বুধবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ৩০ মে ২০১২; দুপুর ০২:৪১
প্রিয় লেখা
হোসাইনমাহমুদ এর ব্লগ

ঘুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

২৭ মে ২০১২, সন্ধ্যা ০৭:০৫
ঘুষ কি? এটার সাথে পরিচয় নতুন না হলেও কোনদিন স্বচক্ষে দেখার সুযোগ হয়নি। তবে সম্প্রতি তা দেখার সুযোগ হয়েছে। অনেক সময় পত্রিকায় ঘুষের কথা পড়েছি। ঘুষ না হলে যে ফাইন নড়েনা তাও শুনেছি। আমার আব্বার মৃত্যু সে সুযোগ এনে দিয়েছে।

আব্বা মারা যাওয়াতে আমাদের ভাই বোনদের একটি ওয়ারিশ সার্টিফিকেট দরকার হয়। সেই ওয়ারিশ সার্টিফিকেটের জন্য নিজ উপজেলাস্থ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার এবং চেয়ারম্যানের সত্যায়িত লাগে। তা না হলে হবেনা। মেম্বার থেকে সত্যায়িত করা গেলেও চেয়ারম্যানের কাছে যাওয়ার আগে তার সেক্রেটারীর...

যেন তিনি সুখে-শান্তিতে থাকেন।

২৪ মে ২০১২, সন্ধ্যা ০৭:৪১
বাড়িতে গেলাম গতকাল। বাড়িতে কেউ নাই। তাই রাত্রে ফুফুর বাসায় ছিলাম। সকালে বাড়িতে গিয়ে আমরা দুই ভাই ঘরের দরজা খুলে ঘরটা পরিস্কার করলাম। বাড়িতে ঢোকার সাথে সাথে আব্বার জন্য খুব খারাপ লাগছিলো। তাকে খুব অনুভব করছিলাম।

একটা শূন্যতা সারা ঘরময়। মনে হচ্ছে সারা ঘরজুড়ে তার ছায়া পড়ে আছে। তার ব্যবহার্য অনেক জিনিষপত্র এখনো আছে। সেগুলোর দিকে তাকালে মনটা হাহাকার করে উঠে। নিজেকে তখন খুব একা মনে হয়। মনে হয় আমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ যেন হারিয়ে গেছে।
...

রবি সার্কেল এসএমএস রঙ্গ!!!!!!!!!!!

২২ মে ২০১২, সন্ধ্যা ০৭:৩০
রবি সার্কেলে কিছুদিন ছিলাম। প্রথমে ভালো লাগলেও পরবর্তীতে ভালোলাগাটা বিরক্তিতে রুপান্তরিত হয়! সারাক্ষণ মোবাইল বাজতে থাকে। শেষ পর্যন্ত রবি সার্কেল থেকে বের হয়ে গেলাম। রবি সার্কেলে বেশ কিছু বন্ধু পায়। যাদের এসএমএস ছিলো মজার। অনেক এসএমএস আবার দেশের কথা বলে। তেমনি কয়েকটা এসএমএস আপনাদের সাথে শেয়ার করবো বলে ঠিক করেছি।

রাকিব এসইইউ নামের এক বন্ধু লিখেছে-
১. একটা ছেলেকে মানুষ করতে তার মায়ের লাগে ১৫ থেকে ২০ বছর। কিন্তু...

মুক্ত হতে পারছিনা।

২১ মে ২০১২, রাত ০৮:৫৫
আবু বকর সাহেব একজন সরকারী কর্মকর্তা। তার ১ ছেলে ২ মেয়ে। ছেলে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। আর মেয়ে দুটোর একটা আগামীবার জেএসসি পরীক্ষা দিবে। আর একজন নতুন স্কুলে ভর্তি হবে। প্রতিদিন সকাল সাড়ে নয়টায় অফিসে ছোটেন। ফিরতে ফিরতে রাত আটটা। তার স্ত্রী তার জন্য অপেক্ষায় থাকেন।
সম্প্রতি বকর সাহেবের রোগ দেখা দিয়েছে। হাই পেশারের রোগী হিসেবে তাকে ডাক্তার সার্টিফিকেট দিয়েছেন। তাকে ডাক্তাররা মানা করেছেন টেনশান না করতে। তিনি অতিরিক্ত টেনশান করেন। টেনশানের জন্য তার পেশার বেড়ে যায়।

...

