একজন মানুষ গোলাকার একটি বলে ভালো লাথি মারতে জানেন, তার খেলার পরতে পরতে রয়েছে টান টান উত্তেজনা। তার প্রতি ম্যাচ ফী যখন তখন লাখের ঘরে ছুটোছুটি করে। গ্যালারি ভর্তি দর্শক পয়সা খরচ করে সেই টান টান উত্তেজনা অনুভব করেন। তারা গাঁটের টাকা খরচ করেন তাই তাদের খরচের খাত নিয়ে সমালোচনা করলে বোধকরি চরম মানবতা বিরোধি কাজ তথা মানবাধিকার লঙ্ঘন হলেও হতে পারে। ক্ষনিকের খেলা শেষ হলে তার হার জিতে না দেশের জিডিপি কমে না দর্শকের পেটে ভাতের টান পড়ে। খেলে কিংবা খেলা দেখে না একজন যোগ্য নেতা তৈরি হয় না একজন দেশসেবক তৈরী হয়। সবশেষে এসে পরাজিতের আক্ষেপ কিংবা বিজয়ীর...
গতকাল বুধবার রাতে আনুমানিক রাত দেড়টারদিকেই ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। সাধারনত রাতের ঘুমে যেতে যেতে আড়াইটা থেকে তিনটা বেজে যায়। প্ল্যান ছিলো সকাল ন’টা নাগাদ বিছানা ছাড়বো। সাড়ে ন’টা নাগাদ রুম থেকে ক্যাম্পাসের দিকে যাবো। সকাল এগারোটায় আমার মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শুক্রবারের ক্লাস শুরু হয়। চিন্তা ছিলো ঠিক এগারোটার আগ মুহুর্ত পর্যন্ত নেটে সময় দিবো। ঘুমটা বেশ ভালো হল। মাঝে ফজর পড়ে ন’টায় ঘুম থেকে উঠবো বলে ঘড়িতে এলার্ম দিতে গেলাম, শুরু হলো মনের সাথে দর কষাকসি। শেষ পর্যন্ত মনের কাছে হেরে গিয়ে প্ল্যানটায় হালকা পরিবর্তন আনতে হল। ন’টার স্থলে আধ ঘন্টা পিছিয়ে সাড়েন’টায় এলার্ম সেট করলাম।
...
একটি সবুজ শ্যামল দেশকে আমি
ধুসর মরুর মতো উলঙ্গ দেখতে চাই না।
আমার প্রিয় বাংলাদেশকে আমি
শুষ্ক প্রানহীন ভূমি রুপে দেখতে চাই না।
নদীমাতৃক এই নয়াভিরাম দেশকে আমি
মাতৃহীন, অসহায়, এতিম দেখতে চাই না।
প্রতিটি অর্থবোধক কাজের পেছনে থাকে একটি অর্থবোধক উদ্দেশ্য। আমাদের প্রতিদিনের যৌক্তিক কাজ গুলোই আমাদের জন্য কিছু অর্থবোধক ফলাফল বয়ে আনে। আপনার ক্লাস টিচারের দেয়া হোম ওয়ার্ক ও এসাইন্মেন্টের উদ্দেশ্যটা নিশ্চই আপনাকে শুধু শুধু খাটানো নয় বরং আপনাকে ঘষে মেজে ভবিষ্যতের জন্য তৈরী করা। আপনার সন্তানকে স্কুলে পাঠানো থেকে শুরু করে তাকে একটি খেলনা কিনে দেয়ার পেছনে যেমন আপনার একটি মহৎ উদ্দেশ্য আছে তেমনি আমাদের কাজের মতো প্রত্যেকটি কাজের পেছনে রয়েছে সুদুর প্রসারি কিছু উদ্দেশ্য। যারা এই উদ্দেশ্য কে যথাযথ ভাবে হাসিল করতে কাজ করেন তারাই আসল কাজের কাজটি করেন আর বাকিরা শধুই অকাজ করে সময় নষ্ট করেন।
...
প্রতিটি অর্থবোধক কাজের পেছনে থাকে একটি অর্থবোধক উদ্দেশ্য। আমাদের প্রতিদিনের যৌক্তিক কাজ গুলোই আমাদের জন্য কিছু অর্থবোধক ফলাফল বয়ে আনে। আপনার ক্লাস টিচারের দেয়া হোম ওয়ার্ক ও এসাইন্মেন্টের উদ্দেশ্যটা নিশ্চই আপনাকে শুধু শুধু খাটানো নয় বরং আপনাকে ঘষে মেজে ভবিষ্যতের জন্য তৈরী করা। আপনার সন্তানকে স্কুলে পাঠানো থেকে শুরু করে তাকে একটি খেলনা কিনে দেয়ার পেছনে যেমন আপনার একটি মহৎ উদ্দেশ্য আছে তেমনি আমাদের কাজের মতো প্রত্যেকটি কাজের পেছনে রয়েছে সুদুর প্রসারি কিছু উদ্দেশ্য। যারা এই উদ্দেশ্য কে যথাযথ ভাবে হাসিল করতে কাজ করেন তারাই আসল কাজের কাজটি করেন আর বাকিরা শধুই অকাজ করে সময় নষ্ট করেন।
...
