বাংলাদেশ নামের এ ভূখন্ডে ইসলামের বিধানের আলোকে একটি ইনসাফপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের প্রচেষ্টা দীর্ঘ দিনের। ছোট-বড় অনেক দল ও গোষ্ঠি এ প্রচেষ্টার অংশীদার হলেও ইক্বামতে দ্বীনের এ ধারাবাহিকতায় জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকাই মূখ্য হিসাবে পরিগণিত। শুধু ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাই নয়, এ অঞ্চলের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জামায়াতের ভূমিকাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না।
মনে হয় বর্তমানে জামায়াতে ইসলামী কাংখিত মান বজায় রেখে স্বীয় লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের চ্যলেঞ্জের সম্মুখীন। এই ‘চ্যলেঞ্জ’ যত না রাজনৈতিক ও আদর্শিক ...
কনসেপ্ট অফ গ্রাজুয়্যলিটি হলো একটি সহজ কিন্তু গভীরভাবে তাৎপর্য্যপূর্ণ প্রশ্নের সম্ভাব্য উত্তর। এটি একটি বুদ্ধিবৃত্তিক ও তাত্ত্বিক বিষয়। আমি এই প্রশ্নের এক ধরনের জবাব দিয়েছি এবং যে কেউ এর কোন সম্ভাব্য ও যুক্তিসংগত উত্তর দিতে পারে। ‘আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য সম্পূর্ণ করে দিয়েছি এবং আমার নিয়ামত তোমাদের প্রতি পূর্ণ করেছি আর তোমাদের জন্য ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসাবে কবুল করে নিয়েছি।’ - সুরা মায়েদা, ৩নং আয়াত। বিদায় হজ্বের সময়ে পবিত্র কোরআনের এই আয়াত নাযিল হওয়ার পূর্বে দ্বীন বা জীবনাদর্শ হিসাবে ইসলাম কি কমপ্লিট ছিলনা? ‘ … আজ পরিপূর্ণ করা হলো ... ’ এর মানে নয়কি যে...
প্রতিদিনকার মতো এস.বি. ব্লগ খুলে কিছু পোষ্টে নজর বুলিয়ে পেইজটা বন্ধ করার আগে সর্বাধিক পঠিত বাটনে ক্লিক করে দেখলাম। সকাল পৌণে দশটা। বাংলাদেশ সময়। মোট ২০টা পোষ্ট আছে ফার্স্ট পেইজে। তারমধ্যে ৮টি হলো নারীর অনাকাঙ্খিত যৌনতা সংক্রান্ত। বিষয়টা অন্য সময়েও খেয়াল করেছি। ইসলামপন্থীরা, বিশেষ করে মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের বিশেষজ্ঞরা নারীর যৌনতা বিষয়ক কোন ম্যটেরিয়্যাল পেলে ‘পরিশুদ্ধি’ ও ‘নিন্দা’র জন্য ঝাপিয়ে পড়েন। দুঃখিত, কাউকে হেয় বা আহত করার জন্য এটি বলিনি। এটি আমার নিতান্তই ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ। যৌনতা বিষয়ে দৃশ্যমান এই অতিসংবেদনশীলতা দেখে ভাবতে থাকি, বাম/নাস্তিকরা কেন আমাদের মতো ইসলামিস্টদেরকে ‘সেক্সিস্ট’ বলে গালি দ্যায় !!??
...
একদিন ভোরে একজন সহকর্মীর কাছে একটা মেইল করলাম। অন্য আরো ৫০জন সহকর্মীর কাছে এটির কপি পাঠালাম। ২০ জনের মতো প্রাপ্তি স্বীকার করে মেইল করেছেন। তন্মধ্যে কয়েকজন বিস্তারিত মন্তব্য করেছেন। উর্দ্ধতন পর্যায়ের যারা তাঁরা সাক্ষাতে মৌখিকভাবে বলেছেন, তোমার/আপনার মেইল পেয়েছি। ভাল, তবে … ইত্যাদি। নিয়মিত মেইল চেক করা ও উত্তর দেয়ার অভ্যাস এখনো [কাজের চাপে …! ] তাঁরা রপ্ত করতে পারেন নাই। মূল আলোচনাটা ইংরেজীতে ছিল। আমার পাঠানো মূল ই-মেইলটা এবং এর সূত্রে যে আলোচনা হয় তা পাঠকের জন্য তুলে ধরছি –
১. সম্পত্তি তথা অবকাঠামো ও আন্দোলন –
অবকাঠামো গড়ে তোলা দরকার। কিন্তু এর আগে দরকার সেই এস্টাবলিশমেন্টকে হজম করার মতো যোগ্যতা। পরিশ্রম করে, গায়ের জোরে, মুখস্ত করে, প্রবল ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভাল রেজাল্ট বাগিয়ে, চ্যানেল মোতবেক লেগে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার হয়েছেন। একই পন্থায় ড বিঃসর্গ ও একাধিক পোস্ট-ডক লাগিয়ে দেশে-বিদেশে পেপার-সিনোপসিস দিয়ে বেড়াচ্ছেন – এমন লোকজনকে দেখি; বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁরা ধান্ধাবাজ হিসাবে পরিচিত। আবার এমন বেশ কিছু শিক্ষক আছেন যাদের অনেকেরই তেমন কোন দ্বিতীয় ডিগ্রী ও প্রকাশণা নাই; অথচ তাঁরা একাডেমিশিয়ান হিসাবে সুপরিচিত ও দল-মত নির্বিশেষে সবার শ্রদ্ধেয়।
...
