১৯৭১ সালে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন রাষ্ট্রের আবির্ভাব ঘটে বহু ত্যাগ ও প্রাণের বিনিময়ে। কিন্তু আমার বড় জানতে ইচ্ছে করে, কে সেই ব্যক্তি যিনি বাংলাদেশ নামক শব্দটি এদেশের নামের জন্য চয়ন করেছিলেন, কারাই বা ছিল সে পরামর্শ বৈঠকে, কারাই বা তাতে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
যদি কারো জানা থাকে তাহলে আশাকরি এ ইতিহাসটি জানাতে ভুলবেন না, হয়তো আমার মত অনেকেই এ বিষয়টি নিয়ে আগ্রহী।
সমবেদনা জানানের ভাষা আমার নেই। যদিও মানুষ মরণশীল, তবুও এ ধরনের অস্বাভাবিক মৃত্যু কারই কাম্য নয়। তবে এ দুর্ঘটনা আমাদের নগ্ন রাজনীতির উপহার। গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধী শিবির সরকারের সমালোচনা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে, এটা গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু নিজেদের আখের গোছানোর জন্য পরমতের বহিঃপ্রকাশে সার্বিক ভাবে বাধা প্রদানের নজির পৃথিবীর স্বৈরাচারী শাসকদেরও হার মানিয়েছে।
খেটে খাওয়া মানুষ যারা সরকার ঘোষিত ঢাকা অবরোধে আটকে পড়েছিলেন, তারা অনেকটা তড়িঘড়ি করেই ঢাকায় ফিরতে গিয়েই প্রাণ হারালেন। যাদের ভুলে প্রাণ হারালো, তারাই আবার আজ ঢাক ঢোল পিটিয়ে, নেচে গেয়ে, বিরোধীদের খিস্তি গেয়ে আত্মতৃপ্তির...
মাত্র কদিন আগে চারশত বছরের ঢাকাকে দু টুকরো করে ফেলা হলো। এতে সরকারী বিরোধীরাতো বটেই। অনেক সরকারপন্থী ও তথা কথিত সুশীল সমাজও বলছে যে, ঢাকাকে ভাগ করা ঠিক হয়নি।
ঢাকা বিভক্তির কারণ ও সরকারী ও বিরোধীদের বক্তব্য :
ক্ষমতাসীন সরকার বলছে, সেবার মান বৃদ্ধির জনই এটি করা হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন উত্তরের মানুষকে এই যানজটের নগরীতে দক্ষিণে আসতে হলে নষ্ট হচ্ছে ঘন্টার পর ঘণ্টা কর্মঘণ্টা।
তবে সরকার তেমন কোন...
লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা। ১০ মাস দীর্ঘ মুক্তিযুদ্ধকালীন সময় এদেশের শহর গ্রামা গামোঞ্চলের মানুষ দেখেছে লাশের মিছিল। কিন্তু তাই বলে কি এর সঠিক পরিসংখ্যান বের করা কি অতটাই কঠিন। তাছাড়া যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন বা যে সকল গ্রামে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রাণ দিয়েছেন সেই গ্রামবাসীর সবাইতো আর মারা যাননি।
নৃশংসতা পশুদের ক্ষেত্রেই খাটে। কিন্তু মানুষরূপী পশুদের নৃশংসতা থেকে দু বেলা দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে যাদের কোন বড় চাওয়া পাওয়া নেই। তাদেরকে এভাবে মেরে ক্ষমতা দেখানোতে কি কোন বীরত্ব আছে।
ধিক! শত ধিক! কেউ তার নিজস্ব সন্তান হলে কি এভাবে নির্যাতন করতে পারত! অবুঝ শিশু যার এখন খেলাধুলা করার বয়স সে না হয় পেটের দায়ে গৃহের কাজের জন্যই এসেছে দারিদ্রের অভিশাপ মাথায় নিয়ে। তাই বলে কি আইনের রক্ষকের বাড়ীতেই আইনের ভক্ষক ডাইনী বাস করছে।
এখন নাকি তাকে খুঁজে পাচ্ছে...
