কাউকে ঘায়েল এবং তার শত অর্জন ও পুর্ণতাকে খাটো করতে কোন একটি ক্রুটি বা খুঁত আবিস্কারই যথেষ্ট। হোকনা সে ক্রুটি আবিস্কার করতে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন পড়ুক! এই প্রবণতাটি সত্য অস্বিকারের নিকৃষ্টতম ছুতা ও অজুহাত। এটা নৈতিক পরাজয়ের অংশ।এই প্রবণতা মানুষকে সত্য স্বিকার করা থেকে দুরে সরিয়ে দেয়। এটা সত্য ও সুন্দরকে নিরুৎসাহিত করে। এটা দিয়ে যে কারো মহামুল্যবান অর্জনকেও অস্বিকার করে দেওয়া যায়। এটা চলতে থাকলে কারোর প্রশংসা করার কোন পথ থাকবে না। কথায় আছে, চাঁদেরও কলঙ্ক আছে। তাই বলে কি তার প্রশংসা শুনে আপনি কলঙ্কের অবতারণা করবেন? করলে চাঁদের কিছুই হবে না, শুধু আপনার মনে থাকা হিংসা আর...
এবিষয়ে হাতি ঘোড়ারা কতো কথা বলেছেন। সেখানে পিপিলিকার মতো আমার মাথায় একটা কথা ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটা হলো, অনির্বাচিতদের হাতে ক্ষমতা দেওয়া গণতন্ত্রের শরিয়তে হারাম। তাই তত্বাবধায়ক পদ্ধতি অসাংবিধানিক। আর সেজন্য নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতেই ক্ষমতা ছাড়তে হবে। সেটা বিরোধী ও সরকারী দলের সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে কার্যকর হতে পারে। প্রশ্ন হলো, নির্বাচিতরা নির্বাচিত হয়েছেন ৫ বছরের জন্য। তার পর তারা আর তত্বাবধায়কের উপদেষ্ঠাদের মধ্যে পার্থক্য কি থাকে? তাছাড়া জনগন সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে দেশ সাশনের দায়িত্ব দিয়েছে। সেখানে যদি তারা আইন করে কয়েকজন এমপির হাতে ক্ষমতা ছাড়তে পারেন, তত্বাবধায়কের হাতে ছাড়লে দোষটা কোথায়? মেয়াদ শেষে তো উভয়েই একই নৌকার মাঝির ন্যয়? আমার বুঝে আসে...
আজ রজব মাসের ৫তারিখ। কুরআনে বর্ণীত সম্মানিত ৪মাসের একটি হলো রজব। এমাসে নিজের প্রতি জুলুম করে (পাপাচার) করতে কঠোর ভাবে বারণ করেছেন আল্লাহ তাআলা। যুদ্ধ বিগ্রহও নিষিদ্ধ হয়েছে কুরআনে। তবে রজব মাস উপলক্ষে বিশেষ কোন নামায কিংবা রোযা, সাদকা বা কবর যিয়ারত কিংবা উমরা বা রাসুল সা: এর মি'রাজ সংগঠিত হওয়া অথবা তদুপলক্ষে কোন আনুষ্ঠানিকতা ও ইবাদতের কথা কোন বিশ্বস্ত সুত্রে বর্ণীত হয়নি। এই একটি বিষয়ে সৌদি আরব বা অন্য অনেক আরব দেশের চেয়ে কিছুটা আমরা ভাল অবস্থানে আছি। আর সেটা হলো, আমাদের দেশে ২৭শে রজব কেন্দ্রিক কতিপয় বিদআত থাকলেও এই মাসে আরবে দেশগুলো যেমন সৌদি আরবে শিয়ারা অনেক ধরণের...
আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৩তম জন্মদিন। ইসলাম জন্মদিন পালনের কথা বলে না, তাই আমি এটাকে অপছন্দ করি। কিন্তু যেসব সুশীল ও মিডিয়ার ডায়েরীর বেশিরভাগ জুড়ে থাকে বিভিন্ন জন্মদিবস পালনের ফর্দ, তাদের আজ তেমন কোন মাতামাতি নেই বললেই চলে। এর কারণ কি ? শেষ জীবনে যাই হোক, জীবনের প্রথম দিকের ইসলামিক গজল আর বিদ্রোহী কবিতাসমুহই নজরুলকে বেশি পরিচিতি দান করেছে। তাই নজরুলের চর্চা আজকের আধানাস্তিক বুদ্ধিজীবিদের কাছে ইসলামী চেতনারই প্রসার! সেকারণেই কি এই অবহেলা? ভিনদেশী ভিনধর্মী জমিদারীর মধ্যে বড় হওয়া ঠাকুরের চেয়ে এদেশের মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ স্বদেশী কবি দুখু: মিয়ার আদর্শ বেশি চর্চার উপযুক্ত নয় কি?
...
কয়েকটি দৈনিকে বেশ গুরুত্বের সাথে ছেপেছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে রেকর্ড পরিমান রেমিটেন্স এসেছে দেশে। এটাকে সাধারণ বিচারে সরকারের সফলতার ঝুলিতে ফেলবে যে কেউ। কিন্তু বাস্তবতা কি তাই ? সাংবাদিকরাও যদি ভেতরের খবর না জানে; বরং অন্ধকারে থাকে, তাহলে জাতি আর কি ভাবে আলোর মুখ দেখবে ? রেমিটেন্স বাড়ার আসল রহস্য হলো, ৩টি। {১} সবচে বেশি সংখ্যক প্রবাসী থাকে সৌদি আরবে এবং এযাবৎকাল পর্যন্ত প্রতি বছর সবচে মোটা অংকের রেমিটেন্সও আসে সৌদি থেকে। সেখানে শিক্ষাবর্ষ শেষ। প্রচন্ড গরম শুরু। প্রয় ৪ মাসের বিশাল ছুটি। বেশিরভাগ হাউজ ড্রাইভার থেকে নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীর প্রবাসী শ্রমিকরা এখন ছুটি ও রমজানকে সামনে রেখে ঘরমুখো।...
মক্কার হার্ডকোর কাফের নযর ইবনে হারেস এক দাসীর সাথে এই চুক্তি করেছিল যে সে মানুষজনকে ইসলামের পথ থেকে distract করে রাখার জন্য গান বাজনা করে লোকজনকে মাতিয়ে রাখবে [সূরা লুকমান ৬ দ্রষ্টব্য] এই ঘটনাকে বর্তমান প্রসঙ্গের সাপেক্ষে ইন্টারপ্রেট করলে এটা আর কিছুই না, নিছক কনসার্ট !! মজার ব্যপার হলো, সপ্তাহ খানেক আগে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সরকারের সর্বোচ্ছ ব্যক্তিত্বের একটি বক্তব্যে হুবহু একই কথার প্রতিধ্বনি শোনা গেছে। তিনি বলেছেন "সন্ত্রাস {ধর্মের জন্য সঠিক বা ভুল পথে যুদ্ধরত লোক} ও মৌলবাদ {নাছোড় ও আপোষহীন ভাবে ধর্মপালনকারী} মুকাবেলায় আমাদেরকে বেশি বেশি সংস্কৃতি {গান বাদ্য নাচ নাটক সিনেমা} চর্চা করতে হবে। দু'টোকে মিলিয়ে দেখুন...