আমার ভয়ংকর এবং মিশ্র অভিজ্ঞতা।

১৯ মে ২০১২, রাত ০৯:৩৮
একবারই দেখেছিলাম তাকে। আর দেখতে পাইনি। তবে মাঝে মাঝে তাকে অনুভব করি। সে আমার এক অদৃশ্য বন্ধু। আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তার পাশে একটি পাটিপাতার ঝাড় ছিলো। ছোট বেলায় একরাতে আমার এক ফুফাত ভাইয়ের সাথে বাড়িতে ফিরছিলাম। হঠাৎ সামনে তাকিয়ে দেখি এক মহিলা খুব দ্রুত সেই পাটিপাতার ঝাড়ের দিকে ঢুকে গেলো! তারপর থেকে আর কোনদিন দেখিনি। মনেও ছিলোনা তার কথা।
আমাদের গ্রামে এক পাগলী ছিলো। নাম মমতাজ পাগলী। সে রাতে মানুষের বাড়ির রান্নাঘরে ঢুকে ভাত সব খেয়ে ফেলতো বা নিয়ে চলে যেতো। তখন মনে হয়েছিলো সেই হবে হয়তো। কিন্তু এখন আমি...

আসুন নিজেসচেতন হই , অন্যকেও সচেতন করি।

১৫ মে ২০১২, সন্ধ্যা ০৭:০৬
বাংলাদেশকে বলা হয় অসম্প্রদায়িকতার দেশ। অনেক দেশে মানুষ বিভিন্ন সময় সাম্প্রদায়িকতা বা বর্ণবাদের শিকার হয়। তবে আল্লাহর রহমতে আমাদের দেশে এর কোন কিছুই দেখা যায় না। এদেশে সবাই নিজ ধর্ম পালন করে চলেছে শান্তি পূর্ণভাবে। সমাজবদ্ধ হয়ে।

বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষই মুসলমান। মুসলমান হিসেবে আমাদের ধর্মের জন্য আমরা অনেক ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকি। সারা বছরই কোন না কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান থাকে। সেই সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্য পোষ্টার বা ব্যানার লাগানো হয়ে থাকে।
...

মাদরাসা জীবন। শেষ পর্ব।

১২ মে ২০১২, রাত ০৮:৩২
ভেবেছিলাম আরো অনেক কিছু লিখবো। মন সায় দিচ্ছেনা। তাই আজকেই শেষ পর্ব লিখছি। তবে জীবনের সুখকর এবং দুঃখের অনেক স্মৃতি পরবর্তীতে হয়তো বর্ণনা করবো। বেশ কয়েকদিন অনুপস্থিত ছিলাম। কারণ, আমার একজন চাচা মারা গেলেন। তিনি আমার আব্বার চাচাতো ভাই। আমার আব্বার মৃত্যুর চল্লিশ দিনের মাথায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

মাদরাসায় থাকাকালে আমাদের পরবর্তীতে সিট দেওয়া হয় ক্লাস রুমে। তখন আমরা ষষ্ঠ শ্রেনীতে। সেখানে পঞ্চম শ্রেনীর কিছু ছাত্র মিলে একটা গ্রুপের মতো হয়ে যায়। সবাই একসাথে বসতাম ক্লাস চলাকালীন সময়ে। খাবারও...

মাদরাসা জীবন। পর্ব - ৯

০৭ মে ২০১২, সন্ধ্যা ০৭:২৬
হুজুররা বলেছেন, মাদরাসার ছাত্রদের পিছনে সবসময় শয়তান লেগে থাকে। যেন মাদরাসার ছাত্ররা খারাপ কাজের দিকে ধাবিত হয়। একথা পুরোপুরি সত্য। কারণ, শয়তানের শিকার আমরাও হয়েছি।

আমরা নতুন মাদরাসায় গিয়ে আরো স্বাধীন আর বেপরোয়া হয়ে গেলাম। কিতাবখানায় পড়ছি বলে নিজেকে বড় মনে হতো। মনে হতে লাগলো আমরা এখন সব করতে পারি! মাদরাসায় আমাদের এক হুজুরের রুমে সিট দেওয়া হলো। সে রুমে আমাদের সাথে একজন ছিলো যে আমাদের সাথেই পড়তো। ছেলেটি এই মাদরাসা থেকেই হাফেজ হয়ে কিতাবখানায় ভর্তি হয়েছে। তাই সে...

