বুধবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪১৯; ৩০ মে ২০১২; দুপুর ০৩:৫২

Clarifying some misunderstood and twisted Islamic concepts - (part 01 : জিহাদ)

লিখেছেন জিম তানভীর ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১, রাত ০৯:০০




অনেকের মনেই পশ্চিমারা এই ধারণা দিতে সমর্থ হয়েছে যে, আজকের মুসলিম উম্মাহর অধঃপতনের কারণ হল ইসলামকে আকড়ে ধরে রাখা, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। ইতিহাস দেখলেই বোঝা যায়, মুসলিম উম্মাহ যখন ইসলাম থেকে দূরে সরে এসেছে এবং ইসলামকে তাদের চিন্তা-ভাবনার ভিত্তি হিসেবে বর্জন করতে শুরু করেছে তখন থেকেই তাদের অবক্ষয়ের শুরু। ইসলাম নিয়ে উম্মাহর মাঝে আজ সন্দেহ, সংশয় এবং আত্মবিশ্বাসের দারূণ অভাব, যে কারণে ইসলামকে বর্জন করে তাদের মধ্যে অন্য আদর্শ বা জীবনব্যবস্থা খোজার একটা প্রবণতা দেখা যায়।



ইসলামের সাথে উম্মাহর চমৎকার সম্পর্কটি নষ্ট করার জন্য কাফিরদের প্রচেষ্টার ইতিহাস অনেক লম্বা। তারা চেষ্টা করেছিল, অস্ত্রের জোরে উম্মাহকে পরাজিত করার, পারেনি, তখন তারা উম্মাহকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে দুর্বল করার চেষ্টা করল ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে আনার মাধ্যমে, একাজে তারা বেশ সফলতাও পেয়েছে। তাদের এ বুদ্ধিবৃত্তিক দখদারিত্বের প্রভাব উম্মাহর মধ্যে বেশ লক্ষনীয়। তাই আজকে দেখা যায়, উম্মাহ ইসলামের বিভিন্ন কনসেপ্ট নিয়ে অনেক ভুল ধারণা পোষণ করছে, এখানে তার কয়েকটি misunderstood বিষয় পরিষ্কার করা হবে ইনশাল্লাহ।



১।জিহাদঃ

জিহাদ নিয়ে যে মিথ্যা প্রচারণাটি চালানো হয় তা হল, জিহাদ হল সন্ত্রাসবাদ। পশ্চিমারা যখন জিহাদকে “সন্ত্রাসবাদ” হিসেবে চিত্রায়িত করছে, তখন একদল মুসলিম পশ্চিমাদের এই প্রচন্ড মিথ্যা আক্রমণের সামনে নতি স্বীকার করে জিহাদের মূল ধারণা্টি পরিবর্তন করে বলতে শুরু করল, “জিহাদ মানে শুধুই মনের কু-প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ”, “মনের জিহাদ বড় জিহাদ”, অথবা “জিহাদ মানে শুধুই defensive জিহাদ”।

ইসলাম আল্লাহ তা’আলার কাছে থেকে এসেছে, এবং ইসলাম সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। জিহাদের চুড়ান্ত আহকামটিকে নাযিল করার সময় আল্লাহ বলে দিয়েছেন,

“তোমাদের জন্য জিহাদ ফরয করা হয়েছে, অথচ তোমাদের কাছে তা অপছন্দনীয়” [বাকারা -২১৬]।



এরপরেই আল্লাহ মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে আল্লাহ তা’আলা সবকিছুই জানেন এবং তারা আমাদের জ্ঞান সীমাবদ্ধ।



“... পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়ত কোন বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তোমাদের জন্য তা কল্যাণকর।আর হয়তোবা কোন বিষয় তোমাদের পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্য সেটা অকল্যাণকর,বস্তুত আল্লাহই জানেন,তোমরা জাননা” [TMQ ২:২১৬]



