সেদিন এক বন্ধু ফোন করে বলছিল আহমেদিয়ারা আসলে মুসলিম কিনা। সে একটি আহমেদিয়া মসজিদে গিয়েছিল ইফতার করতে। তাদের সাথে নামাজ পড়েছে, ইফতার করেছে। সেখানে অনেক বাংলাদেশীও ছিল যারা আহমেদিয়া সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে বাংলাদেশে কোন এক সময় নির্যাতীত হয়েছে। আমার সে বন্ধুটি তাদের সাথে কথা বলে তাদের প্রতি বেশ সহানুভুতিশীল হয়ে পড়েছে। আমি জানি না ঠিক কি কারণে তাদের সাথে অনেক মুসলিমের বিবাদ? আমি তাকে একটি জেনারেল ব্যখ্যা দিলাম যে, এসব করে অনেক বাংলাদেশী ধর্মীয় নেতা নিজেদের কতৃত্ব প্রদর্শনের করে। কারণ এর মাধ্যমে ধর্মীয় নেতৃত্ব অনেকটা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তাদের হাতে পৌছে যায়। তবে এই ধরনের ধর্মীয় বা গোত্রগত সহিংসতা আক্রান্ত পরিবারের সদস্যগুলোর জন্য কি পরিমান নির্মম, সেটা ভুক্তভোগি মাত্রই বুঝতে পারে।
বাংলাদেশে শুধু ধর্মীয় হানাহানি হচ্ছে তা না, এই হামলা নিজে ধর্মের ভিতরেও হচ্ছে। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের সময় হিন্দু মুসলিম কিছু দাংগা হয়েছিল বটে। কিন্তু তার থেকেও বেশী হচ্ছে রাজনৈতিক হানাহানি। বিশেষ করে ৯৬ এ আওয়ামিলীগ ক্ষমতাসীন হবার পর থেকে এই সংস্কৃতি ব্যাপক আকার ধারন করে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামিলীগের ক্যাডাররা বিরোধীদল, বিশেষ করে বিএনপির অনেক নেতার বাড়িতে হামলা করে লুটপাটের কালচার চালু করে। শুধু তাই না এমনকি পাঁচ বছর ধরে অনেক এলাকায় একধরনের নিষেধাগ্গা জারী করে বিরোধি দলের উপর। আমরা পেপারে দেখতাম কোথায় কোথায় কোন হরতাল হয় নি। যাই হোক যারা এধরনের রাজনৈতিক হানাহানির শিকার হয়েছে তাদের হয়ত একটি আশা থাকে দল ক্ষমতায় গেলে তাদেরকে মুল্যায়ন করবে। আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ বরিশালে বিএনপির কাউকে যেতে দেয়নি, বিএনপির চিরস্হায়ী আসনে বিএনপির কোন কর্মসূচি পালন করতে দেয়নি। সেই আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহও পাঁচ বছর বরিশাল ছাড়া ছিল। যেমন ছিল শামিম ওসমান, জয়নাল হাজারী প্রমুখরা। একদিক দিয়ে দেখলে প্রতিশোধ হয়ে গেল।
কিন্তু বাংলাদেশের বিভিন্ন 'সংখ্যালঘু' সম্প্রদায়ে জন্মগ্রহনকারীরা কি করতে পারে? তারা কি করে এই অনুভূতি থেকে মুক্তি পেতে পারে যে, একজন সংখ্যালঘু হিসেবে তারা কোন বৈষম্যের শিকার হবে না। এই দায়িত্ব নিতে হবে সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতাদেরকে। কারণ হিংসা নতুন করে হিংসার জন্ম দেয়, আর ভালোবাসা ও সদাচরণ কাছে টানে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পড়াকালীন অনেক সময় একসাথে অনেকে ট্রেনে করে বাড়ি যেতাম। তেমনই এক ভ্রমনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক সহপাঠি যখন কুমিল্লা/ব্রাক্ষণবাড়িয়ার দিকে এসে রাতের অন্ধকারে জলন্ত গ্যাসকুপগুলোর দিকে তাকিয়ে যখন বললো ষেগুলো সব ভারতের, তখন আমার বন্ধু যে বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদী হলেও পছন্দ করে লীগকে তার মুখটা মলীন হয়ে গেল। সে তাকে জিগ্গাসাই করে বসলো, "তুমি কিভাবে বুঝলা?"। সে তার কোন সদুত্তর দিতে পারেনি। তবে বোধকরি বাংলাদেশে বসবাসকারী অনেকেই আমাদের দেশের চেয়েও পাশের দেশকে আপন মনে করে। এই ব্যর্থতা আমাদেরও। আমরা পারি নাই তাদেরকে সেই নিরাপত্তা দিতে। এমনিতে একজন রাজনৈতিক কর্মী নিহত হলে সেটা নিয়ে তেমন আলোড়ন হয় না। কিন্তু সেই মানুষটি সংখ্যালঘু হলেই সেটা নিয়ে একটা বেশ ভাল আলোড়ন হয়, এটাই স্বাভাবিক।
কিছুদিন আগে এখানে এক মুসলিম ট্যাক্সি ড্রাইভার ছুরিকাঘাতে আহত হয়। সেটা নিয়ে বিস্তর সমালোচনা হয়। মাতাল সেই যাত্রীর হাতে অন্য ধর্মের কেউ আহত হলে হয়তঃ সেটা তেমনভাবে পত্রিকায় আসতো না। তাই এদেশের নিতিনির্ধারকরা চেষ্টা করছেন এই ভাবমূর্তী দাড় করাতে যে এখানে সব ধর্মের স্বাধীনতা আছে। ওবামা, ব্লুমবার্গ দুজনই নিজেদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের ঝুকি নিয়ে হলেও গ্রাউন্ড জিরোর কাছে মসজিদ নির্মানকে সমর্থন দিচ্ছেন। অবশেষে তারা বুঝতে পারছে এদেশটি গড়ে উঠার পিছনে অনেক রাশিয়ান, জার্মান জাপানিজ ইমিগ্র্যান্টদের ভূমিকা আছে। আর এখানে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মানুষ নিরাপদ বোধ করেছে বলেই তারা নিজেরাই গড়ে তুলেছে এদেশকে, যদিও এসব দেশের সাথে তাদের বিরোধ ছিল। আর এটাই সমাধান এই চলমান পরিস্হিতিতে। ইরাক থেকে সন্য প্রত্যাহার হয়েছে। আফগানিস্তানে হবে পরের বছর। বোমা ফেলে দেশ জয় করার চেয়েও তারা বেশী চেষ্টা করছে মানুষের মন জয় করার।