মাদরাসা জীবন। পর্ব - ৮

০৬ মে ২০১২, সকাল ১১:২১
অবশেষে একদিন কোরআন হেফজ শেষ হলো। সেই বছরই আমাকে রমজানে তারাবীহ পড়ানোর জন্য বলা হলো। পাশে একটি এবাদাত খানা ছিলো। আমি এবং আমার আরও দুই বন্ধু সেটাতে তারাবীহ পড়াতে যেতাম। যেহেতু আমি নতুন,তাই আমাকে প্রথম কয়েকদিন ৪ রাকাত পড়াতে হতো। ১০ম তারাবীহর পর থেকে সেটা ৬ রাকাতে উন্নিত হলো। প্রথম তাই একটু কষ্ট হচ্ছিলো। সেটা আরও বেড়ে যায় আমার বন্ধুদের অসহযোগিতার কারণে। তারা যেহেতু আগেও একবার তারাবীহ পড়িয়েছে, সে হিসেবে আমি তাদের কিছুই বলতে পারতাম না।

তাদের অসহযোগিতার দরুণ...

মাদরাসা জীবন। পর্ব - ৭

০৫ মে ২০১২, বিকেল ০৫:১৯
অনেক হুজুর আছেন যাদের সাথে ছাত্রদের সাথে সম্পর্ক তেমন একটা ভালো থাকেনা। কেউ হয়তো বেশী মারধর করেন। আবার কেউ হয়তো বেশী মারধর না করে ছাত্রদের ভালো - খারাপ বুঝানোর চেষ্টা করেন। তবে জেলখানা মাদরাসার চাইতে জেলখানা পরবর্তী হেফজখানাতে ছাত্রদের সাথে হুজুরদের সাতে সম্পর্ক ভালো ছিলো।

জোড়-বিজোড় খেলাটা প্রায় সব ছাত্রই খেলতো। কারণ এটি এক জায়গায় বসে খেলা যায়। আমাদের একজন কোরআনে হাফেজ অন্ধ হুজুর ছিলো। তিনিও ছাত্রদের সাথে এই জোড়-বিজোড় খেলাটি খেলতেন। তিনি হাতের মধ্যে মারবেল নিয়ে যখন...

মাদরাসা জীবন। পর্ব- ৬

০৩ মে ২০১২, সন্ধ্যা ০৭:১৭
হেফজ খানার ছাত্ররা খুব আগ্রহ নিয়ে প্রথম প্রথম কোরআন হেফজ শুরু করে। ৫-৬ পারার দিকে গিয়ে তা আরও বেড়ে যায়। তবে ১৪-১৫ পারার দিকে গিয়ে সেই আগ্রহে ভাটা পড়তে থাকে। ১৯ পারার দিকে গিয়ে পড়া কঠিন লাগে বিধায় বেশীর ভাগ ছাত্রই পালায়! আমিও চেষ্টা করেছিলাম পালাতে। একবার সিদ্ধান্ত নিলাম,হুজুরকে বলবো আমি পড়া এক পৃষ্ঠার বেশী দিতে পারবোনা। তখন আমার ১৮ পারা শেষ হয়েছিলো। ১৯ পারায় গিয়ে বিপাকে পড়লাম। কেননা,পারার আয়াত গুলো ছোট ছোট। আর একই রকম আয়াত একই পৃষ্ঠাই কয়েকটি থাকাতে বারবার ভূল হচ্ছিলো। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম হুজুর যদি আমার আর্জি না শোনেন তাহলে পালাবো। তবে ভাগ্য ভালো যে হুজুর...

ইসলামে নেই। তবে সমাজে প্রচলন তাই........................

০২ মে ২০১২, রাত ১০:০৪
গত ৩০শে মার্চ আমার আব্বা ইন্তেকাল করেন। ১ এপ্রিল তার ঈছালে সাওয়াবের উদ্দেশ্যে একটি মেজবানীর আয়োজন করা হয়। সকালে খতমে কোরআনের আয়োজন করা হয়। বাড়ির যারা হাফেজ ছিলাম তারা এবং বাহিরের কয়েকজন হুজুর মিলে একটি কোরআন খতম দিয়েছিলাম। বিকেলে ছিলো ফলার ( ফলফ্রুট আর বিভিন্ন নাস্তা দিয়ে মেখে পাড়ার ছেলেদের জন্য বিশেষ আয়োজন ) আয়োজন। আর সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় মেজবানীর খাওয়া।

মৃতের ১৫ দিন উপলক্ষে মসজিদে রুটি-সিরনী দেওয়া এবং বাড়িতে এতিম-মিসকিন খাওয়ানো হয়। অনেকে আবার সেই...

