আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় পাঠক! আমি যখন সুযোগ পেয়েছি তখন আগের কথাটা আগে বলে নেই। ব্লগারগণ যখন নিজের মত করে নিজের নিজস্ব বিষয়টাকে ব্লগ পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরছে, আমিও আমার মত করে সোনার বাংলাদেশ ব্লগে নিজের মত করেই পোস্টাইছি। আমি দেখছি ব্লগে মিলন মেলা নামে মাঝে মাঝে বিভিন্ন ব্লগারের নাম থেকে পোস্ট দেয়া হয়। কিন্তু, আমি কোন গুরুত্ব না দিয়ে আমি কখনো মিলন মেলা পোস্টে ঢুকে পড়ে দেখি না। আমার ব্লগের বয়স এখন ছয় মাস পার হয়ে গেল। দুই থেকে আড়াই মাস ব্লগিংয়ের পর এক মিলন মেলা পোস্ট সামনে এসে হাজির! কেন জানি ঐ দিন এই মিলন মেলা সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি হল। আমি বিসমিল্লাহ বলে ঢুকলাম। পোস্ট পড়ে তো আমি রীতিমত অবাক! এত সুন্দর, এত কল্যাণকর, এত জ্ঞান চর্চা, এত চরিত্র গঠনের প্রশিক্ষণ, এত ভাবে নিজেদের শুধরিয়ে পবিত্র করার পোস্ট! এটা তো দেখেছিলাম, এই সোনার বাংলাদেশ ব্লগে শুধু নয়; বিশ্বের সকল ব্লগের সর্বশ্রেষ্ঠ পোস্ট এই মিলন মেলা! সেই থেকে আমি মিলন মেলাকে ভালবাসি। আর মিলন মেলা মানেই আমার একটু হাজিরা দেয়ার চেষ্টা থাকে যেন, কেয়ামতের ময়দানে জাহান্নাম থেকে বাঁচার সামান্য উছিলা হয়। আমি আজও ব্লগিং করছি। কিন্তু মিলন মেলা পোষ্ট সেই আগের মান-মর্যাদা-সত্যতা-সৌন্দর্যতা নিয়ে আজও স্বকীয়তায় বিরাজমান। সবাইকেই আল্লাহ সঠিক পথ দেখাবেন। আমিন, ছুম্মা আমিন!! সবাইকে মিলন মেলায় স্বাগতম জানিয়ে মিলন মেলায় আমার প্রথম পোস্ট শুরু করলামঃ
মুসলিম মানেই একজন জ্ঞানী। একজন আলেম। একজন আদর্শ মানব। আদর্শ চরিত্রের অধিকারী। মুসলিম মানেই পড়াশুনাকারী, অধ্যয়নকারী, জ্ঞান চর্চাকারী, সত্যের সাধনা কারী ইত্যাদি গুণ সমৃদ্ধ আসল মানুষ। সুতরাং, জ্ঞান অর্জন না করে/ কোন বিষয় ভালভাবে না না জেনে তার থেকে কোন সুবিধা পাওয়ার আশা করা একটা বোকামী। না জেনে সৎআমল মনে করে সওয়াবের আশা করা ঠিক না। এভাবে যত কিছুই করা হোক, কোন কিছুই কাজে আসবে না। আমরা সারা দিন-রাত কত যে পাপ করি! আর সওয়াবের কাজ আর কতটুকুই বা করি বলুন! এই অল্প আমলটুকু যদি কবুল না হবে, সারাজীবন আমল করে কি লাভ? জ্ঞানহীনে মুসলিম থাকার কোন অধিকার কারো নাই। দাবী করারও কোন যৌক্তিকতা নাই। কেয়ামতের ময়দানে জানি না বলে আল্লাহর কাছে কোন দাবী আদায়ের বাসনা নিসক বোকামী ছাড়া আর কিছু না! চলুন, আলোচনাটা একটু বিশ্লেষণ করে নেই...
ইকরা বিসমি রাব্বিকাল্লাযী খালাক। খালাকাল ইনসানা মিন আলাক। ইকরা ওয়া রাব্বুকাল আকরামুল্লাযী আ’ল্লামা বিলকালাম। আল্লামাল ইনসানা মা লাম ই’লাম। পড়, (হে নবী!) তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। জমাট বাঁধা রক্তের এক পিণ্ড হতে মানুষকে সৃষ্টি করছেন। পড়, আর তোমার রব বড়ই অনুগ্রহশীল। যিনি কলমের সাহায্যে জ্ঞান শিখিয়েছেন। মানুষকে এমন জ্ঞান দিয়েছেন যা সে জানত না। (সূরা আলাক : ১-৫)
নবী করীম (সা) বলেন, আমি মানুষের নৈতিক-গুণ মহাত্মকে পূর্ণতার স্তরে পৌঁছে দেয়ার জন্যই প্রেরিত হয়েছি। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক)
অন্য এক বর্ণনায় এসেছেঃ রাসুল সাঃ বলেনঃ প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর জন্য ইলমে দ্বীন শিক্ষা করা ফরজ। (ইবনে মাযাহ) বিশুদ্ধ মানুষ হতে হলে প্রয়োজন জ্ঞান। এ জ্ঞান যেমন ধর্মীয় জ্ঞান তেমনি পার্থিব জগত সম্পর্কেও জ্ঞানার্জন করতে হবে। নিজেকে আল্লাহর খাঁটি বান্দা হিসেবে প্রমাণ করতে হলে কোরআন হাদিসের জ্ঞানকে আয়ত্ত করতে হবে। মানবিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতেও প্রয়োজন জ্ঞান। নিজেদের ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে জানার ক্ষেত্রেও জ্ঞানের বিকল্প নেই।
ইসলাম জ্ঞান চর্চাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তবে সে জ্ঞান চর্চা হতে হবে ধর্মীয় জ্ঞান অথবা মানব জাতির কল্যাণ করে এমন জ্ঞান। এবার আসুন! আলোচ্য বিষয় নিয়ে আলোচনায় মেতে উঠি!
লক্ষণীয়ঃ ০ মিলন মেলা : সবাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায়।
০ মিলন মেলা : সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত।
০ মিলন মেলা : জ্ঞান পিপাসুদের জমজমাট এক জ্ঞানের আসর।
০ মিলন মেলা : অশ্লিল ও ব্যক্তি আক্রমানাত্নক মন্তব্য নির্দিধায় মুছে দেয়।
মোহাম্মদ নুর উদ্দীন লিখেছেন : জ্ঞানী কিভাবে হওয়া যায় ! সেটা অবশ্যই ধর্মীয় জ্ঞান এবং ইসলামের জ্ঞান । না হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রীধারীরাও পশুর মত আচরন করতে পারে যা বর্তমান সমাজই বলে দেয় ।
অনেক ধন্যবাদ ভাই নাইস ।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:২০
629190
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : আজকের মিলন মেলায় প্রথম কমেন্টদাতা হিসেবে আপনাকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:৪০
629217
রুম্মানা লিখেছেন : হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : আজকের মিলন মেলায় প্রথম কমেন্টদাতা হিসেবে আপনাকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:৪৯
629249
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। মিলন মেলার প্রথম কমেন্টদাতা হিসাবে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:১৭
629280
আবু তাহের মিয়াজী লিখেছেন : আজকের মিলন মেলায় প্রথম কমেন্টদাতা হিসেবে আপনাকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:২০
629287
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : মোহাম্মদ নুর উদ্দীন ভাইকে পিলাচ। সুন্দর উপমার জন্য আর প্রথম হওয়ার জন্য।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:২২
629420
সাদিকরুবেল লিখেছেন : প্রথম হওয়ায় ফুলের শুভেচ্ছা রইল।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১০:০৮
629538
হারুন আযিযী নদভী লিখেছেন : আজকের মিলন মেলায় প্রথম কমেন্টদাতা হিসেবে আপনাকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১১:১৪
629653
কান্ডারী লিখেছেন : আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। আপনাকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।
২
636697
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:২০
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
মিলন মেলার আজকের এই পোষ্টে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ।
মিলন মেলা যিন্দাবাদ।
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : ইসলাম জ্ঞান চর্চাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তবে সে জ্ঞান চর্চা হতে হবে ধর্মীয় জ্ঞান অথবা মানব জাতির কল্যাণ করে এমন জ্ঞান।
ফেনল লিখেছেন : আমার মতে জ্ঞানী সেই যার জ্ঞান আছে । আর শিক্ষিত হওয়ার জন্য অবশ্যই ধর্মীয় জ্ঞান দরকার । জ্ঞনী যেকোন ডিগ্রীধারী ব্যাক্তি হতে পারে কিন্তু যেকোন ডিগ্রধিারী ব্যাক্তি শিক্ষিত না ও হতে পারে । শিক্ষিত ব্যাক্তি জ্ঞানী কিন্তু জ্ঞানী ব্যাক্তি শিক্ষিত নাও হতে পারে ।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:২৮
629200
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : কিন্তু যেকোন ডিগ্রধিারী ব্যাক্তি শিক্ষিত না ও হতে পারে । শিক্ষিত ব্যাক্তি জ্ঞানী কিন্তু জ্ঞানী ব্যাক্তি শিক্ষিত নাও হতে পারে ।
ফেনল লিখেছেন : জ্ঞান হল কোন কিছু সম্পর্কে জানা আর শিক্ষা হল জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধ এই তিন নিয়ে । যেমন - নামাজ পড়তে সূরা, নামাজের নিয়ম কানুন সহ নামাজ পড়তে যা দরকার তা জানাই হচ্ছে জ্ঞান আর নিয়মমত নিয়মিত নামাজ পড়তে পড়তে নামাজে দক্ষতার অর্জন করতে পালেই সে নামাজ তার মধ্যে স্থায়ীভাবে পরিবর্তন আনবে এবং এতে তার মূল্যবোধের পরিবর্তন আনবে এবং পরবর্তীতে সে নামাজ তার স্বভাবে স্থায়ী হয়ে যাবে । এটাই হচ্ছে নামাজ শিক্ষা ।
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন :
একটি বিজ্ঞপ্তি :
সোনার বাংলাদেশ ব্লগের অতিপরিচিত মুখ, মিলন মেলার আজকের পোষ্টদাতা প্রিয় ব্লগার মাহমুদ নাইসকে খুজেঁ পাওয়া যাচ্ছে না। কারো কাছে তার কোন সন্ধান থাকলে জানানোর অনুরোধ রইল।
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : দ্বীনের জ্ঞান অর্জন ইবাদত ৷ আর তাই অন্যান্য ইবাদতের মতই এর একমাত্র উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি অর্জন - নিজেকে জাহির করা, বিতর্কে জয়ী হওয়া বা বিখ্যাত হওয়া এসব নয় ৷
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : আল্লাহ পাকের তাওফীক্ব ছাড়া কোন জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব নয় ৷ আর তাই ক্রমাগত দু’আর মাধ্যমে তাঁর কাছে জ্ঞান চাইতে হবে ৷ দু’আ কবুল হওয়ার পথে যেন কোন বাধা না থাকে (যেমন হারাম রোজগার) সেদিকেও লক্ষ্য রাখা উচিৎ ৷
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : আল্লাহ যেন আমাদের প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের তৌফিক দেন। আমিন!