নবজাতকের কোন ধর্মীয় পরিচয় থাকবে না মর্মে পুর্ণাঙ্গ আইন হওয়ার পথে। ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শমতে শিশুকে তার বাবা মায়ের ধর্মের অনুসারী ধরা হলে তার ব্যক্তিস্বাধীনতা খর্ব হয়। বড় হয়ে বিবেক বুদ্ধি অনুসারে যেকোন ধর্মের অনুকরণ করা না করা তার এখতিয়ারে থাকা উচিত। এই নীতি অনুসারে শিশুকে কোন নীতি বা আদর্শের দীক্ষা দেওয়াই তার স্বাধীনতার পরিপন্থী! এমনকি দেশাত্ববোধের বেলায়ও তার স্বাধীনতা থাকা অনুচিত! কিন্তু বাস্তবে কি এর কোন সুযোগ আছে? তাহলে বিষয়টি দাঁড়ালো, গান নাচের আদর্শ থেকে নিয়ে দেশাত্ববোধ এবং আরো অনেক চেতনায় শিশুকে উদ্বুদ্ধ করা যাবে। শুধু রাজনীতিতে, শিশুর জীবনে এবং অন্য অনেক ক্ষেত্রে ইসলাম নিষিদ্ধ!!!
...
এটি একটি সচিত্র সত্য ঘটনা যা আপনার জীবন, আপনার চিন্তা ধারা ও জীবনের উদ্দেশ্য বদলে দিতে পারে। ঘটনাটি বাহরাইনের ইব্রাহিম নাসের নামের এক যুবকের। সে জন্মগতভাবেই পক্ষাঘাতগ্রস্ত, শুধু তার আঙ্গুল ও মাথা নাড়াতে সক্ষম। এমনকি তার নিঃশ্বাস প্রশ্বাসের জন্যও তাকে যন্ত্রপাতির সাহায্য নিতে হয়।
...
আজকের বিশ্বে যারা মা দিবসের আবিস্কারক ও প্রচারক, সেসব পশ্চিমাদের বাস্তব জীবনে মায়ের মর্যাদা কতখানি, সেটা বর্তামান বিশ্বের কোন লোককে বুঝিয়ে বলতে হবে না।পশুরাও পশ্চিমাদের চেয়ে 'মা' কে বেশি সম্মান দেয়। ইসলাম তার অনুসারীদেরকে...
লিচুর নাম মুখে নিতেই যেন জিবে পানি এসে যায়। মহান আল্লাহর কিছু কিছু অনুগ্রহ যেন আমাদের দেশের জন্য একান্তই স্পেশাল। এই ফলটি মনে হয় তার অন্যতম। হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে তোমার কৃতজ্ঞ বান্দা হওয়ার তাওফীক দান কর। প্রিয় এই ফলটি সৌদি আরবে দুষ্প্রাপ্য, তাই প্রবাসে ছবি...
সন্ত্রাসবাদ (ইসলামের জন্য সঠিক বা ভুল পথে যুদ্ধেরত) ও মৌলবাদ (আপোশহীন ভাবে ধর্ম পালনকারীদের) মুকাবেলায় বেশি বেশি সংস্কৃতি (গান, বাদ্য, নাচ, নাটক, সিনেমা) চর্চা করতে হবে। -আজকের একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী।
নামাযরে সকল কাজকে তনিভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ফরজ, ওয়াজবি ও সুন্নাত। নিন্মে ধারাবাহকি ভাবে প্রতিটি উল্লখে করা হয়েছে। নামাযের পূর্বশর্ত ১-নামাযের সময় হওয়া।
২-তিনটি বস্তু অর্থাৎ মুসুল্লির শরীর, কাপড় ও নামাযের জায়গা পবিত্র হওয়া। শরীরের বাহ্যিক অংশে কোন অপবিত্র বস্তু থাকলে তা দূর করা ও অজু-গোসল ছুটে গেলে অজু -গোসল করা।
৩-সতর ঢাকা। পুরুষের সতর হলো-নাভি হতে হাঁটুর নিচ...
