সমাজের আজকের তরুণ-যুবকদের স্বপ্ন কি? তাদের কাঙ্খিত লক্ষ্য কোন টি? কি হতে চায় তারা?
হ্যঁ, তাদের কিছু চাওয়া আছে। কিছু লক্ষ্য আছে। আছে কিছু স্বপ্ন। বিজয়ের স্বপ্ন।
কেউবা স্বপ্ন দেখে ভালো গায়ক হবার। নোলক, সোনিয়া, বিউটির মতো গান গেয়ে দর্শক নন্দিত ক্লোজআপন ওয়ান হওয়ার। কেউ আবার স্বপ্ন দেখে নায়ক হওয়ার। কেউবা হতে চায় লা চ্যানেল আই সুন্দরী প্রতিযোগীতার ষ্টার। হলে হলে তার ছবি চলবে, দর্শক তাকে দেখলে ভীড় করে অটোগ্রাফ চাইবে। ক্যামেরার ঝলক সূর্যের আলোকে ্লান করবে।
এর বাইরে ব্যতিক্রমী বিজয়ের গল্পও আছে। মূসা ইব্রাহীম নামক এক বাংলাদেশী যুবকের এভারেষ্ট বিজয়ের কাহিনী দেখে পুরো দেশ যেন হুমড়ি খেয়ে পড়েছিলো তাকে সংবর্ধনা দিতে। এনিয়ে সারা দেশ প্রায় কয়েক মাস মূসা জ্বরে আক্রান্ত ছিলো।
যুব-তরুণদের মন-মানসে গেঁথে থাকা এই সকল জয় ও বিজয়ের চেয়েও বেশি আলোচিত বিষয় হচ্ছে খেলার মাধ্যমে এক দেশকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন। সামনে বাংলাদেশেই যখন বিশ্বকাপ ক্রিকেটের আসর বসছে তখন যুব-তরুণদের মাঝে এই ক্রেজকে আরো শত-সহস্র গুন বাড়িয়ে দেয়ার মহান দায়িত্ব (?) নিয়েছেন আমাদের দেশে একচেটিয়া ব্যবসা করা বিভিন্ন বহুজাতিক কোম্পানী গুলো।
ক্রিকেটে আমাদের সোনার ছেলেরা একটি দেশকে পরাজিত করতে পারলে পুরো দেশ সেই বিজয়ের জ্বরে কিভাবে আক্রান্ত হতে পারে তার দৃষ্টান্ত আমরা অতীতে দেখেছি বাংলাদেশের কৃকেট টিম কর্তৃক অষ্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তানকে হারানোর সময়।
দিন দিন এই জাতি তার সন্তানদের এধরণের বিভিন্ন জয় আর বিজয়ের কাহিনী অবলোকন করছে একে একে। কিন্তু এতো জয় আর বিজয় স্বত্ত্বেও অবস্থা যেন সেই তিমিরেই। জাতির মূল স্বত্ত্বার মাঝে উন্নতি আর সফলতার কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বরং দিন দিন তাদের অধঃপতন আর অধঃগতি এবং সমস্যার কঠিন স্তরে বাঁধা পরে যাবার দৃষ্টিই ফুটে উঠছে। নায়ক আর গায়ক হওয়ার স্বপ্নে বিভোরদের খুব কমই নোলক হতে পারে। দারুচিনি দ্বীপের নায়িকা হওয়ার স্বপ্নও পূরণ হয় অল্প কয়েকজনেরই। যারা এতো কষ্টে-সৃষ্টে গতানুগতিক ষ্টার হন, তাদের অধিকাংশই এক সময় আলোর রাজপথে থাকার পরিবর্তে অন্ধকার গলিতেই নিজের স্থায়ী ঠিকানা গড়ে নিতে বাধ্য হন। আর যারা বিফল হন তাদের বছরের পর বছরের হুজুগে পরে সময় নষ্টের কষ্ট তখন সীমাহীন হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু আমরা একবারও কি ভেবে দেখেছি যে, এর ফলে জাতি কি পাচ্ছে? উম্মাহর কি উপকারে আসছে এই শত-সহস্র বিজয় আর মহা বিজয়?