যখন প্রাইমারির ক্লাস গুলোতে পড়তাম তখন স্যার রা ইচ্ছে করেই ভুল করতেন এবং দেখতেন যে ছাত্ররা সেটা ধরতে পারে কিনা, নাকি স্যারকে স্যার বলে অন্ধ অনুকরন করে। একদিন আমাদের ক্লাসের বাংলা স্যার, উনার নাম অব্দুস সবুর ফকির তিনি এক ছাত্রকে উদ্দেশ্য করে বল্লেন “আচ্ছা জাফর কবরেতো মিনিমাম তিন-চারটা লাইট থাকবে তাই না?” প্রশ্নটা করেই স্যার উপর নীচে করে হ্যাঁ সুচক মাথা নাড়তে লাগলেন। জাফর নোয়াখালির ছেলে, দুষ্টের শিরমনি। কিন্তু স্যারের ইতিবাচক প্রশ্ন আর হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ানো দেখে সে খেই হারিয়ে ফেল্ল। শেষ মেশ আমতা আমতা করে স্যারের সাথে সেও হ্যাঁ সূচক মাথা নেড়ে মুখেও বল্ল “জ্বী স্যার”। আমরা ক্লাস...
দীর্ঘ দুই মাস ছুটি কাটালাম। ফাইনাল এক্সাম শেষ করেই ইউনাইটেড এয়ার ওয়েজ এর একটি রিটার্ন টিকিট কিনে ৫ই জুলাই ২০১১ বেলা দুইটা নাগাদ বাংলাদেশে নিজের ঘরে পৌছেছিলাম। ছোট বিমান। লাগোয়া বসার সীট গুলো। ঠিক সস্তার তিন অবস্থার একেবারে প্রথমটা। ষ্ট্যাচু হয়ে পুরো যাত্রাপথ পাড়ি দিতে হলো। এয়ার এশিয়ার যে বিমান গুলো সেগুলোরও একই অবস্থা। বিমান থেকে নামলাম কোন লাউঞ্জ ওয়ে ছাড়াই। খোলা আকাশের নীচে বিমান থেকে সিড়ি বেয়ে নীচে নামলাম। দেশে বিষেশ কোন অতীথি এলে যেমন বিমান থেকে খোলা আকাশের নীচে আলাদা সিড়ি দিয়ে নামে আমরাও সেভাবেই নামলাম। শুধু...
মাঝে মাঝে মনে হয় আসলে মানুষ কতটা স্বাধীন? মানুষ কি আদৌ স্বাধীন হতে পারে? কি করে মানুষ স্বাধীন হতে পারে যখন আল্লাহ তাকে ক্রিতদাস হিসেবেই প্রেরন করেছেন? অথচ আমি দেখছি যারা আল্লাহর দ্বীনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলে তারা তো আল্লাহর দাসত্ব মেনে নেয় নি। তাহলে তারা কি স্বাধীন? সেজন্যই কি তারা মুক্তমনা, খোলা-মেলা, উদার মনা, ইত্যাদি লকব গলায় ঝুলিয়ে মানুষকে বুঝাতে চান যে তারা বেজায় স্বাধীন?
একজন মানুষ যখন স্রেফ একজন মানুষের অধীনে থাকে তখন সে যতটুকু দাসত্বের শিকলে...
অনেক দিন ধরেই লক্ষ্য কছিলাম যে সংস্কারের মোহে অন্ধ লোকেরা একই ভুল বার বার করছেন। তারা ইসলামী আন্দোলন তথা জামায়াতে ইসলামীর মাঝে যুগপোযুগী পরিবর্তন আনার জন্য ষ্টাডি করছেন এবং সেগুলো যত্র তত্র ছড়াচ্ছেন। অবশ্য আজামায়তের উর্ধতন নেতারা এসব গবেষনা কে থোড়াই কেয়ার করছেন বলেই এগুলো ফোরামের গন্ডি পেরিয়ে জনসম্মুখ তথা ব্লগে এসে পড়ছে। কিন্তু যে ভুলটা সংস্কারের মোহে অন্ধ লোকেরা বার বার করছেন তা হলো অন্যকে আলোকিত করতে গিয়ে পুরো ঘরটাই পুড়ে দেয়া। অথবা কম্বলের...
আজকের পোষ্ট/নোটটি লেখার পটভুমি হলো, নুমান আলী খানের দি কোরআন কনফারেন্স ২০০৯ এ ইয়ুথ সেশনে দেয়া একটি বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে যে চিন্তাগুলো শেয়ার করা দরকার। এর আগেও লেকচারটা একবার শুনেছিলাম প্রায় আট-দশ মাস আগে তখনও মনে হয়েছিলো বিষয় গুলো শেয়ার করা দরকার তবে অযথা কাজে সময়ের অপচয়ের কারনে সেটা হয়ে উঠেনি।
লেকচারটিতে তিনি মুলত নিন্মোক্ত আয়াতের উপর আলোচনা রাখেন।
...