বুধবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ৩০ মে ২০১২; দুপুর ০৩:৩৫

যাদুল মাআদ বা পরকালের পাথেয়ঃ পর্ব-১৩

লিখেছেন আব্দুল্লাহ শাহেদ ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২, রাত ০৮:১৩

জুমআর দিনের ফজীলত ও বৈশিষ্টঃ
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমআর দিনকে খুব সম্মান করতেন। তিনি এই দিনের বেশ কিছু বৈশিষ্ট বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যেঃ
১) জুমআর দিনের ফজরের নামাযে তিনি সূরা আলিফ-লাম-মীম সিজদাহ ও ইনসান পাঠ করতেন। কেননা এই সূরা দু’টিতে জুমআর দিনে যা সংঘটিত হয়েছে এবং যা সংঘটিত হবে তা বর্ণিত হয়েছে।
২) জুমআর দিনে ও রাতে নবী সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর বেশী দরুদ পাঠ করা মুস্তাহাব। কেননা তাঁর মাধ্যমেই উম্মত দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ অর্জনে ধন্য হয়েছে। জুমআর দিনেই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় সম্মান অর্জিত হবে। কেননা এতেই তাদেরকে জান্নাতে তাদের ঘরসমূহে স্থান দেয়া হবে। তাতে প্রবেশের পর এ দিনেই তাদেরকে অতিরিক্ত নেয়ামতটি (আল্লাহর দর্শন) দান করা হবে। অতিরিক্ত পুরস্কারটি পাওয়ার সময় তারা তাদের প্রভুর নিকটবর্তী হবে। আল্লাহর বান্দাগণের মধ্যে হতে যারা জুমআর দিন দ্রুত জুমআয় উপস্থিত হবে ও ইমামের নিকটবর্তী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করবে সেই অনুপাতেই তারা আল্লাহর অধিক নিকটবর্তী হবে এবং অতিরিক্তি নিয়ামত প্রাপ্ত হবে।
৩) জুমআর দিন গোসল করার বিশেষ তাকিদ রয়েছে। এ দিনে গোসল করা ওয়াজিব হওয়ার দলীলগুলো গোপ্তাঙ্গ স্পর্শ করলে, নাক দিয়ে রক্ত বের হলে, বমি করলে অযু আবশ্যক হওয়ার দলীলসমূহের চেয়ে অধিক শক্তিশালী। এমনকি নামাযের শেষ বৈঠকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর সালাত পাঠ করা ওয়াজিব হওয়ার দলীলগুলোর চেয়েও অধিক মজবুত।
৪) জুমআর মিসওয়াক করা ও শরীরে খুশবু লাগানো মুস্তাহাব। এ দিনে সুগন্ধি ব্যবহার করা অন্যান্য দিনে তা ব্যবহারের চেয়ে অধিক ফজীলতপূর্ণ কাজ। জুমআর উদ্দেশ্যে সকাল সকাল বের হওয়া, আল্লাহর যিকিরে মশগুল থাকা এবং ইমাম উপস্থিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত নামাযরত থাকাও জুমআর দিনের অন্যতম বৈশিষ্ট।
৫) খুতবার সময় চুপ থাকা এবং মনোযোগ দিয়ে তা শুনা জুমআর দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ইমাম কর্তৃক খুতবা দেয়ার সময় চুপ থাকা ওয়াজিব। সূরা জুমআ, মুনাফিকুন, আ’লা এবং গাশীয়া দিয়ে জুমআর নামায পড়াও জুমআর দিনের অন্যতম বৈশিষ্ট।
৬) জুমআর দিন সুন্দর পোষাক পরিধান করা মুস্তাহাব।
৭) জুমআর দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট হচ্ছে পায়ে হেঁটে জুমআর নামাযে গমণকারীর জন্য প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর দিনে বেলা নফল রোজা রাখা ও রাতের বেলা তাহাজ্জুদ নামাযের ছাওয়াব রয়েছে।