বাংলাদেশে কি চলছে? বিরোধি দলের কথা বাদই দিলাম। অওয়ামিলীগ ক্ষমতায় আসলে তাদের এক নম্বর এজেন্ডা হয়ে দাড়ায় বিরোধি দলের দমন। কিন্তু তারা এটি কি করলো? সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা তাদেরকে নিঃশর্ত সমর্থন দিয়ে এসেছে সব সময়। যারা এদিকে ওদিক যেতে চেয়েছে তাদেরকে প্রায় একঘরে করে ফেলার চেষ্টা করেছে বাকিরা। হিন্দু মানেই নৌকায় ভোট এমনটাই ট্র্যাডিশন। আওয়ামিলীগের এর ফলে অনেক সংখ্যালঘু নেতা দেখা যায় বড় বড় পদে আসীন। সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন পদেও তাদের আসীন দেখা যায়। একজনতো গুরুত্বপূর্ন টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের সচিব হয়ে পারলে দেশকেই রপ্তানী করে দেন ভারতের কাছে।
এই লেখাটির অবতারনা করার কারণ হলো সম্প্রতি হয়ে যাওয়া পুলিশের রদবদল নিয়ে। অনেকের ধারনা যাদেরকে ডিংগিয়ে মিঃ হাসান মাহমুদ খন্দকারকে আইজি করা হলো, তাদের ধর্মীয়/সাম্প্রদায়িক পরিচয় একটা বাধা ছিল। এই ব্যাপারটি তাদের জন্য কতটা মর্মবেদনার কারণ হতে পারে এটা আমি বা আমার মত যারা দেশের বাইরে থাকি তারা বেশী করে বুঝতে পারি কারণ আমাদের অনেক সুযোগ আছে এরকম অন্যায়ের শিকার হওয়ার। ঢাকার পুলিশের অনেক গুরুত্বপূর্ন পদে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কর্মকর্তা আছেন। তাই সবচেয়ে চোখে লাগছে জ্বনাব নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরার জন্য। এই মানুষটি অনেকটা সময় চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন। অত্যন্ত সৎ(আমার জানামতে) একজন কর্মকর্তা। তাহার পুত্রটি আমার এক ছোট ভাইয়ের সাথে পড়তো সেই সুবাদে তাদের ঢাকার বাসায়ও একদা গিয়েছিলাম। যোগ্যতা বা সততা কোনদিক দিয়ে তার না হওয়ার কোন কারণ দেখি না। কিন্তু তাকে করলে যে বিষয়টা আমাদের বড় একটা প্রাপ্তি হতো সেটা হলো আমাদের উপজাতীয় ভাইরা বুক ফুলিয়ে বলতে পারতো এদেশের একটি শৃংখলা বাহিনীর প্রধান তাদেরই একজন। আবার কবে কোন উপজাতীয় এত কাছে আসবে সেটা জানি না। তবে সরকারের নীতি নির্ধারকরা এ বিষয়টি না বুঝার কোন কারণ নাই। তাহলে কেন এ দুজন বিশেষ করে নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরাকে বন্চিত করা হলো? এতে করে কি আমরা উপজাতীয় বা আদিবাসীদের বিচ্ছিন্নতাবাদি আন্দোলনকে উষ্কে দিচ্ছি? উপজাতীয়দের মধ্যেও তো ভালো খারাপ দুটি ধারা আছে। এর মাধ্যমে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় খারাপ ধারাটি শক্তিশালী হবে।
একটা বইয়ের কথা এক বন্ধু প্রায়ই বলতো "বাংলাদেশের স্বাধীনতায়, সিআইএ ও র এর ভূমিকা"। পাকিস্তান আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিল বাংগালি মুসলিমরা। ৬৫ সালে যুদ্ধে এ অংশকে রেখে বাংগালি সৈনিক আর অফিসারেরা যুদ্ধ করেছে পাকিদের রক্ষা করতে। কিন্তু বিনিময়ে আমরা কি পেয়েছি? পেয়েছি বৈষম্য, অন্যায় অত্যাচার। ৭০ এর নির্বাচনে জয়লাভ করার পরেও ক্ষমতা হস্তান্তর করা হলো না। রাতের আধারে সেনাবাহীনি দিয়ে নিরস্ত্র মানুষয়ের উপর হামলা করা হলো। যার ফলশ্রুতিতে আমাদেরকে দেশের মানুষ বাধ্য হলো যুদ্ধ করে সকল অনাচারের জবাব দেয়ার এবং আমরা সফলও হলাম, স্বাধীন হলাম। আমরা কি তেমন কোন সিগনাল দিচ্ছি উপজাতীয়দের? তোমরা যতই ভাল করো একটা লেভেলের উপর তোমরা যেতে পারবা না? এবারও কি সিআইএ আর 'র' এসব সুযোগ করে দিচ্ছে দেশের সকল বিতর্কিত বিষয়গুলতে আরও বেশী করে উষ্কানি দেয়ার জন্য।
উষ্কানি ১: বোরকা পড়তে বাধ্য করা যাবে না। কেন কার জন্য এই আদেশ এই মুসলিম দেশে? এর মাধ্যমে কি খুব অসুবিধা হচ্ছিল মানুষের? শুধু বোরকার উপর কেন এই নিষেধাগ্গা? এর মাধ্যমে কি একধরনের জংগিবাদকে পশ্রয় দেয়া হবে?