এসবি ব্লগের সকল তাত্ত্বিকদের সমীপে প্রশ্ন- একটা জনপদে একই সময়ে একটি মাত্রই শাসন-কর্তৃত্ব থাকে বা থাকতে পারে। দুজন রাজা বা প্রশাসক এক জায়গায় থাকতে পারেনা। তেমনি একটা জনপদে ইসলামী হুকুমতও সিঙ্গুলারই হবে। প্রশ্ন হলো- একটা জনপদে ইসলাম কায়েমের প্রচেষ্টাকারী দল কী শুধু একটাই হবে?
টোকা দিন এই খানে -
Click this link...
এসবি ব্লগের সকল তাত্ত্বিকদের সমীপে প্রশ্ন- একটা জনপদে একই সময়ে একটি মাত্রই শাসন-কর্তৃত্ব থাকে বা থাকতে পারে। দুজন রাজা বা প্রশাসক এক জায়গায় থাকতে পারেনা। তেমনি একটা জনপদে ইসলামী হুকুমতও সিঙ্গুলারই হবে। প্রশ্ন হলো- একটা জনপদে ইসলাম কায়েমের প্রচেষ্টাকারী দল কী শুধু একটাই হবে? আলাদা আলাদা হলেও মূল দলটির অনুমোদন অবলিগ্যটরি?
যদি তা হয়, তাহলে কি ইসলামী রাষ্ট্রে বহুদলীয় বা মতভিত্তিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা থাকবে ? না কি কম্যুনিস্টিক ধাঁচের সর্বাত্মকবাদী ব্যবস্থা থাকবে?
...
আসসালামু আলাইকুম। ব্লগে আপনার লিখা পড়ে অনেকদিন ধরে জমে থাকা একটা খটকা প্রশ্নের উত্তর কামনা করছি। বলতে পারেন, একপ্রকার চিন্তার বিনিময়, যা আপনার সব লিখতেই উত্সাহ দেয়া থাকে।
ধরুন, আজ থেকে ২০ বছর পর বাংলাদেশে একটা বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটল। আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ ভারত ক্রমান্নয়ে অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বের একটি পরাশক্তি হয়ে উঠলো, আর আমাদের বর্তমান অধপতিত গণতন্ত্র দিনে দিনে আমাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে এতটাই দুর্বল করে তুলল যে, ভারতের কাছে আমাদের অর্থনৈতিক প্রাপ্তির বিষয়টাই প্রাধান্য লাভ করলো। ফলে আমাদের বর্তমান "মুসলিম...
নামাজে মুক্তাদীগণ সুরা ফাতিহা পাঠ করবেন কি-না - এ বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের রেফারেন্সগুলোকে একত্রে বিবেচনা করলে প্রতীয়মান হয় যে, ইমামের সুরা ফাতিহা পাঠ মুক্তাদীর জন্য যথেষ্ট। কেউ যদি ইমামকে নামাজের শুরু থেকে না পান তাঁর পক্ষে সুরা ফাতিহা পাঠ সম্ভবপর নাও হতে পারে। মনে করুন, এমন ব্যক্তি যিনি ইমামকে ক্বিয়াম অবস্থায় পেয়ে তাক্ববীর উচ্চারণ করে জামাআতে শরীক হলো। দুআ/সানা পড়ে তিনি ফাতিহাতুল কিতাব পড়া শুরু করতেই ইমাম রুকুতে চলে গেল। এমতাবস্থায় উক্ত মুক্তাদী ইমামের অনুসরণ না করলে তাঁর নামাজ বাতিল হয়ে যাবে। কারন, তিনি সুরা ফাতিহা পড়া শেষ করে রুকুতে যাওয়ার আগেই ইমাম দাঁড়িয়ে যেতে পারেন। তিনি যদি সুরা...