আজকের তরুণ-যুবকদের সামনে জয় ও বিজয়ের এই সকল ফালতু ক্রাইটেরিয়া নির্ধারিত হচ্ছে বিজাতীয় বিভিন্ন এনজিও, মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী আর এদেশীয় আত্মবিক্রিত কতিপয় ‘সুশীল’দের বদান্যতায়। তারা প্রতিদিন চমকদার বিভিন্ন প্রচারণামূলক অনুষ্ঠান আর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এধরণের নতুন নতুন জয় আর বিজয়ের সন্ধান দিচ্ছে, প্রচারণা চালাচ্ছে।
একটি সময় ছিলো, যখন মুসলিমরা এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে ইসলামী আদর্শের দাওয়াত নিয়ে যাওয়াকে চ্যালেঞ্জ মনে করতো। একটি অঞ্চলের পর তার পরবর্তী অঞ্চলে ইসলামী জীবন ব্যবস্থাকে বিজয়ী ও প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে, সেই ভূখন্ডের লোকদের মন জয় করাকেই প্রকৃত বিজয় বলে মনে করতো।
হযরত উমর রা· এর সময়ে মুসলিম তরুণ-যুবকদের বুকে তাদের জামার সাথে একটি গোলাকার বিশ্ব মানচিত্রও সংযুক্ত থাকতো। যেখানে সবুজ রঙের কালিতে মুসলিম ভূখন্ড এবং যে সকল এলাকা মুসলমানদের অধীনে এসেছে তা উজ্জ্বল করা থাকতো। প্রতিটি মুসলিম মা তার সন্তানকে বুকের সেই মানচিত্রের কালো অংশের উপর আঙুল দিয়ে তাকে বলতো, “বাবা, তোমার পিতৃপুরুষ ইসলামকে অমুক অমুক মহাদেশ পর্যন্ত নিয়ে গেছেন। কালো রঙ্গের এসকল এলাকা এখনও ইসলামের আলোয় আলোকিত হয়নি। এখানে আজও ইসলামী জীবন ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হয়নি। জাহেলিয়াত আর কুফরের অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকা এসকল এলাকা তোমাকেই জয় করতে হবে। ইসলামের শুভ্র হেলালী নিশান এখানে তোমাকেই উড়াতে হবে।”
রাষ্ট্রের প্রধান খলীফা ও কর্তাব্যক্তিদের কাছ থেকে মুসলিম তরুণ যুবকরা দীক্ষা পেতো বিশ্ব বিজয়ের। ইসলামের সুমহান সাম্যের বাণী পৃথিবীর সর্বস্তরে পৌঁছে দেয়ার মহান দায়িত্বকে কাঁধে তুলে নেয়ার মাঝেই তারা অনুভব করতো প্রকৃত চ্যালেঞ্জের স্বাদ। মজলুম মানবতাকে কুফরের শৃংখল থেকে মুক্তি দেয়ার মাঝেই তারা খঁুজে পেতো প্রকৃত বিজয়।
মুসলিম যুব-তরুণদের সোনালী যুগের সেই জয়ের নেশা আর বিজয়ের স্বপ্নের কারণেই স্পেনের বুকে উড্ডীন হয়েছিলো আলোর মশাল। তারিক বিন যিয়াদের নেতৃত্বে মুসলিম সেনাবাহিনী বিশাল সাগর পাড়ি দিয়ে জাবালুত তারেক বা জিব্রাল্টার প্রণালীর মুখে এসে দাঁড়িছিলেন। রাজা রডারিকের মানবরচিত মতবাদ আর স্বেচ্ছাচারী শাসনের শৃংখল থেকে স্পেনবাসীকে মুক্ত করে তাদেরকে দিয়েছিলেন এক রবের ইবাদতের সোনালী রাজপথ।
মুহাম্মাদ ইবনে কাসিমের মতো মাত্র ১৭ বছরের টগবগে নওযোয়ানরা সেই আরব থেকে এই সূদুর ভারত উপমহাদেশে এক নির্যাতিত বোন ফাতেমার আর্তনাদে সাড়া দেয়ার জন্য ছুটে এসেছিলেন। রাজা দাহিরের বন্দিশালা ভেঙ্গে বের করে এনেছিলেন মজলুম মানবতাকে।
রাজা গৌরগোবিন্দের নির্যাতন থেকে আমাদের এই বঙ্গদেশকে মুক্ত করতে, মানবরচিত শাসনব্যবস্থার নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে এখানকার জনগণকে মুক্ত করার জন্য সেই সূদুর ইয়ামান থেকে ছুটে এসেছিলেন হযরত শাহ জালাল ইয়ামানী রহ·।
গাজী সালাহউদ্দীন আইয়ুবী রহ· এর মতো একজন নওযোয়ান ফিলিস্তিনকে মুক্ত করেছিলেন খৃষ্টানদের হাত থেকে। বছরের পর বছর খৃষ্টানদের নানাবিধ জুলুম-নির্যাতনের কবলে নিষ্পেষিত মজলুম জনতাকে দিয়েছিলেন মুক্তির স্বাদ।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা·, মুসান্না বিন হারেসা রা· এর মতো বীর সেনানীরাও তাদের যৌবনে স্বপ্ন দেখতেন রোম-পারস্যে ইসলামের বানী পৌঁছে দেয়ার। সেখানকার মানুষকে মানুষের গোলামী থেকে বের করে এক আল্লাহর স্বার্বভৌমত্বে নিয়ে আসার। তারা তাদের এই স্বপ্ন নিজেদের জীবদ্দশাতেই বাস্তবায়ন করেছিলেন।
কিন্তু আজকে কি হলো এই মুসলিম যুব-তরুণদের?