উষ্কানি ২: নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরাকে সম্পুর্ন অনায্যভাবে আইজি করা হলো না। উপজাতীয়দেরকে এই উষ্কানি দেয়া হলো তোমরা কোনদিন শির্ষ পদে যেতে পারবে না যতই যোগ্য হও।
সাধু সাবধান।
অফটপিক: মোখলেসুর রহমান ও হাসান মাহমুদ খন্দকারকে অভিনন্দন। বিশেষ করে জ্বনাব মোখলেসুর রহমানকে। কিছু মাস আগে উনি অনেক সাহায্য করেছিলেন একটু পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট পেতে। ছোট বেলা থেকে উনাকে দেখে এসেছি খুব সৎ এবং নিষ্ঠাবান একজন। আশা করি তার নেতৃত্বে র্যাব এগিয়ে যাবে সামনের দিনে।
শেয়ার করুনঃ
৯৯৪ বার পঠিত, ৩৯ টি মন্তব্য
রেটিং +১৫/-১
রেটিং দিতে লগইন করুন
পাঠকের মন্তব্য:
১
30359
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:১৩
পলাশ৭৫ লিখেছেন : সৎ এবং নিষ্ঠাবান একজন লোক্কে নিয়োগ দিয়ে তো হাসিনা ভালো কাজেই করল সাজিদ ভাই।
তয় হাসিনাকে দেখতে পারে না কেন?
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:২৫
14743
সাজিদ লিখেছেন : কেন সমর্থন করি না সেই দিকের পাল্লা যে ভারী। কেউ কোনদিন বলে নাই এদেরকে সমর্থন করো না। অথবা একে সমর্থন করো। নিজের বিবেচনা বোধ থেকেই দেখছি দেহসের দল আছে একটিই বাকিগুলাতো সব অন্যান্য দেশের বাংলাদেশ প্রতিনিধি।
২
30365
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:৩০
পলাশ লিখেছেন : যিনি নোয়োগ পাননি তার জন্য রইল সমবেদনা!
যারা নিয়োগ পেয়েছেন তারা যদি সৎ ও নিষ্ঠাবান হন তাহলেই ভাল। কিন্তু হাসান মাহমুদ খন্দকার কতটুকু ভাল হবেন সেটা বলা মুস্কিল। উনি RAB এ থাকা অবস্থায় বিরোধী দলের লোকদের ঠেঙ্গানোর জন্য খুবই খ্যাতি লাভ করেছেন, যেমন মির্জা আব্বাসের বাড়িতে তান্ডব, চৌধুরী আলমকে নিখুজ করা, কোন নেতাকে ধরে কিছুদিন গায়েব রেখে গল্প বানিয়ে পুলিশে সোপর্দ ইত্যাদি।
হয়ত এই সবের পুরস্কার সরূপ তাকে আইজি করা হল, যাতে আরও ভালভাবে সরকার বিরোধীদের ঠেঙ্গানো যায়!
অন্তত পক্ষে সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:৩৫
14744
সাজিদ লিখেছেন : এই ধরনের ঘটনাগুলিতে সব সময় আমার মনে হয় না চেইন অব কমান্ড বজায় থাকে। বিশেষ করে দলীয় আনুগত্যের জোড়ে পদবীতে নিচু হলেও অনেকে বেশী ক্ষমতাবান হয়ে যায়। মির্জা আব্বাসের বাড়িতে বা চৌধুরী আলমের ঘটনায় সরাসরী র্যাব প্রধানের হাত ছিল বলে আমার মনে হয় না। বিশেষ করে মির্জা আব্বাসের বাসায় ছাত্রলীগের ক্যাডাররা ছিল বলেই মনে হয়। আদর্শ সমাজে অবশ্য এসব ঘটনায় দায় স্বিকার করে র্যাব প্রধানের পদত্যাগ করা উচিৎ ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ আদর্শ সমাজ হতে যোজন যোজন দূরে দাড়িয়ে।
৩
30402
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ১১:০৬
তিতুমীর লিখেছেন : "মির্জা আব্বাসের বাড়িতে বা চৌধুরী আলমের ঘটনায় সরাসরী র্যাব প্রধানের হাত ছিল বলে আমার মনে হয় না।"
আপনি you tube-এ ভিডিওটা একটূ ভালো করে দেখুন।
আর RAB প্রধানের হাত যদি না থাকতো, তবে তো তার প্রকাশ থাকতো এ ব্যাপারে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্হা গ্রহণ করা, সেটা তো আমরা দেখলাম না!