[-O
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:০৭
629372
ফারহাআঁখি লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর কমেন্টের জন্য।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১১:১৭
629670
কান্ডারী লিখেছেন : খুব সুন্দর হয়েছে। খুব ভাল লাগল। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
১৯
636753
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:৫০
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : জ্ঞান অর্জনের জন্য জ্ঞানী ব্যক্তির অনুসন্ধান করতে হবে, নির্ভরযোগ্য আলেমদের কাছ থেকে অথবা তাঁদের লেখা বই কিংবা তাঁদের বক্তব্য থেকে জ্ঞান অর্জন করতে হবে ৷ এক্ষেত্রে অনির্ভরযোগ্য কিংবা যথেষ্ট জ্ঞানী নয় এমন কোন উৎসকে পরিহার করতে হবে ৷
ফারহাআঁখি লিখেছেন : অনেক ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্টের জন্য।
২১
636757
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:৫১
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : জ্ঞানার্জনের জন্য সাম্প্রতিক সময়ের আলেমগণের মুখাপেক্ষী হওয়া জরুরী, কেননা তাঁরাই অতীতের জ্ঞানী ব্যক্তিদের লেখনী/বক্তব্যকে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম ৷ নতুবা, প্রাথমিক পর্যায়ের একজন শিক্ষার্থী সরাসরি প্রাচীন বইপত্র ঘেঁটে কোন বিষয়কে বুঝতে চাইলে, ভুল হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে (শুধু ইসলামী জ্ঞান নয়, বরং জ্ঞানের যে কোন শাখার ক্ষেত্রেই এ কথা সত্য)৷
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : আস্সালামু আলাইকুম। আমি মিলন মেলাকে ভালবাসি। আর যাঁরা মিলন মেলাকে ভালবাসে। এখানে যাঁদের বিচরণ, তাঁদেরকের আমি ভালবাসি। আমার ঘরে মিলন মেলায় আপনাকে স্বাগতম
আর সাথে আপনাকে ভালবাসার আপ্যায়ণ করছি
২৭
636796
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:২০
আবু তাহের মিয়াজী লিখেছেন : নবী করীম (সা) বলেন, আমি মানুষের নৈতিক-গুণ মহাত্মকে পূর্ণতার স্তরে পৌঁছে দেয়ার জন্যই প্রেরিত হয়েছি। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক)
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : আপনি সুন্দর কথা বলেছেন। শুকরান
২৮
636802
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:২৪
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : শিক্ষার উদ্দেশ্য কি? কারো মতে শিক্ষার উদ্দেশ্য হলঃ আত্ম উপলদ্ধি। আবার কেউ বলেছেনঃ শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো মিথ্যার বিনাশ আর সত্যের আবিষ্কার। আবার কারো মতে শিক্ষার উদ্দেশ্য হলঃ সুন্দর বিশ্বাসযোগ্য ও পবিত্র জীবনের উপলব্ধি।
কেউ বলেছেনঃ শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো, চরিত্র গঠন, পরিপূর্ণ জীবনের জন্য প্রস্তুতি এবং ভালো দেহ ভালো মন গড়ে তোলা।
আর ইসলামী শিক্ষা বলতে আসলে কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষাকেই বুঝানো হচ্ছে। বলাবাহুল্য যে, এ শিক্ষার চূড়ান্ত উদ্দেশ্য দুনিয়া ও আখিরাতের সর্বেসর্বা আল্লাহর পরিচয় লাভ করা। আল্লাহর পরিচয় এবং তাঁর কাছে জবাবদিহিতার ভয় তথা তাকওয়াই পারে মানুষকে মানুষ বানাতে। একজন মুত্তাকী বা আল্লাহভীরু ব্যক্তি লোকসমাজে শিক্ষিত বা অশিক্ষিত যা বলেই গণ্য হোন না কেন, তাঁর হাতে কেউ অনিষ্টের শিকার হবে না। তিনি যেদিকেই যাবেন শুধু আলোই ছড়াবেন। তাঁর হাত ও মুখের অনিষ্ট থেকে পরিবেশ, প্রতিবেশি ও প্রাণীকুল- সবই নিরাপদ থাকবে।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:২৪
629296
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : পড়ে ভাল লাগল,শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। সুন্দর ও মানসম্মত লেখা আরো চাই। শুভ কামনা রইল।
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : অনেক অনেক অনেক সুন্দরতায় ভেরি নাইস কমেন্ট হইছে
অনেক ধন্যবাদ
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১১:১৯
629680
কান্ডারী লিখেছেন : খুব সুন্দর হয়েছে। খুব ভাল লাগল। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
২৯
636804
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:২৬
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজের অবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে অধিক গুরুত্ব দেয়া উচিৎ, অন্যের অবস্থা, অনাগত কিংবা দূরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে অতিরিক্ত কালক্ষেপণ কল্যাণকর নয় ৷ (বিশেষত অন্যের দোষ ধরার চেয়ে, নিজের দোষ-ত্রুটির প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত৷)
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:০৫
629357
ফারহাআঁখি লিখেছেন : অন্যের দোষ ধরার চেয়ে, নিজের দোষ-ত্রুটির প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত৷ ধন্যবাদ।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:২১
629417
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : নাইস উপদেশের জন্য নাইস পুরষ্কার
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১১:১৯
629681
কান্ডারী লিখেছেন : চমৎকার কথা বলেছেন। জাযাকাল্লাহু খাইরান।
৩০
636813
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:৩১
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : জ্ঞানার্জনের জন্য শিক্ষা ব্যাবস্থা কেমন হওয়া চাই?