৮) জুমআর দিনে বান্দার গুনাসমূহ ক্ষমা করা হয়।
৯) এই দিনে রয়েছে দুআ কবুলের একটি বিশেষ মুহূর্ত।
এ ছাড়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন জুমআর খুতবায় দাঁড়াতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেতো, আওয়াজ উঁচু হতো এবং চেহারা মোবারকে ক্রোধের লক্ষণ পরিলক্ষিত হতো। মনে হতো তিনি যেন কোন সেনাবাহিনীর আক্রমণের ভয় দেখাচ্ছেন এবং বলছেনঃ হে লোক সকল! প্রত্যুষে কিংবা সন্ধ্যায় তোমাদের উপর শত্র“রা ঝাপিয়ে পড়বে। তিনি খুতবায় আম্মা বাদ বলতেন। খুতবা সংক্ষিপ্ত করতেন এবং নামায দীর্ঘ করতেন। তিনি খুতবায় ইসলামের মূলনীতি ও শরীয়তের হুকুম-আহকাম বর্ণনা করতেন। কখনও কোন বিষয়ে মুসলমানদেরকে আদেশ বা নিষেধ করার প্রয়োজন পড়লে তিনি খুতবাতে আদেশ করতেন বা নিষেধ করতেন। যেমন তিনি খুতবার সময় প্রবেশকারী এক ব্যক্তিকে দুই রাকআত নামায আদায়ের আদেশ করেছেন। সময়ের প্রয়োজন অনুপাতে তিনি খুতবা দিতেন। মুসলমানদের মধ্যে অভাব-অনটন দেখা দিলে দান-খয়রাত করার আদেশ দিতেন এবং এর প্রতি তাদেরকে উৎসাহ দিতেন।
খুতবায় দুআ করার সময় কিংবা আল্লাহর যিকির করার সময় শাহাদত আঙ্গুল দিয়ে ইঙ্গিত করতেন।
অনাবৃষ্টি দেখা দিলে এবং বৃষ্টির প্রয়োজন অনুভব করলে তিনি খুতবাতেই বৃষ্টির জন্য দুআ করতেন। মসজিদে লোকেরা একত্রিত হয়ে গেলেই তিনি বের হয়ে আসতেন। মসজিদে প্রবেশ করেই সালাম দিতেন। মিম্বারে আরোহন করে উপস্থিত মুসল্লীদের দিকে মুখ ফিরিয়ে আরেকবার সালাম দিতেন। তারপর মিম্বারে বসতেন। এরই মধ্যে বেলাল (রাঃ) আযান দেয়া শুরু করতেন। আযান শেষ হলে তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা শুরু করতেন। খুতবা প্রদানকালে তিনি লাঠি বা ধনুকের উপর ভর দিয়ে দাঁড়াতেন। তাঁর মিম্বারে তিনটি সিঁড়ি ছিল। মিম্বার নির্মাণের পূর্বে তিনি খেজুর গাছের একটি গোড়ার উপর দাঁড়াতেন। মসজিদের মাঝখানে মিম্বার স্থাপিত হয় নি; বরং পশ্চিম পার্শ্বে স্থাপিত হয়েছিল। মিম্বার ও দেয়ালের মাঝে মাত্র একটি ছাগল চলাচলের দূরত্ব ছিল।
তিনি যখন জুমআ ছাড়া অন্যান্য সময় মিম্বারে বসতেন কিংবা জুমআর দিন খুতবা দেয়ার জন্য মিম্বারে দাঁড়াতেন তখন সাহাবীগণ তাঁর দিকে মুখ ফিরিয়ে বসতেন। তিনি দাঁড়িয়ে খুতবা দিতেন। তারপর সামান্য সময় বসতেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় খুতবা দিতেন। খুতবা শেষ করলেই বেলাল (রাঃ) একামত দেয়া শুরু করতেন।
তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন। তিনি বলতেনঃ জুমআর দিন খুতবার সময় যে ব্যক্তি তার পাশের ব্যক্তিকে বলবেঃ চুপ থাকো, সে অনর্থক কাজ করল। আর যে ব্যক্তি অনর্থক কাজ করবে তার জুমআ বাতিল হয়ে যাবে।
জুমআর নামায শেষে তিনি স্বীয় ঘরে প্রবেশ করতেন এবং দুই রাকআত জুমআর সুন্নাত নামায আদায় করতেন। তিনি জুমআর নামাযের পর চার রাকআত সুন্নাত পড়ারও আদেশ দিয়েছেন।
শাইখুল ইসলাম আল্লামা ইবনে তাইমীয়া (রঃ) বলেনঃ মসজিদে পড়লে চার রাকআত পড়বে আর ঘরে পড়লে দুই রাকআত পড়বে।