মাদরাসা জীবন। পর্ব - ৫

০২ মে ২০১২, সন্ধ্যা ০৭:১৪
মাদরাসা ছাত্রদের জন্য কোরআন মুখস্ত প্রতিযোগীতা একটি সুন্দর ব্যবস্থা। আমি মনে করি ছা্ত্রদের জন্য এটা খুবই উপকার হয়। তাতে বোঝা যায় যে, ছাত্ররা কতটুকু তাদের পড়া মনে রাখতে পেরেছে।

জীবনে প্রথম প্রতিযোগীতা দেবো। তাই খুব খুশি লাগছে। যারা প্রতিযোগীতার জন্য নির্বাচিত হয়েছে ,তাদের সবাইকে বারান্দায় আলাদা করে পড়ার ব্যবস্থা করা হল। প্রতিযোগীতা দিতে হবে তাই , নতুন পড়া আপাতত বন্ধ করে দিল হুজুররা। প্রতিযোগীতার পরে আবার নতুন পড়া শুরু হবে। প্রায় মাসখানেক প্রস্তুতির পরে কোরআন মুখস্ত প্রতিযোগীতায়...

মাদরাসা জীবন। পর্ব - ৪

৩০ এপ্রিল ২০১২, সকাল ১০:৩১
ভালো-খারাপ অনেক রকম মন্তব্য পাচ্ছি। হয়তো কেউ কেউ মনে মনে করছেন আমি মাদরাসার বিপক্ষে লিখছি। না,আমি মাদরাসার বিপক্ষে নই। আমি শুধু তখনকার অবস্থা বর্ণনা করছি মাত্র।


.......কোরবানীর ছুটিতে বাড়িতে আসলাম। রাগ করে বললাম মাদরাসায় আর যাবোনা। বেশি হুজুররা বেশী মারে। তবুও মাদরাসায় যেতে হয়েছিলো। তখনও জানতাম না আমাদের জন্য বিস্ময় অপেক্ষা করছে! বাড়িতে মারের কথা বলার পরও মাদরাসায় যেতে হয়েছিলো। প্রতিবারের মতো ঘর থেকে আশ্বাস দেওয়া হয় মাদরাসায়...

মাদরাসা জীবন। পর্ব - ৩

২৯ এপ্রিল ২০১২, সন্ধ্যা ০৭:৩৯
যত মাদরাসা আছে সবগুলোতে বড় ছাত্রদের দৌরাত্ব থাকে সবসময়। তবে এটা অন্যসব ছাত্রদের জন্য সুফলও বয়ে আনে মাঝে মাঝে। আর হুজুররাও বড় ছাত্রদের উপর আস্থা রাখেন মাদরাসার কিছু অভ্যন্তরীন বিষয়ে। অবশ্য বড় ভাইদের দ্বারা ক্ষতিও হয়। তবে সেটা খুব কম।

আমাদের হেফজখানা থেকে যখন বড় চারজন ছাত্র পালালো, তখন অন্যসব ছাত্ররা হুজুরদের ভয়ে তটস্থ ছিলো। কেননা, পালানোর কারণে হুজুরদের মেজাজ খারাপ ছিলো। যা হোক,পালানোর তিন ঘন্টার মধ্যে একজন ছাত্র ধরা পড়ে। তাকে মাদরাসায় এনে শিকল দিয়ে বেধে রাখা হয়।...
সাম্প্রতিক পোস্ট
হোসাইনমাহমুদ
ব্লগার পরিসংখ্যান
পোস্ট করেছেন: ১৯৫টি
মন্তব্য করেছেন: ১৩৫৬
মন্তব্য পেয়েছেন: ৮৫২টি
প্লাস পেয়েছেন: ৫১৮টি
ব্লগ লিখছেন ১ বছর ৫ মাস ১৪ দিন
ব্লগটি মোট ৩৪৯৩৯বার দেখা হয়েছে
সাম্প্রতিক মন্তব্য
সাম্প্রতিক প্রতিমন্তব্য