বাংলাদেশের প্রচলিত শিক্ষানীতি আদর্শিক দিক দিয়ে দুই ধারায় বিভক্ত। একটি ধারার আদর্শিক ভিত্তি হলো সেক্যুলারিজম, জাতীয়তাবাদ ও বস্তুবাদী প্রগতিবাদ। এ ধারায় সেক্যুলার টাইপের ধর্ম শিক্ষাকে লেজুড় হিসেবে জুড়ে দেয়া হয়েছে। অপরটি হলো ধর্মীয় ধারা।
প্রথম ধারার শিক্ষা আমাদের ছাত্র ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে বিশ্বাস, দৃষ্টিভঙ্গি ও নৈতিক দিক থেকে দেউলিয়া ও মেরুদণ্ডহীন করে ছাড়ছে। আর দ্বিতীয় তথা দীনি ধারার শিক্ষা একদিকে যেমন পূর্ণাঙ্গ ইসলামি শিক্ষা নয়, তেমনি আধুনিক বিশ্ব পরিচালনার উপযুক্ত ও দক্ষ লোক তৈরি করতে ব্যর্থ। তাই বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজন এমন একটি শিক্ষানীতি, যা একদিকে হবে ইসলামি জীবন ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান দানকারী, গবেষক ও মুজতাহিদ উৎপাদনকারী এবং ইসলামের শাশ্বত মূল্যবোধের ভিত্তিতে সর্বোত্তম নৈতিক চরিত্র নির্মাণকারী। অপরদিকে এ শিক্ষানীতি হবে যুগ চাহিদার ভিত্তিতে জীবনের সকল ক্ষেত্রে দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি সরবরাহকারী।
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : ওয়া আলাইকুম সালাম। আমি মিলন মেলাকে ভালবাসি। আর যাঁরা মিলন মেলাকে ভালবাসে। এখানে যাঁদের বিচরণ, তাঁদেরকের আমি ভালবাসি। আমার ঘরে মিলন মেলায় আপনাকে স্বাগতম
আর সাথে আপনাকে ভালবাসার আপ্যায়ণ করছি
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:৩০
629447
সাদিকরুবেল লিখেছেন : ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।আজকের মিলন মেলায় নাইচ ভাইয়ের বাড়ীতে সাদিকরুবেলের ব্লগের পক্ষ থেকে স্বাগতম ও শুভেচ্ছা সবাই ভাল আছেন। ভালো ভাবে মিলন মেলাকে পরিপূর্ণ করুন সেই প্রত্যশায়।
ফারহাআঁখি লিখেছেন : ইসলামের শিক্ষা হলঃ কোন মুসলিম জাগতিক জ্ঞান নিয়ে যতই মগ্ন থাকুক না কেন, কল-কারখানা ও পরীক্ষাগারে জাগতিক জ্ঞানের যতই প্রয়োগ ঘটাক না কেন, কোনো অবস্থাতে, কোনো সময়ে ফরয ইবাদত আদায়ের ব্যাপারে তাদের গাফেল হওয়ার সুযোগ নেই। আর ইলমে দ্বীন তাকে তার ইবাদত-বন্দেগী আদায়ের সঠিক নির্দেশনা প্রদান করে। বিশেষভাবে পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের কথা বলতে হয়। সালাত হচ্ছে ইসলামের ভিত্তি। কোনো গবেষণা ল্যাবে অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অথবা অফিস-আদালতে কর্মব্যাস্থ থেকে সালাত পরিত্যাগ করার কোনো সুযোগ নাই। এটা হল ইসলামী শিক্ষার মূল কথা।
আবু সাইফ লিখেছেন : """জ্ঞান অর্জন না করে/ কোন বিষয় ভালভাবে না না জেনে তার থেকে কোন সুবিধা পাওয়ার আশা করা একটা বোকামী। না জেনে সৎআমল মনে করে সওয়াবের আশা করা ঠিক না। এভাবে যত কিছুই করা হোক, কোন কিছুই কাজে আসবে না। ""
এ কথা পূরোপুরি ঠিক নয়!
"""জ্ঞানহীনে মুসলিম থাকার কোন অধিকার কারো নাই। দাবী করারও কোন যৌক্তিকতা নাই। কেয়ামতের ময়দানে জানি না বলে আল্লাহর কাছে কোন দাবী আদায়ের বাসনা নিসক বোকামী ছাড়া আর কিছু না!"""
কুরআন হাদিস আপনার এ বক্তব্য সমর্থন করেনা
""আল্লাহ কাউলে তার সামর্থের বেশী বোঝা চাপিয়ে দেননা""
"প্রত্যেককেই তার জ্ঞান অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদ করে হবে"
""সবার জন্য সব বিষয়ের জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব নয়""
""তোমরা যা জানোনা তা যারা জানে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করে নাও""
""মুমিন গুনাহ করেনা অজ্ঞতা ছাড়া""
""আর অজ্ঞতাবশতঃ গুনাহ করে ফেলেলে তারা আল্লাহর কাছেই ক্ষমা চায়""
সময়াভাবে আর পারছিনা
চরম পন্থা মুসলমানদের বড় দুশমন। এটাকে যে চিনতে না পরে সে সীমালংঘণ করে ফেলে এবং যা তার মালিকানায় নয় তাতেও হস্তক্ষেপ করে বসে।
এসব বিষয়ে সাবধান হওয়া/থাকা উচিত। আবেগের বশে বেশী কথা বলা অত্যণ্ত ক্ষতিকর- নিজের জন্য এবং সমাজের জন্যও!
আল্লাহতায়ালা ক্ষমা করুন।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:২৮
629435
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : এ ব্যাপারে বিজ্ঞজনেরা তাঁদের যুক্তি কুরআন হাদিসের আলোকে অবশ্যই তুলে ধরবেন আশা করি। মিলন মেলায় আপনাকে স্বাগতম
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:৩৭
629454
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : পোস্টদাতা মাহমুদ নাইস এর বক্তব্যকে আপনি ভূল বলতে পারেন না। উনি জ্ঞানার্জনের পক্ষে ইসলামের কথাকেই উপস্থাপন করেছেন। এবং কেয়ামতের দিনে "জানি না" বলে পার পাওয়ার কোনই সুযোগ নেই। তবে হা, সবার জন্য ইসলাম নিয়ে পাণ্ডিত্য অর্জন করার কথা ইসলাম বলেনি এবং আমাদের পোস্টদাতাও বলেননি।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১০:৩৯
629590
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : আমিন উদ্দিন ভাই, সাইফ ভাই কিন্ত- ১। কতগুলী ভুল ধরে গেছেন। ২। আমাকে বেশি কথা বলি ৩। কম শিক্ষিত বলেও মন্তব্য করেছেন। ৪। আমি সমাজের জন্য ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেছেন। ৪। আবার চরম পন্থী বলেও উল্লেখ করেছেন। ৫। আমি মুসলমানের বড় দুশমন বলেছেন। ৬। সীমালঙ্ঘনকারী বলেছেন।
আমি উনাকে এভাবে বেশি শিক্ষিত বলে বা আমার বিপরীত ভাল ভাল গুণের অধিকারী হবেন বলে বড় করতে চাই না। তবে উনি আমার পোষ্টের আলোকে আমাকে পোষ্টের লেখার আলোকে আমাকে কেন এমন মন্তব্যগুলো করেছেন? তার যুক্তি কুরআন ও হাদিসের আলোকে চাই-ই চাই!!!!! নয় তো সাইফ ভাইকে আমি দুর্বল জ্ঞানের অধিকারী বলব। আর উনাকে মানুষের মাঝে বিশৃংখলা সৃষ্টিকারী বলে জানব। আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে যেন চালান। আমিন!
একটা কথা বলে রাখি, আমার পোষ্ট মানেই সাইফ ভাইয়ের কিছু না কিছু পরামর্শ। আর আমাকে ছোট করার মানসিকতা। আজ আমি উনাকে একটা উপদেশই দিব। যদিও আমি আপনার খুব ছোট, আপনার বড়ত্বের ভাবটা আপনি ছোটদের কাছে রাখা উচিৎ। ছোটরা আছে বলেই বড়দের কদর। বড়রা বড়দের কদর করবে কি? ছোটরাই বড়দের কদর করে।
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১০:৫৩
629612
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : (١) قل هل يستوى الذين يعلمون والذين لايعلمون – انما يتذكراولوا الألباب অর্থ : বলুন, (হে নবী!) যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান হতে পারে? বুদ্ধিমান লোকেরাই তো নসীহত কুবল করে। (সুরা যুমার- ৯) (٢) انما يخشى الله من عباده العلماء অর্থ : বস্তুতঃ আল্লাহর বান্দাহদের মধ্যে কেবল ইল্ম সম্পন্ন লোকেরাই তাঁকে ভয় করে। (সূরা ফাতির-২৮) (١) قال رسول الله صــ طلب العلم فريضة على كل مسلم অর্থ : প্রতিটি মুসলিম নর-নারীর জন্য ইলমে দ্বীন শিা করা ফরজ। (ইবনে মাযাহ) (٢) قال رسول الله صــ تدارس العلم ساعة من الليل خيرمن احيائها অর্থ : রাতের কিছু সময় ইলমে দ্বীনের পারস্পরিক আলোচনা করা, সারারাত জেগে ইবাদাত করা অপো উত্তম। (দারেমী) ربنا وابعث فيهم رسولا منهم يتلوا عليهم ايتك ويعلمهم الكتاب والحكمة ويزكيهم- انك انت العزيزالحكيم অর্থ : হে আমার রব! তাদের প্রতি তাদের জাতির মধ্য হতে এমন একজন রসূল প্রেরণ কর, যিনি তাদেরকে তোমার আয়াতসমূহ পাঠ করে শুনাবেন, তাদের কিতাব ও হিকমত শিা দান করবেন এবং তাদের বাস্তব জীবনকে পরিশুদ্ধ করবেন। তুমি নিশ্চই বড় শক্তিমান ও বিজ্ঞ। (সূরা বাক্বারা- ১২৯) قال رسول الله صــ بعثت لا تم مكارم الا خلاق অর্থ : নবী করীম (সা) বলেন, আমি মানুষের নৈতিক-গুণ মহাত্মকে পূর্ণতার স্তরে পৌঁছে দেয়ার জন্যই প্রেরিত হয়েছি। (মুয়াত্তা ইমাম মালেক)
আবু সাইফ লিখেছেন : """জ্ঞান অর্জন না করে/ কোন বিষয় ভালভাবে না না জেনে তার থেকে কোন সুবিধা পাওয়ার আশা করা একটা বোকামী। না জেনে সৎআমল মনে করে সওয়াবের আশা করা ঠিক না। এভাবে যত কিছুই করা হোক, কোন কিছুই কাজে আসবে না। "" [এ কথা পূরোপুরি ঠিক নয়!