আচ্ছা বলুনতো রাসূলুল্লাহ (সা) ঈদের সালাতে অতিরিক্ত কয়টি তাকবীর দিতেন।
আমাদের দেশে অধিকাংশ মুসলিম অতিরিক্ত ৬ তাকবীরে ঈদের সালাত আদায় করে থাকেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সা) আদৌ কি অতিরিক্ত ৬ তাকবীরে ঈদের সালাত আদায় করেছেন।
আমরা জানি পৃথিবীতে যতগুলো হাদীস গ্রন্থ রয়েছে এর মধ্যে বেশ কয়েকটি হাদীসগ্রন্থ সকলের নিকটই অতি পরিচিত। তবে এ সকল অতি পরিচিত হাদীসগ্রন্থ ছাড়াও আরো অনেক বিশুদ্ধ হাদীস গ্রন্থ রয়েছে।
...
আমাদের অনেক মুসলিমই অযূ ভঙ্গের কারণ জানেন, নামায ভঙ্গের কারণ জানেন।
কিন্তু ইসলাম ও ঈমান ভঙ্গের কারণ জানেন না।
অযূ ভেঙ্গে গেলে পুনরায় অযূ না করলে আপনি যতবারই সালাত আদায় করেন না কেন, সেই সালাত সালাত হিসেবে গৃহীত হবে না, ব্যায়ম হিসেবে উপকৃত হতে পারে। তদ্রূপ নামায ভঙ্গ হয়ে গেলে পুনরায় নামায পড়তে হয়।
ঠিক তদ্রূপই ইসলাম ভঙ্গ হয়ে গেলে তাকে পুনরায় তাওবাহ করে কালিমা পড়ে ইসলাম...
অভিনয়েই একজন আরেকজনকে মা, বাবা ডাকছে, কিংবা স্বামী বা স্ত্রী সাজছে। এমনও দেখা গেছে, আসলে স্বামী স্ত্রী কিন্তু অভিনয় করছে বাবা ও মেয়ে হিসেবে, কিংবা মা ও ছেলে হিসেবে।
প্রায়শই শোনা যায় ও অনেকটা প্রমাণিতও বটে। যারা বিশেষ করে সিনেমা জগতে প্রবেশ করেন, সেখানে উঠতি বয়সের নায়িকাদের রাতারাতি জনপ্রিয়তার জন্য গ্লামার ও অভিনয় দক্ষতার পাশাপাশি প্রযোজক, পরিচালক, নায়কদের জন্য বহুগামিতার পথ অবলম্বন করতে হয়। আর এ সকল কর্মকাণ্ড নাকি এজগতের জন্য ডাল ভাতের মত।
...
এক বছরেই কুরআনের হাফেয হয়ে দেশব্যাপী কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়ে সাড়া জাগিয়েছে ইয়াতীম বালক রিয়াদুল ইসলাম
বিশ্বাস না হলে একবার আসল খবরটা জেনে নিন।
এখানে ক্লিক করুন
আমাকে আমার এক বিশেষ বন্ধু একটি ছড়া লিখে দিয়েছিলেন। যা কিছু ইংরেজী শব্দ ও তার অর্থের সমন্বয়ে করা। আমার সে ছড়াটি খুব পছন্দ হলে তা আমার ছেলে মেয়েদের শেখার জন্য রেখে দেই।
পরে আবার আরেকটি চিন্তা মাথায় যে এ শব্দগুলোর আরবী করলে আরো সুন্দর হয়। কেননা আমার ছেলে মেয়েরা সব মাদরাসায় পড়ে।
মূলত তাদের শেখার জন্যই করেছিলাম। পরে অনেকের উপকারে আসতে পারে ভেবে আরবী ছড়াটি কিছুটা মডিফাইড করে ছেড়ে দিলাম। হয়তো কারো উপকারে আসতেও পারে।
...
