই। আমরা সবাই জামাত-শিবিরকে খুব ভালো করেই চিনি। তারপরও গতকাল যখন এমন নাজুক মূহুর্তে শিবিরের পোলাপাইন নামাজে দাড়িয়েছে...
আমি এক তাবলীগী ভাইকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে, কেউ আপনাদের বিরোধিতা করলে আপনারা কিছু বলেন না কেন? কেন সব মুখ বুজে সয়ে যান? দেখুন না, আ.লীগের বিরোধিতা করলে লগি-বৈঠা-চাপাতি-চাইনিজ কুড়াল ইত্যাদি দিয়ে জবাব দিয়ে দেয় আবার জামাত-শিবিরের বিরোধিতা করলে রগ কেটে দেয়। তাহলে আপনারা তাদের মত বৈঠাবাজী কিংবা রগ না কাটলেও অন্তত মুখে কিছু জবাব দিন।
তিনি বলেছিলেন, প্রতিপক্ষের বিরোধিতায় যাদের কোন ক্ষতি হয় তারাই প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে। কিন্তু কারো বিরোধিতায় আমাদের কোন ক্ষতি হয় না। আল্লাহই আমাদের পক্ষ হয়ে...
কিছুদিন আগে জামাত-নেতা ব্যরিস্টার আ.রাজ্জাক আরব বসন্ত এবং দেশে দেশে ইসলামী আন্দোলন শিরোনামে একটি লেখা লিখেছিলেন। সেখানে তিনি জামাতের বিভিন্ন অবস্থা ও অবস্থান বর্ণনা করতে গিয়ে বিভিন্ন দেশে জামাত কার্যক্রমের প্রেক্ষাপট তুলে ধরতে চেষ্টা করেছেন। উক্ত লেখাটির প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে তিনি জামাতী কুঠ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। তার কথার আবহ থেকেই জামাতের কলজে নিংড়ানো কপট উদ্দেশ্য আপনাআপনি ধরণা দেয়। আসলে জামাত এমনই, বরং আরো নিকৃষ্ট। এ শতাব্দীর জঘন্যতম মুনাফিক হলো এই ধর্মদ্রোহী সংগঠন। তার কিছু নমুনা দেখুন স্বয়ং আ.রাজ্জাকের লেখা থেকে।
একটি সুপরিচিত নাম মাওলানা মওদূদী। তিনি অনেক করেছেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন।
তাকে চিনে না এমন কেউ অন্তত এই ব্লগে নেই। আমি এখানে তার জীবনের শেষ সাক্ষাৎকারগুলোর একটি ক্ষুদ্রাংশ পেশ করছি। যেখানে তিনি বিভিন্ন দলীল-প্রমাণ দিয়ে "দাওয়াত ইলাল্লাহ"র কথা আলোচনা করেছেন।
কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো, তার অনুসারীরা দাওয়াত ইলাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহর দিকে দাওয়াতের পরিবর্তে দাওয়াত ইলাল...
ঐক্য বা একতা। একটি ছোট্ট শব্দ, কিন্ত তার শক্তি অকল্পনীয়। এ প্রসঙ্গে একটি গল্প শুনেছিলাম বহুদিন আগে। আমার ধারণায় এই গল্পটি শুনে নাই এমন লোক পাওয়া খুব কঠিন। কেউ হয়তো বইয়ে পড়েছে, কেউ মুরুব্বীদের মুখে শুনেছে, কেউ হয়তো দেশ-গ্রামের বিভিন্ন সালিসে শুনেছে, ইত্যাদী। গল্পটি খুবই বাস্তব সত্য ও যুক্তিনির্ভর।
গল্পটি হলো, বৃদ্ধ পিতা অন্তিম মূহুর্তে ১ ডজন ছেলেকে উপদেশ দিয়ে বুঝাচ্ছিলেন যে, ব্যক্তি যতই দূর্বলই হোক না কেন, যদি অন্যদের সাথে তার একতাবদ্ধ সম্পর্ক থাকে তাহলে কোন সবলই সেই...