[এভাবে যত কিছুই করা হোক, কোন কিছুই কাজে আসবে না]এটুকু ঠিক নয়!
নিয়্যত অনুযায়ী জাযআ পাবে, তবে ভুলের/অজ্ঞতার স্বীকৃতি ও জানার প্রচেষ্টা থাকতে হবে এবং ক্ষমাচাওয়া অব্যাহত রাখতে হবে!
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১১:২৭
629714
মোহাম্মদ লোকমান লিখেছেন : সুন্দর পোস্টের জন্য নাইস ভাইকে অনেক ধন্যবাদ। নাইস ভাইয়ের প্রতি অনুরোধ থাকবে, আবু সাইফ ভাইয়ের কথাগুলো বিশ্লেষণ করে বুঝে নেয়ার জন্য। ধন্যবাদ।
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১২:৪৭
629857
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : ভাই আবু সাইফ! আপনার কথাগুলোও পূরোপুরি ঠিক নয়। আপনার প্রথম কথা আর শেষের কথার মধ্যেও মিল নেই। কারণ, প্রথমে আপনি মাহমুদ ভাইকে অনেক দোষারূপ করেছেন আর শেষের মন্তব্যে আপনার কথার মধ্যে একটা শর্ত লাগিয়ে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। কথাটি হলঃ নিয়্যত অনুযায়ী জাযআ পাবে, তবে ভুলের/অজ্ঞতার স্বীকৃতি ও জানার প্রচেষ্টা থাকতে হবে এবং ক্ষমাচাওয়া অব্যাহত রাখতে হবে! " এই শর্তটি যদি পূর্বেই লিখে দিতেন তাহলে মাহমুদ ভাই হয়ত দুঃখ পেত না। মাহমুদ ভাইর মূল পোস্ট ভাল করে পড়লে আপনার প্রশ্নও হয়ত থাকত না। কাজেই কাউকে ছোট করে দেখার মধ্যে কোন কল্যাণ নেই বরং অকল্যাণই রয়েছে। মাহমুদ ভাইকে বলছি! আপনার লেখার মধ্যে কোন ত্রুটি নেই। তবে আমার মনে হয়, ব্যাপারটি "দেখতে নারী তার চলন বাকা"র মতই হয়েছে!!!!!!!! অতএব! বিচলিত হবার কিছু নেই, চালিয়ে যান। ধন্যবাদ
১। কতগুলী ভুল ধরে গেছেন : ভুল ধরা/বলা হয়নি, অসম্পূর্ণতার কথা বলা হয়েছে! কিছু কথা কুরআন-সুন্নাহর সাথে না মেলার কথা বলা হয়েছে!
২। আমাকে বেশি কথা বলি : "আবেগের বশে বেশী কথা বলা অত্যন্ত ক্ষতিকর" বলা হয়েছে। [বেশী বলা হয়েছে এমন একটামাত্র উদাহরণ দিলাম ""এভাবে যত কিছুই করা হোক, কোন কিছুই কাজে আসবে না"" আরো আছে]
৩। কম শিক্ষিত বলেও মন্তব্য করেছেন : যে নিজেই কম শিক্ষিত সে অপরকে তা বলতেই পারে
আমি যে কখনো শিক্ষিত হতে পারবো- এমন কল্পনা করতেও ভয় পাই! [শিক্ষিত হওয়া শেষ হয়েছে, কমতি নেই- এমন কাউকে জানলে দয়া করে আমাকে জানাবেন। আর আপনার ছাত্র তো আছি-ই]
৪। আমি সমাজের জন্য ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেছেন। : শেষেরটার সাথে বলছি
৪। আবার চরম পন্থী বলেও উল্লেখ করেছেন। : শেষেরটার সাথে বলছি
৫। আমি মুসলমানের বড় দুশমন বলেছেন। : শেষেরটার সাথে বলছি
৬। সীমালঙ্ঘনকারী বলেছেন। : সমাজের জন্য ক্ষতিকর, চরমপন্থী, মুসলমানের বড় দুশমন ও সীমালংঘণকারী- এ চারটি দোষের মূল হলো চরমপন্থা- বাকিগুলোকে এটা থেকে আলাদা করা যায়না।
চরমপন্থা কাকে বলে? গন্তব্যে যাবার জন্য সহজ ও মধ্যম পথ থাকা সত্বেও কঠিন দুর্গম পথ অনুসরণ করা! সহজ কথায় যেসব বিষয়ে অনেক উপায় বা অভিমত আছে সেসবের জন্য প্রান্তিকতাকে গ্রহন করা এবং আপরাপরগুলোকে প্রত্যাখ্যান করা!
আপনি বলেছেন :-
""মুসলিম মানেই একজন জ্ঞানী। একজন আলেম। একজন আদর্শ মানব। আদর্শ চরিত্রের অধিকারী। মুসলিম মানেই পড়াশুনাকারী, অধ্যয়নকারী, জ্ঞান চর্চাকারী, সত্যের সাধনা কারী ইত্যাদি গুণ সমৃদ্ধ আসল মানুষ। সুতরাং, জ্ঞান অর্জন না করে/ কোন বিষয় ভালভাবে না না জেনে তার থেকে কোন সুবিধা পাওয়ার আশা করা একটা বোকামী। না জেনে সৎআমল মনে করে সওয়াবের আশা করা ঠিক না। এভাবে যত কিছুই করা হোক, কোন কিছুই কাজে আসবে না।""
আমি একটা একটা করে বলি-
মুসলিম মানেই একজন জ্ঞানী। - "জ্ঞানী" নয়, এটা হবে "..জ্ঞান অন্বেষণকারী"
একজন আলেম। : না, এটা হবে "ত্বালিবুল ইলম"
একজন আদর্শ মানব। : না, এটা হবে "একজন আদর্শ মানব-এর নিষ্ঠাবান অনুসারী [কিয়ামত পর্যন্ত আদর্শ মানব একজনই- তিনি মুহাম্মাদুর রসুলুলল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম]
আদর্শ চরিত্রের অধিকারী। - না, -ঐ- -ঐ- একই কথা
মুসলিম মানেই পড়াশুনাকারী, অধ্যয়নকারী, জ্ঞান চর্চাকারী, সত্যের সাধনা কারী ইত্যাদি গুণ সমৃদ্ধ আসল মানুষ। - পূরোটাই প্রায় সঠিক, "আসল" শব্দটি বাদে; অন্য কোন বিশেষণ খুঁজে লাগানো যেতে পারে- (আসল নয়)!
জ্ঞান অর্জন না করে/ কোন বিষয় ভালভাবে না না জেনে তার থেকে কোন সুবিধা পাওয়ার আশা করা একটা বোকামী। : একথা ঠিক নয়, সবার জন্য সমভাবে প্রযোজ্যও নয়! একটা উদাহরণ না দিলে হয়না: সলাত ঠিক হবার জন্য জরুরী পবিত্রতা- নাপাকীর কারণ জানা, কোনটার জন্য বিধান কী তা জানা ইত্যাদি; যেমন দেহের জন্য তেমনি পোশাক বা স্থানের জন্যও। আবার শুদ্ধ ক্বিরায়াত, ফরজগুলো জানা (বাদ পড়লে নামাজও বাদ), ওয়াজিবগুলো জানা (বাদ পড়লে সাহু সিজদা, না দিলে বাদ)। জাকাতের জন্য কোন্ কোন্ মালের জাকাত হয় তার নিসাব জানা, অন্যান্য শর্ত ও হিসাব জানা। রোযার জন্য ভংগের কারণ জানা। এখন বলুন আমাদের দেশের মুসলমানদের কত পার্সেন্ট এসবের কয়টা জানেন? তবে তাঁরা যে সারা জীবন সিজদা করে যাচ্ছেন রোজা রাখছেন এসবের কিছুই পাবেন না? সারা জীবনে যাঁদের তিনটা সুরাও শুদ্ধ করে শেখার সুযোগ হয়নি বা পারেন নি তাঁদের সব বরবাদ? দলিল কী এ কথার? শিখানো যাঁদের দায়িত্ব ছিল তাঁরা তা করেন নি বা এগুলো জানা জরুরী এটাও তাঁদের বোঝাননি এজন্য জবাবদিহিতা তাঁদেরই বেশী হবে!
আল্লাহতায়ালা কি একথা বলেন নি? "কাউকে তার সামর্থের বেশী বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়না" কার কতটুকু সামর্থ্য তা তো মহান রব ভালই জানেন!
হাদিসে কুদসীগুলো পড়লে আপনার এমনটাই মনে হবে যে একমাত্র অবাধ্যতাকারী অস্বীকারকারী বড়শির্ককারী বিদ্রোহী ছাড়া সকল গুনাহগার মুমিন শেষ পর্যন্ত পার পেয়ে যাবে!