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ১১:১৫
14755
সাজিদ লিখেছেন : র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের একজনকে দেখেছি এটাকে সমর্থন করতে। তবে হাসান মাহমুদ খন্দকারকে এটাকে সমর্থন করতে দেখি নাই। যদিও তিনি বলেছেন যে সবাই র্যাবের ছিল।
বর্তমানের যে মন্ত্রিসভা আছে যাদেরকে নিয়ে তাদের সাবেন মহাসচিব জলিলই বলেছিল যে নাক টিপলে দুধ বের হবে এদের তলনায় নূর মোহাম্মদ বা হাসান মাহমুদ খন্দকারদেরকে অনেক বেশি যোগ্য দেখায়। তবে আাবারও বলি এসব বাহিনীর নিয়ন্ত্রন সব সময় প্রধানের হাতে থাকে না। লীগের গত আমলে আইজি ছিলেন বোরহান সিদ্দিকী। চট্টগ্রামের এলকে সিদ্দিকীর ভাই। পরে বিএনপির নমিনেশনও চেয়েছিলেন মনে হয়। কিন্তু পুলিশের ভূমিকা কি ছিল সেই সময় আশাকরি ভুলে যাননি।
৪
30403
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ১১:০৬
যাযাবর লিখেছেন : অনেকগুলো বিষয় একসাথে হয়ে কেমন যেন হয়ে গেছে... তবে বিষয়গুলো সবই খুব গুরুত্বপূর্ণ।
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ১১:১৬
14756
সাজিদ লিখেছেন : সহমত। সাম্প্রদায়িক বৈষম্যের বিষয়টা আনতে যেয়ে কতগুলো উদাহরণ দেয়ার চেষ্টা করলাম। কিন্তু তাতে অনেকগুলো বিষয় একসাথে এসে জগাখিচুড়ি হয়ে গেল। সামনে মনে থাকবে।
৫
30446
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; দুপুর ০১:১৪
চৌধুরী শামীম লিখেছেন : সাজিদ ভাইয়ের রাজনৈতিক দর্শনের সাথে এক না আমি। তার পরেও লেখা ভালো লাগলো। বিষেশ করে লাষ্ট পার্টটা।
যাযাবর ঠিকই বলেছেন। এটা নিয়ে দুইটা লেখা হলে ভালো হতো।
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৬:৫৭
15022
সাজিদ লিখেছেন : তা ঠিক বলেছেন একাধিক বিষয় নিয়ে এভাবে লিখতে গিয়ে ফোকাসটা ঝাপসা হয়ে গিয়েছে।
আমার রাজনৈতিক দর্শনের সাথে অমিল কেন/কোথায়?
৬
30463
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; দুপুর ০১:৩৯
কাপাসিয়া লিখেছেন : ওনেক দিন পর সাজিদ ভাইয়ের লেখা, দারুন
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৬:৫৮
15024
সাজিদ লিখেছেন : ধন্যবাদ। অনেকদিন কোথায়? আমি নিজে লেখার চেষ্টা করি। এত ঘন ঘন লিখতে পারি না। লেখাতো আমার পেশা না নেশা।
৭
30471
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; দুপুর ০১:৪৫
দীনেশ দাস লিখেছেন : এবারও কি সিআইএ আর র এসব সুযোগ করে দিচ্ছে দেশের সকল বিতর্কিত বিষয়গুলতে আরও বেশী করে উষ্কানি দেয়ার জন্য। যুকতি আছে কথায়
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৭:০০
15025
সাজিদ লিখেছেন : সিআইয়ের কিন্তু ইন্টেলিজেন্স উইং আছে অনেক শক্তিশালী। বিভিন্ন দেশ নিয়ে তাদের গবেষনা আছে পরিকল্পনা আছে। বাংলাদেশ নিয়েও ওদের পরিকল্পনা আছে। আর আমাদের মুসলিম ভাই ব্রাদারদের কিনে ফেলা মনে হয় সহজ। দেশী ভআইরা বিক্রি হয়ে গিয়েছিল বলেই বিডিআর ঘটনা ঘটেছে। এমন অনেক কিছুইতো হতে পারে সামনে।
৮
30700
০১ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ১০:৩৬
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক লিখেছেন : ইসলাম-এর পক্ষের লোকেরা সাধারনতঃ রিএকটিভ হন; প্রোএকটিভ হননা। তাই তাঁরা দিনরাত চেষ্টা করেন কাকে কাফের বলা যায়; কোনটা কোনটা না-জায়েয প্রমান করা যায় ইত্যাদি।
আহমদিয়া ইস্যুটি অনেক পুরনো। তবে, তাঁদেরকে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে কেন - এটি আমার বুঝে আসেনা।
তাঁরা যদি আল্লাহ’র এককত্ব ও মুহাম্মদ (সঃ)এর রেসালতে বিশ্বাস না করে তাহলে মুসলমানরা তাঁদেরকে মুসলমান মনে করবে না, অমুসলিমরাও তাঁদের মুসলিম মনে করবেনা। তাঁরা নিজেদেরকে যতই ‘মুসলিম’ দাবী করুক না কেন।
কারন,
ইসলাম কি - এই নিয়ে কারো মধ্যে কোন অস্পষ্টতা নাই। মুসলিমদের মধ্যকার তাবত মতবিরোধ হলো বিস্তারিত ও খুঁটিনাটি বিষয়ে।