তাদের জয় ও বিজয়ের স্বপ্নে বিভোর-বিনিদ্র শত চিন্তার মধ্যে একটি বারও কি কেউ এই উম্মাহকে আবারও বিশ্বের বুজে বিজয়ী জাতি হিসেবে পরিচিত করার স্বপ্ন দেখে?
ইরাক-আফগান-ফিলিস্তিন-কাশ্মীরসহ বিশ্বের প্রান্তে প্রান্তে নির্যাতিত-নিপীড়িত মজলুম মুসলমানদের রক্ত প্রবাহ বন্ধ করা, বিধবা আর সন্তানহারা মা-বোনের অশ্রু মোছার কল্পনা কি কেউ করে? কেউ কি আজ আবারও বিশ্ব মানবতাকে এক আল্লাহর বিধানের ছায়াতলে নিয়ে এসে এই ধরণীতে আবারও শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে?
আমাদের আজকের যুব-তরুণরা কবে থেকে আবারও বিশ্ববিজয়ের এই স্বপ্ন দেখা শুরু করবে?
মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী গুলোর ব্যবসার পন্য হিসেবে নিজেকে কল্পনা না করে পুরো বিশ্বকে আবারও নেতৃত্ব দেয়ার পরিকল্পনা নিবে?
আয় আল্লাহ, তুমি আমাদের নবীন-যুবকদেরকে সঠিক বুঝ দাও। এই জাতির সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ এই যুবকদেরকে বিজাতীয়দের ব্যবসার বস্তু হতে রক্ষা করে তাদেরকে আবারও বিশ্ব বিজয়ের সেই চেতনা দান করো। আমীন।
ফরহাড লিখেছেন : আয় আল্লাহ, তুমি আমাদের নবীন-যুবকদেরকে সঠিক বুঝ দাও। এই জাতির সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ এই যুবকদেরকে বিজাতীয়দের ব্যবসার বস্তু হতে রক্ষা করে তাদেরকে আবারও বিশ্ব বিজয়ের সেই চেতনা দান করো। আমীন।
আমারও ফরিয়াদ আল্লাহর নিকট এ-আবস্থার পরিবর্তনের জন্য। ধ্বংশের পথ থেকে রক্ষা করার জন্য। যোব সমাজকে ইলামিক ধারায় নিয়ে আসার জন্য
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১; বিকেল ০৪:৪১
125762
মাই নেম ইজ খান লিখেছেন : পড়ে ভালো লাগলে এই লেখাটি আপনার পরিচিতদেরকে সেন্ড করে দিন। তাতে অন্যরাও উপকৃত হবে আশা করি।
৩
164250
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১; বিকেল ০৪:০০
AL-JIHAD লিখেছেন : অনেক... অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি সচেতণতামুলক post এর জন্য .........