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; দুপুর ১২:০৫
630273
আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : জ্ঞান অর্জন না করে/ কোন বিষয় ভালভাবে না না জেনে তার থেকে কোন সুবিধা পাওয়ার আশা করা একটা বোকামী। না জেনে সৎআমল মনে করে সওয়াবের আশা করা ঠিক না। এভাবে যত কিছুই করা হোক, কোন কিছুই কাজে আসবে না। ""
এ কথা পূরোপুরি ঠিক নয়!
সহমত
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; দুপুর ০২:০৫
630452
আবু সাইফ লিখেছেন : @মুফতি আমিনুদ্দীন : আপনি অনেক কথা বলেছেন; জাযাকাল্লাহ..
আমি কিছু না বললেও চলতো, কিন্তু ভুল বুঝাবুঝি থেকে যায় কিনা- এ ভয়ে বলছি, ভুল হলে আগাম ক্ষমা চাই!
আমি নিজে খুবই অজ্ঞ- এ বিষয়ে আমি সচেতন থাকতে চেষ্টা করি- তার পরও ভুল হয়ে যায়!
***********
আপনি যা বলেছেন : [আমার বক্তব্য]
ভাই আবু সাইফ! আপনার কথাগুলোও পূরোপুরি ঠিক নয়। [হতে পারে, কোনটা বেঠিক বুঝতে পারছিনা]
আপনার প্রথম কথা আর শেষের কথার মধ্যেও মিল নেই। [কোনটার সাথে কোনটার মিল নেই ?]
কারণ, প্রথমে আপনি মাহমুদ ভাইকে অনেক দোষারূপ করেছেন [দোষারোপ কিভাবে হয়েছে? আমি বলেছি "পুরাপুরি ঠিক নয়]
আর শেষের মন্তব্যে আপনার কথার মধ্যে একটা শর্ত লাগিয়ে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন [আমি যা জানি তা-ই বলেছি; এবং তিনি সেটা না বলার কারণেই "পুরাপুরি ঠিক হয়নি। "বৈধ করার চেষ্টা করেছেন" কথাটি বোধ হয় আমার উপর খাটেনা] কথাটি হলঃ নিয়্যত অনুযায়ী জাযআ পাবে, তবে ভুলের/অজ্ঞতার স্বীকৃতি ও জানার প্রচেষ্টা থাকতে হবে এবং ক্ষমাচাওয়া অব্যাহত রাখতে হবে!" [এটা উলামা/ফুকাহা কিরামের রায়, আমার নিজের কথা নয়]
এই শর্তটি যদি পূর্বেই লিখে দিতেন তাহলে মাহমুদ ভাই হয়ত দুঃখ পেত না। [আমি এখনো মনে করি মাহমুদ ভাই দুঃখ ভুলে গেছেন। সময়াভাবে তাড়াহুড়ো করে হাজিরা দিতে গিয়ে একটু আগ-পাছ হওয়াটা বোধ হয় এত বড় "অপরাধ" নয়]
মাহমুদ ভাইর মূল পোস্ট ভাল করে পড়লে আপনার প্রশ্নও হয়ত থাকত না। [আমি কারো পোস্ট আগাগোড়া না পড়ে বিষয়ের উপব মন্তব্য করিনা, এটাতেও সে নীতি অনুসরণ করেছ]
কাজেই কাউকে ছোট করে দেখার মধ্যে কোন কল্যাণ নেই বরং অকল্যাণই রয়েছে। [কাউকে ছোট করে দেখার অভ্যাসও আমার নেই। আমি কারো কোন বিষয়ে ঠিক মনে না করলে ষরাসরি বলি- তোষামুদে ভাব করতে অভ্যস্ত নই! কেউ এটা অপছন্দ করলে আমি তাকে ছেড়ে দেই। আমি বিশ্বাস করি মাহমুদ নাইস ভাই আমর এ কাজটা অপছন্দ করেন না। আমি নিজেই খু-উ-ব-ই ছোট মানুষ, আর সে বিষয়ে সচেতন থাকতেও চেষ্টা করি- অন্যকে ছোট ভাবার তো প্রশ্নই ওঠেনা!]
মুফতি আমিনুদ্দীন বলেছেন : মাহমুদ ভাইকে বলছি! আপনার লেখার মধ্যে কোন ত্রুটি নেই। [ত্রুটি যে আছে তা আমি বলেছি, এখনো বলছি, ত্রুটিগুলো ব্যাখ্যা করেছি, আমার ব্যাখ্যা বেঠিক হলে বলুন- আমি বরং খুশী-ই হবো নিজের বেঠিক জ্ঞান/বুঝ ঠিক করে নেবার সুযোগ পাবার জন্য!]
তবে আমার মনে হয়, ব্যাপারটি "দেখতে নারী তার চলন বাকা"র মতই হয়েছে!!!!!!!! [এটা যেহেতু আপনার ধারণা, এবং আল্লাহতায়ালা বলেন "বেশী বেশী ধারণা করা থেকে বিরত থাকো- কেননা কোনো কোনো ধারণা পাপের অন্তর্ভূক্ত"- তাই এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য/বক্তব্য নেই, এটা আপনার এবং আল্লাহতায়ালার মধ্যেকার ব্যাপার]
অতএব! বিচলিত হবার কিছু নেই, চালিয়ে যান। ধন্যবাদ [আমারও একই কথা- বিচলিত হবার কিছু নেই, চালিয়ে যান। ধন্যবাদ।]
[তবে বাড়তি কিছু কথা আমি মাহমুদ নাইস ভাইকে বলতে চাই:- তোষামোদকারী এবং ত্রুটির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণকারী- এ দুয়ের মধ্যে কোনটা আপনার জন্য অধিক কল্যানকর তা আপনাকেই ভেবে দেখতে হবে! তোষামোদ বা সামনাসামনি প্রশংসা শুনতে পছন্দ করলে আমি অক্ষমতা প্রকাশ করছি- আমি তা পারবোনা! আর ইতিবাচক সমালোচনা যদি আপনার পছন্দ না হয় তবে আমি সেটাও করতে আসবোনা]
*********
মুফতি আমিনুদ্দীন বলেছেন : মাহমুদ ভাইকে বলছি! আপনার লেখার মধ্যে কোন ত্রুটি নেই। কথাটি সঠিক নাকি প্রশংসার বাড়াবাড়ি তা আবারো ভেবে দেখতে অনুরোধ করি]
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সন্ধ্যা ০৭:১৩
630665
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : আস্সালামু আলাইকুল আবু সাইফ ভাই! অনেক কষ্ট করে অনেক সময় নষ্ট করে বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন আমিন উদ্দীন ভাই এবং আমার পোষ্টা আর কমেন্টস এর উপর ভিত্তি করে। আপনার পরের ৩টা মন্তব্যই আমার কাছে অত্যন্ত ভাল লেগেছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আর আসল কথা হচ্ছে, আমরা সবাই সচেতন বলেই নিজেরা নিজেদেরকে পবিত্র ভাবছি। জান্নাতের আশা করা প্রতিটা মুমিন হৃদয়ে এমন আশা করাটা স্বাভাবিক। ইচ্ছা না থাকলেও ভুল হয়ে যায়। আমারও হাজার ভুল হয়ে যায়। কিন্তু ভুলের উর্দ্ধে কেউ না। আমার মনে হয়, আমরা সবাই নিয়তের উপর সঠিক আছি। আর এখানে একটু ভুল বুঝাবুঝি হয়ে গেছে। সবাই সবাইকে মাফ করে দিই। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে শুভকামনা আর শুভেচ্ছা রইল। আল্লাহ আমাদের অনেক অনেক কল্যাণ দান করুন। আমিন।
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:০২
630729
আবু সাইফ লিখেছেন : @মাহমুদ নাইস ভাই: আপনার ব্যাপারে আমার ধারনা ও বিশ্বাস এমনটাই ছিল এবং আছে।
আবু তাহের মিয়াজী লিখেছেন : রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ
“জ্ঞান-বিজ্ঞান হল মুসলিমদের হারিয়ে যাওয়া সম্পদ। তাই যেখানেই তা পাবে সেখান থেকেই তা লুফে নেয়ার অধিকার থাকবে অন্যের চেয়ে তার বেশী।” (তিরমিজী)
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:৩০
629445
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : অনেক অনেক ধন্যবাদ হাদিসটি শেয়ার করার জন্য।
কান্ডারী লিখেছেন : চমৎকার কথা বলেছেন। জাযাকাল্লাহু খাইরান।
৩৮
636896
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:৩৪
সাদিকরুবেল লিখেছেন : আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।আজকের মিলন মেলায় নাইচ ভাইয়ের বাড়ীতে সাদিকরুবেলের ব্লগের পক্ষ থেকে স্বাগতম ও শুভেচ্ছা সবাই ভাল আছেন। ভালো ভাবে মিলন মেলাকে পরিপূর্ণ করুন সেই প্রত্যশায়।শিক্ষার শেষ নেই। শিক্ষার জন্য প্রয়যোনে চিন দেশে যেতে বলেছেন। সুশিক্ষত ব্যক্তিই জাতীই মেরুদন্ড। শুধু বই প্রস্তুকের জ্ঞান অর্জন নয় ইসলামিক জ্ঞান এহকালে এবং পরকালেই দুই স্থানেই মানুষের কল্যণ বয়ে আনে। তাই সবাই ইসলামের জন্য ধর্মর জন্য প্রতিদিন একটু একটু করে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করি।
সাদিকরুবেল লিখেছেন : প্রিয়/ সন্মানিত মিলন মেলার ব্লগার ভাই ও বোনরা আগামী ৬ তাং সোমবার আমার অঙিনায় বসবে মিলন মেলা । তাই সবাইকে আগাম শুভেচ্ছা ও নিমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আপনারা আমন্ত্রিত।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:৪০
629463
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : ভাই সাদিক রুবেল! আপনার তৈরী করা লেখাটি মিলন মেলার প্যানেল সদস্য হাবীবুল্লাহ আল কাসেম অথবা আমার বার্তায় পাঠিয়ে দেয়ার অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : আমাদের দেশের প্রতিটি স্কুল-কলেজের দরজা বা দেয়ালে লিখে দেওয়া হয় : ‘শিক্ষার উদ্দেশ্য মনুষ্যত্ব অর্জন’ এবং ‘শেখার জন্য এসো, সেবার জন্য বেরিয়ে যাও’।
শিক্ষার উদ্দেশ্য যদি মনুষ্যত্ব অর্জনই হয় তাহলে পশুত্ব ও পাশবিকতার এমন জয়জয়কার কেন চারদিকে?