জিহাদ শব্দের মূল হল “জাহাদা, যার অর্থ হল “চেষ্টা”[exerting ability and effort to do an action or express opinions’]। মাক্কী সূরাগুলোতে আল্লাহ তা’আলা জিহাদ শব্দটি ব্যবহার করেছেন শব্দটির linguistic অর্থে, অর্থাৎ চেষ্টা অর্থে, (সাধারণ অর্থে সে চেষ্টা যেকোন রকম হতে পারে, আল্লাহর পথে অথবা শয়তানের পথে)।



“তোমার পিতামাতা যদি তোমাকে আমার সাথে এমন বিষয়ে শরীক করতে জোর করে (জাহাদা)...”[TMQ ৩:১৫]

“কেউ যদি চেষ্টা(জাহাদা) করে...”[ TMQ ২৯:৬]



“যারা আমার পথে চেষ্টায়/সংগ্রামে(জাহাদু) আত্মনিয়োগ করে...” [TMQ ২৯:৬৯]



কিন্তু মাদানী সূরাগুলোতে আল্লাহ জিহাদ শব্দটিকে “যুদ্ধ” বা “fighting” অর্থে ব্যবহার করেছেন। মদীনাতে নাযিল হওয়া সূরাগুলোতে জিহাদ ব্যাপারটি এসেছে ২৬ বার, এর মধ্যে বেশিরভাগেরই জিহাদ বলতে আল্লাহ বুঝিয়েছেন “fight”। যেমন-



“গৃহে উপবিষ্ট মুসলমানদের যাদের সঙ্গত কোন কারণ নেই, এবং ঐ মুসলমান যে জান এবং মাল দারা আল্লাহর পথে জিহাদ করে, তারা সমান নয়। যারা জান ও মাল দারা জিহাদ করে তাদের আল্লাহ পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় ... ”[৪-৯৫]



“তোমরা বের হয়ে পড় অল্প বা প্রচুর সরঞ্জাম সহকারে এবং জিহাদ কর আল্লাহর রাস্তায় নিওজের ঝান ও মাল দিয়ে ...”[৯-৪১]

“নিঃসন্দেহে আল্লাহ ভালবাসেন তাদের যারা তার পথে যুদ্ধ করে সারিবদ্ধভাবে...”[৬১-৪]



এই আয়াতগুলো খুব পরিষ্কারভাবে বলছে জিহাদ মানে আরবীতে “ক্বিতাল”,যার পরিষ্কার অর্থ হল “যুদ্ধ”।



জিহাদ মানে মনের কু-প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ নয়-ব্যাপারটি সেটা না, কিন্তু জিহাদ বলতে আল্লাহ যখন “যুদ্ধ” বুঝিয়েছেন তখন সে অর্থটিই নিতে হবে, অন্য কোন অর্থ নেয়া যাবে না। “যাকাত” শব্দের একটি অর্থ হল “পবিত্র করা”, কিন্তু কুরআনে আল্লাহ যখন বলছেন, “যাকাত আদায় কর”, তখন তিনি general sense থেকে পবিত্রতা বুঝাননি, তিনি বলছেন নিসাব পরিমান সম্পদের অতিরিক্ত যা আছা তার ২.৫% দান করে দিতে, নফল নামায পড়ে মনের পবিত্রতা অর্জন নয়। ঠিক তেমনি ভাবে, সাওম মানে “বিরত থাকা”, কিন্তু শারঈ পরিভাষায় সাওম মানে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকা। সালাতের বিভিন্ন আভিধানিক অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ থাকলেও এটা শারঈ পরিভাষায় একটি বিশেষ ইবাদত।



জিহাদের ক্ষেত্রেও এই ব্যাপারটি খাটে। জিহাদের শারঈ অর্থটিকে গুরুত্বহীন করার জন্য, এড়িয়ে যাওয়ার জন্য এবং পশ্চিমা জীবনাদর্শে প্রভাবিত “moderate” মুসলিমদের কাছে ইসলামকে পশ্চিমাদের আদলে গ্রহণযোগ্য করার জন্য, অনেকেই জিহাদকে এমনভাবে ব্যাখ্যা করে থাকেন যেন সেটা তাদের খেয়াল এবং কামনার সাথে মানানসই হয় (পরোক্ষভাবে পশ্চিমাদের interest কেই serve করে); যেমন-“বড় জিহাদ হল মনের জিহাদ”। এটা almost ভিত্তিহীন একটা দাবি, কারণ এই দাবির পেছনে যে হাদিসটিকে দেখানো হয়,