বিষয়শ্রেণী: বিবিধ
শেয়ার করুনঃ
২১৭ বার পঠিত, ৩০ টি মন্তব্য
৯ জনের পছন্দ
রেটিং দিতে লগইন করুন
পাঠকের মন্তব্য:
মন্তব্যের জবাব দিতে সমস্যা হলে এখানে ক্লিক করুন এবং নতুন পাতায় মন্তব্য লিখুন
638016
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:২৯
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:৫৯
630799

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : প্রশ্নের নমুনাটি দেখলাম। সুন্দর হয়েছে।
638020
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:৩১
জয়নাল আবেদীন টিটো লিখেছেন : হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাসের মত হল, যখন মদীনার শ্রমজীবি মানুষের শরীরের ঘামের দূর্গন্ধের কারণে পাশের মুসুল্লীর অসুবিধা হত, তখন জুমআর নামাজের পূর্বে গোসল করা ওয়াজিব ছিল । এখন যেহেতু মানুষের শরীরে ঘামের দূর্গন্ধ নেই, তা-ই জুমার পূর্বে গোসল করা ওয়াজিবের বদলে সুন্নত হয়ে গেছে ।
আবদুল্লাহ শাহেদ ভাই, একটু ব্যাখ্যা করে বলুন ।
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:৫৯
630800

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : আপনি ঠিক বলেছেন। আমি আর কিছু বলার প্রয়োজন মনে করছি না।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
638026
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:৩৬
বেগম লিখেছেন :
নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে মন্তব্যটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:০১
630801

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : অর্থাৎ জুমআর খুতবার মাঝেই দৃষ্টির জন্য তিনি আল্লাহর কাছে দুআ করতেন। না বুঝার কারণ বুঝলাম না।
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:১৮
630819

বেগম লিখেছেন :
নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে মন্তব্যটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ০৮:১৮
631448

পর্দার অন্তরালে লিখেছেন : এটা একটি নাস্তিক শয়তান। এর কথার উত্তর না দেয়াই উচিৎ কারন এরা অযথা মানুষকে অকাজে লিপ্ত করার জন্য সদা সচেষ্ট থাকে।
638029
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:৩৭
জেড ইসলাম লিখেছেন : ভাল হয়েছে। মাশা-আল্লাহ্‌। চলতে থাকুক।
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:০১
630802

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : চলবে ইনশা-আল্লাহ।
638049
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৮:৫৩
আবু সাইফ লিখেছেন : **৩) জুমআর দিন গোসল করার বিশেষ তাকিদ রয়েছে।

>> এ তাকিদ কি গোসল না করাকে গুনাহ সাব্যস্ত করে?

**তিনি মুসলিমদেরকে খুতবার সময় ইমামের নিকবর্তী হওয়ার আদেশ দিতেন এবং চুপ থাকতে বলতেন। তিনি বলতেনঃ জুমআর দিন খুতবার সময় যে ব্যক্তি তার পাশের ব্যক্তিকে বলবেঃ চুপ থাকো, সে অনর্থক কাজ করল। আর যে ব্যক্তি অনর্থক কাজ করবে তার জুমআ বাতিল হয়ে যাবে।

>>বাতিল হওয়ার ব্যাপারটা অনুবাদকের ব্যাখ্যা থাকলে ভালো হয়!