মনুষ্যত্বের এত অভাব কেন সর্বত্র?
সেবার জন্যই জন্য শিক্ষিত, সার্টিফিকেটপ্রাপ্তরা বেরিয়ে এসে থাকেন তাহলে কেন সমাজের প্রতিটি স্তরে মানুষ ঠকাবার হরেক আয়োজন?
নিরেট সেবাখাতগুলোতেও কেন সেবা হয়ে উঠছে সোনার হরিণ?
উপরোক্ত বাক্যদ্বয় সঠিক হলে শিক্ষিতের হার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনাচার না কমে শুধু বেড়েই চলেছে কেন?
সামাজিক নানা অপরাধ ক্রমশ বৃদ্ধিই পাচ্ছে কেন?
সভ্যতা যত ওপরে উঠছে ততধিক নিচে নামছে কেন মানুষ? আগে মানুষ অন্যায় করে নিজেকে অপরাধী ভাবত, অন্যায়কারীর প্রতি মানুষের সম্মান তলানিতে গিয়ে ঠেকত। কিন্তু এখন কেন তার উল্টো হচ্ছে? দেদারছে অপরাধ করছে আবার দিব্যি বুক ফুলিয়ে বেড়াচ্ছে অনাচারিরা। সৎ ও নিষ্ঠাবান লোকের প্রতি অবহেলা ও অনাদর প্রদর্শন করা হচ্ছে। পক্ষান্তরে অসৎ, প্রতারকদের সালাম ঠুকা হচ্ছে!
এটা কি ইসলামী শিক্ষা বিবর্জিত শিক্ষা ব্যাবস্থার কুফল নয়?
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : আমাদেরকে শুধু শিক্ষা অর্জন বা জ্ঞানার্জন করলেই হবে না বরং জ্ঞানার্জন হতে হবে রব বা প্রতিপালক তথা আল্লাহকে সন্তুষ্টির নিমিত্তে। আমাদের গলদ আজ এখানেই। সবাই উপলব্ধি করছি পড়ার গুরুত্ব। সবাই গাইছি শিক্ষা ও বিদ্যার মাহাত্ম্য। অথচ এর সঠিক লক্ষ্যের কথা বেমালুম ভুলে যাচ্ছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীগুলোর দিকে তাকালেও আমরা এমন ধারণা পাই। আজ-কাল অনেকেই একথা স্বীকার করেন যে, ইসলামেই শিক্ষার প্রতি সবচে বেশি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একেবারে হক কথা। কিন্তু শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে আমরা যত বলছি, এর উদ্দেশ্য ও অর্জন নিয়ে ততটা বলছি না। এর ফলাফল নিয়ে ভাবছি না।
হারুন আযিযী নদভী লিখেছেন : আল্লাহ তাআলা জ্ঞানীদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে বলেনঃ তোমাদের মধ্যে যারা ঈমানদার এবং যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত, আল্লাহ তাদের মর্যাদা উচ্চ করে দিবেন। আল্লাহ খবর রাখেন যা কিছু তোমরা কর।(সূরা মুজাদালাহঃ ১১) অন্যত্র বলেনঃ দৃষ্টিমান ও দৃষ্টিহীন সমান নয়। সমান নয় অন্ধকার ও আলো। সমান নয় ছায়া ও তপ্তরোদ। আরও সমান নয় জীবিত ও মৃত। আল্লাহ শ্রবণ করান যাকে ইচ্ছা। আপনি কবরে শায়িতদেরকে শুনাতে সক্ষম নন। (সূরা ফাতিরঃ ১৯-২২) অন্যত্র বলেনঃ বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না; তারা কি সমান হতে পারে? চিন্তা-ভাবনা কেবল তারাই করে, যারা বুদ্ধিমান। (সূরা ঝুমারঃ ৯)
এই আয়াতসমূহ জ্ঞান এর গুরুত্ব বুঝার জন্য যথেষ্ট।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৪ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১১:২৪
629704
কান্ডারী লিখেছেন : খুব ভাল লাগল। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
হারুন আযিযী নদভী লিখেছেন : মিলন মেলার সব ঘোষণা পূর্বের ন্যায় সময় মত দিয়ে দেয়ার জন্য হাবীবুল্লাহ আলকাছেম এবং মুফতি আমিনুদ্দীন ভাইয়ের কাছে অনুরোধ থাকবে।
সিরাজ উল্লাহ লিখেছেন : ভাই এরকম আর কোন দিন পোষ্ট এ ছবি দিবেন না, কারণ যাহা বাস্তবে খাওয়া যায়না অথচ জিবে পানি এস য়ায়, অনেক কষ্ট হয়, আহ মনে হয় কি মধুর...........................................................................................................!
৫৭
637107
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১২:০৬
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : ৩৬ নং কমেন্টের জবাবে কয়েকবারই আমার এই জবাবটি দেয়ার চেষ্টা করেছি কিন্তু মন্তব্যটি প্রকাশ হচ্ছিল না। তাই সতন্ত্র কমেন্টের মাধ্যমে প্রকাশ করলাম।
ভাই আবু সাইফ! আপনার কথাগুলোও পূরোপুরি ঠিক নয়। আপনার প্রথম কথা আর শেষের কথার মধ্যেও মিল নেই। কারণ, প্রথমে আপনি মাহমুদ ভাইকে অনেক দোষারূপ করেছেন আর শেষের মন্তব্যে আপনার কথার মধ্যে একটা শর্ত লাগিয়ে বৈধ করার চেষ্টা করেছেন। কথাটি হলঃ
নিয়্যত অনুযায়ী জাযআ পাবে, তবে ভুলের/অজ্ঞতার স্বীকৃতি ও জানার প্রচেষ্টা থাকতে হবে এবং ক্ষমাচাওয়া অব্যাহত রাখতে হবে! "
এই শর্তটি যদি পূর্বেই লিখে দিতেন তাহলে মাহমুদ ভাই হয়ত দুঃখ পেত না। মাহমুদ ভাইর মূল পোস্ট ভাল করে পড়লে আপনার প্রশ্নও হয়ত থাকত না। কাজেই কাউকে ছোট করে দেখার মধ্যে কোন কল্যাণ নেই বরং অকল্যাণই রয়েছে।
মাহমুদ ভাইকে বলছি! আপনার লেখার মধ্যে কোন ত্রুটি নেই। তবে আমার মনে হয়, ব্যাপারটি "দেখতে নারী তার চলন বাকা"র মতই হয়েছে!!!!!!!!
অতএব! বিচলিত হবার কিছু নেই, চালিয়ে যান। ধন্যবাদ
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ০৮:৪৭
630042
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : ব্যাপারটি "দেখতে নারী তার চলন বাকা"র মতই হয়েছে!!!!!!!! আপনি ঠিকই ধরেছেন আমিন উদ্দীন ভাই। আমাকে এভাবে বার্তা দিয়ে নয়; মন্তব্যের ঘরে ইনসাল্ট করার চেষ্টা করেন উনি।
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; দুপুর ০২:২৮
630476
আবু সাইফ লিখেছেন : ৩৬ নম্বরে আমার কৈফিয়ত পেশ করেছি।
আপনাদের মনোকষ্টের কারণ হবার মত আমার মূর্খতার জন্য আল্লাহর ওয়াস্তে ক্ষমা চাই।
আবু সাইফ লিখেছেন : @মাহমুদ নাইস ভাই : আমাকে ইনসাল্ট করে বদলা নেবার জন্য বিনীত অনুরোধ রইল [আমি যে "ইনসাল্ট ফীল" করতে পারিনা এটাও এক দোষ]
৫৮
637133
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১২:২৯
সাদিকরুবেল লিখেছেন : আজ মিলন মেলার হিরো নাইচ ভাইয়ের প্রথম দিনেই মিলন মেলায় বাজিমাত করেছেন। আসলে সুন্দরে বিষয়ে পোষ্ট দিলে পাবলিক ভালই খায়।ধন্যবাদ
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১২:৪৭
629856
মুফতি আমিনুদ্দীন লিখেছেন : আপনিও আগামী মিলন মেলায় বাজিমাত করবেন ইনশাআল্লাহ। তৈরী হয়ে যান এবং আপনার টপিকটি আমাদের নিকট যতদ্রুত সম্ভব পাঠিয়ে দিন। ধন্যবাদ।
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : মিলনমেলায় স্বাগতম।
মিলন মেলাটা মূলত: কোন একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে কুরআন ও হাদিসের আলোকে একজন ব্লগার পোষ্ট দেন। আর বাকী ব্লগারগণ সেই অনুযায়ী আলোচনার উপস্থাপন করেন। মূলত: মিলন মেলায় জ্ঞান চর্চা হয়। আপনাকেও নিয়মিত আশা করি।
[-O
প্রবাসী আশরাফ লিখেছেন : মিলন মেলার শেষে এসে অবশেষে শেষ দিক থেকে প্রথম হবার আপ্রান চেষ্টা দিলাম...ভয়ে আছি কখন কোন দিক থেকে কোন আল্লাহর নেক বান্দা উড়ে এসে ছোঁ মেরে আমার এই শেষ দিক থেকে প্রথম হবার সফলাতা ছিনতাই করে নিয়ে যায়...