আমি যে কোন তত্ত্ব বা আদর্শকে, যে কোন যুক্তিকে, যে কোন কথা বা লেখাকে কমপক্ষে অনুরূপ কিছু দিয়ে মোকাবিলার পক্ষে।
নিষিদ্ধকরণ কোন সমাধান নয়। বরং এতে প্রসার বাড়ে। সামাজিক-সাংস্কৃতিকভাবে মোকাবিলাই উত্তম ও স্থায়ী।
রাষ্ট্রীয় আইনের চেয়ে সামাজিক সংস্কৃতি অনেক বেশী শক্তিশালী।
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৭:২৩
15026
সাজিদ লিখেছেন : আমার কথাও সেটা। ধর্মীয় মৌলবাদ সবদেশে সব ধর্মেই আছে। কিন্তু সভ্য রাষ্ট্র হতে হলে আমাদের সংখ্যাগড়িষ্ঠের সংস্কৃতিকে যেমন সুন্দরভাবে তুলে ধরতে হবে ঠিক তেমনো ক্ষুদ্র জাতিসত্তার মানুষদেরকেও নিরাপত্তা দিতে হবে। পাকিস্তান আমলে পাহাড়ে কি শান্তিবাহীনি ছিল? তাহলে নিজেরা যেখানে স্বাধিনতা কেড়ে আনলাম যুদ্ধ করে সেই দেশে আরেকটি বিচ্ছিন্নতাবাদি আন্দোলনের সূচনা হলো কিভাবে? ধর্মীয় জংগিবাদ নিয়েও আমাদের অনেক সচেতনতা দরকার। আহমেদিয়রা কি আমাদের শত্রু? আমরা তাদেরকে মুসলিম মনে না করলে না করলাম তারা তাদের মত করে পালন করুক। আমরা আমাদের মত করে। আর আমি জানি না আসলেই বিবাদটা কোথায়?
৯
30938
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:৪৬
দাসত্ব লিখেছেন : আবারো প্রমান হলো সোনার বাংলায় ভালো ব্লগ রীডার খুব কম।
নির্বাচিত করার পরও মাত্র ৯ টা কমেন্ট।
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ১০:১০
15044
সাজিদ লিখেছেন : নির্বাচিত করার জন্য মডারেটরদের ধন্যবাদ। এখানে বিরুদ্ধমতের লোক কম মনে হয়। তাই মন্তব্য কম আসে। আর লেখা ভাল হয়েছে থেকেও বিশ্লেষন/সমালোচনামূলক মন্তব্য বেশী ইনজয় করি। যেমন মোজাম্মেল ভাই করেছেন।
তবে মাত্রতো একমাস হলো এই ব্লগের। এখনও নানা ব্লগের আসর রয়ে গেছে। ২-৩ লাইনের পোস্ট আসে। ক্যাচালমূলক পোস্ট আসে। শুরুর অস্হিরতা কিছুটা কমেছে। পড়তে পড়তে মানুষ একসময় নিজেও লিখবে।
১০
30941
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৯:৫১
নামহীন লিখেছেন : হমম, কথা হয়ত ঠিক। কিন্তু আমি সাজিদ ভাইয়ের লেখাটা ২ বার পড়েছি।
কমেন্ট করি নাই। আপনার কমেন্ট দেখে মনে হলো ভুল করেছি
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ১০:১১
15045
সাজিদ লিখেছেন : ২ বার পড়েছেন? সামনে ২ বার পড়লে বানান ভুল গুলো ধরে দিয়েন এট লিস্ট।
১১
30959
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ১০:২৬
হোসেন খিলজী লিখেছেন : প্রথমে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, সাজিদ ভাইকে সুন্দর একটা লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।
তবে আমিও একমত যাযাবর আর চৌধুরী শামীমের সাথে, লেখাটা ২ পার্ট হলে ভালো হত।
বড় লেখা হলে পাঠকরা প্রথমেই দেখায় পড়তে চায় না।
@ দাসত্ব ভাই, আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না বলে, সরি। আমি অনেক লেখায়ই দেখেছি, শতাধিক কমেন্ট এসেছে, কিন্তু,ইয়েজ নো ভেরি গুড টাইপের বা ইমো দিয়ে করা।
এর চেয়ে প্রাস্নগিক ২-৩ কমেন্টই এনাফ যদি তা হয় নিরপেক্ষ, যুক্তিপুর্ন ও রিলেবেন্ট।
ধন্যবাদ
১২
30984
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ১১:২২
ভবঘুরে লিখেছেন : আপনার উস্কানি ১ এবং ২ এর সাথে আমার আরও একটা বিষয় মনে পড়ল। সেটা হলো বর্তমানে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করার একটা প্রক্রিয়া লক্ষ্য করছি।
আসলে আমাদের মধ্যে সহিষ্ণুতার চর্চাটা খুবই কম। ঘরের ভেতরেও আমরা সহিষ্ণু হতে পারি না, বাইরেও না।
০৩ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ০২:০৬
15312
সাজিদ লিখেছেন : আমাদের 'ইসলাম' ধারী বিভিন্ন দল কোথায়? সাংবাদিক নুরুল কবির বেশ গুরত্বপূর্নএকটি কথা বলেছেন। কোন এক সময় আমাদের সমাজে যে একটা শিক্ষাভিত্তিক শ্রেনীবিভাগ গড়ে উঠেছে এরা যুদ্ধ করবে। এখন পাবলিক প্রাইভেট একটা যুদ্ধ দেখা যায়। কালে কালে এমন আরও অনেক ভাগ হবে। দেশের অথর্ব নেতা নেত্রীদের সেই ক্ষমতা কি আছে বুঝার? ....... বাচ্চারা........