Muhammad (Salalahu Alaihi Wasallam) said: “We have arrived from the small Jihad to the great Jihad”. So they asked, “What is the great Jihad?” He (Salalahu Alaihi Wasallam) replied, “It is Jihad ul-Nafs (against the inner self).”

এই হাদীসটি “জাঈফ” বা দুর্বল হাদীস, [ইমাম সুয়ুতির মত, কেউ এটাকে জাল হাদীসও বলেছেন] এবং এটি অন্য অনেক শক্তিশালী হাদীস এবং কুরআনের আয়াতের বিরুদ্ধে যায়, যেমন-



“...যারা জান ও মাল দারা জিহাদ করে তাদের আল্লাহ পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায়...”[TMQ ৪:৯৫]

“কিন্তু রাসূল এবং যারা ঈমান এনেছে এবং যুদ্ধ করেছে নিজেদের জান এবং মাল দারা, তাদের জন্য রয়েছে কল্যাণ এবং তারাই মুক্তি লক্ষে উপনীত হয়েছে” [TMQ ৯:৮৮]



“আল্লাহ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের জান এবং মাল এই মূল্যে যে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লারর পথে, তারা মরে এবং মারে” [TMQ ৯:১১১]



“হে ঈমানদারগণ ! তোমাদের কি হল যখন তোমাদেরকে আল্লাহর পথে বের হতে বলা হল তখন তোমরা মাটি কামড়ে ধর, তোমরা কি আখিরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে তুষ্ট হয়ে গেলে ?”[TMQ ৯-৩৮]



“যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদেরকে তোমরা মৃত বল না, বরং তারা জীবিত” [TMQ ৩:১৬৯]

রাসূল (সাঃ) বলেছেন,



”If anyone takes a position in the Way of Allah (Fi Sabeel Lillah) it is better than his prayer ‘salah’ in his house for 70 years. Don’t you want Allah to forgive you your sins and enter you in the Jannah? Invade, in the Way of Allah (Fi Sabeel Lillah).”



“The example of a mujahid Fi Sabeel Lillah is like the fasting man, the one who stays up at its night and prays and the one who is obedient to the verses of Allah, does not get tired of fasting, nor stops sadaqah until the mujahid returns back to his family.”



তাই মনের জিহাদের স্ট্যাটাস কখনই সশস্ত্র জিহাদ থেকে বড় হতে পারে না এবং শরঈ অর্থে জিহাদ মানে সশস্ত্র সংগ্রাম।



জিহাদ কি সন্ত্রাসবাদ ?

এটা বিবিসি, সিএনএন দের মিথ্যা দাবি, তারা নিজেরাও জানে এটা মিথ্যা।আর মুসলিমদের মধ্যে কুরআন-সুন্নাহকে বাদ দিয়ে গ্লোবাল মিডিয়াকে যারা অন্ধ ভাবে বিশ্বাস করে তারাই একমাত্র এই ধারণা রাখে!



ইতিহাস বলছে, যুদ্ধ মানবজীবনের একটি বাস্তবতা। মানুষ কখনও যুদ্ধ করেছে নিজেকে রক্ষার জন্য, কখনও করেছে মুক্তির জন্য, কখনও করেছে ক্ষমতার জন্য, সম্পদের জন্য, অন্যকে শোষণের জন্য। ইসলাম একটি বাস্তব জীবনব্যবস্থা হিসেবে যুদ্ধের মত গুরুতর এ বাস্তব ব্যাপারটিকে এড়িয়ে যায়নি, বরং এটি যুদ্ধের ব্যাপারে কিছু নিয়ম-কানুন দিয়েছে যা মুসলিমরা মেনে চলবে।