রাষ্ট্রধর্ম থাকা উচিৎ কি অনুচিৎ- এবিষয়ে ৪টি বহুল জনপ্রিয় প্রশ্নের উত্তর। (১)অনেকেই খুব জোর গলায় বলে থাকেন- রাষ্ট্র কি নামায রোযা করে? রাষ্ট্রের আবার ইসলাম থাকবে কেন? তাদের এই মুখোরোচক প্রশ্নের জবাব অনেক সাধারণ মুসলিমের অজানা। তাদেরকে যদি পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, রাষ্ট্র কি কথা বলে? তাহলে রাষ্ট্রের আবার ভাষা থাকবে কেন? এই প্রশ্নের যে উত্তর, প্রথম প্রশ্নেরও একই উত্তর। (২)অনেকে আবার বলেন, আমাদের অন্তরে ইসলাম না থাকলে সংবিধানে থেকে কোন লাভ হবে না। তাই আসুন, সংবিধানে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আগে জনমনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করি। একথাটিও শুনতে বেশ ভালোই লাগে। এর প্রবক্তাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, অপরাধ বিষয়ে আমরা...
প্রবাস ভুমি হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বৈশিষ্ট্য: ইউরোপ আমেরিকার প্রবাসী বাংলাদেশিরা বেশিরভাগ শিক্ষিত। তারা দেশে থাকলেও অনেক আয় ও আর্থ সামাজিক উন্নয়ন করতে পারতো। পক্ষান্তরে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসী বাংলাদেশিরা বেশিরভাগ অশিক্ষিত বা স্বল্প শিক্ষিত। তারা দেশে থাকলে দিনে ২০০ টাকা রোজগারও সহজ নয়। আমাদের এই শ্রেণীর শ্রমিক অন্য কোন দেশ নিবে না বা নেয় না। এমন কয়েক মিলিয়ন লোকের কাজের সুযোগ করে দিয়েছে আরব দেশগুলো। এক কথায়-আরবের লোকেরা আমাদের অর্থনীতিতে যে অবদান রেখে চলেছে, তার নজীর আর কোন দেশ বা অঞ্চলে নেই। কিন্তু মজার ব্যপার হলো এই আরবের লোকদের ব্যপারেই আমাদের এক...
আল্লাহ বলেছেন, তোমরা কোন মুশরিক ( দেবতা ও একাধীক সত্ত্বা উপাসনাকারী) নারীকে বিবাহ করোনা, যতক্ষণ না সে ঈমান আনে। -সুরা বাকারা ২২১ রাষ্ট্র বা সমাজের কোন কিছুতেই ইসলাম নেই, সে তো পুরান কথা। নতুন খবর হলো, বৃটিশরাও ইসলামের যেসব বিষয়ে আপোষ করেছে, সম্পত্তি বন্টন ও বিবাহ তার অন্যতম। আজ সেসব জায়গাগুলোতেও হাত দেওয়ার দু:সাহস দেখাচ্ছে সরকার! সংবিধানের পর এবার বিবাহতেও ধর্ম বাদ। হে আল্লাহ! এসব কালো হাত তুমি ভেঙ্গে দাও। এতো কিছু থাকতে ইসলামের নাম নিশানাটুকুও মুছে ফেলতে হবে সংবিধান থেকে? ভাবখানা দেখে মনে হয়, সংবিধানে ইসলামের যা কিছু আছে, তার সব তন্ন তন্ন করে খুজে বার করে মুছে ফেলার...
আমি ভালবাসি আমার আল্লাহকে,প্রিয় রাসুল এবং আমার দেশকে। খোলামেলা কথা পছন্দ করি। অল্পতে কষ্ট পেয়ে বসি, আবার অল্পতেই ভুলে যাই সব দুখঃ। তবে কারো উপকার-অবদান ভুলতে পারিনা জীবনভর। পছন্দ করি উদার, স্বচ্ছ ও খোলামনের মানুষকে, ঘৃণা করি গোঁড়া ও অহংকারীকে। সবচেয়ে বেশি ভাবি দেশের নাস্তিকদের নিয়ে।