১৩
31032
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:৩৯
কাউয়ান লিখেছেন : আপনার প্রথম প্যারাটার মন্তব্য করতে চাই।
কাদিয়ানীদের সাথে আমারও উঠা বসা হয়েছে। তা থেকে তাদের বিষয়ে বুঝা যাবেনা যতক্ষন না তাদের সাহিত্য পড়েন।
পৃথিবীর প্রায় সব মুসলিম দেশে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষনা করা হয়েছে কিন্তু বাংলাদেশে হয়নি। যেই দেশে হিন্দু মুসলিম খ্রিষ্টান একত্রে বসবাস করতে পারে সেই দেশে কাদিয়ানীদের সাথে বিরোধ কেন? আমি যখন আপনার ঘরে বেড়াতে যাব তখন কোন সমস্যা নেই কিন্তু যখন বলব এটি আমার ঘর তখন সমস্যা দেখা দেবেই। কিছু কারন দিচ্ছি যাতে প্রমানিত হবে তারা মুসলমান নয়।
1/ ইসলামের একটি গুরুত্বপুর্ন স্তম্ভ মক্কায় হজ্ব করা। কিন্তু তারা করে কাদিয়ানে।
2/ হজরত মোহাম্মদ (স.) শেষ নবী যা কোরআন এবং সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমানিত। কিন্তু তারা হজরত মোহাম্মদ (স.)কে শেষ নবী মানতে নারাজ। তাদের নবী গোলাম আহাম্মদ কাদিয়ানী।
3/ কোরআন মুলমানদের ধর্ম গ্রন্থ কিন্তু কোরআনকে তাদের ধর্ম গ্রন্থ মানতে নারাজ। তারা গোলাম আহাম্মদের লিখিত কিতাবকে তাদের ধর্ম গ্রন্ত হিসাবে মানে। কোরআনকে তারা স্বীকার করে যেমন মুসলমানরা স্বীকার করে তাওরাত, যবুর এবং ইঞ্জিল'কে।
এই তিনটি বিষয় হলো প্রধান তার পরও আরও অনেক কিছু আছে। গোলাম আহাম্মদ নিজেকে ইমাম মাহদি, প্রতিশ্রুত ইসা মসিহ দাবী করেছে ইত্যাদি ইত্যাদি।
আশা করি বোঝাতে পেরেছি কেন তারা মুসলিম নয়। এখন প্রশ্ন হলো তারা যদি মুসলিম না হয়। তারা কাদিয়ানী হিসাবে থাকুক তাতে কারও কোন বাধা নেই। কিন্তু তারা বলে আমরা প্রতিশ্রুত আহাম্মদের আনুসারী, নিজেদের বলে আহমদী এবং মুসলিম। তখন সমাজে একটা বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়। যারা ইসলাম সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখে না তারা হয় বিভ্রান্ত। সুতরাং তারা মুসলিম কি মুসলিম নয় তা কি জানা জরুরী নয়?
কাদিয়ানীরা নিজেদের উপর নিজেরাই আক্রমন করায় আন্তর্জাতিক মিডিয়াকে আকৃষ্ট করার জন্য।
ধন্যবাদ
কাউয়ান
০৩ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ০২:১১
15315
সাজিদ লিখেছেন : ধর্ম নিয়ে বিশেষ করে ইসলাম ধর্মে বিভিন্ন ভাগ নিয়ে আমার জানা খুব সামান্য। কাদিয়ানি আর আহমেদিয়া কি একই জিনিশ কিনা জানি না। কারা কাদিয়ানি? কারা আহমেদিয়া? নামের শেষে আহমেদ থাকে কিনা?
এক সময় মহানবি (সঃ) এর উপর কিছু পড়াশুনা করার সুযোগ হয়েছিল। তবে সেটি ছিল না বুঝে পড়ার মত। বা গল্পের বই পড়ার মত করে। তার জীবনি এত বেশী পড়েছি মনে হয় একবার স্বপ্নেও দেখেছিলাম (মনে হয়)।
আমি আমাদের ধর্মের কোন ব্যাপারে তাকে আদর্শ মনে করি। আর কেউ না। শুধু ধর্ম কেন সব ব্যাপারেরি তিনি সরলভাবে ব্যাখ্যা করে গিয়েছেন। অনেকে বিধর্মি বা নাস্তিকরা তাকে নিয়ে অসম্মানজনক কথা বলে। কিন্তু একটা ব্যাপার শুধু ভেবে দেখেছি একটা মানুষ কিভাবে পারে
কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়া, কোন রাজার সন্তান না হয়ে, কোন ধনবান না হয়েও কিভাবে পারেন সারা বিশ্বে নিজের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে। মানব জাতির ইতিহাসে এত সফল নেতা আর কেউ কি আছে? তাহলে তিনিই তো সর্বশ্রেষ্ঠ। মহানবি। তিনি কি কোনদিন যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কোথাও কোন অমুসলিমকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন? যুদ্ধক্ষেত্রেও কি কোন নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা কি সমর্থন করেছেন? তাহলে ইসলামের নাম নিয়ে এরা কারা যারা মোহাম্মদ নামটাকে বিতর্কিত করে ফেলেছে?