>>কিছু মানুষ "চুপ থাকো" বা অনুরুপ কথা না বলেও ইশারায় এত বেশী কাজ করেন যে তাঁরাও খুতবা শুনতে পাননা এবং অন্যদের শুনাতেও ব্যাঘাত ঘটান। অন্যদের মনযোগের ব্যাঘাত ঘটে এমন যে কোন কথা বা কাজ এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসতে পারে কিনা তাও বলা দরকার! আল্লাহতায়ালাই ভালো জানেন!
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:০৪
630806

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : এ তাকিদ কি গোসল না করাকে গুনাহ সাব্যস্ত করে?
আলেমদের থেকে গুনাহ হবে বলে কোন কিছু পাই নি।
আর আপনি বলেছেনঃ বাতিল হওয়ার ব্যাপারটা অনুবাদকের ব্যাখ্যা থাকলে ভালো হয়!
আমার মনে হয় জুমআর ছাওয়া হাসল থেকে মাহরুম হবে এবং গুনাহগার হবে। আল্লেহই ভাল জানেন।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ[-O
638063
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:০৫
হারুন আযিযী নদভী লিখেছেন : খুব সুন্দর হয়েছে। চালিয়ে যান। ব্যস্ততার কারণে সব লেখাগুলি পড়া সম্ভব হয়না। ধন্যবাদ।
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:০৭
630812

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন :
638099
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:৪৮
আবু আব্দুর রহমান আব্দুল আলীম লিখেছেন : পড়ে খুব ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ। জাযাকাল্লাহু খয়রান।

আর হ্যাঁ, গত পোস্টে বলেছিলাম, টাইপে ভুল শব্দগুলো লাল রং দিয়ে চিহ্নিত করেছি, সেগুলো কি পাঠাব?
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৯:৫১
630877

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : জলদি পাঠিযে দিলে ভাল হবে। তাহলে কাজ করতে সুবিধা হবে।
638152
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১০:৩১
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১২:১৫
631247

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন :
638292
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১১:৫২
I'm a muslim লিখেছেন : যাযাখাল্লাহ খাইর। অনেক দিন পর পেলাম।
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ১২:১৬
631253

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : এখন থেকে নিয়মিত প্রকাশ করবো ইনশা-আল্লাহ। গত কয়েক দিন অন্যান্য কাজে ব্যস্ত ছিলাম। দুআ চাই। [-O
১০
638500
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; রাত ০৪:৫৪
শাহ আরকামী লিখেছেন : মাশাআল্লাহ ।চলুক ।
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ১০:৩৮
631521

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন :
১১
638512
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ০৫:৩৩
কান্ডারী লিখেছেন : মাশাআল্লাহ ।চলুক ।
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ১০:৩৯
631522

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : চলবে ইনশা-আল্লাহ।
১২
638561
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ০৮:১৫
পর্দার অন্তরালে লিখেছেন : আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এই রকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর আলোকপাত করার জন্য। আল্লাহ্‌ আপনার এই মেহনতকে কবুল করুন। আমীন।
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ১০:৩৯
631524

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : আমীন।
১৩
638654
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ১০:৩৫
প্রবাসী আশরাফ লিখেছেন : আলহামদুলিল্লাহ...জুমমা সম্পর্কে অনেক মূল্যবান কিছু জানতে পারলাম...আল্লাহ্‌ আপনার এই মেহনতকে কবুল করুন... .
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১২; সকাল ১০:৩৯
631525

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন : [-O
১৪
639995
০৭ ফেব্রুয়ারী ২০১২; দুপুর ১২:৪৯
আব্দুর রউফ লিখেছেন : সুন্দর পোষ্টের জন্য আপনাকে জাযাকাল্লাহু খাইরান। পিলাচ
০৭ ফেব্রুয়ারী ২০১২; দুপুর ০২:১৯
633215

আব্দুল্লাহ শাহেদ লিখেছেন :
মন্তব্য লিখতে লগইন করুন
আব্দুল্লাহ শাহেদ
 
লেখকের অন্যান্য লেখা