ইসলামে জিহাদ দুই প্রকার।

১।রক্ষনাত্মক জিহাদ (defensive)

২।আক্রমণাত্মক জিহাদ (progressive)



রক্ষণাত্মক জিহাদ হল যখন মুসলিমদের কোন ভূমি বহিশত্রু দারা আক্রমণের শিকার হয়। যেমন- ১১শ এবং ১২শ শতাব্দীতে মুসলিমদের সাথে প্যালেস্টাইন ফিরিয়ে আনার জন্য ক্রুসেডদের সাথে যুদ্ধ,১২শ শতাব্দীতে তাতারদের সাথে যুদ্ধ,বর্তমানকালে ফিলিস্তিনে চলাকালীন যুদ্ধ ইত্যাদি– এটা মূলত আত্মরক্ষা,এখানে সন্ত্রাসবাদের কোন ব্যাপার নেই।



আক্রমণাত্মক বা প্রোগ্রেসিভ জিহাদ করতে হল অবশ্যই ইসলামিক রাষ্ট্রর অস্তিত্ব থাকা প্রয়োজন, যে রাষ্ট্রই কেবল এই জিহাদের জন্য অনুমোদন দিতে পারে, কোন দল বা ব্যাক্তি বিশেষ নয়। [সত্যিকারের ইসলামিক রাষ্ট্র (খিলাফত রাষ্ট্র) বর্তমানে অনুপস্থিত ] এটি মূলত তিনটি কারণে করা হয়,

১। অন্যায় এবং শোষণের নির্মূল করার জন্য।

২। দুর্বল এবং নিপীড়ত মানুষকে রক্ষার জন্য।

৩। এবং ইসলামের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য।



পশ্চিমারা জিহাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত থাকলেও ইতিহাস বলছে, জিহাদের মাধ্যমে যেখানেই ইসলাম প্রবেশ করেছে, সেখানেই মানুষজন ইসলামকে স্বাগত জানিয়েছে এবং শান্তি ও সুস্থিতি ফিরে এসেছে। “জিহাদ দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করে এবং জনজীবনের ক্ষতি করে”-এটা একটা প্রতারণামূলক ধারণা। জিহাদ গণহত্যা, বোমাবাজি বা সম্পদ-বিনষ্ট জাতীয় কিছুই নয়। আবুবকর(রাঃ) জিহাদের আগে মুসলিমদের জিহাদের নিয়ম-কানুনগুলো শিখিয়ে দিয়েছেন এই বলে,

“Stop, O people, that I may give you ten rules for your guidance in the battlefield. Do not commit

treachery or deviate from the right path. You must not mutilate dead bodies. Neither kill a child, nor a

woman, nor an aged man. Bring no harm to the trees, nor burn them with fire, especially those which

are fruitful. Slay not any of the enemy's flock, save for your food. You are likely to pass by people who

have devoted their lives to monastic (or humanitarian) services; leave them alone.”



ইসলামের জিহাদ পশ্চিমা দখলদারিত্বের মত নয়, যেখানে তারা গণহত্যা চালায় এবং সেখানকার ইনফ্রা-স্ট্রাকচার ধংস করে (যেন পরবর্তীতে এগুলো সংস্কারের কাজ নিজেদের দেশীয় কোম্পানীর হাতে তুলে দিয়ে সে দেশের সম্পদ নিজেদের দেশে পাচার করা যায়)। ইসলামের জিহাদ প্রাকৃতিক সম্পদের উপর দখলদারিত্ব স্থাপনের জন্যও নয়, যেমনটি করেছে আমেরিকা “universal human rights” এবং “democracy” প্রতিষ্ঠার নামে, ইরাক আক্রমণের মাধ্যমে। জিহাদ ইসলামের একটি foreign policy যার মাধ্যমে ইসলামিক রাষ্ট্র ইসলামের দাওয়াহ প্রচারের পথে প্রয়োজনীয় বস্তুগত বাধা অপসারণ করে এবং ন্যায়বিচার, শান্তি এবং কল্যাণ নিশ্চিত করে।