রাষ্ট্রের ঘোষনা মেনেতো আমাদের ধর্মবিশ্বাস গড়ে উঠেনি। বাংলাদেশে কেন তাদেরকে অমুসলিম ঘোষনা করা হয় নাই জানি না। তবে যদি ঘোষনা নাকরা হয়েও থাকে সেক্ষেত্রে হামলা করাই কি একমাত্র সমাধান? ২০০২-০৩ এর দিকে জুমার পর একদল লেবাসধারী জংগি মেছিল করতো। উনারা এখন কই যখন ডেপুটি স্পিকার বলেন, "কুৎসিত মহিলারাই বোরকা পরে"। এটিও আল্লাহর একটা বিচার। বাড়াবাড়ি করতে আল্লাহ বাড়ন করে দিয়েছেন।
'হজ্জ' করা ছাড়া বাকিগুলা আগে ছাড়া ছাড়া ভাবে জানতাম। কিন্তু কাদিয়ানি আর আহমেদিয়া এক কিনা এটা জানা ছিল না বলে সেদিন বন্ধুকে বলতে পারি নাই। তবে তারা কোরআনকে না মানলে মুসলিম হিসেবেও দাবি করতে পারে না। এখন বাংলাদেশে এত সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ার পরেও আমাদের এই না জানার পিছনে আমাদের ধর্মীয় নেতাদেরও দায় আছে। দেশে বিদেশে কত মানুষ টিভিতে ধর্ম নিয়ে অনুষ্ঠান দেখে। তাদের কাছে এই পির সাহেব চরমোনাই বা এই ধরনের মানুষরা কি পৌছানোর চেষ্টা করেছেন? আমার জানা নাই।
আপনার কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু পয়েন্ট জানলাম। ঐ বন্ধুটিকে জানাবো সুযোগ আসলে। ধন্যবাদ
১৪
31324
০২ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ১১:০৫
মাসউদ লিখেছেন : সাজিদ ভাই ধন্যবাদ তবে কাদিয়ানী ইস্যুতে বলতে চাই তারা কাদিয়ানী থাকলে কোন সমস্যা নয় সমস্যা হলো মুসলিম হওয়া না হওয়া নিয়ে। সর্বকালের সকল মুসলিম স্কলারসগণ একমত যে তারা অমুসলিম। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বিদার সাথে তাদের আক্বিদা সরাসরি সাংঘর্ষিক। ফলে অন্যান্যদের মত অমুসলিম সংখ্যালঘু হিসাবে থাকলে সমস্যা নয়। মুসলিম দাবী করে যদি মহানবী (সঃ) কে কেউ নবী না মানে তাহলে তাকে মুসলিম বলি কি করে??
আমার মনে হয় @ ১৩ কাউয়ান ভাই যথার্থই বলেছেন। সবাইকে ধন্যবাদ
++++++
০৩ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ০২:০৮
15313
সাজিদ লিখেছেন : ১৩ নং কমেন্ট থেকে এটা পরিষ্কার হওয়ার কথা যে কোন মুসলিমের কাছেই তারা মুসলমান নয়। ইমাম মেহেদির কথা খ্রিষ্টান ও ইহুদি ধর্মেও আছে। যুদ্ধের কথাও আছে। আমাদের সাথেই মিল বেশী। সমস্যাটা শুধু নামকরনে হলে বড় কোন সমস্যা দেখি না আমি।
১৫
32214
০৪ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ১১:৪২
মাসউদ লিখেছেন : "বাংলাদেশের স্বাধীনতায়, সিআইএ ও র এর ভূমিকা" লেখক মাসউদুল হক বা আলম । বইটার লিংকু চাই
০৪ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ০৯:৩৩
15922
সাজিদ লিখেছেন : আমারও পড়ার শখ আছে। আমি পড়ি নাই। করও কাছে লিংক থাকলে শেয়ার করলে খুশি হই।
১৬
32248
০৪ সেপ্টেম্বর ২০১০; দুপুর ১২:৪১
M.M.Rahman লিখেছেন : আচ্ছা সাজিদ সাহেব আপনার কি মনে হয় কাদিয়ানীরা মুসলিম? আপনারা সবকিছু জেনে খামাখা প্যাচাল পাড়েন! তা না হলে আপনারা কাদিয়ানি ধর্মালম্বী? কাদিয়ানীরা আবার কৌশলে তাদের আহমদিয়া মুসলিম জামাত বলে পরিচয় দেয়। তারা সর্বদাই খোলসের ভিতর লুকাতে চায়। এই বর্ণচোরা কাফেররা নিশ্চয়ই অমুসলিম। ইসলামি নাম তথা মসজিদ,মাদ্রাসা, কোরান,হাদীছ,কিয়াস, ইজমা, মুয়াজ্জিন,ইমাম, আজান, কেবলা এরকম পরিভাষা ব্যবহার করা ওদের জন্য হারাম। ওরা জাহান্নামি। ওরা মরলে মাগফিরাতের দোয়া করা যাবে না। কোন মুসলিম যদি তাদের মুসলিম বলে স্বীর্কতি দেয় সে ও জাহান্নামি।
০৬ সেপ্টেম্বর ২০১০; রাত ১০:০৫
16595
সাজিদ লিখেছেন : আমি কাদিয়ানি/আহমেদিয়া না। আমি বা আপনি কি মনে করি তাতে আল্লাহর কাছে কি আসে যায় ধর্ম পরিচয় নিয়ে।
ওরা মরলে মাগফিরাতের দোয়া করা যাবে না।
এই লাইনটা বুঝলাম না। কোন অমুসলিম মরলে তার জন্য আমরা কিভাবে দোয়া করবো?