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : পরের দিন আসলে তো, শেষের দিক থেকে প্রথম হবার সম্মান কাড়তেই পারেন। কিন্তু আরো আছে পিছনে! আমার ঘরের মিলন মেলায় আপনাকে সাদর সম্ভাষণ। শুভেচ্ছা আর শুভ কামনা
৬২
637498
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ১১:৫৮
সাদিকরুবেল লিখেছেন : আশরাফ ভাই আমি থাকতে আপনি লাষ্ট হবেন কেন।
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : আপনাকেও অন্তর থেকে দোয়া আর মিলন মেলায় স্বাগতম, শুভ কামনা
৬৬
637693
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; দুপুর ০২:৩১
শাজিদ লিখেছেন : আপনার লেখাটি পড়ে মুগ্ধ হয়েছি, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।
-------------
আমি একজন মানুষ, মানুষের মধ্যে মহান আল্লাহ কৃপায় আমি মুসলমান, মুসলমানের মধ্যে আমি বাংলাভাষী, বাংলাভাষীর মধ্যে আমি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের নাগরীক। এই হচ্ছে সৃষ্টি ও অবস্থানগত আমার দুঁনিয়াবী পরিচয়। আমি মনেকরি দুঁনিয়ার সমস্ত মানুষ সৃষ্টি এবং অবস্থনগত এইভাবেই তার দুঁনিয়াবী পরিচয় বহন করে।
তবে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবাবে যেই পরিচয় নিয়ে হাজির হতে হবে তাহা হইল দুঁনিয়াবী পরিচয়ের একাংশের আলোকে অর্থাৎ দ্বীনি পরিচয়ের আলোকে, জিজ্ঞাসিত হবে তোমার "রব" কে?, তোমার দ্বীন কি? এবং তোমার নবী কে ছিলেন! ---------- এখানে জিজ্ঞাসিত হবেনা যে তোমার ভাষা কি ছিল?, তুমি জগতের কোথায় অবস্থান করতে? তুমি কত বড় নেতা ছিলে? তুমি কত ধন দৌলতের অধীকারী ছিলে? ইত্যাদি ইত্যাদি।
-----------------------------
আমি একটি হাদিস শরীফে পড়েছি প্রত্যেককে তার জোয়ান কাল সম্পর্কে কঠোর ভাবে জাবাবদিহি করতে হবে, অর্থাৎ জোয়ান কিভাবে অতিবাহিত করেছে। আমি ভীতসন্ত্রস্ত নিজের জন্য তাই মহান আল্লাহর দরবারে আমার গত হয়ে যাওয়া দিন গুলির যেই কোনো দোষক্রুটি ক্ষমা করেন এবং আগামী দিন গুলিতে ছহীহ সুন্নামতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের হুকুম আহকাম পালন পরিতে পারি।
---------------
একই ভবে চিন্তিত হই তাদের জন্যও যারা ছোটকাল থেকে নামাজ, দোয়া দরুদ, হারাম হালাল, আদব আখলাক, সততা নিষ্টতা, ইত্যাদির নূন্যতম জ্ঞান অর্জন করেন নাই এখন মক্তবে মাদ্রাসায় গিয়ে পড়ার শেখার বয়সও অতিক্রম হাওয়ার কারণে (অবশ্য জ্ঞান অর্জনের জন্য বয়স বিবেচ্য নয়) লজ্জবোধ করছেন অথচ তার দ্বীলে আল্লাহর ভয় এসেছে তিনি আমল করিতে চান কিন্তু আমলের জন্য যেই এলমের দরকার তাহা তার কাছে নাই। নামাজ সর্বউত্তম এবাদত দেখে দেখে রুকু সেজদা হয়ত শিখে নিলেন কিন্তু পড়লেন কি! কিংবা যাহা পড়েছেন তাহা ছহীহ শুদ্ধ কিনা! এই শ্রেনীর ভাইদের জন্য খুবই চিন্তা হয় মন চায় তাদের জন্য কিছু করি।
----------------------------
আমরা পোষ্ট দিই, অনেক বিষয়ে তর্ক করি, একমত হই এইগুলি কিন্তু আমাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। যারা দ্বীন সম্পর্কে চিন্তাই করেনা তারা হয়ত আমাদের পোষ্ট গুলি পড়েও না, আবার খো যায় কিছু এলিজাবেতেরা পড়ে কটুউক্তি করার করার জন্য কিন্তু ঐ ভাইয়েরা কোনো ভাবে উপকৃত হচ্ছেনা। তাদের উপকার করতে পারলে আমারাও "জযা খাইরের" অধীকারী হইতাম।
-----
যাই হউক, আপনার লেখাটি বেশ পছন্দ হয়েছে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : শাজিদ ভাই, অসাধারণ ভঙ্গিতে চমৎকার কয়টা ব্যাপার তুলে ধরেছেন। আসলে আমাদের সারাক্ষণ, সব জায়গায় এভাবে হিসেব করেই চরা উচিৎ। আপনাকে মিলন মেলায় স্বাগতম। আর শুভকামনাসহ শুছেচ্ছা
মোহাম্মদ নুর উদ্দীন
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম
রুম্মানা
মুফতি আমিনুদ্দীন
আবু তাহের মিয়াজী
মাহমুদ নাইস
সাদিকরুবেল
হারুন আযিযী নদভী
কান্ডারী
ফেনল
ফারহাআঁখি
সিটিজি৪বিডি
afia riza
জেদ্দা বাসি
আবু সাইফ
মোহাম্মদ লোকমান
আব্দুল্লাহ শাহেদ
রুবেল আহমদ জুবের
ফিকে স্বপ্ন
bajan
প্রবাসী আশরাফ
আরিফ এক্স
সরল কথা
আবদুল মান্নান মুন্সী
শাজিদ
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
৬৮
638169
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১০:৪০
পবিত্র লিখেছেন : ব্যস্ততার কারণে গতকালের মিলন মেলায় আসতে পারি নাই বলে দুঃখিত!!!
মিলন মেলার ১ম পোস্টে আপনাকে অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
৬৯
638263
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১১:২২
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : আজকের মিলন মেলার সেরা কমেন্টদাতা নির্বাচক ব্লগার কান্ডারী।
সেরা কমেন্টদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন : মুফতি আমিনুদ্দীন। আমরা তার উজ্জল ভবিষ্যত কামনা করি।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
৭০
638264
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১১:২২
হাবীবুল্লাহ আল কাছেম লিখেছেন : আজকের মিলন মেলার সেরা কমেন্টদাতা নির্বাচক ব্লগার কান্ডারী।
সেরা কমেন্টদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন : মুফতি আমিনুদ্দীন। আমরা তার উজ্জল ভবিষ্যত কামনা করি।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ১০:৩১
631506
মাহমুদ নাইস লিখেছেন : পুরষ্কার দেখি সাথে সাথে!!