বড় দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আপনাদের সমীপে একটি নিবেদন লিখতে বসলাম।
এসবিব্লগে আমার পদচারণা যদিও অতি স্বল্প সময়ের কিন্তু এ স্বল্প সময়ের মধ্যে এ ব্লগের বিশেষ কিছু ব্লগারের ব্লগগুলো আমাকে এতটাই অভিভুত করে যে আমি এখন নিয়মিত এ ব্লগ থেকে অনেক কিছু শেখার চেষ্টা করছি। হয়তো আমার মতো আরো অনেকেই এখান থেকে অনেকই উপকার পেয়ে আসছে।
এসবি ব্লগ কর্তৃপক্ষকে মনে রাখতে হবে। পার্থিব জীবন ক্ষণিকের। আর পরকালীন জীবন হচ্ছে ...
পোস্ট লিখতে লিখতে ভোর হয়ে গেল। তখন তাড়াতাড়ি করে পোস্টটি ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু অনেকেই বলেছেন যে, শেষ রাতে দেয়ায় প্রথম পাতা থেকে সেটি অনেক দূরে চলে গেছে, রিপোস্ট করুন। তাই রিপোস্ট করলাম
গত ১৮-১০-২০১১ তারিখ একটি পোস্ট দিয়েছিলাম যেটিকে আমি দেখিয়েছিলাম (মূর্ধন্য) (ণ) এর ব্যবহার। আজকে আমি ষ-ত্ব বিধান নিয়ে কিছু লিখলাম। আশাকরি পূর্বের পোস্টের মতই কারো কাজে লাগলেই সার্থকতা। তবে পূর্বের পোস্টে তিন চারটি বানান ভুল হয়েছিল এবং তা একজন ব্লগার ধরিয়ে দেয়ায় পরে তা ঠিক করে নেই।...
গত ১৮-১০-২০১১ তারিখ একটি পোস্ট দিয়েছিলাম যেটিকে আমি দেখিয়েছিলাম (মূর্ধন্য) (ণ) এর ব্যবহার। আজকে আমি ষ-ত্ব বিধান নিয়ে কিছু লিখলাম। আশাকরি পূর্বের পোস্টের মতই কারো কাজে লাগলেই সার্থকতা। তবে পূর্বের পোস্টে তিন চারটি বানান ভুল হয়েছিল এবং তা একজন ব্লগার ধরিয়ে দেয়ায় পরে তা ঠিক করে নেই। যেহেতু আমার ণ-ত্ব বিধানের পোস্টটিকে স্টিকি করা হয়েছিল তাই এসবি ব্লগ কর্তৃপক্ষেরও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
পূর্বেই আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি এই জন্য যে, আমি কোন ভাষাবিদ নই। তথাপি বাংলা সাহিত্যের প্রতি টান ও অনুরাগ থেকেই পূর্বের পোস্টের সাথে সংশ্লিষ্টতা থাকায় পূর্ণতা দানের লক্ষ্যে...
এসবি ব্লগে যারা নিয়মিত লিখছেন বা যারা অনিয়মিত লিখছেন। এ বিষয়টি হয়তো সকলেরই কাজে লাগবে না। কিন্তু তবুও বাংলা বানান পদ্ধতিতে ভুল ভ্রান্তি এড়ানোর লক্ষ্যে আমি একটি ভিন্ন ধারার পোস্ট দিলাম। যদি কারো কাজে লাগে তাহলেই সার্থকতা।
আজ আমি বাংলা বানান পদ্ধতির ণ-ত্ব বিধান বিষয়ে কিছু লিখব। হয়তো এ ব্লগে অনেক বাংলা ভাষার পণ্ডিত আছেন, তবে আমার সীমিত জ্ঞানে কোন ভুল পরিলক্ষিত হলে তা শুধরে দেয়ার চেষ্টা করব ইনশা আল্লাহ। কিংবা যদি কোন সংযোজন থাকে তাহলেও তা সাদরে গৃহীত...