সাজিদ লিখেছেন : ধন্যবাদ। তুমিও কৌতুকের পাশাপাশি অন্য কিছুও লিখ।।
১৮
33980
০৭ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ০৭:৫২
M.M.Rahman লিখেছেন : আমাদের বিশ্বাস তথা ইসলাম ধর্মের মুল শিক্ষাই হচ্ছে অন্য ধর্মালম্বীদের জন্য নাজাতের জন্য দোয়া করা যাবে না। এবং অমুসলিমদ এর জন্য কোনো দোয়া নাই। তবে শোক প্রকাশ করতে পারেন।তার পরিবার পরিজনকে সান্তনা জানাতে পারেন। আপনার যদি বিশ্বাস না হয়, কোনো হককানি আলেমের দ্বারস্ত হবেন বিশদ জানার জন্য। আল্লাহর কাছে ধর্ম পরিচয়ই সবচেয়ে বড় পরিচয়।আপনার কাছে ধর্ম পরিচয় বড় না হতে পারে, কিন্ত আমার কাছে ধর্মই সব। কারণ আল্লাহ দ্বীন ইসলামকেই তার একমাত্র মনোনীত ধর্ম করেছেন। দুনিয়াতে আর যত প্রচলিত ধর্ম আছে সবগুলোকে বাতিল ধর্ম আখ্যা দিয়েছেন। পবিত্র কোরান শরীফ অধ্যয়ন করলে বিশদ জানতে পারবেন। যদি আপনি মুসলিম হন,আর যদি অন্য ধর্ম বিশ্বাস করেন, তাহলে বলতে হয় লাকুম-দ্বি-নুকুম ওয়াল-ইয়া-দ্বিন।
১৫ সেপ্টেম্বর ২০১০; সকাল ১১:৩৮
19462
সাজিদ লিখেছেন : হ্যা এখন মনে পড়ছে। মহানবি (সঃ) এই জন্যই তার চাচা আবু তালেবকে মৃত্যুর আগে অনেক অনুরোধ করেছিলেন ইসলাম ধর্ম গ্রহন করার জন্য। তিনি সেই আনুরোধ শুনেন নাই। তাও উনাকে ইসলামের জন্মলগ্নে মহানবি (সঃ) কে সহায়তা করার জন্য কেয়ামতের শাষ্তি কম দেয়া হবে বলে জানি। তবে ইসলাম ধর্ম ছাড়া বাকি কোন ধর্মের লোকের মৃত্যুর পর নাজাতের জন্য দোয়া করা যাবে না এই ব্যাপারটা খটকা লাগছে। পৃথিবীতে ইসলামের আগেও তো অনেক ধর্ম এসেছিল যেমন খ্রিষ্টান বা ইহুদিরা। এখন ঐ ধর্মগুলো যারা অনুসরন করে তাদের করণিয় কি? তাদের কাছে যদি কোন ইসলাম ধর্মের ধর্মপড়চারক আ যায় তাহলে তারা কিভাবে জানবে ধর্ম সম্পর্কে? তারা যদি মানুষ হিসেবে ভাল হয়, কোন অপরাধ না করে, নিজ ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে সেক্ষেত্রেও তারা কোনভাবেই ক্ষমা পাবে না?
১৯
73322
০১ নভেম্বর ২০১০; সকাল ০৭:১১
M.M.Rahman লিখেছেন : কোনো ধর্মপ্রচারক না গেলে স্বতন্ত্র কথা। যারা বিশ্বাস করে একস্রষ্টার এবং বন্দগী করে একস্রষ্টার। আর যারা আহলি কিতাব যেমন ইয়াহুদ, নাসারা তার যদি বিশ্বাস এক আল্লাহর এবং মুসা(আ
ও ঈসা(আ
শধু রাসুল বলে বিশ্বাস করে এবং আখেরী নবী(সা
উপর বিদ্বেষ পোষণ না করে। তাহলে আল্লাহ'তালা তাঁদের নাজাত দেবেন। তবে আজকের ইয়াহুদ, নাসারারা বেশির ভাগই শিরকের মধ্যেই লিপ্ত।ইসলামের আগে অনেক ধর্ম এসেছিল মুসলিমরা বিশ্বাস করে, তবে ইসলাম ধর্মে প্রতিষ্টিত হও্য়ার পর বাদবাকী সব ধর্ম রহিত হয়ে যায়। এটাই একজন মুসলিমের বিশ্বাস, এইটুকু আমি জানি।আপনার বিস্তারিত জানার ইচছা থাকলে বিজ্ঞ আলেমদের কাছে যাবেন।
তয় হাসিনাকে দেখতে পারে না কেন?