জনাব আবদুল্লাহ আল মুনীর-এর দ্বীন কায়েম ও এর পদ্ধতি শীর্ষক অগ্রন্থিত (inconsistent) তথ্যবহুল পোষ্টটির বিষয়ে কিছু কথাঃ
http://sonarbangladesh.com/blog/abdullah_al_munir/57749 যেসব পয়েন্টে আমি উনার সাথে একমতঃ ১. সুন্নাহ মানেই করণীয় তথা ফরজ/ওয়াজিব নয়।
২. হিজরত জিহাদের পূর্বশর্ত নয়। এটি সহীহ।
৩. হিজরত ফরজ হয় অক্ষম হলে আর জিহাদ ফরজ হয়...
রাসূল (স.) কিভাবে ওহী পেয়েছেনঃ ইসলাম হলো দার্শনিকতার উৎকৃষ্টতম ফসল। দর্শনের মূলকথা হলো ইসলাম। রাসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন, সব ব্যাপারে মূল হলো আল-ইসলাম, নামাজ হলো এর ভিত্তি এবং জিহাদ এর চূড়া। রাসূল (স.) যখন হেরা পর্বতের গুহায় ‘ধ্যান’ করতেন, আসলে তিনি সেখানে কী করতেন? নিশ্চয়ই আমরা এখন যেভাবে বুঝি সেভাবে তিনি জিকির-মোরাক্বাবা করতেন না। সেখানে তিনি ঘুমাতেও যাননি। পালিয়েও থাকেন নি। দারুল আরকামের মতো একটি নিরাপদ স্থান হিসাবেও সেটিকে বেছে নেননি। তিনি ভাবছিলেন, গভীরভাবে, একটা সত্যিকারের জীবনাদর্শ কী হতে পারে, সত্য কী, ন্যায়ের চূড়ান্ত মানদন্ড কী হতে পারে, মানুষের মুক্তির...
‘মানুষ’ মানুষ হয়েছে দর্শন চর্চার মাধ্যমে। মানুষ জানতে চেয়েছে, অতিক্রম করে যেতে চেয়েছে। তাতে সে অর্জন করেছে প্রযুক্তি, গড়ে তুলেছে বিজ্ঞান। হয়েছে সভ্য। চোখ দিয়ে আমরা দেখি। কিন্তু চোখকে দেখিনা, যদি না আয়নার সামনে দাঁড়াই। তেমনি দর্শনে ডুবে থেকে মানুষ দর্শন সম্বন্ধে বেখবর হয়ে থাকে। বলে, ফিলোসফি ইজ ড্যড। দর্শনের দরকার নাই। দর্শনের বিরোধীতা করার ব্যাপারে আস্তিক, ধর্মবাদী, সংশয়বাদী ও নাস্তিক – সব ক্যটাগরির লোকদের একাংশের মধ্যে একধরনের ঐক্যমত লক্ষ্য করা যায়। স্টিফেন হকিংয়ের সর্বশেষ সাড়া জাগানো বইয়ের একটা চ্যাপ্টার হলো দর্শনের কথিত মৃত্যুর দাবী নিয়ে। এমনকি এসবি ব্লগের একজন অতিসম্মানিত বিদ্যজনও সম্প্রতি ইসলামের দিক থেকে দর্শনের বিরোধীতা করে পোষ্ট...
একটা কথা আমি প্রায়ই বলি, জামায়াতে ইসলামী একটা ইসলামী সিলসিলা, একটা জীবন্ত ঐতিহ্য। এই অতীব সত্য কথাটার সাথে একেবারে ভুল একটা কথা বলা হয়, জামায়াত করা ছাড়াতো আমাদের আর কিছু করার নাই। কারন, এটিইতো একমাত্র ........!!
আমি এটিও বুঝিনা, ইসলামের কর্মী হওয়ার জন্য, ইসলামের পক্ষে কাজ করার জন্য জামায়াত ত্যাগ বা জামায়াতের বিরোধিতা কেন জরুরী হবে ??? কারন, এরাতো অনেক ভালো ও গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছে যা এতটা পরিমাণে অন্যরা করছে না। গাড়ীটা কাংখিত গতিতে চলছেনা, তাই বলে কি রাস্তায়...
অনেক বড় লেখা। পড়লাম। সংক্ষেপে মন্তব্য দিয়ে ভুল বোঝাবুঝির শিকার হওয়া থেকে বাঁচার জন্য মন্তব্য না লিখতে চাচ্ছিলাম। তবু ক’লাইন লিখি -
ক। প্রায় সবার লেখাতেই প্রান্তিকতা দেখা যাচ্ছে। হয় জামায়াত, নাহয় নতুন একটা কিছু। আমি জামায়াতকে ডিফেন্ড করবো না, যদিও আমি জামায়াতের নিয়মিত রিপোর্ট রাখা বহু বছরের কর্মী। আবার জামায়াত-ডিসেকশান মজলিশেও আমি...