সাম্রাজ্যবাদী foreign policy যখন বলছে, “If they turn on the radars we're going to blow up their goddamn SAMs (surface-to-air missiles).They know we own their country. We own their airspace... We dictate the way they live and talk. And that's what's great about America right now. It's a good thing, especially when there's a lot of oil out there we need.” [David Milliband, the British Foreign Secretary]



ইসলামের foreign policy তখন বলছে,

“আর তোমাদের কি হল যা তোমরা যুদ্ধ করছ না আল্লাহর পথে দুর্বল সে পুরুষ, নারী এবং শিশুদের পক্ষে, যারা বলে, ‘হে আমাদের পালনকর্তা ! আমাদেরকে নিষ্ক্রৃতি দাও এই জনপদ থেকে যার অধিবাসীরা অত্যাচারী আর তোমার পক্ষ থেকে নিয়োগ দাও আমাদের জন্য একজন রক্ষাকারী, তোমার কাছ থেকে নিয়োগ দাও একজন সাহায্যকারী” [TMQ ৪:৭৫]



সবশেষে কিছু অমুসলিম ইতিহাসবিদদের মন্তব্য তুলে দেয়া হল,



“…the unbounded tolerance of the Arabs must also be taken into account. In religious matters they put

pressure on no man…Christians preferred their rule to that of the Franks.” [Reinhart Dozy, an authority on early Islamic Spain, explained the results of Jihad in Islamic Spain]



“…the Christians called down blessings on the heads of the Muslims, saying, ‘May God give you rule over

us again and make you victorious over the Romans; had it been they, they would not have given us back

anything, but would have taken all that remained with us.’” [Thomas Arnold, commenting on an Islamic source]



“…the Christians and the Pagans [i.e. Muslims] have this kind of peace between them there that if I was

going on a journey, and on the way the camel or donkey which bore my poor luggage were to die, and I

was to abandon all my goods without any guardian, and go to the city for another pack animal, when I

came back, I would find all my property uninjured: such is the peace there.”[ Bernard the Wise, a pilgrim monk, visited Egypt and Palestine in the reign of Caliph al-Mu’tazz (866-9 CE)]



ইসলাম একটি জীবনব্যবস্থা, এবং জিহাদ হল তার একটি কৌশল যার মাধ্যমে ইসলাম অন্যায়, নিপীড়ণ এবং শোষণকে উৎখাত করে। সময় এসেছে মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত পশ্চিমা জীবনদর্শনকে পরিত্যাগ করে ইসলামে ফিরে আসার।



ইসলামকে সঠিকভাবে জানার আমন্ত্রণ রইল।



[এ নোটটি লেখার ব্যাপারে দুটি আর্টিকেলের সাহায্য নেয়া হয়েছে, কুরআন এবং সুন্নাহতে জিহাদের অর্থ, প্রোগ্রেসিভ জিহাদের পূর্বের শর্তসমূহ এবং বিভিন্ন অমুসলিম ইতিহাসবিদদের বিভিন্ন মন্তব্য বিষয়ক আরও তথ্য সেখানে রয়েছে



http://hamzatzortzis.blogspot.com/2008/12/911-77-madrid-bombing-mumbai-attacks-is.html

http://islamicsystem.blogspot.com/2008/05/clarifying-meaning-of-jihad.html ]

ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : জিহাদ, ইসলাম, foreing policy, বৈদেশিক নীতি , যুদ্ধ
বিষয়শ্রেণী: বিবিধ
শেয়ার করুনঃ
২২২ বার পঠিত, ০ টি মন্তব্য
১ জনের পছন্দ
রেটিং দিতে লগইন করুন
পাঠকের মন্তব্য:
মন্তব্যের জবাব দিতে সমস্যা হলে এখানে ক্লিক করুন এবং নতুন পাতায় মন্তব্য লিখুন
মন্তব্য লিখতে লগইন করুন
জিম তানভীর
:)
 
লেখকের অন্যান্য লেখা