তরুন যুবকদের আসল 'বিজয়ের" গল্প সুনিয়ে মানবতার মুক্তির দিকে ডাকতে হবে । এ দায়িত আমার , আপনার , সকলের ...............আল্লাহ আমাদের তার পথে কবুল করুন । (আমীন)
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১; বিকেল ০৪:৪৩
125764
মাই নেম ইজ খান লিখেছেন : আপনাকেও ধন্যবাদ পড়া এবং মন্তব্য করার জন্য। পড়ে ভালো লাগলে এই লেখাটি আপনার পরিচিতদেরকে সেন্ড করে দিন। তাতে অন্যরাও উপকৃত হবে আশা করি।
৪
164253
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১; বিকেল ০৪:০৪
M Billah লিখেছেন : অনেক... অনেক ধন্যবাদ সুন্দর একটি সচেতণতামুলক post এর জন্য .........
তরুন যুবকদের আসল 'বিজয়ের" গল্প সুনিয়ে মানবতার মুক্তির দিকে ডাকতে হবে । এ দায়িত আমার , আপনার , সকলের ...............আল্লাহ আমাদের তার পথে কবুল করুন । (আমীন)
পড়ে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
পিলাচ
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১; বিকেল ০৪:৪৬
125765
মাই নেম ইজ খান লিখেছেন : আপনাকেও ধন্যবাদ পড়া এবং মন্তব্য করার জন্য। পড়ে ভালো লাগলে এই লেখাটি আপনার পরিচিতদেরকে সেন্ড করে দিন। তাতে অন্যরাও উপকৃত হবে আশা করি।
ছোট মরিচ লিখেছেন : আমাদের আজকের যুব-তরুণরা কবে থেকে আবারও বিশ্ববিজয়ের এই স্বপ্ন দেখা শুরু করবে?
মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী গুলোর ব্যবসার পন্য হিসেবে নিজেকে কল্পনা না করে পুরো বিশ্বকে আবারও নেতৃত্ব দেয়ার পরিকল্পনা নিবে?
আয় আল্লাহ, তুমি আমাদের নবীন-যুবকদেরকে সঠিক বুঝ দাও। এই জাতির সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ এই যুবকদেরকে বিজাতীয়দের ব্যবসার বস্তু হতে রক্ষা করে তাদেরকে আবারও বিশ্ব বিজয়ের সেই চেতনা দান করো। আমীন।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১; বিকেল ০৫:১৫
125788
মাই নেম ইজ খান লিখেছেন : আপনাকেও ধন্যবাদ পড়া এবং মন্তব্য করার জন্য। পড়ে ভালো লাগলে এই লেখাটি আপনার পরিচিতদেরকে সেন্ড করে দিন। তাতে অন্যরাও উপকৃত হবে আশা করি।
৮
164302
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১; বিকেল ০৫:২৪
মো: জুলফিকার আলী লিখেছেন : লেখাটা সময়োপযোগী এবং এ মুহুর্তে দরকার ছিলো। ধন্যবাদ আমাদেরকে উপহার দেওয়ার জন্য।
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১; বিকেল ০৫:৩১
125816
মাই নেম ইজ খান লিখেছেন : আপনাকেও ধন্যবাদ পড়া এবং মন্তব্য করার জন্য। এই লেখাটি আপনার পরিচিতদেরকে সেন্ড করে দিন। তাতে অন্যরাও উপকৃত হবে আশা করি।
৯
164498
০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১১; রাত ০৯:০১
মাসউদ লিখেছেন : ওহ অশেষ মুবারকবাদ!!
খুব প্রয়োজনীয় পোষ্ট!!
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১১; সকাল ১১:২৬
126604
মাই নেম ইজ খান লিখেছেন : আপনাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ এবং মুবারকবাদ। এই লেখাটি আপনার পরিচিতদেরকে সেন্ড করে দিন।
অমিত হাসান লিখেছেন : আয় আল্লাহ, তুমি আমাদের নবীন-যুবকদেরকে সঠিক বুঝ দাও। এই জাতির সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ এই যুবকদেরকে বিজাতীয়দের ব্যবসার বস্তু হতে রক্ষা করে তাদেরকে আবারও বিশ্ব বিজয়ের সেই চেতনা দান করো। আমীন। [-O
কীবোর্ড
Bijoy UniJoyPhoneticEnglish
নাম:
মন্তব্য:
তথ্য পাঠানো হচ্ছে, অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন
০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১১; সকাল ১১:২৭
126605
মাই নেম ইজ খান লিখেছেন : আপনাকেও ধন্যবাদ পড়া এবং মন্তব্য করার জন্য। এই লেখাটি আপনার পরিচিতদেরকে সেন্ড করে দিন। তাতে অন্যরাও উপকৃত হবে আশা করি।