শুভেচ্ছা দুই জনকেই
৭১
638402
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০১:১০
সাদিকরুবেল লিখেছেন : একজন মানুষের জীবনকে সুন্দরভাবে পরিচালিত করার জন্য প্রয়োজন সুশিক্ষা। যে শিক্ষার আলোকে-ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে পরিবার-সমাজ তথা দেশকে ভাল কিছু উপহার দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে প্রত্যেকেই। কিন্তু এ প্রকৃত শিক্ষা আমরা পাবো কোথায় থেকে? আমাদের দেশে কি এমন শিক্ষানীতি প্রণীত হয়েছে যে, যা থেকে আমরা প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি? যে কোনো সমাজ সচেতন মানুষ এক বাক্যে স্বীকার করতে বাধ্য, আমাদের দেশে যে ভংগুর শিক্ষানীতির ছত্রছায়ায় শিক্ষার্থীরা শিক্ষা গ্রহণ করছে, তা কোনভাবেই প্রকৃত মানুষ সৃষ্টি করতে পারে না।
islamic news
বলা বাহুল্য যে, শিক্ষার প্রকৃত লক্ষ্য হলো প্রকৃত মানুষ সৃষ্টি করা। কিন্তু খুব দুঃখের সঙ্গেই বলতে হয় যে, পৃথিবীব্যাপী শিক্ষার যদিও আশাতীত প্রসার লাভ ঘটেছে বলে অনেকে মনে করেন, কিন্তু আমি তা মানতে পারছি না। কারণ, প্রকৃত মানুষ কিংবা পূর্ণাঙ্গ মানুষ কোথাও তৈরী হচ্ছে বলে আমি মনে করি না। কেউ যদি মনে করেন, এটা আমার বাড়াবাড়ি কিংবা মনগড়া কথা, তাহলে আমার এ ব্যাপারে বলার কিছু নেই। তবে আমি এটা সরাসরি বলতে পারি, পৃথিবীর সর্বশীর্ষে সমাসীন পর্যন্ত শিক্ষা ও পান্ডিত্যের অধিকারী হয়ে যখন একজন মানুষ হয় লম্পট, চোর, বদমাইশ এবং অসভ্যতার কোনটাই তার মাঝে বাকি থাকে না, তখন নিশ্চয়ই তাকে মানুষ বলা যায় না; কোনভাবেই তাকে প্রকৃত শিক্ষিত বলে গণ্য করা যায় না। যদি কেউ একে শিক্ষিত বলে মনে করেন, আমি বলবো, তিনি শিক্ষা ও শিক্ষিতের প্রকৃত সংজ্ঞা জানেন না বলেই 'শিক্ষা ও শিক্ষিত' শব্দটিকে লেজেগোবরে করে ফেলছেন।
আমি আরো একটু গভীরে গিয়ে যদি বলি, যে প্রকৃত শিক্ষা তথা শিক্ষিত মানুষ দেশ তথা বিশ্বে খুঁজে পাওয়া বিরল, তাহলে নিশ্চয়ই পাঠকমহল আমাকে পাগলও বলতে পারেন। তবে যে যাই বলুক, আমার কথা হলো, আমরা প্রত্যেকেই মূর্খ্য কোনো না কোনো বিষয়ে। যা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। উদাহরণ স্বরূপ যদি বলি, তাহলে আবার আমার সে পুরোনো বাঁঁশিটির সুর শোনাতে হবে। যেমন-আমরা সকলেই জ্ঞান অন্বেষণ কালে জানবার জন্যই অধ্যায়ন করে থাকি। ভাল-মন্দও জানি পড়ার মাধ্যমে। কিন্তু পড়া যখন শেষ করি, তা কি আমাদের জীবনের সর্বক্ষেত্রে মেনে চলি? নিশ্চয়ই না। আর যদি মেনেই চলতাম, তাহলে কেনই বা মিথ্যার মতো জগন্য শব্দটি হতো আমাদের সঙ্গী? মানুষের অনিষ্ট কেনই বা হতো আমাদের দ্বারা? আর কেনোই বা সমগ্র বিশ্বব্যাপী নিজেদের আদিপত্য বিস্তারের অপপ্রয়াসে লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষকে নির্মমভাবে করা হতো হত্যা? এমনি করে অসংখ্য বিবেক বর্জিত, মানবতা বিরোধী, সুশিক্ষার পরিপন্থী জগন্যতম কর্মকান্ড বিশ্বের সর্বত্রই চলছে বিরামহীনভাবে তথাকথিত শিক্ষিত মানুষদের দ্বারা; বা চলমান শিক্ষার কারিকুলামে শিক্ষিত ব্যক্তি-গোষ্ঠী দ্বারা। যা কোনোভাবেই প্রকৃত শিক্ষা ও শিক্ষিত ব্যক্তি-গোষ্ঠীর পর্যায়ে পড়ে না।
আর এ কুশিক্ষা বা অশিক্ষার মোহে আমরা অন্ধ হওয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ভাল মন্দ বাছবিচার করার ক্ষমতাও আমরা হারিয়ে ফেলেছি। প্রত্যেক মানুষ জন্ম লাভের পর পরিবেশ থেকেই ভাল-মন্দ বিষয়ে শিক্ষা গ্রহণ করে। আস্তে আস্তে তার বয়স বাড়ার পাশাপাশি বিবেক-বুদ্ধি, প্রবৃত্তি তথা বোধশক্তি বৃদ্ধি পায় এটাই স্বাভাবিক। সে যে সমাজে বাস করে যেখানেই ভাল-মন্দ দৃশ্য দেখে, ভাল-মন্দ কথা বলতে শেখে, ভাল-মন্দ চিন্তা করে, ভাল-মন্দ কর্ম করতে শেখে। এমনি করে বয়স বাড়ার সাথে সাথে ভাল-মন্দ তার মস্তীষ্কে ধারণ হতে থাকে। পাশাপাশি কুপ্রবৃত্তি ও সু-প্রবৃত্তি ভাল-মন্দ বিষয়গুলো ভাগাভাগি করে নেয়। যখন দেখা যায়, খারাপত্বের প্রভাবে কৃপ্রবৃত্তি চাঙ্গা হয়ে ওঠে, তখন সুপ্রবৃত্তি অবদমিত হয়ে পড়ে। যে কারণে ভালদৃশ্য, ভালচিন্তা, ভালকাজ ও ভালকথা শোনাতে তার ভাল লাগে না। মানসিকভাবে বিকারগ্রস্থ হয়ে সে তখন দিশেহারা হয়ে ওঠে। তার বিবেক তখন কখনো তন্দ্রাচ্ছন্ন আবার কখনো ঘুমিয়ে পড়ে এবং এমনও দেখা যায় অনেকের বিবেক অর্ধ্বমৃত অবস্থায় পড়ে থাকে। আর যখন বিবেক সত্ত্বা পুরোপুরী বিনষ্ট হয়ে যায় তখন তার মৃত্যুই অনিবার্য।
যা মানব জীবনের সুস্থ চিন্তা-চেতনা থেকে অনেক দূরে সরিয়ে দেয়। এবং এক পর্য়ায়ে সে এই সুন্দর ধরণী থেকে বিদায় নেয় অনাকাঙিক্ষতভাবে। সমাজ ও জাতিকে ভাল কিছু উপহারের বদলে এমন কিছু ব্যধি ছড়িয়ে দিয়ে যায়, যা যুগ-শতাব্দী কিংবা হাজার বছর পর্যন্ত গড়ায়। আর তাহলো নিঃসন্দেহে কুশিক্ষা। আর এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সর্বাগ্রে ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে সত্য ও সুন্দরের চাষাবাদ করতে হবে। প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করে প্রকৃত মানুষ হতে হবে। তবে এ কাজটি এতো সহজ নয়। যারা প্রকৃত মানুষ হওয়ার সংকল্প করবে তাদের সর্ব প্রথম নিজের কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে; খারাপত্বকে পরিহার করে ভালত্বের সন্নিবেশ ঘটাতে হবে মস্তীস্কের মধ্যে।
এটা অবশ্য হুট করে সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে অনুশীলনে রপ্ত হয়ে যাবে আপনাআপনিই। প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহেও যদি আমরা আমাদের মস্তীস্কে জমে থাকা খারাপত্বের দিকগুলোকে কিছু কিছু করে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করি এবং ভালত্বকে গ্রহণ করি তাহলে দেখা যাবে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের সুপ্রবৃত্তি তথা বিবেক নামের পাঠশালার দোর উন্মেচিত হবে। বিবেকের কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর ভয়ে সকল খারাপত্ব পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। কুপ্রবৃত্তিরও প্রাণ যায় যায় অবস্থা হবে। আর তখনই আমরা যা পড়বো, যা জানবো তা আমাদের জীবনে যথাযথ প্রয়োগ করতে পারবো। এবং তখনই আমরা প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবো। এর চেয়েও বড় কথা, সভ্য মানুষ হতে প্রয়োজন ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা। ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থা যদি আমাদের মাঝে বিস্তার না ঘটে তাহলে কোনকালেই এ সকল সুস্থ চিন্তার বিকাশ ঘটবে না। আমরা পারবো না প্রকৃত আলোকিত মানুষ হতে। যে কারণে, একমাত্র ইসলামী শিক্ষা ব্যবস্থাই পারে আমাদের ব্যক্তি- পরিবার-জাতি- দেশ তথা বিশ্বকে সুস্থ ও সুন্দর জীবন-যাপনের পথ সুগম করতে।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
৭২
638582
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ০৮:৪৮
sotter pothik লিখেছেন : সময় মত আসতে না পারায় দুঃখিত। See you all next time inshallah.
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
৭৩
638772
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; দুপুর ১২:২৯
সিরাজ উল্লাহ লিখেছেন : এতো সময় লাগল কমেন্ট করতে, আমি তো আসতে পারিনাই দুঃখিত, যাক সবাইকে ধন্যবাদ যদিও আমি একটু পরে আসতে পেরেছি, আশাকরি পরে সঠিক সময়ে আসতে পরবো, আর মাহমুদ ভাইকে অনেক ধন্যবাদ বার্তা পাঠানোর জন্য।
অনেক ধন্যবাদ ভাই নাইস ।
মিলন মেলার প্রথম কমেন্টদাতা হিসাবে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ।