সব পরিকল্পনাকারীর বড় পরিকল্পনাকারী মহান আল্লাহ রব্বুলআলামীন। বাস্তবে ইসলামী আন্দোলনের প্রভুত উপকার করছে শয়তানের দল আওয়ামী লীগ। কিভাবে?
এক। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের ঈমানের মজবুতি বাড়ছে এই নির্যাতনে ।
দুই। জামায়াত যে একটি প্রকৃত ইসলামী আন্দোলন এই নির্যাতনই তার প্রমাণ । এতে যারা ইসলামপ্রিয় কিন্তু জামায়াতের ব্যাপারে সন্দিহান ছিল তারা এখন আকৃষ্ট হবে ।
...
দেশের যুব সমাজকে এরা এ কোন রসাতলে নিয়ে যাচ্ছে? আধুনিকতার নামে এসব বল্গাহীন জীবন, পাশ্চাত্য আর হিন্দুস্থানী সংস্কৃতির অনুকরন করতর গিয়ে আজ নিজেরা যেমন ধংস হচ্ছে তেমনি নষ্ট করছে আরো হাজারো মা বাবার সন্তানদের । মহাক্ষমতাশালী বাবা হয়ত আইনের হাত থেকে হয়ত রক্ষা করবে কিন্তু চরিত্রের এই অধঃপতন থেকে বাচাবে কেমনে ?
অথচ যে সব ছেলে মেয়েরা নিজেরা এসব থেকে মুক্ত থেকে ইসলামের পথের দাওয়াত দেয়, সুস্থ্য সুন্দর জীবনের পথ দেখায়, এদেরকে এসব তথাকথিত প্রগতিশীলরাই বলে মৌলবাদী, বেকডেটেড,...
হে আল্লাহ, হে আমার রব, ছাত্রলীগের এই গুন্ডাগুলো তোমার দ্বীনের পথের দুই সৈনিককে আজ শহীদ করেছে, তুমি তাদের বিচার কর, তাদের মায়ের বুক ফাটা কান্না তুমি নিশ্চয় শুনতে পাচ্ছ, তুমি তো অন্তরজামী। হে আল্লাহ তুমি আমার এই দুই ভাইয়ের শাহাদাত কবুল কর, তাদের জন্য জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব কর। হে আল্লাহ, হে আমার মালিক, নিশ্চয় আমার জীবন, আমার মরন, আমার কর্ম সবই তোমার সন্তুস্টির জন্য । হে আল্লাহ, চোখের জলে এই গুনাহগার বান্দা তোমার কাছে এই ফরিয়াদ করছে যে, তুমি ছাত্রলীগের পথভ্রষ্ট এই ছেলেগুলোকে হেদায়াত দান কর, আর যদি হেদায়াত তাদের কপালে না থাকে, তুমি তাদের ধ্বংস করে দাও, চরম অপমানিত...
দেশটা কি ছাত্রলীগের বাবার সম্পত্তি? রাবিতে একজন শিবির সমর্থক ছাত্র ক্লাস করতে গেলে ছাত্রলীগের গুন্ডাবাহিনী তাকে শারীরিক ভাবে লান্চিত করে তাদের তাবেদার পুলিসের কাছে হস্তান্তর করে। ছাত্রলীগের এই বেআইনি কাজের বিরুদ্বে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে পুলিস নাকি সেই ছাত্রকে জিগ্গাসাবাদ করবে! আওয়ামিলীগের পাপকর্মই তাকে একদিন ধংস করবে। Click this link...
সুরন্জিত দা'র মনে বড় কষ্ট, তিন বছর পদলেহনের পর আধা মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রিত্ব, তাও আবুল আমড়ার সার খেয়ে উনার জন্য বিচি রেখেছে। এ কষ্ট উনি কাকে বলবেন?
Click this link...
তথ্যসুত্র আজকের আমার দেশ।
"তিনি আরও বলেন, ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটরদের অভিজ্ঞতার ঘাটতি আছে, এই মামলা সম্পর্কে তাদের উপলব্ধির ঘাটতি আছে। এখনও তারা প্রচলিত সনাতনী সাক্ষ্য আইনের বেড়াজালে আটকা পড়ে আছেন।
‘কিন্তু সাক্ষ্য আইনে তো গণহত্যার বিচার হয় না। এটা কমান্ড রেসপনসিবিলিটির বিষয়। এটি একটি কালেকটিভ ক্রাইম।’
তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের আইনে বলা হয়েছে, এখানে সাক্ষ্য আইন অনুসরণ করতে হবে না, বরং এখানে খবরের কাগজের বক্তব্য-বিবৃতি ইত্যাদি সাক্ষ্যপ হিসেবে গৃহীত হবে।"