দ্বীন বিজয়ী করতে এলেন
আমিনা মা এর কুলে,
পশু পংখী বৃক্ষলতা
আনন্দে সব দোলে।
জন্মের পরে দেখেননী তিনি
তার পিতা,
ছ মাস পরে তাকে ছেড়ে
চলে গেলেন মাতা।
এতিম বালক হলেন তিনি
মরু মক্কার বুকে,
আলামিন খেতাব দিল
সমাজের সব লোকে।
চল্লিশ বয়সে ডাকলেন
বিশ্ব জাহানের রব,
চলে গেলেন হেরা গুহায়
ছেড়ে দিয়ে সব।
জিবরীল এসে শুনালেন তাকে
স্রষ্টার পয়গাম,
পড় তোমার মহিমান্বিত্ব
প্রভুর নাম।
এ নামের বিধানে প্রভুর রাহে
করবে আহব্বান,
যদিও গর্জে ওঠে কাফের
মুশরিক নাফরমান।
প্রভুর বিধানে ধরা
করতে গিয়ে ধন্য,
ওরা বলে উঠলো নব্য কবি
মজনুন জগন্য।
ভুলে গেল ওরা-তিনি
সেই আলামিন,
অপমান নির্যাতন বাড়ালো
যত গেল দিন।
জাহেলী সমাজ ছিল
বে বিচারে পুর্ণো,
বিজয়ী হলো বিধান
তা করে চুর্ণো বিচুর্ণো।
সে সময়ের ভাত্রিত্ব ভালবাসা
সততার খ্যাতি,
অমলিন ইতিহাসে
বিশ্ব জাহান গ্যাতী।
ও রে মুসলিম দাবীদার
রাছুলের উম্মত,
তাকে শুধু ধর্ম বলতে
কি করে হয় হিম্মত?
এ বিধানে বেদাবেদ নাই
মুসলমান অ মুসলমান,
বিশ্ব জাহানের স্রষ্টা
তাহা করেছেন দান।
ওরে উম্মা ভিন্ন দর্শনে
কেটেছে অনেক বেলা,
তারই গবেষ্বনায় কলম ধর
আর করনা হেলা।
শুন,হে ইসলামী মতবাদ
বিদ্বেশীরা,
আর বেশী নয় বাকী
এ বিধানে জয় করবে ধরা।